Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাজেট অন্তর্বর্তী হলেও চ্যালেঞ্জ আছে সর্বক্ষেত্রে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

শেষ বারের মতো  মোদি সরকারে যে বাজেট পেশ হচ্ছে সেটি কার্যত ভোট অন অ্যাকাউন্ট,অর্থাৎ নতুন সরকার না আসা পর্যন্ত সব বিষয়ে কাজ চালানোর মতো কিছু বরাদ্দ করা। এর মধ্যে দিয়ে দেশের বিকাশ বা অর্থনীতির মেরামতে দীর্ঘ মেয়াদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। সেটা জেনেই আগামী ভোটের দিকে তাকিয়ে আম জনতাকে খুশি করতে এবং  একই সঙ্গে মধবিত্ত ও  শিল্প মহলকে খুশি করতে এমন কিছু প্রস্তাব এই ধরনের অন্তর্বর্তী বাজেট রাখা হয় যেগুলি আদতে কার্যকর করা সম্ভব নয়, কিন্তু ভোটে বৈতরণী পার হতে নির্বাচনী ইস্তাহারের মতো কাজে লাগানোর লক্ষ্যে জনদরদি কিছু ঘোষণা রাখা  হয়। দলের পক্ষে ভোটের প্রচারে বলা যাবে, যে ক্ষমতায় ফিরলে তারা এগুলিই করতে চায়। তাই এই বাজেট বা ভোট অন অ্যাকাউন্ট কার্যত একটা ভোটমুখী রাজনৈতিক ইস্তেহার।  এছাড়া  একে অন্য ভাবে ভাববার কারণ নেই। এত কিছু সত্ত্বেও  বর্তমান পরিস্থিতিতে এবারে বাজেট বেশ কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ। কেন, সেটিই প্রথম আলোচ্য।
প্রথমত, এই ভোট অন অ্যাকাউন্ট থেকেই মোদিকে বোঝাতে হবে যে তিনি নিজের ইচ্ছে মতো আর অর্থনীতি চালাতে চান না, তাঁকে যাঁরা ক্ষমতায় আনছেন শুধু তাঁদের প্রতি তিনি দায়বদ্ধ নন। দেশের সকল শ্রেণীর মানুষকে ভুলে যাবেন না তিনি। গত পাঁচ বছর ধরে নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে অর্থমন্ত্রী জেটলির সিদ্ধান্তও অর্থ মন্ত্রকের রিপোর্ট বা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সুপারিশ অগ্রাহ্য করে দেশের অর্থনীতিকে ত্রিমুখী ভাবনায় পরিচালিত করেছেন। এক, নোট বাতিলের মত হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এবং অপ্রস্তুত অবস্থায় জিএসটি চালু করে রাতারাতি অর্থনীতির খোল নলচে বদলের চেষ্টা করেছেন, যা সর্বস্তরে একটি জোর ধাক্কা দিয়ে অর্থনীতির বৃদ্ধি কমিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি, এমনকী বৃহৎশিল্প চাঙ্গা করতে ব্যর্থ হয়ে কেবলমাত্র আম্বানি-আদনি-পেটিএম-এর মতো কিছু নির্দিষ্ট দেশি-বিদেশি পুঁজিনির্ভর লগ্নির নামে দেশের অর্থে পছন্দের শিল্পপতির বিকাশ ঘটিয়েছেন,তার জন্য ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উপর নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে তাদের রিজার্ভ অর্থে দেউলিয়া পুঁজির ক্ষত মেরামত করার চেষ্টা করছেন। তাতে যে দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা আরও দুর্বল হবে, বিপন্ন হবে আম জনতা, সেটা জেনেও তিনি তা-ই করতে চেয়েছেন। ক্ষমতায় মোদি সরকার ফিরলে যে দেশের আপামর জনতা শুধু এই কারণেই চোখে সর্ষে ফুল দেখবে, নির্বাচনের ময়দানেও সেটা মোদিজির পক্ষে অশনিসংকেত হিসেবেই স্পষ্ট। তৃতীয়ত, দেশের স্বয়ম্ভর খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থার বদলে কৃষি অর্থনীতিকে পশ্চিমি বাজারমুখী উন্নয়নের ভাবনায় ঢেলে সাজাতে চাইছেন। তাতে ক্ষুদ্র চাষিদের লাঙ্গল ছেড়ে মাল্টি ন্যাশনাল ফুড কর্পোরেটদের কাছে নিজের জমি লিজ দিয়ে সেই জমিতেই চাষ করতে হবে। দেশের কৃষি সমস্যা না মিটিয়ে বাজেটে কৃষি বরাদ্দ বাড়িয়ে বৃহৎ পুঁজির এগ্রি-কর্পোরেট ভেঞ্চারগুলির স্বার্থে বরাদ্দ হচ্ছে কৃষি ও গ্রামীণ বিকাশের নামে। সেটি বুঝে গিয়েছে দেশের কৃষক শ্রেণী। এমনকী, বিজেপি অনুমোদিত কৃষক সংগঠনগুলিও তাই গত দু’বছর মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে। বস্তুত, কৃষি ও সাধারণ কৃষকের কল্যাণে মোদি সরকারের বাজেটে বিশেষ কিছু থাকে না, যা কিছু থাকে তা কৃষি পণ্যের বিপণন, কৃষি বাণিজ্যকরণ, কৃষিক্ষেত্রের ভর্তুকি ও সুযোগ-সুবিধা যার সিংহভাগ পায় বৃহৎ চাষিদের একাংশ। কৃষি মন্ত্রকের সরকারি তথ্য বলছে, মোদির চার বছরে কৃষিঋণের বেশিরভাগ অর্থ জমা হয়েছে মাত্র ৬৭০টি অ্যাকাউন্টে। ভাবুন, এই হল বাজেটের বাস্তব-দর্শন! স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বলছেন, ছোট কৃষকরা চাষের খরচ তুলতে না-পারলে ফসল ফলায় যেসব কোম্পানি তাদের কাছে জমি দিয়ে দিক, তাদের কাছে কাজ করুক! এই প্রধানমন্ত্রীর শেষ বাজেটে কৃষকের আয় দ্বিগুণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যদি লক্ষ কোটি টাকাও ক্ষুদ্র কৃষকের জন্য বরাদ্দ হয়, তাকে নির্বাচনী চমক ছাড়া আর কীই-বা ভাবা যেতে পারে? সারা ভারতকে আধপেটা খাইয়ে শুধু ৪০কোটি উচ্চ আয়ের বাজার ধরার বাজেট না-করে যদি প্রকৃত একটি জনস্বার্থের বাজেট হয়, তাতে সব পক্ষেরই মঙ্গল।
ঘটনা যা-ই হোক, মোদিকে ক্ষমতায় ফেরার জন্য একটা স্থায়ী ও স্থির সিদ্ধান্তে আসতে হবে। কোনও দেশ, অর্থনীতি বা দেশের মানুষের কল্যাণ কোনওদিন দুমদাম সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বিনা প্রস্তুতিতে তা কার্যকর করার জন্য ঘোষণার মধ্যে দিয়ে হতে পারে না। এবারে ভোট অন অ্যাকাউন্টে মোদিকে বোঝাতে হবে যে তিনি  রাজনৈতিক প্রয়োজনে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না, অর্থনীতির প্রয়োজন বুঝলেই বরং তো সকলের পক্ষে মঙ্গল, নইলে  বাজেটে ঘোষিত হলেই যে কার্যকর হয় না তার দৃষ্টান্ত অজস্র। নির্বাচনের বছরে বাজেট পেশ করতে গিয়ে মোদিজি যেন গতবারের  মতো বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে প্রত্যেক নাগরিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ করে দেওয়ার মতো প্রতিশ্রুতি না দেন, তাতে মোদিজির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।
এবারের বাজেটে মোদিজি মানুষের জন্য অনেক জনহিতকর প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মতো অনুকূল অবস্থায় আছেন। গত চারবছরে মোদি জমানার সব চাইতে বিতর্কিত যে নোট বাতিল কাণ্ড, তা পরোক্ষে রাজকোষের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটিয়েছে। গত চারবছরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আয়কর সংগ্রহ বেড়েছে ৪০ শতাংশ, এবং এর ফলে রাজকোষ ঘাটতি কমানোয় দারুণভাবে সাফল্য এসেছে। এই বিষয়টিকে যে ‘ট্যাক্স টু জিডিপি’ অনুপাতের হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাতে ৫৬% উন্নতি হয়েছে। এর ফলে বাজেট ঘাটতি রয়েছে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জিডিপি সাড়ে তিন শতাংশের মধ্যেই। ফলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। এতে লগ্নির পরিবেশ অনুকূল, তার উপর আশানুরূপ বিদেশি লগ্নি আসছে,  বিদেশে তেলের দাম বা টাকার দামে ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও চলতি খাতের ভারসাম্য লগ্নি ও বিদেশি মুদ্রা আগমনের নিরিখে সন্তোষজনক। সব মিলিয়ে এখন কোষাগারীয় পরিস্থিতি অনুকূলে। এই অবস্থায়  তাই যে-কোনও সরকার চাইলে আম জনতার জন্য কিছু ভালো প্রস্তাব রাখতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। অরুণ জেটলির অসুস্থতায় এখন বাজেট পেশ করতে এসে সকল মহলের জন্য কতখানি দায় ও ঝুঁকি নিতে পারেন পীযূষ গোয়েল, সেটাই দেখার।
অন্তর্বর্তী হলেও এই বাজেটেই সত্যিই কিছু করতে হবে মোদি সরকারকে, এমন বিষয়টা রাজনৈতিক নয় শুধু, অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। দেশের বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের উপরে হলেও ‘জব লেস গ্রোথ’। কর্মসংস্থান বাড়ছে না আশানুরূপ হারে, এটাই মোদির সামনে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটের রায়ে ক্ষমতায় যেই আসুক, আগে দেশ ও জনতার স্বার্থে কর্মসংস্থান সমস্যার গুরুত্ব অগ্রাধিকার দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। এই বাজেটে তাই পরিকাঠামো, হাউজিং, রিয়াল এস্টেটে বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হলে ‘স্টার্ট আপ বিজনেসে’ কর ছাড় দিতে হবে, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বাজার ফিরিয়ে দিতে হবে চীনাপণ্যের সঙ্গে লড়াইয়ে, তার জন্য মাশুল সংস্কার করতে হবে, জিএসটি কমানো খুব জরুরি, নইলে দেশের বাজার আরো নিয়ে নেবে চীনারা। দেশ কখনও বিদেশি লগ্নির উপর চলতে পারে না, দেশীয় পুঁজিকে শক্তিশালী করে দেশের বাজার তাদের হাতে রাখাটা খুব জরুরি। ব্যাঙ্কিং ও কর সংস্কারের লক্ষ্য হওয়া উচিত সেটাই। কিন্তু হচ্ছে উল্টো। ফলে সীমিত ও নির্দিষ্ট কিছু কর্পোরেটের বাইরে দেশীয় শিল্পের বিকাশ শ্লথ।
এই বাজেটে সাধারণ আম জনতার জন্য আশা করা যায় করমুক্ত আয়ের ঊর্ধ্বসীমা আরও বাড়িয়ে তিন লাখ করা হবে। তাতে অর্থনীতির লাভ, কিছুটা হলেও চাহিদা বাড়িয়ে বৃদ্ধির হার ত্বরান্বিত হবে।  বৃদ্ধির হার আরও ২ শতাংশ বাড়াতে গেলে অবিলম্বে চাই একটি গ্রামীণ বিকাশভিত্তিক সত্যিকারের গণমুখী বাজেট, যাতে সাধারণের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ে, কৃষকের আয় বাড়ে,  ক্ষুদ্র ও মাঝরি শিল্পের বাজার বাড়ে, চাকরির পাশাপাশি লগ্নির পরিবেশ চাঙ্গা হয়। এইসব একটি অন্তর্বর্তী বাজেটের কাজ নয়, কিন্তু এই লক্ষ্যেই আগামী দিনের পদক্ষেপের জন্য এবারের অন্তর্বর্তী বাজেট সাজাতে হবে, সেটাই চ্যালেঞ্জ। নইলে জবাবদিহির দায় এড়ানো কঠিন হবে ভোটের বছরেই।
30th  January, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

  সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ফালাকাটায় আলিপুরদুয়ার জেলার প্রথম স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফালাকাটার টাউন ক্লাবের মাঠে এই স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হওয়ায় ফালাকাটা সহ জেলার ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবেকে ২০৩ রানের টার্গেট দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর 

24-04-2019 - 09:47:04 PM

সিউড়িতে পথ অবরোধ বিজেপির
দলীয় কর্মীকে মারধর ও অপহরণের অভিযোগে সিউড়ি ডিএম অফিসের সামনে ...বিশদ

24-04-2019 - 09:44:24 PM

আরসিবি ১২২/৪ (১৫ ওভার) 

24-04-2019 - 09:21:25 PM

আরসিবি ৭০/১ (৬ ওভার) 

24-04-2019 - 08:37:41 PM

টসে জিতে ফিল্ডিং নিল পাঞ্জাব
 টসে জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠাল কিংস ...বিশদ

24-04-2019 - 07:35:48 PM

আরও বাড়তে চলেছে গরম
কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী সপ্তাহে গরম আরও বাড়তে চলেছে বলে ...বিশদ

24-04-2019 - 06:33:10 PM