Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইয়ং ইন্ডিয়া
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রায় বছর দশেক হয়ে গেল এই পিতাপুত্রের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। যা ক্রমেই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতায় পর্যবসিত। রাউলাট বিলের প্রতিবাদ করে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে বেড়াচ্ছিলেন। সেই সময় একটি সভা হয়েছিল এলাহাবাদে। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে বলা হয়েছিল স্থানীয় একজন আইনজীবীর বাড়িতে থাকতে। সেই আইনজীবী কংগ্রেসের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। তাঁর নাম মতিলাল নেহরু। তবে তাঁর পাশাপাশি কেমব্রিজ থেকে সায়েন্স এবং পরে আইনের ডিগ্রি নিয়ে আসা পুত্রকেও মোহনদাসের খুব ভালো লেগেছিল। ঝকঝকে যুবক এবং বুদ্ধিমান। জওহরলাল। গান্ধীর ভক্ত হয়ে সত্যাগ্রহে নাম লেখাতে উৎসুক হয়। সেই থেকে ঘনিষ্ঠতা। তাঁরাও তাঁকে এতটাই বিশ্বাস করেন যে পারিবারিক সমস্যার কথাও গান্ধীজিকে না বললে চলে না। এই তো মতিলাল নেহরুর কন্যা স্বরূপ রানি এক সাংবাদিকের প্রেমে পড়ে তাঁকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরেছেন। যুবকটি মুসলিম। তাই মতিলাল রাজি নয়। গান্ধীজিকে বললেনও সেকথা। গান্ধীজি ডেকে স্বরূপরানিকে বোঝালেন। গান্ধীজির কথা অমান্য করলেন না সেই কন্যা। তিনি পিছিয়ে এলেন। এবং মহারাষ্ট্রের এক হিন্দু পাত্রকে বিবাহ করলেন। বিয়ের দিন যে শাড়ি তিনি পরলেন, সেটি কস্তুরবা গান্ধী নিজে হাতে তৈরি করেন সবরমতী আশ্রমে বসে। এমনই সম্পর্ক পরিবারটির সঙ্গে।
১৯২৮ সাল থেকেই গান্ধীজি বুঝতে পারছিলেন সময় বদলাচ্ছে। এখনই কংগ্রেসকে আরও বেশি করে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় করতে হবে। ব্রিটিশদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে আরও তীব্র আন্দোলন দরকার। আর যে কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নির্ভর করে সেই আন্দোলনে কত বেশি সংখ্যক যুব সম্প্রদায় যুক্ত হচ্ছেন। তাই কংগ্রেসের মধ্যে দ্রুত যুব রক্তের সঞ্চার হওয়া জরুরি। বেঙ্গলে চিত্তরঞ্জন দাশ অকস্মাৎ চলে যাওয়ার পর তাঁর ভাবশিষ্য সুভাষ চন্দ্র বসু আছেন। তরুণ, মেধাবী, সুদর্শন, সুবক্তা, শিক্ষিত ও সুসংগঠক। আর কী চাই! তাই বেঙ্গলে কংগ্রেসের যে কোনও মুভমেন্ট সর্বদাই দারুণ কার্যকরী। দিল্লিতে জওহর। কংগ্রেসের যুব সম্প্রদায় চাইছিল ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পরিবর্তে এখনই পূর্ণ স্বরাজের দাবি তোলা হোক। ১২ বছর আগেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব হয়েছে। তাই আরও বাড়ছে সেই প্রভাব। জওহর আর সুভাষ দু’জনেই তো বেশ বামপন্থী। আবার যুব সম্প্রদায় আকৃষ্ট হচ্ছে চরমপন্থার দিকে। তাঁদের যদি কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণ থেকে দূরে রাখা হয় তাঁরা যে ধীরে ধীরে চলে যেতেই পারে কমিউনিস্ট পার্টিতে কিংবা হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক আর্মি নামক একটি সংগঠনে। যাঁরা সম্প্রতি লাহোরে পুলিস অফিসার সন্ডার্সকে হত্যা করেছে আর দিল্লি অ্যাসেম্বলিতে বোমা ছুঁড়েছে। তাই জওহরললালকে কংগ্রেস সভাপতি করা হল। কংগ্রেসে এল সেই প্রথম এক যুব স্রোত। নেহরু ও সুভাষচন্দ্র প্রধানত এই দুই গ্ল্যামারাস নেতা কংগ্রেসের যুবসম্প্রদায়কে আচ্ছন্ন করে রাখলেন। যদিও ওই ঘটনার আর মাত্র কয়েকবছর পর সুভাষের জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে যাবে অনেক বেশি।
১৯৫৩ সালে জনসংঘ শুরু করল সত্যাগ্রহ। জম্মু ও কাশ্মীরের ইস্যুতে। গোটা অভিযানটি পরিচালনা করলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রধানত পার্লামেন্ট হাউস থেকে। কিন্তু সেই অফিস ছেড়ে তাঁকে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে হয়। আর তাছাড়া এরকম একটি সত্যাগ্রহ আন্দোলন চালাতে হলে দরকার বেশি করে ইয়ং মুখ। সেরকম যোগ্য ছেলেমেয়ে কোথায়? অনেক খুঁজে একটি ২৯ বছরের যুবক পাওয়া গেল। ফাইল দিয়ে, সংবাদপত্রের ক্লিপিংস দিয়ে, বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থের রেফারেন্স নিয়ে সাহায্য করবে সে। একবার জম্মুতে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ যখন আর ফিরলেন না, শ্রীনগরের জেলে তাঁর রহস্যময় মৃত্যু হল, তখন এই যুবক আরও বেশি জায়গা করে নিলেন জনসংঘে। তাঁর নাম অটলবিহারী বাজপেয়ি। দলে বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন আরও এক যুবক। যিনি সংগঠন দারুণ ভালোভাবে পরিচালনা করতে দক্ষ। তিনি দীনদয়াল উপাধ্যায়। ক্রমেই এই দু’জন কংগ্রেসের প্রতিপক্ষ হিসেবে রীতিমতো প্রবল শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হলেন। যুবশক্তিই জনসংঘকে দিয়েছিল নতুন এক রাজনীতির স্বাক্ষর রাখার বৈশিষ্ট্য।
১৯৫৭ সাল। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস জয়ী হল বটে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেন কংগ্রেস বিরোধী মনোভাব অনেক বেশি করে আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। এমনকী সেই আগের মতো তুমুল জনপ্রিয়তাও যেন নেই জওহরলাল নেহরুর। তাঁকে ইদানীং কেমন ক্লান্তও দেখায়। বেশি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছেন দ্রুত। এরকম হলে বিপদ। কারণ জনমোহিনী শক্তি একমাত্র তাঁরই আছে। তাঁকে সামনে রেখেই সেই কবে থেকে এই দলটি একের পর এক বড় প্রাচীর পেরিয়ে যাচ্ছে। এর আগে আর একজনই তো ছিলেন সংগঠনকে চাঙ্গা করার জন্য। সেই সর্দার প্যাটেল আচমকা চলে গেলেন অপ্রত্যাশিতভাবে। স্বাধীনতার পর ভারতকে সম্মানজনকভাবে শক্তিশালী করেছেন এই সেরা রাজনৈতিক জুটি। সর্দার প্যাটেল-পণ্ডিত নেহরু। সুতরাং এখনই দরকার কোনও নতুন মুখ। কংগ্রেসকে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকিয়ে রাখতে সর্বাগ্রে দরকার যুবক যুবতীদের আকর্ষণ করা। অথচ ইদানীং দেখা যাচ্ছে যুবসম্প্রদায় ক্রমেই ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তাই বদল চাই। ১৯৫৯ সালে কিছুতেই স্থির করা যাচ্ছিল না কাকে করা যায় কংগ্রেসের সভাপতি। সবেমাত্র সভাপতি পদের মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে ইউ এন ধেবরের। তিনি গুজরাতের মানুষ। একটা মৃদু চাপ আছে দক্ষিণ ভারত থেকে। কিন্তু কাকে? সি সুব্রহ্মনিয়ামকে? না। রাজি হচ্ছেন না কামরাজ। তাহলে? ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আচমকা একটি অপ্রত্যাশিত নাম উঠে এল। ২ ফেব্রুয়ারি তিনিই হলেন নতুন কংগ্রেস সভাপতি। মাত্র ৪২ বছর বয়সের এক যুবতী। ইন্দিরা গান্ধী। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেসে যুবশক্তির একটি বিকাশ ঘটবে।
এসব অতীত স্মৃতিচারণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে একটা বিষয় অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে টের পাওয়া যাচ্ছে। সেটি হল ভারত এখন ইয়ং ইণ্ডিয়ার প্রত্যাশী। দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নীচে। এই দেশের ধ্রুবপদ যতটা নীতি আর মূল্যবোধ, তার তুলনায় বেশি বীজমন্ত্র হল ডাউনলোড আর গুগল নামক আধুনিক দুটি প্রণোদনা। ২০১৯ সাল হতে চলেছে ভারতীয় রাজনীতির নতুন একটি ট্রান্সফরমেশনের বছর। আগামীদিনে এই পরিবর্তনকে সঙ্গে নিয়েই এগবে নয়া ভারত। সেটি হল রাজ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিসরে নতুন একঝাঁক ফ্রেশ যুব মুখের আগমন । স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যেসব দলের কাছে কমবয়সি যোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য, জেনারেশন নেক্সট রেডি আছে, সেইসব দলই আগামীদিনে দৌড়ে টিকে থাকবে। নেহাত নীতি, আদর্শ, ইজম অথবা অ্যাজেন্ডা দিয়ে আর নতুন প্রজন্মকে কাছে টানা যায় না। তাদের মন জয় করতে হলে সর্বাগ্রে তাদের মন বুঝতে হবে! তাদের মতো করে ভাবতে হবে। অভিজ্ঞতার একটি মূল্য আছে। কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধুই অভিজ্ঞতা দিয়ে চরিত্র নতুন যুগের চরিত্র অন্বেষণ তথা নয়া সমাজের পোস্ট মর্টেম করা সম্ভব নয়। তার জন্য নিজেকেও হতে হবে ওই সমাজেরই একজন। এই কারণেই আমরা লক্ষ্য করছি হঠাৎ গত দু’বছরে একসঙ্গে বহু যুব সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উঠে আসছেন। ৪৯ বছরের রাহুল ছিলেনই, তাঁর সঙ্গে আবার যুক্ত হলেন ৪৭ বছরের প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শুধু তাঁরাই নয়। কংগ্রেসের বাড়তি সুবিধা হল জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, শচীন পাইলট, দীপেন্দর সিং হুদা, গৌরব গগৈ, সুস্মিতা দেবদের মতো একঝাঁক নতুন প্রজন্মের ইয়ুথ ব্রিগেড দলে ক্রমেই বড়সড় জায়গা করে নিচ্ছেন। শচীন পাইলট আর সিন্ধিয়া সম্প্রতি তাঁদের রাজ্যে দলকে জিতিয়ে এনেছেন প্রায় একক ক্যারিশমায়।
বিহারে লালুপ্রসাদ যাদবের জেলযাত্রা একটি নতুন নেতার জন্ম দিয়েছে। তাঁর পুত্র তেজস্বী যাদব। শুধুই পিতার আলোয় আলোকিত? বোধহয় না। কারণ পুত্রের নেতৃত্বে লালুপ্রসাদের দল জোকিহাট বিধানসভা ও আরারিয়া লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের হারিয়ে দিয়েছে মহাশক্তিধর বিজেপি জোটকে। এখন আর নীতীশ কুমারের প্রতিপক্ষ লালুপ্রসাদ যাদব নন। মাত্র ৩০ বছর বয়সি তেজস্বী প্রধান চ্যালেঞ্জার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার। উত্তরপ্রদেশে অস্ত গিয়েছে মুলায়ম সিং যাদবের প্রবল প্রতিপত্তি। তাঁকে সামনে রেখে মুলায়ম পুত্র অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন কাকা শিবপাল যাদব। কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে বিস্ফারিত নেত্রে তিনি দেখলেন, যে দলকে তিনি ও দাদা মুলায়ম এত বছর ধরে একটি শক্তিশালী ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছেন, সেই ওবিসি, যাদব, মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের সমাজবাদী পার্টি আজ সম্পূর্ণ অখিলেশ যাদবের দখলে। গুজরাতে শুধুমাত্র প্যাটেলদের সংরক্ষণের দাবি তুলেই হার্দিক প্যাটেল এক প্রথম সারির যুবনেতায় পর্যবসিত। তাঁকে মহাজোটের মহামঞ্চে ডাকা হয়। কারণ তাঁর প্রভাব বিপুল। সেই রাজ্যেই দুই যুবক জিগনেস মেহানি এবং অল্পেশ ঠাকোর আচমকা একটি করে বৃহৎ ভোটব্যাঙ্কের নেতা হয়ে গিয়েছেন। স্রেফ আজকের যুবক-যুবতী তাঁদের নিজেদের সঙ্গে রিলেট করতে পারছে বলে। তেলেঙ্গানায় কে চন্দ্রশেখর রাও এককভাবে জেতালেন এই সাম্প্রতিক বিপুল জয়? একেবারেই নয়। তাঁর দলের সর্ববৃহৎ ক্যাম্পেনার তথা ক্যারিশমাটিক নেতা এখন কে টি রামা রাও। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র। এই ঝকঝকে ৪২ বছরের যুবক যেখানেই প্রচার করেছেন এবার তেলেঙ্গানার সমাবেশগুলি ভেসে গিয়েছে জনসমুদ্রে।
আগামীদিনে চন্দ্রবাবু নাইডু নয়। অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন তারকা হয়ে উঠে আসছেন জগনমোহন রেড্ডি। তাঁর দল ওয়াই সি কংগ্রেসকে এখন থেকেই পাশে পেতে চাইছে বিজেপি। কারণ তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। উত্তরপ্রদেশে দলিত আইকন কে? এক ও একমাত্র মায়াবতী? ভুল। এতদিন তিনি একা ছিলেন। কিন্তু এবার আগমন হয়েছে নতুন চরিত্র। ইংরেজি জানা স্মার্ট যুবক চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণ। ওই রাবণ নামটি তিনি যোগ করেছেন নামের সঙ্গে। নিজের গ্রামের বাইরে একটি বোর্ড বসিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর। সেখানে লেখা ছিল ‘গ্রেট চামার অফ ধাড়কুলি ওয়েলকামস ইউ’। অর্থাৎ চামার সম্প্রদায় নিজেরা মোটেই লজ্জিত নয় অনগ্রসর জাতি হিসেবে। বরং দৃপ্তভাবে ঘোষণা করছে তাঁরা, যে তাঁদের ওই গ্রাম চামার সম্প্রদায়ের। এই দলিত গর্বের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা থেকে তাঁর খ্যাতির শুরু। চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণের নতুন দলের নাম ভীম আর্মি। উত্তরপ্রদেশে তাঁর প্রভাব প্রবলভাবে বাড়ছে। নতুন প্রজন্মের নতুন দলিত নেতা হিসেবে। সুতরাং মায়াবতীর একক দলিত সাম্রাজ্য টলমল করছে।
যে কোনও কুশলী রাজনৈতিক নেতা এই সূক্ষ্ম যুগ পরিবর্তনটি স্পষ্ট বুঝতে পারছেন। তাঁরা প্রস্তুতও হচ্ছেন পরোক্ষে। যাঁরা মাটির রাজনীতির সঙ্গে নিজেদের মিশিয়ে দিয়ে এতবছর ধরে জনতার পালস নিখুঁতভাবে ধরে অবিশ্বাস্য সাফল্য পাচ্ছেন তাঁরা তো সবার আগে টের পেয়েছেন। প্রমাণ? হাতের কাছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্রমোত্থান। যা সম্পূর্ণ প্ল্যানমাফিক করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র বুদ্ধিদীপ্ত এক রাজনীতিক। তিনি তাঁর দলের সফটওয়্যারকে আউটডেটেড হতে দিতে রাজি নয়। তাই অভিষেকের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করার সূক্ষ্ম প্রয়াস।
নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সম্পদ। নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শক্তি। কিন্তু অত্যন্ত গোপনে নতুন যুগটি বিজেপির কাছে এই বার্তাও দিচ্ছে যে, নরেন্দ্র মোদির ওই উজ্জ্বল আলো আটকে রেখেছে নতুন প্রজন্মের ঝকঝকে যুব-নেতা-নেত্রীর পথ। তাই বিজেপিতে এখনও এক এবং একশো নম্বর স্থানেও সেই নরেন্দ্র মোদির ক্যারিশমাই ভরসা। অনেক যুব রাজনীতিক আছেন বটে। কিন্তু সেই উচ্চতায় কেউই উঠতে পারেননি এখনও। অথচ একদা বিজেপির সবথেকে তীব্র গতির উত্থান হয়েছিল এই তরুণ শক্তির জন্যই। আশির দশক থেকেই লালকৃষ্ণ আদবানি ও অটলবিহারী বাজপেয়ির আড়ালে বেড়ে উঠেছিলেন অরুণ জেটলি, বেঙ্কাইয়া নাইডু, সুষমা স্বরাজ, প্রমোদ মহাজন, উমা ভারতী, গোবিন্দচারিয়া এবং নরেন্দ্র মোদি। তরুণ তুর্কির দল। আজ তাই বিজেপি সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে প্রভাবে। আজও যে কোনও যুবকের থেকেও মমতা ও মোদির প্রাণশক্তি নিশ্চয় অনেক বেশি। কিন্তু রিজার্ভ বেঞ্চ স্ট্রং না হলে খেলা কিংবা রাজনীতি, চ্যাম্পিয়ন টাইটেল দীর্ঘকাল বজায় রাখা অনিশ্চিত হয়ে যায়। মোদিকে সাহায্য করার জন্য বিজেপিকে যুবশক্তি আনতেই হবে।
নতুন ভারতের তীব্র স্পিডের চালিকাশক্তির নাম হতে চলেছে—ইয়ং ইন্ডিয়া!
01st  February, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

18th  June, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
  শ্রীনগর, ১৮ জুন (পিটিআই): মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগে এনকাউন্টারে খতম দুই জয়েশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি। হত দুই জঙ্গির মধ্যে একজন পুলওয়ামায় হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে স্থানীয় পুলিস জানিয়েছে। আর এই গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান গুরুতর জখম হন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 ম্যাঞ্চেস্টার, ১৮ জুন: পাঁচ ম্যাচে মাত্র তিন পয়েন্ট। লিগ তালিকায় এই মুহূর্তে নবম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৮৯ রানে চূর্ণ হওয়ার পর ঘরে-বাইরে প্রচণ্ড সমালোচিত হয়েছেন পাক ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এবং প্রাক্তনীরা সরফরাজ-ব্রিগেডের উপর তোপের পর ...

বিএনএ, পুন্ডিবাড়ি, কোচবিহার: মঙ্গলবার কোচবিহারে উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অডিটোরিয়ামে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ দিয়ে তৃণমূল প্রভাবিত কর্মচারী সমিতির সভা ভণ্ডুল করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপির ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হওয়ার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম,
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম,
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু,
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.০৩ টাকা ৭০.৭২ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৯৪ টাকা ৮৯.১১ টাকা
ইউরো ৭৭.০০ টাকা ৭৯.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৬/৩৫ দিবা ৩/৩৪। পূর্বাষাঢ়া ২১/২৩ দিবা ১/৩০। সূ উ ৪/৫৯/৯, অ ৬/১৯/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৫১ গতে ৫/২৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ১/২৪ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৭ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৮ গতে ১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। 
৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৪/১৯/০ দিবা ২/৩৯/৬। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ২০/৫৮/৩৭ দিবা ১/১৮/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ১/৫৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/২৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৮/৪৩ গতে ১/১৯/২১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/৭ গতে ৯/৫৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭/৩ গতে ৩/৩৬/১৯ মধ্যে। 
১৫ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: আফগানিস্তানকে ১৫০ রানে হারাল ইংল্যান্ড

18-06-2019 - 10:48:34 PM

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, চালু কলকাতা পুলিসের হেল্প লাইন 
গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জনিত সমস্যার ...বিশদ

18-06-2019 - 09:48:24 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৮৬/২ (২০ ওভার) 

18-06-2019 - 08:17:00 PM

দার্জিলিং পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার 

18-06-2019 - 08:08:39 PM

জাপানে বড়সড় ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৫, জারি সুনামি সতর্কতা 

18-06-2019 - 07:34:58 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৪৮/১ (১০ ওভার) 

18-06-2019 - 07:05:00 PM