Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব। নীতিগতভাবে তাঁদের সঙ্গে মমতার আশমান জমিন দূরত্ব থাকতে পারে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো দেশপ্রাণ নেত্রীর কথা-মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা আর যাই হোক এমন উদ্ভট সিদ্ধান্ত কিছুতেই করবেন না। কিন্তু, কাশ্মীরের পুলওয়ামা কাণ্ডের পর থেকে গেরুয়া শিবিরের একাংশ লাগাতার এমনই একটা প্রচার চালিয়ে চলেছে! মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে উদ্দেশ্য করে কদর্য সব মন্তব্য করা হচ্ছে! এমনকী অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণেও অনেক ক্ষেত্রে এমন কটু কটাক্ষের আভাস মিলেছে। শুধু তাই নয়, স্যোশাল মিডিয়াতেও
কৌশলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতার নামে এমন কুৎসা ছড়ানো হচ্ছে!
কেন এই কুৎসা? কেন এই হীন আক্রমণ? অপরাধটা কি মমতার? অপরাধ? পুলওয়ামা কাণ্ড ও তার প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন মমতা—সেটাই অপরাধ। অথচ, প্রশ্নগুলি বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবল প্রাসঙ্গিকই নয়, অনিবার্য। শুধু তাই নয়, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবেই প্রশ্নগুলো তুলেছেন মমতা। কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? বলেছেন, যথাযোগ্য প্রমাণ ছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো ঠিক না। কী জানতে চেয়েছেন? পুলওয়ামায় নিরাপত্তার এত বড় গাফিলতি ঘটল কীভাবে? কেন অত সেনাকে আকাশপথে না নিয়ে সড়কপথে জম্মু থেকে শ্রীনগর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? জঙ্গি নাশকতার পূর্বাভাস সত্ত্বেও কেন সেনা কনভয় যাওয়ার পাশের রাস্তা সাধারণ যানবাহনের জন্য খুলে রাখা হয়েছিল? অত বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি বাহিনীর নিরাপত্তা উপেক্ষা করে কীভাবে অত সহজে সেনা কনভয় অব্দি পৌঁছল? কেন এমন বিরাট মাপের জঙ্গি হামলার পরও দেশের কর্ণধার তথ্যচিত্রের শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত রইলেন? জয়েশ-ই-মহম্মদ হামলার দায় স্বীকার করা সত্ত্বেও কেন অভিযোগের তির ছোঁড়া শুরু হল প্রতিবেশী পাকিস্তানের দিকে? পুলওয়ামার বদলায় সার্জিকাল স্ট্রাইকের পর বায়ুসেনার কৃতিত্বের কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ কেন দাখিল করা হল না? কোথা থেকে সাড়ে তিনশো আড়াইশো ইত্যাদি সংখ্যাগুলো এল—এইসব সংখ্যার ভিত্তি কী? জঙ্গি শিবির ধ্বংসেরও কোনও তথ্যপ্রমাণ সেনা বা সরকারি তরফে দাখিল হল না কেন? এই বিষয়গুলো মমতা তুলেছেন ঠিকই কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো, এগুলোই কি জানতে চাইছে না দেশ? মানুষের মুখে মুখে কি আজ এই সংশয় সন্দেহ জড়িত প্রশ্নগুলোই ঘুরছে না?
মোদিজি বা তাঁর দলও কি সেটা জানেন না? নিশ্চয়ই জানেন। কিন্তু যথোপযুক্ত উত্তর কোথায়? মাঝে সেনাপ্রধান সাংবাদিক সম্মেলন করে শুধু বলেছেন—প্রমাণ তাঁদের হাতে আছে। ব্যাস, ওইটুকুই। প্রমাণটা কিন্তু দেখা যায়নি। অথচ, কদিন আগেই উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে একটি সংবাদমাধ্যম দেখিয়ে দিয়েছে সার্জিকাল স্ট্রাইকের আগে-পরে বালাকোটের সংশ্লিষ্ট জায়গার ছবির বিশেষ বদল হয়নি। স্ট্রাইকে নিহত ‘সাড়ে তিনশো’ জঙ্গিরও হদিশ মেলেনি! এত মৃতদেহ এত দ্রুত গায়েব হল কোথায়! আবার, গেরুয়া দলের সভাপতি অমিতজি সংখ্যাটাকে আড়াইশোতেই-বা নামিয়ে আনলেন কেন তাও বোধগম্য হল না? তথ্যসূত্রে গণ্ডগোল! পাক সরকার বা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও জঙ্গি মৃত্যু নিয়ে খুব যে উদ্বেগে আছেন এমনটাও মনে হয়নি। বরং, পাল্টা হামলায় পাক জমিনে ‘সাড়ে তিনশো’ নিকেশের পরও অভিনন্দন বর্তমানকে ধরা এবং ছাড়ার ব্যাপারেই তাঁদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো—রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের একাংশের বক্তব্য তেমনই। আমরাও সে বক্তব্যে বিশেষ আপত্তির কারণ দেখি না। ঘটনা তো তেমনই ছিল। ভিডিওতে পাক সেনা শিবিরে বায়ুসেনা অভিনন্দনের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ও তেজস্বিতাকে কুর্নিশ জানিয়েও দেশের মানুষ কিন্তু কাশ্মীরের সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা ও ভারতের প্রত্যাঘাত নিয়ে পুরোপুরি সংশয় মুক্ত হতে পারেননি। সামরিক গোপনীয়তা রক্ষার বাধ্যবাধকতা হয়তো তাঁদের সংশয় মুক্তির পথে একটা অন্যতম অন্তরায় কিন্তু দেশভক্ত জনতার মন থেকে সে বিষয়ে সংশয় দূর করার দায়টাও তো সরকারের। নয় কি? শুধু মমতার নামে বিষোদ্গার করলেই কি জনতার মন থেকে সন্দেহ সংশয় দূর হয়ে যাবে? তার চেয়েও বড় কথা এভাবে মমতার নামে কুৎসা করে বাংলার ভোট জেতা যাবে?
আগামী কালই হয়তো দেশের আসন্ন লোকসভা যুদ্ধের দিন ঘোষণা হয়ে যাবে। হোক বা না হোক ভোটযুদ্ধের দামামা যে বেশ ভালোভাবেই বেজে গেছে তা দেশের প্রধান যুযুধান পক্ষগুলির সেনাপতি পাত্রমিত্রদের হাঁকডাক সভাবক্তৃতা থেকেই মালুম হচ্ছে! এবং পদ্মশিবিরের প্রচার অপপ্রচারের বহর ও লক্ষ্য দেখে বোঝাই যাচ্ছে কংগ্রেস বা অন্য বিরোধী দল নয়, এবার মূল টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতাই ক্রমশ হয়ে উঠছেন গেরুয়া শিবিরের প্রধান প্রতিপক্ষ, মোদিজির দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রিত্বের পথে অন্যতম প্রতিবন্ধক। সে জন্যই নাম করে বা না করে বিজেপির প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ থেকে ছোট-বড়-মাঝারি যাবতীয় নেতানেত্রী মমতার বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে আক্রমণ শানিয়ে চলেছেন। কাশ্মীর সমস্যা ও সেনা অভিযান নিয়ে তাঁর বক্তব্যকে বাঁকিয়েচুরিয়ে কুৎসা ছড়াচ্ছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীও ঠারেঠোরে একই কাজ করে চলেছেন! মমতা এবং তাঁর দলের নেতানেত্রীরাও সেই কুৎসা ও অপপ্রচারের সাধ্যমতো মোকাবিলা করে চলেছেন। জাতীয়-সংহতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে কোনওভাবে অন্তত এই রাজ্যে বিঘ্নিত না হয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা সভায় সমাবেশে সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন। পাশাপাশি প্ররোচনা ও গুজব ব্যাপারেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছে তাঁর প্রশাসন। কিন্তু, কথা হল—মমতার নামে এমন অপপ্রচার ও কুৎসা চালিয়ে আখেরে কোনও রাজনৈতিক লাভ হবে?
ভোট মিলবে? পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনে
জননেত্রী, মা-মাটি-মানুষের নেত্রী হিসেবে মমতার যে ভাবমূর্তি অটল অনড় হয়ে আছে তাতে
কিছুমাত্র চিড় ধরানো যাবে?
তাই হয়? কীভাবে হবে? এ রাজ্যের মানুষ কি দেখছেন না বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোর কী চেহারা? যোগী রাজ্যের লখনউতে দুই নিরীহ মানুষকে কীভাবে পিটিয়ে পাটপাট করে দিল কটা নিরেট গবেট লোক—সে ভিডিও কে না দেখেছেন! কী অপরাধ? ওঁরা দুজন কাশ্মীরি। ভাবা যায়! গোরু নিয়ে, গোরুর মাংস খাওয়া নিয়ে ২০১৪ সালের পর থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কত কী হল, কত মানুষ উন্মত্ত গেরুয়া বাহিনীর হাতে বেঘোরে মরল, জাতীয়তাবাদ দেশপ্রেম জাগাতে কত নির্যাতন হল—এ রাজ্যের মানুষ কি দেখেননি? আর ঠিক তার বিপরীতে মমতার এই রাজ্যে তাঁরা কী দেখছেন? হিন্দু-মুসলমান-শিখ-খ্রিস্টান-জৈন-পারসিক সব একসঙ্গে শান্তিতে আনন্দে বাস করছেন। ইতস্তত গণ্ডগোল ঝামেলা খুনখারাপি যে হচ্ছে না এমন নিশ্চয়ই নয়। সে হয় না কোথায়, কোন রাজ্যে? কিন্তু হলে তার বিরুদ্ধে এই রাজ্যে রাজনীতির রং না দেখে কড়া ব্যবস্থাও তো নিচ্ছে পুলিস প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতাও তাঁর দলের সভাগুলিতে দুর্নীতি তোলাবাজি সিন্ডিকেটবাজির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে চলেছেন। তার ফলও ফলেছে। সিন্ডিকেট-রাজের কথা আজকাল আর শোনা যায়? আর এর সঙ্গে আছে বাংলা জুড়ে বিপুল উন্নয়নের জোয়ার। পাহাড় থেকে সমুদ্র, জঙ্গলমহল থেকে সীমান্তবর্তী বাংলা আজ উন্নয়নের আলোয় এক নতুন বাংলা-বিশ্ববাংলা। বিশ্বের দরবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতার স্বপ্ন-প্রকল্প কন্যাশ্রী সবুজসাথী বাংলার মুকুটে যোগ করেছে শ্রেষ্ঠত্বের পালক। ফিরিয়ে এনেছে সিপিএম আমলে হারানো গৌরব। শিক্ষায় শিল্পে কৃষিতে সংস্কৃতিতে জীবনমানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে মমতার বাংলা এখন দেশের সামনে এক অসাধারণ উদাহরণ, মা-মাটি-মানুষের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঐকান্তিক দায়বদ্ধতার এক সার্থক নিদর্শন।
এহেন একজন দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে নির্বিচার কুৎসা, তাঁকে দেশদ্রোহী প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বাংলার কেন, দেশের কোনও প্রান্তের কোনও মানুষ মানবেন? জানি না, কোন বুদ্ধিতে গেরুয়া শিবির মমতার বিরুদ্ধে এই লাইন নিয়েছে। তবে সে বুদ্ধিতে যে বিশেষ রাজনৈতিক দূরদর্শিতা নেই তা তথ্যভিজ্ঞরা অনেকেই বলছেন। তাঁদের বক্তব্য, মমতাকে সরাসরি রাজনৈতিক মোকাবিলায় ঘায়েল করা অসম্ভব বুঝেই পদ্মবাহিনী ওই লাইন নিয়েছে। আসলে, বিরোধী শিবিরের প্রধান নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই যে আসন্ন লোকসভার রণাঙ্গনে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর বাহিনীকে সবচেয়ে বেশি বেগ দেবে সে ব্যাপারে দিল্লি মোটামুটি নিশ্চিত। এবং, তাঁরা এটাও বুঝেছেন কেবল বাংলা নয়, গোটা দেশেই এখন মমতামুগ্ধের সংখ্যা বিদ্যুৎগতিতে বাড়ছে। এই মুগ্ধতার গতি রোধ করতে না পারলে আসন্ন লোকসভা রণে যে বড় মূল্য চোকাতে হবে সেটাও বুঝতে পারছে গেরুয়া শিবির। সেই গতি রোধের একটা তরিকা হিসেবে কুৎসা ও অপপ্রচারকে মমতার বিরুদ্ধে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। তাতে ভোটযুদ্ধে বিজেপির কতটা ফয়দা হবে জানা নেই, তবে মমতার তোলা প্রশ্নগুলো যে ভোটপাবলিকের মনে শেষপর্যন্ত উত্তর খুঁজে বেড়াবে তাতে সন্দেহ নেই। সেক্ষেত্রে যথাযথ উত্তর না মিললে জনতা জনার্দনের সন্দেহ-সংশয় কি আরও বাড়বে না? রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নে তখন বাংলা তো বটেই, বাদবাকি দেশজনতাও যদি লোকসভার আসন্ন ভোটযুদ্ধে মোদিজির চেয়ে মমতাকে অগ্রাধিকার দেন—খুব কি অবাক হবেন কেউ?
10th  March, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২১ মে (পিটিআই): নির্বাচনী প্রচারে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে একাধিকবার টেনে এনে কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন। কখনও বফর্স কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে রাজীব গান্ধীকে ‘ভ্রষ্টাচারী নম্বর ...

বাংলা নিউজ এজেন্সি: মাধ্যমিকে সম্ভাব্য মেধা তালিকায় পূর্ব বর্ধমান জেলার চারজন এবং পশ্চিম বর্ধমানের এক পড়ুয়া জায়গা করে নিল। বর্ধমান বিদ্যার্থীভবন বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্র সাহিত্যিকা ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবছর মাধ্যমিকের প্রথম দশে জায়গা করে নিল ৫১ জন পরীক্ষার্থী। ৬৯৪ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহম্মদপুর দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের সৌগত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গোপন প্রেম, গোপন থাকবে না। ব্যবসায়ীদের জন্য সময়টি ভালো, বয়স্করা একটু সাবধানী হবেন। ঠান্ডা লাগা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু
১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম
১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক হোমসের স্রস্টা স্টটিশ সাহিত্যিক আর্থার কোনান ডয়েলের জন্ম
১৮৮৫: ফরাসি সাহিত্যিক ভিক্টর হুগোর মৃত্যু
১৯৪০: ক্রিকেটার এরাপল্লি প্রসন্নর জন্ম
১৯৪৬: আইরিশ ফুটবলার জর্জ বেস্টের জন্ম
২০০৪: ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ডঃ মনমোহন সিংয়ের শপথ গ্রহণ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯২ টাকা ৭০.৬১ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১৮ টাকা ৯০.৩৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৫০ টাকা ৭৯.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৮/১৮ রাত্রি ২/৪১। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৪/৫৭/৫৩, অ ৬/৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৪ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৭ মধ্যে।
৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৪/৪৯/৫ রাত্রি ২/৫২/৫৯। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৪/৫৭/২১, অ ৬/১০/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৪/১ গতে ১/১৩/১১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৫/৪১ গতে ৯/৫৪/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫/৪১ গতে ৩/৩৬/৩১ মধ্যে।
১৬ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  আজ রিস্যাট ২বি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে ইসরো
বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ভোর সাড়ে ৫টায় নজরদারি উপগ্রহ রিস্যাট-২বি ...বিশদ

09:00:00 AM

রবিবার জয়েন্টের জন্য অতিরিক্ত ট্রেন মেট্রোয়
আগামী ২৬ মে, রবিবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত ট্রেন ...বিশদ

08:59:12 AM

বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো
আধুনীকিকরণ হবে। তাই বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো। ২০১৭ সালের ...বিশদ

08:42:16 AM

জোড়াসাঁকোতে আজ পুনর্নির্বাচন

কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াসাঁকো বিধানসভার সংস্কৃত কলেজের ১ নম্বর ...বিশদ

08:33:37 AM

রাফাল: মানহানির মামলা প্রত্যাহার অনিল আম্বানির
রাফাল চুক্তি নিয়ে অফসেট পার্টনার রিলায়েন্স এবং কর্ণধার অনিল আম্বানির ...বিশদ

08:30:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক ...বিশদ

08:19:44 AM