Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরেও সেই মহাসংগ্রামের দিনক্ষণ স্থির করা নিয়ে এখন শেষ মুহূর্তের তৎপরতা, খবর তেমনই। এবং চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিকে দিন যত এগচ্ছে ততই শাসক ও বিরোধীপক্ষের তরজায় দেশ জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ছে। অবশ্য, অনেকদিন ধরেই যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলোর বাদানুবাদ অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মহলে এমনকী সাধারণজনের মধ্যেও আসন্ন লোকসভা নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছিলই। প্রত্যাশিতভাবেই এখন তার পরিধি ও তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে এই বঙ্গে এবার সেই উত্তেজনার মাত্রা যেন একটু বেশি বলেই মনে হচ্ছে।
অবশ্য তার সঙ্গত কারণও আছে। দেশের মোদি-বিরোধী শিবিরে এবার যে মধ্যমণি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁকে কেন্দ্র করেই জোট বাঁধছে দেশের মোদি-বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো। আর তাতে ভোট রাজনীতির জাতীয় মঞ্চে বাংলার ভূমিকাও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা যে জাতীয় বিরোধী মঞ্চের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন এবং বিরোধীরা যে তাঁকেই সামনে রেখে মোদি-বিরোধী লড়াইতে যেতে চাইছেন সাম্প্রতিকে অন্তত দুটি ঘটনায় তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমটি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ এবং দ্বিতীয়টি মমতার ধর্না। দেশের প্রভাবশালী প্রথমসারির মোদি-বিরোধী নেতারা মমতার ব্রিগেডে উপস্থিত হয়ে বা ফোন করে কীভাবে তাঁর প্রতি আস্থা ও সংহতি জানিয়েছেন তা দেশ দেখেছে। জাতীয় কংগ্রেসও এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেনি বরং প্রতিনিধি পাঠিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মমতার প্রতি তাঁর অকুণ্ঠ সমর্থন ও আস্থা জ্ঞাপন করেছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের অধিকার উপেক্ষা করে সিবিআইয়ের আচমকা অভিযানের বিরোধিতায় মমতা যখন ধর্মতলা মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন তখনও বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীরা কেউ ধর্নামঞ্চে এসে কেউ ফোনে মমতার প্রতিবাদকে স্বাগত জানিয়েছেন, পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এই দলেও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ছিলেন। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, কংগ্রেস সমেত পদ্মবিরোধীরা প্রায় সকলেই আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের লড়াকু নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতার পাশে মমতার সঙ্গে এবং আসন্ন ২০১৯ ভোটযুদ্ধে তাঁকেই চাইছেন নেতৃত্বে। সত্যি বলতে কী, রাহুল গান্ধী থেকে অখিলেশ যাদব মায়াবতী চন্দ্রবাবু নাইডু কানিমোঝি প্রমুখ দেশের বিরোধী নেতানেত্রীর এহেন মমতা-প্রীতিই পশ্চিমবঙ্গের জনমনে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা উসকে দিয়েছে। পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে ভোট-রাজনীতির জাতীয় মঞ্চে এখন রাহুল-মোদির চেয়ে মমতা-মোদির লড়াইটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ২০১৯ লোকসভা রণাঙ্গনে কংগ্রেস বিজেপির লড়াইয়ের চেয়ে মানুষজন মমতার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়াবাহিনীর টক্কর ও তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েই বেশি কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন!
আর সেজন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর পদ্মবাহিনীর প্রধান টার্গেট এখন মমতা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা-সমিতিতে মোদিজি ও তাঁর দলের নেতানেত্রীরা সব ছেড়ে মমতার নামে বিষোদ্গারে মাতছেন। যা মুখে আসে তাই বলছেন। নানা অভিযোগের বন্যা বহাচ্ছেন। তার সঙ্গে নতুন করে শুরু হয়েছে সারদা নারদা রোজভ্যালি নিয়ে নাড়াচাড়া, সিবিআই অভিযান! কদিন আগে কলকাতার পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অছিলায় তাঁর লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে আচমকা হানা দিয়েছিলেন সিবিআইয়ের কয়েকজন অফিসার। তাঁদের সঙ্গে প্রথমে পুলিস কমিশনারের বাড়িতে কর্তব্যরত পুলিসের এবং পরে উচ্চপদস্থ পুলিসকর্তাদের বাদবিতণ্ডায় রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হল। কিন্তু, আখেরে হলটা কী? মহামান্য আদালত সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজীব কুমারকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কিন্তু তাঁর ওপর বলপ্রয়োগ বা তাঁকে আটক করতে পারবে না। সেইমতো শিলংয়ে ডেকে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ হচ্ছে। এই জিজ্ঞাসাবাদ রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে সোজা পথেও করা যেত। না করে লাভটা কী হল? মহামান্য আদালতের নির্দেশে জিজ্ঞাসাবাদের বেশি কিছু করার সামর্থ্যই তো রইল না! বরং, মাঝখান থেকে সিবিআইয়ের এহেন কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সেই প্রতিবাদে কংগ্রেসসমেত দেশের নানা প্রান্তের বিরোধী নেতানেত্রীর সমর্থন পেয়ে মমতা জাতীয় স্তরে তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি আরও বাড়িয়ে নিলেন! বলছেন দেশ-রাজ্যের মানুষ, বলছেন রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরাও।
আচ্ছা, যাঁরা এত বছর মমতাকে দেখছেন, তাঁর রাজনৈতিক স্বভাব, মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় মনোভাব এবং সর্বোপরি তাঁর সততা ও আত্মবিশ্বাসের ভূরি ভূরি উদাহরণ দেখেছেন ও দেখছেন তাঁরা কি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন এভাবে ফাঁকা অভিযোগ করে বা ভয় দেখিয়ে মমতার গতিরোধ করা যাবে? ভাবতে যে পারেন না সেটা এই বাংলার পথেঘাটে অফিস-কাছারিতে একটু ঘোরাঘুরি করলে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর মন্ত্রী সেনাপতিরা অনায়াসে বুঝে যেতেন। ওই যে মমতা বলেছেন না, পাঙ্গা নিলে আমি চাঙ্গা হয়ে যাই—একেবারে ঠিক কথা। এই মনের জোর এই অকুতোভয় একরোখা প্রতিবাদী স্পিরিট না থাকলে কি সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেদের ৩৪ বছরের দুর্গ তিনি ধূলিসাৎ করতে পারতেন? প্রায় একক চেষ্টায় সিপিএমের দীর্ঘ শাসনে রুগ্ন বিবর্ণ শিল্পসম্ভাবনাহীন হতাশার রাজ্যে এত তাড়াতাড়ি এমন প্রাণ সঞ্চার করতে পারতেন? পারতেন দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষকোটির বিনিয়োগ আনতে, লাখ লাখ বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে? পারতেন, জঙ্গলমহল থেকে পাহাড় সাগর থেকে সীমান্ত এমন শান্তি সম্প্রীতি আর উন্নয়নে উজ্জ্বল এমন একটা বিশ্ববাংলা উপহার দিতে? শুধু কী তাই, জগৎসভায় আজ পশ্চিমবঙ্গ যে ফের একবার নতুন আলোয় আলোকিত। কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্প যে আজ বিশ্ববন্দিত—সেও কি মমতার মতো এমন একনিষ্ঠ জননেত্রী অক্লান্তকর্মী মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া সম্ভব ছিল?
বাংলার মানুষ কি সাধে আজও এমন মমতামুগ্ধ? যাচাই করে তাঁরা তো দেখেছেন, ২০১১ সালের আগে এই রাজ্যের হাল কী ছিল আর আজ কী? সাধারণ গরিবের জীবনমান লালজমানায় কী ছিল আর মমতা রাজে কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। তবেই না তাঁরা সব ভুলে মমতাকে উজাড় করে দিয়েছেন তাঁদের সমর্থনের শক্তি। সেই অপরিমেয় জনশক্তি ও সমর্থন প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর পার্ষদদের দুটো অভিযোগে শেষ হয়ে ভেঙে পড়বে? সিবিআই এসে রামাসামা অভিযোগ ঠুকে দু’-চারজনকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া করলেই বাংলার পাবলিক মমতার পাশ থেকে সরে যাবেন? হয়, হতে পারে! বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো এমন একটি রাজনীতি সচেতন রাজ্যে তেমনটা হওয়া কি আদৌ সম্ভব! আমার এক বন্ধুর সামনে এমন একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। তিনি একটি অতি পরিচিত রসিকতা ছুঁড়ে দিয়ে বলেছিলেন, কইবেন না, কইবেন না দিদি, শুনলি ঘুড়ায় (ঘোড়া) হাসব!
আমার বন্ধুর মন্তব্যটি হয়তো নিছক রসিকতা। কিন্তু, আমাদের দেশে ভোট এলে এমন রসের কাণ্ডকীর্তি যে চিরকালই ঘটে তা কি কেউ অস্বীকার করতে পারেন? এই যেমন ধরুন কেউ যদি প্রশ্ন করেন, সারদা রোজভ্যালিতে সর্বস্বান্ত মানুষজনের দুঃখে যে প্রধানমন্ত্রীর আজ বুক ফেটে যাচ্ছে নোট বন্দি, জমা টাকায় সুদ কমানো, কৃষি সরঞ্জামের মতো গরিব সাধারণের নিত্যদিনের রুটিরুজির অবলম্বনে ভর্তুকি বন্ধ করা ইত্যাদির ক্ষেত্রে সেই দরদ কোথায় ছিল—কী জবাব দেবেন মোদিজি? জানি, বলবেন, দেশের আর্থিক সংস্কারের স্বার্থে কিছু কষ্ট সকলকেই করতে হয়। কিন্তু, কেউ যদি জানতে চান, সে না হয় হল, সারদা রোজভ্যালি কাণ্ড নিয়ে এমন মাঝে মাঝে জেগে ওঠা ও ঘুমিয়ে পড়া কেন? আর লক্ষ করলে দেখা যাচ্ছে ভোটের সময়ই যেন বেশি বেশি করে তেড়েফুঁড়ে উঠছে সিবিআই—কেন? কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা যতদিন প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আসেননি ততদিন তাঁর স্বামী রবার্ট ওয়াধেরাকে নিয়ে কথা নেই। প্রিয়াঙ্কা রাজনীতির ময়দানে নামতেই ওয়াধেরার পিছনে সিবিআই, ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! মানেটা কী? উত্তর মিলবে?
বঙ্গ রাজনীতির তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেই মনে করছেন, ২০১৯ ভোট মহাযুদ্ধের আগে বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার কেবল মুখের বাণী নয় সিবিআইয়ের মতো শক্তিরও যথেচ্ছ প্রয়োগ হবে। কারও জেলযাত্রার ঘটনা ঘটলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু দিনের শেষে প্রশ্ন একটাই, ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার মতো মহানেত্রীর গতিরোধ করা যায়? দেয়ালের লিখনটা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। গেরুয়া বন্ধুরা একটু চোখ মেলে দেখুন।
10th  February, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার কুমরিপুরে গুলি চালানোর অভিযোগ, এলাকায় চাঞ্চল্য 

10:05:00 AM

কালিয়াচকের গোঁসাইপাড়া বুথে বোমাবাজির অভিযোগ, জখম তিন কংগ্রেস কর্মী 

10:03:45 AM

মুর্শিদাবাদের বালিগ্রাম প্রাইমারি স্কুলের ১৮৮ নম্বর বুথে সিপিএম এজেন্টকে মারধর এবং ভোটারদের প্রভাবিত অভিযোগ 

10:03:41 AM

ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ, মালদহের রতুয়ায় অপসারিত প্রিসাইডিং অফিসার 

10:03:35 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল tap here 
আজ, মঙ্গলবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:00:00 AM

দঃ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে ছেলের পিঠে চড়ে ভোট দিলেন ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবা 

09:59:00 AM