বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে। রাজ্য কংগ্রেসও চাইছে রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করতে। যে-কোনও নির্বাচনে প্রচার শুরুতে রাজ্যের প্রধান দলগুলি ব্রিগেড সমাবেশ করে থাকে। এটাই এই রাজ্যের রাজনৈতিক রেওয়াজ। ব্রিগেডে বড় মাপের জনসমাগম করে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ কর্মীদের সক্রিয় করতে চান যেমন, তেমনি ভোটারদের সামনে দলের শক্তি প্রদর্শন করে নির্বাচনে দলের মূল ভাবনা উপস্থাপন করতে চান। ব্রিগেডে সমাবেশ করার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারের কেন্দ্রে থাকার সুযোগ পায়।
রাজ্য-রাজনীতির চার পক্ষ—তৃণমূল, বিজেপি, বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে নানা কারণেই তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে রাজ্য তো বটেই, সারা দেশেই যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। বলা যায় ১৯ জানুয়ারি সারা দেশের রাজনৈতিক মহলের চোখ থাকবে ব্রিগেডের সমাবেশের দিকে। এই আগ্রহের পেছনে মূল কারণগুলি হল—
ক) বিমুদ্রাকরণের সময় থেকে তৃণমূল নেত্রী সারা দেশেই মোদি-বিরোধী অন্যতম মুখ হিসাবে উঠে এসেছেন। সুতরাং, মোদির বিরোধিতায় লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কী রাজনৈতিক বক্তব্য এই সমাবেশ থেকে উঠে আসে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে।
খ) ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশকে তৃণমূল নেত্রী সর্বভারতীয় বিজেপি-বিরোধী মঞ্চ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছেন। আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিজেপি-বিরোধী সমস্ত দলকে। ১৯ তারিখের ব্রিগেডে কোন কোন বিরোধী দলনেতা মমতার ডাকে সাড়া দেন সেই দিকে শাসক-বিরোধী সমস্ত নেতৃত্বের নজর থাকবে।
গ) বিজেপি শিবিরে একাধিক নেতা নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন যশোবন্ত সিন্‌হা, শত্রুঘ্ন সিন্‌হা, অরুণ শৌরি এবং রাম জেঠমালানি। মমতা শেষ পর্যন্ত বিজেপির চার বিক্ষুব্ধ নেতাকে ব্রিগেড সমাবেশে হাজির করতে পারেন কি না সেই বিষয়েও রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ রয়েছে।
ঘ) মমতার ব্রিগেড সমাবেশে বিজেপি-বিরোধী জোটের প্রকৃতি নিয়েও যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে। রাহুল গান্ধী হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে বিজেপিকে পরাজিত করবার পর ডিএমকে সমেত বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের পক্ষে। অন্যদিকে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা ফেডারেল ফ্রন্টের পক্ষে। মায়াবতী, নবীন পট্টনায়করা আবার এখনই কোনও শিবিরে যেতে চাইছেন না। ব্রিগেড থেকে মোদি-বিরোধী জোটের কোনও চেহারা বের হয় কি না সেই বিষয়েও নজর থাকবে।
ঙ) কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনার প্রশ্নে ব্রিগেড সমাবেশ থেকে মমতা নতুন কিছু কর্মসূচি বা ভাবনার কথা জনতার কাছে পেশ করেন কি না সেই বিষয়েও সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকবে। মোদির সরকার পরিচালনা নিয়েও যথেষ্ট সোচ্চার মমতা। অতএব মমতার ঝুলিতে সরকার পরিচালনায় নতুন কোনও ভাবনা রয়েছে কি না সেই বিষয়েও জল্পনা থাকবে।
মমতার ডাকা ব্রিগেড সমাবেশের তুলনায় বিজেপির ডাকে ব্রিগেড সমাবেশ হবে এককভাবে রাজ্য বিজেপির উদ্যোগে। মমতার ডাকা ব্রিগেডের মতো সেই সমাবেশের সর্বভারতীয় চরিত্র থাকার সম্ভাবনা নেই। কেবলমাত্র মোদি-কেন্দ্রিক সমাবেশ। অন্যদিকে, ব্রিগেডে সমাবেশ করে বামেদের লক্ষ্য থাকবে রাজ্য-রাজনীতিতে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে রাখা। ওই সমাবেশ তৃণমূলের মতো না-হলেও বাম নেতৃত্ব চাইছেন মোদি-মমতা বিরোধী সমাবেশ হিসাবে সর্বভারতীয় চেহারা দেবার। কংগ্রেসও চাইবে রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে পূর্ব ভারতে মোদি-বিরোধী সর্বভারতীয় সমাবেশ ব্রিগেডে আয়োজন করতে। ততদিনে নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে এই রাজ্যে যদি আসন সমঝোতা হয়ে যায়, তবে কংগ্রেসের ডাকা ব্রিগেডও বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আয়োজিত ব্রিগেডের পর মূল প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসবে, কোন দলের ব্রিগেড সমাবেশে কত মানুষের ভিড় হয়েছিল? সাধারণত শাসক দলই এই ক্ষেত্রে অ্যাডভান্টেজ অবস্থায় থাকে। তৃণমূলের আজ সারা রাজ্যে যে ধরনের সাংগঠনিক শক্তি রয়েছে তাতে কেবলমাত্র উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই লোক এনে মাঠ ভরিয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে, যেমনভাবে একসময় সিপিএম নেতা সুভাষ চক্রবর্তী কেবলমাত্র উত্তর ২৪ পরগনা থেকেই লোক এনে ব্রিগেড ভরে দেবার দাবি করতেন। প্রশাসন হাতে থাকলে বাস, লরি পেতে যেমন সুবিধে, তেমনি সরকারের উপভোক্তাদের সহজেই দলীয় সমাবেশে হাজির করা যায়। সেই তুলনায় বিরোধীদের ক্ষেত্রে ব্রিগেড ততটা সহজ নয়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন একাধিকবার ব্রিগেডে ঐতিহাসিক জনসমাবেশে করেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৯২ সালে মমতার ডাকে ব্রিগেড ছিল আক্ষরিক অর্থেই ঐতিহাসিক। ওই সমাবেশে তিনি বামফ্রন্টের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে বাম-বিরোধিতাকে এক অন্যমাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ব্রিগেড ভরলেই যে ভোটের বাক্স ভরবে তেমন নিশ্চয়তা নেই। বাংলায় বুথ যার ভোট তার। বুথস্তরে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া এই রাজ্যে বিজেপি-সিপিএম বা কংগ্রেস কোনও দলেরই মজবুত সংগঠন নেই। ফলের ব্রিগেড ভরালেও ভোটের বাক্স ভরবে কি না তার নিশ্চয়তা নেই। যদিও লোকসভা নির্বাচনের আগে শক্তি প্রদর্শন করে কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের কাছে বার্তা দেওয়ার সুযোগ কোনও দলই হাতছাড়া করতে চায় না।
১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সভার তুলনা টানা চলবে দুইদিক থেকে: (এক) ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪-য় যে ব্রিগেড জনসভা হয়েছিল এবং (দুই) বিভিন্ন সময়ে দিল্লির রামলীলা ময়দানে কিংবা বিহারের পাটনায় বিরোধী নেতাদের নিয়ে যে জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়।
২০১৪-র ৩০ জানুয়ারি ব্রিগেডে বিপুল জনসমাবেশ দেখে সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ইন্দিরা-মুজিবর রহমানের জনসভার তুলনা করেছিলেন। তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে চ্যালেঞ্জ—২০১৪ ভিড়ের রেকর্ডকে অতিক্রম করা। অতীতের রামলীলা ময়দানের বা পাটনায় বিরোধী নেতাদের ডাকা সমাবেশগুলির সঙ্গে মমতার ডাকা এই ব্রিগেড সমাবেশেরও কিন্তু একটা তুলনা আসবে। এখানেই আঞ্চলিক নেতা হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্য।
এই সমস্ত বিষয় ছেড়ে ১৯ জানুয়ারি মমতার ব্রিগেডের মূল চর্চার বিষয় কিন্তু মোদি-বিরোধী জোটের অভিমুখ এই সভা থেকে পাওয়া যাবে কি না। সেই বিষয়ে উত্তরে কাশ্মীরে ফারুক আবদুল্লা থেকে দক্ষিণে চন্দ্রবাবু নাইডু, পূর্বে লালুপ্রসাদের পুত্র তেজস্বী যাদব থেকে পশ্চিমে দলিত নেতা জিগনেশ-অল্পেশ-হার্দিকরা, বা উত্তর-ভারত থেকে অখিলেশ-অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা থাকবেন। কিন্তু মমতার ব্রিগেডে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী আসবেন কি? রাহুল এলে ফেডারেল ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসকে কীভাবে মেলাবেন? না কি মমতা কংগ্রেস বা ইউপিএ-র সমান্তরালভাবে ফেডারেল ফ্রন্টকে মোদির বিরুদ্ধে পরিচালনা করবেন?
মমতার ব্রিগেড থেকে এইসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। তবে, মোদির বিরুদ্ধে একাধিক ফ্রন্ট তৈরি করলে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে বিজেপির লাভের সম্ভাবনা থাকছে। বহু মানুষ বিজেপিকে চায় না যেমন সত্য, তেমনি ১৯৮৯ বা ১৯৯৬-এর মতো কেন্দ্রে অস্থির সরকার গঠিত হোক সেটারও বিরুদ্ধে মানুষ। বিজেপি-বিরোধী দলগুলি যদি একাধিক ফ্রন্টে বিভক্ত থাকে তবে ১৯৮৯ বা ১৯৯৬-এর অভিজ্ঞতা ভোটারদের শুনিয়ে মোদি আবারও দিল্লির মসনদে বসবেন না তার নিশ্চয়তা কোথায়?
লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
10th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
 সিডনি, ১১ জানুয়ারি: এশিয়ার প্রথম অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের মুকুট সদ্য তাঁর মাথায় উঠেছে। তবু অজিদের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে খেলতে নামার আগে মন ভালো নেই বিরাট কোহলির। চোখে মুখে ধরা পড়েছে বিষণ্ণতার ছাপ। খানিক অপ্রস্তুতও বটে। ...

 ইসলামাবাদ, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ সহ পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)-এর একাধিক নেতার বিদেশ ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল পাক সরকার। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ৮ বছর পর স্থায়ী পদে শিক্ষিকা পেয়ে বৈতল গার্লস হাইস্কুলে কার্যত উৎসবের আমেজ। ২০১১ সালে চালু হওয়া ওই হাইস্কুলে এতদিন কোনও স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। অতিথি শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলেছে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জামিন অযোগ্য ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা’ জারি হয়েছিল আগে। হুগলির পুরশুড়ায় এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সেই কর্তা শেখ সারাফাত আলিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশালের সেবির বিশেষ আদালতে তোলা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM