Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেসের ইস্তাহার বিজেপিকে
লড়াইতে টেনে এনেছে
পি চিদম্বরম

চুয়ান্ন পৃষ্ঠার একটা নথি যেন পায়রাদের মধ‌্যে‌ শিকারি বেড়াল দর্শনের ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। এখানে বিজেপি হল একদল পায়রা—৫৬ ইঞ্চি বুকের পাটার দম্ভ এখানে ভুলে যান—কংগ্রেসের ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ইস্তাহার প্রকাশ হতেই বিজেপি যেভাবে ফিটের রোগীর মতো আচরণ করছে তাতেই এর প্রমাণ।
সাধারণভাবে ইস্তাহারগুলো হয় স্বল্পায়ু এবং তাকের কোণের কোথাও জায়গা পায়। ২ এপ্রিল কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশের মিনিট কয়েকের ভিতরেই সেটা খবরের শিরোনাম দখল করে নেয় এবং একটা করে ঘণ্টা পেরিয়েছে ঘটনাটা নতুন মাত্রা পেয়ে গিয়েছে। দিনের শেষে এবং নিশ্চিতভাবে ৫ এপ্রিল শেষের মুখে ইস্তাহারের প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো প্রত‌্যেকটা নগরে, শহরে এবং শহর-ঘেঁষা গ্রামগুলোতে পৌঁছে গিয়েছে। আমি নিশ্চিত যে টেলিভিশন এবং প্রচারকরা প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোর কথা দিন কয়েকের ভিতরে অন‌্যদের কাছে পৌঁছে দেবে। কংগ্রেসের ইস্তাহারের বার্তার জোর এতটাই যে বার্তাবাহকরা এগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে ধন‌্য হবে।
কংগ্রেসের এবারের ইস্তাহার কতটা বৈশিষ্ট‌্যপূর্ণ যে ঘণ্টা কয়েকের ভিতরেই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ (গ্রামেরও চর্চার বিষয়) হয়ে উঠল? এর উত্তরটা হল—কংগ্রেসের ইস্তাহারটা বস্তুত মানুষের কণ্ঠস্বর। আমি চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে এই ইস্তাহারে জায়গা পাওয়া প্রত‌্যেকটা আইডিয়া বা প্রতিশ্রুতি কোনও-না-কোনও নাগরিক দিয়েছেন—হয় লিখিতভাবে অথবা দেশজুড়ে ১৭৪টা পরামর্শদাতার কোনোটা মারফত। ইস্তাহার প্রস্তুতকারীরা ওই সমস্ত আইডিয়াগুলোকেই সহজ ভাষায় গুছিয়ে লিখেছেন মাত্র।
বিজেপি উত্ত‌্যক্ত
সাধারণভাবে বিরোধী দলগুলোই শাসক দলের ইস্তাহারের সমালোচনায় মুখর হয়। সাম্প্রতিক অতীতের একটা ঘটনার কথাও আমি মনে করতে পারি না যাতে খোদ শাসক দল একটা বিরোধী দলের ইস্তাহারের বিরুদ্ধে এইভাবে খড়্গহস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে—কেন? বিজেপির লোকরা এর মধ‌্যে কী এমন পেয়েছে?
আমার মাথায় কয়েকটা জিনিস আসছে সেগুলো বিজেপিকে অবশ‌্যই উত্ত‌্যক্ত করেছে। প্রথমটা হল চাকরির প্রতিশ্রুতি। ৪৫ বছরের মধ‌্যে বেকারত্বের সর্বোচ্চ হার ৬.১ শতাংশ। নিশ্চিত এবং সত্বর সমাধান ছিল কিন্তু, সেই নিশ্চয়তা উপেক্ষা করে, মোদিজি বছরে দুই কোটি চাকরির বন্দোবস্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসলেন। উল্টে ওই প্রতিশ্রুতিই বিজেপিকে ধাওয়া করে বেড়িয়েছে। কর্মসংস্থানের ব‌্যবস্থার পরিবর্তে বিজেপির সরকার ডিমনিটাইজেশন এবং ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি চালুর মাধ‌্যমে চাকরি ধ্বংসই করেছে। ন‌্যাশনাল স‌্যাম্পেল সার্ভে অফিসের (এনএসএসও) সরকারি রিপোর্টে ৪ কোটি ৭০ লক্ষ চাকরি খোওয়া যাওয়ার কথা লেখা হয়। কংগ্রেসের ইস্তাহার দেখিয়েছে দেশের বিশাল সংখ‌্যক বেকার যুবক-যুবতীদের নিশ্চিত কাজের ব‌্যবস্থা কী কী ভাবে করা সম্ভব। যেমন একটা সহজ পদক্ষেপ হল—সরকারি এবং আনুষিঙ্গক দপ্তরগুলোতে যত শূন‌্যপদ রয়েছে সেগুলো পূরণ করা, তাহলে এখনই ২৪ লক্ষ বেকারের চাকরি দেওয়া সম্ভব।
এরপর, ইস্তাহার সাহসী মনোভাব রেখেছে কৃষিক্ষেত্রের জন‌্য। এমনকী, কৃষিঋণ মকুবের সিদ্ধান্ত বিজেপি উপহাস করার পরেও, কংগ্রেসের ইস্তাহারে বকেয়া কৃষিঋণ মকুব করে দেওয়ার ঘোষণা রাখা হয়েছে। বিজেপির তরফে কয়েকটি দেউলিয়া কোম্পানির (৮৪,৫৮৫ কোটি টাকা) ঋণ মকুবের দৃষ্টান্ত টেনে কৃষিঋণ মকুবের যাথার্থ‌্য দেখিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের ইস্তাহারের আরও দুটো প্রতিশ্রুতি কৃষকদের মন কেড়ে নিয়েছে: পৃথক ‘কিসান বাজেট’ এবং ঋণ খেলাপি কৃষকদের নামে আর কোনও ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলা নয়—কেননা যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ না-হওয়াটা হল একটা দেওয়ানি (সিভিল) সমস‌্যা। একদা বিখ‌্যাত এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন সার্ভিস ফিরিয়ে আনারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহারে। কথা দেওয়া হয়েছে—এগ্রিকালচারাল প্রোডিউস মার্কেট অ‌্যাক্ট প্রত‌্যাহার করা হবে, এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ‌্যাক্ট বদলানো হবে, এবং দেশের প্রতিটা জেলায় একটা করে কৃষি বিজ্ঞান কলেজ এবং একটা করে পশুস্বাস্থ‌্য বিজ্ঞান কলেজ স্থাপন করা হবে।
এড়িয়ে যাওয়া নয়
স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর মুখোমুখি হতে ভয় পায়নি কংগ্রেসের ইস্তাহার। মহিলাদের জন্য ইস্তাহারে প্রতিশ্রিতি রয়েছে—মহিলা সংরক্ষণ বিলের পরিবর্তন এবং সমস্ত সরকারি পদের তিন ভাগের একভাগ মহিলাদের জন‌্য সংরক্ষণ। তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর (ওবিসি) জন‌্য কংগ্রেসের এবারের প্রতিশ্রুতি হল—ইকোয়াল অপারচুনিটিজ কমিশন, আরও ইতিবাচক ভূমিকা এবং বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও তাঁদের জন্য সংরক্ষণ। কংগ্রেসের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি রয়েছে প্রবীণ নাগরিকদের জন‌্য, ভাষাগত এবং ধর্মীয় সংখ‌্যালঘুদের জন‌্য, নানাভাবে প্রতিবন্ধীদের জন‌্য এবং ‘এলজিবিটিকিউআইএ+’ কমিউনিটির জন‌্য। কংগ্রেসের এবারের নির্বাচনী ইস্তাহার পড়লে প্রত‌্যেকেই মনে করবেন এতে তাঁর কথাটা আছে।
কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার জাতীয় নিরাপত্তা, অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং বিদেশ-নীতি নিয়ে আলোচনা করেছে এবং এসব বিষয়ে বিজেপির ভুল নীতি ও ভুল পদক্ষেপকে চ‌্যালেঞ্জ করেছে। জেটলিজি কিছু প্রশ্ন তোলার পরে কংগ্রেস বাস্তব দিক তুলে ধরে জবাব দিয়েছে এবং পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। কেন জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সংখ‌্যা, অনুপ্রবেশকারীদের সংখ‌্যা এবং হতাহতের সংখ‌্যা বেড়ে গেল? সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন বা সংক্ষেপে আফসপা  তুলে নেওয়া হল কেন ২০১৫ সালে ত্রিপুরা রাজ‌্য থেকে পুরোপুরি, মেঘালয় থেকে ২০১৮ সালে এবং অরুণাচল প্রদেশের তিনটি জেলা থেকে ২০১৯-এর ১ এপ্রিল? বিজেপি কি মদতপুষ্ট-অন্তর্ধান, যৌননিগ্রহ ও হিংসাকে সমর্থন করছে? সংসদ যেকালে ডিফেন্স অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট এবং আনলফুল অ‌্যাক্টিভিটিজ (প্রিভেনশন) অ‌্যাক্ট তৈরি করেছে সেইকালে কেন ১২৪এ ধারার (বিদ্রোহ) প্রয়োজন—যেটা উপনিবেশ জমানার একটা অন‌্যায় ব‌্যবস্থামাত্র? এটা পরিষ্কার যে তার মতো লড়াই করার কায়দাটা কংগ্রেস ফের খুঁজে বার করেছে এবং বিজেপিকে চ‌্যালেঞ্জ জানাবার সদিচ্ছা দেখাচ্ছে। আমি বিতর্কে তাঁদের স্বাগত জানাই কিন্তু হতাশ হচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দিনকে দিন উগ্র হয়ে ওঠায়।
আইডিয়ার লড়াই চেয়েছিলাম
বিজেপি এখনও অব্দি (৫ এপ্রিল) তাদের নির্বাচনী ইস্তাহার বার করেনি। অথচ, প্রথম দফার ভোট আগামী ১১ তারিখ, আজ, সোমবার থেকে ধরলে মাত্র তিনদিন বাকি। আমার সন্দেহ হচ্ছে যে, কংগ্রেসের ইস্তাহারকে ‘কাউন্টার’ করার জন‌্য বিজেপি তার খসড়া ইস্তাহারটাকে মাজাঘষা (রিভাইজ) করছে। সে ভালো। বিজেপিকে আইডিয়ার যুদ্ধে নামানো যাক। যতদূর সম্ভব, বিজেপি ভরসা রেখেছে উগ্র-জাতীয়তাবাদে এবং অপব‌্যবহারে-গালমন্দে। বিজেপির প্রচার যদি আইডিয়া এবং যুক্তিতর্কের দিকে ঘুরে যেত তবে আমি সেটাকে স্বাগতই জানাতাম।
বহু দফায় ভোটগ্রহণের আইডিয়াটা আমার পছন্দ নয় কিন্তু, বর্তমান পরিস্থিতিতে, এটা হয়তো এড়ানো মুশকিল ছিল। ভোটগ্রহণের বিভিন্ন দফার ভিতরে খবর পরিবেশনে সংবাদ মাধ‌্যমকে অবশ‌্যই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে অবশ‌্যই কোনোরকম বৈষম‌্য হবে না। বাকিটা ভারতের মানুষের বিবেচনা।  
08th  April, 2019
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ জুলাই (পিটিআই): স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার এই আহ্বান জানিয়ে মোদি লিখেছেন, সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনার কথা জানবে গোটা দেশ। ...

কাবুল, ১৯ জুলাই (এএফপি): কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক বিস্ফোরণে কমপক্ষে আটজন প্রাণ হারালেন। ঘটনায় আরও বহু মানুষ জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। সরকারি ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শনিবার দুপুরে পাঁচলার গাববেড়িয়ায় টোটো ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশুর। তার নাম আমিরুদ্দিন শাহ (৭)। বাড়ি সিদ্ধেশ্বরী সাহাপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ওই শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি টোটোয় মাজারে যাচ্ছিল। তখন একটি লরি ওই টোটোয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পাথরপ্রতিমায় পুকুরে কুমির
পাথরপ্রতিমা ব্লকের কুয়েমুড়ি গ্রামের একটি পুকুরে প্রমাণ সাইজের কুমির দেখা ...বিশদ

08:30:00 AM

স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতার জন্য পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি 
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। বৃষ: মাতৃস্থানীয় ব্যক্তির স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত। মিথুন: সম্পত্তি লাভের ...বিশদ

08:11:47 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম১৮৯৯: লেখক বনফুল ...বিশদ

07:50:00 AM

২২ জুলাই কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট 

19-07-2019 - 08:37:08 PM

গড়িয়াহাট রোডে গাড়িতে আগুন, হতাহত নেই 

19-07-2019 - 06:58:00 PM