Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

রঞ্জন সেন: আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন। কংগ্রেসেও লেগেছে সমাজতন্ত্রের ছোঁয়া, ততটা উচ্চকোটির নন, এমন মানুষরাও দিব্যি সে দলে ফিট হয়ে গেছেন। বিজেপি আগে ছিল হিন্দি বলয়ে সীমাবদ্ধ ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের দল। এখন সেখানে দলিত থেকে নিম্নবিত্ত সবারই অবারিত দ্বার। কোনও দলই এখন নির্দিষ্ট তত্ত্ব আর শ্রেণীর বন্ধনীতে আটকে নেই। ক্ষমতার মসনদে পৌঁছানোর পথ মসৃণ করতেই একেক দল একেকবার একেকটি বিশেষ সম্প্রদায়কে নিজেদের তাঁবে আনার চেষ্টা করে। যেমন ভোটের মুখে বিজেপি উচ্চবর্ণের বিত্তহীন মানুষদের চাকরি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করেছে।
মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়ে হারের পর তাদের আত্মবিশ্বাস কিঞ্চিৎ টাল খেয়েছে, তাই ট্র্যাডিশনাল ভোটব্যাঙ্ককে অটুট রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। একদা বিজেপি ছিল এই সংরক্ষণের রাজনীতির কড়া সমালোচক, এখন তারা নিজেরাই এই তাস খেলছে। কিন্তু বিজেপি-র থিঙ্কট্যাঙ্করা একটা সহজ সত্য ভুলে গেছেন, তা হল ডোলের রাজনীতিতে, পাইয়ে দেবার রাজনীতিতে সংগঠন বাড়ে না, সংগঠন বাড়ে সঠিক নীতি ও কর্মপন্থায়। এ ব্যাপারে তাদেরই একটা সাফল্যের উদাহরণ দিই, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, মেঘালয়, ছত্তিশগড়, কাশ্মীরের বিভিন্ন অনুন্নত এলাকায় ‘একল বিদ্যালয়’ নামে যে প্রথা বহির্ভূত বিদ্যালয়গুলি সঙ্ঘ পরিবার চালাচ্ছেন, তাতে পরোক্ষভাবে মজবুত হচ্ছে বিজেপি-র সংগঠন। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে এই স্কুলগুলিই গড়ছে হিন্দুত্ববাদের ভিত। পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিক্ষার উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে, সেই শূন্যস্থান পূরণ করছে এই স্কুলগুলি।
যাই হোক, প্রসঙ্গে আসা যাক, এই সংরক্ষণের নীতি কতটা ভুল, কতটা ঠিক সেই বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় এতে তাদের বিরাট কোনও লাভও নেই। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশার মতো যে সব রাজ্যে বিজেপি এখন দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে সেখানে কিন্তু উচ্চবর্ণের মানুষের এ নিয়ে তাদের প্রতি অনুরাগ বা বিরাগের কোনও ব্যাপারই নেই। শাসন ক্ষমতায় থাকা দলের বিরুদ্ধে মানুষের কিছুটা ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক শূন্যতাকে আশ্রয় করেই এই দুটি রাজ্যে বিজেপি বেড়েছে। আবার দেখুন, কেরল, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশে বিজেপি-র এখনও তেমন কোনও জনভিত্তিই নেই। কাজেই সেখানে উচ্চবর্ণের ভোটকে বিশেষভাবে তাদের দিকে টেনে আনার কোনও প্রশ্নও আসছে না।
অসমের মতো রাজ্য যেখানে ধর্মীয় ও বিভেদ পন্থার তাস খেলে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে সেখানেও উচ্চবর্ণের মানুষদের এই সংরক্ষণের সিদ্ধান্তে তারা বিরাট কিছু লাভবান হতে পারবে না। এমনিতেই গতবারের তুলনায় অসম সহ উত্তর-পূর্বে তাদের ফল ভালো হবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছেন। কিন্তু উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষণ নয় এর সবথেকে বড় কারণ হল অসম ও অন্যান্য জায়গা থেকে বাঙালি বিতাড়নের রাজনীতি। কিছু কিছু রাজ্যে তারা এজন্য কিছু সময়ের জন্য সীমিত সুবিধা পেলেও সামগ্রিকভাবে দেশ জুড়ে এর থেকে বিরাট কোনও ফায়দা তুলতে পারবে না তারা। তাহলে তারা এই সিদ্ধান্ত নিলেন কেন? কারণ, চারদিক থেকে নানা ধাক্কায় বেসামাল এই দলটি উচ্চবর্ণের ভোটকে যেনতেন প্রকারে ধরে রাখতে চায়। কংগ্রেসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তারা প্রমাণ করতে চায় তারাই উচ্চবর্ণের মানুষদের একমাত্র রক্ষাকর্তা। সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া আর তাদের কোনও উপায় ছিল না। যে তিনটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে তারা হেরেছে, সেখানে বিজেপির পুরনো ভোটব্যাঙ্কের বড় অংশ কংগ্রেসের সঙ্গে গেছে। তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্যই এই প্রয়াস।
এটা ঘটনা সত্য যে উত্তর ভারতের রাজনীতিতে উচ্চবর্ণের ভোট একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু সেটা সব জায়গায় নয়। যেখানে তা করে না, সেখানে কিন্তু এই সিদ্ধান্তের একটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হতে বাধ্য। উচ্চবর্ণের পিছিয়ে থাকাদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের পিছনে একটা সুচতুর অঙ্ক আছে। তা হল, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি’র প্রভাব এখনও ততটা বাড়েনি সে রাজ্যগুলির ছাত্র-যুবদের মধ্যে দলের প্রভাব আরও বাড়ানো। যেমন পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব এই দুটি রাজ্যেই উচ্চবর্ণের মোট ভোট ৪৮ শতাংশ। ক্ষমতায় না থাকলেও বিজেপি বরাবরই পশ্চিমবঙ্গকে তাদের উর্বর জমি হিসেবে বিবেচনা করে, তার একটা বড় কারণ হল এরাজ্যে উদ্বাস্তু ও উচ্চবর্ণের মানুষদের সংখ্যা। দেশভাগের বেদনা ও তার কারণে অর্থনৈতিক আঘাতে এই মানুষগুলির কট্টর বিজেপি সমর্থক হয়ে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রভাব ও বামরাজনীতির দাপটে এই অংশকে এতকাল বিজেপি নিজেদের দিকে টানতে পারেনি। কিন্তু এখন উপরোক্ত দুটি শর্তই অনেকটা দুর্বল, তাই তারা সে চেষ্টায় কোনও ত্রুটি করছে না। ফল একদম পাচ্ছে না, তা বললে ভুল হবে।
এটাও মানতে হবে, বাংলায় আগে কয়েকজন সর্বত্যাগী কর্মী এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামটা ছাড়া বিজেপি’র আর তেমন কিছুই ছিল না। এখন তারা রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। কিন্তু এই বৃদ্ধির সঙ্গে উচ্চবর্ণের ভোটারদের আসা বা যাওয়ার কোনও সম্পর্ক হয়তো নেই। শাসক দলের প্রতি অসন্তোষ সবসময়েই কিছু মানুষকে বিরোধীদের দিকে ঠেলে দেয়। কিছু উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষণের এই সিদ্ধান্তে নিম্নবর্ণের ভোট হারাতে পারে তারা। বিশেষ করে বাংলা ও ওড়িশায়। গো-বলয়ের রাজনীতি এখানে চলবে না। মনে রাখতে হবে, বিজেপির প্রভাব আছে এমন বহু রাজ্যেই আদিবাসী ভোট একটা নির্ণায়ক ভূমিকা নেয়। সেখানেও উচ্চবর্ণের বিত্তহীনদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের ঘোষণা কিন্তু ব্যুমেরাং হয়ে যেতে পারে!
তবে রাজনীতি বড় অদ্ভুত ব্যাপার। ভিতরে ভিতরে ব্যাপক চটলেও ভোটের মুখে কোনও দলই এই সংরক্ষণের বিরুদ্ধে খুব একটা বেশি সরব হবে না। সেদিক থেকে বিজেপির এটা মাস্টারস্ট্রোক। কিন্তু রাজনীতি যেমন একটা সম্ভাবনার শিল্প ঠিক তেমনি ভোট টানার কায়দাও সেই শিল্পেরই একটা অঙ্গ। বিতর্ক বাড়লেও সংখ্যা থুড়ি ভোট বাড়ানোর খেলায় এই সিদ্ধান্ত খুব একটা কাজে আসবে বলে মনে হয় না। কারণ, সংরক্ষণের রাজনীতি দিয়ে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ককে সংরক্ষিত করা এখন বেশ কঠিন।
 মতামত লেখকের ব্যক্তিগত 
16th  March, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুরের কৃষকদের মধ্যে মাশরুম ও ব্রোকলি চাষে আগ্রহ বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে জেলা উদ্যানপালন দপ্তর। এব্যাপারে তারা বেশকিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দপ্তর ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, কালনা: ৭ জুন আমেরিকার ক্যাটালিনা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে ২৬ মে পাড়ি দিচ্ছেন কালনা শহরের বাসিন্দা ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সাতারু সায়নী দাস। তাঁকে উৎসাহ দানে কালনা অ্যামেচার সুইমিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান হল কালনা পুরশ্রী মঞ্চে। ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: ভাড়াবাড়ির বাথরুম থেকে বুবাই ঘোষ (৩৬) নামে এক যুবকের গলার নলিকাটা দেহ উদ্ধার করল পুলিস। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে খবর পেয়ে সোমবার রাতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গোপন প্রেম, গোপন থাকবে না। ব্যবসায়ীদের জন্য সময়টি ভালো, বয়স্করা একটু সাবধানী হবেন। ঠান্ডা লাগা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু
১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম
১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক হোমসের স্রস্টা স্টটিশ সাহিত্যিক আর্থার কোনান ডয়েলের জন্ম
১৮৮৫: ফরাসি সাহিত্যিক ভিক্টর হুগোর মৃত্যু
১৯৪০: ক্রিকেটার এরাপল্লি প্রসন্নর জন্ম
১৯৪৬: আইরিশ ফুটবলার জর্জ বেস্টের জন্ম
২০০৪: ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ডঃ মনমোহন সিংয়ের শপথ গ্রহণ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯২ টাকা ৭০.৬১ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১৮ টাকা ৯০.৩৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৫০ টাকা ৭৯.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৮/১৮ রাত্রি ২/৪১। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৪/৫৭/৫৩, অ ৬/৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৪ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৭ মধ্যে।
৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৪/৪৯/৫ রাত্রি ২/৫২/৫৯। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৪/৫৭/২১, অ ৬/১০/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৪/১ গতে ১/১৩/১১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৫/৪১ গতে ৯/৫৪/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫/৪১ গতে ৩/৩৬/৩১ মধ্যে।
১৬ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রবিবার জয়েন্টের জন্য অতিরিক্ত ট্রেন মেট্রোয়
আগামী ২৬ মে, রবিবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত ট্রেন ...বিশদ

09:04:03 AM

  আজ রিস্যাট ২বি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে ইসরো
বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ভোর সাড়ে ৫টায় নজরদারি উপগ্রহ রিস্যাট-২বি ...বিশদ

09:00:00 AM

বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো
আধুনীকিকরণ হবে। তাই বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো। ২০১৭ সালের ...বিশদ

08:42:16 AM

জোড়াসাঁকোতে আজ পুনর্নির্বাচন

কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াসাঁকো বিধানসভার সংস্কৃত কলেজের ১ নম্বর ...বিশদ

08:33:37 AM

রাফাল: মানহানির মামলা প্রত্যাহার অনিল আম্বানির
রাফাল চুক্তি নিয়ে অফসেট পার্টনার রিলায়েন্স এবং কর্ণধার অনিল আম্বানির ...বিশদ

08:30:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক ...বিশদ

08:19:44 AM