Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে। ভাবনায় যেন প্রভাব না ফেলে অন্ধ রাজনৈতিক মতামত। এ বড় কঠিন দাবি, বিশেষত আজকের পরিস্থিতিতে, যখন লোকসভা ভোট দোরগোড়ায়।
সাধারণভাবে বিরোধী দলগুলো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটা অতি সরলীকরণ। বিরোধীরা মনে করে, দেশের উপর আঘাত এলে তার প্রত্যাঘাত করা জরুরি (নিউটনের তৃতীয় সূত্র), কিন্তু ঘটনাগুলো ঠিক কী হচ্ছে তাতে যেন অস্বচ্ছতা না-থাকে (প্রমাণ চাই)। অর্থাৎ, আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর উপর যখন আক্রমণ হবে তখন প্রশ্ন উঠবে যে দেশের সুরক্ষাব্যবস্থায় কোনও গলদ ছিল কি না। যখন আমাদের দেশের বিমান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে হাজার কিলো বোমা টপকে আসবে তখন জানাতে হবে যে সে বোমা জয়েশের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাড়ে পড়ল নাকি ফাঁকা মাঠে। বিমানহানায় পাইনবনে তিনটে কাক মরলে কিংবা পরিবেশ দূষণ হলে সেটাই জানাতে হবে। বালাকোটে জয়েশের জঙ্গিঘাঁটিতে সাড়ে তিনশো লাশের দাবির সত্যতা এবং সেই তালিকায় মাসুদের শালা কিংবা সম্বন্ধী আছে কি না সে ব্যাপারে দেশের মানুষকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে। বিরোধীদের মতের পক্ষে যুক্তি দেওয়া যেতেই পারে যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আলুওয়ালিয়ার ৩ মার্চের বক্তব্যেও এ নিয়ে যথেষ্ট অস্পষ্টতা আছে। তিনি বলেছেন, বালাকোট আক্রমণ জঙ্গিদের হত্যা করার জন্যে নয়, তাদের একটা বার্তা দেওয়ার জন্যে। ফলে, আক্রমণের উদ্দেশ্য বার্তা দেওয়া নাকি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস, তার ফল সাড়ে তিনশো জঙ্গি নিধন নাকি শুধুই প্রচার, এ-সমস্ত প্রশ্ন বিরোধী শিবিরে আলোচিত হবেই। অমিত শাহ নাকি সাড়ে তিনশোকে এর মধ্যেই দরাদরি করে আড়াইশোতে নামিয়ে এনেছেন! ফলে লাশের সংখ্যায় অস্পষ্টতা যে আছে তা স্পষ্ট। এর সঙ্গে বিজেপি বিরোধীদের সবথেকে বড় দাবি যে যুদ্ধের সাফল্য পুরোটাই সেনা বাহিনীর এবং তার ভাগ নেওয়া চলবে না মোদি সরকারের। বায়ুসেনার বীরত্বে কর্ণাটকে বিজেপির ক’টা আসন বাড়বে এই নিয়ে বক্তব্য পেশ করা বিজেপি নেতার নীতিহীনতার পরিচয়।
অন্যদিকে, বিজেপির বিবৃতি হল যে এই যুদ্ধে ভারতের সেনা বাহিনীর যে বীরত্ব তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে কেন্দ্রের সরকার। এরকম সাহসী সরকার আছে বলেই সন্ত্রাসবাদী পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিচ্ছে দেশ। কংগ্রেস বা অন্যান্য বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে ভারত এত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করত। তার ফলে কঠিন হতো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সন্ত্রাসবাদী হামলায় বারবার ক্ষতি হয়েছে ভারতের, আর সেই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান। তাই আজকের দিনে বিরোধী দলগুলো যে সমস্ত উদ্ভট প্রশ্ন তুলছে তা আসলে জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা এবং তীব্র দেশদ্রোহিতা। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে ভারতের কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের বিমানকে খেদিয়ে দিলে তা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পাইলট প্রোজেক্ট’। এরপর পাকিস্তানকে আরও কঠিন শিক্ষা দেবে ভারত। পুরনো মিগ নিয়েই পাকিস্তানের অধিক শক্তিশালী এফ-১৬-কে মাটি ধরিয়েছেন অভিনন্দন। ফলে, আমাদের আসল অস্ত্র যখন দিল্লির রাস্তায় সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ পেরিয়ে পড়শি দেশে ঢুকবে তখন বোঝা যাবে কত ধানে কত চাল। সন্ত্রাসবাদ দমনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সফলতায় অর্থ বদল হয়েছে অভিনন্দনের। এই অনুপ্রেরণার মূলে আছে ভারতের মানুষ এবং বর্তমান সরকারের ইচ্ছাশক্তি। সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে সমস্ত খবর তো আর সংবাদমাধ্যমের রাজপথে হাঁটিয়ে পাকিস্তানের পকেটে পৌঁছে দেওয়া যায় না। তাই উপযুক্ত গোপনীয়তা মাথায় রেখে তবেই রণকৌশল ঠিক করা জরুরি। বিরোধীদের অবিমৃশ্যকারিতায় সত্যি-মিথ্যের হিসেব গাঢ় অক্ষরে ছাপিয়ে বিদেশি শক্তিকে কোনওরকম সুবিধে করে দিতে নারাজ কেন্দ্রের সরকার। যুদ্ধপরিস্থিতিতে গুজব এখন অনেক রকমই রটবে, যেমন মাসুদবাবু এবং তার বৃক্কের স্বাস্থ্য নিয়ে সংশয়। ঠিক তেমনই বায়ুসেনার পক্ষে বোমা ফেলার পর আবার ভূমিতে অবতরণ করে লাশ গোনা বাস্তবোচিত দাবি নয়। আনুমানিক সংখ্যাই সেখানে একমাত্র ভরসা।
অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে একদিকে যুদ্ধবাজ, আর অন্যদিকে যুদ্ধবাজ-না। শান্তির পূজারিরা বলবে, যুদ্ধবাজ বাজে। লড়াই যারা করতে চায় তারাও ছাড়ার পাত্র নয়। তাদেরও যুক্তি আছে যে যুদ্ধবাজ-নাও বাজে। অর্থাৎ এখানে যুদ্ধ জারি যুদ্ধের পক্ষের এবং বিপক্ষের মধ্যে। বাম আর কংগ্রেসের মতামত এক্ষেত্রে বিজেপির উল্টোদিকে এবং তার ফলে যুদ্ধপরিস্থিতিতে এই দুই দলের বক্তব্যকে তৃণমূলের থেকে খুব একটা আলাদা করা যাচ্ছে না। যুদ্ধ বিষয়টা যেহেতু রাজনীতির, তাই যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনা হলে অবশ্যই সেই নিরিখে নির্বাচনী বিশ্লেষণ চলবে। আলোচনা হবে দেশের বিজয় সংকল্পের সমর্থনে বিজেপির বাইক মিছিল নিয়ে। আলোচনা হবে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সেই মিছিলের অনুমতি দেবে কি দেবে না তা নিয়েও। মোটের উপর যুদ্ধপরিস্থিতিতে তৃণমূল, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের মতামত এক হলেও, নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সমর্থনে কোনও মতামত দেওয়ার আগে দশবার ভাববে বাম এবং কংগ্রেস। তার কারণ, রাজ্যে বাম-কংগ্রেস একাধারে বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী। ফলে, এখানে তৃণমূলের ছায়ায় তারা ঢাকা পড়তে চাইবে না। সারা দেশের প্রেক্ষিতে ভাবলেও বিষয়টা একই রকম। সাধারণভাবে দেশজুড়ে লড়াই বিজেপি ও তার সহযোগী দল এবং তাদের বিরোধীদের। তবে তার মধ্যেও রাজ্যবিশেষে বিরোধী দলগুলির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে দেবে। যুদ্ধ এবং আসন্ন নির্বাচন মিলে ভাবনা চিন্তা গুলিয়ে যাবে অনেকটা।
ঠিক এই জায়গাটাতে ফিরে আসা যাক নিজের মগজ বিক্রির কথায়। কেউ যদি কোনও রাজনৈতিক দলের অন্ধ সমর্থক হন, তাহলে তাঁর সেই দলের মতে শামিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই, বিজেপির সমর্থক আপাতত আগ্রাসনের পক্ষে। আর বিজেপি-বিরোধীরা মোটের উপর হিসেব চাইবেন হানাহানির ক্ষয়ক্ষতির, প্রার্থনা করবেন আলোচনার মাধ্যমে যাতে মীমাংসা হয় সমস্যার। কিন্তু, স্বাধীনভাবে ভাবলে দেখতে হবে এই যুদ্ধে মুনাফা করছে কে? যার মুনাফা সবথেকে বেশি, তারই বেশি সম্ভাবনা এই যুদ্ধ বাধানোর, কিংবা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার। সীমান্তে উত্তেজনা বজায় রাখার। এই জায়গায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারের বিশাল অবদান আছে। যারা অস্ত্র বানায়, তাদের তো সেগুলো বিক্রি করতে হবে। বিশেষত আমরা যেমন পুরনো জামা কাপড় দিয়ে বাসন কিনি, তেমনই উন্নত দেশগুলো তাদের পুরনো অব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র কিংবা যুদ্ধবিমান তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে গছিয়ে দেয়। সে জন্যেই দুই পড়শি দেশের আকাশে ওড়া সব বিমানই অনেক দূরের ভূখণ্ড থেকে আমদানি করা। ফলে, আজকের হানাহানি আমাদের নির্বাচনে প্রভাব ফেললেও সেটা অগভীর অনুসিদ্ধান্ত মাত্র। যুদ্ধের শিকড় অনেক গভীরে। মগজের কারফিউ সরিয়ে রেখে সেটুকু বোঝা হয়তো সম্ভব। আবার এটাও বাস্তব যে আমাদের অতিক্ষুদ্র মতামত বিশ্ব রাজনীতিতে কোনও প্রভাবই ফেলবে না। ফলে, মগজ বিক্রির ব্যাপারটা আপাতত সামনের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে আপনার আমার সবার মগজের মূল্য একটা করে ভোট। সেখানে আশি কোটি ভোটারের মধ্যে অল্প ক’টা বিক্রি হলে এমন কী আর ক্ষতি? বরং এরাজ্যে সুযোগ বুঝে দলবদল করলে বিজেপির যুদ্ধ আর তৃণমূলের শান্তির মধ্যে চটজলদি ডিগবাজি খাওয়ার অবকাশ বর্তমান। নিয়মিত ব্যায়ামে মগজের কার্যকারিতা বজায় থাকবে অনেক বেশি। সেটাই হোক দুধের ডিপোয় তর্করত বাঙালি ঘিলুর সঠিক অবস্থান।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
11th  March, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
একনজরে
  বিএনএ, বাঁকুড়া: আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাঁকুড়ায় মাধ্যমিকের মার্কশিট ও শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু হবে। জেলার তিন মহকুমায় একটি করে স্কুল থেকে তা বিলি করা হবে। ১১টা নাগাদ ছাত্রছাত্রীরা তা বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে বাঁকুড়ার জেলা ...

ঢাকা: বাংলাদেশ থেকে প্রায় ছয় মাস আগে ইউরোপ যাত্রা করেন সিলেটের বিলাল। তিনজনের সঙ্গে নানা দেশ ঘুরে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি যাওয়ার পর আরও ৮০ বাংলাদেশির ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বহর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। আমেরিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে যাতে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন ডিসি’র ইন্ডিয়ান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ...

 নয়াদিল্লি, ২০ মে (পিটিআই): ভোট পরবর্তী এক্সিট পোল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। যদিও গেরুয়া শিবির রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। সপ্তম দফার নির্বাচনের পর এক্সিট পোলে ইঙ্গিত মিলেছে, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন মোদি সরকার। শুধু ফিরছে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM