Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের। কার্গিল যুদ্ধের পর আপামর ভারতবাসী সেনার বীরত্বে একদিকে যেমন উল্লসিত, অন্যদিকে জাতীয়তাবাদের ভাবাবেগের দ্বারাও তাড়িত। সমগ্র দেশবাসী ভারতের অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্নে এককাট্টা। পাড়ার রোয়াকের আলোচনা থেকে বাড়ির আলাপচারিতায়, স্কুল-কলেজ থেকে অফিস-কাছারি সর্বত্রই ভারতীয় সেনার বীরত্বে মানুষ মোহিত। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভারতীয় সেনা বাহিনীর শৌর্য্যের কথা নানাভাবে লক্ষ করা যাচ্ছে।
এইরূপ আবহে নির্বাচন কমিশন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। গত সপ্তাহ দুই ধরে কেন্দ্রীয় শাসক দলের ছোট বড় মাঝারি বিভিন্ন নেতা সেনা বাহিনীর এই বীরত্বকে তাঁদের সাফল্য হিসেবে প্রচার করে চলেছেন। স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের বিরুদ্ধেও সেনা বাহিনীকে সামনে রেখে দলীয় প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। ভারতীয় বিমান বাহিনীর আক্রমণে কতজন জঙ্গি খতম হয়েছে সেই প্রশ্ন তুললেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। বিজেপির কেউ কেউ আবার বিরোধীদের বিমানে চাপিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে ফেলে দিয়ে আসার কথা বলছেন—যাতে করে বিমান বাহিনীর ফেলা বোমার প্রভাব তাঁরা স্বচক্ষে দেখে আসতে পারেন! বিমান বাহিনীর আক্রমণে প্রতিপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা যে শাসকের কাছে একেবারেই নাপছন্দ তা তাঁরা নানাভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সামরিক অভিযান বা যুদ্ধের মতো বিষয়কে নিয়ে প্রশ্ন করা নতুন কোনও বিষয় নয়। ১৯৬২-র ভারত-চীন যুদ্ধের পর ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তৎকালীন প্রস্তুতির খামতি নিয়ে কেন্দ্রীয় শাসকের বিরুদ্ধে যথেষ্ট হইচই হয়েছিল। এমনকী, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধেও গোলাবারুদ মজুদের অপ্রতুলতা নিয়ে বা নিহত সেনা জওয়ানদের জন্য কফিন কেনাকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। ভিয়েতনাম যুদ্ধে বা উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রবাসীদের একাংশের মধ্যেও যথেষ্ট ক্ষোভ ছিল। তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে সে-দেশে মিটিং মিছিলও সংঘটিত করেছিলেন। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সমস্ত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক বলে বিবেচিত হয় না। এখানেই চীনের মতো কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো গণতান্ত্রিক দেশের তফাত।
তবে, সমস্ত বিতর্ক সরিয়ে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক প্রশ্ন হল—যুদ্ধের আবহ কি কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিকে নির্বাচনী বৈতরণী পেরতে সাহায্য করতে পারে? আরও স্পষ্ট করে বলা যায়, ভারতীয় সেনা বাহিনীর এই সাফল্য বাস্তবে বিজেপিকে
নির্বাচনে কতটুকু বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিতে পারে?
এই প্রশ্নে সংবাদ মাধ্যম জুড়েই চলছে সমীক্ষার ফল। তাতে প্রশ্ন থাকছে—পুলওয়ামায় ভারতীয় জওয়ানদের মৃত্যুর ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদি সরকার কি জবাব যথাযথভাবে দিতে পেরেছে বলে আপনি মনে করেন? ওই ঘটনা আগামী ভোটে বিজেপিকে বাড়তি সুবিধা দেবে বলে কি মনে হয়? বলাই বাহুল্য, এই ধরনের প্রশ্নের অধিকাংশের উত্তর নরেন্দ্র মোদির সাফল্যের দিগ্‌঩নির্দেশ করছে।
একথা অনস্বীকার্য যে ১৯৭১-এর যুদ্ধের পর এই প্রথম ভারতীয় বিমান বাহিনী সরাসরি পাকিস্তানের আকাশ সীমা অতিক্রম করে সন্ত্রাসবাদী শিবিরে আঘাত করে ফিরতে পেরেছে। ইজরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া ছাড়া বিমান বাহিনী দিয়ে অন্য দেশাভ্যন্তরের জঙ্গিশিবির গুঁড়িয়ে দেওয়ার উদাহরণ খুব বেশি নেই। সেনা বাহিনীর এই বীরত্বের পাশাপাশি এই প্রথম আন্তর্জাতিক দুনিয়া একজোট হয়ে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকী, ভারত-পাকিস্তান এই দ্বন্দ্বে চীনও সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিতে পারেনি। কূটনীতির জায়গা থেকে নিঃসন্দেহে এটি নরেন্দ্র মোদির একটি বড় সাফল্য। স্বভাবতই নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহরা চাইবেন সেনা বাহিনীর সাফল্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক সাফল্যের উপর ভর করে নির্বাচনে বাড়তি সুবিধা আদায় করে নিতে। যদিও এক্ষেত্রে প্রশ্ন থাকছে যুদ্ধের ভাবাবেগ ভোটের রাজনীতিকে কতটুকু প্রভাবিত করতে পারে?
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল সে-দেশের সাধারণ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন। অথচ, চার্চিল ১৯৪০-৪৫ এই সময়কালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে অভূতপূর্ব সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সফল হলেও যুদ্ধের অব্যবহিত পর জাতীয় রাজনীতিতে শ্রমিক দলের নেতা ক্লিমেন্ট এটলির কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। যুদ্ধোত্তর ব্রিটেনে রুজি-রোজগার, খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। মানুষের মূল চাহিদা পূরণের প্রশ্নে তাঁরা চার্চিল অপেক্ষা এটলির উপরেই ভরসা রেখেছিলেন।
আবার, ইতিহাসে একের পর এক উদাহরণ রয়েছে যেখানে যুদ্ধের থেকে উৎপন্ন জাতীয়তাবাদী ভাবাবেগ শাসক দলকে যুদ্ধ-পরবর্তী ভোট বৈতরণী পেরতে যথেষ্ট সাহায্য করেছিল। ১৯৭১-এর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনী সরাসরি পাকিস্তানকে পরাজিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। সেনার এই সাফল্য ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বকে এমন এক উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠা করেছিল যে ভারতীয় সংসদে বিরোধী দলের তৎকালীন নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ি তাঁকে ‘দেবী দুর্গা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। জাতীয়তাবাদের ভাবাবেগ ১৯৭১-এর লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীকে বিপুল সাফল্য এনে দিয়েছিল। আবার, পূর্ণ যুদ্ধ না-হলেও কার্গিলের সীমিত যুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনীর বীরত্ব তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়িকে ১৯৯৯-এর লোকসভা নির্বচনে বাড়তি সুবিধা না-দিলেও পূর্বের অবস্থা ধরে রাখতে সাহায্য করেছিল। পাশাপাশি কার্গিল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাজপেয়ির নেতৃত্ব এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছিল যার ফলে ছোট বড় ২৪টি দলের সমর্থন নিয়ে তিনি কেন্দ্রে পাঁচ বছর সরকার চালাতে পেরেছিলেন।
ইতিহাসে আবার এমন বহু উদাহরণ আছে যেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মানুষের ক্ষোভকে চাপা দেওয়ার জন্য বা অন্যত্র চালিত করার জন্য শাসক নিজেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধে জড়িয়ে জাতীয়তাবাদের ভাবাবেগ তুলে শাসক কখনও যেমন সফল হয়েছে তেমনি কখনও আবার ব্যর্থ হয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী পর্যায়ে নির্বাচনী বৈতরণী পেরতে। যেমন আর্জেন্টিনার শাসক জেনারেল লিও পোলডো গলটিয়ারয় দেশের বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপে সেনা পাঠিয়ে আকস্মিকভাবে অধিগ্রহণ করেন। সেনা পাঠিয়ে আর্জেন্টিনা যে ফকল্যান্ড দখল করে নিতে পারে তা ব্রিটেনের ধারণার বাইরে ছিল। ব্রিটেন তড়িঘড়ি বিমান এবং নৌ বাহিনী পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে যুদ্ধে পরাস্ত করে ফকল্যানডের পূর্ণ দখল নেয়। ব্রিটেনের সঙ্গে আর্জেন্টিনার এই যুদ্ধে ২৫৮ জন ব্রিটিশ সেনা এবং ৬৪৫ জন আর্জেন্টিনার সেনার মৃত্যু ঘটে। ফকল্যান্ড যুদ্ধ জয়ের পর তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের নির্বাচনী ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হলেও আর্জেন্টিনার স্বৈরাচারী শাসক গলটিয়ারের উপর সে-দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষোভ কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে পদ ছাড়তে হয়।
অর্থাৎ, যুদ্ধ শাসককে নির্বাচনে কখনও জিতিয়েছে, কখনও-বা হারিয়েছে। চার্চিলের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নেতাকেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিনের মানুষ সে-দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে প্রত্যাখ্যান করেছিল। শ্রমিক নেতা এটলির উপরে সাধারণ মানুষ ভরসা রেখেছিলেন। আসলে, জাতীয়তাবাদী ভাবাবেগ কতটুকু কাজ করবে তা নির্ভর করে সেই দেশের সমসাময়িক আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি, বিকল্প রাজনৈতিক নেতৃবর্গের উপর সাধারণ মানুষের ভরসা বা বিদ্যমান শাসক দল ও তার নেতাদের কর্মপন্থার উপর। নরেন্দ্র মোদির সরকারের পাঁচ বছরের সাফল্য ও ব্যর্থতা পরখ করার পাশাপাশি মানুষ কিন্তু বিরোধী নেতাদের উপর ভরসা রাখতে পারছে কি না সেই বিষয়টিও ভোটারদের কাছে গুরুত্ব পাবে। জাতীয়তাবাদী ভাবনা একটি স্তর পর্যন্ত মানুষকে প্রভাবিত করলেও নির্বাচনী সাফল্যের সঙ্গে সর্বদাই যে তার সরলরৈখিক সম্পর্ক থাকে ইতিহাস অন্তত তা বলে না। কর্মসংস্থান, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, নিরাপত্তা প্রভৃতি বিষয়গুলি শেষপর্যন্ত নির্বাচনের মূল ইস্যু হিসেবে উঠে আসতে দেখা গিয়েছে বার বার।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
12th  March, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
একনজরে
 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

  বিএনএ, বাঁকুড়া: আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাঁকুড়ায় মাধ্যমিকের মার্কশিট ও শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু হবে। জেলার তিন মহকুমায় একটি করে স্কুল থেকে তা বিলি করা হবে। ১১টা নাগাদ ছাত্রছাত্রীরা তা বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে বাঁকুড়ার জেলা ...

 নয়াদিল্লি, ২০ মে (পিটিআই): ভোট পরবর্তী এক্সিট পোল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। যদিও গেরুয়া শিবির রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। সপ্তম দফার নির্বাচনের পর এক্সিট পোলে ইঙ্গিত মিলেছে, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন মোদি সরকার। শুধু ফিরছে না। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বহর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। আমেরিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে যাতে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন ডিসি’র ইন্ডিয়ান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM