Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে। কোথাও সামনীতি অনুসরণ করে মধুর বাক্যে জনসংযোগ চলছে, কোথাও চলেছে দান দ্বারা সমাজের এক এক অংশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। দণ্ড নীতিও স্থির হয়ে নেই। যার যত বকেয়া অপরাধ আছে তার হিসেব নেওয়া চলছে। সঙ্গে রয়েছে ভেদ প্রক্রিয়া। তার ফলে হঠাৎ করেই বহুকালের বিশ্বস্ত সাথী কোনও অছিলায় পুরাতন সঙ্গীকে ত্যাগ করে নতুন সঙ্গীর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছে। কেউ বা উপেক্ষা নীতিকে আশ্রয় করে নিজের ঘরটুকু সামলাবার চেষ্টা করে চলেছে। চারদিকে অনৃত ভাষণের ঝড়ে সত্য, ধর্ম, ন্যায় ইত্যাদির মতো চির কল্যাণকারী বিষয়গুলি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধের নির্ণায়ক জনগণেশ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে অগ্র-পশ্চাৎ বোধ হারিয়ে ফেলছে। সকল ক্ষেত্রের এই উদ্বায়ী অবস্থা যেমন সময়ে সময়ে মহাভারত যুদ্ধের কথা মনে পড়িয়ে দিচ্ছে, তেমনই মনে পড়ে যাচ্ছে স্কুলের নীচের ক্লাসের সেইসব পিশুনতাগ্রস্ত মেয়েদের কথা যারা অন্যের কৃতিত্বকে সব সময়েই ছোট করে, তুচ্ছ করে বলতে ভালোবাসত।
রবীন্দ্রনাথ মহাভারতকে দেখেছিলেন ‘একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস’ রূপে। সেই জাতি যদিও এই বহু সহস্র বৎসরের ব্যবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরাজ করছে, তবু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির বিরাম নেই। মূলের সঙ্গে যুক্ত অথবা বিচ্ছিন্ন—সবার মধ্যে আজও মহাভারতকথার দুর্নিবার আকর্ষণ প্রবলভাবে রয়ে গেছে। তাই আজ থেকে প্রায় তিরিশ বছর আগে যখন প্রথমবার টিভি’তে রাহী মাসুম রজার তৈরি স্ক্রিপ্টে মহাভারত দেখানো হচ্ছিল তখন কলকাতায় যেমন বাস-ট্রাম ফাঁকা চলত তেমনই খবর ছিল পাকিস্তানেও সেই সময়টায় পথঘাট জনবিরল হয়ে পড়ত। সবাই তখন নিবিষ্ট মনে টিভি’র পর্দায় এই বিশাল ভারতের নিতান্ত আপন সেই প্রাচীন কথার সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেত। মহাভারতের সেই পুরুষার্থ, স্বার্থ বা পরমার্থের কাহিনীর মধ্যে সবাই নিজের মতো, আপন করা কিছু খুঁজে পেত।
বহুচর্চিত ও বহুশ্রুত সেই মহাভারত কাহিনীর বিভিন্ন পর্বকে আমরা চিরকালই জীবনের নানা পর্যায়ে নানাভাবে ঘটতে দেখি। বর্তমানের এই ভোটযুদ্ধ, অর্থাৎ ভারত খণ্ডের সকল সাবালক মানুষকে যুক্ত করা এই যুদ্ধও তেমনই এক ঘটনা। সেই যুদ্ধের সলতে পাকানো শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল আগেই। মানুষ চিরকালের মতো আজও চায় স্বার্থ, শঠতা, চৌর্য, মিথ্যা ইত্যাদি যেন জয়ী না হয়। সততা ও পুরুষার্থের জয়ের মধ্যে আজও মানুষ নিজের জয়কে খুঁজে পায়, তাদের শুভবুদ্ধি আজও জানায় পরিবারের, সন্তানাদি সকলের শাশ্বত কল্যাণ, স্বস্তি ও সমৃদ্ধি নিহিত রয়েছে ধর্মের জয় ও অধর্মের পরাজয়ের মধ্যে। তবু দুর্যোধনের অন্নদাস বা হস্তিনাপুরের সিংহাসনের নিঃশর্ত রক্ষাকারী হিসেবে দ্রোণ, ভীষ্ম ইত্যাদির মতো মহাবীরেরাও যেমন একবস্ত্রা কুলবধূ দ্রৌপদীর রাজ্যসভা মধ্যে বস্ত্র হরণের সময়েও প্রতিবাদহীন হয়ে নপুংসকের মতো নিশ্চুপে বসেছিলেন তেমনই বর্তমান সমাজেও বহু মানুষ নানাবিধ দাসত্বের চাপে চারদিকে ঘটে চলা শত সহস্র অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার নিঃশব্দে দেখে যেতে বাধ্য হয়ে আছে। ত্রাস বা দাসত্ব, কারণ যাই হোক, অধিকাংশ মানুষই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। সবাই এখন নীরব দর্শক, অপেক্ষা করে আছে সেই মহাক্ষণের যখন আসন্ন ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে তারা নিঃশব্দে নিজেদের মতামত জানাতে পারবে, হয়তো বা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনও করতে পারবে।
মহাভারতে উল্লেখিত অধিকাংশ প্রধান রাজ্যগুলির অবস্থান ছিল বিন্ধ্য পর্বতের উত্তরে এবং গাঙ্গেয় অববাহিকা ও তার পশ্চিমের অংশে। সে সব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম, সেচ ছাড়া ফসল ভালো হয় না। স্বাভাবিকভাবে জন্মানো তৃণের ওপর নির্ভর করে গো-পালন করা ছিল সেখানে এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা, যা আজও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গাভি ছিল অমূল্য। রাজা নহুষের এক উপাখ্যানে পাই মহর্ষি চ্যবনের মূল্য হিসেবে যখন তাঁর সমগ্র রাজ্যও অকিঞ্চিৎকর বিবেচিত হয় তখন এক তপস্বী বলেন গো এবং ব্রাহ্মণ উভয়ই অমূল্য। তাই মহর্ষির মূল্যস্বরূপ একটি গাভিই ঠিক বলে বিবেচিত হয়। রাজা নহুষও সমস্যামুক্ত হন। আজও গোধন সেই বলয়ের শ্রেষ্ঠ ধন। গোপালন করা এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা।
গোপালন এবং গোধন অপহরণের নানা ঘটনার কথা মহাভারতে রয়েছে, একেবারে সেই আদি পর্ব থেকেই। হস্তিনাপুরে গোধন চুরি নিয়ে রাজার কাছে অভিযোগের বর্ণনা আমরা পাই। বিরাট পর্বে গোধন অপহরণ এক বিরাট আকার পেয়েছে। মৎস্য দেশের অধিপতি অর্থাৎ বর্তমানে উত্তর-পূর্ব রাজস্থানের তৎকালীন রাজা বিরাটের ছিল বিপুল গোসম্পদ। প্রধানত সেই সম্পদের জোরেই তিনি ছিলেন কুবের তুল্য ধনী। তাঁর আশ্রয়েই পাণ্ডবেরা অজ্ঞাতবাসের এক বছর কাটিয়েছিলেন। তাঁদের অজ্ঞাতবাসের শেষ দিনটিতে মৎস্য দেশের পার্শ্ববর্তী ত্রিগর্ত্তদেশের রাজা সুশর্মা বিরাট রাজার গোধনের একাংশ হরণ করতে এসে বিরাট রাজার সাহায্যকারী পাণ্ডব ভাইদের বিক্রমে পরাজয় স্বীকার করে নতমস্তকে ফিরে যান। পরদিনই দুর্যোদন সপারিষদ বিশাল সৈন্যসহ বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভি হরণ করলে যে যুদ্ধ হয় তাতে দুর্যোধনদের সকলেই হতচেতন হয়ে পড়ে। কর্ণের এক ভাইসহ অন্য বহুজনের মৃত্যুও হয়। হতচেতন কৌরবদের উত্তরীয়গুলি অর্জুন হরণ করে উত্তরার পুতুলের জন্য নিয়ে যায়। কিন্তু হতচেতন কাউকে তারা হত্যা করে না। বর্তমানেও বেশ কিছুকাল ধরে সেই গোবলয় অঞ্চলে নানাসময়ে গোধন হরণ ও হরণকারীর নিগ্রহ বা মৃত্যুর খবর আমরা পাই। তবে পার্থক্য এই থাকে গোধন হরণকারীকে নিগ্রহ করলে বা তার মৃত্যু ঘটলে তার অদ্ভুত সব ব্যাখ্যা করা হয়। গোধন হরণকারী কোন সম্প্রদায়ের বা জাতির তার ওপরে প্রায়ই নির্ভর করে সেইসব আলোচনার তীব্রতা। সেই আলোচনায় মানুষের জীবিকা, অর্থনীতি বা চৌর্যদোষের কোনও স্থান থাকে না। এখন মানুষ যত সম্প্রদায়ে বিভক্ত মহাভারতের যুগে তা ছিল না। এখন যেমন স্বর্গলাভের প্রকৃষ্টতম উপায় হিসেবে অন্য মতাদর্শীদের হত্যা বা লুণ্ঠন শ্রেষ্ঠতম উপায় বলে একদল মানুষ প্রচার করছে, মহাভারতের যুগে সম্মুখ সমরে মৃত্যুকেই স্বর্গলাভের উপায় বলা হতো। যুধিষ্ঠিরের মতো ধর্মপরায়ণ মানুষও ‘অশ্বত্থামা হত ইতি গজ’ বলার জন্য নরকে গমন করেছিলেন, সেই মানবধর্মের কথা আমরা জানি। দুর্যোধনাদির দুর্বৃত্ততার কথা তাঁর মাতা-পিতা সর্বদাই মানতেন ও নিন্দা করতেন। যুধিষ্ঠিরের সততা শত্রুপক্ষীয়দেরও প্রশংসার বিষয় ছিল। পুত্রস্নেহের বিবশতার কথা ধৃতরাষ্ট্রকে বহুবার স্বীকার করতে দেখা গেছে। তখন বলা হতো ‘শত্রোরপি গুণা বাচ্যা দোষা বাচ্যা গুরোরপি’ অর্থাৎ শত্রুরও গুণাগান করা উচিত এবং গুরু দোষযুক্ত হলে তা বলা উচিত। সেসব নীতিকথা এখন হালে পানি পায় না। এখন প্রতিপক্ষের গুণগান করার বা গুরু বা নেতার দোষ দেখার মতো লোক নেই। তারা সাহস, সততা সব হারিয়ে উলুখাগড়া হয়ে গেছে। ফলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হলে উলুখাগড়ার প্রাণ যাবেই, ‘নষ্টমেব হি’। ভোটযুদ্ধের উদ্‌঩যোগপর্বের প্রাণহানি শুরু হয়ে গেছে। নিশ্চয় তা প্রতিবারের মতো যুদ্ধ শেষ হলেও চলবে। এই প্রাণহানি রোধে বা দোষীদের শাস্তিবিধানে চিরকালীন দৃষ্টান্তে হয়তো এবারও ব্যর্থ হবে প্রশাসন।
গোবলয়ের অর্থনীতি এবারের ভারতযুদ্ধে এক নির্ণয়কারী ভূমিকা নিতে চলেছে। গোরক্ষকদের একদেশদর্শিতার কারণে বাস্তব ক্ষেত্রে গোপালকেরা ও কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্তই হচ্ছে। গত কয়েকবছরে পশু খাদ্যের মূল্য প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলস্বরূপ গো পালকেরা গোরু চুরির ভয় দূর হওয়ায় নিজেদের গোরুর পালকে মুক্ত করে দিচ্ছে যাতে তারা নিজেরাই চরে খায়। চারণভূমিই যেখানে নেই সেখানে কৃষকের শস্যক্ষেত্রে হামলা হচ্ছে। ফসল নষ্ট হচ্ছে। রাত জেগে কৃষকেরা ফসল পাহারা দিচ্ছে। দুর্ভাবনায় তাদের রাতের ঘুম চলে গেছে। আগে দুধ না দেওয়া গাভি বা অকেজো বলদকে গোপালকেরা অল্প মূল্যে বিক্রি করে দিয়ে সেগুলি পালন করার দায় থেকে মুক্ত হতো। সেই পশুগুলি স্বল্পমূল্যের মাংসের জোগান দিয়ে বহু মানুষকে অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করত। ইদানীং সেই সাম্যাবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।
সুখ-দুঃখের মতো জয়-পরাজয়ও চক্রবৎ পরিবর্তিত হয়। চক্রবৎ পরিবর্ত্তন্তে। জগতে এ নিয়মের কোনও ব্যত্যয় নেই। শুধু কর্মটাই তো আমাদের আয়ত্তে থাকে, অধিকারে থাকে। ফল থাকে তো সেই ওপরওয়ালারই হাতে।
14th  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: স্থানীয় মানুষদের সুবিধার জন্য ঘোষিত প্রকল্পের শিলান্যাসের পর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও আমতা-বাগনানের রেল লাইন চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটল না। এমনকী রেল প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েও রেল লাইন চালু না হওয়া এবং শিলান্যাসের ফলকও উধাও হয়ে যাওয়ায় রেল ...

নয়াদিল্লি, ১৮ মার্চ (পিটিআই): লোকসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া শুরু হল সোমবার। হায়দরাবাদ লোকসভা কেন্দ্র থেকে এদিনই মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন এআইএমআইএম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। প্রথম পর্বে ভোটগ্রহণ হবে ১১ এপ্রিল। ...

সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: রবিবার রাতে রক্ষীবিহীন এটিএম ভেঙে টাকা লুট করার চেষ্টা করল দুষ্কৃতীরা। শান্তিনিকেতন থানার কপায় স্টেশন সংলগ্ন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএমের ডিসপ্লে কাচ ভেঙে ...

মৃণালকান্তি দাস: শুক্রবার রাত মানেই তো আনন্দের রাত। এই রাতে নিউজিল্যান্ডের কোনও শহর এমনিতেই ঘুমায় না। আর এই শুক্রবারটা তো ছিল ১৭ মার্চ। সেন্ট পিটার্স ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৭- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের জন্ম
১৯০১- সাহিত্যিক ও পরিচালক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৯- প্রাক্তন ইংরেজ ফুটবলার রন অ্যাটকিনসনের জন্ম
১৯৭৪- কবি বুদ্ধদেব বসুর মৃত্যু 

18th  March, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯০ টাকা ৬৯.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬৩ টাকা ৯২.৯০ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৯ টাকা ৭৯.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ২১/২১ দিবা ২/১৯। মঘা ৩৩/১৬ রাত্রি ৭/৫। সূ উ ৫/৪৬/৭, অ ৫/৪৩/২১, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯ গতে ১০/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৫ গতে ৩/২১ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। 
৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১২/২/২২। মঘানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/২২/১৬, সূ উ ৫/৪৬/৩৩, অ ৫/৪২/২৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯/৪৩ থেকে ১০/৩২/৫৫ মধ্যে ও ১২/৫৬/৪ থেকে ২/৩১/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯/১৪ থেকে ৪/৫৪/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩০/৪২ মধ্যে ও ৮/৫৫/৩১ থেকে ১১/২০/২১ মধ্যে ও ১/৪৫/১১ থেকে ৩/২১/৪৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬/২ থেকে ৮/৪৫/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১/১৩/৫৮ থেকে ২/৪৩/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১২/৫৬ থেকে ৮/৪৩/২৭ মধ্যে। 
মোসলেম: ১১ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৫ সিআরপিএফ জওয়ান 

18-03-2019 - 06:48:58 PM

কলকাতা বিমানবন্দরে ২ জন রোহিঙ্গা সহ গ্রেপ্তার ৩ 

18-03-2019 - 06:24:00 PM

অনুব্রতর মন্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের  
অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোধারা বসুর কাছে ...বিশদ

18-03-2019 - 05:35:12 PM

সল্টলেকে গাড়ির ধাক্কায় জখম এক সাইকেল আরোহী  

18-03-2019 - 05:00:00 PM

নেদারল্যান্ডসের উৎরেষ্ট শহরে বন্দুকবাজের হামলা, হত ১, জখম বেশ কয়েকজন

18-03-2019 - 04:11:00 PM

৭১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

18-03-2019 - 03:54:21 PM