বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের সঙ্গে আপস করে
জনমোহিনী বাজেট

দেবনারায়ণ সরকার

শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদি সরকারের ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন। কার্যত এটাকে পূর্ণাঙ্গ বাজেটই বলা চলে। এই বাজেটের বিশেষত্ব এই যে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ইনিংসের শেষ ওভারে কার্যত কমবেশি সকলেরই ক্ষত উপশম করার চেষ্টা করলেন। তবে, এর দায় বস্তুত পরবর্তী সরকারের উপরেই বর্তাবে।
প্রথমে বলব এই বাজেটের রাজস্ব শৃঙ্খলার দিকটি। চলতি অর্থবর্ষের রাজকোষ (ফিসকাল) ঘাটতি ধরা হয়েছিল জিডিপির ৩.৩ শতাংশ। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে এটা বেড়ে দাঁড়াবে ৩.৪ শতাংশ। গত তিন বছরও রাজকোষ ঘাটতির নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। রাজকোষ ঘাটতি বৃদ্ধির অর্থ হল—পরবর্তী বছরে সুদের বোঝা আরও বাড়বে। বর্তমান বছরেও দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের কর বাবদ যা আয় হচ্ছে তার প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ হয়ে যাচ্ছে শুধু সুদ মেটাতে। ফলে, রাজকোষ ঘাটতি বেশি হওয়ার অর্থ হল—রাজস্ব শৃঙ্খলা অর্জনে ব্যর্থতা। রাজস্ব (রেভিনিউ) ঘাটতি চলতি বছরে দাঁড়াতে পারে ২.৫ শতাংশ। মোদি সরকারের প্রথম বছরের পর এটাই সর্বোচ্চ।
২০১৯-২০ অর্থবর্ষেও রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৩.৪ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আগামী বছরেও রাজকোষ ঘাটতি হ্রাসের ইঙ্গিত থাকছে না। ফলে, এটাও রাজস্ব শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উদ্বেগের। বিমুদ্রাকরণের পর অনেক বেশি মানুষ ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করেছেন। কিন্তু, কার্যত কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির গতি নগণ্য। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে যেখানে এই অনুপাত ছিল ১০.৬, বর্তমান অর্থবর্ষে এটা ১১.১ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। প্রত্যক্ষ কর-জিডিপি অনুপাতও ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে যেখানে ৫.৫, বর্তমান অর্থবর্ষে সেটা ৫.৯। এখানে স্পষ্ট যে অনেক বেশি মানুষ আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেও কর আদায় বাড়ছে খুবই কম। ফলে, রাজস্ব শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে এটাও খুব উদ্বেগের। অর্থাৎ ডিমনিটাইজেশনের ফসল সামান্যই।
কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট (সিএডি) আগামী বছরে জিডিপির ২.৫ শতাংশ হবে বলে বলা হয়েছে। গত চার বছরের তুলনায় এটা অনেক বেশি। চলতি বছরে এটা বেড়ে ৩ শতাংশ হয়ে যেতে পারে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এটাও খুব উদ্বেগের।
বিমুদ্রাকরণের পর থেকে বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগ ভীষণভাবে কমে গিয়েছে। গত চার বছরে মোট স্থির পুঁজি গঠনের হার জিডিপির ২৮.৫ শতাংশের মতো। ইউপিএ আমলে এটা ৩৪-৩৫ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। ফলে, কর্মসংস্থানের মূল ভরসা এখন সরকারি বিনিয়োগ। কিন্তু গত চার বছরে জিডিপির সাপেক্ষে সরকারি বিনিয়োগও ক্রমশ কমছে। আজকে পেশ করা বাজেটেও দেখা যাচ্ছে—২০১৮-১৯ সালে এটা আরও কমেছে। আগামী অর্থবর্ষে এটা আরও হ্রাসের ইঙ্গিত রয়েছে। আগামী অর্থবর্ষে ২৭ লক্ষ ৮৪ হাজার কোটি টাকা মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে মাত্র ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এটা মোট ব্যয়ের মাত্র ১২ শতাংশের মতো। এখানে সহজে অনুমান করা যায় কেন মোদি সরকারের জমানায় বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বাধিক?
এই বাজেটে সমাজের প্রতিটি স্তরের জন্য কমবেশি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি এবং শ্রম যোগী মন্ধন—এই দুটি প্রকল্পে প্রায় ২২ কোটি পরিবারের ক্ষত কিছুটা উপশম করার চেষ্টা করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পে ছোট এবং প্রান্তিক চাষিদের (২ হেক্টর পর্যন্ত জমির মালিক) প্রতি বছরে চাষের জন্য তিন কিস্তিতে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে—১২ কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি পরিবার উপকৃত হবে। এর ফলে, বাৎসরিক খরচ হবে ৭৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে গত ডিসেম্বর থেকে পাওনা এক কিস্তির টাকা দেওয়া হবে। এতে চলতি বছরে অতিরিক্ত খরচ হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় প্রকল্পটি হল—অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য পেনশন প্রকল্প। ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১০ কোটি অসংগঠিত শ্রমিককে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এর জন্য কর্মক্ষম থাকা অবস্থায় প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ওই প্রকল্পে জমা দিতে হবে।
কৃষকদের শস্যঋণের সুদে ২ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঋণ সময়মতো পরিশোধ করলে এই ছাড় অতিরিক্ত ১ শতাংশ মিলবে। এছাড়া প্রাকৃতিক কারণে শস্যের হানি হলে এই ছাড় মিলবে আরও ২ শতাংশ বেশি। মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদের ঋণের ক্ষেত্রেও সুদেও ২ শতাংশ ছাড় মিলবে। সময়মতো পরিশোধের পুরস্কার আরও ১ শতাংশ ছাড়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি আয়তনের শিল্পে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের সুদেও ছাড় মিলবে ২ শতাংশ।
চাকরিজীবী করদাতাদের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। মোদি সরকার আয়করে প্রাথমিক ছাড় ২ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করেছিল। এবার এক ধাক্কায় ২.৫ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করহীন করে দেওয়া হল! এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের অঙ্কটা ৪০ হাজার টাকা থেকে করা হল ৫০ হাজার টাকা। ব্যাঙ্ক ও ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদে করছাড়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হল ৪০ হাজার টাকা। বাড়িভাড়া থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে এতদিন কর দিতে হতো না, এবার এই সীমা বাড়িয়ে করা হল ২ লক্ষ ৪০ টাকা।
আরও ৮ লক্ষ ফ্রি রান্নার গ্যাসের কানেকশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ফ্ল্যাগশিপ প্রোগাম বা সেন্ট্রাল স্পনসর্ড স্কিমগুলিতে ব্যয় বাড়ানো হল মাত্র ৭.৫ শতাংশ—৩ লক্ষ ৪ হাজার কোটি থেকে ৩ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের ব্যয়ও কার্যত বাড়ল না—বর্তমান বছরে বরাদ্দ ছিল ৫৫ হাজার কোটি টাকা, অতিরিক্ত আরও ৬ হাজার কোটি টাকা চলতি বছরেই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই বাবদ আগামী বছরের জন্য ধরা হয়েছে মাত্রই ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় বরাদ্দ যথেষ্ট বেড়েছে—৮০ শতাংশ। ব্যয় বেড়েছে জাতীয় শিক্ষা কমিশনে ১৮ শতাংশ, আইসিডিএসে ১৭ শতাংশ, তফসিলি জাতির উন্নয়নে ৩৫ শতাংশ, তফসিলি জনজাতির ক্ষেত্রে ২৮ শতাংশ।
সার্বিকভাবে এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী। আসন্ন ভোটের দিকে তাকিয়েই যে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে তা অনুমান করতে কষ্ট হয় না। তবে, সমস্যা সেই তিমিরেই। রাজস্ব আয় বৃদ্ধির দিশা কার্যত এই বাজেটে নেই। পরোক্ষ কর জিএসটি থেকে ১১ শতাংশের বেশি রাজস্ব আদায় হবে না বলেই আশঙ্কা হয়। টাকার অঙ্কে যা কমপক্ষে দেড় লক্ষ কোটি। প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আয়ের দিশাও দেখাতে পারেনি এই বাজেট। কার্যত কর-জিডিপি অনুপাত না-বাড়লে আয়বৃদ্ধির আশা থাকেই না। অন্যদিকে, রাজকোষ ঘাটতিও লক্ষ্যমাত্রায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। রাজস্ব ঘাটতির বহরও যথেষ্ট বেশি। একদিকে আয়ের থেকে ব্যয় ক্রমশ বেশি হচ্ছে, অন্যদিকে জনমুখী প্রকল্পে খরচের মাত্র অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। কার্যত বর্তমান সরকারের আমলে মুদ্রাস্ফীতিটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও কর্মসংস্থান, রাজস্ব ঘাটতি, রাজকোষ ঘাটতি, রাজস্ব আয়বৃদ্ধি, সরকারি মূলধনী ব্যয়, বেসরকারি মূলধনী ব্যয় প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যর্থতার লক্ষণ প্রকট হচ্ছে। ভোটের কথা মাথায় রেখে জনমোহিনী বাজেট উপহার দিতে গিয়ে মোদি সরকারকে উন্নয়নের সঙ্গে চরম আপস করতে হল—দেশের জন্য এ কোনও সুসংবাদ নয়।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক
02nd  February, 2019
যুগজাগরণে যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ
স্বামী নীলেশ্বরানন্দ

যুগজাগরণ এক যুগাচার্যের সাধনসিদ্ধির প্রাক্কালীন শ্রীমুখ নিঃসৃত যুগমহাবাণী। এ জাগরণ মানব জীবনের উন্নয়ন উদ্বোধনের আকাশবার্তা। ১৯১৬ সনের পুণ্যময়ী মাঘী পূর্ণিমার শুভ লগ্নে এক সাধক সাধন সমাহিত অবস্থা থেকে উত্থিত হয়েই জগৎবাসীর কল্যাণে উৎসর্গ করলেন এক মহাআশ্বাস বাণী—এ যুগ মহাজাগরণের তথা মহাসমন্বয়ের।
বিশদ

19th  February, 2019
ইসলামাবাদের ইসলামি ঐক্যের ফাঁদে কাশ্মীর
হারাধন চৌধুরী

ঘটনাটিকে বাসি বলার সময় এখনও হয়নি। বলিউডের নামজাদা অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহের এক সংকীর্ণ মন্তব‌্যে উৎসাহিত হয়ে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করে বসলেন, ‘‘সংখ‌্যালঘুদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হয় তা মোদি সরকারকে দেখিয়ে দেবে পাকিস্তান।’’
বিশদ

19th  February, 2019
বধ্যভূমি কাশ্মীর: আমরা কি
কেবল মার খেতেই থাকব!

শুভা দত্ত

 গত বৃহস্পতিবার আবার জঙ্গি তাণ্ডবে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ, দেশপ্রেমিক জওয়ানদের রক্তে ভিজে গেল কাশ্মীর উপত্যকার মাটি। পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় জয়েশ জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলায় সিআরপিএফের ৪৪ জন জওয়ান শহিদ হলেন।
বিশদ

17th  February, 2019
শিশুদের বাজেট
শুভময় মৈত্র

 একশো ত্রিশ কোটির দেশে আশি কোটি প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার, বাকি পঞ্চাশ কোটি বয়সে ছোট। যার ভোট নেই তার জন্যে লোকসভা নির্বাচনের মাস তিনেক আগে ভাবার সময় থাকে না শাসকদলের। সেই জন্যেই বাজেট বক্তৃতায় শিশুদের কথা খুঁজতে গেলে দূরবিন প্রয়োজন। তবে চশমা ছাড়াই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এবারের বাজেটের বিশালাকার অক্ষরের ভীষণ চমক ‘ভিশন ২০৩০’। আজ থেকে এগারো বছর পর দেশ ঠিক কোথায় পৌঁছবে তার চালচিত্র। কোথাও কিন্তু আজকের শিশুদের কথা নেই।
বিশদ

16th  February, 2019
মার্কিন মুলুকে (-) ৬০,
সন্ধিক্ষণ কিন্তু পরিবর্তনেরই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পোলার ভর্টেক্সের প্রভাব কি ভারতেও পড়েছে? এবার উত্তর ভারতের দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডার জন্য আবহাওয়াবিদরা কিছুটা হলেও পোলার ভর্টেক্সকে দায়ী করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোলার ভর্টেক্স দুর্বল হয়ে ঠান্ডাটাকে আমেরিকা ও ইউরোপের উত্তরভাগে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। আর তার ধাক্কায় দক্ষিণের দিকে চলে এসেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এমনিতে বছরে চার থেকে ছ’টি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ভারতীয় উপমহাদেশে এসে ধাক্কা খায়। চলতি বছর সেই সংখ্যাটা সাত। যার জন্য শীতের প্রকোপ বেড়েছে ভারতে। মূলত হিমালয় এবং তার সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে।
বিশদ

16th  February, 2019
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

গত পাঁচ বছরে সিপিএম একবারও কি রেলমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে রাস্তায় নেমেছে? পশ্চিমবঙ্গ কেন বঞ্চিত হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কখনও সিপিএমকে প্রেস কনফারেন্স করতে দেখেছে কেউ? কেন কিছু করেনি সিপিএম? কারণ এখন আর রেলমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। বিশদ

15th  February, 2019
রাফাল না সিবিআই, মোদি-বিরোধিতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ইস্যু কোনটি?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 রাফাল ইস্যুকে সামনে রেখে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ধারাবাহিকভাবে রাফাল ইস্যু প্রচারের কেন্দ্রে রাখতে পেরেছিলেন রাহুল। হিন্দি বলয়ে তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়-এ বিজেপি’র পরাজয়ের পিছনে অন্য সমস্ত কারণের মধ্যে রাহুল গান্ধীর তোলা রাফাল যুদ্ধ বিমান দুর্নীতির প্রচার বিজেপি’র বিরুদ্ধে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
বিশদ

14th  February, 2019
স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়।
বিশদ

12th  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

11th  February, 2019
ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
হৃদয় গিয়েছে চুরি
অতনু বিশ্বাস

আচ্ছা, হৃদয়টাকে (হৃদপিণ্ড মানে হৃদয় ধরে নিয়ে) সত্যি সত্যিই কি কোথাও ফেলে আসা যায় না? যদি সত্যিই না যায়, কুমিরটা সেটা বিশ্বাস করল কী করে? উপকথার কুমিররা হয়তো বোকা হয়, তবে তার তথাকথিত বোকামিকে অনেক ক্ষেত্রেই আমার নেহাতই সরলতা বলে মনে হয়েছে।
বিশদ

09th  February, 2019
ন্যানো, একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যু
মৃণালকান্তি দাস

ভক্সওয়াগেন বিটল। যে বছর ভারতে ন্যানোর আবির্ভাব, তার ঠিক ৭০ বছর আগে বাজারে এসেছিল এই ‘পিপলস কার’। গোটা জার্মানি জুড়ে শুধু রোড নেটওয়ার্ক বাড়ানোই নয়, দেশের মানুষকে সস্তায় গাড়ি চড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। কে না জানে, ভক্সওয়াগেন মানেই তো ‘জনতার গাড়ি’।
বিশদ

08th  February, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সব বুথে ভিভিপ্যাট রাখতে হবে। ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাটেরও গণনা করতে হবে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল-বামফ্রন্ট এক সুরে এই দাবি করে। অবশ্য বিজেপি জানিয়েছে, আগে ভোট শান্তিপূর্ণ হোক, সন্ত্রাস কমুক, তারপরে গণনার বিষয় দেখা যাবে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের একজন আর্থিক উপদেষ্টা নিয়োগ করতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এই মর্মে একটি বিজ্ঞাপনও দিয়েছে তারা। বর্তমানে একজন আর্থিক উপদেষ্টা রয়েছেন। আবারও আরেকজনকে কেন নেওয়া হচ্ছে? ...

 শ্রীনগর ও জম্মু, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): কর্তব্যের তাগিদে জয়েশ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হতেই ছুটি বাতিল করে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার হরবীর সিং। মঙ্গলবার এই ...

 সংবাদদাতা, কাটোয়া: বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ছোট থেকেই মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত কাটোয়ার কৈথন গ্রামের শাহবাজ মণ্ডল কীভাবে মাধ্যমিকের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে জড়িয়ে পড়ল তা ভেবে পাচ্ছেন না পরিবারের লোকজন থেকে প্রতিবেশীরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ব্যবসায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সামাজিক ন্যায় দিবস
১৯৪৭- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি ঘোষণা করলেন, ১৯৪৮-এর জুন মাসের মধ্যে ইংরেজরা ভারত ত্যাগ করে চলে যাবে
১৯৫০- স্বাধীনতা সংগ্রামী শরৎচন্দ্র বসুর মৃত্যু
১৯৭১- স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ফব নেতা হেমন্ত বসু শহরের রাজপথে প্রকাশ্যে খুন হলেন

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭১ টাকা ৯৩.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৯.৪১ টাকা ৮২.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৩৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,৮৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ ফাল্গুন ১৪২৫, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ২৮/৩৯ সন্ধ্যা ৫/৩৭। মঘা ৪/৩৬ দিবা ৮/০ পরে পূর্বফাল্গুনী ৫৫/১৬ শেষ রাত্রি ৫/৪। সূ উ ৬/৯/২২, অ ৫/৩১/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৭ ফাল্গুন ১৪২৫, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ রাত্রি ৭/২৯/৩৮। মঘানক্ষত্র ৯/২১/১৬, সূ উ ৬/১১/০, অ ৫/২৯/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪১/২৯ মধ্যে ও ৯/৫৭/১৩ থেকে ১১/২৭/৪৩ মধ্যে ও ৩/১৩/৫৬ থেকে ৪/৪৪/২৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২০/২৫ থেকে ৮/৫২/১ মধ্যে ও ১/৫৭/১৩ থেকে ৬/১০/১২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৫০/২০ থেকে ১/১৫/১০ মধ্যে, কালবেলা ৯/০/৪০ থেকে ১০/২৫/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/০/৪০ থেকে ৪/৩৫/৫০ মধ্যে।
১৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল বেশ প্রভাবিত। ট্রাফিকের ...বিশদ

10:08:32 AM

তেরা টাইম আয়েগা, বিনা টিকিটের যাত্রীদের জন্য অভিনব সতর্কবার্তা রেলের
 ‘তেরা টাইম আয়েগা’। বিনা টিকিটের যাত্রীদের জন্য এভাবেই সতর্কবার্তা দিলেন ...বিশদ

09:52:50 AM

পড়ে থাকা ফ্ল্যাট বিক্রিতে
ব্যাপক সাড়া পেল রাজ্য

প্রায় এক দশক ধরে পড়ে থাক ফ্ল্যাট বিক্রিতে ব্যাপক সাড়া ...বিশদ

09:30:00 AM

‘বই ধরো, বই পড়ো’ প্রকল্প চালু করছে গ্রন্থাগার দপ্তর
নিখরচায় গ্রন্থাগারের সদস্যপদ নেওয়া যাবে। এমনই প্রকল্প চালু করছে রাজ্যের ...বিশদ

09:09:30 AM

অবসরের কয়েক বছর পর
পদোন্নতি নয় সার্ভেয়ারের

অবসরের বেশ কয়েক বছর পর পদোন্নতি হল সেচ দপ্তরের ন’জন ...বিশদ

09:00:00 AM

শীতের আমেজও বিদায়ের পথে
গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে শীতের আমেজও এবার বিদায়ের পথে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ...বিশদ

08:55:41 AM