Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গাদকারি মাহাত্ম্য
পি চিদম্বরম

নীতিন গাদকারি একজন অন‌্যধরনের রাজনীতিক। তাঁর নিজের স্বীকার অনুযায়ী, তিনি একজন ভোজনরসিক, তিনি হাল ফ‌্যাশনের পোশাক পরেন এবং দেখে মনে হয় জীবনটাকে উপভোগও করেন। তিনি পাবলিক ফাংশনে ভাষণ দিতে পছন্দ করেন এবং এমনভাবে কথা বলেন যেন দুনিয়ার কে কী ভাবল তাতে তাঁর যায় আসে না।
একইসঙ্গে, তিনি একজন ‘স্বয়ংসেবক’। তাঁকে আরএসএস-এর প্রিয়পাত্র বলেও মনে হয়। তাঁর কেন্দ্র নাগপুর (মহারাষ্ট্র) দেখভাল করেন এবং আরএসএস, পার্টির নেতা ও কর্মীদের ‘গুড হিউমার’-এ রাখেন।
গাদকারি এবং দেবেন্দ্র ফড়নবিশ দু’জনেই নাগপুরের মানুষ। তাঁরা একই অঞ্চল থেকে সমর্থন পেয়ে থাকেন এবং একই নেতা ও কর্মীরা তাঁদের রাজনৈতিক ভিত্তি। মহারাষ্ট্রে বলাবলি হয় যে, গাদকারি মুখ‌্যমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি বেছে নিয়েছিলেন তাঁর অনুগত দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে। গাদকারির যদি কোনও উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে থাকত তো সেটা দমিয়ে দেওয়ার এটা ছিল একটা দারুণ চাল। যাই হোক, অদম‌্য গাদকারি ওসব ছেড়ে দিয়ে নিজের মতো একটা রাস্তা বার করে নিয়েছেন।
গাদকারির বাক‌্য-মাণিক‌্য
মন্ত্রকগুলোর প্রতি তাঁর মনোযোগের ব‌্যাপারটা সকলে জানে—সড়ক ও পরিবহণ, জলসম্পদ, নদী উন্নয়ন ও গঙ্গা পুনর্জাগরণ। মন্ত্রী হিসেবে তাঁর মিশ্র ‘পারফরমেন্স’—সড়ক নির্মাণে ভালো, গঙ্গা পুনর্জাগরণের প্রচারটা ব‌্যাপক, জলসম্পদ উন্নয়নে ‘আন্ডারপারফরমেন্স’ এবং সেচ প্রকল্পগুলোতে শোচনীয়ভাবে পিছনে।
অফিসের বাইরে তিনি স্পষ্টবাদী এবং সব কথা সরাসরি বলে দেওয়ার লোক। ২০১৮-র মার্চে মিডিয়া-আয়োজিত একটি সভায় তিনি বলেন, ‘‘আচ্ছে দিন’ বিষয়ক প্রশ্নে মিডিয়া আমাদেরকে ফাঁদে ফেলে দিয়েছিল। আমি যা বলি তার বিকৃত ব‌্যাখ‌্যা করবেন না দয়া করে। এই ধরনের ‘আচ্ছে দিন’ কিছু নেই ... ‘আচ্ছে দিন’ হল একটা বিশ্বাস, এটা আছে বলে যদি আপনি বিশ্বাস করেন।’ এর পর ২০১৮-র আগস্টে, সংরক্ষণ বিষয়ে বিক্ষোভ যখন জোরদার হচ্ছে, তিনি বললেন, ‘এমনকী সংরক্ষণ যদি দেওয়াও হয়, কোনও চাকরি নেই। প্রযুক্তির কারণে ব‌্যাঙ্কে চাকরি সঙ্কুচিত। সরকারি চাকরি স্থিতিশীল।’ অনেকরই সন্দেহ, গাদকারির এসব কথার লক্ষ‌্য সংরক্ষণের দাবিতে ওই বিক্ষোভকারীরা নয়, বরং নতুন চাকরির ব‌্যবস্থা করতে ব‌্যর্থ মোদি সরকার।
সাম্প্রতিক কালে, চতুর কিছু মন্তব‌্যে তিনি ছোটখাটো ঝড় তুলছেন। ছত্তিশগড়, মধ‌্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের ভোটের ফলাফল তাঁর সামনে বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। অতিরিক্ত ভদ্রতা দেখানোর নামে তিনি মোলায়েম ভাষার আশ্রয় নেননি। তিনি বলেছেন, ‘অনেকেই সাফল‌্যের অংশীদার হতে চায় কিন্তু ব‌্যর্থতার দায় কেউ নিতে চায় না, যেমন সাফল‌্যের সময় তার ক্রেডিট নেওয়ার জন‌্য কাড়াকাড়ি পড়ে যায়, কিন্তু ব‌্যর্থতার বেলা সবাই একে অপরের দিকে আঙুল তুলতে শুরু করে। নেতৃত্বের মধ‌্যে পরাজয় ও ব‌্যর্থতার দায় অকপটে মেনে নেওয়ার ‘বৃত্তি’ (সাহসী প্রবণতা) থাকা আবশ‌্যক। পরাজয়ের দায়িত্ব অকপটে স্বীকার করে না-নেওয়া পর্যন্ত সংগঠনের প্রতি নেতৃত্বের আনুগত‌্য প্রমাণিত হবে না।’
এবছর সাধারণতন্ত্র দিবসে তাঁকে পাওয়া গেল এক স্পষ্টবক্তা হিসেবে: ‘যেসব রাজনৈতিক নেতা স্বপ্ন দেখান মানুষ তাঁদের পছন্দ করে। কিন্তু ওইসব স্বপ্ন যদি পূরণ না-হয় মানুষ এই নেতাদের আছাড় মারবে।’
চ‌্যালেঞ্জের জন‌্য প্রস্তুতি
একজনেরও সন্দেহ নেই যে লক্ষ‌্য এখানে নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি যদি নিরঙ্কুশ সংখ‌্যাগরিষ্ঠতা না-পায় অথবা সরকার গড়তে অক্ষম হয়, তবে মনে হয় যে দলের নেতৃত্বের জন‌্য গাদকারি মোদিকে চ‌্যালেঞ্জ করে বসবেন।
গাদকারি পূর্বে দলের সভাপতি অমিত শাহের লক্ষ‌্য করে তির্যক মন্তব‌্য করেছেন। ২০১৮-র ২৪ ডিসেম্বর বার্ষিক আইবি এনডাওমেন্ট বক্তৃতায় গাদকারি বলেন, ‘আমি দলের সভাপতি থাকাকালে যদি আমার দলীয় এমপি, এমএলএ-রা ঠিকঠাক কাজ না-করেন তবে তার জন‌্য দায়ী কে হবেন? আমি স্বয়ং।’ ওই একই অনুষ্ঠানে পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকেও চ‌্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি: ‘ভারতীয় ব‌্যবস্থার সবচেয়ে বড় সম্পদ হল সহনশীলতা। আপনি খুব ভালো কথা বলতে পারেন শুধু এই কারণে আপনি ভোটে জিততে পারবেন না ... হতে পারেন আপনি ‘বিদ্বান’ তবু কিন্তু মানুষ আপনার পক্ষে ভোট নাও দিতে পারে। যে মানুষটা ভাবেন যে তিনি সব জানেন, তিনি আসলে ভুলের শিকার—‘আর্টিফিসিয়াল মার্কেটিং’ থেকে মানুষের বিরত থাকা উচিত।
গাদকারি যা যা বলেছেন তা বিজেপির ভিতর ভিন্নমত পোষণকারী একজন বলতে পারতেন অথবা  এসবই বলতে পারতেন একজন বিরোধী রাজনীতিক। তিনি প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রীকে ব‌্যর্থ ‘ড্রিম মার্চেন্ট’ বলেছেন এবং পরাজয়ের দায় গ্রহণে ‘বৃত্তি’ বা সাহসের অভাবের কারণে তাঁকে ভর্ৎসনাও করছেন; অসহনশীল হয়ে পড়ার জন‌্যও তিনি অভিযুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীকে, যিনি ‘আর্টিফিসিয়াল মার্কেটিং’-এ প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। মন্ত্রিসভার একজন সহকর্মীর কাছ থেকে এসব নিঃসন্দেহে কড়া কথা!  
বিভ্রান্ত নেতৃত্ব
এই সমস্ত উক্তি সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব প্রকাশ‌্যে টুঁ শব্দটি করেননি। গাদকারিকে আরএসএস-ও তিরস্কার করেনি। এই পরিস্থিতি কীভাবে সামলানো উচিত, মনে হয়, সেটা কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না। আমার সন্দেহ—ব‌্যবস্থা গ্রহণে ইতস্তত করার কারণটা হল পার্টি নেতৃত্ব জেনে গিয়েছেন যে এইরকম আরও অনেক নেতা আছেন—বিশেষত ছত্তিশগড়, মধ‌্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের এমপি-রা—লোকসভার ফলাফল ও তাঁদের নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ‌্যৎ সম্পর্কে যাঁরা আশঙ্কিত। ২০১৪ সালে, বিজেপি এবং উত্তরপ্রদেশে তাদের সহযোগীরা (আপনা দল) মিলে এই বিপদাপন্ন চার রাজ‌্যের ১৪৫টা আসনের মধ‌্যে ১৩৫টাতে জিতেছিল। যে-কোনও অঙ্কে ওই ১৩৫টা আসনের মধ‌্যে ‘অন্তত’ ৮০টা বিজেপি এবার হারাতে চলেছে। এটাই হল নির্যাস যেটা গাদকারি এবং তাঁর সমর্থকরা মনেপ্রাণে চাইছেন। বিড়বিড় কথা রোজ একটু করে চড়া আওয়াজে পরিণত হচ্ছে এবং এটা গাদকারি ও তাঁর অনুগামীদের ভালোলাগারই কথা!
২০১৪-র ২৮২-র উচ্চতা থেকে বিজেপির এবার পতনের আশঙ্কা আরও আরও কণ্ঠে (সর্বশেষ রামবিলাস পাসোয়ান) ধ্বনিত হচ্ছে। পতন অব্যাহত থাকলে নিশ্চিত থাকুন যে এমন বাক্য-মাণিক্য গাদকারি আরও বেশি বেশি ছড়াবেন!
04th  February, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গঙ্গাবক্ষে বিশ্বের দীর্ঘতম সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মুর্শিদাবাদ সুইমিং অ্যাসোসিয়েশন। ভাগীরথী নদীর উপর এই সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে ৮১ ও ১৯ কিলোমিটার দূরত্বে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোটা বিশ্বেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী বাড়ছে দ্রুত। নতুন প্রজন্ম অর্থ উপার্জন করছে বলেই এই শ্রেণীর বাড়বাড়ন্ত। সরকারেরও উচিত তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সেই কারণেই সরকার যতটা পেনশন খাতে খরচ করে, তার চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত শিক্ষা খাতে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর উপায় নেই। সুপ্রিম কোর্ট এবার রাজ্য সরকারের ‘রিভিউ পিটিশন’ খারিজ করে দেওয়ায় ২০০৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ১২০০ প্রার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। ...

 সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ি সদর এলাকায় টোটোর দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করতে ময়নাগুড়ি পুলিস প্রশাসন বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে। ব্যস্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে টোটো পার্কিং করা হলে তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০০: রাজনীতিক বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিতের জন্ম
১৯৩৬: গীতিকার ও পরিচালক গুলজারের জন্ম
১৯৫৮: ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করলেন প্রথম এশীয় ব্রজেন দাস
১৯৮০: সঙ্গীতশিল্পী দেবব্রত বিশ্বাসের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৯/৪৯ রাত্রি ১/১৪। পূর্বভাদ্রপদ ২৯/২ অপঃ ৪/৫৫। সূ উ ৫/১৮/২, অ ৬/৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯ গতে ৯/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/২ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/৩০ মধ্যে।
৩২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৩/৯/৬ রাত্রি ১০/৩২/৩৬। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ২৬/১/৪১ দিবা ৩/৪১/৩৮, সূ উ ৫/১৬/৫৮, অ ৬/৫/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/১২ গতে ৯/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫/১৬ গতে ১১/৪১/২২ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪১/২২ গতে ১/১৭/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫/১৬ গতে ২/২৯/১০ মধ্যে।
 ১৬ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজিনগরে ২টি অটোর সংঘর্ষ, জখম মহিলা 

08:31:00 PM

বেনিয়াপুকুরে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 

06:21:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:49:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:46:00 PM

তপসিয়ায় বহুতলে আগুন, দমকলের ১টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে 

05:43:00 PM

শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ধৃতের পুলিস হেফাজত 
শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ধৃতের পুলিস হেফাজত। ...বিশদ

04:09:25 PM