Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

শুক্রবার সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব পেশ হল হিসেব মতো সেটা দেশের চলতি সরকারের শেষ বাজেট—অন্তর্বর্তী বাজেট। কিন্তু, বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পীযূষ গোয়েলের বক্তৃতা বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আচার-আচরণ দেখে মনে হল অন্তর্বর্তী নয়, আসন্ন অর্থবর্ষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেটই পেশ করল বিদায়ী সরকার! শুধু তাই নয়, গোটা বাজেট প্রস্তাব জুড়ে মধ্যবিত্ত থেকে কৃষক শ্রমিক প্রান্তিক মানুষজনের জন্য ‘ছাড়’ আর অর্থবরাদ্দের যে হিড়িক দেখা গেল—এককথায় তা নজিরবিহীন। মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবীদের আয়করে বিরাট ছাড়ের পাশাপাশি কৃষক-শ্রমিকের জীবন সুরক্ষা থেকে ছোট ও মাঝারি গ্রামীণ শিল্পের বিকাশ, রেলের সার্বিক উন্নয়ন থেকে জিএসটি কমানো, গোরক্ষা থেকে উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষণ, দেশজুড়ে পরিকাঠামো সড়ক, সেতুর বিস্তার ও উন্নয়নে যে বিপুল অর্থবরাদ্দ করা হল এককথায় তা নজিরবিহীন। আয়করে ছাড়ের বহর দেখে অতিবড় মোদি নিন্দুকও হতবাক হয়েছেন সন্দেহ নেই। ছাড়ের পরিমাণ যে একলাফে দ্বিগুণ হল—হতবাক হবেন না! মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মধ্যবিত্ত দেশ-জনতা আয়করে এমনই একটা পরিবর্তনই তো চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মুখে নরেন্দ্র মোদির কিছু প্রতিশ্রুতিতেই দেশের সাধারণ চাকুরিজীবী মহলে এমন প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন কালাধন উদ্ধার করে প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা জমার ব্যবস্থা শেষ অব্দি করতে না পারুন, চড়া বাজারের মোকাবিলায় আয়করে কিছু ছাড় দিয়ে মোদিজি মধ্যবিত্তকে একটু রিলিফ দেবেন। কিন্তু, পর পর চারটে বাজেটের পর সে আশা যখন নিভেই গেছে বলা যায়—তখন এই ভোটবছরে শেষ বাজেটে একেবারে যাকে বলে ভরিয়ে দিলেন মোদিজির অর্থমন্ত্রী! বাজেটে যা দাঁড়িয়েছে তাতে বছরে সাত লক্ষ টাকা অব্দি আয় করমুক্ত হয়ে যাবে! পাঁচ লাখে সরাসরি ছাড়, পঞ্চাশ হাজার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশান আর বিনিয়োগে আরও দেড় লাখ পর্যন্ত রেহাই। ভাবা যায়! হতবাক হবে না জনতা!
শুধু মধ্যবিত্ত কেন, কৃষক শ্রমিক? তাঁরাও তো তাঁদের উন্নয়ন সুরক্ষায় বাজেটে অর্থবরাদ্দের বন্যা দেখে নিশ্চয় ‘অভিভূত’। তবে, সরাসরি কৃষিঋণ মকুবের ঘোষণা তেমনভাবে দেখা গেল না বাজেটে। না থাকারই কথা। ওটা যে রাহুল গান্ধী হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছেন। তিন রাজ্যে বিজেপিকে দুরমুশ করে ক্ষমতায় এসে করেও দেখিয়েছেন। সে পথে মোদিজি বা তাঁর কার্যনির্বাহী অর্থমন্ত্রী হাঁটেন কী করে? হাঁটলে লোকে তো বলতেই পারে, রাহুল গান্ধীর নীতিকে নকল করছেন প্রধানমন্ত্রী। সে জন্যই বিকল্প পথে কৃষক সন্তোষ বিধানের সর্বাত্মক চেষ্টা হয়েছে বাজেটে। অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা পেনশন, ‘পি এম কিষাণ’ প্রকল্পে দুই হেক্টর অব্দি জমির অধিকারী কৃষক মাসে দুই হাজার করে বছরে তিনবার অনুদান আর সেটা লাগু করা হল শেষ ডিসেম্বরের পয়লা থেকে। সুতরাং দেশের ১২-১৩ কোটি কৃষকজনের অ্যাকাউন্টে ঠিক ভোটের মুখে দু-হাজার করে টাকা ঢুকে পড়তেই পারে। সেই সঙ্গে ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’ প্রকল্পে গোরক্ষা ও গোরুদের সুন্দর করে জীবন কাটানোর জন্য বছরে সাড়ে সাতশো কোটি দেবার আয়োজনও আছে বাজেটে! আর কী চাই! এহেন বাজেটের পর দেশের কৃষকসমাজ যদি বিশেষ উৎফুল্ল হয়ে ওঠে এবং মোদি সরকারকে ধন্য ধন্য করে তাতে আশ্চর্য কী? আর শুধু কৃষক কেন, দেশের শ্রমিকমহলের জন্যও তো অন্তর্বর্তী বাজেটে সুরক্ষা ও উন্নয়নখাতে বরাদ্দের অভাব নেই। শ্রমিকের মৃত্যুতে দ্বিগুণ, পি.এফ, গ্রাচুইটি দশ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ত্রিশ লক্ষ করা—আরও কত কী!
শুধু কি তাই? উচ্চবর্ণের জন্য দশ শতাংশ সংরক্ষণ, আর্থিকভাবে অনগ্রসর উচ্চবর্ণের জন্য স্কুলস্তরে ২৫ শতাংশ সংরক্ষণ, রেলের আধুনিকীকরণে শত শত কোটির বরাদ্দ প্রতিরক্ষায় রেকর্ড তিন লক্ষ কোটি—ভাবা যাচ্ছে না! এমন একটা বাজেট যে হতে পারে এমন ‘জনহিতকর’ এমন ‘উদার মুক্তহস্ত’—সত্যি বলতে কী এখনও মানুষজন ভেবেই উঠতে পারছেন না! অথচ হয়েছে। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর লাগাতার টেবিল চাপড়ানো সাধুবাদ নিয়ে এমন একটা অভূতপূর্ব বাজেট প্রস্তাবই শুক্রবার পেশ করেছেন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। কেন দিন ফুরোনোর মুখে এমন একটা বাজেট তা আশা করি কাউকেই আজ বলে দিতে হবে না। ভোট এসে পড়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোট। সেই ভোটের আগে জনমন জয়ের লক্ষ্যেই যে বিদায়বেলার অন্তর্বর্তী বাজেটকে এমন বিপুল লোভনীয় সব প্রস্তাবে টইটম্বুর করে পূর্ণাঙ্গ বাজেটের আকারে পেশ করা হল, জিএসটি কমানোর জন্য জিএসটি কাউন্সিলকে অনুরোধ জানানো হল—তা তো রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের প্রায় সকলেই বলছেন। খুব যে ভুল বলছেন এমনও কি বলা যাবে? বলা যেত, যদি দেখা যেত যে ক্ষমতায় এসে ইস্তক মোদিজির অর্থমন্ত্রী দেশের গরিব-মধ্যবিত্ত কৃষক-শ্রমিকের জন্য ফি-বছর বাজেটে এমন দরাজ প্রস্তাব পেশ করেছেন এবং বছরভর সেইসব প্রস্তাব বাস্তবায়নে সচেষ্ট থেকেছেন। কিন্তু, তা তো ঘটেনি। বরং, ‘স্বচ্ছ ভারত’, ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’, কালাধন উদ্ধার, নোটবন্দি, জিএসটি, জ্বালানি তেল গ্যাসের দাম বৃদ্ধি—একের পর এক সংস্কারী দাওয়াইতে গরিব মধ্যবিত্তের প্রাণ ওষ্ঠাগত করে তুলেছেন। তারপর ২০১৯ মহাযুদ্ধ যখন ঘনিয়ে এসেছে আর তার মুখে পাঁচ রাজ্যের ভোটফলে বিপর্যয় যখন গেরুয়া শিবিরের শক্ত ভিতে ধাক্কা দিয়েছে, বোঝা গিয়েছে পদ্ম-রাজে দেশের মানুষের আস্থা টলেছে—তখন এই বাজেট! বিমুখ দেশের মুখ ফেরাতে শেষ অস্ত্র। কিন্তু, কথা হল—এভাবে বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে? লোকে পাঁচ বছরের কষ্টগুলো ভুলে কেবল কটা বাজেট প্রস্তাবে মজে গেরুয়া শিবিরের ২০১৯ ভোটবাক্স ভরিয়ে দেবে? বিশেষ করে যখন সেই মানুষজনের মনে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জ্বালা রীতিমতো সতেজ ও সক্রিয়—তখন! বাজেটের প্রস্তাবগুলোও তো এক ধরনের প্রতিশ্রুতিই—তাই না?
কেউ কেউ বলছেন, মোদিজির এই লোভনীয় বাজেট প্রস্তাব ভোটের মুখে দেশের আম-পাবলিকের দরবারে কিছু সাড়া ফেলতে পারে। তবে তা ভোটফলকে কতটা প্রভাবিত করবে সে ব্যাপারে এখনও কেউই নিশ্চিত নন। তার কারণ, প্রাথমিকভাবে এই বাজেট মধ্যবিত্ত শ্রমজীবী জনতার মধ্যে একটা স্বস্তি খুশির আবহ তৈরি করলেও তার আয়ু দীর্ঘ হবার সম্ভাবনা কম। কেননা, এই বাজেট একটি বিদায়ী সরকারের বাজেট। একে যতই পূর্ণাঙ্গ বাজেটের খোলশ পরানো হোক জনতা জানে এটা অন্তর্বর্তী বাজেট। আসন্ন লোকসভা ভোটে দেশের মসনদে রং বদল হলে এইসব প্রস্তাব মূল্য হারাতেই পারে। তখন নতুন সরকার এসে নতুন বাজেট প্রস্তাব রাখতেই পারে। দ্বিতীয়ত, বর্তমান সরকারও যদি ভোট জিতে ক্ষমতায় ফিরে আসে তখনও যে এইসব প্রস্তাব কার্যকর হবে এমন ভরসাও একশো শতাংশ ধরে রাখা মুশকিল। কারণ, এই প্রস্তাব মানতে হলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় বড় চাপ পড়বে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন। এবং তাঁর মতে, ভোট রাজনীতির স্বার্থে এমন বাজেট কখনওই কাম্য নয়। শুধু মমতাই কেন, অর্থনীতির অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, এই বাজেট প্রস্তাবে একটা তাৎক্ষণিক চমক আছে ঠিকই, তবে এ দিয়ে দেশের বা দেশের মানুষের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। কারণ, এইসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত করতে গেলে বিপুল পরিমাণ অর্থ চাই। সে অর্থ কোথা থেকে আসবে তার তেমন দিশা বাজেটে কোথায়? তাছাড়া, এতে সরকারি কোষাগারের আয়েও টান পড়ার সম্ভাবনা। কিন্তু, ভোট বড় বালাই। ক্ষমতায় ফিরতে গেলে ২০১৯ মহাসংগ্রামে জিততেই হবে। সে জয় যে সহজ নয় সেটা আজ কে না বোঝেন। একে গেরুয়া-রাজের ওপর দেশের মানুষের আস্থা অনেকটাই ভেঙেছে, তার ওপর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যেভাবে সংগঠিত হচ্ছেন দেশের তাবড় বিরোধীরা তাতে ২০১৯ সালের ভোটযুদ্ধে যে মোদিজি ও তাঁর গেরুয়া বাহিনীর জন্য কড়া লড়াইয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে তাতেও সন্দেহ নেই। এমন অবস্থায় দেশজনতার মন ভোলাতে না পারলে যে সমূহ বিপদ। ‘উরি’ বা ‘অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইমমিনিস্টারে’র মতো কটা সিনেমা দিয়ে যে দেশের মানুষের মনে জাতীয়তাবোধ জাগানো বা কংগ্রেসের প্রতি বাড়তি বিতৃষ্ণা তৈরি করা যে সম্ভব না সেটা কে না বোঝেন। অতএব পদ্মবিমুখ মানুষের মন মজাতে বাকি রইল দান-খয়রাত আর আর্থিক ছাড়ের উপহার। শুক্রবারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে তার এক উজ্জ্বল নমুনা বললে কি খুব ভুল হবে? সে ঠিক ভুল যাই হোক, দিনের শেষে প্রশ্ন সেই একটাই—এভাবে বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে, পার হওয়া যাবে ২০১৯ লোকসভার ভোট বৈতরণী?
03rd  February, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 কলম্বো, ২৪ এপ্রিল (পিটিআই): শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে ছিল এক মহিলা সহ মোট ন’জন। তদন্তে নেমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। হামলাকারী ন’জনের মধ্যে আটজনকে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের যাবতীয় নথি পরীক্ষা করলেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক বিনোদ জুৎসি। বুধবার আগরতলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের দপ্তরে ওই লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের পর্যালোচনাব বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবেকে ২০৩ রানের টার্গেট দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর 

24-04-2019 - 09:47:04 PM

সিউড়িতে পথ অবরোধ বিজেপির
দলীয় কর্মীকে মারধর ও অপহরণের অভিযোগে সিউড়ি ডিএম অফিসের সামনে ...বিশদ

24-04-2019 - 09:44:24 PM

আরসিবি ১২২/৪ (১৫ ওভার) 

24-04-2019 - 09:21:25 PM

আরসিবি ৭০/১ (৬ ওভার) 

24-04-2019 - 08:37:41 PM

টসে জিতে ফিল্ডিং নিল পাঞ্জাব
 টসে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাল কিংস ...বিশদ

24-04-2019 - 07:35:48 PM

আরও বাড়তে চলেছে গরম
কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী সপ্তাহে গরম আরও বাড়তে চলেছে বলে ...বিশদ

24-04-2019 - 06:33:10 PM