Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন। গত বুধবার বারাসতে বন্‌঩ধের প্রচারে পদযাত্রার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য বিমানবাবু যা বলেছিলেন, তাতে উপস্থিত সকলেরই মনে হয়েছিল তিনি এই ইঙ্গিতই দিচ্ছেন যে, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল যদি তাঁদের দু-দিনব্যাপী বন্‌঩ধে শামিল হয়, সমর্থন করে তাহলে বামেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি-বিরোধী ব্রিগেড সমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা ভেবে দেখবে! মানে যাকে বলে, দিবে আর নিবে, মেলাবে মিলিবে। শুধু তাই নয়, বিমানবাবুর ওই প্রচ্ছন্ন আহ্বানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই যেন একই মর্মে বন্‌঩ধের উদ্যোক্তাদের শিবির থেকে ‘আমন্ত্রণে’র চিঠিও চলে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার দরবারে! এবং প্রত্যাশিতভাবেই শাসকদলের সুপ্রিমো বা শীর্ষ নেতৃত্ব ওই আমন্ত্রণে কোনও আগ্রহ দেখাননি। শুধু তাই নয়, বন্‌ধ ঩নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর প্রশাসনের অনড় অবস্থানেও যে তাতে কিছুমাত্র নড়চড় হয়নি তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়ে গেছে। মমতা সরকারের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৮-৯ জানুয়ারির বন্‌ধ঩কে তাঁরা কোনওভাবেই সমর্থন করবেন না। পরন্তু ওই সময় সরকারি কর্মচারীরা ছুটি নিলে (অসুস্থতা ইত্যাদি কয়েকটি ক্ষেত্র বাদে) তা চাকরিতে ছেদ হিসেবেই গণ্য হবে। সুতরাং, বিমানবাবুর আহ্বান একরকম মাঠে মারা পড়ল।
কিন্তু, বিমানবাবুর ওই বক্তব্যে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছেন বাম নেতৃত্ব, বিশেষত সিপিএম। কারণ, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে শুরু করে ফ্রন্টের সকলেই বোঝেন—এমন প্রস্তাব যথেষ্ট বাস্তবসম্মত বা দূরদর্শী ছিল না। উল্টে এই ধরনের আমন্ত্রণে এ রাজ্যে বন্‌ধ সফল করা নিয়ে বামেদের সাংগঠনিক দুর্বলতার দিকটাই প্রকট হয়ে উঠেছে। কেননা প্রথমত, যে মমতাকে দিনরাত উঠতে-বসতে কারণে- অকারণে গালমন্দ করা হচ্ছে, মোদি-মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ বলে যাঁর উদ্দেশ্যে কদর্য কটাক্ষ করা হচ্ছে, পদে পদে যাঁর উন্নয়ন কাজগুলোকে লোকচক্ষে হেয় অর্থহীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে—সেই তিনি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন প্রস্তাবে কিছুতেই সায় দেবেন না। দেবেন না, তার কারণ এই নয় যে, যারা এই প্রস্তাব রাখছে সেই সিপিএম তাঁর চরম প্রতিপক্ষ, রাজনৈতিক শত্রু। সিপিএমের সঙ্গে এক সারিতে দাঁড়াতে তাঁর আপত্তি। মোটেই না। মমতার উদারতা ও রাজনৈতিক সৌজন্য গোটা দেশ জানে। এই সেদিনও রাজ্যের প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী সিপিএম নেতা নিরুপম সেনের মৃত্যুর পর রাজ্যবাসী ফের তার পরিচয় পেয়েছেন।
কিন্তু, পাশাপাশি এটাও তো সত্যি যে, কিছু নীতিগত ক্ষেত্রে মমতা বজ্রের মতো কঠোর অনমনীয় অবিচল। বিশেষ করে যেখানে সাধারণ গরিব দিন আনি দিন খাই মানুষের ক্ষতি হয় সেখানে মমতা একেবারেই আপসহীন। আর তারই একটা হল এই বন্‌ধ। দৈনন্দিনের যাবতীয় কাজকর্ম পণ্ড করে বন্‌঩ধের বিরোধিতায় মমতা তাই চিরকালই ভয়ঙ্কর কট্টর এবং একবগ্গা। এমনকী রাজ্যের বিরোধী নেত্রী থাকাকালেও তিনি বন্‌ধ঩কে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার করেননি। তাঁর সাফ কথা, বন্‌ধ কর্মনাশা, গরিবের রুটি-রুজির শত্রু। তাই, কোনও অবস্থাতেই তিনি বা তাঁর সরকার বন্‌ধ সমর্থন করেনি, করে না, করবেও না। এ কথা শত-সহস্রবার বলেছেন তিনি। এই মনোভাবনা থেকেই ক্ষমতায় আসার পর তিনি এ রাজ্যে বন্‌঩ধের রাজনীতি মোটামুটি তুলেই দিয়েছেন—কথায় নয়, বাস্তবে। এ রাজ্যে ২০১১ সালের পর কোনও বন্‌ধ তাই সফল হতে পারেনি। বন্‌঩ধের দিনগুলোতে জনজীবন অন্য আর পাঁচটা দিনের চেয়েও যেন বেশি সচল ও স্বাভাবিক থেকেছে। বিমানবাবু কেন, রাজ্যের আপামর মানুষ এ কথা জানেন। তা সত্ত্বেও কী করে ওই প্রবীণ নেতা এমন ইঙ্গিত করেন—তা নিয়ে সিপিএমে তো বটেই, ফ্রন্টের অন্য মহলগুলোতেও বিস্ময়, অস্বস্তির সঙ্গে খানিকটা ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়েছে। অন্তত রাজনৈতিক মহলের খবর তেমনি।
আসলে মমতা যে টানা দু’দিনের বন্‌঩ধে সমর্থন জানাবেন না, এমনকী বন্‌ধ ব্যাপারে নিরাসক্ত থেকে বন্‌ধ সফল করার পথ করে দেবেন না কোনওমতেই তা সিপিএম কেন লাল গেরুয়া হাতছাপ তেরঙ্গা থেকে সাধারণ মানুষজন সকলেই জানেন। তা সত্ত্বেও কেন বিমানবাবুর মতো বর্ষীয়ান নেতা বন্‌঩ধে শামিল হওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমোর উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ আহ্বান জানালেন!? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, বিমানবাবুর এই আহ্বান নিছক কথার কথা নয়, এর মধ্যে একটা সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশল আছে। রাজ্যে ৪৮ ঘণ্টার বন্‌ধ সফলের ‘নজিরবিহীন’ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সিপিএম চাইছে লোকসভা ভোটের মুখে পার্টির লড়াকু জনদরদি ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে। এবং সেই সূত্রে বঙ্গ রাজনীতিতে তাদের হারানো সোনার দিনের স্মৃতিটা ফের একবার জনমনে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্‌ধ ঩নিয়ে পুরনো অবস্থানে অটল থাকলে তা সম্ভব নয়। ২০১১ সালের পর থেকে সিপিএম নেতৃত্ব অভিজ্ঞতায় বুঝেছেন, এ রাজ্যে বন্‌ধ সফল করার জন্য তাঁরা যতই হাঁকডাক, সভা, মিছিল করুন কার্যক্ষেত্রে তাতে বিশেষ কিছুই ফললাভ হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্‌ধ ঩বিরোধী কঠোর মনোভাব—বামেদের রাজ্য অচল করার রাজনীতি ভেস্তে দেয়। জনতাও বন্‌঩ধের রাজনীতি বহুকাল বর্জন করেছে। দুই-এ মিলে বন্‌঩ধের দিনেও পুরোপুরি সচল থাকে এ রাজ্যের জীবনযাত্রা।
সিপিএম কি অন্য বিরোধী দলগুলোর হাতে আজ এই ‘প্রতিকূলতা’র সঙ্গে লড়াই করে বন্‌ধ সফল করার মতো সংগঠন বা জনসমর্থন কিছুই নেই। ফলে, বন্‌঩ধের দিনে অসহায় আত্মসমর্পণটা মোটের ওপর অবধারিতই হয়ে পড়েছে। এবার তার ব্যতিক্রম হবে—এমন সম্ভাবনাও নেই। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ফরমান জারি করে দিয়েছে, বন্‌঩ধে ছুটি গ্রাহ্য হবে না। এমন পরিস্থিতিতে উপায় ছিল একটাই—মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বন্‌঩ধের পক্ষে টানা, তাঁর প্রত্যক্ষ না হোক পরোক্ষ সমর্থন আদায় করা। আর তা আদায় করতে মমতার মোদি-বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানকে ব্যবহার। কারণ, দেশের বিভিন্ন শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনের ডাকা ৮-৯ জানুয়ারির এই দুদিন ব্যাপী ধর্মঘটের মূল লক্ষ্য মোদিজির নানান জনবিরোধী নীতির বিরোধিতা। এককথায় মোদি-বিরোধী ধর্মঘট। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিমানবাবুরা হয়তো ভেবেছিলেন, মোদি-বিরোধী অবস্থান ধরে রাখতে মমতা আহ্বানে সাড়া দিতেও পারেন। কেননা, সাড়া দিলে সিপিএম সমেত বাম দলগুলো ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেডে মোদি-বিরোধী সমাবেশে শামিল হবে। আর তাতে জাতীয় মোদি-বিরোধী শিবিরের প্রধান নেত্রী মমতার রাজনৈতিক শক্তি আরও জোরদার হবে। আবার বন্‌঩ধের বিরোধিতা করলে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষে বাড়তি ইন্ধন যোগ করার সুযোগ পাবে সিপিএম এবং তার সুবাদে জনমহলে কিছু রাজনৈতিক ফায়দাও জুটে যাবে ভোটের মুখে। সেই সঙ্গে নিজেদের সাংগঠনিক ইত্যাদি দুর্বলতাগুলোও সাময়িকভাবে খানিকটা লোকচক্ষু থেকে আড়াল করতে পারবেন তাঁরা।
কিন্তু, মুশকিলটা হল তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মা-মাটি-মানুষের ক্ষতি হয়, অসুবিধে হয় বা রাজ্যের উন্নয়ন এক মুহূর্তের জন্য বিচলিত হয়—এমন চিন্তা তাঁর কোটি মাইলের মধ্যে প্রশ্রয় পায় না। ফলে, ফল যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। তিনি বন্‌ধ ঩নিয়ে আগের মতোই কড়া অবস্থানে। কিন্তু প্রশ্ন হল, বন্‌ধ সফল করতে শেষে এভাবে পরোক্ষে মমতার দ্বারস্থ কেন হল সিপিএম! দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে? লালপার্টির প্রতি রাজ্যবাসীর হারানো আস্থা ফিরে আসবে? মানুষ সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম নেতাই কেশপুর সব ভুলে যাবে? ভুলে যাবে ক্যাডার-রাজ, স্বজনপোষণ, চূড়ান্ত বামায়নের সেইসব দমবন্ধ দিনগুলো? মানুষের স্মৃতি এমনিতে দুর্বল কিন্তু সে দুর্বলতাও কি ওইসব ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা ভুলিয়ে দিতে পারে, পেরেছে? পথেঘাটে হাটবাজারে আজ কান পাতলে কি তাই মনে হয়? সত্যি বলতে কী, এই কঠোর বাস্তবটা সিপিএম কেন, রাজ্যের বিরোধীরা সকলেই জানেন বোঝেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতার নেতৃত্বে গত ২০১১ সালের পর থেকে যে বিপুল উন্নয়ন-যজ্ঞ চলছে তাতে মানুষ এখন এতটাই অভিভূত যে, বিকল্প ভাবার চিন্তাটুকুও আজ তাঁদের কাছে প্রশ্রয় পায় না। এমনকী মমতার কট্টর সমালোচকেরাও আজ এই বদলে যাওয়া বাংলা, বিশ্ববাংলার চোখধাঁধানো গরিমা গৌরবকে উপেক্ষা করতে পারছেন না। অস্বীকার করতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতার রাজনৈতিক প্রশাসনিক অনন্যতা। এমন পরিস্থিতিতে কেবল একটা বন্‌ধ সফল করলেই সিপিএমের ৩৪ বছরের কালিমা মুছে যাবে—হয়?
06th  January, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
একনজরে
 করাচি, ১৭ মার্চ (পিটিআই): রবিবার পাকিস্তানের অশান্ত বালুচিস্তান প্রদেশে রেললাইনে বিস্ফোরণে দুই মহিলা সহ চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আটজন। বিস্ফোরকটি রাখা ছিল বালুচিস্তানের ডেরা মুরাদ জামালি এলাকায়। দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য ছিল রাওয়ালপিন্ডি থেকে কোয়েটাগামী যাত্রীবাহী জাফর এক্সপ্রেস। ...

 তিরুপতি, ১৭ মার্চ (পিটিআই): রবিবার ভোরে তিরুমালার বেঙ্কটেশ্বর মন্দির চত্বর থেকে এক দম্পতির তিন মাসের বাচ্চা চুরি হয়েছে। তামিলনাড়ুর ভিল্লুপুরমের বাসিন্দা এই দম্পতি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখনই তাঁদের শিশুটি চুরি হয়। গত তিন বছর ধরেই এই দম্পতি এখানে গলার হার, ...

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি, বিএনএ: ভোটের হাওয়া উঠতেই উত্তরবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি’র মূল লড়াই হবে বলেই আলোচনা ছড়িয়েছে। তৃণমূল প্রচারে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিজেপি’কে যে গুরুত্ব দিচ্ছে তা কংগ্রেস ও সিপিএম তথা বামেরা পাচ্ছে না।  ...

  সংবাদদাতা, বসিরহাট: লেভেল ক্রসিংয়ের সমস্যায় জেরবার বসিরহাটের মানুষ। লেভেল ক্রসিংয়ে আটকে দুর্ভোগে পড়তে হয় নিত্যযাত্রী থেকে স্কুল পড়ুয়া সকলকেই। নাজেহাল হতে হয় রোগী ও রোগীর পরিবারকেও। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৭- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের জন্ম
১৯০১- সাহিত্যিক ও পরিচালক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৯- প্রাক্তন ইংরেজ ফুটবলার রন অ্যাটকিনসনের জন্ম
১৯৭৪- কবি বুদ্ধদেব বসুর মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৪৮ টাকা ৭০.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯০.২২ টাকা ৯৩.৫০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪০ টাকা ৭৯.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  March, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৪৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৮০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮, ০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮, ১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

৩ চৈত্র ১৪২৫, ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ২৯/৫১ সন্ধ্যা ৫/৪৪। অশ্লেষা ৩৯/৫৭ রাত্রি ৯/৪৬। সূ উ ৫/৪৭/৫, অ ৫/৪২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/২১ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৩৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৪ গতে ৪/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৪৫ মধ্যে। 
৩ চৈত্র ১৪২৫, ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ২/২৬/৫০। অশ্লেষানক্ষত্র রাত্রি ৭/৩/২৪, সূ উ ৫/৪৭/৩২, অ ৫/৪২/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/২২/৪৮ মধ্যে ও ১০/৩৩/২০ থেকে ১২/৫৬/১৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩০/২৩ থেকে ৮/৫৫/২৯ মধ্যে ও ১১/২৯/৩৫ থেকে ২/৩৪/৪ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৩/২৪ থেকে ৪/১২/৪৩ মধ্যে, কালবেলা ৭/২৬/৫১ থেকে ৮/৪৬/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪/৫ থেকে ১১/৪৪/৪৬ মধ্যে। 
১০ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়ায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৫ সিআরপিএফ জওয়ান 

06:48:58 PM

কলকাতা বিমানবন্দরে ২ জন রোহিঙ্গা সহ গ্রেপ্তার ৩ 

06:24:00 PM

অনুব্রতর মন্তব্য নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের  
অনুব্রত মণ্ডলের মন্তব্য নিয়ে বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোধারা বসুর কাছে ...বিশদ

05:35:12 PM

সল্টলেকে গাড়ির ধাক্কায় জখম এক সাইকেল আরোহী  

05:00:00 PM

নেদারল্যান্ডসের উৎরেষ্ট শহরে বন্দুকবাজের হামলা, হত ১, জখম বেশ কয়েকজন

04:11:00 PM

৭১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

03:54:21 PM