Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের পাশাপাশি আইনও পাশ করেছেন। কিছুদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কাজ করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তা ছেড়ে আইন ব্যবসাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জুনিয়র হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছেন। অল্পস্বল্প সুনামও অর্জন করেছেন।
সেদিন সেই ঝকঝকে যুবকটি বরিশালের দেহেরগতিতে সবে খেয়া পার হয়েছেন। ওখান থেকে তাঁর গ্রামের বাড়ি খুব দূরে নয়। অনেকদিন বাদে ফিরছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হবে। উৎফুল্ল মন। খেয়া নৌকা থেকে নেমে সামান্য এগতেই একটা শিশুকণ্ঠে তীব্র কান্নার আওয়াজ কানে পড়ল। তাকিয়ে দেখলেন, কিছুটা দূরে নদীতীরের একটা কুঁড়েঘরের সামনে ছোটখাটো ভিড়। মনে হল শিশুর কান্নার শব্দটা ওখান থেকেই আসছে। কৌতূহলী যুবক জোরে পা চালিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই কুঁড়েঘরের সামনে পৌঁছে গেলেন। দেখলেন, গরিব পরিবারের সংসারের যা কিছু সম্বল—সামান্য টিনের তোরঙ্গ থেকে শুরু করে তৈজসপত্র, থালা বাসন, ঘটি বাটি, বালতি কড়াই, লাঙল, কোদাল, কাস্তে প্রভৃতি সমস্ত কিছু উঠোনের এক পাশে জড়ো করা রয়েছে। আর, সাত-আট বছরের একটি শিশু মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। তার খালি গা। তবে দু’হাত দিয়ে শক্ত করে বুকে চেপে রেখেছে ছোট্ট একটা কাঁসার থালা। ওই থালাটি কেড়ে নিতে থানার পেয়াদা জোরাজুরি করতে গেলেই সে প্রতিবাদ জানিয়ে চিৎকার করে কাঁদছে। ওই থালাটুকু না নেওয়ার কাতর আর্জি জানিয়ে শিশুটির বাবা-মা পেয়াদাকে অনুনয় বিনয় করছে। কিন্তু পেয়াদার হম্বিতম্বি থামছে না। ওদের ঘিরে জড়ো হওয়া জনতা নীরবে ঘটনাটি উপভোগ করছে। শহুরে পোশাক-আশাক পরিহিত আগন্তুক যুবককে দেখে শিশুটির আশঙ্কা যেন আরও বেড়ে গেল। সে আরও তীব্রস্বরে কাঁদতে লাগল। জনতাও খানিকটা সরে দাঁড়াল। পেয়াদাকে প্রশ্ন করে যুবকটি জানতে পারলেন, কুটিরের বাসিন্দা লোকটি এক গরিব চাষি। দেনার দায়ে তার সর্বস্ব ক্রোক হয়েছে। সেগুলি নিতেই লোকজনসহ পেয়াদা এসেছে। চাষির ঘরের বাকি সমস্ত সামগ্রী বিনা বাধায় হস্তগত হয়েছে। বাকি কেবল ওই ছোট্ট থালাটি। শিশুটি ওই ছোট্ট কাঁসার থালাটি কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি নয়। কারণ, ওই থালাতেই সে রোজ খায়।
শিশুটির কান্না যুবকের হৃদয়ে অদ্ভুত মোচড় দিল। তিনি তৎক্ষণাৎ নিজের পকেট থেকে চাষির সেই ঋণের টাকা মিটিয়ে দিলেন। পেয়াদার হম্বিতম্বি বন্ধ হল। আর, প্রিয় থালাটি কাছে রাখতে পেয়ে শিশুর মুখে হাসি ফুটল। গ্রামের বাড়িতে ফিরলেও নদীতীরের ঘটনাটি অস্থির করে তুলেছিল চাখারের সেই যুবকটিকে। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, যে ভাবেই হোক, বাংলার গরিব কৃষকদের তিনি মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে মুক্ত করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বরিশাল শহরে গিয়ে সটান দেখা করলেন আধুনিক বরিশালের নির্মাতা অশ্বিনীকুমার দত্তের সঙ্গে। অশ্বিনীকুমার সেসময় ওই এলাকার অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্মাননীয় কংগ্রেস নেতা। বরিশাল পুরসভার চেয়ারম্যান। যুবকটি নিজের পরিচয়সহ কয়েকদিন আগের ঘটনাটি বিবৃত করলেন। বললেন, গরিব চাষির দুঃখ ঘোচানোর কিছু আমি কিছু করতে চাই। কোন পথে যাব, উপদেশ দিন। অশ্বিনীকুমার বললেন, রাজনৈতিক নেতারাই পারেন এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে। তাঁরাই আইনসভার সদস্য হন। আইন কানুন বানান। তোমার লক্ষ্যপূরণের জন্য রাজনীতির ময়দানই সঠিক পথ। প্রবীণ নেতার বক্তব্য যুবককে প্রচণ্ড প্রভাবিত করল। তিনি রাজি হলেন রাজনীতিতে নামতে। অশ্বিনীকুমার দত্তের আশীর্বাদে অল্পদিনের মধ্যেই যুবকটির জীবনের মোড় ঘুরে গেল। ভোটে দাঁড়িয়ে বরিশাল পুরসভার কমিশনার নির্বাচিত হলেন। কিছুদিনের মধ্যে জেলা বোর্ডের সদস্যও। আরও পরে নিজের প্রতিজ্ঞাপূরণের লক্ষ্যে সেদিনের যুবকটি একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়েছিলেন। নাম কৃষক প্রজা পার্টি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ছিল লাঙল। দলের প্রধান স্লোগান—‘লাঙল যার, জমি তার, ঘাম যার, দাম তার’। অল্পদিনের মধ্যেই কৃষিপ্রধান বাংলায় ওই দলটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তিনি একবার কলকাতার মেয়র ও পরে ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ( সেসময় মুখ্যমন্ত্রী পদটি ওইনামেই অভিহিত হতো) পদে আসীন হন। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই প্রথম যে উল্লেখযোগ্য কাজটি করেছিলেন, তা হল ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন। এই বোর্ডের মাধ্যমেই দীর্ঘকালীন মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে বাংলার গরিব কৃষকদের মুক্তির দিশা মেলে। এই মানুষটির নাম এ কে ফজলুল হক। বাংলার বাঘ আশুতোষের প্রিয় এই ছাত্র নিজেও একসময় ‘শের এ বাংলা’ অভিধায় ভূষিত হয়েছিলেন। শোনা যায়, ‘প্রিয় স্যার’ আশুতোষের পুত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার মন্ত্রী হওয়ার পিছনে ফজলুল হকের বিশেষ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীকালে ভিন্ন দুই দলের নেতা হিসেবে দু’জনে বাংলায় যৌথ সরকার গড়েছিলেন যা শ্যামা-হক সরকার বলে পরিচিতি লাভ করেছিল।
সেই ১৯০১ সালের পর শতাধিক বছর কেটে গিয়েছে। দেশ সত্তর বছরেরও বেশি স্বাধীন। কিন্তু ঋণের ফাঁস থেকে কৃষকের সত্যিকারের মুক্তি আজও ঘটেনি। দেনার দায়ে দেশে প্রতিবছরই বেশ কয়েক হাজার কৃষককে আত্মহত্যা করতে হয়। ভোটের পর ভোট আসে। কৃষককে নিয়ে রাজনীতি হয়। তাদের সমর্থন নিয়ে দড়ি টানাটানি চলে। ভোট চলে যায়। কারও বিদায় ঘণ্টা বাজে। কেউ ক্ষমতায় আসে। কিন্তু কৃষককুল প্রায় পুরনো তিমিরেই রয়ে যায়। কারণ, কৃষককে স্থায়ীভাবে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য যে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি এবং তা রূপায়ণে কঠোর নিষ্ঠা প্রয়োজন, তার অভাব রয়েই যায়। এর জন্য গভীর ভাবনা-চিন্তা প্রয়োজন। প্রয়োজন প্রকৃত আন্তরিকতা।
এদিকে, ভোটের দায় বড় দায়। তুলসীপাতার যেমন ছোটবড় বলে কিছু নেই, ভোটের বেলায়ও তাই। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার ভোটের দামই সমান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামনে কোনও ভোট এসে পড়লে রাজনীতির লোকজনের মধ্যে কৃষকপ্রীতি চনমন করে ওঠে। বিপুল সংখ্যক কৃষক পরিবারের ভোটারদের প্রভাবিত করতে ঋণমকুবের দাবি তোলা হয়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় অথবা ঋণমকুবের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সহজলভ্য জড়িবুটিতে রোগের সাময়িক উপশম হয় বটে, কিন্তু আসল সমস্যা রয়েই যায়। বরং রোগকে আরও গুরুতর করে তোলে। মরশুমের শুরুতে যথাসময়ে সহজ পথে ঋণ থেকে শুরু করে সুবিধাজনক মূল্যে চাষের উপকরণ জোগানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরবর্তী স্তরে সেচের সুবিধা, উৎপাদিত ফসল লাভজনক মূল্যে সহজে বিক্রির ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ। আর, চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সঠিক চাষিটিই যাতে বিমার টাকা অথবা ক্ষতিপূরণ পান, তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। এজন্য নিয়ম কানুনের কিছু সংস্কার জরুরি। নইলে, কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় জমি থাকার সুবাদেই ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ক্ষতিগ্রস্ত-নন, এমন সবাই একইভাবে খয়রাতি পেলে সুবিচার হয় না। আর, ঋণ মকুবের বিষয়টিকে সাধারণ নিয়মে পরিণত করা হলে ঋণ পরিশোধের প্রবণতা কমে। এতে প্রকৃত অসহায় ঋণগ্রস্ত চাষিদের চেয়েও কিছু ধান্দাবাজের পোয়াবারো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই টোটকায় ভোটের বাক্স হয়তো ভরে, কিন্তু দেশের অর্থনীতির বাক্স খালি হতে থাকে। ব্যাঙ্কের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ শোধ না-করা, টাকা মেরে বিদেশ পালিয়ে যাওয়া ধনীরা দেশের শত্রুর পর্যায়েই পড়ে। আর, চাষির সমস্যার স্থায়ী সুরাহা করার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল ভোটের লক্ষ্যে তাদের ঋণের ঘায়ে সস্তা মলম লাগানোও প্রকৃত বন্ধুত্বের পর্যায়ে পড়ে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার বছর ঘুমিয়ে থাকলেও শেষবেলায় হঠাৎ জেগে উঠেছেন। লোকসভা ভোটের কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনে বলছেন, কৃষকদের তিনি ‘অন্নদাতা’ ভাবেন।
বড্ড দেরি করে ফেলেছেন মোদিজি! এই বোধোদয়টি খানিক আগে হলে মঙ্গল হতো। আপনার তো বটেই, দেশেরও।
08th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: সঙ্গীতের তিনটি বিভাগে সর্বভারতীয় প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সেরার খেতাব ছিনিয়ে নিল মালদহের কিশোরী রাফা ইয়াসমিন। ৯ জানুয়ারি কলকাতায় এই মেধা অনুসন্ধান সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ।  ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: বামেদের ডাকা ধর্মঘটের দিন কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় দলীয় কর্মীকে মারধরে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার উত্তরপাড়া থানার কানাইপুর ফাঁড়ি ঘেরাও করল তৃণমূল। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ৮ বছর পর স্থায়ী পদে শিক্ষিকা পেয়ে বৈতল গার্লস হাইস্কুলে কার্যত উৎসবের আমেজ। ২০১১ সালে চালু হওয়া ওই হাইস্কুলে এতদিন কোনও স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। অতিথি শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলেছে।  ...

 ইসলামাবাদ, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ সহ পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)-এর একাধিক নেতার বিদেশ ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল পাক সরকার। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM