Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে। কোথাও সামনীতি অনুসরণ করে মধুর বাক্যে জনসংযোগ চলছে, কোথাও চলেছে দান দ্বারা সমাজের এক এক অংশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। দণ্ড নীতিও স্থির হয়ে নেই। যার যত বকেয়া অপরাধ আছে তার হিসেব নেওয়া চলছে। সঙ্গে রয়েছে ভেদ প্রক্রিয়া। তার ফলে হঠাৎ করেই বহুকালের বিশ্বস্ত সাথী কোনও অছিলায় পুরাতন সঙ্গীকে ত্যাগ করে নতুন সঙ্গীর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছে। কেউ বা উপেক্ষা নীতিকে আশ্রয় করে নিজের ঘরটুকু সামলাবার চেষ্টা করে চলেছে। চারদিকে অনৃত ভাষণের ঝড়ে সত্য, ধর্ম, ন্যায় ইত্যাদির মতো চির কল্যাণকারী বিষয়গুলি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধের নির্ণায়ক জনগণেশ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে অগ্র-পশ্চাৎ বোধ হারিয়ে ফেলছে। সকল ক্ষেত্রের এই উদ্বায়ী অবস্থা যেমন সময়ে সময়ে মহাভারত যুদ্ধের কথা মনে পড়িয়ে দিচ্ছে, তেমনই মনে পড়ে যাচ্ছে স্কুলের নীচের ক্লাসের সেইসব পিশুনতাগ্রস্ত মেয়েদের কথা যারা অন্যের কৃতিত্বকে সব সময়েই ছোট করে, তুচ্ছ করে বলতে ভালোবাসত।
রবীন্দ্রনাথ মহাভারতকে দেখেছিলেন ‘একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস’ রূপে। সেই জাতি যদিও এই বহু সহস্র বৎসরের ব্যবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরাজ করছে, তবু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির বিরাম নেই। মূলের সঙ্গে যুক্ত অথবা বিচ্ছিন্ন—সবার মধ্যে আজও মহাভারতকথার দুর্নিবার আকর্ষণ প্রবলভাবে রয়ে গেছে। তাই আজ থেকে প্রায় তিরিশ বছর আগে যখন প্রথমবার টিভি’তে রাহী মাসুম রজার তৈরি স্ক্রিপ্টে মহাভারত দেখানো হচ্ছিল তখন কলকাতায় যেমন বাস-ট্রাম ফাঁকা চলত তেমনই খবর ছিল পাকিস্তানেও সেই সময়টায় পথঘাট জনবিরল হয়ে পড়ত। সবাই তখন নিবিষ্ট মনে টিভি’র পর্দায় এই বিশাল ভারতের নিতান্ত আপন সেই প্রাচীন কথার সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেত। মহাভারতের সেই পুরুষার্থ, স্বার্থ বা পরমার্থের কাহিনীর মধ্যে সবাই নিজের মতো, আপন করা কিছু খুঁজে পেত।
বহুচর্চিত ও বহুশ্রুত সেই মহাভারত কাহিনীর বিভিন্ন পর্বকে আমরা চিরকালই জীবনের নানা পর্যায়ে নানাভাবে ঘটতে দেখি। বর্তমানের এই ভোটযুদ্ধ, অর্থাৎ ভারত খণ্ডের সকল সাবালক মানুষকে যুক্ত করা এই যুদ্ধও তেমনই এক ঘটনা। সেই যুদ্ধের সলতে পাকানো শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল আগেই। মানুষ চিরকালের মতো আজও চায় স্বার্থ, শঠতা, চৌর্য, মিথ্যা ইত্যাদি যেন জয়ী না হয়। সততা ও পুরুষার্থের জয়ের মধ্যে আজও মানুষ নিজের জয়কে খুঁজে পায়, তাদের শুভবুদ্ধি আজও জানায় পরিবারের, সন্তানাদি সকলের শাশ্বত কল্যাণ, স্বস্তি ও সমৃদ্ধি নিহিত রয়েছে ধর্মের জয় ও অধর্মের পরাজয়ের মধ্যে। তবু দুর্যোধনের অন্নদাস বা হস্তিনাপুরের সিংহাসনের নিঃশর্ত রক্ষাকারী হিসেবে দ্রোণ, ভীষ্ম ইত্যাদির মতো মহাবীরেরাও যেমন একবস্ত্রা কুলবধূ দ্রৌপদীর রাজ্যসভা মধ্যে বস্ত্র হরণের সময়েও প্রতিবাদহীন হয়ে নপুংসকের মতো নিশ্চুপে বসেছিলেন তেমনই বর্তমান সমাজেও বহু মানুষ নানাবিধ দাসত্বের চাপে চারদিকে ঘটে চলা শত সহস্র অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার নিঃশব্দে দেখে যেতে বাধ্য হয়ে আছে। ত্রাস বা দাসত্ব, কারণ যাই হোক, অধিকাংশ মানুষই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। সবাই এখন নীরব দর্শক, অপেক্ষা করে আছে সেই মহাক্ষণের যখন আসন্ন ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে তারা নিঃশব্দে নিজেদের মতামত জানাতে পারবে, হয়তো বা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনও করতে পারবে।
মহাভারতে উল্লেখিত অধিকাংশ প্রধান রাজ্যগুলির অবস্থান ছিল বিন্ধ্য পর্বতের উত্তরে এবং গাঙ্গেয় অববাহিকা ও তার পশ্চিমের অংশে। সে সব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম, সেচ ছাড়া ফসল ভালো হয় না। স্বাভাবিকভাবে জন্মানো তৃণের ওপর নির্ভর করে গো-পালন করা ছিল সেখানে এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা, যা আজও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গাভি ছিল অমূল্য। রাজা নহুষের এক উপাখ্যানে পাই মহর্ষি চ্যবনের মূল্য হিসেবে যখন তাঁর সমগ্র রাজ্যও অকিঞ্চিৎকর বিবেচিত হয় তখন এক তপস্বী বলেন গো এবং ব্রাহ্মণ উভয়ই অমূল্য। তাই মহর্ষির মূল্যস্বরূপ একটি গাভিই ঠিক বলে বিবেচিত হয়। রাজা নহুষও সমস্যামুক্ত হন। আজও গোধন সেই বলয়ের শ্রেষ্ঠ ধন। গোপালন করা এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা।
গোপালন এবং গোধন অপহরণের নানা ঘটনার কথা মহাভারতে রয়েছে, একেবারে সেই আদি পর্ব থেকেই। হস্তিনাপুরে গোধন চুরি নিয়ে রাজার কাছে অভিযোগের বর্ণনা আমরা পাই। বিরাট পর্বে গোধন অপহরণ এক বিরাট আকার পেয়েছে। মৎস্য দেশের অধিপতি অর্থাৎ বর্তমানে উত্তর-পূর্ব রাজস্থানের তৎকালীন রাজা বিরাটের ছিল বিপুল গোসম্পদ। প্রধানত সেই সম্পদের জোরেই তিনি ছিলেন কুবের তুল্য ধনী। তাঁর আশ্রয়েই পাণ্ডবেরা অজ্ঞাতবাসের এক বছর কাটিয়েছিলেন। তাঁদের অজ্ঞাতবাসের শেষ দিনটিতে মৎস্য দেশের পার্শ্ববর্তী ত্রিগর্ত্তদেশের রাজা সুশর্মা বিরাট রাজার গোধনের একাংশ হরণ করতে এসে বিরাট রাজার সাহায্যকারী পাণ্ডব ভাইদের বিক্রমে পরাজয় স্বীকার করে নতমস্তকে ফিরে যান। পরদিনই দুর্যোদন সপারিষদ বিশাল সৈন্যসহ বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভি হরণ করলে যে যুদ্ধ হয় তাতে দুর্যোধনদের সকলেই হতচেতন হয়ে পড়ে। কর্ণের এক ভাইসহ অন্য বহুজনের মৃত্যুও হয়। হতচেতন কৌরবদের উত্তরীয়গুলি অর্জুন হরণ করে উত্তরার পুতুলের জন্য নিয়ে যায়। কিন্তু হতচেতন কাউকে তারা হত্যা করে না। বর্তমানেও বেশ কিছুকাল ধরে সেই গোবলয় অঞ্চলে নানাসময়ে গোধন হরণ ও হরণকারীর নিগ্রহ বা মৃত্যুর খবর আমরা পাই। তবে পার্থক্য এই থাকে গোধন হরণকারীকে নিগ্রহ করলে বা তার মৃত্যু ঘটলে তার অদ্ভুত সব ব্যাখ্যা করা হয়। গোধন হরণকারী কোন সম্প্রদায়ের বা জাতির তার ওপরে প্রায়ই নির্ভর করে সেইসব আলোচনার তীব্রতা। সেই আলোচনায় মানুষের জীবিকা, অর্থনীতি বা চৌর্যদোষের কোনও স্থান থাকে না। এখন মানুষ যত সম্প্রদায়ে বিভক্ত মহাভারতের যুগে তা ছিল না। এখন যেমন স্বর্গলাভের প্রকৃষ্টতম উপায় হিসেবে অন্য মতাদর্শীদের হত্যা বা লুণ্ঠন শ্রেষ্ঠতম উপায় বলে একদল মানুষ প্রচার করছে, মহাভারতের যুগে সম্মুখ সমরে মৃত্যুকেই স্বর্গলাভের উপায় বলা হতো। যুধিষ্ঠিরের মতো ধর্মপরায়ণ মানুষও ‘অশ্বত্থামা হত ইতি গজ’ বলার জন্য নরকে গমন করেছিলেন, সেই মানবধর্মের কথা আমরা জানি। দুর্যোধনাদির দুর্বৃত্ততার কথা তাঁর মাতা-পিতা সর্বদাই মানতেন ও নিন্দা করতেন। যুধিষ্ঠিরের সততা শত্রুপক্ষীয়দেরও প্রশংসার বিষয় ছিল। পুত্রস্নেহের বিবশতার কথা ধৃতরাষ্ট্রকে বহুবার স্বীকার করতে দেখা গেছে। তখন বলা হতো ‘শত্রোরপি গুণা বাচ্যা দোষা বাচ্যা গুরোরপি’ অর্থাৎ শত্রুরও গুণাগান করা উচিত এবং গুরু দোষযুক্ত হলে তা বলা উচিত। সেসব নীতিকথা এখন হালে পানি পায় না। এখন প্রতিপক্ষের গুণগান করার বা গুরু বা নেতার দোষ দেখার মতো লোক নেই। তারা সাহস, সততা সব হারিয়ে উলুখাগড়া হয়ে গেছে। ফলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হলে উলুখাগড়ার প্রাণ যাবেই, ‘নষ্টমেব হি’। ভোটযুদ্ধের উদ্‌঩যোগপর্বের প্রাণহানি শুরু হয়ে গেছে। নিশ্চয় তা প্রতিবারের মতো যুদ্ধ শেষ হলেও চলবে। এই প্রাণহানি রোধে বা দোষীদের শাস্তিবিধানে চিরকালীন দৃষ্টান্তে হয়তো এবারও ব্যর্থ হবে প্রশাসন।
গোবলয়ের অর্থনীতি এবারের ভারতযুদ্ধে এক নির্ণয়কারী ভূমিকা নিতে চলেছে। গোরক্ষকদের একদেশদর্শিতার কারণে বাস্তব ক্ষেত্রে গোপালকেরা ও কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্তই হচ্ছে। গত কয়েকবছরে পশু খাদ্যের মূল্য প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলস্বরূপ গো পালকেরা গোরু চুরির ভয় দূর হওয়ায় নিজেদের গোরুর পালকে মুক্ত করে দিচ্ছে যাতে তারা নিজেরাই চরে খায়। চারণভূমিই যেখানে নেই সেখানে কৃষকের শস্যক্ষেত্রে হামলা হচ্ছে। ফসল নষ্ট হচ্ছে। রাত জেগে কৃষকেরা ফসল পাহারা দিচ্ছে। দুর্ভাবনায় তাদের রাতের ঘুম চলে গেছে। আগে দুধ না দেওয়া গাভি বা অকেজো বলদকে গোপালকেরা অল্প মূল্যে বিক্রি করে দিয়ে সেগুলি পালন করার দায় থেকে মুক্ত হতো। সেই পশুগুলি স্বল্পমূল্যের মাংসের জোগান দিয়ে বহু মানুষকে অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করত। ইদানীং সেই সাম্যাবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।
সুখ-দুঃখের মতো জয়-পরাজয়ও চক্রবৎ পরিবর্তিত হয়। চক্রবৎ পরিবর্ত্তন্তে। জগতে এ নিয়মের কোনও ব্যত্যয় নেই। শুধু কর্মটাই তো আমাদের আয়ত্তে থাকে, অধিকারে থাকে। ফল থাকে তো সেই ওপরওয়ালারই হাতে।
14th  March, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
একনজরে
 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

 সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ইস্ট ইন্ডিয়ানিনজা স্পোর্টস মিটে অংশ নিয়ে অন্যান্য রাজ্যগুলির খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিযোগিতার আসরে নেমে আলিপুরদুয়ার জেলার১৬ জন প্রতিযোগী সোনার পদক, ১০জন প্রতিযোগী রুপার পদক এবং ৪জন প্রতিযোগী ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিয়েছে।  ...

  বিএনএ, বাঁকুড়া: আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাঁকুড়ায় মাধ্যমিকের মার্কশিট ও শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু হবে। জেলার তিন মহকুমায় একটি করে স্কুল থেকে তা বিলি করা হবে। ১১টা নাগাদ ছাত্রছাত্রীরা তা বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে বাঁকুড়ার জেলা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বহর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। আমেরিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে যাতে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন ডিসি’র ইন্ডিয়ান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM