Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের সঙ্গে যথেষ্ট আর্থিকশৃঙ্খলা অর্জিত হয়েছে
দেবনারায়ণ সরকার

সোমবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গত বছরের অনুমিত বাজেটের তুলনায় এটা ২১ শতাংশেরও বেশি। রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। গত বছরের অনুমিত বাজেটের চেয়ে এটা ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশের মতো। এই বাজেটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল—গত অর্থবর্ষ এবং তার পূর্ববর্তী অর্থবর্ষের রাজস্ব (রেভিনিউ) ঘাটতি যথেষ্ট কমানো গিয়েছে। রাজস্ব ঘাটতি কমানোর অর্থ হল বেতন, পেনশন, সুদ প্রভৃতি বাবদ ভোগব্যয় হ্রাস করা। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি ধরা হয়েছিল ১১ হাজার কোটি টাকা। এই বাজেট থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের প্রকৃত হিসেবে দেখা যাচ্ছে, রাজস্ব ঘাটতি ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি কমে ৯,৮০০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। এটা এই বছরের জিডিপির ১.০৩ শতাংশ। বামফ্রন্টের শেষ সময়ে এটা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। রাজকোষ (ফিসকাল) ঘাটতি ধরা হয়েছিল ২৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকার মতো। এটা কমে দাঁড়িয়েছে ২৯,১০০ কোটি টাকার মতো। এটা জিডিপির ২.৮ শতাংশের কাছাকাছি। বামফ্রন্টের শেষ বছরে এটা ছিল জিডিপির ৪.১ শতাংশ। এই বাজেটের ভালো দিক হল, সরকারি মূলধনী ব্যয় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০১৭ থেকে ২০১৮—অর্থাৎ ওই এক বছরে সরকারকে ঋণ নিতে হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে মূলধনী ব্যয় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের ৭০ শতাংশেরও বেশি ও রাজকোষ ঘাটতির ৬৫ শতাংশের বেশি মূলধনী খাতে ব্যয় করতে পেরেছে বর্তমান সরকার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বামফ্রন্টের শেষ বছরে মূলধনী ব্যয় ছিল মোট ঋণ অথবা মোট রাজকোষ ঘাটতির ১১ শতাংশেরও কম। ফলে, রাজ্যের রাজস্বশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের পক্ষে এটা নিঃসন্দেহে একটা ইতিবাচক দিক।
এই বাজেট থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮-১৯ সংশোধিত বাজেটে অনুমিত বাজেটের তুলনায় অতিরিক্ত ৬০০০ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব বাড়াতে পেরেছে রাজ্য। অনুমিত বাজেটে ধরা হয়েছিল ১৪৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৫২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। এই বৃদ্ধি রাজ্যের নিজস্ব কররাজস্বের ক্ষেত্রেও হয়েছে এবং হয়েছে কেন্দ্রীয় কর আয়ের শেয়ার থেকেও কিছুটা। রাজ্যের নিজস্ব কর আয় ধরা হয়েছিল ৫৫,২০০ কোটি টাকা। এই আয় বৃদ্ধি কার্যত জিএসটির আয় থেকে অতিরিক্ত বৃদ্ধি নয়। এই বৃদ্ধি ঘটেছে জিএসটি বাদে রাজ্যের আয়গুলির ক্ষেত্রে। রাজ্য বাজেট তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে—এসজিএসটি এবং আইজিএসটি বাবদ আয় রাজ্যের নিজস্ব কর আয়ের ৪২ শতাংশের মতো। বাকি ৩৮ শতাংশের আয় আসছে রাজ্যের নিজস্ব সূত্র থেকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হচ্ছে রাজ্য আবগারি থেকে। এই আয় ধরা হয়েছিল ১০,৫০০ কোটি টাকা—যা নিজস্ব কর আয়ের ১৯ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা তুলনায় এই আয় কিছুটা বেড়েছে বলেই অনুমান হয়। স্ট্যাম্প ডিউটি, বিদ্যুৎ কর প্রভৃতি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও আশা করা যায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা গিয়েছে। এই বৃদ্ধির পিছনে পেট্রল ও ডিজেল শুল্ক আদায়ের যথেষ্ট অবদান রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এবার ঘাটতির প্রসঙ্গে আসা যাক। রাজস্ব ঘাটতি বা বর্তমান ভোগব্যয়ে ঘাটতির পরিমাণ সংশোধিত বাজেটে ৭,৫২৪ কোটি টাকা—যা ওই বছরের জিডিপির ০.৬ শতাংশ। এটা তার পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় যথেষ্ট কম। এটা শূন্যে নামিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ২.৫ শতাংশ ধরা হয়েছে—যা টাকার অঙ্কে ৩০ হাজার কোটির বেশি। তবে, আশার খবর এই—মূলধনী ব্যয় ২৪,৪১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ মূলধনী ব্যয় রাজকোষ ঘাটতির চার ভাগের তিন ভাগেরও বেশি।
২০১৯-২০ অর্থবর্ষের বাজেটে মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। এটা এই বছরের রাজকোষ ঘাটতির ৮০ শতাংশেরও বেশি। এখানে লক্ষণীয় হল—আগামী বছরে সরকারের অতিরিক্ত জনমুখী প্রকল্প বাবদ—যেমন কৃষক বন্ধু প্রকল্প, আয়ুষ্মান ভারত থেকে বেরিয়ে আসার ফলে স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থ, মোদির খেলো ইন্ডিয়া খেলোর আদলে কোচিং ক্যাম্পের জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রভৃতি—অতিরিক্ত দশ-বারো হাজার কোটি টাকার ধাক্কা বর্তমান সরকারকে বহন করতে হবে। এর ফলে, রাজস্ব ঘাটতি ও রাজকোষ ঘাটতির যথেষ্ট বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকছে। আর সেইজন্যই রাজ্যকে অতিরিক্ত আয়ের সংস্থানও দেখতে হবে।
এই বাজেটে অতীতের কিছু পরিসংখ্যানের সঙ্গে বাড়তি জনমুখী উদ্যোগও যথেষ্ট লক্ষ করা গিয়েছে। শিক্ষিত কর্মপ্রার্থীর স্বরোজগার প্রকল্পে ৫০ হাজার শিক্ষিত কর্মপ্রার্থীদের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। ২ লক্ষ ১০ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর মাসিক ভাতা বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা। এটা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর ধরা হবে। ‘আশা’ কর্মীদেরও মাসিক ভাতা বাড়ানো হল ৫০০ টাকা হারে। এক লক্ষেরও বেশি চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি এবং গ্রুপ সি কর্মীদের মাসিক ভাতা ২০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। চাকরি মেয়াদ অন্তে তাঁরা এককালীন আরও অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা পাবেন। অর্থাৎ এবার মোট পাবেন ৩ লক্ষ টাকা। ২০১৬ থেকে যা ছিল ২ লক্ষ টাকা। মাধ্য঩মিক পাশ চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি কর্মীরা তিন বছর চাকরি অন্তে স্বাভাবিক নিয়মে চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ সি-তে উত্তীর্ণ হয়ে যাবেন। এই প্রমোশনের ঘোষণাও সংশ্লিষ্টদের নিঃসন্দেহে খুশি করবে।
এই বাজেট থেকে আরও জানা গেল, ৫২ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি মেয়ে কন্যাশ্রী প্রকল্পের অধীনে এসেছে। ফসল বিমা যোজনায় ৪০ লক্ষেরও বেশি কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং এঁদের প্রিমিয়ামে পুরো ছাড় দেওয়া হয়েছে। গত বছর ৩২ লক্ষ কৃষককে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রায় ১২০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ১ লক্ষের বেশি কৃষক ১ হাজার টাকা মাসিক পেনশন পাচ্ছেন। বামফ্রন্টের শেষ বছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মোট সংখ্যা যেখানে ছিল ১৪ লক্ষ, সেটা এই আমলে ৯০ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। খাদ্যসাথি প্রকল্পে ৮ কোটি ৮২ লক্ষ মানুষ এর আওতায় এসেছে। এখন ভর্তুকি বাবদ বার্ষিক খরচ ৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বামফ্রন্টের শেষ বছরে এটা ছিল মাত্রই ১ হাজার কোটি টাকার মতো। সোমবার বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, গত অর্থবর্ষে শিল্প ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ এসেছে ৫৫ হাজার কোটি টাকার মতো। এছাড়াও পুরনো ট্যাক্সের সেটলমেন্ট স্কিমে কর আদায়ের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সাফল্য এসেছে বলে অর্থমন্ত্র দাবি করেন।
যথেষ্ট আর্থিকশৃঙ্খলা এনে উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করারই দিশা দেখিয়েছে এই বাজেট। ২০১৬-১৭ সালের তুলনায় বর্তমান বাজেট আলোচনায় দেখা যাচ্ছে— ২০১৭-১৮ সালে রাজস্ব ঘাটতি বা ভোগব্যয় ঘাটতি প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। তার পরের বছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি আরও কম বলে ধরা হয়েছে। তাছাড়াও রাজকোষ ঘাটতির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে—২০১৭-১৮ সালের মূলধনী ব্যয় ওই বছরের রাজকোষ ঘাটতির ৬৫ শতাংশেরও বেশি—যা বাম জমানার শেষ বছরে ছিল ১১ শতাংশের মতো। বর্তমান বছরের সংশোধিত বাজেটেও দেখা যাচ্ছে—মূলধনী ব্যয় এই বছর রাজকোষ ঘাটতির ৮৫ শতাংশেরও বেশি। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ পশ্চিবঙ্গের থেকে বেশি হলেও তার সিংহভাগই তারা মূলধনী খাতে ব্যয় করে। কারণ, এর ফলে অতিরিক্ত সম্পদ সৃষ্টি হয় এবং অতিরিক্ত রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কিন্তু, আগামী বছরে অন্যান্য চলমান প্রকল্পসহ অতিরিক্ত দশ-বারো হাজার কোটি টাকার জনমুখী প্রকল্পে খরচ করা হলে, বর্তমানে যে রাজস্বশৃঙ্খলা অর্জন করা গিয়েছে সেটার কতখানি রক্ষা করা যাবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অর্থনীতির অধ্যাপক
05th  February, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...

সংবাদদাতা, ধনেখালি: বুধবার সকালে তারকেশ্বর বিধানসভা ও ধনেখালি থানার অন্তর্গত গোপীনাথপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করলেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার। হুডখোলা ৩০টি টোটো, প্রায় ৫০টি বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা করেন তৃণমূল প্রার্থী। ...

 বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: বিদেশি পর্যটক টানার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সর্বশেষ হিসেব বলছে, দেশে যত বিদেশি পর্যটক পা রাখেন, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে। এমনকী কেরল বা গোয়া— পর্যটন সংক্রান্ত আলোচনায় যে অঙ্গরাজ্যগুলির নাম আগে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের যাবতীয় নথি পরীক্ষা করলেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক বিনোদ জুৎসি। বুধবার আগরতলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের দপ্তরে ওই লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের পর্যালোচনাব বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবেকে ২০৩ রানের টার্গেট দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর 

24-04-2019 - 09:47:04 PM

সিউড়িতে পথ অবরোধ বিজেপির
দলীয় কর্মীকে মারধর ও অপহরণের অভিযোগে সিউড়ি ডিএম অফিসের সামনে ...বিশদ

24-04-2019 - 09:44:24 PM

আরসিবি ১২২/৪ (১৫ ওভার) 

24-04-2019 - 09:21:25 PM

আরসিবি ৭০/১ (৬ ওভার) 

24-04-2019 - 08:37:41 PM

টসে জিতে ফিল্ডিং নিল পাঞ্জাব
 টসে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাল কিংস ...বিশদ

24-04-2019 - 07:35:48 PM

আরও বাড়তে চলেছে গরম
কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী সপ্তাহে গরম আরও বাড়তে চলেছে বলে ...বিশদ

24-04-2019 - 06:33:10 PM