Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির উল্টো ফুটে এক আশ্চর্য বালক
হারাধন চৌধুরী 

এক হাতে একটি মৃত মুরগির বাচ্চা আর অন্য হাতে দশ টাকার একটি নোট। একজন কাঁদো কাঁদো মুখ করে ছুটে যাচ্ছে। হাত দুটি, পা দুটি খুব ছোট তার। কারণ, মানুষটিও ছোট খুব। মাত্র ছ’বছরের ছেলে। গন্তব্য তার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। কারণ সে যখন রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছিল তখন তারই সাইকেলের তলায় চাপা পড়ে মুরগি ছানাটি। সেটি তার পোষা নয়। কোনও পড়শির। রাস্তায় খাবার খুঁজে বেড়াচ্ছিল। তখনই এই দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় ছেলেটি ভীষণ বিচলিত হয়ে পড়ে। হয়তো তার ভেতর অপরাধ বোধ জেগে উঠে থাকবে। ছেলেটি তখনও জানে না যে মুরগি ছানাটি মারা গিয়েছে। জীবিত ও মৃতের তফাতজ্ঞান তার হয়নি নিশ্চয়। সাইকেল চালানো ফেলে রেখে মুরগি ছানার দেহটি সে প্রথমে নিয়ে গিয়েছিল তার বাড়িতে—বাবা মায়ের কাছে—সেটিকে বাঁচাতে হবে দাবি নিয়ে। সে বলতে থাকে, মুরগি ছানাটিকে তাঁরা তখনই যেন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। কিন্তু ছেলেটির বাবা মা উল্টে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে প্রাণীটি মারা গিয়েছে, তাকে আর বাঁচানো সম্ভব নয়। অতএব ছেলেটি আর বাবা মায়ের উপর ভরসা না-করে নিজেই ছুটে গিয়েছিল স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। হাতে করে নিয়ে গিয়েছিল নিজের জমানো দশ টাকার একটি নোটও। সেটি নার্সের হাতে দিয়ে—‘এখনই ওষুধ দিয়ে একে সারিয়ে তোলো’—গোছের কিছু বলেছিল! মৃতদেহটি নার্সের টেবিলে রেখে বাড়ি ফিরে সে নিয়ে গিয়েছিল একশো টাকারও একটি নোট। কিন্তু, নার্সের পক্ষে যে কোনোভাবেই ছেলেটিকে খুশি করা সম্ভব ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই ছেলেটি বাড়ি ফিরেছিল মৃত মুরগি ছানা আর এক বুক হতাশা নিয়ে।
তবে, এই ঘটনা ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নার্সদের অবাক করেছিল। একটি শিশুর ভেতর এত বড় হৃদয়ের সন্ধান পেয়ে তাঁরা অভিভূত হয়ে যান। এক নার্সই মোবাইল ফোনে এই বিরল শিশুর ছবি তুলে রেখেছিলেন। সেটাই পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। আমরা জেনে যাই, সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে চমকপ্রদ এই ঘটনার নায়কের নাম ডেরেক সি লালচানহিমা। সে থাকে মিজোরামে আইজল জেলার সাইরাং অঞ্চলে। ফেসবুক পোস্টে হাজার হাজার লাইক পড়েছে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে। লাখের কাছে মানুষ তার ছবি শেয়ার করেছেন। বিখ্যাত ব্যক্তিরাও ডেরেকের মানবিক মুখের প্রশংসা করেছেন। তার স্কুলও তাকে পুরস্কৃত করেছে। এরপর বিষয়টির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে প্রথাগত সংবাদ মাধ্যম। নানা ভাষার কাগজে এবং টিভিতে খবর হয়েছে।
দেশ এখন এক ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’র মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ভোটযুদ্ধ। এর উত্তাপ গোলাগুলির যুদ্ধের থেকে ঢের বেশি। ভারত পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। সুতরাং এই নির্বাচনে ভারতবাসীর রায় কোন দিকে যায় তা জানার জন্য বস্তুত সারা দুনিয়া আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে—ভারত আবার চৌকিদারের হাতে থাকবে নাকি যিনি চৌকিদারকেই চোর ‘সাব্যস্ত’ করে দিলেন তাঁর হাতে চলে যাবে? ৯০ কোটি ভোটার মিলে ৫৪৩ জন সদস্যকে নির্বাচন করে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে পাঠাবেন। আমাদের রাজনীতির কারবারিদের নাওয়া-খাওয়া-ঘুম ছুটে গিয়েছে। সবার মিশন ‘দিল্লি চলো’। সুতরাং প্রতিটি মিডিয়ার শিরোনাম দখল করে ফেলেছে এই বিরাট ইভেন্ট। অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবরই এই ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে কিংবা ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। তার ভেতরেও যে আমরা জেনে গেলাম সাইরাংয়ের ঘটনা, চিনে ফেললাম পাহাড়ি গাঁয়ের ছেলে ডেরেক সি লালচানহিমাকে—এটা নিঃসন্দেহে ভালো ব্যাপার। সবার আগে ধন্যবাদ দিতে হবে যে নার্স এই আশ্চর্য বালকের ছবি নিয়েছিলেন এবং যে বা যাঁরা ঘটনাটিকে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। তা নাহলে প্রথাগত সংবাদ মাধ্যমে ঘটনাটি আদৌ প্রচার পেত কি না সংশয় থাকে।
আজকের নির্বাচনী আবহে ডেরেকের মুখটি কিন্তু বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ঠেকছে। কারণ, ডেরেক যে হৃদয়ের পরিচয় দিয়েছে সেটি একজন খাঁটি মানুষের। যে মানুষের কথা বলে গিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ—ঈশ্বরজ্ঞানে জীবের প্রতি প্রেম প্রদর্শন করবে। ভোটে যাঁরা দাঁড়ান তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি থাকে—তাঁরা মানুষের সেবা করার সুযোগ চান। যে প্রার্থী পুনর্বার নির্বাচিত হওয়ার আশা নিয়ে সামনে আসেন তিনি বলেন, ‘‘আরও বেশি সেবা করার সুযোগ চাই।’’ কিন্তু, ৬৮ বছরব্যাপী বহুদলীয় নির্বাচনী গণতন্ত্র অনুশীলনের ইতিহাসের পাতায় রাজনীতির কারবারিদের যে ছবি ধরা রয়েছে তাতে তাঁদের বেশিরভাগের মুখের কথার সঙ্গে আচরণের সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্বঘোষিত জনসেবকদের অনেকেই নিজেকে চিনিয়ে দেন এক-একজন ক্ষমতালোভী হিসেবে। আর সেই ক্ষমতার কুর্সিতে আরোহণ করার জন্য কেউ কেউ যা করে থাকেন তা ভদ্রসমাজের কলঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। নিজেকে বড় দেখানোর জন্য প্রতিপক্ষকে পাঁকে নামানোর অদম্য চেষ্টা—মান্য রীতি হয়ে উঠেছে। কুকথার স্রোতেই থেমে থাকে না তাঁদের অ্যাডভেঞ্চার—নিজেরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকে ভক্ত সমর্থকদের একাংশকে লেলিয়ে দেন অন্যায় যুদ্ধের ময়দানে। প্রতিটি ভোটের আগে পরে এইভাবে কত নিরীহ মানুষের প্রাণ যে যায়, কত পরিবার যে চিরকালের মতো সর্বস্বান্ত হয় তার নিরপেক্ষ খতিয়ান আমরা কোনোদিনই পাব না। এর পরেও দেখা যায়—রাজনীতির কারবারিদের দল বদল, পক্ষ বদলের বাঁদরামি। হঠাৎ একদিন দেখা গেল (ধরা যাক) ‘লাল’ দলের একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি ‘সবুজ’ কিংবা ‘গেরুয়া’ দলে ভিড়ে গিয়েছেন! কী ব্যাপার—না, আগের দলে থেকে জনসেবা করার বড় সমস্যা হচ্ছিল! অথচ, ওই মহামান্যকে জেতানোর জন্যই ‘লাল’ দলের কিছু কর্মী সমর্থক ‘সবুজ’ এবং ‘গেরুয়া’ দলের লোকেদের হাতে বেধড়ক ঠ্যাঙানি খেয়েছিলেন কিংবা কেউ কেউ প্রাণও দিয়েছিলেন। উল্টো ঘটনাও ঘটে থাকতে পারে। (সেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রাজকোষের কত অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধ হয়েছে, এখানে তা উহ্য।) আবার এমনও কিছু মহামান্যের আবির্ভাব ঘটে যাঁরা দল বা পক্ষ বদল করেছেন চরকি কাটার মতো করে। কোনও ঘাটের জল খেতে বাকি নেই তাঁদের। মানুষের সেবা করার জন্য কিছু নারী পুরুষ এতটা আকুল হবেন বিবেকানন্দ নিশ্চয় কল্পনাও করেননি।
‘মানুষ’ শব্দের অর্থ না-জেনে মানুষের সেবা করতে গেলেই এই নিষ্ঠুর সার্কাস দেখানো সম্ভব। শিক্ষিত সমাজ জানে এবং মানে যে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র রাজনীতিকে বাদ দিয়ে নয়। তবু, যুব সমাজের শিক্ষিত সংবেদনশীল অংশ আজ রাজনীতিতে নামার, রাজনীতি অনুশীলনের, রাজনীতিকে ভালোবাসার কারণ খুঁজে পায় না। প্রতারণার সীমাহীন প্রতিযোগিতা রাজনীতির প্রতি সমস্ত আকর্ষণ নষ্ট করে দিয়েছে। তাঁরা কৃতজ্ঞ নির্বাচন কমিশনের প্রতি—এই জন্য যে ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের সঙ্গে ‘নোটা’ অপশনটাও রাখা হয়েছে। যাঁরা রাস্তায় নেমে রাজনৈতিক ভ্রষ্টাচারের প্রতিবাদ করতে পারেন না এটা তাঁদের একান্ত হাতিয়ার। এবার সারা দেশে নতুন ভোটার (১৮-১৯ বছর বয়সি) দেড় কোটি বা মোট ভোটারের ১.৬৬ শতাংশ। আর মোট যুব (১৮-৩০ বছর বয়সি) ভোটার ২০ কোটি। বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে আরও তাৎপর্যপূর্ণ—মোট প্রায় সাত কোটি ভোটারের মধ্যে নতুন ভোটার প্রায় তিন শতাংশ আর যুব ভোটার প্রায় দেড় কোটি। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ নোটা-য় ভোট দিয়েছিলেন। গত বছর রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মিজোরাম বিধানসভার ভোটেও ০.৫-২ শতাংশ হারে নোটা-য় ভোট পড়েছিল। অনেকগুলি আসনে জয়ের ব্যবধানের চেয়ে নোটা ভোটের সংখ্যা বেশি ছিল। বেশকিছু জবরদস্ত প্রার্থীকেও ঘোর অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল নোটা। নোটা একাধিক আসনে নির্ণায়কের ভূমিকা নিয়েছিল। নোটা কি পারবে রাজনীতির অনুশীলনটাকে মানবিক করে তুলতে—নীতি খুঁজতে আমাদের আর দূরবিন হাতড়াতে হবে না?
আমাদের বাংলা থেকে বহু দূরে একটি পুচকে ছেলে একটি মুরগি ছানাকে বাঁচানোর জন্য কত কীই না করল! তাও সেটি তার নিজেরও নয়, কোনও এক প্রতিবেশীর। তারই কারণে সেটি রক্তাক্ত হয়েছিল। পাছে তাকে বকাঝকা করা হয় কিংবা তার বাবা মায়ের কাছে দাম চাওয়া হয়—এই ভেবে ডেরেকের পক্ষে পালিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। কিংবা, ধরা পড়ে গেলে হাত ধুয়ে ফেলার মতো অজুহাতও দিতে পারত সে। লোকে সেটা মেনেও নিতে পারত বলে অনুমান হয়। কিন্তু, ওইটুকু ছেলে পুরো উল্টো পথে হেঁটেছে—মানুষের পথে—যে পথে হাঁটার সাহস বড়রা হারিয়ে ফেলেছি। এই ডেরেকের সামনে কোনও মানুষ আহত হলে সে আরও কী কী করতে পারত কল্পনা করি। বুকটা ভরে ওঠে।
কিছু ক্ষমতালোভীর সৌজন্যে রাজনীতি যখন বৃহৎ আকারে এক মুরগির কারবার হয়ে ওঠে তখন একটি সত্যিকার মুরগির বাচ্চাকে বাঁচানোর আকুতি থেকে শিক্ষা নেবে রাজনীতি! যদি একশো বছরেও বাস্তব হয়—সেই যুগের ভাগ্যবান প্রজন্ম পরখ করতে পারবে প্রকৃত ঈশ্বরসেবার স্বাদ। 
09th  April, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ফালাকাটায় আলিপুরদুয়ার জেলার প্রথম স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফালাকাটার টাউন ক্লাবের মাঠে এই স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হওয়ায় ফালাকাটা সহ জেলার ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। ...

সংবাদদাতা, ধনেখালি: বুধবার সকালে তারকেশ্বর বিধানসভা ও ধনেখালি থানার অন্তর্গত গোপীনাথপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করলেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার। হুডখোলা ৩০টি টোটো, প্রায় ৫০টি বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা করেন তৃণমূল প্রার্থী। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের যাবতীয় নথি পরীক্ষা করলেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক বিনোদ জুৎসি। বুধবার আগরতলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের দপ্তরে ওই লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের পর্যালোচনাব বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মোদিবাবু হারাতঙ্ক, ভয়াতঙ্ক রোগে ভুগছে: মমতা 

02:20:00 PM

অনেককেই মিষ্টি পাঠাই: মমতা 

02:19:00 PM

আমি কুর্তা পাঠালে দোষটা কোথায়: মমতা 

02:18:00 PM

বিজেপি থাকলে দেশে আগুন জ্বলবে: মমতা 

02:08:16 PM

হোমওয়ার্ক করে আসেন না মোদিবাবু: মমতা 

02:05:00 PM

নরেন্দ্র মোদি কাজ করতে জানে না: মমতা

02:04:58 PM