Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর। সত্যি সত্যিই গোঁফই কি আমাদের আইডেন্টিটি? এবং একমাত্র? তাহলে যার গোঁফ নেই, তার আইডেন্টিটির কী হবে? তবু, এনিয়ে হাজার গণ্ডা প্রবাদ রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। কোথাও পড়েছি, কলমে কায়স্থ চিনি, গোঁফেতে রাজপুত। আবার কখনও শুনেছি, শিকারি বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়। ইত্যাদি, ইত্যাদি।
আসলে নানান স্টাইলের গোঁফ পরিণত হয়েছে প্রায় প্রবাদেই। বীরাপ্পানের মত প্যাঁচানো গোঁফ, প্রজাপতির মত উড়ুক্কু গোঁফ, স্ট্যালিনের চওড়া গোঁফ। এমনকী গল্প-সাহিত্যের চরিত্রদের গোঁফই বা কম কীসে? যেমন আগাথা ক্রিস্টির গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারো-র বর্ণনাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে তার সূঁচোল গোঁফজোড়া ছাড়া। খেলার ছলে হাতি-লোফেন যিনি সেই ষষ্ঠীচরণের গোঁফ সম্পর্কে সুকুমার কিন্তু কবিতায় নীরব। তবু ছেলেবেলা থেকে আবোল তাবোলের পাতায় ষষ্ঠীচরণের ছবিতে পেল্লাই মাপের গোঁফ দেখেই অভ্যস্ত আমরা। ‘যোধা আকবর’ ছবিতে দেখেছি, সম্রাট আকবরের গোঁফ পরিচর্যার জন্যে নাপিতের পিছনে খরচ করা হতো মোটা অর্থ। হিটলারি গোঁফ চ্যাপলিনের নাকের নীচে ঠাঁই পেয়ে হয়ে যায় অন্য ধরনের স্টাইল স্টেটমেন্ট। আর তা যেন একাকার হয়ে যায় ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’-এর সেলুলয়েডে। সঠিক গোঁফের স্টাইল কি সত্যিই জয় করতে পারে হৃদয়? আসলে গোঁফ থাকলেই যে হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছানো যাবে, সেটাও বোধকরি ঠিক নয়। তাসের দেশে চার চারটে রাজা রয়েছে, কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, কেবলমাত্র ‘কিং অব হার্ট’-এরই গোঁফ নেই। তা সত্ত্বেও সে হয়ে বসেছে হৃদয়ের রাজা।
তবু, আজ দেখি এমনই এক গোঁফে মজেছে ২০১৯-এর ভারতবর্ষ। উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের প্যাঁচানো গোঁফ নিয়ে এক অভূতপূর্ব আবেগের ঢল নেমেছে দেশজুড়ে। সে গোঁফজোড়া পরিণত হয়েছে স্টাইল স্টেটমেন্টে। আর গাছে কাঁঠাল দেখলে, গোঁফে তেল মাখা তো আমাদের নিত্যদিনের অভ্যেস। দেশের সেলুনে সেলুনে নাকি অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ করবার আবদার নিয়ে লাইন পড়ছে জনতার। কোনও কোনও সেলুন নাকি ‘আমরা অভিনন্দন-গোঁফে বিশারদ’ ধরনের বিজ্ঞাপন দিচ্ছে বা দেবে বলে ভাবছে। খবরে প্রকাশ, বেঙ্গালুরুর কোনও এক সেলুন নাকি বিনামূল্যে অভিনন্দন-স্টাইলের চুলদাড়ি কেটে দিচ্ছে গ্রাহকদের। আর সেই সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্যে লাইন পড়ছে সকাল থেকে।
আমূলের বিজ্ঞাপনের একটা পরোক্ষ অবদান হয়তো আছে এর পিছনে। পঞ্চাশ বছরের বেশি ধরে ওই ছ’বছরের মেয়েটা বড় বড় হোর্ডিংয়ে আর সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনে জাতির হৃদস্পন্দনকে চিত্রিত করে চলেছে নিশ্চিতভাবে। এবারেও প্রথমে অভিনন্দনের প্রত্যাবর্তনকে কার্টুনায়িত করল আমূল। তারপর মিনিট খানেকের এক ভিডিও প্রকাশ করল, ‘#আমূল মুচ: টু অভিনন্দন ফ্রম আমূল’। এ তাদের ‘মুচ নেহি তো কুছ নেহি’ শীর্ষক প্রচারের একটা অঙ্গ ছিল। ভিডিওটিতে দেখা গেল জীবনের সর্বক্ষেত্রের পুরুষরাই অভিনন্দনের স্টাইলে গোঁফ পাকাচ্ছে। আর শুধু পুরুষরাই বা কেন, একটি ছোট্ট মেয়ে এক গ্লাস দুধ খেয়ে করে ফেলেছে সাদা রঙের গোঁফের দাগ। এক বীর সৈনিককে এ এক অনবদ্য সম্মান প্রদর্শন। আমরা অভিভূত। কিন্তু সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখে বোঝাই যাচ্ছিল যে, এবার গোঁফে তা দেবে ভারতবর্ষ।
এক অর্থে এ কিন্তু দেশের পক্ষে বড় আশার কথা। দেশের জনগণ শুধুমাত্র রুপোলি পর্দা আর ক্রিকেট মাঠের তারকাদের পোশাক-আশাক, চুল-দাড়ি-গোঁফই নকল করে না, এক বীর সৈনিকের গোঁফের স্টাইল অনুকরণ করতেও ছোটে দলে দলে। পর্দার তারকাদের ছাপিয়ে আসমুদ্র-হিমাচলের নায়ক হয়ে উঠতে পারে দেশের প্রতিরক্ষায় নিয়ত সৈনিকরাও। এমনকী মেয়েরা পর্যন্ত নকল অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ লাগিয়ে ছবি তুলে পোস্ট করছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।
উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের এই জবরদস্ত গোঁফটাকে আমরা আগে জানতাম বীরাপ্পানের স্টাইলের গোঁফ বলে। বস্তুত তামিলিয়ান গোঁফ নামেই পরিচিত এটা, তামিল সাহিত্যে এ ধরনের গোঁফের বর্ণনা রয়েছে প্রভূত। তামিল পুরুষরা নাকি অনেকেই এ ধরনের গোঁফ রাখত এক সময়। এর একটা পারিভাষিক নামও অবশ্য রয়েছে—‘গানস্লিঙ্গার’। সেসব নাম অবশ্য এখন ধুয়ে মুছে যেতে পারে একেবারে। ‘উইং কম্যান্ডার গোঁফ’ বা ‘অভিনন্দন গোঁফ’ নামেই হয়তো ভবিষ্যতে পরিচিত হয়ে যাবে এটা।
অভিনন্দনের গোঁফ এতটাই উত্তাল করেছে দেশের লোককে যে আমার মত গোঁফ-খেজুরে লোকও অভিনন্দন-স্টাইলের গোঁফের প্রত্যাশায় সেলুনের লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি সকাল থেকে। হঠাৎ করে মনে হয়, অভিনন্দন বর্তমানের মত বীর মানসিকতার সৈনিক কিন্তু এদেশে অগণিত। সীমান্তে তারা অতন্দ্র প্রহরী। দুর্ভিক্ষে ফাঁকা আর বন্যায় ভিটে তলিয়ে গেলেও কর্তব্যে যারা অবিচল। ঘরেতে প্রতীক্ষ্যমানা প্রিয়াকে ছাপিয়ে যাদের স্নায়ুতন্ত্রীতে দেশপ্রেম উৎসারিত হয় ফল্গুস্রোতের মত। এই অভিনন্দন তো তাদের এক প্রতিনিধি মাত্র, পরিস্থিতির ফাঁকে ঘটনাক্রমে যার কথা জেনেছে দেশবাসী। কিন্তু অগণিত দেশপ্রেমী সৈনিকের গোঁফ তো আর অভিনন্দনের মত নয়। তাদের কারও গান্ধী-গোঁফ, কারও চ্যাপলিন গোঁফ, কেউ স্যার আশুতোষের মত গোঁফের মালিক, কারও গোঁফ ভগৎ সিংয়ের মতো, কারও আবার অ্যাস্টেরিক্স-মার্কা গোঁফজোড়া। আবার সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিতে তাঁর গোঁফ দেখেছি বলে তো মনে পড়ছে না। শহিদ ক্ষুদিরামের স্বল্প জীবনে ভালো করে গোঁফ গজাবার সময়টাও তো হয় নি। ‘পথের দাবী’র সব্যসাচীর প্রতিটা ছদ্মবেশের সঙ্গে সঙ্গে বদলে বদলে যায় পোশাক, বদলায় গোঁফ-দাড়ি-চুলের ধরন। তাঁর সমস্ত প্রকরণের মধ্য দিয়েই সব্যসাচী উজ্জ্বল হয়ে ওঠে পাঠকের হৃদয়ে। হঠাৎ মনে পড়ল আমার এক স্কুলের সহপাঠীর শ্মশ্রু-গুম্ফবিহীন মুখ। সেও সীমান্তের প্রহরী। কর্তব্যে অবিচল। শুনেছি একদা ডিউটিতে থাকাকালীন শ্রীনগরের লালচকে তাদের বাসে গ্রেনেড হানা হওয়ার কাহিনী। তাই হঠাৎ মনে হল, সেনা হোক বা সাধারণ জনতা, গোঁফ-দাড়ির ছাঁচে তাদের দেশপ্রেমকে সংজ্ঞায়িত করা বোধহয় নেহাতই বালখিল্য প্রচেষ্টা মাত্র। গোঁফজোড়া অমন না হলেও বীর ভারতীয় উইং কম্যান্ডার নিশ্চয়ই কোনও গোপন তথ্য ফাঁস করে দিতেন না পাকিস্তানি মেজরের কাছে।
একদিকে দেশসুদ্ধ লোক হেড অফিসের বড়বাবুর বক্তব্যকে আপ্তবাক্য ধরে নিয়েছে—‘গোঁফ দিয়ে যায় চেনা’। কিন্তু তারা খেয়াল করতে ভুলেছে তার আগের লাইনটা—‘গোঁফের আমি, গোঁফের তুমি’। তাই অন্যের গোঁফের স্টাইলকে নকল করলেই বদলে যাবে না আমার আমিত্ব-টুকু। সেলুনের লাইনে এবার ছিল আমার পালা। আমি কিন্তু হঠাৎ করে লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এলাম। পিছনের লোকজন খুশিও হল, অবাকও হল বেশ—আমার এই অর্বাচীন কাজে।
আমার হল এক সম্যক উপলব্ধি। গোঁফ কিংবা চুলের স্টাইল দিয়েই বোধকরি চেনা যায় না দেশপ্রেমের স্পন্দন। ধরা যায় না তার ব্যাপ্তিটুকু। দেশপ্রেম চেনা যায়, উপলব্ধি করা যায় হৃদয় দিয়ে। দেশমায়ের প্রতি অনাবিল ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে চেতনার গভীরে। দেশপ্রেম বাস করে হৃদয়পুরে। তা হল হৃদয়ের অন্তঃস্থলে উৎসারিত স্রোতস্বিনীর তরঙ্গ। সীমান্তের অগণিত প্রহরী বা দেশের অগণন সিভিলিয়ানের হৃদয়ের গভীরে যা বয়ে চলে অনির্বাণ। জীবনের কোনও বিরল মুহূর্তে কিংবা জাতির জীবন-প্রবাহের কোনও এক সন্ধিক্ষণে তাদের কারও কখনও বা হঠাৎ সুযোগ আসে জীবনের কোনও ফলবান খণ্ডকে জয় করার। এক সোনার কাঠির ছোঁয়ায় তখন মুক্তি ঘটে অন্দরে অন্তরে বসত করা অব্যক্ত উচ্ছ্বাসটুকুর। আর সুযোগ আসে নিজের বুক চিরে হৃদয়ের অন্তঃস্থলে প্রতিষ্ঠিত, সঙ্গোপনে সুরক্ষিত দেশমাতৃকার প্রতিচ্ছবি দেখানোর। সেই ম্যাজিক-মুহূর্তে জীবনই যে তাকে করে তোলে ‘অভিনন্দিত’।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
12th  March, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বহর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। আমেরিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে যাতে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টা করবে ওয়াশিংটন ডিসি’র ইন্ডিয়ান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ...

 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছেলের হাতে খুন হলেন মা। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুর থানার করুণাময়ীতে। মৃতার নাম অপু সরকার (৪৪)। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরে গুণধর ছেলে নিজেই এসে থানায় আত্মসমর্পণ করে। পুলিস জানিয়েছে, ওই ...

  বিএনএ, বাঁকুড়া: আজ, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাঁকুড়ায় মাধ্যমিকের মার্কশিট ও শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু হবে। জেলার তিন মহকুমায় একটি করে স্কুল থেকে তা বিলি করা হবে। ১১টা নাগাদ ছাত্রছাত্রীরা তা বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে বাঁকুড়ার জেলা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM