বিশেষ নিবন্ধ
 

দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন। গত বুধবার বারাসতে বন্‌঩ধের প্রচারে পদযাত্রার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য বিমানবাবু যা বলেছিলেন, তাতে উপস্থিত সকলেরই মনে হয়েছিল তিনি এই ইঙ্গিতই দিচ্ছেন যে, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল যদি তাঁদের দু-দিনব্যাপী বন্‌঩ধে শামিল হয়, সমর্থন করে তাহলে বামেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি-বিরোধী ব্রিগেড সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা ভেবে দেখবে! মানে যাকে বলে, দিবে আর নিবে, মেলাবে মিলিবে। শুধু তাই নয়, বিমানবাবুর ওই প্রচ্ছন্ন আহ্বানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই যেন একই মর্মে বন্‌঩ধের উদ্যোক্তাদের শিবির থেকে ‘আমন্ত্রণে’র চিঠিও চলে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার দরবারে! এবং প্রত্যাশিতভাবেই শাসকদলের সুপ্রিমো বা শীর্ষ নেতৃত্ব ওই আমন্ত্রণে কোনও আগ্রহ দেখাননি। শুধু তাই নয়, বন্‌ধ ঩নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর প্রশাসনের অনড় অবস্থানেও যে তাতে কিছুমাত্র নড়চড় হয়নি তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়ে গেছে। মমতা সরকারের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৮-৯ জানুয়ারির বন্‌ধ঩কে তাঁরা কোনওভাবেই সমর্থন করবেন না। পরন্তু ওই সময় সরকারি কর্মচারীরা ছুটি নিলে (অসুস্থতা ইত্যাদি কয়েকটি ক্ষেত্র বাদে) তা চাকরিতে ছেদ হিসেবেই গণ্য হবে। সুতরাং, বিমানবাবুর আহ্বান একরকম মাঠে মারা পড়ল।
কিন্তু, বিমানবাবুর ওই বক্তব্যে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছেন বাম নেতৃত্ব, বিশেষত সিপিএম। কারণ, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে শুরু করে ফ্রন্টের সকলেই বোঝেন—এমন প্রস্তাব যথেষ্ট বাস্তবসম্মত বা দূরদর্শী ছিল না। উল্টে এই ধরনের আমন্ত্রণে এ রাজ্যে বন্‌ধ সফল করা নিয়ে বামেদের সাংগঠনিক দুর্বলতার দিকটাই প্রকট হয়ে উঠেছে। কেননা প্রথমত, যে মমতাকে দিনরাত উঠতে-বসতে কারণে- অকারণে গালমন্দ করা হচ্ছে, মোদি-মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ বলে যাঁর উদ্দেশ্যে কদর্য কটাক্ষ করা হচ্ছে, পদে পদে যাঁর উন্নয়ন কাজগুলোকে লোকচক্ষে হেয় অর্থহীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে—সেই তিনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন প্রস্তাবে কিছুতেই সায় দেবেন না। দেবেন না, তার কারণ এই নয় যে, যারা এই প্রস্তাব রাখছে সেই সিপিএম তাঁর চরম প্রতিপক্ষ, রাজনৈতিক শত্রু। সিপিএমের সঙ্গে এক সারিতে দাঁড়াতে তাঁর আপত্তি। মোটেই না। মমতার উদারতা ও রাজনৈতিক সৌজন্য গোটা দেশ জানে। এই সেদিনও রাজ্যের প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী সিপিএম নেতা নিরুপম সেনের মৃত্যুর পর রাজ্যবাসী ফের তার পরিচয় পেয়েছেন।
কিন্তু, পাশাপাশি এটাও তো সত্যি যে, কিছু নীতিগত ক্ষেত্রে মমতা বজ্রের মতো কঠোর অনমনীয় অবিচল। বিশেষ করে যেখানে সাধারণ গরিব দিন আনি দিন খাই মানুষের ক্ষতি হয় সেখানে মমতা একেবারেই আপসহীন। আর তারই একটা হল এই বন্‌ধ। দৈনন্দিনের যাবতীয় কাজকর্ম পণ্ড করে বন্‌঩ধের বিরোধিতায় মমতা তাই চিরকালই ভয়ঙ্কর কট্টর এবং একবগ্গা। এমনকী রাজ্যের বিরোধী নেত্রী থাকাকালেও তিনি বন্‌ধ঩কে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার করেননি। তাঁর সাফ কথা, বন্‌ধ কর্মনাশা, গরিবের রুটি-রুজির শত্রু। তাই, কোনও অবস্থাতেই তিনি বা তাঁর সরকার বন্‌ধ সমর্থন করেনি, করে না, করবেও না। এ কথা শত-সহস্রবার বলেছেন তিনি। এই মনোভাবনা থেকেই ক্ষমতায় আসার পর তিনি এ রাজ্যে বন্‌঩ধের রাজনীতি মোটামুটি তুলেই দিয়েছেন—কথায় নয়, বাস্তবে। এ রাজ্যে ২০১১ সালের পর কোনও বন্‌ধ তাই সফল হতে পারেনি। বন্‌঩ধের দিনগুলোতে জনজীবন অন্য আর পাঁচটা দিনের চেয়েও যেন বেশি সচল ও স্বাভাবিক থেকেছে। বিমানবাবু কেন, রাজ্যের আপামর মানুষ এ কথা জানেন। তা সত্ত্বেও কী করে ওই প্রবীণ নেতা এমন ইঙ্গিত করেন—তা নিয়ে সিপিএমে তো বটেই, ফ্রন্টের অন্য মহলগুলোতেও বিস্ময়, অস্বস্তির সঙ্গে খানিকটা ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়েছে। অন্তত রাজনৈতিক মহলের খবর তেমনি।
আসলে মমতা যে টানা দু’দিনের বন্‌঩ধে সমর্থন জানাবেন না, এমনকী বন্‌ধ ব্যাপারে নিরাসক্ত থেকে বন্‌ধ সফল করার পথ করে দেবেন না কোনওমতেই তা সিপিএম কেন লাল গেরুয়া হাতছাপ তেরঙ্গা থেকে সাধারণ মানুষজন সকলেই জানেন। তা সত্ত্বেও কেন বিমানবাবুর মতো বর্ষীয়ান নেতা বন্‌঩ধে শামিল হওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমোর উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ আহ্বান জানালেন!? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, বিমানবাবুর এই আহ্বান নিছক কথার কথা নয়, এর মধ্যে একটা সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশল আছে। রাজ্যে ৪৮ ঘণ্টার বন্‌ধ সফলের ‘নজিরবিহীন’ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সিপিএম চাইছে লোকসভা ভোটের মুখে পার্টির লড়াকু জনদরদি ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে। এবং সেই সূত্রে বঙ্গ রাজনীতিতে তাদের হারানো সোনার দিনের স্মৃতিটা ফের একবার জনমনে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্‌ধ ঩নিয়ে পুরনো অবস্থানে অটল থাকলে তা সম্ভব নয়। ২০১১ সালের পর থেকে সিপিএম নেতৃত্ব অভিজ্ঞতায় বুঝেছেন, এ রাজ্যে বন্‌ধ সফল করার জন্য তাঁরা যতই হাঁকডাক, সভা, মিছিল করুন কার্যক্ষেত্রে তাতে বিশেষ কিছুই ফললাভ হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্‌ধ ঩বিরোধী কঠোর মনোভাব—বামেদের রাজ্য অচল করার রাজনীতি ভেস্তে দেয়। জনতাও বন্‌঩ধের রাজনীতি বহুকাল বর্জন করেছে। দুই-এ মিলে বন্‌঩ধের দিনেও পুরোপুরি সচল থাকে এ রাজ্যের জীবনযাত্রা।
সিপিএম কি অন্য বিরোধী দলগুলোর হাতে আজ এই ‘প্রতিকূলতা’র সঙ্গে লড়াই করে বন্‌ধ সফল করার মতো সংগঠন বা জনসমর্থন কিছুই নেই। ফলে, বন্‌঩ধের দিনে অসহায় আত্মসমর্পণটা মোটের ওপর অবধারিতই হয়ে পড়েছে। এবার তার ব্যতিক্রম হবে—এমন সম্ভাবনাও নেই। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ফরমান জারি করে দিয়েছে, বন্‌঩ধে ছুটি গ্রাহ্য হবে না। এমন পরিস্থিতিতে উপায় ছিল একটাই—মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বন্‌঩ধের পক্ষে টানা, তাঁর প্রত্যক্ষ না হোক পরোক্ষ সমর্থন আদায় করা। আর তা আদায় করতে মমতার মোদি-বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানকে ব্যবহার। কারণ, দেশের বিভিন্ন শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনের ডাকা ৮-৯ জানুয়ারির এই দুদিন ব্যাপী ধর্মঘটের মূল লক্ষ্য মোদিজির নানান জনবিরোধী নীতির বিরোধিতা। এককথায় মোদি-বিরোধী ধর্মঘট। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিমানবাবুরা হয়তো ভেবেছিলেন, মোদি-বিরোধী অবস্থান ধরে রাখতে মমতা আহ্বানে সাড়া দিতেও পারেন। কেননা, সাড়া দিলে সিপিএম সমেত বাম দলগুলো ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেডে মোদি-বিরোধী সমাবেশে শামিল হবে। আর তাতে জাতীয় মোদি-বিরোধী শিবিরের প্রধান নেত্রী মমতার রাজনৈতিক শক্তি আরও জোরদার হবে। আবার বন্‌঩ধের বিরোধিতা করলে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষে বাড়তি ইন্ধন যোগ করার সুযোগ পাবে সিপিএম এবং তার সুবাদে জনমহলে কিছু রাজনৈতিক ফায়দাও জুটে যাবে ভোটের মুখে। সেই সঙ্গে নিজেদের সাংগঠনিক ইত্যাদি দুর্বলতাগুলোও সাময়িকভাবে খানিকটা লোকচক্ষু থেকে আড়াল করতে পারবেন তাঁরা।
কিন্তু, মুশকিলটা হল তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মা-মাটি-মানুষের ক্ষতি হয়, অসুবিধে হয় বা রাজ্যের উন্নয়ন এক মুহূর্তের জন্য বিচলিত হয়—এমন চিন্তা তাঁর কোটি মাইলের মধ্যে প্রশ্রয় পায় না। ফলে, ফল যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। তিনি বন্‌ধ ঩নিয়ে আগের মতোই কড়া অবস্থানে। কিন্তু প্রশ্ন হল, বন্‌ধ সফল করতে শেষে এভাবে পরোক্ষে মমতার দ্বারস্থ কেন হল সিপিএম! দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে? লালপার্টির প্রতি রাজ্যবাসীর হারানো আস্থা ফিরে আসবে? মানুষ সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম নেতাই কেশপুর সব ভুলে যাবে? ভুলে যাবে ক্যাডার-রাজ, স্বজনপোষণ, চূড়ান্ত বামায়নের সেইসব দমবন্ধ দিনগুলো? মানুষের স্মৃতি এমনিতে দুর্বল কিন্তু সে দুর্বলতাও কি ওইসব ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা ভুলিয়ে দিতে পারে, পেরেছে? পথেঘাটে হাটবাজারে আজ কান পাতলে কি তাই মনে হয়? সত্যি বলতে কী, এই কঠোর বাস্তবটা সিপিএম কেন, রাজ্যের বিরোধীরা সকলেই জানেন বোঝেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতার নেতৃত্বে গত ২০১১ সালের পর থেকে যে বিপুল উন্নয়ন-যজ্ঞ চলছে তাতে মানুষ এখন এতটাই অভিভূত যে, বিকল্প ভাবার চিন্তাটুকুও আজ তাঁদের কাছে প্রশ্রয় পায় না। এমনকী মমতার কট্টর সমালোচকেরাও আজ এই বদলে যাওয়া বাংলা, বিশ্ববাংলার চোখধাঁধানো গরিমা গৌরবকে উপেক্ষা করতে পারছেন না। অস্বীকার করতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতার রাজনৈতিক প্রশাসনিক অনন্যতা। এমন পরিস্থিতিতে কেবল একটা বন্‌ধ সফল করলেই সিপিএমের ৩৪ বছরের কালিমা মুছে যাবে—হয়?
06th  January, 2019
নেতাজির জন্যই ভারত ছেড়েছিল ইংরেজ
পিনাকী ভাদুড়ী

গত অক্টোবরে আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় ইতিহাসকে স্মরণ করে আজাদ হিন্দ সরকারকে সম্মানিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়া দু’রকম। কেউ বলেছেন, বিষয়টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনী প্রচারের প্রস্তুতি।
বিশদ

নেতাজির তুলনা একমাত্র নেতাজি সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী 

তাঁর জীবনরহস্য সমুদ্রের মতোই গভীর, অর্ধগোলক ব্যাপী কর্মকাণ্ডের উত্তাল সংগ্রাম মুক্তিচেতনায় ঋদ্ধ। এমন নক্ষত্রসম মহাজীবনের সান্নিধ্য পাওয়া যে কোনও জাতির পক্ষেই দুর্লভ ও চিরকালীন গৌরবের উত্তরাধিকার।
বিশদ

22nd  January, 2019
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

21st  January, 2019
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নেমেছে গোসানিমারিতে। সম্প্রতি রাজপাট ঢিবি সংলগ্ন জমিতে পুকুর খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। গোসানিমারির শালবাগানে পিকনিক করতে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাজরা মোড়ের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (সিএনসিআই)-এর কাছ থেকে যাবতীয় খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) চেয়ে পাঠাল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সেখানকার কাজকর্মের নজরদারিতে তৈরি রাজ্য সরকারের কমিটি। ...

গজনি, ২২ জানুয়ারি (এএফপি): তালিবান আক্রমণে আফগানিস্তানে মৃত্যু হল ৬৫ জনের। সোমবার আফগানিস্তানের গোয়েন্দা ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায় জঙ্গিরা। প্রাথমিকভাবে ১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়।  ...

 নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি: হকি খেলোয়াড় আরএস ভোলা ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন। তিনি ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন ওলিম্পিক ও ১৯৬০ সালে রোম ওলিম্পিকে ভারতীয় সোনা ও রুপো জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। হকি ছিল তাঁর প্যাশন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’ এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৯ টাকা ৭২.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১০ টাকা ৯৩.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৪ টাকা ৮২.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৪৪/২ রাত্রি ১১/৫৯। নক্ষত্র- মঘা ৩৬/০ রাত্রি ৮/৪৭, সূ উ ৬/২২/২৭, অ ৫/১৪/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৮ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া প্রাতঃ ৬/৫৪/১৬ পরে তৃতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৮। মঘানক্ষত্র রাত্রি ১/১৫/৩৪। সূ উ ৬/২৪/৫০, অ ৫/১১/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৪ মধ্যে ও ঘ ১০/০/২৫ থেকে ১১/২৬/৩৯ মধ্যে ও ৩/২/১৪ থেকে ৪/২৮/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২৭ থেকে ৮/৪৩/৬ মধ্যে ও ২/০/২৪ থেকে ৬/২৪/৩১ মধ্যে। বারবেলা ১১/৪৮/১২ থেকে ১/৯/৩ মধ্যে, কালবেলা ৯/৬/৩১ থেকে ১০/২৭/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৬/৩১ থেকে ঘ ৪/৪৫/৪০ মধ্যে। আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৩তম জন্মদিবস
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ডালখোলায় তৃণমূল কর্মী খুন 
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার হাসান এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক ...বিশদ

10:41:54 AM

প্রথম ওয়ান ডে: ১৫৭ রানে অল আউট নিউজিল্যান্ড 

10:24:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:36 AM

প্রথম ওয়ান ডে: নিউজিল্যান্ড ১৪৬/৬ (৩২ ওভার) 

09:59:49 AM

নির্বাচকদের ২০ লক্ষ টাকা বোনাস দেবে বিসিসিআই
বিসিসিআই ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের তিন নির্বাচককে সফল দল চয়নের ...বিশদ

09:42:28 AM

  ফের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান অশোক
ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান শিলিগুড়ি পুরসভার ...বিশদ

09:40:00 AM