Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইয়ং ইন্ডিয়া
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রায় বছর দশেক হয়ে গেল এই পিতাপুত্রের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। যা ক্রমেই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতায় পর্যবসিত। রাউলাট বিলের প্রতিবাদ করে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে বেড়াচ্ছিলেন। সেই সময় একটি সভা হয়েছিল এলাহাবাদে। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে বলা হয়েছিল স্থানীয় একজন আইনজীবীর বাড়িতে থাকতে। সেই আইনজীবী কংগ্রেসের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। তাঁর নাম মতিলাল নেহরু। তবে তাঁর পাশাপাশি কেমব্রিজ থেকে সায়েন্স এবং পরে আইনের ডিগ্রি নিয়ে আসা পুত্রকেও মোহনদাসের খুব ভালো লেগেছিল। ঝকঝকে যুবক এবং বুদ্ধিমান। জওহরলাল। গান্ধীর ভক্ত হয়ে সত্যাগ্রহে নাম লেখাতে উৎসুক হয়। সেই থেকে ঘনিষ্ঠতা। তাঁরাও তাঁকে এতটাই বিশ্বাস করেন যে পারিবারিক সমস্যার কথাও গান্ধীজিকে না বললে চলে না। এই তো মতিলাল নেহরুর কন্যা স্বরূপ রানি এক সাংবাদিকের প্রেমে পড়ে তাঁকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরেছেন। যুবকটি মুসলিম। তাই মতিলাল রাজি নয়। গান্ধীজিকে বললেনও সেকথা। গান্ধীজি ডেকে স্বরূপরানিকে বোঝালেন। গান্ধীজির কথা অমান্য করলেন না সেই কন্যা। তিনি পিছিয়ে এলেন। এবং মহারাষ্ট্রের এক হিন্দু পাত্রকে বিবাহ করলেন। বিয়ের দিন যে শাড়ি তিনি পরলেন, সেটি কস্তুরবা গান্ধী নিজে হাতে তৈরি করেন সবরমতী আশ্রমে বসে। এমনই সম্পর্ক পরিবারটির সঙ্গে।
১৯২৮ সাল থেকেই গান্ধীজি বুঝতে পারছিলেন সময় বদলাচ্ছে। এখনই কংগ্রেসকে আরও বেশি করে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় করতে হবে। ব্রিটিশদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে আরও তীব্র আন্দোলন দরকার। আর যে কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নির্ভর করে সেই আন্দোলনে কত বেশি সংখ্যক যুব সম্প্রদায় যুক্ত হচ্ছেন। তাই কংগ্রেসের মধ্যে দ্রুত যুব রক্তের সঞ্চার হওয়া জরুরি। বেঙ্গলে চিত্তরঞ্জন দাশ অকস্মাৎ চলে যাওয়ার পর তাঁর ভাবশিষ্য সুভাষ চন্দ্র বসু আছেন। তরুণ, মেধাবী, সুদর্শন, সুবক্তা, শিক্ষিত ও সুসংগঠক। আর কী চাই! তাই বেঙ্গলে কংগ্রেসের যে কোনও মুভমেন্ট সর্বদাই দারুণ কার্যকরী। দিল্লিতে জওহর। কংগ্রেসের যুব সম্প্রদায় চাইছিল ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পরিবর্তে এখনই পূর্ণ স্বরাজের দাবি তোলা হোক। ১২ বছর আগেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব হয়েছে। তাই আরও বাড়ছে সেই প্রভাব। জওহর আর সুভাষ দু’জনেই তো বেশ বামপন্থী। আবার যুব সম্প্রদায় আকৃষ্ট হচ্ছে চরমপন্থার দিকে। তাঁদের যদি কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণ থেকে দূরে রাখা হয় তাঁরা যে ধীরে ধীরে চলে যেতেই পারে কমিউনিস্ট পার্টিতে কিংবা হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক আর্মি নামক একটি সংগঠনে। যাঁরা সম্প্রতি লাহোরে পুলিস অফিসার সন্ডার্সকে হত্যা করেছে আর দিল্লি অ্যাসেম্বলিতে বোমা ছুঁড়েছে। তাই জওহরললালকে কংগ্রেস সভাপতি করা হল। কংগ্রেসে এল সেই প্রথম এক যুব স্রোত। নেহরু ও সুভাষচন্দ্র প্রধানত এই দুই গ্ল্যামারাস নেতা কংগ্রেসের যুবসম্প্রদায়কে আচ্ছন্ন করে রাখলেন। যদিও ওই ঘটনার আর মাত্র কয়েকবছর পর সুভাষের জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে যাবে অনেক বেশি।
১৯৫৩ সালে জনসংঘ শুরু করল সত্যাগ্রহ। জম্মু ও কাশ্মীরের ইস্যুতে। গোটা অভিযানটি পরিচালনা করলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রধানত পার্লামেন্ট হাউস থেকে। কিন্তু সেই অফিস ছেড়ে তাঁকে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে হয়। আর তাছাড়া এরকম একটি সত্যাগ্রহ আন্দোলন চালাতে হলে দরকার বেশি করে ইয়ং মুখ। সেরকম যোগ্য ছেলেমেয়ে কোথায়? অনেক খুঁজে একটি ২৯ বছরের যুবক পাওয়া গেল। ফাইল দিয়ে, সংবাদপত্রের ক্লিপিংস দিয়ে, বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থের রেফারেন্স নিয়ে সাহায্য করবে সে। একবার জম্মুতে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ যখন আর ফিরলেন না, শ্রীনগরের জেলে তাঁর রহস্যময় মৃত্যু হল, তখন এই যুবক আরও বেশি জায়গা করে নিলেন জনসংঘে। তাঁর নাম অটলবিহারী বাজপেয়ি। দলে বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন আরও এক যুবক। যিনি সংগঠন দারুণ ভালোভাবে পরিচালনা করতে দক্ষ। তিনি দীনদয়াল উপাধ্যায়। ক্রমেই এই দু’জন কংগ্রেসের প্রতিপক্ষ হিসেবে রীতিমতো প্রবল শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হলেন। যুবশক্তিই জনসংঘকে দিয়েছিল নতুন এক রাজনীতির স্বাক্ষর রাখার বৈশিষ্ট্য।
১৯৫৭ সাল। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস জয়ী হল বটে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেন কংগ্রেস বিরোধী মনোভাব অনেক বেশি করে আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। এমনকী সেই আগের মতো তুমুল জনপ্রিয়তাও যেন নেই জওহরলাল নেহরুর। তাঁকে ইদানীং কেমন ক্লান্তও দেখায়। বেশি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছেন দ্রুত। এরকম হলে বিপদ। কারণ জনমোহিনী শক্তি একমাত্র তাঁরই আছে। তাঁকে সামনে রেখেই সেই কবে থেকে এই দলটি একের পর এক বড় প্রাচীর পেরিয়ে যাচ্ছে। এর আগে আর একজনই তো ছিলেন সংগঠনকে চাঙ্গা করার জন্য। সেই সর্দার প্যাটেল আচমকা চলে গেলেন অপ্রত্যাশিতভাবে। স্বাধীনতার পর ভারতকে সম্মানজনকভাবে শক্তিশালী করেছেন এই সেরা রাজনৈতিক জুটি। সর্দার প্যাটেল-পণ্ডিত নেহরু। সুতরাং এখনই দরকার কোনও নতুন মুখ। কংগ্রেসকে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকিয়ে রাখতে সর্বাগ্রে দরকার যুবক যুবতীদের আকর্ষণ করা। অথচ ইদানীং দেখা যাচ্ছে যুবসম্প্রদায় ক্রমেই ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তাই বদল চাই। ১৯৫৯ সালে কিছুতেই স্থির করা যাচ্ছিল না কাকে করা যায় কংগ্রেসের সভাপতি। সবেমাত্র সভাপতি পদের মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে ইউ এন ধেবরের। তিনি গুজরাতের মানুষ। একটা মৃদু চাপ আছে দক্ষিণ ভারত থেকে। কিন্তু কাকে? সি সুব্রহ্মনিয়ামকে? না। রাজি হচ্ছেন না কামরাজ। তাহলে? ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আচমকা একটি অপ্রত্যাশিত নাম উঠে এল। ২ ফেব্রুয়ারি তিনিই হলেন নতুন কংগ্রেস সভাপতি। মাত্র ৪২ বছর বয়সের এক যুবতী। ইন্দিরা গান্ধী। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেসে যুবশক্তির একটি বিকাশ ঘটবে।
এসব অতীত স্মৃতিচারণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে একটা বিষয় অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে টের পাওয়া যাচ্ছে। সেটি হল ভারত এখন ইয়ং ইণ্ডিয়ার প্রত্যাশী। দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নীচে। এই দেশের ধ্রুবপদ যতটা নীতি আর মূল্যবোধ, তার তুলনায় বেশি বীজমন্ত্র হল ডাউনলোড আর গুগল নামক আধুনিক দুটি প্রণোদনা। ২০১৯ সাল হতে চলেছে ভারতীয় রাজনীতির নতুন একটি ট্রান্সফরমেশনের বছর। আগামীদিনে এই পরিবর্তনকে সঙ্গে নিয়েই এগবে নয়া ভারত। সেটি হল রাজ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিসরে নতুন একঝাঁক ফ্রেশ যুব মুখের আগমন । স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যেসব দলের কাছে কমবয়সি যোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য, জেনারেশন নেক্সট রেডি আছে, সেইসব দলই আগামীদিনে দৌড়ে টিকে থাকবে। নেহাত নীতি, আদর্শ, ইজম অথবা অ্যাজেন্ডা দিয়ে আর নতুন প্রজন্মকে কাছে টানা যায় না। তাদের মন জয় করতে হলে সর্বাগ্রে তাদের মন বুঝতে হবে! তাদের মতো করে ভাবতে হবে। অভিজ্ঞতার একটি মূল্য আছে। কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধুই অভিজ্ঞতা দিয়ে চরিত্র নতুন যুগের চরিত্র অন্বেষণ তথা নয়া সমাজের পোস্ট মর্টেম করা সম্ভব নয়। তার জন্য নিজেকেও হতে হবে ওই সমাজেরই একজন। এই কারণেই আমরা লক্ষ্য করছি হঠাৎ গত দু’বছরে একসঙ্গে বহু যুব সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উঠে আসছেন। ৪৯ বছরের রাহুল ছিলেনই, তাঁর সঙ্গে আবার যুক্ত হলেন ৪৭ বছরের প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শুধু তাঁরাই নয়। কংগ্রেসের বাড়তি সুবিধা হল জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, শচীন পাইলট, দীপেন্দর সিং হুদা, গৌরব গগৈ, সুস্মিতা দেবদের মতো একঝাঁক নতুন প্রজন্মের ইয়ুথ ব্রিগেড দলে ক্রমেই বড়সড় জায়গা করে নিচ্ছেন। শচীন পাইলট আর সিন্ধিয়া সম্প্রতি তাঁদের রাজ্যে দলকে জিতিয়ে এনেছেন প্রায় একক ক্যারিশমায়।
বিহারে লালুপ্রসাদ যাদবের জেলযাত্রা একটি নতুন নেতার জন্ম দিয়েছে। তাঁর পুত্র তেজস্বী যাদব। শুধুই পিতার আলোয় আলোকিত? বোধহয় না। কারণ পুত্রের নেতৃত্বে লালুপ্রসাদের দল জোকিহাট বিধানসভা ও আরারিয়া লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের হারিয়ে দিয়েছে মহাশক্তিধর বিজেপি জোটকে। এখন আর নীতীশ কুমারের প্রতিপক্ষ লালুপ্রসাদ যাদব নন। মাত্র ৩০ বছর বয়সি তেজস্বী প্রধান চ্যালেঞ্জার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার। উত্তরপ্রদেশে অস্ত গিয়েছে মুলায়ম সিং যাদবের প্রবল প্রতিপত্তি। তাঁকে সামনে রেখে মুলায়ম পুত্র অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন কাকা শিবপাল যাদব। কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে বিস্ফারিত নেত্রে তিনি দেখলেন, যে দলকে তিনি ও দাদা মুলায়ম এত বছর ধরে একটি শক্তিশালী ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছেন, সেই ওবিসি, যাদব, মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের সমাজবাদী পার্টি আজ সম্পূর্ণ অখিলেশ যাদবের দখলে। গুজরাতে শুধুমাত্র প্যাটেলদের সংরক্ষণের দাবি তুলেই হার্দিক প্যাটেল এক প্রথম সারির যুবনেতায় পর্যবসিত। তাঁকে মহাজোটের মহামঞ্চে ডাকা হয়। কারণ তাঁর প্রভাব বিপুল। সেই রাজ্যেই দুই যুবক জিগনেস মেহানি এবং অল্পেশ ঠাকোর আচমকা একটি করে বৃহৎ ভোটব্যাঙ্কের নেতা হয়ে গিয়েছেন। স্রেফ আজকের যুবক-যুবতী তাঁদের নিজেদের সঙ্গে রিলেট করতে পারছে বলে। তেলেঙ্গানায় কে চন্দ্রশেখর রাও এককভাবে জেতালেন এই সাম্প্রতিক বিপুল জয়? একেবারেই নয়। তাঁর দলের সর্ববৃহৎ ক্যাম্পেনার তথা ক্যারিশমাটিক নেতা এখন কে টি রামা রাও। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র। এই ঝকঝকে ৪২ বছরের যুবক যেখানেই প্রচার করেছেন এবার তেলেঙ্গানার সমাবেশগুলি ভেসে গিয়েছে জনসমুদ্রে।
আগামীদিনে চন্দ্রবাবু নাইডু নয়। অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন তারকা হয়ে উঠে আসছেন জগনমোহন রেড্ডি। তাঁর দল ওয়াই সি কংগ্রেসকে এখন থেকেই পাশে পেতে চাইছে বিজেপি। কারণ তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। উত্তরপ্রদেশে দলিত আইকন কে? এক ও একমাত্র মায়াবতী? ভুল। এতদিন তিনি একা ছিলেন। কিন্তু এবার আগমন হয়েছে নতুন চরিত্র। ইংরেজি জানা স্মার্ট যুবক চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণ। ওই রাবণ নামটি তিনি যোগ করেছেন নামের সঙ্গে। নিজের গ্রামের বাইরে একটি বোর্ড বসিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর। সেখানে লেখা ছিল ‘গ্রেট চামার অফ ধাড়কুলি ওয়েলকামস ইউ’। অর্থাৎ চামার সম্প্রদায় নিজেরা মোটেই লজ্জিত নয় অনগ্রসর জাতি হিসেবে। বরং দৃপ্তভাবে ঘোষণা করছে তাঁরা, যে তাঁদের ওই গ্রাম চামার সম্প্রদায়ের। এই দলিত গর্বের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা থেকে তাঁর খ্যাতির শুরু। চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণের নতুন দলের নাম ভীম আর্মি। উত্তরপ্রদেশে তাঁর প্রভাব প্রবলভাবে বাড়ছে। নতুন প্রজন্মের নতুন দলিত নেতা হিসেবে। সুতরাং মায়াবতীর একক দলিত সাম্রাজ্য টলমল করছে।
যে কোনও কুশলী রাজনৈতিক নেতা এই সূক্ষ্ম যুগ পরিবর্তনটি স্পষ্ট বুঝতে পারছেন। তাঁরা প্রস্তুতও হচ্ছেন পরোক্ষে। যাঁরা মাটির রাজনীতির সঙ্গে নিজেদের মিশিয়ে দিয়ে এতবছর ধরে জনতার পালস নিখুঁতভাবে ধরে অবিশ্বাস্য সাফল্য পাচ্ছেন তাঁরা তো সবার আগে টের পেয়েছেন। প্রমাণ? হাতের কাছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্রমোত্থান। যা সম্পূর্ণ প্ল্যানমাফিক করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র বুদ্ধিদীপ্ত এক রাজনীতিক। তিনি তাঁর দলের সফটওয়্যারকে আউটডেটেড হতে দিতে রাজি নয়। তাই অভিষেকের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করার সূক্ষ্ম প্রয়াস।
নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সম্পদ। নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শক্তি। কিন্তু অত্যন্ত গোপনে নতুন যুগটি বিজেপির কাছে এই বার্তাও দিচ্ছে যে, নরেন্দ্র মোদির ওই উজ্জ্বল আলো আটকে রেখেছে নতুন প্রজন্মের ঝকঝকে যুব-নেতা-নেত্রীর পথ। তাই বিজেপিতে এখনও এক এবং একশো নম্বর স্থানেও সেই নরেন্দ্র মোদির ক্যারিশমাই ভরসা। অনেক যুব রাজনীতিক আছেন বটে। কিন্তু সেই উচ্চতায় কেউই উঠতে পারেননি এখনও। অথচ একদা বিজেপির সবথেকে তীব্র গতির উত্থান হয়েছিল এই তরুণ শক্তির জন্যই। আশির দশক থেকেই লালকৃষ্ণ আদবানি ও অটলবিহারী বাজপেয়ির আড়ালে বেড়ে উঠেছিলেন অরুণ জেটলি, বেঙ্কাইয়া নাইডু, সুষমা স্বরাজ, প্রমোদ মহাজন, উমা ভারতী, গোবিন্দচারিয়া এবং নরেন্দ্র মোদি। তরুণ তুর্কির দল। আজ তাই বিজেপি সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে প্রভাবে। আজও যে কোনও যুবকের থেকেও মমতা ও মোদির প্রাণশক্তি নিশ্চয় অনেক বেশি। কিন্তু রিজার্ভ বেঞ্চ স্ট্রং না হলে খেলা কিংবা রাজনীতি, চ্যাম্পিয়ন টাইটেল দীর্ঘকাল বজায় রাখা অনিশ্চিত হয়ে যায়। মোদিকে সাহায্য করার জন্য বিজেপিকে যুবশক্তি আনতেই হবে।
নতুন ভারতের তীব্র স্পিডের চালিকাশক্তির নাম হতে চলেছে—ইয়ং ইন্ডিয়া!
01st  February, 2019
ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। বিশদ

চক্রব্যূহে জাতীয় কংগ্রেস:
সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন
প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়

 আগস্ট মাস জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় রাজনীতিতে স্মরণীয় মাস। ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়, আবার ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। মজার কথা, বিগত ১০ আগস্ট মধ্যরাত্রে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি নতুন কংগ্রেস সভাপতির নাম স্থির করার জন্য পাঁচটি কমিটি শলা-পরামর্শে বসে।
বিশদ

ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল: কিছু আশঙ্কা 
বিষাণ বসু

চারদিকে বড় হইচই। বিষয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন বিল। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মেডিক্যাল শিক্ষার ব্যাপারটা দেখছিলেন এমসিআই, অর্থাৎ মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। এমসিআই নিয়ে অভিযোগ ছিল বিস্তর—বিশেষত, তাঁদের কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে। 
বিশদ

20th  August, 2019
জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
 
বিশদ

20th  August, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

19th  August, 2019
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
একনজরে
 দেরাদুন, ২১ আগস্ট (পিটিআই): উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলায় উদ্ধারকাজে নেমে ভেঙে পড়ল একটি হেলিকপ্টার। ঘটনায় তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাড়ি ফিরে গেলেন প্রবীণ অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বুধবার দুপুর পৌনে দু’টো নাগাদ সৌমিত্রবাবু ছুটি পান হাসপাতাল থেকে। মেয়ে পৌলোমীর সঙ্গে বাড়ি ফেরার ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ম্যাচের নায়ক গোকুলাম গোলরক্ষক উবেইদকে এবার ছেড়ে দেওয়াটা একেবারেই মানতে পারছেন না ইস্ট বেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো। বুধবার ডুরান্ড কাপের সেমি-ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গলের ...

ওয়াশিংটন, ২১ আগস্ট (পিটিআই): আসন্ন জি-৭ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারত। এরপরেই বিষয়টি ঘিরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৩৯: মাদ্রাজ (বর্তমান চেন্নাই) শহরের প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
১৮১৮: ভারতে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মৃত্যু
১৯১১: গায়ক দেবব্রত বিশ্বাসের জন্ম
১৯১৫: অভিনেতা শম্ভু মিত্রের জন্ম
১৯৫৫: রাজনীতিক ও প্রখ্যাত চিত্রতারকা চিরঞ্জীবীর জন্ম
১৯৮৯: নেপচুন গ্রহে প্রথম বলয় দেখা গেল

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৯ টাকা ৭২.৩৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৪৬ টাকা ৮৮.৬১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯০ টাকা ৮০.৯০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,১৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৭২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪/২৮ দিবা ৭/৬। ভরণী ৫৩/১১ রাত্রি ২/৩৬। সূ উ ৫/১৯/২১, অ ৬/০/৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৯ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৯ গতে ১/৪ মধ্যে।
৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার, সপ্তমী ৫৫/২৪/৯ রাত্রি ৩/২৮/৭। ভরণীনক্ষত্র ৪৫/২৬/১৪ রাত্রি ১১/২৮/৫৭, সূ উ ৫/১৮/২৭, অ ৬/২/৫৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৪ গতে ৩/৪ মধ্যে, বারবেলা ৪/২৭/২৫ গতে ৬/২/৫৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৫১/৫১ গতে ৪/২৭/২৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪০/৪৩ গতে ১/৫/৯ মধ্যে।
২০ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজত 
পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আজ সিবিআই঩য়ের ...বিশদ

06:50:00 PM

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

04:49:07 PM

রায়গঞ্জে বিজেপি সমর্থকের কান কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
রায়গঞ্জের পূর্বপাড়া এলাকায় হাঁসুয়া দিয়ে এক মহিলার কান কেটে নেওয়ার ...বিশদ

04:21:05 PM

তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে গোলমাল, জখম ১ 
তারকেশ্বর ডিগ্রি কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য এবং অখিল ভারতীয় ...বিশদ

04:03:52 PM

চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পি চিদম্বরমকে ৫ দিনের হেফাজতে চাইল সিবিআই। ...বিশদ

04:03:00 PM

বাঁকুড়ার স্কুলে মিডডে মিলের মান পরীক্ষা করতে এলেন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা 
খাবারের মান যাচাইয়ের জন্য বাঁকুড়ার জয়পুরের একটি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে ...বিশদ

04:01:00 PM