Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের পাশাপাশি আইনও পাশ করেছেন। কিছুদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কাজ করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তা ছেড়ে আইন ব্যবসাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জুনিয়র হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছেন। অল্পস্বল্প সুনামও অর্জন করেছেন।
সেদিন সেই ঝকঝকে যুবকটি বরিশালের দেহেরগতিতে সবে খেয়া পার হয়েছেন। ওখান থেকে তাঁর গ্রামের বাড়ি খুব দূরে নয়। অনেকদিন বাদে ফিরছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হবে। উৎফুল্ল মন। খেয়া নৌকা থেকে নেমে সামান্য এগতেই একটা শিশুকণ্ঠে তীব্র কান্নার আওয়াজ কানে পড়ল। তাকিয়ে দেখলেন, কিছুটা দূরে নদীতীরের একটা কুঁড়েঘরের সামনে ছোটখাটো ভিড়। মনে হল শিশুর কান্নার শব্দটা ওখান থেকেই আসছে। কৌতূহলী যুবক জোরে পা চালিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই কুঁড়েঘরের সামনে পৌঁছে গেলেন। দেখলেন, গরিব পরিবারের সংসারের যা কিছু সম্বল—সামান্য টিনের তোরঙ্গ থেকে শুরু করে তৈজসপত্র, থালা বাসন, ঘটি বাটি, বালতি কড়াই, লাঙল, কোদাল, কাস্তে প্রভৃতি সমস্ত কিছু উঠোনের এক পাশে জড়ো করা রয়েছে। আর, সাত-আট বছরের একটি শিশু মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। তার খালি গা। তবে দু’হাত দিয়ে শক্ত করে বুকে চেপে রেখেছে ছোট্ট একটা কাঁসার থালা। ওই থালাটি কেড়ে নিতে থানার পেয়াদা জোরাজুরি করতে গেলেই সে প্রতিবাদ জানিয়ে চিৎকার করে কাঁদছে। ওই থালাটুকু না নেওয়ার কাতর আর্জি জানিয়ে শিশুটির বাবা-মা পেয়াদাকে অনুনয় বিনয় করছে। কিন্তু পেয়াদার হম্বিতম্বি থামছে না। ওদের ঘিরে জড়ো হওয়া জনতা নীরবে ঘটনাটি উপভোগ করছে। শহুরে পোশাক-আশাক পরিহিত আগন্তুক যুবককে দেখে শিশুটির আশঙ্কা যেন আরও বেড়ে গেল। সে আরও তীব্রস্বরে কাঁদতে লাগল। জনতাও খানিকটা সরে দাঁড়াল। পেয়াদাকে প্রশ্ন করে যুবকটি জানতে পারলেন, কুটিরের বাসিন্দা লোকটি এক গরিব চাষি। দেনার দায়ে তার সর্বস্ব ক্রোক হয়েছে। সেগুলি নিতেই লোকজনসহ পেয়াদা এসেছে। চাষির ঘরের বাকি সমস্ত সামগ্রী বিনা বাধায় হস্তগত হয়েছে। বাকি কেবল ওই ছোট্ট থালাটি। শিশুটি ওই ছোট্ট কাঁসার থালাটি কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি নয়। কারণ, ওই থালাতেই সে রোজ খায়।
শিশুটির কান্না যুবকের হৃদয়ে অদ্ভুত মোচড় দিল। তিনি তৎক্ষণাৎ নিজের পকেট থেকে চাষির সেই ঋণের টাকা মিটিয়ে দিলেন। পেয়াদার হম্বিতম্বি বন্ধ হল। আর, প্রিয় থালাটি কাছে রাখতে পেয়ে শিশুর মুখে হাসি ফুটল। গ্রামের বাড়িতে ফিরলেও নদীতীরের ঘটনাটি অস্থির করে তুলেছিল চাখারের সেই যুবকটিকে। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, যে ভাবেই হোক, বাংলার গরিব কৃষকদের তিনি মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে মুক্ত করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বরিশাল শহরে গিয়ে সটান দেখা করলেন আধুনিক বরিশালের নির্মাতা অশ্বিনীকুমার দত্তের সঙ্গে। অশ্বিনীকুমার সেসময় ওই এলাকার অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্মাননীয় কংগ্রেস নেতা। বরিশাল পুরসভার চেয়ারম্যান। যুবকটি নিজের পরিচয়সহ কয়েকদিন আগের ঘটনাটি বিবৃত করলেন। বললেন, গরিব চাষির দুঃখ ঘোচানোর কিছু আমি কিছু করতে চাই। কোন পথে যাব, উপদেশ দিন। অশ্বিনীকুমার বললেন, রাজনৈতিক নেতারাই পারেন এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে। তাঁরাই আইনসভার সদস্য হন। আইন কানুন বানান। তোমার লক্ষ্যপূরণের জন্য রাজনীতির ময়দানই সঠিক পথ। প্রবীণ নেতার বক্তব্য যুবককে প্রচণ্ড প্রভাবিত করল। তিনি রাজি হলেন রাজনীতিতে নামতে। অশ্বিনীকুমার দত্তের আশীর্বাদে অল্পদিনের মধ্যেই যুবকটির জীবনের মোড় ঘুরে গেল। ভোটে দাঁড়িয়ে বরিশাল পুরসভার কমিশনার নির্বাচিত হলেন। কিছুদিনের মধ্যে জেলা বোর্ডের সদস্যও। আরও পরে নিজের প্রতিজ্ঞাপূরণের লক্ষ্যে সেদিনের যুবকটি একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়েছিলেন। নাম কৃষক প্রজা পার্টি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ছিল লাঙল। দলের প্রধান স্লোগান—‘লাঙল যার, জমি তার, ঘাম যার, দাম তার’। অল্পদিনের মধ্যেই কৃষিপ্রধান বাংলায় ওই দলটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তিনি একবার কলকাতার মেয়র ও পরে ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ( সেসময় মুখ্যমন্ত্রী পদটি ওইনামেই অভিহিত হতো) পদে আসীন হন। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই প্রথম যে উল্লেখযোগ্য কাজটি করেছিলেন, তা হল ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন। এই বোর্ডের মাধ্যমেই দীর্ঘকালীন মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে বাংলার গরিব কৃষকদের মুক্তির দিশা মেলে। এই মানুষটির নাম এ কে ফজলুল হক। বাংলার বাঘ আশুতোষের প্রিয় এই ছাত্র নিজেও একসময় ‘শের এ বাংলা’ অভিধায় ভূষিত হয়েছিলেন। শোনা যায়, ‘প্রিয় স্যার’ আশুতোষের পুত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার মন্ত্রী হওয়ার পিছনে ফজলুল হকের বিশেষ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীকালে ভিন্ন দুই দলের নেতা হিসেবে দু’জনে বাংলায় যৌথ সরকার গড়েছিলেন যা শ্যামা-হক সরকার বলে পরিচিতি লাভ করেছিল।
সেই ১৯০১ সালের পর শতাধিক বছর কেটে গিয়েছে। দেশ সত্তর বছরেরও বেশি স্বাধীন। কিন্তু ঋণের ফাঁস থেকে কৃষকের সত্যিকারের মুক্তি আজও ঘটেনি। দেনার দায়ে দেশে প্রতিবছরই বেশ কয়েক হাজার কৃষককে আত্মহত্যা করতে হয়। ভোটের পর ভোট আসে। কৃষককে নিয়ে রাজনীতি হয়। তাদের সমর্থন নিয়ে দড়ি টানাটানি চলে। ভোট চলে যায়। কারও বিদায় ঘণ্টা বাজে। কেউ ক্ষমতায় আসে। কিন্তু কৃষককুল প্রায় পুরনো তিমিরেই রয়ে যায়। কারণ, কৃষককে স্থায়ীভাবে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য যে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি এবং তা রূপায়ণে কঠোর নিষ্ঠা প্রয়োজন, তার অভাব রয়েই যায়। এর জন্য গভীর ভাবনা-চিন্তা প্রয়োজন। প্রয়োজন প্রকৃত আন্তরিকতা।
এদিকে, ভোটের দায় বড় দায়। তুলসীপাতার যেমন ছোটবড় বলে কিছু নেই, ভোটের বেলায়ও তাই। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার ভোটের দামই সমান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামনে কোনও ভোট এসে পড়লে রাজনীতির লোকজনের মধ্যে কৃষকপ্রীতি চনমন করে ওঠে। বিপুল সংখ্যক কৃষক পরিবারের ভোটারদের প্রভাবিত করতে ঋণমকুবের দাবি তোলা হয়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় অথবা ঋণমকুবের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সহজলভ্য জড়িবুটিতে রোগের সাময়িক উপশম হয় বটে, কিন্তু আসল সমস্যা রয়েই যায়। বরং রোগকে আরও গুরুতর করে তোলে। মরশুমের শুরুতে যথাসময়ে সহজ পথে ঋণ থেকে শুরু করে সুবিধাজনক মূল্যে চাষের উপকরণ জোগানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরবর্তী স্তরে সেচের সুবিধা, উৎপাদিত ফসল লাভজনক মূল্যে সহজে বিক্রির ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ। আর, চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সঠিক চাষিটিই যাতে বিমার টাকা অথবা ক্ষতিপূরণ পান, তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। এজন্য নিয়ম কানুনের কিছু সংস্কার জরুরি। নইলে, কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় জমি থাকার সুবাদেই ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ক্ষতিগ্রস্ত-নন, এমন সবাই একইভাবে খয়রাতি পেলে সুবিচার হয় না। আর, ঋণ মকুবের বিষয়টিকে সাধারণ নিয়মে পরিণত করা হলে ঋণ পরিশোধের প্রবণতা কমে। এতে প্রকৃত অসহায় ঋণগ্রস্ত চাষিদের চেয়েও কিছু ধান্দাবাজের পোয়াবারো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই টোটকায় ভোটের বাক্স হয়তো ভরে, কিন্তু দেশের অর্থনীতির বাক্স খালি হতে থাকে। ব্যাঙ্কের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ শোধ না-করা, টাকা মেরে বিদেশ পালিয়ে যাওয়া ধনীরা দেশের শত্রুর পর্যায়েই পড়ে। আর, চাষির সমস্যার স্থায়ী সুরাহা করার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল ভোটের লক্ষ্যে তাদের ঋণের ঘায়ে সস্তা মলম লাগানোও প্রকৃত বন্ধুত্বের পর্যায়ে পড়ে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার বছর ঘুমিয়ে থাকলেও শেষবেলায় হঠাৎ জেগে উঠেছেন। লোকসভা ভোটের কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনে বলছেন, কৃষকদের তিনি ‘অন্নদাতা’ ভাবেন।
বড্ড দেরি করে ফেলেছেন মোদিজি! এই বোধোদয়টি খানিক আগে হলে মঙ্গল হতো। আপনার তো বটেই, দেশেরও।
08th  January, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

18th  June, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১৮ জুন: অপেক্ষা আর মাত্র আট বছরের। তার পরেই চীনকে টপকে বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ হয়ে উঠবে ভারত। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে প্রকাশিত ‘দ্য ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রসপেক্টস ২০১৯’ শীর্ষক রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা তথা পূর্বাঞ্চলে প্রথম হলমার্কের কর্পোরেট সার্টিফিকেট দেওয়া চালু করল ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস। প্রথমবার এই সার্টিফিকেট পেল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। তাদের পশ্চিমবঙ্গের ১৪টি শোরুম ওই হলমার্ক পেয়েছে। এর আগে পর্যন্ত দেশে মোট পাঁচটি সংস্থা এই ...

বিএনএ, সিউড়ি: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা কেটে যাওয়ায় খুশি বীরভূম জেলার রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সিউড়ি, বোলপুর, রামপুরহাটে বড় হাসপাতালগুলিতে ভিড় জমান জেলার বহু মানুষজন।  ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা কয়েক লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাবে। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তৃণমূল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষাধিক ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ লেখা পোস্টকার্ড পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হওয়ার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম,
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম,
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু,
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.০৩ টাকা ৭০.৭২ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৯৪ টাকা ৮৯.১১ টাকা
ইউরো ৭৭.০০ টাকা ৭৯.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৬/৩৫ দিবা ৩/৩৪। পূর্বাষাঢ়া ২১/২৩ দিবা ১/৩০। সূ উ ৪/৫৯/৯, অ ৬/১৯/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৫১ গতে ৫/২৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ১/২৪ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৭ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৮ গতে ১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। 
৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৪/১৯/০ দিবা ২/৩৯/৬। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ২০/৫৮/৩৭ দিবা ১/১৮/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ১/৫৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/২৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৮/৪৩ গতে ১/১৯/২১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/৭ গতে ৯/৫৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭/৩ গতে ৩/৩৬/১৯ মধ্যে। 
১৫ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: নিউজিল্যান্ডকে ২৪২ রানের টার্গেট দিল দঃ আফ্রিকা 

08:11:28 PM

বিশ্বকাপ: দঃ আফ্রিকা ১৬৯/৪ (৪০ ওভার) 

07:25:26 PM

হলদিয়া হাসপাতালে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার
 

হলদিয়া হাসপাতালে রোগিনীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার। হাসপাতাল চত্বরে ...বিশদ

06:59:53 PM

বিশ্বকাপ: দঃ আফ্রিকা ১২৩/৩ (৩০ ওভার) 

06:36:33 PM

কলকাতা সহ দুই পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

06:01:32 PM

বিশ্বকাপ: দঃ আফ্রিকা ৭৩/২ (২০ ওভার) 

05:59:15 PM