Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সিবিআই নাটকে শেষপর্যন্ত
মমতাই কি লাভবান হলেন না?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

নাটক? হ্যাঁ, নাটক। নাটক ছাড়া কী! বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ করে রবিবারের শেষ বিকেলে কোত্থেকে চল্লিশ সিবিআই চলে এলেন, সন্ধের মুখে তাঁদের কজন জিজ্ঞাসাবাদের অছিলায় হানা দিলেন লাউডন স্ট্রিটে খোদ পুলিস কমিশনারের দরজায়, ঢোকার মুখেই কর্তব্যরত পুলিসের সঙ্গে বাধল সংঘাত, ছড়াল উত্তেজনা, কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কলকাতা পুলিসের বড়কর্তারা হাজির, তর্ক-বিতর্ক ধস্তাধস্তি এবং শেষমেশ পুলিসের গাড়িবন্দি হয়ে দলের নেতা ডিএসপি সিবিআই ও আরও কয়েকজন শেক্সপিয়র সরণি থানায়! আর অন্যদিকে খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে এলেন ঘটনাস্থলে, খোঁজখবর নিলেন পরিস্থিতির এবং মোদি সরকারের রাজনৈতিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে তোপ দেগে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে সে রাতেই বসে পড়লেন ধর্নায়। আবার সেই ধর্নার খবর চাউর হতেই গোটা রাজ্যে তৃণমূল নেতা-কর্মী সমর্থক মহলে তো বটেই, মমতাভক্ত সাধারণ মানুষের মধ্যেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল, বহু মানুষ ঘুম ফেলে এসে যোগ দিলেন ধর্নায়, উত্তেজনার পারদ উঠল তুঙ্গে। এর মধ্যেই খবর এল, নিজাম প্যালেস সিজিও কমপ্লেক্সের মতো জায়গার সিবিআই দপ্তর থেকে রাজ্য পুলিস সরেছে, নেমেছে আধাসেনা—কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসারদের নিরাপত্তায় বহাল হয়েছে বাহিনী!
আরও শোনা গেল, ঘটনায় ক্ষুব্ধ সিবিআই যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে। গেল। এবং মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নির্দেশ দিলেন, যাঁকে কেন্দ্র করে এতকিছু, কলকাতার সেই পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে সিবিআইয়ের ডাকে হাজিরা দিতে হবে, তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে, জিজ্ঞাসাবাদের জবাব দিতে হবে। কিন্তু, কোনও অবস্থাতেই সিবিআই অফিসারেরা রাজীব কুমারের ওপর কোনও শক্তিপ্রয়োগ করতে বা তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন না! আর মহামান্য আদালতের এই নির্দেশকে ‘নৈতিক জয়’ হিসেবে চিহ্নিত করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ধর্মতলার ধর্না তুলে নিয়ে দিল্লিতে বৃহত্তর প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক দিলেন। সিবিআই ততক্ষণে ফিরে গেছে ডেরায়! এর পর কী হবে সেটা সময় বলবে। কিন্তু, আপাতত সিবিআইয়ের যুদ্ধ শেষ। আদালতের নির্দেশ মানতে ৮ ফেব্রুয়ারি পুলিস কমিশনার সিবিআইয়ের কাছে যেতে চেয়েছিলেন। সিবিআই জানিয়ে দিয়েছে, ডেট ঠিক করার রাজীব কে? সিবিআই ডেট বলবে। ব্যাস্‌, হয়ে গেল।
এর আগেও কি আমরা এ রাজ্যে সিবিআইয়ের এমন অতিতৎপরতা দেখিনি? দেখেছি। হইহই করে সব আসেন, কয়েকদিন হাঁকাহাঁকি ডাকাডাকি গরম গরম মন্তব্য হাঁকেন ক্ষেত্রবিশেষে একে তাকে ধরে নিয়ে ওড়িশায় যান তারপর সব একসময় কোথায় যেন হারিয়ে যায়! হ্যাঁ, ইতিমধ্যে অবশ্য সারদা-রোজভ্যালির মতো আর্থিক বিষয়ের মামলায় কয়েকজনকে জেলেও পুরেছে সিবিআই, আবার তাঁদের অনেকে পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে ঘরেও ফিরেছেন। একথা ঠিক, সারদা-রোজভ্যালির মতো আর্থিক কাণ্ডে এ রাজ্যের ও ভিন রাজ্যের বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছেন, সর্বস্ব খুইয়েছেন অনেকে, একাধিক আত্মহননের ঘটনাও ঘটেছে। সেদিক থেকে প্রতারিত সর্বস্ব খোয়ানো মানুষজনের মতো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সকলেই চাইবেন এবং চানও যে ওইসব আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হোক। কিন্তু, দোষীদের ‘সাজা’ দেওয়ার সদিচ্ছা সত্যিই কি দিল্লির মহাকর্তাদের আছে? প্রশ্ন উঠেছে বহুদিনই। উঠেছে তার কারণ, কোনও সারদা-রোজভ্যালির মতো কোনও আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তই তো শেষ করতে পারেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা! একবার করে তাঁরা তেড়েফুঁড়ে ওঠেন, জিজ্ঞাসাবাদ ধরপাকড় চলে, সাময়িক একটা উত্তেজনা তৈরি হয়—তারপর হঠাৎ করেই যেন সব হাওয়ায় মিলিয়ে যায়! দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সিবিআইয়ের এমন কীর্তিকাণ্ড দেখে লোকে যদি তাঁদের অভিযানকে ‘নাটক’ হিসেবে চিহ্নিত করেন, দোষ দেওয়া যাবে?
সত্যি বলতে কী, আজ যে সারদাকাণ্ড নিয়ে সিবিআই এত কাণ্ড করল তার একনম্বর অভিযুক্তকে কিন্তু পাকড়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়েন্দা বাহিনী, সিবিআই নয়! এবং সেই অভিযুক্ত ও তাঁর এক সহকর্মী এখনও জেলজীবন কাটাচ্ছেন যে তার কারণ নিশ্চয়ই রাজ্যের গোয়েন্দা পুলিসের কর্মকুশলতা, মহামান্য আদালতে দাখিল করা তাঁদের অভিযোগপত্রের বলিষ্ঠতা। সিবিআই সেই কুশলতা দেখাতে পারল কই? তাঁরা যাঁদের ধরেছেন তাঁদের প্রায় সকলেই তো সাময়িকভাবে হলেও জামিন পেয়ে গেছেন! গেরো ফসকা না হলে এমনটা ঘটে? এই তো গত রবিবার শেষ বিকেল থেকে রাত অব্দি যা ঘটল তাতেও কি ওই ফসকা গেরোটাই প্রকট হয়ে উঠল না? পুলিস কমিশনারের বাড়িটা ঠিক কোন থানার সেটা পর্যন্ত সঠিকভাবে জেনে আসেননি তদন্তকারীরা? নাহলে শেক্সপিয়র সরণি থানার বদলে পার্ক স্ট্রিট থানায় কেন নথি নিয়ে যাওয়া! এভাবে কলকাতার মতো একটি মহানগরীর নগরপালের বাড়িতে ঢুকতে গেলে বাধা আসতে পারে সেটাও ভাবেননি তাঁরা! তৃতীয়ত, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানিয়ে বুঝিয়ে এলে ক্ষতিটা কী হতো, কমিশনার পালিয়ে যেতেন? কলকাতার পুলিস কমিশনার পদাধিকারী একজন দক্ষ বিচক্ষণ অফিসারের পক্ষে সেটা সম্ভব বলে মনে করেছিলেন তদন্তকারীরা? নিশ্চয়ই না। তাহলে এমন আকস্মিকতার প্রয়োজনটা ছিল কি? শেষমেশ তো কিছুই হল না। যথা পূর্বং তা-ই রইল। জিজ্ঞাসাবাদ। স্থানটা ওড়িশা বা দিল্লি থেকে সরে গেল শিলঙে—এই যা! তার জন্য এত হুডুমদুড়ুম! এত ধস্তাধস্তি! নাটক ছাড়া কী?
দুর্নীতিমুক্ত ভারত, স্বচ্ছ ভারত গড়ার লক্ষ্যে অবিচল বলে লাগাতার বিজ্ঞাপিত নরেন্দ্র মোদি সরকারের দুর্নীতিদমন প্রকল্পে সিবিআই নিঃসন্দেহে অন্যতম সেরা হাতিয়ার। একসময় সিবিআইয়ের নাম শুনলে অনেক ৫৬ ইঞ্চিরও বুকের পাঁজরে কাঁপন ধরে যেত, গলা জিব শুকিয়ে আড়ষ্ট হয়ে যেত কথা! আজ সে দিন হয়তো গিয়েছে। সাম্প্রতিক বিতর্ক ও সংস্থার শীর্ষমহলে অপ্রীতিকর সংঘাতে হয়তো আরও বিবর্ণ হয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একদা অরণ্যদেব মার্কা ভাবমূর্তি। তবু, আমপাবলিকের কাছে অন্তত এখনও সিবিআই তো সিবিআই-ই না? একটা জবরদস্ত জমকালো সমীহ জাগানো ব্যাপার—তাই না। কিন্তু, সেই সংস্থাকে যখন রাজ্য পুলিসের কাছে হার মানতে দেখছি আমরা (পরে তাঁরা কী করবেন সে পরের কথা। রবিবার যা দেখলাম তার পরিপ্রেক্ষিতে বলছি), দেখছি তাঁদের অফিসারদের পুলিসগাড়িতে তুলে চালান করা হচ্ছে থানায়—তখন আমাদের মনে হবে না কি যে তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা দক্ষতা সংস্থার মানমর্যাদা ভুলে কোনও বিশেষ উদ্দেশ্যে বা কোনও বিশেষ প্ররোচনাতেই এমন হঠকারিতা দেখিয়েছেন এবং সেই প্ররোচনা রাজনীতি বিচ্ছিন্ন নয়! মনে হতে পারে না কি যে সিবিআইকে যাঁরা দিল্লির শাসকের ‘তোতাপাখি’ বলে আজকাল কটাক্ষ করেন তাঁরা কেবল অসূয়াবশতই করেন না, করার পিছনে কিছু ব্যাপারও আছে, আছেই!?
কিন্তু, মুশকিলটা হল—ভুল জায়গায় ভুল অস্ত্র প্রয়োগ করলে ফল বিপরীত হয়। পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারের শেষপর্যন্ত কী হবে, না হবে সময় বলবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, সিবিআই নাটকে শেষ পর্যন্ত মমতাই কি লাভবান হলেন না? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, সিবিআইয়ের এই ‘নাটকে’ যদি কেউ লাভবান হন তবে তিনি তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিরোধীনেত্রী হিসেবে এই ঘটনা যেমন তাঁর প্রতিবাদী ভাবমূর্তির অনন্যতা ফের একবার সর্বজনসমক্ষে উজ্জ্বল করে তুলল, তেমনি বিরোধী শিবিরের মহারথীদের অকুণ্ঠ সমর্থন তাঁর দিল্লি যাত্রার পথটিও পূর্বাপেক্ষা সুগম করে তুলল। মোদি-বিরোধী অভিযানে এখন তিনিই প্রধান মুখ।
বিশেষজ্ঞদের এই অভিমত মানুন আর নাই মানুন একটা কথা পরিষ্কার, ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি উসকে প্রিয়াঙ্কা ওয়াধেরাকে নামিয়ে রাহুল কংগ্রেস যে চমক দিয়েছিল, ভোট রাজনীতির আলো টানার যে চেষ্টা করেছিল রবিবার রাতের পর তাতে কিছু ভাটা পড়বেই। এবং পড়ার কারণ মমতা। মুখ্যমন্ত্রী মমতার রবিবাসরীয় মোদি-বিরোধী হুঙ্কার, রাজ্যের ওপর সিবিআইয়ের মতো সংস্থা দিয়ে চাপ সৃষ্টির মতো গুরুতর অভিযোগ এবং সেই অভিযোগ সম্বল করে দিল্লি কাঁপানোর ডাক উপেক্ষা করার সামর্থ্য যে বিরোধী শিবিরে বিশেষ কারও নেই সেটা তাঁর ধর্না মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বা ফোনালাপে অনেকেই প্রমাণ করে দিয়েছেন। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও কিন্তু তার ব্যতিক্রম নন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা চলে, নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লোকসভা মহাযুদ্ধের ময়দানে বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ, প্রধান সেনাপতি হিসেবে শেষ অব্দি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতির যে সম্ভাবনা দানা বাঁধছিল রবিবারের ঘটনার পর সেটা একরকম অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে। মোদি-বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীদের বক্তব্য প্রতিক্রিয়া এবং সমর্থনের তীব্রতায় তার আভাসও স্পষ্ট—অতএব সাধু সাবধান!
07th  February, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি লোকসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রিগিং করতে পারছেন না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সুদৃঢ পদক্ষেপ দিদির রিগিং প্রক্রিয়ায় বড়সড় আঘাত হেনেছে। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: চিতাবাঘের আতঙ্কে রাত জাগছে ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাটের ডুডুমারি, জ্বালাপাড়া ও আলে এই তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এছাড়াও ওই তিনটি গ্রামের ছয়টি স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুর্শিদাবাদের বালিগ্রাম প্রাইমারি স্কুলের ১৮৮ নম্বর বুথে সিপিএম এজেন্টকে মারধর এবং ভোটারদের প্রভাবিত অভিযোগ 

10:02:00 AM

কালিয়াচকের গোঁসাইপাড়া বুথে বোমাবাজির অভিযোগ, জখম তিন কংগ্রেস কর্মী 

10:00:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল tap here 
আজ, মঙ্গলবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:00:00 AM

দঃ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে ছেলের পিঠে চড়ে ভোট দিলেন ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবা 

09:59:00 AM

কালিয়াচকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ, জখম ১ মহিলা সহ ৩জন 

09:56:00 AM

সকাল ৯টা পর্যন্ত মুর্শিদাবাদে ভোট পড়ল ১৪.৬২ শতাংশ 

09:55:59 AM