Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ন্যানো, একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যু
মৃণালকান্তি দাস

ভক্সওয়াগেন বিটল। যে বছর ভারতে ন্যানোর আবির্ভাব, তার ঠিক ৭০ বছর আগে বাজারে এসেছিল এই ‘পিপলস কার’। গোটা জার্মানি জুড়ে শুধু রোড নেটওয়ার্ক বাড়ানোই নয়, দেশের মানুষকে সস্তায় গাড়ি চড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। কে না জানে, ভক্সওয়াগেন মানেই তো ‘জনতার গাড়ি’।
হিটলারের ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে ফার্দিনান্দ পোর্শের নেতৃত্বে উঠে পড়ে লেগেছিল একটি দল। পতঙ্গের শারীরিক গঠন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি নতুন গাড়ির নকশা তৈরি করেন তাঁরা। ১৯৩৮ সালে জন্ম হয় হিটলার ও পোর্শের মস্তিষ্কপ্রসূত গাড়ি ‘বিটল’-এর। পরবর্তী সময়ে বিটল কোনও একক প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদিত গাড়ির বিরল সুনাম অর্জন করে। ২০০৩ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে ওই মডেলের গাড়ি বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৫ লক্ষেরও বেশি। সস্তার এই ছোট্ট গাড়ি দেখে একসময় অনেক দুঁদে শিল্পপতি এর টিকে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁরা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি, আট দশক টিকে থাকবে ভক্সওয়াগেন বিটল। অথচ, এক দশক যেতে না যেতেই ভারতীয়দের স্বপ্নের একলাখি গাড়ি ন্যানো আজ ইতিহাসের দোরগোড়ায়। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ন্যানো তৈরি ও বিক্রি বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন খোদ টাটা মোটরসের যাত্রীবাহী গাড়ি বিভাগের প্রেসিডেন্ট মায়াঙ্ক পারিখ। শেষ পর্যন্ত তা ঘটলে বাজারে আসার এক দশক পরে দাঁড়ি পড়বে রতন টাটার স্বপ্নের ‘এক লক্ষ’ টাকার গাড়ি প্রকল্পে।
বৃষ্টিতে দু’চাকায় সওয়ার কাকভেজা এক পরিবারকে দেখেই না কি একলাখি গাড়ি তৈরির কথা ভেবেছিলেন টাটা গোষ্ঠীর প্রাক্তন কর্ণধার রতন টাটা। যাতে তা অনেক সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে আসে। ধুলোবালি, জলকাদা এড়িয়ে মধ্যবিত্ত ভারতীয় গাড়িতে চড়ে ঘুরবে। বিপদকে সঙ্গী করে চার সদস্যের পরিবারটাকে আর বাইকে চাপতে হবে না। মাত্র এক লাখ টাকাতেই মিটবে নিজের গাড়ির সাধ। রতন টাটা নিজে এই স্বপ্নে বিশ্বাস করতেন। ২০০৮ সালের আর্থিক মন্দার মধ্যে, সিঁদুরে মেঘ দেখা দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকেও এই স্বপ্ন দেখাতে চেয়েছিলেন।
জন্মলগ্ন থেকে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। রাজনৈতিক গোলমালে কারখানা সরাতে হয়েছে অন্য রাজ্যে। বাজারে আসার পরে ক্রমাগত কমেছে বিক্রিও। গত কয়েক বছরে প্রতিযোগিতার মুখে তেমন কল্কেও পায়নি এই গাড়ি। আর এবার নীরবতা পালনের সময়। এই লেখার জন্যে কলমের ডগা যখন কাগজ ছুঁয়ে এগতে চাইছে, তখন অন্তিম যাত্রার পথে পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তার গাড়ি, ভারতীয়দের সাধের ন্যানো। আত্মপ্রকাশের এক দশক পূরণ করতে না করতেই।
আমেদাবাদ ছাড়িয়ে ৩৫ কিলোমিটার এগতেই সানন্দ-ভিরামগাঁ সড়কের বাঁ দিকে আজও জ্বলজ্বল করে সাইনবোর্ড। দিক নির্দেশের তির চিহ্ন দিয়ে লেখা ‘ন্যানো প্ল্যান্ট’। যে কারখানা আজও একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যুর ইতিহাস বয়ে বেড়াচ্ছে। টাটা মোটরসের শীর্ষকর্তা মায়াঙ্ক পারিখ জানিয়ে দিয়েছেন, জানুয়ারিতে নতুন নিরাপত্তা বিধি এসেছে। এপ্রিল ও অক্টোবরে আরও আসবে। ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ভারত স্টেজ-৬ (বিএস-৬) দূষণ বিধি চালু হবে। সেগুলি মেনে সব গাড়িকে উন্নীত করার জন্য নতুন লগ্নি না-ও করতে পারে টাটা। ন্যানো তাদের মধ্যে অন্যতম। এর অর্থ একটাই, নিরঞ্জনের পথে রতন টাটার স্বপ্নের ন্যানোর ভবিষ্যৎ।
এক দশক আগের কথা। নয়াদিল্লির অটো এক্সপোতে জনসমক্ষে আনা হয়েছিল টাটা ন্যানো। স্টিল কালারের ছোট্ট গাড়িটায় সওয়ার স্বপ্নের কাণ্ডারী রতন টাটা নিজেই। টাটা গ্রুপের তৎকালীন চেয়ারম্যান। তাজ্জব বনে গিয়েছিল গোটা ভারত। সেদিন এক লক্ষ টাকায় বাজারে গাড়ি এনে অন্য সংস্থাগুলিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল ন্যানো। যে টাকায় সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির কথা ভাবতে পারা যায় না সে টাকায় নতুন গাড়ি? পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল উৎসাহ। টাটা মোটরস কর্তাদেরও অনুমান ছিল একলাখি ন্যানোর বার্ষিক বিক্রি সহজেই পৌঁছে যাবে ৫ লাখে। স্বপ্ন তো ছিল। কিন্তু স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার ভিতটাই ছিল নড়বড়ে।
শুরুতেই গোঁত্তা খায় সেই স্বপ্ন। এই সময়েই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের শুরু। ন্যানো নিয়ে কত ঢক্কানিনাদ। কত আলোচনা। কত পর্যালোচনা। কত আলোড়ন। একটা গাড়ি কারখানাকে নিয়ে রাজনৈতিক বাদানুবাদ শেষ অবধি পরিণত হয়েছিল রাজ্য রাজনীতির পালাবদলে। বামেদের গদি উল্টে দিয়েছিল টাটার কারখানা নিয়ে গড়িমসি-টালবাহানা।
বাংলার সমাজের সব স্তরে তখন স্পষ্ট মেরুকরণ। গ্রামের কৃষিনির্ভর মানুষ বলছে, শিল্পের জন্য চাষের জমি দেব না। শহুরে শিক্ষিত চাকরি প্রার্থীর বক্তব্য, শিল্প না হলে চাকরি হবে কী করে? হোক না সামান্য ক’টা চাকরি। কিন্তু তার সঙ্গে যে অনুসারী শিল্প তৈরি হবে, তার থেকে নতুন চাকরি তো হবে। সঙ্গে বদলে যাবে গোটা এলাকার অর্থনীতি। তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের একটা সিদ্ধান্তে শান্ত সিঙ্গুর বদলে গিয়েছিল আন্দোলনের অগ্নিভূমিতে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ভরসায় ২০০৬-এর মে মাসে সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন টাটা। শুরু হয়েছিল কৃষক আন্দোলনের অন্য আখ্যান। যাঁর নেতৃত্বে ছিলেন এক অগ্নিকন্যা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে দলের ‘শিল্পবিরোধী’ তকমা ঘোঁচাতে বদ্ধপরিকর বাম নেতারা তখন বলছেন, কারখানা হবেই। একলাখি গাড়ি কারখানা। বহুফসলি জমিতেই হবে। কেউ রুখতে পারবে না। এমনিতেই সরকারি কোষাগার ফাঁকা। রাজ্যের অর্থনৈতিক হাল ফেরাতে দরকার বড় শিল্প। সঙ্গে আছে ব্রিটিশ আমলের কৃষক-বিরোধী জমি অধিগ্রহণ আইন আর বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়ের আত্মবিশ্বাস। অন্যদিকে সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, গায়ের জোরে বহুফসলি জমি অধিগ্রহণ তাঁরা মানবেন না। সিঙ্গুরের প্রতিবাদের মন বুঝতে দেরি করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অনিচ্ছুক কৃষকদের। ধেয়ে এসেছিল সরকারের পুলিসবাহিনী। পিঠে হাড় গুঁড়িয়ে দেওয়া লাঠির বাড়ি। কাঁদানে গ্যাস। সিঙ্গুরের লড়াইয়ের বার্তা কলকাতা-সহ গোটা দেশ, বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গুরের বিডিও অফিস থেকে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে দিয়েছিল প্রশাসন। ফিরে এসে মেয়ো রোডে অবস্থানে তিনি। আড়াই মাস পর জোর করে জমি নেওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় তাঁর ২৬ দিনের অনশন সিঙ্গুরের আন্দোলনে এঁকে দিয়েছিল ল্যান্ডমার্ক। কৃষি বনাম শিল্পের রাজ্য জুড়ে তরজায় থেমে রইলেন না টাটাও। সিঙ্গুরে জমি দিতে ইচ্ছুক চাষিদের মধ্যে থেকেই বেছে নিলেন তরুণদের। জোর কদমে শুরু হয়ে গেল তাঁদের প্রশিক্ষণ। স্বপ্ন একটাই। টাটার কারখানায় চাকরি
হবে তাঁদের।
২০০৭-এর গোড়ায় কারখানা তৈরির কাজ শুরু করল টাটা। কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিল, সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণে ভুল করেনি বাম সরকার। সোনার ফসল ফলানো মাটি আগলে রাখতে আরও কঠিন লড়াই। সেদিন অকুতোভয় আটপৌরে গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের সাহস হারাতে দেননি মমতা। সিঙ্গুরের সানাপাড়ায় ধর্নায় বসলেন মমতা। ১৫ দিনের ধর্নায় অবরুদ্ধ দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে। কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হল টাটারা। রাজভবনে তৎকালীন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর মধ্যস্থতায় বুদ্ধদেব-মমতা মুখোমুখি হলেও ভেস্তে গেল আলোচনা। এরপর আরও আড়াই বছর ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট সরকার। যদিও, অনেকেই মনে করেন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামই ছিল তাদের ওয়াটারলু। বাকিটা ইতিহাস।
জমিরক্ষার আন্দোলন দানা পাকতেই ঢুকে পড়লেন জাতীয় রাজনীতির নেতারাও। পশ্চিমবঙ্গে সমস্যা? গুজরাতে এসো। সানন্দে এক টাকায় জমি দিচ্ছি। নিজের শিল্প বান্ধব ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করতে এমনই বলেছিলেন তৎকালীন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা ছেড়ে আসায় ‘‌উপহার’ হিসেবে টাটা গোষ্ঠীকে কারখানা গড়ার জন্য বিনামূল্যে কলানা, খোডা এবং বল গ্রামের ১১০০ একর জমি দিয়েছিলেন মোদি। তারজন্য রাতারাতি ‘‌সানন্দ রিসার্চ সেন্টার ফর এগ্রিকালচার'‌-‌কে আনন্দ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত করে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। কারখানা গড়ার সময়েই পশ্চিমবঙ্গের মতো এখানেও জমির মালিকদের অনেকে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু ওই জমি একশ বছর আগের চুক্তি অনুযায়ী সরকারের হাতে ছিল। ফলে জমির মালিকানা রাজ্যের। তাই কৃষকের আর্জি আদালতে ধোপে টেকেনি।
সিঙ্গুর থেকে গুজরাতের সানন্দে কারখানা সরানো-সহ নানা কারণে গাড়ির দাম আর এক লক্ষ টাকায় ধরে রাখতে পারেনি সংস্থা। কিন্তু টাটা মোটরস তথা রতন টাটা কিছুতেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করতে চাননি। তাই জোর করেই এক লাখ টাকার কাছাকাছি মূল্যেই বাজারে আসে ন্যানো। আর স্বপ্ন ভাঙার বোধহয় সেটাই শুরু। বড় শহরে না হোক, ছোট টাউন কিংবা মফস্‌সলে তুলনামূলক ভালো বিক্রির সম্ভাবনা থাকলেও সংস্থার ডিলারশিপ নেটওয়ার্ক ভালো না হওয়ায় সেই সম্ভাবনাও ধাক্কা খায়। খোদ রতন টাটাও স্বীকার করেন, গাড়িটির বিপণন কৌশলের ব্যর্থতার কথা। তাঁর মতে, ন্যানো-কে ‘সস্তা’র বদলে ‘সাধ্যের মধ্যে থাকা’ গাড়ি হিসেবে তুলে ধরা উচিত ছিল। সস্তার গাড়ি হিসেবে পরিচিতির জন্য বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। টাটার মতে, ‘মানুষ সস্তার গাড়িতে নিজেদের দেখতে চায়নি। আর সেটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল।’ গোটা প্রকল্পটি নিয়ে রতন টাটাকে বিঁধে প্রশ্ন তুলেছিলেন টাটা গোষ্ঠীর বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান সাইরাস মিস্ত্রিও। টাটা গোষ্ঠী থেকে বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান সাইরাস মিস্ত্রির অভিযোগ ছিল, প্রকল্পটি নিয়ে টাটার আবেগ এবং ওই গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির সংস্থায় তাঁর অংশীদারির জন্যই ন্যানোর উৎপাদন বন্ধ করা যায়নি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিল টাটা মোটরস।
বছর পাঁচেকের মধ্যে যখন বার কয়েক গাড়িটির নতুন মডেল আনা হয়, ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে। একটা সময়ে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা গাড়িটির জনপ্রিয়তা তখন তলানিতে। ২০১৮-র জুনে মাত্র একটা টাটা ন্যানো উৎপাদন হয়। বিক্রি হয় তিনটে(আগের উৎপাদন নিয়ে)। ২০১৭-র জুন থেকে রপ্তানির সংখ্যাটা এক ধাক্কায় নেমে আসে ২৭৫ থেকে শূন্যতে। বোঝাই যাচ্ছিল, চিরনিদ্রায় যাওয়ার সময় হয়ে এল টাটা ন্যানোর।
আর ভক্সওয়াগেন বিটল? ২০১৮ সালের প্রথম ৮ মাসেই বিটল বিক্রি হয় ১১ হাজার ১১৫ ইউনিট। তবুও জার্মান সংস্থাটি ঘোষণা করেছে, তারাও ২০১৯ সালে আইকনিক বিটল গাড়ির উৎপাদন চিরতরে বন্ধ করে দেবে। ইতিহাসের পাতায় প্রায় একইসঙ্গে ঠাঁই হবে দুই সস্তার গাড়ির। ভাবতেই কেমন লাগে, বিটলের বয়স ৬০ আর ন্যানোর মাত্র ১০!
08th  February, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...

 আমেথি, ২২ এপ্রিল (পিটিআই): কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মনোনয়নকে সোমবার বৈধ বলে ঘোষণা করলেন আমেথির রিটার্নিং অফিসার রামমনোহর মিশ্র। আমেথি কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপি প্রার্থীকে ভোটে দাঁড়াতে স্যাটের ছাড়পত্র
জয়নগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন সরকারি ডাক্তার অশোক কাণ্ডারীকে ...বিশদ

09:30:00 AM

ভোট দিলেন মালদহ দক্ষিণের কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরি  

09:24:17 AM

ভোট দিলেন মালদহ উত্তরের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান 

09:21:00 AM

আজ জগৎবল্লভপুরে সভা করবেন মমতা
শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সোমবার জগৎবল্লভপুরের ...বিশদ

09:15:00 AM

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় গঙ্গারামপুরের নারোই জুনিয়ার হাইস্কুলে চলছে ভোটগ্রহণ 

09:12:00 AM

আহমেদাবাদে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

09:10:58 AM