Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের সঙ্গে আপস করে
জনমোহিনী বাজেট

দেবনারায়ণ সরকার

শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদি সরকারের ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন। কার্যত এটাকে পূর্ণাঙ্গ বাজেটই বলা চলে। এই বাজেটের বিশেষত্ব এই যে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ইনিংসের শেষ ওভারে কার্যত কমবেশি সকলেরই ক্ষত উপশম করার চেষ্টা করলেন। তবে, এর দায় বস্তুত পরবর্তী সরকারের উপরেই বর্তাবে।
প্রথমে বলব এই বাজেটের রাজস্ব শৃঙ্খলার দিকটি। চলতি অর্থবর্ষের রাজকোষ (ফিসকাল) ঘাটতি ধরা হয়েছিল জিডিপির ৩.৩ শতাংশ। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে এটা বেড়ে দাঁড়াবে ৩.৪ শতাংশ। গত তিন বছরও রাজকোষ ঘাটতির নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। রাজকোষ ঘাটতি বৃদ্ধির অর্থ হল—পরবর্তী বছরে সুদের বোঝা আরও বাড়বে। বর্তমান বছরেও দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের কর বাবদ যা আয় হচ্ছে তার প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ হয়ে যাচ্ছে শুধু সুদ মেটাতে। ফলে, রাজকোষ ঘাটতি বেশি হওয়ার অর্থ হল—রাজস্ব শৃঙ্খলা অর্জনে ব্যর্থতা। রাজস্ব (রেভিনিউ) ঘাটতি চলতি বছরে দাঁড়াতে পারে ২.৫ শতাংশ। মোদি সরকারের প্রথম বছরের পর এটাই সর্বোচ্চ।
২০১৯-২০ অর্থবর্ষেও রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৩.৪ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী বছরেও রাজকোষ ঘাটতি হ্রাসের ইঙ্গিত থাকছে না। ফলে, এটাও রাজস্ব শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদ্বেগের। বিমুদ্রাকরণের পর অনেক বেশি মানুষ ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করেছেন। কিন্তু, কার্যত কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির গতি নগণ্য। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে যেখানে এই অনুপাত ছিল ১০.৬, বর্তমান অর্থবর্ষে এটা ১১.১ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। প্রত্যক্ষ কর-জিডিপি অনুপাতও ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে যেখানে ৫.৫, বর্তমান অর্থবর্ষে সেটা ৫.৯। এখানে স্পষ্ট যে অনেক বেশি মানুষ আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেও কর আদায় বাড়ছে খুবই কম। ফলে, রাজস্ব শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে এটাও খুব উদ্বেগের। অর্থাৎ ডিমনিটাইজেশনের ফসল সামান্যই।
কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট (সিএডি) আগামী বছরে জিডিপির ২.৫ শতাংশ হবে বলে বলা হয়েছে। গত চার বছরের তুলনায় এটা অনেক বেশি। চলতি বছরে এটা বেড়ে ৩ শতাংশ হয়ে যেতে পারে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এটাও খুব উদ্বেগের।
বিমুদ্রাকরণের পর থেকে বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগ ভীষণভাবে কমে গিয়েছে। গত চার বছরে মোট স্থির পুঁজি গঠনের হার জিডিপির ২৮.৫ শতাংশের মতো। ইউপিএ আমলে এটা ৩৪-৩৫ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। ফলে, কর্মসংস্থানের মূল ভরসা এখন সরকারি বিনিয়োগ। কিন্তু গত চার বছরে জিডিপির সাপেক্ষে সরকারি বিনিয়োগও ক্রমশ কমছে। আজকে পেশ করা বাজেটেও দেখা যাচ্ছে—২০১৮-১৯ সালে এটা আরও কমেছে। আগামী অর্থবর্ষে এটা আরও হ্রাসের ইঙ্গিত রয়েছে। আগামী অর্থবর্ষে ২৭ লক্ষ ৮৪ হাজার কোটি টাকা মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে মাত্র ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এটা মোট ব্যয়ের মাত্র ১২ শতাংশের মতো। এখানে সহজে অনুমান করা যায় কেন মোদি সরকারের জমানায় বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বাধিক?
এই বাজেটে সমাজের প্রতিটি স্তরের জন্য কমবেশি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি এবং শ্রম যোগী মন্ধন—এই দুটি প্রকল্পে প্রায় ২২ কোটি পরিবারের ক্ষত কিছুটা উপশম করার চেষ্টা করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে ছোট এবং প্রান্তিক চাষিদের (২ হেক্টর পর্যন্ত জমির মালিক) প্রতি বছরে চাষের জন্য তিন কিস্তিতে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে—১২ কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি পরিবার উপকৃত হবে। এর ফলে, বাৎসরিক খরচ হবে ৭৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে গত ডিসেম্বর থেকে পাওনা এক কিস্তির টাকা দেওয়া হবে। এতে চলতি বছরে অতিরিক্ত খরচ হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় প্রকল্পটি হল—অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য পেনশন প্রকল্প। ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১০ কোটি অসংগঠিত শ্রমিককে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এর জন্য কর্মক্ষম থাকা অবস্থায় প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ওই প্রকল্পে জমা দিতে হবে।
কৃষকদের শস্যঋণের সুদে ২ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঋণ সময়মতো পরিশোধ করলে এই ছাড় অতিরিক্ত ১ শতাংশ মিলবে। এছাড়া প্রাকৃতিক কারণে শস্যের হানি হলে এই ছাড় মিলবে আরও ২ শতাংশ বেশি। মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদের ঋণের ক্ষেত্রেও সুদেও ২ শতাংশ ছাড় মিলবে। সময়মতো পরিশোধের পুরস্কার আরও ১ শতাংশ ছাড়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি আয়তনের শিল্পে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের সুদেও ছাড় মিলবে ২ শতাংশ।
চাকরিজীবী করদাতাদের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। মোদি সরকার আয়করে প্রাথমিক ছাড় ২ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করেছিল। এবার এক ধাক্কায় ২.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করহীন করে দেওয়া হল! এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের অঙ্কটা ৪০ হাজার টাকা থেকে করা হল ৫০ হাজার টাকা। ব্যাঙ্ক ও ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদে করছাড়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হল ৪০ হাজার টাকা। বাড়িভাড়া থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে এতদিন কর দিতে হতো না, এবার এই সীমা বাড়িয়ে করা হল ২ লক্ষ ৪০ টাকা।
আরও ৮ লক্ষ ফ্রি রান্নার গ্যাসের কানেকশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ফ্ল্যাগশিপ প্রোগাম বা সেন্ট্রাল স্পনসর্ড স্কিমগুলিতে ব্যয় বাড়ানো হল মাত্র ৭.৫ শতাংশ—৩ লক্ষ ৪ হাজার কোটি থেকে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের ব্যয়ও কার্যত বাড়ল না—বর্তমান বছরে বরাদ্দ ছিল ৫৫ হাজার কোটি টাকা, অতিরিক্ত আরও ৬ হাজার কোটি টাকা চলতি বছরেই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই বাবদ আগামী বছরের জন্য ধরা হয়েছে মাত্রই ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় বরাদ্দ যথেষ্ট বেড়েছে—৮০ শতাংশ। ব্যয় বেড়েছে জাতীয় শিক্ষা কমিশনে ১৮ শতাংশ, আইসিডিএসে ১৭ শতাংশ, তফসিলি জাতির উন্নয়নে ৩৫ শতাংশ, তফসিলি জনজাতির ক্ষেত্রে ২৮ শতাংশ।
সার্বিকভাবে এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী। আসন্ন ভোটের দিকে তাকিয়েই যে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে তা অনুমান করতে কষ্ট হয় না। তবে, সমস্যা সেই তিমিরেই। রাজস্ব আয় বৃদ্ধির দিশা কার্যত এই বাজেটে নেই। পরোক্ষ কর জিএসটি থেকে ১১ শতাংশের বেশি রাজস্ব আদায় হবে না বলেই আশঙ্কা হয়। টাকার অঙ্কে যা কমপক্ষে দেড় লক্ষ কোটি। প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আয়ের দিশাও দেখাতে পারেনি এই বাজেট। কার্যত কর-জিডিপি অনুপাত না-বাড়লে আয়বৃদ্ধির আশা থাকেই না। অন্যদিকে, রাজকোষ ঘাটতিও লক্ষ্যমাত্রায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। রাজস্ব ঘাটতির বহরও যথেষ্ট বেশি। একদিকে আয়ের থেকে ব্যয় ক্রমশ বেশি হচ্ছে, অন্যদিকে জনমুখী প্রকল্পে খরচের মাত্র অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। কার্যত বর্তমান সরকারের আমলে মুদ্রাস্ফীতিটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও কর্মসংস্থান, রাজস্ব ঘাটতি, রাজকোষ ঘাটতি, রাজস্ব আয়বৃদ্ধি, সরকারি মূলধনী ব্যয়, বেসরকারি মূলধনী ব্যয় প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যর্থতার লক্ষণ প্রকট হচ্ছে। ভোটের কথা মাথায় রেখে জনমোহিনী বাজেট উপহার দিতে গিয়ে মোদি সরকারকে উন্নয়নের সঙ্গে চরম আপস করতে হল—দেশের জন্য এ কোনও সুসংবাদ নয়।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক
02nd  February, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 কলম্বো, ২৪ এপ্রিল (পিটিআই): শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে ছিল এক মহিলা সহ মোট ন’জন। তদন্তে নেমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। হামলাকারী ন’জনের মধ্যে আটজনকে ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...

  সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ফালাকাটায় আলিপুরদুয়ার জেলার প্রথম স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফালাকাটার টাউন ক্লাবের মাঠে এই স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হওয়ায় ফালাকাটা সহ জেলার ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবেকে ২০৩ রানের টার্গেট দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর 

24-04-2019 - 09:47:04 PM

সিউড়িতে পথ অবরোধ বিজেপির
দলীয় কর্মীকে মারধর ও অপহরণের অভিযোগে সিউড়ি ডিএম অফিসের সামনে ...বিশদ

24-04-2019 - 09:44:24 PM

আরসিবি ১২২/৪ (১৫ ওভার) 

24-04-2019 - 09:21:25 PM

আরসিবি ৭০/১ (৬ ওভার) 

24-04-2019 - 08:37:41 PM

টসে জিতে ফিল্ডিং নিল পাঞ্জাব
 টসে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাল কিংস ...বিশদ

24-04-2019 - 07:35:48 PM

আরও বাড়তে চলেছে গরম
কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী সপ্তাহে গরম আরও বাড়তে চলেছে বলে ...বিশদ

24-04-2019 - 06:33:10 PM