বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে। এছাড়াও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ২০০৪ সালের মে মাস থেকে ২০০৮ এর আগস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পরামর্শদাতা এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া। এই সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি যে বই লেখেন তাতে পরিষ্কার বলা আছে যে মনমোহন সিংয়ের প্রধানমন্ত্রিত্বে রিমোট কন্ট্রোল ছিল সোনিয়া গান্ধীর হাতে। বইটি প্রকাশিত হওয়ার সময় বেশ খানিকটা হইচই হয়েছিল। তবে সংবাদমাধ্যমের নিয়মমতোই আস্তে আস্তে সে সব খবর মুদিখানা কিংবা চপ-মুড়ির শৈল্পিক ঠোঙায় বিলীন। বইটির খবর মোটামুটি ভুলেই গিয়েছিল ভারতের জনগণ। একথা মানতেই হবে সুখপাঠ্য বইটিতে নতুন খবর তো বিশেষ কিছু ছিল না। মনমোহন সিং-এর রাজনৈতিক কার্যকলাপে যে সোনিয়া গান্ধীর প্রত্যক্ষ নির্দেশ থাকবে এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই। স্বাধীনতার আগে পরে সব সময়েই কংগ্রেসের সমর্থক এবং অনুগামীরা নেতৃত্বের জন্যে গান্ধীদের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে গান্ধী কখনও মহাত্মা, কখনও বা পদবিতে নেহেরু, আর তারপর থেকে পুরোটাই ইন্দিরা-রাজীব-সোনিয়া-প্রিয়াঙ্কা-রাহুল। আগের নরসিমা রাও বা ভি পি সিংয়ের মতো আজকেও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বা শচীন পাইলট আছেন। কিন্তু সব মিলিয়ে কংগ্রেস সামনের লোকসভা নির্বাচনে ভালো সংখ্যক আসন পেলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা রাহুল গান্ধীর-ই। তাঁর মা বিদেশে জন্মানোর কারণে সেই কেদারায় বসতে পারেননি। ২০০৪ সালে দূরদর্শনের সরাসরি সম্প্রচারে সদ্য লোকসভা ভোটে জেতা অভিনেতা গোবিন্দার কান্না নিশ্চয় এখনও অনেকের মনে আছে। সোনিয়াজিকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কাতর আবেদনে কতটা অভিনয় আর কতটা অন্তরের আকুতি সেকথা ঈশ্বরই জানেন। তবে এটা সত্যি যে ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সর্বময় নেত্রী ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। দলটাকে একজোট করে ভোটে লড়িয়েছিলেন তিনিই। ভোটের পর বামেদের সমর্থনে ন্যূনতম কিছু কর্মসূচির ভিত্তিতে পরপর দুটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে সোনিয়া গান্ধীর অবদান অনস্বীকার্য। সেই হিসেবে নিজে প্রধানমন্ত্রী না হতে পারলে তাঁর সরাসরি প্রভাব যে প্রধানমন্ত্রীর ওপর থাকবে সে অঙ্ক কষতে মহাকাশ বিজ্ঞানী হতে হয় না। শ্রীযুক্ত সঞ্জয় বারুর লেখা বই সেই ইতিহাসের স্বচ্ছ বর্ণনা।
এবার আশা যাক সাম্প্রতিক ঘটনায়। এই বইটি নিয়ে সিনেমা তৈরি হয়েছে। নতুন বছরে জানুয়ারি মাসের ১১ তারিখে তা বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এর মধ্যেই তার ট্রেইলার অন্তর্জালে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ছবির পরিচালক বিজয় রত্নাকর গুট্টে। কিন্তু বিষয়টির প্রচার এমনভাবে হচ্ছে যে পরিচালকের নাম সম্ভবত কেউই জানেন না। লেখক সঞ্জয় বারু এই সুযোগে আবার কিছুটা প্রচারের আলোয়, কিন্তু চিত্রনাট্যকারের নাম যে মায়াঙ্ক তেওয়ারি সেটাও অল্পসংখ্যক চলচ্চিত্রপ্রেমী ছাড়া বাকিদের অজানা। তবে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন অভিনেতা অনুপম খের। তিনি একাধারে মনমোহন সিংয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, ছবিটির প্রচার করছেন শক্তহাতে এবং সর্বোপরি তিনি আজকের দিনে বিজেপির এক বড় নেতা। ছবির স্বল্পাংশ দেখে বোঝা গেল প্রত্যেকের অভিনয় অসাধারণ। বিভিন্ন চরিত্রে যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁদের প্রায় সকলকেই বাস্তবের মানুষগুলির মতো দেখতে লাগছে। কথাবার্তাও একই রকম। ব্যতিক্রম শুধু রাহুল গান্ধী। তাঁর চরিত্রটির চেহারা একেবারেই তাঁর মত দেখতে নয়। অবশ্যই এর রাজনৈতিক কারণ আছে, সে কথায় আমরা একটু পরেই আসছি। প্রচারধর্মী এই ছবিটি থেকে যে ফসল ঘরে তুলতে চায় বিজেপি, তা হল মনমোহন সিং ভালো মানুষ। তাঁর আড়ালে কলকাঠি নাড়া গান্ধী পরিবার (পড়ুন সোনিয়া গান্ধী) ক্ষমতা দখলের জন্যে লালায়িত। অর্থাৎ এই ছায়াছবি গান্ধী পরিবার বিরোধী একটি প্রচার।
কিন্তু বিজ্ঞাপনের জগতে একটা কথা খুব চলে, তা হল যে-কোনও বিজ্ঞাপনই ভালো বিজ্ঞাপন। অর্থাৎ যেখানে প্রচারটাই মুখ্য বিষয় সেখানে আসল প্রশ্ন হল জনমানসে উপস্থিতি প্রকট কি না। চরিত্রটিকে ভালো কিংবা খারাপ ভাবে দেখানোর ব্যাপারটা গৌণ। সেই হিসেবে এই ছবিতে গান্ধী পরিবার যথেষ্ট প্রচার পাবে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে প্রচারধর্মী ছবির মাধ্যমে বিজেপির মূল উদ্দেশ্য যদি সফল না হয় তাহলে কিন্তু সম্পূর্ণ প্রয়াসটাই আত্মঘাতী। সে ব্যাপারে বিজেপি অবশ্যই সচেতন। তারা ভালোই জানে যে এই ছবিতে সোনিয়া গান্ধীকে খলনায়িকা হিসেবে দেখানো গেলেও রাহুলকে ততটা বড় খলনায়ক হিসেবে দেখানো শক্ত। সন্তানের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে চাইছে কুচক্রী মা, এটাই সারমর্ম। ফলে মায়ের চরিত্র অবশ্যই নেতিবাচক। কিন্তু তার ছেলের চরিত্রকে একইরকম নেতিবাচক দেখাতে হলে ছবিতে সেই চরিত্রের ধার থাকত অনেক বেশি। বিজেপি জানে যে এই মুহূর্তে সোনিয়া গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কিন্তু রাহুলের আছে। তাই এই ছবিতে রাহুলের গুরুত্ব একটু কম রাখা হয়েছে, চেহারাও তার মত নয়। সব মিলিয়ে রাহুল বিরোধিতা কিংবা রাহুলের অস্তিত্বের মাত্রা এখানে কম থাকারই কথা। অর্থাৎ অভিনেতার চেহারা রাহুলের মত হলে প্রচারের তীব্রতায় পুরোটাই ব্যুমেরাং হয়ে যেতে পারে সে কথা বুঝেছেন এই ছবির কর্মকর্তারা। তাই ‘আকস্মিক প্রধানমন্ত্রী’ ছবিতে রাহুলের ভোলবদল যুক্তিগ্রাহ্য এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দৃষ্টিভঙ্গিতে মোটেই তা সমাপতন নয়। ছবিটির পিছনে স্পষ্ট চিন্তন দলের অনিবার্য উপস্থিতি।
একশো তিরিশ কোটির দেশে যে-কোনও কিছুতেই এক হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। ফলে যে-কেউ প্রধানমন্ত্রী হলেই তা ‘‘আকস্মিক’। সেটা মনমোহনই হোন কিংবা নরেন্দ্র মোদি। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কিন্তু ক্ষমতা প্রায় অসীম। ভারতের মতো বিশাল দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর একজন প্রধানমন্ত্রীর দেশকে দিশা দেখানোর সুযোগ থাকে অগাধ। মনমোহন সিং সৎ, গুণী এবং বিদ্বান মানুষ। ধরে নেওয়া যাক তাঁর আমলে ভালো কাজ কিছু হয়নি। প্রচারধর্মী ছবিতে তো বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছেই যে তার কারণ সোনিয়া গান্ধী। অর্থাৎ মনমোহন ভুল করে ক্ষমতা হারালেও সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আগে ‘আত্মঘাতী’ পদবি যোগ করা যাবে না। মোদির ক্ষেত্রে দায় কিন্তু পুরো নিজের। সেখানে দলের মধ্যে অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর অধিকার একশো শতাংশ। পিছন থেকে পুতুল নাচানোর মতো কোনও শক্তি সেখানে নেই। আদানি, আম্বানিরা যেটুকু আছেন সেটুকু সব রাজত্বেই থেকে থাকে, তাদেরকে এর বেশি গুরুত্ব দেওয়া ঠিক হবে না। সেই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠবেই যে দেশের প্রধানমন্ত্রী এত বেশি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কেন? আধার তো কংগ্রেস আমলের। তাকে জনগণের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টায় ব্রতী তাঁর সরকার। জিএসটি-র অনেকটা কাজও কংগ্রেসের আমলে হয়েছে। চটজলদি সেটা লাগু করে দেশের মাঝের সারির ব্যবসায়ীদের বিপুল ঝামেলায় ফেলেছেন এই প্রধানমন্ত্রী। রাফেল কেনাকাটার শুরুও কংগ্রেস আমলে। তার দাম নিয়ে গন্ডগোল করে এখন পিছনের পায়ে ছাপান্ন ইঞ্চির ছাতিওলা দেশনেতা। কালোটাকা ফিরিয়ে প্রত্যেক দেশবাসীকে পনেরো লক্ষ দেওয়ার গল্প নোটবাতিলের ধাক্কায় চুটকির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। প্রধানমন্ত্রী একটু ভাবলেই দেখবেন যে কমনওয়েলথ গেমস বা থ্রি-জি’র কেলেঙ্কারিতে বিপর্যস্ত কংগ্রেস ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর তাঁর সামনে অন্তত দুটো পাঁচ বছরের রাজত্ব রেকাবিতে সাজিয়ে রাখা ছিল। কিন্তু প্রথমটাতেই যতটা ঘেঁটে গেল, তাতে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয়টার সম্ভাবনা কমছে অনেকটা। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর পিছনে সোনিয়া গান্ধীর কলকাঠি নাড়ার প্রচারধর্মী ছবি একগাদা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রধানমন্ত্রীকে কতটা বাঁচাতে পারে সেটাই এখন দেখার।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
05th  January, 2019
নেতাজির জন্যই ভারত ছেড়েছিল ইংরেজ
পিনাকী ভাদুড়ী

গত অক্টোবরে আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় ইতিহাসকে স্মরণ করে আজাদ হিন্দ সরকারকে সম্মানিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়া দু’রকম। কেউ বলেছেন, বিষয়টা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনী প্রচারের প্রস্তুতি।
বিশদ

নেতাজির তুলনা একমাত্র নেতাজি সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী 

তাঁর জীবনরহস্য সমুদ্রের মতোই গভীর, অর্ধগোলক ব্যাপী কর্মকাণ্ডের উত্তাল সংগ্রাম মুক্তিচেতনায় ঋদ্ধ। এমন নক্ষত্রসম মহাজীবনের সান্নিধ্য পাওয়া যে কোনও জাতির পক্ষেই দুর্লভ ও চিরকালীন গৌরবের উত্তরাধিকার।
বিশদ

22nd  January, 2019
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

21st  January, 2019
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
একনজরে
গজনি, ২২ জানুয়ারি (এএফপি): তালিবান আক্রমণে আফগানিস্তানে মৃত্যু হল ৬৫ জনের। সোমবার আফগানিস্তানের গোয়েন্দা ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায় জঙ্গিরা। প্রাথমিকভাবে ১২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাজরা মোড়ের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (সিএনসিআই)-এর কাছ থেকে যাবতীয় খরচের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) চেয়ে পাঠাল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সেখানকার কাজকর্মের নজরদারিতে তৈরি রাজ্য সরকারের কমিটি। ...

সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: গোরু চরানো নিয়ে বচসার জেরে এক ব্যক্তিকে কুড়ুল দিয়ে মেরে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সাঁকরাইল থানার রগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।  ...

লখনউ, ২২ জানুয়ারি: ভোটের অঙ্ক ঠিক রাখতেই কংগ্রেসকে বাইরে রেখে উত্তরপ্রদেশে জোট বেঁধেছে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজপার্টি (বিএসপি)। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’ এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৯ টাকা ৭২.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.১০ টাকা ৯৩.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৯.৫৪ টাকা ৮২.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৪৪/২ রাত্রি ১১/৫৯। নক্ষত্র- মঘা ৩৬/০ রাত্রি ৮/৪৭, সূ উ ৬/২২/২৭, অ ৫/১৪/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৮ মাঘ ১৪২৫, ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া প্রাতঃ ৬/৫৪/১৬ পরে তৃতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৮। মঘানক্ষত্র রাত্রি ১/১৫/৩৪। সূ উ ৬/২৪/৫০, অ ৫/১১/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৪ মধ্যে ও ঘ ১০/০/২৫ থেকে ১১/২৬/৩৯ মধ্যে ও ৩/২/১৪ থেকে ৪/২৮/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪/২৭ থেকে ৮/৪৩/৬ মধ্যে ও ২/০/২৪ থেকে ৬/২৪/৩১ মধ্যে। বারবেলা ১১/৪৮/১২ থেকে ১/৯/৩ মধ্যে, কালবেলা ৯/৬/৩১ থেকে ১০/২৭/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৬/৩১ থেকে ঘ ৪/৪৫/৪০ মধ্যে। আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৩তম জন্মদিবস
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে মহারাষ্ট্রে ধৃত ৯ 

11:25:09 AM

ডালখোলায় তৃণমূল কর্মী খুন 
উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলার হাসান এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গেল এক ...বিশদ

10:41:54 AM

প্রথম ওয়ান ডে: ১৫৭ রানে অল আউট নিউজিল্যান্ড 

10:24:23 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:08:36 AM

প্রথম ওয়ান ডে: নিউজিল্যান্ড ১৪৬/৬ (৩২ ওভার) 

09:59:49 AM

নির্বাচকদের ২০ লক্ষ টাকা বোনাস দেবে বিসিসিআই
বিসিসিআই ভারতীয় সিনিয়র ক্রিকেট দলের তিন নির্বাচককে সফল দল চয়নের ...বিশদ

09:42:28 AM