Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধের চাপা দামামা
পি চিদম্বরম

একটি জাতি হিসেবে, বাইরের দিকের নিরাপত্তা (এক্সটার্নাল সিকিউরিটি) এবং অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার (ইনটার্নাল সিকিউরিটি) মধ‌্যে স্বাতন্ত্র্যরচনায় আমরা যত্নবান। কোনও কারণে প্রথমটিকে ‘জাতীয়’ (ন‌্যাশনাল) আলখাল্লা পরার অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে কিন্তু পরেরটির ক্ষেত্রে নস‌্যাৎ করা হচ্ছে সেই বিশেষ সুবিধাটি।
সচেতনভাবে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে যে এই দুই প্রকার নিরাপত্তাকে পরস্পরসংযোগহীন করে রাখার সুযোগ নেই। একটির পরিস্থিতির প্রভাব অন‌্যটির উপরেও পড়ে। যাই হোক, আমি বর্তমান প্রেক্ষিতেই বিষয়টির উপর আলোকপাত করব।
শুক্রবার আমি যখন এই নিবন্ধ লিখছি তখন ভারত একটি যুদ্ধ-পরিস্থিতির মধ‌্যে রয়েছে, যদিও পাকিস্তানের সঙ্গে পুরোদস্তুর যুদ্ধটুদ্ধ হবে বলে কেউই বিশ্বাস করে না। আমাদের জানানো হয়েছে যে পাকিস্তানের একটি এফ-১৬ বিমান ধ্বংস হয়েছে এবং সম্ভবত তার পাইলটও মারা গিয়েছেন। সরকার আরও দাবি করেছে যে, তিনশোর বেশি জেহাদিকেও তারা খতম করেছে। আমার সরকারকে আমি বিশ্বাস করতে প্রস্তুত, কিন্তু দুনিয়া তার অবিশ্বাস ছাড়বে না। ভারতের একটি মিগ-২১ ধ্বংস হয়েছে এবং তার পাইলটকে পাকিস্তান বন্দি করেছে, তাঁর মুক্তিও প্রত‌্যাশিত। সরকারি বিবৃতি থেকে এটাই মনে হয় যে উভয়পক্ষই ভান করছে এবং বাস্তবে যুদ্ধ কেউই চায় না।
যুদ্ধের প্রয়োজন নেই
যুদ্ধে জড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। ১৯৭১-এর মতো ভারতের উপর কোনও চাপ নেই যে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হতে মরিয়া কোনও প্রদেশকে সাহায‌্য করতে হবে। কার্গিলের মতো ভারতের কোনও ভূখণ্ড গ্রাস করার পাকিস্তানি অপচেষ্টা নেই। উভয় দেশই জানে যে বর্তমান পরিস্থিতির জন‌্য দায়ী গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ের উপর এক জঙ্গিহামলা।
সুতরাং আমরা মূল সমস‌্যা যে সন্ত্রাস, সেই আলোচনায় আসব। সন্ত্রাসবাদ যে-কোনও দেশের অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে এক চরম বিপদ। ভারতও তার ব‌্যতিক্রম নয়।
ভারতের অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় যেসব কারণে তার একটি তালিকা দেওয়া যাক: ১. সন্ত্রাসবাদ। ২. জঙ্গি অনুপ্রবেশ। ৩. নকশালবাদ অথবা মাওবাদ। ৪. সাম্প্রদায়িক/ ধর্মীয় বিবাদ। ৫. বিচ্ছিন্নতাবাদ। ৬. সংরক্ষণ কেন্দ্রিক বিক্ষোভ। ৭. কৃষকদের বিক্ষোভ। ৮. জল এবং সীমানা নিয়ে আন্তঃরাজ‌্য দ্বন্দ্ব। ৯. ভাষা নিয়ে কলহ।
সন্ত্রাসবাদ হল বড় বিপদ
উপরে যে বিপদগুলির কথা বললাম সেগুলি গুরুত্বের ক্রমে সাজানো নয়, মনে যেমন এসেছে লিখেছি কিন্তু তাতেও সমস‌্যাগুলির ক্রমিক প্রভাবই কমবেশি প্রতিফলিত হয়েছে। সমস‌্যাগুলির সমাধানে সরকারের তুলনামূলক সাফল‌্য অথবা ব‌্যর্থতার মূল‌্যায়নও এই ক্রমসজ্জা। দৃষ্টান্ত, ১৯৬৫ সালে, হিন্দির গুরুত্বটা তামিলনাড়ুতে এক বিস্ফোরক গোছের সমস‌্যা হয়ে দাঁড়ায় এবং সেই আগুন এখনও যেন নিভেও নেভেনি, কিন্তু এই মুহূর্তে দেশের কোথাওই ভাষা সংক্রান্ত মারাত্মক বিবাদ নেই।
তালিকার শীর্ষের সন্ত্রাসবাদই (জম্মু ও কাশ্মীরে) ভারতের অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। বছর কয়েক পূর্বে বিপদের এই জায়গাটি দখল করেছিল নকশালবাদ অথবা মাওবাদ; সেটা এখন ভালোমতোই নিয়ন্ত্রণে, যদি নির্মূল না-হয়েও থাকে। ১৯৮০-র দশকে বড় বিপদটির নাম ছিল পাঞ্জাবের বিচ্ছিন্নতাবাদ কিন্তু বাস্তবিকই পাঞ্জাবকে ওই যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করা গিয়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদ (পাঞ্জাব) নির্মূলকরণ এবং মাওবাদ নিয়ন্ত্রণের (পশ্চিমবঙ্গসহ নকশাল-উপদ্রুত রাজ‌্যগুলিতে) এই সাফল‌্যের ইতিহাস থেকে মূল‌্যবান পাঠ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষণীয় হল (১) প্রতিপক্ষের মোকাবিলায় দৃঢ়তা এবং সর্বাধিক শক্তি প্রয়োগ এবং (২) সেই এলাকার বাকি মানুষগুলির সঙ্গে ব‌্যবহারে স্বচ্ছতা ও সৌহার্দ‌্যের প্রকাশ।
সাম্প্রতিক শিক্ষা
আমার কাছে সবসময় একটা ধাঁধা এই যে অন‌্যত্র থেকে আমরা যে শিক্ষা নিয়েছি কেন্দ্রীয় সরকার সেটা জম্মু ও কাশ্মীরে প্রয়োগের বেলা নস‌্যাৎ করে দেয় কেন। আমার সন্দেহ, গভীর পাকিস্তান-বিদ্বেষই এর কারণ। আরও সৈন‌্যসমাবেশ এবং জঙ্গিঅনুপ্রবেশ রুখে দিয়ে সীমান্ত (আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলওসি) বেশি সুরক্ষিত রাখা উচিত—এটা আমার মত। এই নিরিখে সরকারের কৃতিত্ব মোটেই ভালো নয়। ২০১৭ সালে ১৩৬ বার অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে এবং ২০১৮-র চূড়ান্ত হিসেব আসার পর দেখা যাবে পরিস্থিতির অবনতিই হয়েছে (অক্টোবরের শেষে সংখ‌্যাটি ছিল ১২৮)। আমার আরও মত এই, উপত‌্যকার জন‌্য সরকারকে অবশ‌্যই আরও কোমল মনোভাব নিয়ে এগতে হবে এবং সমস‌্যাটি যাঁদের (স্টেকহোল্ডার) তাঁদেরকেও সঙ্গে নিতে হবে। পরিবর্তে, আমাদের পথটি হল কলঙ্কিত পেশিশক্তি, সামরিক বল এবং সংখ‌্যাগরিষ্ঠের জাতীয়তাবাদ—যার একটাই ফল ফলছে—যুবরা আরও বেশি বেশি করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কব্জায় চলে যাচ্ছে (২০১৭ সালে গিয়েছিল ১২৬ জন এবং ২০১৮-র অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া হিসেব হল ১৬৪ জন)। এই পলিসিকে চূড়ান্ত ফ্লপই বলব, উপত‌্যকায় আরও জঙ্গিঅনুপ্রবেশ এবং আরও হতাহত তো এই নীতিরই সৌজন‌্যে।
পাকিস্তান হল বিপথে চালিত, প্রায়শ পরশ্রীকাতর এক প্রতিবেশী। তৎসত্ত্বেও এটি একটি প্রতিবেশী দেশ। যেমনটা মানতেন অটলবিহারী বাজপেয়ি এবং ড. মনমোহন সিং যেমন একসময় বলেছিলেন, ‘‘আমরা আমাদের বন্ধু বদলে ফেলতে পারি কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী বদলে ফেলতে পারি না।’’
বিজেপি সরকার ফোকাসটাকে টেররিজম থেকে পাকিস্তানের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং তাতে মানুষের প্রশ্নাতীত সমর্থন দাবি করছে। আর দিনকতক বাদেই এই জিনিস আর খাটবে না এবং প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন উঠবে। উল্টোদিকে, কংগ্রেসসহ বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের অলজ্জিত রাজনৈতিক ভাষণ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী একটি দিনও অতিবাহিত পারছেন না!
জম্মু ও কাশ্মীর সম্পর্কে যতটা বুঝি, সরকার যতক্ষণ না কাশ্মীর উপত‌্যকায় বিচ্ছিন্নতাবোধের মূল কারণ দূর করার ব‌্যাপারে যত্নবান হয় ততক্ষণ
পর্যন্ত ওই রাজ‌্যে জঙ্গি কার্যকলাপের বিপদ
কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। এটি পরিণামে আরও বড় বিপদের রূপ নেবে এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হয়ে উঠবে।
বিজেপি হয়তো এমনই একটা পরিস্থিতির উদ্ভব চাইছে যে তারা দাবি করতে পারবে—পাকিস্তান ‘পরাস্ত’ হয়েছে। এইভাবেই চিত্রনাট‌্য রচনা করা হচ্ছে, কিন্তু সতর্কভাবে রচিত চিত্রনাট‌্যেও শেষরক্ষা নাও হতে পারে। কার্গিল ছিল, ছিল অপারেশন পরাক্রম, ইন্ডিয়া শ‌াইনিং প্রচার, এবং ছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ি। তবু, শেষ বিচারে মানুষই দেশের ভার অন‌্য একটি রাজৈনৈতিক দল এবং তার সহযোগীদের হাতে তুলে দিয়েছিল।
04th  March, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: দিনমজুরের মেয়ে রেশমী রায় এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ নম্বর পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র মনের ইচ্ছা এবং একাগ্রতা থাকলে যে বাধা ...

 নয়াদিল্লি, ২২ মে (পিটিআই): রাত পেরলেই লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা শুরু হবে। আর বৃহস্পতিবারই ঠিক হয়ে যাবে ৭২৪ জন মহিলা প্রার্থীর ভাগ্য। এবার মোট ৭২৪ জন মহিলা প্রার্থী লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এবার সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন মহিলা প্রার্থী দাঁড় ...

সংবাদদাতা, হরিপাল: হরিপালের নালিকুল পূর্ব পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পূর্ব গোপীনাথপুর ও সিঙ্গুর ব্লকের মধ্য হিজলার উপর প্রায় ২ কোটি টাকা খরচে কানা নদীর উপর তৈরি হচ্ছে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বুধবার থেকেই শুরু হয়ে গেল সরকারি স্কুলগুলির একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি প্রক্রিয়া। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হচ্ছে। অনলাইনে একটি বা একাধিক ফর্ম ডাউনলোড করে বা তার কপি করে তা পূরণ করে জমা দেওয়া যাচ্ছে। ফর্ম জমা দেওয়া যাবে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্য মাঝেমধ্যে বিরূপ হলেও খুব একটা চিন্তার কারণ হবে না। ভ্রমণযোগ বিদ্যমান। মাঝেমধ্যে প্রতিবেশীদের থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৮৮ টাকা ৭০.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৫ টাকা ৭৯.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৩৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/২৩ রাত্রি ৪/১৯। পূর্বাষাঢ়া ০/৩৯ প্রাতঃ ৫/১৩। সূ উ ৪/৫৭/৩৪, অ ৬/৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/১/৪১ শেষরাত্রি ৪/৯/৩৩। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ২/০/১৯ প্রাতঃ ৫/৪৫/১, সূ উ ৪/৫৬/৫৩, অ ৬/১১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৭ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৯/৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৪/৩১/৫৯ গতে ৬/১১/১৭ মধ্যে, কালবেলা ২/৫২/৪১ গতে ৪/৩১/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৪/৫ গতে ১২/৫৪/৪৭ মধ্যে। 
১৭ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য 

22-05-2019 - 04:21:49 PM

১৪০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

22-05-2019 - 03:52:18 PM

ধূপগুড়ির বিএমওএইচ-এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল স্বাস্থ্য দপ্তরের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে 

22-05-2019 - 03:03:00 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে আইইডি বিস্ফোরণ, শহিদ ১ জওয়ান, জখম ৭ 

22-05-2019 - 01:31:14 PM

২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ বিশ্বভারতীর উপাচার্য এবং অধ্যাপকরা 
ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে জেরে ২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ...বিশদ

22-05-2019 - 01:27:28 PM

বর্ধমানের শাঁখারিপুকুর এলাকায় গাড়ি-লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ২ 

22-05-2019 - 01:23:08 PM