Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব। নীতিগতভাবে তাঁদের সঙ্গে মমতার আশমান জমিন দূরত্ব থাকতে পারে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো দেশপ্রাণ নেত্রীর কথা-মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা আর যাই হোক এমন উদ্ভট সিদ্ধান্ত কিছুতেই করবেন না। কিন্তু, কাশ্মীরের পুলওয়ামা কাণ্ডের পর থেকে গেরুয়া শিবিরের একাংশ লাগাতার এমনই একটা প্রচার চালিয়ে চলেছে! মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে উদ্দেশ্য করে কদর্য সব মন্তব্য করা হচ্ছে! এমনকী অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণেও অনেক ক্ষেত্রে এমন কটু কটাক্ষের আভাস মিলেছে। শুধু তাই নয়, স্যোশাল মিডিয়াতেও
কৌশলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতার নামে এমন কুৎসা ছড়ানো হচ্ছে!
কেন এই কুৎসা? কেন এই হীন আক্রমণ? অপরাধটা কি মমতার? অপরাধ? পুলওয়ামা কাণ্ড ও তার প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন মমতা—সেটাই অপরাধ। অথচ, প্রশ্নগুলি বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবল প্রাসঙ্গিকই নয়, অনিবার্য। শুধু তাই নয়, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবেই প্রশ্নগুলো তুলেছেন মমতা। কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? বলেছেন, যথাযোগ্য প্রমাণ ছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো ঠিক না। কী জানতে চেয়েছেন? পুলওয়ামায় নিরাপত্তার এত বড় গাফিলতি ঘটল কীভাবে? কেন অত সেনাকে আকাশপথে না নিয়ে সড়কপথে জম্মু থেকে শ্রীনগর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? জঙ্গি নাশকতার পূর্বাভাস সত্ত্বেও কেন সেনা কনভয় যাওয়ার পাশের রাস্তা সাধারণ যানবাহনের জন্য খুলে রাখা হয়েছিল? অত বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি বাহিনীর নিরাপত্তা উপেক্ষা করে কীভাবে অত সহজে সেনা কনভয় অব্দি পৌঁছল? কেন এমন বিরাট মাপের জঙ্গি হামলার পরও দেশের কর্ণধার তথ্যচিত্রের শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত রইলেন? জয়েশ-ই-মহম্মদ হামলার দায় স্বীকার করা সত্ত্বেও কেন অভিযোগের তির ছোঁড়া শুরু হল প্রতিবেশী পাকিস্তানের দিকে? পুলওয়ামার বদলায় সার্জিকাল স্ট্রাইকের পর বায়ুসেনার কৃতিত্বের কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কেন দাখিল করা হল না? কোথা থেকে সাড়ে তিনশো আড়াইশো ইত্যাদি সংখ্যাগুলো এল—এইসব সংখ্যার ভিত্তি কী? জঙ্গি শিবির ধ্বংসেরও কোনও তথ্যপ্রমাণ সেনা বা সরকারি তরফে দাখিল হল না কেন? এই বিষয়গুলো মমতা তুলেছেন ঠিকই কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো, এগুলোই কি জানতে চাইছে না দেশ? মানুষের মুখে মুখে কি আজ এই সংশয় সন্দেহ জড়িত প্রশ্নগুলোই ঘুরছে না?
মোদিজি বা তাঁর দলও কি সেটা জানেন না? নিশ্চয়ই জানেন। কিন্তু যথোপযুক্ত উত্তর কোথায়? মাঝে সেনাপ্রধান সাংবাদিক সম্মেলন করে শুধু বলেছেন—প্রমাণ তাঁদের হাতে আছে। ব্যাস, ওইটুকুই। প্রমাণটা কিন্তু দেখা যায়নি। অথচ, কদিন আগেই উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে একটি সংবাদমাধ্যম দেখিয়ে দিয়েছে সার্জিকাল স্ট্রাইকের আগে-পরে বালাকোটের সংশ্লিষ্ট জায়গার ছবির বিশেষ বদল হয়নি। স্ট্রাইকে নিহত ‘সাড়ে তিনশো’ জঙ্গিরও হদিশ মেলেনি! এত মৃতদেহ এত দ্রুত গায়েব হল কোথায়! আবার, গেরুয়া দলের সভাপতি অমিতজি সংখ্যাটাকে আড়াইশোতেই-বা নামিয়ে আনলেন কেন তাও বোধগম্য হল না? তথ্যসূত্রে গণ্ডগোল! পাক সরকার বা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও জঙ্গি মৃত্যু নিয়ে খুব যে উদ্বেগে আছেন এমনটাও মনে হয়নি। বরং, পাল্টা হামলায় পাক জমিনে ‘সাড়ে তিনশো’ নিকেশের পরও অভিনন্দন বর্তমানকে ধরা এবং ছাড়ার ব্যাপারেই তাঁদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো—রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের একাংশের বক্তব্য তেমনই। আমরাও সে বক্তব্যে বিশেষ আপত্তির কারণ দেখি না। ঘটনা তো তেমনই ছিল। ভিডিওতে পাক সেনা শিবিরে বায়ুসেনা অভিনন্দনের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ও তেজস্বিতাকে কুর্নিশ জানিয়েও দেশের মানুষ কিন্তু কাশ্মীরের সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা ও ভারতের প্রত্যাঘাত নিয়ে পুরোপুরি সংশয় মুক্ত হতে পারেননি। সামরিক গোপনীয়তা রক্ষার বাধ্যবাধকতা হয়তো তাঁদের সংশয় মুক্তির পথে একটা অন্যতম অন্তরায় কিন্তু দেশভক্ত জনতার মন থেকে সে বিষয়ে সংশয় দূর করার দায়টাও তো সরকারের। নয় কি? শুধু মমতার নামে বিষোদ্গার করলেই কি জনতার মন থেকে সন্দেহ সংশয় দূর হয়ে যাবে? তার চেয়েও বড় কথা এভাবে মমতার নামে কুৎসা করে বাংলার ভোট জেতা যাবে?
আগামী কালই হয়তো দেশের আসন্ন লোকসভা যুদ্ধের দিন ঘোষণা হয়ে যাবে। হোক বা না হোক ভোটযুদ্ধের দামামা যে বেশ ভালোভাবেই বেজে গেছে তা দেশের প্রধান যুযুধান পক্ষগুলির সেনাপতি পাত্রমিত্রদের হাঁকডাক সভাবক্তৃতা থেকেই মালুম হচ্ছে! এবং পদ্মশিবিরের প্রচার অপপ্রচারের বহর ও লক্ষ্য দেখে বোঝাই যাচ্ছে কংগ্রেস বা অন্য বিরোধী দল নয়, এবার মূল টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতাই ক্রমশ হয়ে উঠছেন গেরুয়া শিবিরের প্রধান প্রতিপক্ষ, মোদিজির দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রিত্বের পথে অন্যতম প্রতিবন্ধক। সে জন্যই নাম করে বা না করে বিজেপির প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ থেকে ছোট-বড়-মাঝারি যাবতীয় নেতানেত্রী মমতার বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে আক্রমণ শানিয়ে চলেছেন। কাশ্মীর সমস্যা ও সেনা অভিযান নিয়ে তাঁর বক্তব্যকে বাঁকিয়েচুরিয়ে কুৎসা ছড়াচ্ছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীও ঠারেঠোরে একই কাজ করে চলেছেন! মমতা এবং তাঁর দলের নেতানেত্রীরাও সেই কুৎসা ও অপপ্রচারের সাধ্যমতো মোকাবিলা করে চলেছেন। জাতীয়-সংহতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে কোনওভাবে অন্তত এই রাজ্যে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা সভায় সমাবেশে সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি প্ররোচনা ও গুজব ব্যাপারেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছে তাঁর প্রশাসন। কিন্তু, কথা হল—মমতার নামে এমন অপপ্রচার ও কুৎসা চালিয়ে আখেরে কোনও রাজনৈতিক লাভ হবে?
ভোট মিলবে? পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনে
জননেত্রী, মা-মাটি-মানুষের নেত্রী হিসেবে মমতার যে ভাবমূর্তি অটল অনড় হয়ে আছে তাতে
কিছুমাত্র চিড় ধরানো যাবে?
তাই হয়? কীভাবে হবে? এ রাজ্যের মানুষ কি দেখছেন না বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোর কী চেহারা? যোগী রাজ্যের লখনউতে দুই নিরীহ মানুষকে কীভাবে পিটিয়ে পাটপাট করে দিল কটা নিরেট গবেট লোক—সে ভিডিও কে না দেখেছেন! কী অপরাধ? ওঁরা দুজন কাশ্মীরি। ভাবা যায়! গোরু নিয়ে, গোরুর মাংস খাওয়া নিয়ে ২০১৪ সালের পর থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কত কী হল, কত মানুষ উন্মত্ত গেরুয়া বাহিনীর হাতে বেঘোরে মরল, জাতীয়তাবাদ দেশপ্রেম জাগাতে কত নির্যাতন হল—এ রাজ্যের মানুষ কি দেখেননি? আর ঠিক তার বিপরীতে মমতার এই রাজ্যে তাঁরা কী দেখছেন? হিন্দু-মুসলমান-শিখ-খ্রিস্টান-জৈন-পারসিক সব একসঙ্গে শান্তিতে আনন্দে বাস করছেন। ইতস্তত গণ্ডগোল ঝামেলা খুনখারাপি যে হচ্ছে না এমন নিশ্চয়ই নয়। সে হয় না কোথায়, কোন রাজ্যে? কিন্তু হলে তার বিরুদ্ধে এই রাজ্যে রাজনীতির রং না দেখে কড়া ব্যবস্থাও তো নিচ্ছে পুলিস প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতাও তাঁর দলের সভাগুলিতে দুর্নীতি তোলাবাজি সিন্ডিকেটবাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে চলেছেন। তার ফলও ফলেছে। সিন্ডিকেট-রাজের কথা আজকাল আর শোনা যায়? আর এর সঙ্গে আছে বাংলা জুড়ে বিপুল উন্নয়নের জোয়ার। পাহাড় থেকে সমুদ্র, জঙ্গলমহল থেকে সীমান্তবর্তী বাংলা আজ উন্নয়নের আলোয় এক নতুন বাংলা-বিশ্ববাংলা। বিশ্বের দরবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতার স্বপ্ন-প্রকল্প কন্যাশ্রী সবুজসাথী বাংলার মুকুটে যোগ করেছে শ্রেষ্ঠত্বের পালক। ফিরিয়ে এনেছে সিপিএম আমলে হারানো গৌরব। শিক্ষায় শিল্পে কৃষিতে সংস্কৃতিতে জীবনমানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে মমতার বাংলা এখন দেশের সামনে এক অসাধারণ উদাহরণ, মা-মাটি-মানুষের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঐকান্তিক দায়বদ্ধতার এক সার্থক নিদর্শন।
এহেন একজন দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে নির্বিচার কুৎসা, তাঁকে দেশদ্রোহী প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বাংলার কেন, দেশের কোনও প্রান্তের কোনও মানুষ মানবেন? জানি না, কোন বুদ্ধিতে গেরুয়া শিবির মমতার বিরুদ্ধে এই লাইন নিয়েছে। তবে সে বুদ্ধিতে যে বিশেষ রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নেই তা তথ্যভিজ্ঞরা অনেকেই বলছেন। তাঁদের বক্তব্য, মমতাকে সরাসরি রাজনৈতিক মোকাবিলায় ঘায়েল করা অসম্ভব বুঝেই পদ্মবাহিনী ওই লাইন নিয়েছে। আসলে, বিরোধী শিবিরের প্রধান নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই যে আসন্ন লোকসভার রণাঙ্গনে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর বাহিনীকে সবচেয়ে বেশি বেগ দেবে সে ব্যাপারে দিল্লি মোটামুটি নিশ্চিত। এবং, তাঁরা এটাও বুঝেছেন কেবল বাংলা নয়, গোটা দেশেই এখন মমতামুগ্ধের সংখ্যা বিদ্যুৎগতিতে বাড়ছে। এই মুগ্ধতার গতি রোধ করতে না পারলে আসন্ন লোকসভা রণে যে বড় মূল্য চোকাতে হবে সেটাও বুঝতে পারছে গেরুয়া শিবির। সেই গতি রোধের একটা তরিকা হিসেবে কুৎসা ও অপপ্রচারকে মমতার বিরুদ্ধে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। তাতে ভোটযুদ্ধে বিজেপির কতটা ফয়দা হবে জানা নেই, তবে মমতার তোলা প্রশ্নগুলো যে ভোটপাবলিকের মনে শেষপর্যন্ত উত্তর খুঁজে বেড়াবে তাতে সন্দেহ নেই। সেক্ষেত্রে যথাযথ উত্তর না মিললে জনতা জনার্দনের সন্দেহ-সংশয় কি আরও বাড়বে না? রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নে তখন বাংলা তো বটেই, বাদবাকি দেশজনতাও যদি লোকসভার আসন্ন ভোটযুদ্ধে মোদিজির চেয়ে মমতাকে অগ্রাধিকার দেন—খুব কি অবাক হবেন কেউ?
10th  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: স্থানীয় মানুষদের সুবিধার জন্য ঘোষিত প্রকল্পের শিলান্যাসের পর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও আমতা-বাগনানের রেল লাইন চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটল না। এমনকী রেল প্রকল্পের জন্য জমি দিয়েও রেল লাইন চালু না হওয়া এবং শিলান্যাসের ফলকও উধাও হয়ে যাওয়ায় রেল ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্রেতাকে বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড। দেশজুড়ে ৩৪৩টি শহরের মোট ৫৭৪টি এলাকায় ‘এক্সপেরিয়েন্স হুন্ডাই ক্যাযাম্প’ করে এই গাড়ি সংস্থা। শপিং মল, আবাসন, পেট্রল পাম্প থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে ওই ক্যাম্প ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মহিলাদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে এবার লোকসভা ভোটে মালদহ জেলায় মোট ৫০টি মহিলা পরিচালিত বুথ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে মহিলা পরিচালিত বুথের তালিকা জেলা নির্বাচন দপ্তরে এসে জমা পড়েছে। ওই তালিকা ধরে জেলা নির্বাচন দপ্তরের ...

মৃণালকান্তি দাস: শুক্রবার রাত মানেই তো আনন্দের রাত। এই রাতে নিউজিল্যান্ডের কোনও শহর এমনিতেই ঘুমায় না। আর এই শুক্রবারটা তো ছিল ১৭ মার্চ। সেন্ট পিটার্স ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৭- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের জন্ম
১৯০১- সাহিত্যিক ও পরিচালক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৯- প্রাক্তন ইংরেজ ফুটবলার রন অ্যাটকিনসনের জন্ম
১৯৭৪- কবি বুদ্ধদেব বসুর মৃত্যু 

18th  March, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯০ টাকা ৬৯.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬৩ টাকা ৯২.৯০ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৯ টাকা ৭৯.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ২১/২১ দিবা ২/১৯। মঘা ৩৩/১৬ রাত্রি ৭/৫। সূ উ ৫/৪৬/৭, অ ৫/৪৩/২১, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯ গতে ১০/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৫ গতে ৩/২১ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। 
৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১২/২/২২। মঘানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/২২/১৬, সূ উ ৫/৪৬/৩৩, অ ৫/৪২/২৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯/৪৩ থেকে ১০/৩২/৫৫ মধ্যে ও ১২/৫৬/৪ থেকে ২/৩১/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯/১৪ থেকে ৪/৫৪/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩০/৪২ মধ্যে ও ৮/৫৫/৩১ থেকে ১১/২০/২১ মধ্যে ও ১/৪৫/১১ থেকে ৩/২১/৪৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬/২ থেকে ৮/৪৫/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১/১৩/৫৮ থেকে ২/৪৩/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১২/৫৬ থেকে ৮/৪৩/২৭ মধ্যে। 
মোসলেম: ১১ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। বৃষ: প্রেম-ভালোবাসায় নতুনত্ব আছে। ...বিশদ

07:50:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
 

১৮১৩: পর্যটক ডেভিড লিভিংস্টোনের জন্ম১৯৩৮: পরিচালক সাই পরাঞ্জপের জন্ম১৯৩৯: ক্রিকেটার ...বিশদ

07:45:00 AM

ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৫ সিআরপিএফ জওয়ান 

18-03-2019 - 06:48:58 PM

কলকাতা বিমানবন্দরে ২ জন রোহিঙ্গা সহ গ্রেপ্তার ৩ 

18-03-2019 - 06:24:00 PM

অনুব্রতর মন্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের  
অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোধারা বসুর কাছে ...বিশদ

18-03-2019 - 05:35:12 PM

সল্টলেকে গাড়ির ধাক্কায় জখম এক সাইকেল আরোহী  

18-03-2019 - 05:00:00 PM