Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার নজিরবিহীন উন্নয়নের কাণ্ডারী
মমতাকেই কি ভয় পাচ্ছে বিজেপি?

শুভা দত্ত

ভোটযুদ্ধের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। দেশের আসমুদ্রহিমাচল প্রচার-অপপ্রচারের ঢেউয়ে উত্তাল। যুযুধান পক্ষগুলির মন্ত্রী-সান্ত্রী-সেনাপতি থেকে ছোট-বড়-মাঝারি নেতানেত্রী নাওয়া-খাওয়া ভুলে চড়া রোদের তাপ উপেক্ষা করে দেশজনতার দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। দলের প্রার্থীর জন্য ভোট চাইছেন। সরকার গড়তে পারলে আগামী পাঁচ বছরে সাধারণ মানুষের সার্বিক উন্নয়নে কত কী করবেন, দেশকে অগ্রগতির কোন শিখরে তুলে ধরবেন—তার ফিরিস্তি দিচ্ছেন। সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় খাড়া করে, নয়তো কটু ব্যঙ্গবিদ্রুপে সরগরম করে তুলছেন শহর-মহানগর থেকে গ্রাম-গ্রামান্ত। হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ ভিড় করে নেতা-মন্ত্রীদের ওইসব কথা শুনছেন, পুরনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জ্বালা বুকে করে নতুন প্রতিশ্রুতি গিলছেন! এবং পথেঘাটে, অফিস-কাছারিতে, বাজারে-বৈঠকখানায় তা নিয়ে তর্কবিতর্কে মশগুল হচ্ছেন। সব মিলিয়ে গোটা দেশ জুড়ে এখন একটা যেন যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব—যুদ্ধং দেহি রাজনৈতিক শিবিরগুলোতে চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। ভোটযুদ্ধের মুখে এমন দৃশ্য অবশ্য নতুন নয়। ভোট, বিশেষত দেশের ক্ষমতা দখলের লোকসভা ভোট এলে আমাদের দেশে এই দৃশ্য চিরকালই দেখা গেছে, আজও যায়। সেই ট্র্যাডিশনে কোনও ব্যতিক্রমই ঘটেনি। তবে, একেবারে সাম্প্রতিকে মনে হচ্ছে ভোটযুদ্ধের পাত্রপাত্রীদের চড়া মেজাজ দৃশ্যের উত্তাপ কিছুটা হলেও বাড়িয়ে দিয়েছে। অবশ্য, দূষণের ঠ্যালায় তো সারা বিশ্বই আজ উষ্ণায়নের কবলে—রাজনীতির রণাঙ্গন বাদ থাকে কী করে? নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়!
আসলে, ভোটযুদ্ধটা এখন রাজনীতির তত্ত্বকথা ছেড়ে মনে হয় একটা হাইটেক কৌশলী ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোট গোনায় বেশি সময় লাগার অছিলায় ব্যালটে ভোটে তাই হয়তো এত আপত্তি! এবং যত অপবাদই উঠুক ‘হাইটেক’ ভোটমেশিনে এত ভরসা! যুক্তিও অকাট্য— গোনার ক্ষেত্রে সময় অনেক কম লাগে। ঠিকই, আজ সময় একটা বড় ফ্যাক্টর। কারও যেন সেই অর্থে বাড়তি সময় নেই। সব কাজধান্দার শেকলে বাঁধা। আর সময় ধরতে জীবনে হোক, কি কাজে সর্বত্র বেড়েছে গতি। রাজনীতির ক্ষেত্রও তার ব্যতিক্রম নয়। চটজলদি কথাটা এখন কেবল কথার কথা নয়—জীবনে সমাজে বিনোদনে মায় রাজনীতিতেও চটজলদি রেজাল্ট চাইছি আমরা প্রায় সকলেই। কীভাবে কম খেটে বেশি পাওয়া যাবে কোন জায়গায় আঘাত করলে শত্রু ঘায়েল হবে জলদি—সেটাই আজ প্রধান ভাবনা, প্রথম লক্ষ্য। চলতি ভোটযুদ্ধের ময়দানে পক্ষ-প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক তরজা শুনলে অনেক ক্ষেত্রেই এই চটজলদি রেজাল্টের প্রতি একাগ্রতা টের পাওয়া যাচ্ছে! সভা-সমাবেশে উপস্থিত জনতার মন জয়ে তাই রাজনৈতিক নীতিতত্ত্ব বা বাস্তব সত্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চটকে চমকে মশালাদার মন্তব্য, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। এতে উপস্থিত জনতা সাময়িক একটা মনোরঞ্জনের আস্বাদ অবশ্যই পাচ্ছেন, তবে তা ভোটযুদ্ধে কতটা বক্তা বা তাঁর দলীয় রাজনীতিকে এগিয়ে দিচ্ছে বলা মুশকিল।
এই যেমন ধরুন না—দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ রাজ্যে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ‘স্পিড ব্রেকারে’র সঙ্গে তুলনা করে গেলেন! রাস্তায় স্পিড ব্রেকার বসানো হয় দুর্ঘটনা এড়াতে—সেদিক থেকে দেখলে এর উপযোগিতা অনস্বীকার্য। কিন্তু, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মন্তব্যে এমন ইতিবাচক ভাবনা কি থাকতে পারে? পারে না। সেজন্যই মোদিজির ‘স্পিড ব্রেকার’ নিছক একটা নেতিবাচক অর্থ নিয়েই গত বুধবার শিলিগুড়ির জনসভায় উপস্থিত জনতার দরবারে হাজিরা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দাবি ছিল গোটা দেশে তিনি এত উন্নয়ন করলেন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে পারলেন না—কারণ মমতা! মমতা নাকি ‘স্পিড ব্রেকারে’র মতো তাঁর উন্নয়নের পথে ‘প্রতিবন্ধক’ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন! মোদিজির মুখে এমন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য শুনে হয়তো তাঁর দলের সমর্থক সাধারণ জনতার একটা অংশ আমোদ পেয়েছেন কিন্তু মাঠ ছাড়ার পর সেই আমোদজনক মন্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের মিল কি তাঁরা পেয়েছেন? পাননি, পেতে পারেন না। তার কারণ, ওই জনতার ঘরে ঘরে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রী, কর্মশ্রী, সবুজসাথী, শিশুসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, জল ধরো জল ভরো, সবার ঘরে আলো মধুর স্নেহের মতো মমতার জনহিতকর প্রকল্পগুলির কোনও কোনওটার, এক বা একাধিকের সুযোগ-সুবিধা অনেকদিনই পৌঁছে গেছে। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, পানীয় জল, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিনামূল্যের চিকিৎসা, ওষুধ আজ প্রত্যন্ত গ্রামেও বাড়ি থেকে দু’পা বাড়ালেই মিলছে। তার ওপর নানারকম সরকারি আর্থিক অনুদান, সাহায্য, প্রকল্প, স্বাস্থ্য বা কৃষিক্ষেত্রে নিখরচায় বা অতি সামান্য খরচায় বিমা—তাও মিলতে শুরু করেছে বহুদিন। তাহলে!
বাংলার আজকের এই উজ্জ্বল উন্নত ছবিটার খোঁজ মোদিজি রাখেন না এমন তো নয়। হতেই পারে না। তিনি সব জানেন, জানে তাঁর দলের জাতীয় থেকে রাজ্য শাখার সকলে। তা সত্ত্বেও তবে কেন তিনি বুধবার ওইভাবে তীব্র আক্রমণ চালালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিশানা করে? বাংলার উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধক ‘স্পিড ব্রেকার’ বলে ব্যঙ্গ করলেন তাঁকে? এই ব্যঙ্গটুকু দিয়ে যে মমতার উন্নয়নকামী ভাবমূর্তিকে কিছুমাত্র বিচলিত করা যাবে না, পরন্তু বাংলায় বিজেপি সমর্থকমহলের মধ্যেই হয়তো কোথাও কোথাও কিঞ্চিৎ উষ্মা জাগার (মহানেতার বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের সঙ্গতিহীনতার জন্য) সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে—এমন কথাও কি ভাবেননি? আমাদের জানা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার দিক থেকে অত্যন্ত
বিচক্ষণ এবং কূটকৌশলী তা তথ্যভিজ্ঞজনেদের কাছে বহুবার শুনেছি। সুতরাং, তিনি যখন তাঁর অন্যতম প্রতিপক্ষকে ‘স্পিড ব্রেকার’ বলে ব্যঙ্গ করেন তখন সেটাকে কেবল মাঠ মাতানোর চেষ্টা বলে ভাবা
কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ওই ব্যঙ্গটি যখন
রাজ্যের ‘উন্নয়ন’ প্রসঙ্গে উত্থাপিত হয় তখন
সন্দেহ হয়—তাহলে কি খোদ প্রধানমন্ত্রীও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার উন্নয়নমুখী ভাবমূর্তির প্রবল
প্রভাব প্রতিপত্তিতে চিন্তিত! বাংলার নজিরবিহীন উন্নয়নের কাণ্ডারী মমতাকেই কি ভয় পাচ্ছে বিজেপি?
ভয় কতটা পাচ্ছে আমাদের জানা নেই, তবে বাংলায় মমতার অভাবনীয় ‘উন্নয়ন’ যে দেশজনতার মনে তাঁর সম্পর্কে প্রত্যাশার পারদ অনেকটা চড়িয়ে দিয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। জাতীয় স্তরের ভোট-রাজনীতিতে তো বটেই দেশজনতার মহলেও বাংলার উন্নয়ন এখন রীতিমতো চর্চার বিষয়। একথা আশা করি সকলেরই মনে আছে, ২০১৪ সালে মোদিজির জাতীয় রাজনীতিতে একচ্ছত্র হয়ে ওঠার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল ‘ভাইব্রান্ট গুজরাত’—শিল্পোন্নয়নের আলোয় উদ্ভাসিত গুজরাত। সারা দেশজুড়ে তখন গুজরাতের ‘অভূতপূর্ব’ উন্নয়ন এবং সেই উন্নয়নের রূপকার বলে চিত্রিত নরেন্দ্র মোদিজিকে নিয়ে সে কী ব্যাপক চর্চা! উঠতে বসতে ঘরে বাইরে সর্বত্র উন্নয়নের দিশারী হিসেবে মোদিজি’র গুণগান চলছে গেরুয়া শিবিরের দশদিক জোড়া প্রচারে আর দেশজনতাও অভিভূত, আত্মহারা। যে মানুষ গোধরা দাঙ্গায় ক্ষতবিক্ষত বদনামী একটা রাজ্যকে মুখ্যমন্ত্রীর সীমিত ক্ষমতা দিয়ে এমন উন্নয়নের শিখরে তুলে নিয়ে যেতে পারেন তাঁর হাতে দেশের ভার তুলে দিলে ‘আচ্ছে দিন’ নিশ্চয়ই আসবে। আসবেই। মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ইত্যাদি ইস্যুতে পড়তি দশার কংগ্রেস তখন মোদিজির ওই উন্নয়নপন্থী ভাবমূর্তির প্রবল উত্থান আটকাতে দিশেহারা। এবং শেষপর্যন্ত পর্যুদস্ত। দেশের মানুষের অঢেল সমর্থনে কংগ্রেসিরাজকে নস্যাৎ করে মোদিজি ‘স্বচ্ছ ভারত’ ‘নতুন ভারতে’র রূপকার হয়ে অবতীর্ণ হলেন দিল্লি মসনদে। তারপর কী হয়েছে না হয়েছে, জনপ্রত্যাশা পূরণে মোজিদি কতটা কী সফল বিফল হয়েছেন তা নিয়ে তর্ক আলোচনা বহু হয়েছে! সেসব থাক।
কিন্তু, একথা অস্বীকার করা যাবে কি যে আজও এই ২০১৯ সালেও ২০১৪ সালের মতোই রাজ্যের নজিরবিহীন উন্নয়নকে হাতিয়ার করে জাতীয় রাজনীতিতে আর এক মুখ্যমন্ত্রীর বিরাট উত্থান ঘটছে? এবং বলা বাহুল্য তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর রাজ্যটা বাংলা। সুদূর পশ্চিমের গুজরাত যদি উন্নয়নের ধ্বজা উড়িয়ে তার মুখ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রিত্বের আসনে পৌঁছানোর পথ করে দিতে পারে, তবে বাংলা পারবে না কেন? উন্নয়নের গতি-প্রকৃতি ও সাফল্যের নিরিখে আমাদের বাংলা এই মুহূর্তে দেশের যে কোনও রাজ্যের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রেই যে অনেক এগিয়ে তা কেন্দ্রীয় সরকারি পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে চলেছে। শুধু তাই নয়, বিশ্বমঞ্চে সম্মান, মর্যাদা লাভের ক্ষেত্রে কন্যাশ্রীর মতো সাফল্য আর কেউ কোনওদিন পেয়েছে কি? তো, এমন উন্নয়নমুখী ভাবমূর্তি যাঁর জাতীয় ভোট-রাজনীতিতে তাঁকে ঘিরে সাধারণ জনতা নতুন করে স্বপ্ন দেখতেই পারেন, ভাবতেই পারেন মমতা বাংলার মতো দেশকেও বিশ্বমানে পৌঁছে দিতে পারেন। আর সেই প্রত্যাশাতে যদি ভোটবাক্সে ঢল নামে তবে...!
প্রশ্ন হল, এই সম্ভাবনার কথা ভেবেই কি বুধবারের নির্বাচনী সভায় ‘স্পিড ব্রেকার’ বলে মমতাকে ব্যঙ্গ করলেন মোদিজি, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর চেয়ে বেশি আক্রমণ শানালেন তাঁকে লক্ষ্য করে? কিন্তু, এভাবে কি পশ্চিমবঙ্গের ঝলমলে উন্নত বাস্তবকে উপেক্ষা করা যাবে? বাংলা সমেত গোটা দেশের জনমনে উন্নয়নের সফল সার্থক দিশারী হিসেবে মমতার যে ইমেজ গড়ে উঠেছে তাকে একটুও ম্লান করা যাবে? আমরা বলব না, বলবে সময়—লোকসভা যুদ্ধের শেষফল।
07th  April, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: বিদেশি পর্যটক টানার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সর্বশেষ হিসেব বলছে, দেশে যত বিদেশি পর্যটক পা রাখেন, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে। এমনকী কেরল বা গোয়া— পর্যটন সংক্রান্ত আলোচনায় যে অঙ্গরাজ্যগুলির নাম আগে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...

সংবাদদাতা, ধনেখালি: বুধবার সকালে তারকেশ্বর বিধানসভা ও ধনেখালি থানার অন্তর্গত গোপীনাথপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করলেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার। হুডখোলা ৩০টি টোটো, প্রায় ৫০টি বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা করেন তৃণমূল প্রার্থী। ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতি 

11:13:00 AM

বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত রোড শোয়ে উপস্থিত বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র 

11:05:00 AM

ভাইকে অপহরণের পর মুক্তিপণ চেয়ে দাদার মোবাইলে ছবি পাঠাল দুষ্কৃতীরা 
ভাইকে অপহরণ করে অপহৃতের মোবাইল থেকেই তাঁর দাদার হোয়াটসঅ্যাপে ছবি ...বিশদ

11:03:00 AM

হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার নদীয়ার নোডাল অফিসার অর্ণব রায়

10:59:51 AM

দিল্লি বিমানবন্দরে সানফ্রান্সিসকোগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে আগুন

10:44:00 AM

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে উঃ কোরিয়ার শাসক কিম জং

10:41:00 AM