বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের পাশাপাশি আইনও পাশ করেছেন। কিছুদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কাজ করলেও অল্পদিনের মধ্যেই তা ছেড়ে আইন ব্যবসাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বাংলার বাঘ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জুনিয়র হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করছেন। অল্পস্বল্প সুনামও অর্জন করেছেন।
সেদিন সেই ঝকঝকে যুবকটি বরিশালের দেহেরগতিতে সবে খেয়া পার হয়েছেন। ওখান থেকে তাঁর গ্রামের বাড়ি খুব দূরে নয়। অনেকদিন বাদে ফিরছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হবে। উৎফুল্ল মন। খেয়া নৌকা থেকে নেমে সামান্য এগতেই একটা শিশুকণ্ঠে তীব্র কান্নার আওয়াজ কানে পড়ল। তাকিয়ে দেখলেন, কিছুটা দূরে নদীতীরের একটা কুঁড়েঘরের সামনে ছোটখাটো ভিড়। মনে হল শিশুর কান্নার শব্দটা ওখান থেকেই আসছে। কৌতূহলী যুবক জোরে পা চালিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই কুঁড়েঘরের সামনে পৌঁছে গেলেন। দেখলেন, গরিব পরিবারের সংসারের যা কিছু সম্বল—সামান্য টিনের তোরঙ্গ থেকে শুরু করে তৈজসপত্র, থালা বাসন, ঘটি বাটি, বালতি কড়াই, লাঙল, কোদাল, কাস্তে প্রভৃতি সমস্ত কিছু উঠোনের এক পাশে জড়ো করা রয়েছে। আর, সাত-আট বছরের একটি শিশু মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। তার খালি গা। তবে দু’হাত দিয়ে শক্ত করে বুকে চেপে রেখেছে ছোট্ট একটা কাঁসার থালা। ওই থালাটি কেড়ে নিতে থানার পেয়াদা জোরাজুরি করতে গেলেই সে প্রতিবাদ জানিয়ে চিৎকার করে কাঁদছে। ওই থালাটুকু না নেওয়ার কাতর আর্জি জানিয়ে শিশুটির বাবা-মা পেয়াদাকে অনুনয় বিনয় করছে। কিন্তু পেয়াদার হম্বিতম্বি থামছে না। ওদের ঘিরে জড়ো হওয়া জনতা নীরবে ঘটনাটি উপভোগ করছে। শহুরে পোশাক-আশাক পরিহিত আগন্তুক যুবককে দেখে শিশুটির আশঙ্কা যেন আরও বেড়ে গেল। সে আরও তীব্রস্বরে কাঁদতে লাগল। জনতাও খানিকটা সরে দাঁড়াল। পেয়াদাকে প্রশ্ন করে যুবকটি জানতে পারলেন, কুটিরের বাসিন্দা লোকটি এক গরিব চাষি। দেনার দায়ে তার সর্বস্ব ক্রোক হয়েছে। সেগুলি নিতেই লোকজনসহ পেয়াদা এসেছে। চাষির ঘরের বাকি সমস্ত সামগ্রী বিনা বাধায় হস্তগত হয়েছে। বাকি কেবল ওই ছোট্ট থালাটি। শিশুটি ওই ছোট্ট কাঁসার থালাটি কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি নয়। কারণ, ওই থালাতেই সে রোজ খায়।
শিশুটির কান্না যুবকের হৃদয়ে অদ্ভুত মোচড় দিল। তিনি তৎক্ষণাৎ নিজের পকেট থেকে চাষির সেই ঋণের টাকা মিটিয়ে দিলেন। পেয়াদার হম্বিতম্বি বন্ধ হল। আর, প্রিয় থালাটি কাছে রাখতে পেয়ে শিশুর মুখে হাসি ফুটল। গ্রামের বাড়িতে ফিরলেও নদীতীরের ঘটনাটি অস্থির করে তুলেছিল চাখারের সেই যুবকটিকে। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, যে ভাবেই হোক, বাংলার গরিব কৃষকদের তিনি মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে মুক্ত করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বরিশাল শহরে গিয়ে সটান দেখা করলেন আধুনিক বরিশালের নির্মাতা অশ্বিনীকুমার দত্তের সঙ্গে। অশ্বিনীকুমার সেসময় ওই এলাকার অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্মাননীয় কংগ্রেস নেতা। বরিশাল পুরসভার চেয়ারম্যান। যুবকটি নিজের পরিচয়সহ কয়েকদিন আগের ঘটনাটি বিবৃত করলেন। বললেন, গরিব চাষির দুঃখ ঘোচানোর কিছু আমি কিছু করতে চাই। কোন পথে যাব, উপদেশ দিন। অশ্বিনীকুমার বললেন, রাজনৈতিক নেতারাই পারেন এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে। তাঁরাই আইনসভার সদস্য হন। আইন কানুন বানান। তোমার লক্ষ্যপূরণের জন্য রাজনীতির ময়দানই সঠিক পথ। প্রবীণ নেতার বক্তব্য যুবককে প্রচণ্ড প্রভাবিত করল। তিনি রাজি হলেন রাজনীতিতে নামতে। অশ্বিনীকুমার দত্তের আশীর্বাদে অল্পদিনের মধ্যেই যুবকটির জীবনের মোড় ঘুরে গেল। ভোটে দাঁড়িয়ে বরিশাল পুরসভার কমিশনার নির্বাচিত হলেন। কিছুদিনের মধ্যে জেলা বোর্ডের সদস্যও। আরও পরে নিজের প্রতিজ্ঞাপূরণের লক্ষ্যে সেদিনের যুবকটি একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়েছিলেন। নাম কৃষক প্রজা পার্টি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ছিল লাঙল। দলের প্রধান স্লোগান—‘লাঙল যার, জমি তার, ঘাম যার, দাম তার’। অল্পদিনের মধ্যেই কৃষিপ্রধান বাংলায় ওই দলটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তিনি একবার কলকাতার মেয়র ও পরে ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ( সেসময় মুখ্যমন্ত্রী পদটি ওইনামেই অভিহিত হতো) পদে আসীন হন। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই প্রথম যে উল্লেখযোগ্য কাজটি করেছিলেন, তা হল ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন। এই বোর্ডের মাধ্যমেই দীর্ঘকালীন মহাজনি ঋণের ফাঁস থেকে বাংলার গরিব কৃষকদের মুক্তির দিশা মেলে। এই মানুষটির নাম এ কে ফজলুল হক। বাংলার বাঘ আশুতোষের প্রিয় এই ছাত্র নিজেও একসময় ‘শের এ বাংলা’ অভিধায় ভূষিত হয়েছিলেন। শোনা যায়, ‘প্রিয় স্যার’ আশুতোষের পুত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার মন্ত্রী হওয়ার পিছনে ফজলুল হকের বিশেষ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীকালে ভিন্ন দুই দলের নেতা হিসেবে দু’জনে বাংলায় যৌথ সরকার গড়েছিলেন যা শ্যামা-হক সরকার বলে পরিচিতি লাভ করেছিল।
সেই ১৯০১ সালের পর শতাধিক বছর কেটে গিয়েছে। দেশ সত্তর বছরেরও বেশি স্বাধীন। কিন্তু ঋণের ফাঁস থেকে কৃষকের সত্যিকারের মুক্তি আজও ঘটেনি। দেনার দায়ে দেশে প্রতিবছরই বেশ কয়েক হাজার কৃষককে আত্মহত্যা করতে হয়। ভোটের পর ভোট আসে। কৃষককে নিয়ে রাজনীতি হয়। তাদের সমর্থন নিয়ে দড়ি টানাটানি চলে। ভোট চলে যায়। কারও বিদায় ঘণ্টা বাজে। কেউ ক্ষমতায় আসে। কিন্তু কৃষককুল প্রায় পুরনো তিমিরেই রয়ে যায়। কারণ, কৃষককে স্থায়ীভাবে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর জন্য যে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি এবং তা রূপায়ণে কঠোর নিষ্ঠা প্রয়োজন, তার অভাব রয়েই যায়। এর জন্য গভীর ভাবনা-চিন্তা প্রয়োজন। প্রয়োজন প্রকৃত আন্তরিকতা।
এদিকে, ভোটের দায় বড় দায়। তুলসীপাতার যেমন ছোটবড় বলে কিছু নেই, ভোটের বেলায়ও তাই। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার ভোটের দামই সমান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামনে কোনও ভোট এসে পড়লে রাজনীতির লোকজনের মধ্যে কৃষকপ্রীতি চনমন করে ওঠে। বিপুল সংখ্যক কৃষক পরিবারের ভোটারদের প্রভাবিত করতে ঋণমকুবের দাবি তোলা হয়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় অথবা ঋণমকুবের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সহজলভ্য জড়িবুটিতে রোগের সাময়িক উপশম হয় বটে, কিন্তু আসল সমস্যা রয়েই যায়। বরং রোগকে আরও গুরুতর করে তোলে। মরশুমের শুরুতে যথাসময়ে সহজ পথে ঋণ থেকে শুরু করে সুবিধাজনক মূল্যে চাষের উপকরণ জোগানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরবর্তী স্তরে সেচের সুবিধা, উৎপাদিত ফসল লাভজনক মূল্যে সহজে বিক্রির ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ। আর, চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সঠিক চাষিটিই যাতে বিমার টাকা অথবা ক্ষতিপূরণ পান, তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। এজন্য নিয়ম কানুনের কিছু সংস্কার জরুরি। নইলে, কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় জমি থাকার সুবাদেই ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ক্ষতিগ্রস্ত-নন, এমন সবাই একইভাবে খয়রাতি পেলে সুবিচার হয় না। আর, ঋণ মকুবের বিষয়টিকে সাধারণ নিয়মে পরিণত করা হলে ঋণ পরিশোধের প্রবণতা কমে। এতে প্রকৃত অসহায় ঋণগ্রস্ত চাষিদের চেয়েও কিছু ধান্দাবাজের পোয়াবারো হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই টোটকায় ভোটের বাক্স হয়তো ভরে, কিন্তু দেশের অর্থনীতির বাক্স খালি হতে থাকে। ব্যাঙ্কের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ শোধ না-করা, টাকা মেরে বিদেশ পালিয়ে যাওয়া ধনীরা দেশের শত্রুর পর্যায়েই পড়ে। আর, চাষির সমস্যার স্থায়ী সুরাহা করার উদ্যোগ না নিয়ে কেবল ভোটের লক্ষ্যে তাদের ঋণের ঘায়ে সস্তা মলম লাগানোও প্রকৃত বন্ধুত্বের পর্যায়ে পড়ে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার বছর ঘুমিয়ে থাকলেও শেষবেলায় হঠাৎ জেগে উঠেছেন। লোকসভা ভোটের কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনে বলছেন, কৃষকদের তিনি ‘অন্নদাতা’ ভাবেন।
বড্ড দেরি করে ফেলেছেন মোদিজি! এই বোধোদয়টি খানিক আগে হলে মঙ্গল হতো। আপনার তো বটেই, দেশেরও।
08th  January, 2019
নেতাজির জন্যই ভারত ছেড়েছিল ইংরেজ
পিনাকী ভাদুড়ী

গত অক্টোবরে আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় ইতিহাসকে স্মরণ করে আজাদ হিন্দ সরকারকে সম্মানিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়া দু’রকম। কেউ বলেছেন, বিষয়টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনী প্রচারের প্রস্তুতি।
বিশদ

নেতাজির তুলনা একমাত্র নেতাজি সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী 

তাঁর জীবনরহস্য সমুদ্রের মতোই গভীর, অর্ধগোলক ব্যাপী কর্মকাণ্ডের উত্তাল সংগ্রাম মুক্তিচেতনায় ঋদ্ধ। এমন নক্ষত্রসম মহাজীবনের সান্নিধ্য পাওয়া যে কোনও জাতির পক্ষেই দুর্লভ ও চিরকালীন গৌরবের উত্তরাধিকার।
বিশদ

22nd  January, 2019
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

21st  January, 2019
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: গোরু চরানো নিয়ে বচসার জেরে এক ব্যক্তিকে কুড়ুল দিয়ে মেরে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সাঁকরাইল থানার রগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাজরা মোড়ের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (সিএনসিআই)-এর কাছ থেকে যাবতীয় খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) চেয়ে পাঠাল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সেখানকার কাজকর্মের নজরদারিতে তৈরি রাজ্য সরকারের কমিটি। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নেমেছে গোসানিমারিতে। সম্প্রতি রাজপাট ঢিবি সংলগ্ন জমিতে পুকুর খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। গোসানিমারির শালবাগানে পিকনিক করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে।  ...

লখনউ, ২২ জানুয়ারি: ভোটের অঙ্ক ঠিক রাখতেই কংগ্রেসকে বাইরে রেখে উত্তরপ্রদেশে জোট বেঁধেছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজপার্টি (বিএসপি)। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’ এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৯ টাকা ৭২.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১০ টাকা ৯৩.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৪ টাকা ৮২.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৪৪/২ রাত্রি ১১/৫৯। নক্ষত্র- মঘা ৩৬/০ রাত্রি ৮/৪৭, সূ উ ৬/২২/২৭, অ ৫/১৪/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৮ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া প্রাতঃ ৬/৫৪/১৬ পরে তৃতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৮। মঘানক্ষত্র রাত্রি ১/১৫/৩৪। সূ উ ৬/২৪/৫০, অ ৫/১১/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৪ মধ্যে ও ঘ ১০/০/২৫ থেকে ১১/২৬/৩৯ মধ্যে ও ৩/২/১৪ থেকে ৪/২৮/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২৭ থেকে ৮/৪৩/৬ মধ্যে ও ২/০/২৪ থেকে ৬/২৪/৩১ মধ্যে। বারবেলা ১১/৪৮/১২ থেকে ১/৯/৩ মধ্যে, কালবেলা ৯/৬/৩১ থেকে ১০/২৭/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৬/৩১ থেকে ঘ ৪/৪৫/৪০ মধ্যে। আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৩তম জন্মদিবস
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ডালখোলায় তৃণমূল কর্মী খুন 
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার হাসান এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক ...বিশদ

10:41:54 AM

প্রথম ওয়ান ডে: ১৫৭ রানে অল আউট নিউজিল্যান্ড 

10:24:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:36 AM

প্রথম ওয়ান ডে: নিউজিল্যান্ড ১৪৬/৬ (৩২ ওভার) 

09:59:49 AM

নির্বাচকদের ২০ লক্ষ টাকা বোনাস দেবে বিসিসিআই
বিসিসিআই ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের তিন নির্বাচককে সফল দল চয়নের ...বিশদ

09:42:28 AM

  ফের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান অশোক
ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান শিলিগুড়ি পুরসভার ...বিশদ

09:40:00 AM