Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর। সত্যি সত্যিই গোঁফই কি আমাদের আইডেন্টিটি? এবং একমাত্র? তাহলে যার গোঁফ নেই, তার আইডেন্টিটির কী হবে? তবু, এনিয়ে হাজার গণ্ডা প্রবাদ রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। কোথাও পড়েছি, কলমে কায়স্থ চিনি, গোঁফেতে রাজপুত। আবার কখনও শুনেছি, শিকারি বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়। ইত্যাদি, ইত্যাদি।
আসলে নানান স্টাইলের গোঁফ পরিণত হয়েছে প্রায় প্রবাদেই। বীরাপ্পানের মত প্যাঁচানো গোঁফ, প্রজাপতির মত উড়ুক্কু গোঁফ, স্ট্যালিনের চওড়া গোঁফ। এমনকী গল্প-সাহিত্যের চরিত্রদের গোঁফই বা কম কীসে? যেমন আগাথা ক্রিস্টির গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারো-র বর্ণনাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে তার সূঁচোল গোঁফজোড়া ছাড়া। খেলার ছলে হাতি-লোফেন যিনি সেই ষষ্ঠীচরণের গোঁফ সম্পর্কে সুকুমার কিন্তু কবিতায় নীরব। তবু ছেলেবেলা থেকে আবোল তাবোলের পাতায় ষষ্ঠীচরণের ছবিতে পেল্লাই মাপের গোঁফ দেখেই অভ্যস্ত আমরা। ‘যোধা আকবর’ ছবিতে দেখেছি, সম্রাট আকবরের গোঁফ পরিচর্যার জন্যে নাপিতের পিছনে খরচ করা হতো মোটা অর্থ। হিটলারি গোঁফ চ্যাপলিনের নাকের নীচে ঠাঁই পেয়ে হয়ে যায় অন্য ধরনের স্টাইল স্টেটমেন্ট। আর তা যেন একাকার হয়ে যায় ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’-এর সেলুলয়েডে। সঠিক গোঁফের স্টাইল কি সত্যিই জয় করতে পারে হৃদয়? আসলে গোঁফ থাকলেই যে হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছানো যাবে, সেটাও বোধকরি ঠিক নয়। তাসের দেশে চার চারটে রাজা রয়েছে, কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, কেবলমাত্র ‘কিং অব হার্ট’-এরই গোঁফ নেই। তা সত্ত্বেও সে হয়ে বসেছে হৃদয়ের রাজা।
তবু, আজ দেখি এমনই এক গোঁফে মজেছে ২০১৯-এর ভারতবর্ষ। উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের প্যাঁচানো গোঁফ নিয়ে এক অভূতপূর্ব আবেগের ঢল নেমেছে দেশজুড়ে। সে গোঁফজোড়া পরিণত হয়েছে স্টাইল স্টেটমেন্টে। আর গাছে কাঁঠাল দেখলে, গোঁফে তেল মাখা তো আমাদের নিত্যদিনের অভ্যেস। দেশের সেলুনে সেলুনে নাকি অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ করবার আবদার নিয়ে লাইন পড়ছে জনতার। কোনও কোনও সেলুন নাকি ‘আমরা অভিনন্দন-গোঁফে বিশারদ’ ধরনের বিজ্ঞাপন দিচ্ছে বা দেবে বলে ভাবছে। খবরে প্রকাশ, বেঙ্গালুরুর কোনও এক সেলুন নাকি বিনামূল্যে অভিনন্দন-স্টাইলের চুলদাড়ি কেটে দিচ্ছে গ্রাহকদের। আর সেই সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্যে লাইন পড়ছে সকাল থেকে।
আমূলের বিজ্ঞাপনের একটা পরোক্ষ অবদান হয়তো আছে এর পিছনে। পঞ্চাশ বছরের বেশি ধরে ওই ছ’বছরের মেয়েটা বড় বড় হোর্ডিংয়ে আর সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনে জাতির হৃদস্পন্দনকে চিত্রিত করে চলেছে নিশ্চিতভাবে। এবারেও প্রথমে অভিনন্দনের প্রত্যাবর্তনকে কার্টুনায়িত করল আমূল। তারপর মিনিট খানেকের এক ভিডিও প্রকাশ করল, ‘#আমূল মুচ: টু অভিনন্দন ফ্রম আমূল’। এ তাদের ‘মুচ নেহি তো কুছ নেহি’ শীর্ষক প্রচারের একটা অঙ্গ ছিল। ভিডিওটিতে দেখা গেল জীবনের সর্বক্ষেত্রের পুরুষরাই অভিনন্দনের স্টাইলে গোঁফ পাকাচ্ছে। আর শুধু পুরুষরাই বা কেন, একটি ছোট্ট মেয়ে এক গ্লাস দুধ খেয়ে করে ফেলেছে সাদা রঙের গোঁফের দাগ। এক বীর সৈনিককে এ এক অনবদ্য সম্মান প্রদর্শন। আমরা অভিভূত। কিন্তু সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখে বোঝাই যাচ্ছিল যে, এবার গোঁফে তা দেবে ভারতবর্ষ।
এক অর্থে এ কিন্তু দেশের পক্ষে বড় আশার কথা। দেশের জনগণ শুধুমাত্র রুপোলি পর্দা আর ক্রিকেট মাঠের তারকাদের পোশাক-আশাক, চুল-দাড়ি-গোঁফই নকল করে না, এক বীর সৈনিকের গোঁফের স্টাইল অনুকরণ করতেও ছোটে দলে দলে। পর্দার তারকাদের ছাপিয়ে আসমুদ্র-হিমাচলের নায়ক হয়ে উঠতে পারে দেশের প্রতিরক্ষায় নিয়ত সৈনিকরাও। এমনকী মেয়েরা পর্যন্ত নকল অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ লাগিয়ে ছবি তুলে পোস্ট করছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।
উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের এই জবরদস্ত গোঁফটাকে আমরা আগে জানতাম বীরাপ্পানের স্টাইলের গোঁফ বলে। বস্তুত তামিলিয়ান গোঁফ নামেই পরিচিত এটা, তামিল সাহিত্যে এ ধরনের গোঁফের বর্ণনা রয়েছে প্রভূত। তামিল পুরুষরা নাকি অনেকেই এ ধরনের গোঁফ রাখত এক সময়। এর একটা পারিভাষিক নামও অবশ্য রয়েছে—‘গানস্লিঙ্গার’। সেসব নাম অবশ্য এখন ধুয়ে মুছে যেতে পারে একেবারে। ‘উইং কম্যান্ডার গোঁফ’ বা ‘অভিনন্দন গোঁফ’ নামেই হয়তো ভবিষ্যতে পরিচিত হয়ে যাবে এটা।
অভিনন্দনের গোঁফ এতটাই উত্তাল করেছে দেশের লোককে যে আমার মত গোঁফ-খেজুরে লোকও অভিনন্দন-স্টাইলের গোঁফের প্রত্যাশায় সেলুনের লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি সকাল থেকে। হঠাৎ করে মনে হয়, অভিনন্দন বর্তমানের মত বীর মানসিকতার সৈনিক কিন্তু এদেশে অগণিত। সীমান্তে তারা অতন্দ্র প্রহরী। দুর্ভিক্ষে ফাঁকা আর বন্যায় ভিটে তলিয়ে গেলেও কর্তব্যে যারা অবিচল। ঘরেতে প্রতীক্ষ্যমানা প্রিয়াকে ছাপিয়ে যাদের স্নায়ুতন্ত্রীতে দেশপ্রেম উৎসারিত হয় ফল্গুস্রোতের মত। এই অভিনন্দন তো তাদের এক প্রতিনিধি মাত্র, পরিস্থিতির ফাঁকে ঘটনাক্রমে যার কথা জেনেছে দেশবাসী। কিন্তু অগণিত দেশপ্রেমী সৈনিকের গোঁফ তো আর অভিনন্দনের মত নয়। তাদের কারও গান্ধী-গোঁফ, কারও চ্যাপলিন গোঁফ, কেউ স্যার আশুতোষের মত গোঁফের মালিক, কারও গোঁফ ভগৎ সিংয়ের মতো, কারও আবার অ্যাস্টেরিক্স-মার্কা গোঁফজোড়া। আবার সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিতে তাঁর গোঁফ দেখেছি বলে তো মনে পড়ছে না। শহিদ ক্ষুদিরামের স্বল্প জীবনে ভালো করে গোঁফ গজাবার সময়টাও তো হয় নি। ‘পথের দাবী’র সব্যসাচীর প্রতিটা ছদ্মবেশের সঙ্গে সঙ্গে বদলে বদলে যায় পোশাক, বদলায় গোঁফ-দাড়ি-চুলের ধরন। তাঁর সমস্ত প্রকরণের মধ্য দিয়েই সব্যসাচী উজ্জ্বল হয়ে ওঠে পাঠকের হৃদয়ে। হঠাৎ মনে পড়ল আমার এক স্কুলের সহপাঠীর শ্মশ্রু-গুম্ফবিহীন মুখ। সেও সীমান্তের প্রহরী। কর্তব্যে অবিচল। শুনেছি একদা ডিউটিতে থাকাকালীন শ্রীনগরের লালচকে তাদের বাসে গ্রেনেড হানা হওয়ার কাহিনী। তাই হঠাৎ মনে হল, সেনা হোক বা সাধারণ জনতা, গোঁফ-দাড়ির ছাঁচে তাদের দেশপ্রেমকে সংজ্ঞায়িত করা বোধহয় নেহাতই বালখিল্য প্রচেষ্টা মাত্র। গোঁফজোড়া অমন না হলেও বীর ভারতীয় উইং কম্যান্ডার নিশ্চয়ই কোনও গোপন তথ্য ফাঁস করে দিতেন না পাকিস্তানি মেজরের কাছে।
একদিকে দেশসুদ্ধ লোক হেড অফিসের বড়বাবুর বক্তব্যকে আপ্তবাক্য ধরে নিয়েছে—‘গোঁফ দিয়ে যায় চেনা’। কিন্তু তারা খেয়াল করতে ভুলেছে তার আগের লাইনটা—‘গোঁফের আমি, গোঁফের তুমি’। তাই অন্যের গোঁফের স্টাইলকে নকল করলেই বদলে যাবে না আমার আমিত্ব-টুকু। সেলুনের লাইনে এবার ছিল আমার পালা। আমি কিন্তু হঠাৎ করে লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এলাম। পিছনের লোকজন খুশিও হল, অবাকও হল বেশ—আমার এই অর্বাচীন কাজে।
আমার হল এক সম্যক উপলব্ধি। গোঁফ কিংবা চুলের স্টাইল দিয়েই বোধকরি চেনা যায় না দেশপ্রেমের স্পন্দন। ধরা যায় না তার ব্যাপ্তিটুকু। দেশপ্রেম চেনা যায়, উপলব্ধি করা যায় হৃদয় দিয়ে। দেশমায়ের প্রতি অনাবিল ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে চেতনার গভীরে। দেশপ্রেম বাস করে হৃদয়পুরে। তা হল হৃদয়ের অন্তঃস্থলে উৎসারিত স্রোতস্বিনীর তরঙ্গ। সীমান্তের অগণিত প্রহরী বা দেশের অগণন সিভিলিয়ানের হৃদয়ের গভীরে যা বয়ে চলে অনির্বাণ। জীবনের কোনও বিরল মুহূর্তে কিংবা জাতির জীবন-প্রবাহের কোনও এক সন্ধিক্ষণে তাদের কারও কখনও বা হঠাৎ সুযোগ আসে জীবনের কোনও ফলবান খণ্ডকে জয় করার। এক সোনার কাঠির ছোঁয়ায় তখন মুক্তি ঘটে অন্দরে অন্তরে বসত করা অব্যক্ত উচ্ছ্বাসটুকুর। আর সুযোগ আসে নিজের বুক চিরে হৃদয়ের অন্তঃস্থলে প্রতিষ্ঠিত, সঙ্গোপনে সুরক্ষিত দেশমাতৃকার প্রতিচ্ছবি দেখানোর। সেই ম্যাজিক-মুহূর্তে জীবনই যে তাকে করে তোলে ‘অভিনন্দিত’।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
12th  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
একনজরে
সেভিয়া, ১৮ মার্চ: দুই দলের শেষ সাক্ষাৎকারে জোড়া গোল করেও বার্সেলোনার হার বাঁচাতে পারেননি লায়োনেল মেসি। রবিবার যেন তারই মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সংকল্প বুকে নিয়ে ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মহিলাদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে এবার লোকসভা ভোটে মালদহ জেলায় মোট ৫০টি মহিলা পরিচালিত বুথ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে মহিলা পরিচালিত বুথের তালিকা জেলা নির্বাচন দপ্তরে এসে জমা পড়েছে। ওই তালিকা ধরে জেলা নির্বাচন দপ্তরের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্রেতাকে বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধা দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড। দেশজুড়ে ৩৪৩টি শহরের মোট ৫৭৪টি এলাকায় ‘এক্সপেরিয়েন্স হুন্ডাই ক্যাযাম্প’ করে এই গাড়ি সংস্থা। শপিং মল, আবাসন, পেট্রল পাম্প থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে ওই ক্যাম্প ...

নয়াদিল্লি, ১৮ মার্চ (পিটিআই): লোকসভার প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া শুরু হল সোমবার। হায়দরাবাদ লোকসভা কেন্দ্র থেকে এদিনই মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন এআইএমআইএম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। প্রথম পর্বে ভোটগ্রহণ হবে ১১ এপ্রিল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৭- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের জন্ম
১৯০১- সাহিত্যিক ও পরিচালক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৯- প্রাক্তন ইংরেজ ফুটবলার রন অ্যাটকিনসনের জন্ম
১৯৭৪- কবি বুদ্ধদেব বসুর মৃত্যু 

18th  March, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯০ টাকা ৬৯.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬৩ টাকা ৯২.৯০ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৯ টাকা ৭৯.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ২১/২১ দিবা ২/১৯। মঘা ৩৩/১৬ রাত্রি ৭/৫। সূ উ ৫/৪৬/৭, অ ৫/৪৩/২১, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯ গতে ১০/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৫ গতে ৩/২১ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। 
৪ চৈত্র ১৪২৫, ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১২/২/২২। মঘানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/২২/১৬, সূ উ ৫/৪৬/৩৩, অ ৫/৪২/২৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৯/৪৩ থেকে ১০/৩২/৫৫ মধ্যে ও ১২/৫৬/৪ থেকে ২/৩১/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯/১৪ থেকে ৪/৫৪/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩০/৪২ মধ্যে ও ৮/৫৫/৩১ থেকে ১১/২০/২১ মধ্যে ও ১/৪৫/১১ থেকে ৩/২১/৪৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬/২ থেকে ৮/৪৫/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১/১৩/৫৮ থেকে ২/৪৩/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১২/৫৬ থেকে ৮/৪৩/২৭ মধ্যে। 
মোসলেম: ১১ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৫ সিআরপিএফ জওয়ান 

18-03-2019 - 06:48:58 PM

কলকাতা বিমানবন্দরে ২ জন রোহিঙ্গা সহ গ্রেপ্তার ৩ 

18-03-2019 - 06:24:00 PM

অনুব্রতর মন্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের  
অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোধারা বসুর কাছে ...বিশদ

18-03-2019 - 05:35:12 PM

সল্টলেকে গাড়ির ধাক্কায় জখম এক সাইকেল আরোহী  

18-03-2019 - 05:00:00 PM

নেদারল্যান্ডসের উৎরেষ্ট শহরে বন্দুকবাজের হামলা, হত ১, জখম বেশ কয়েকজন

18-03-2019 - 04:11:00 PM

৭১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

18-03-2019 - 03:54:21 PM