Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে। ভোটের দিনও তাঁর মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। বড় নিশ্চিন্তভাবে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের উপর আমার বিপুল আস্থা। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। জনগণের ভোটেই আমরা নির্বাচিত হব।’ হয়েছেও তাই।
১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারির পর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে তল্লাশির সময় তাঁর প্রিয় পুতুলটিও পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছিল পাক বাহিনী। ১১ বছরের মেয়েটি আজও ভোলেনি সেদিনের যন্ত্রণার কথা। ছোটবেলায় ছিলেন কিছুটা অগোছালো প্রকৃতির। নিজের ঘরে এককোণে মাথাগুঁজে গান শুনতে আর বই পড়তেই ভালো লাগত তাঁর। নিজের ঘরে নিজের মতো। বাড়ির সকলে সেই ঘরের নাম দিয়েছিল ‘আলসেখানা’। ছোট বোন শেখ রেহানা বলেন, ‘আমার খুব মন চায়, আজ যদি মাকে বলতে পারতাম তোমার হাসু আর আলসেখানায় থাকে না। বনানী কবরস্থানে গিয়ে ভাবি, তাঁকে যদি এখনও চিঠি লিখতে পারতাম!’
কী লিখতেন রেহানা? তাঁর আপার আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার কাহিনী? যে কাহিনীর সঙ্গে জড়িয়ে একটা গোটা পরিবার হারানোর চরম দুঃখ। একের পর এক হামলার পরও বেঁচে থাকা। হাহাকার। আত্মোপলব্ধি।
প্রধানমন্ত্রী সত্তার চেয়েও আজও তাঁর কাছে মুখ্য পিতার কন্যা পরিচয়টুকুই। মুজিব কন্যা। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, সেই ১৯৭৫-র ১৫ আগস্ট। ভোরের আলো ফোটার আগেই ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি পরিণত হয়েছিল এক টুকরো নরকে। নরপিশাচদের গুলি থেকে রেহাই পাননি মহিলা-শিশু, মুজিব পরিবারের কেউই। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানকেও খুন করা হয়েছিল সেদিন। উদ্দেশ্য, ভারতকে বার্তা দেওয়া। বহু ভারতীয় গোয়েন্দাকর্তার আক্ষেপ, বঙ্গবন্ধুকে বাঁচানো যায়নি এটা শুধু নবজাতক এক রাষ্ট্রের নয়, ভারতেরও ব্যর্থতা। ভাগ্যক্রমে দু’বোনই তখন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। সেই একেকটি গুলির আওয়াজ যেন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত নাড়িয়ে দেয়। আজও। এরপর দুই বোনের স্বজনহীন জীবন কাটানো। বহু বছর। প্রসঙ্গ উঠলেই মুজিব কন্যা বারবার বলেন, সেদিন ইন্দিরা গান্ধীর তথা ভারতের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা।
আজও ৩২ নম্বর বাড়িতে গেলে দরজার পাশে তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন। নির্বাক। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘এখানেই, এই জায়গাতেই আমার ভাই শেখ রাসেল প্রথম হাঁটা শুরু করে।’ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যে পরিবারটার এত ত্যাগ, সেই পরিবারের গল্পে তিনি স্মৃতিকাতর হয়ে যান। শেখ রেহানার এখনও মাঝে মাঝে মনে হয়, পুরো ব্যাপারটা যদি স্বপ্ন হতো? কেবল এক দুঃস্বপ্ন? ‘ডিকেন্সের একটা বই ছিল। টেল অব টু সিটিজ। দুই বোন রিপাবলিকান। কাঁটা দিয়ে উল বুনছে। আর ওদের যারা অত্যাচার করত তাদের কথা ভাবছে। তো যখন শেষ উলটি বুনল তখন বলল, থার্টি টু। মানে ক’জনকে মারছে সেটা গুনছিল দুই বোন মিলে। তো আমি দিল্লিতে থাকতে আপাকে বলতাম, আপা, আমরা এরকম করব। তখন কিন্তু তুমি আমাকে কিছু বলতে পারবে না। আপা বলত, মাথা ঠান্ডা কর, মাথা ঠান্ডা কর।’ রেহানার আপা আজও মাথা ঠান্ডা রেখেই বলেন, ‘মৃত্যুকে ভয় পাই না। মৃত্যুর আগে মরতেও রাজি নই। যতক্ষণ জীবন আছে, ততক্ষণ মানুষের জন্য কাজ করে যাব।’
দেশটাকে নতুন করে গড়তে চান। হেলায় যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসিতে লটকে দেন। ইমরানদের জামাত প্রেম তাঁকে টলাতে পারেননি। ২০১৬ সালের গুলশান হামলার পর জঙ্গি দমনের সাফল্য তো সকলের জানা। তাঁর বিদেশনীতিতে ভারত চিরকাল ছিল নির্ণায়ক স্থানে। আজও আছে। ভোটের ময়দান থেকে কূটনীতির ময়দান, সর্বত্র বলেন, ‘আমরা কোনও জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিই না, আশ্রয় দিই না কোনও জঙ্গিকেও। উগ্র সাম্প্রদায়িকতার স্থান এই দেশে নাই।’ এই ভোটেও ঘোষণা করেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতবিরোধী কোনও শক্তিকে মাথা তুলতে দেব না।’
তাঁর জীবন মানেই এক পিতৃহারা কন্যার বেড়ে ওঠার গল্প। নিজের দেশের হাল ধরার কাহিনী। শেখ হাসিনা। ১৯৮১-র ১৭ মে ঝড়-ঝঞ্ঝা-বৃষ্টিস্নাত দিনে বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন তিনি। তারপর? মাথায় ঘোমটা কখন যেন হয়ে গিয়েছে ট্রেডমার্ক। হাতের বালাটা থেকে মাঝে মাঝে হীরক-বিচ্ছুরণ। মুখে একটা স্মিত হাসি। সে হাসির মধ্যেই লুকিয়ে অদ্ভুত এক উষ্ণতা। তা হতে পারে আতিথেয়তার, সৌজন্যের বা কৃতজ্ঞতার। যাঁর মমতার হাত ছুঁয়ে গিয়েছে সুনামগঞ্জ থেকে সুন্দরবন, কুতুবদিয়া থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদ। শুধু জল ও স্থলই নয়, অন্তরীক্ষেও আজ বাংলাদেশের গৌরবময় বিচরণ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়েও এক টুকরো বাংলাদেশ স্থাপন করে সেদেশের আত্মবিশ্বাস ও সাহসকে গগনচুম্বী করেছেন। বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনাময় একটি দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্থার সমীক্ষায় পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে, বাংলাদেশের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০৫০ সালের আগেই বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তিধর রাষ্ট্রের তালিকায় ২৩ নম্বর স্থানে পৌঁছে যাবে। বাংলাদেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ নয়। রাষ্ট্রসঙ্ঘও স্বীকার করে নিয়েছে বাংলাদেশের অগ্রগতি ।
পাশে আছে ভারতও। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ঘটেছিল ২০১৫ সালে। যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে যান। দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ছিটমহল, ভূমি ও সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে এই সফরেই। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ওই সফরে আকাশ, তথ্য ও প্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিকস, সাইবার নিরাপত্তা, অসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎসহ ৯০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এছাড়া দুই দেশের বাণিজ্য ৭ বিলিয়ন থেকে বর্তমানে ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি পায়। মোদি প্রতিবেশী এই দুই দেশ সম্পর্ককে ‘সোনালি অধ্যায়’ বলেই মন্তব্য করেছিলেন।
আত্মবিশ্বাসী হওয়ার মতো কাজও করেছেন হাসিনা। গত ১০ বছর হাসিনা ক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশ আজ জিডিপি ৭.৮ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি ৬-এর নীচে। বাস্তবায়ন করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন। খাদ্য উৎপাদন প্রায় ৩.৬ কোটি টন। বৈদেশিক মুদ্রা মজুত ৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। গুদামে মজুত খাদ্যের পরিমাণ প্রায় ১৭ লাখ টন। বাংলাদেশ এখন খাদ্যশস্য বিদেশে রপ্তানি করার পর্যায়ে পৌঁছেছে। বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট ১.৭০ লাখ কোটি টাকা। বছরের প্রথম সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের হাতে ৩৫ কোটি বই বিনামূল্যে সরবরাহ করে। প্রায় ১৫ হাজার গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু। সাধারণ মানুষ অ্যান্টিবায়োটিকের মতো ওষুধও বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন। সরকারি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে। দারিদ্র্যসীমা আজ ৪৮ থেকে ২৩ ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। একজন কৃষি মজুর দৈনিক যা আয় করে তা দিয়ে ১০ কেজি চাল কেনা সম্ভব। একজন রিকশা শ্রমিক এখন ১০ হাজার টাকা মাসে আয় করে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পথেঘাটে ভিক্ষুকের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। দেশের মাদ্রাসাগুলিতেও তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়া, সেখানেও উন্নত জীবনের, ভালো জীবনের আকাঙ্ক্ষা। দেশের প্রায় ৯৪ শতাংশ বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে বিদ্যুৎ। ষোলো কোটি মানুষের মধ্যে তেরো কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ফোন। ল্যাপটপ ব্যবহার করছে শতকরা ষাট ভাগের উপর ছাত্রছাত্রী। আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রায় শতভাগ।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার উত্থান অনেকটাই রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো। আগুনের ছাই থেকে উঠে এসে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের। মানুষ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন দেশ নিজের অর্থে পদ্মা সেতু তৈরি করছে। সেতুর দুপাড়ের জমি কিনছে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী। কর্মসংস্থান হবে হাজার হাজার তরুণের। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ দেখছে সেখানে তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ হাব, তৈরি হচ্ছে কয়লাবন্দর। দেশে নতুন যে সমুদ্রবন্দর হয়েছে, পায়রাবন্দরের কাজ এখনও আংশিক শুরুই হয়নি, তাতেই ওই এলাকা বদলে গিয়েছে।
তবুও একটাই শঙ্কা, যে ভয়ঙ্কর সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিএনপি, জামাত, ঐক্যফ্রন্ট, রব, মান্না, কাদের সিদ্দিকী, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া খড়কুটোর মত ভেসে গিয়েছেন, সেই জোয়ারে যেন গণতন্ত্র, মানবাধিকারও ভেসে না যায়। কারণ, নিরাশার খবরও তো আছে। ছাত্রলিগের গুন্ডামি। নেতাদের দাদাগিরি। সর্বোপরি হেফাজতের সঙ্গে মাখামাখি। কে না জানে, বেকারত্ব যখন সরাসরি আঘাত হানে পেটে, তখন ধর্ম সেখানে সিঁধ কাটে। যদি চোরাপথে ধর্মীয়স্বত্বাকে বাঙালিয়ানার উপর ঠাঁই দেন, বিডিআর বিদ্রোহের থেকেও ভয়াবহ হবে পরিণাম। শেখ হাসিনা কথা দিয়েছেন, সংখ্যালঘু-কল্যাণে মন্ত্রক গড়বেন। হাজার হাজার তরুণের কাজের ব্যবস্থা করবেন।
মুজিবকন্যার কথায়, তিনি চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পান না। তাঁর রাজনীতি নিজের জন্য নয়, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নেই তাঁর এই পথচলা। সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা শুরু করেন। ‌আজও।
03rd  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জামিন অযোগ্য ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা’ জারি হয়েছিল আগে। হুগলির পুরশুড়ায় এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সেই কর্তা শেখ সারাফাত আলিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশালের সেবির বিশেষ আদালতে তোলা হয়। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: সঙ্গীতের তিনটি বিভাগে সর্বভারতীয় প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সেরার খেতাব ছিনিয়ে নিল মালদহের কিশোরী রাফা ইয়াসমিন। ৯ জানুয়ারি কলকাতায় এই মেধা অনুসন্ধান সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ।  ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ৮ বছর পর স্থায়ী পদে শিক্ষিকা পেয়ে বৈতল গার্লস হাইস্কুলে কার্যত উৎসবের আমেজ। ২০১১ সালে চালু হওয়া ওই হাইস্কুলে এতদিন কোনও স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। অতিথি শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলেছে।  ...

 মুম্বই, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): বেতন বৃদ্ধি, ‘বেস্ট’ ও ‘বিএমসি’র বাজেট মিশিয়ে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার চতুর্থ দিনে পড়ল মুম্বইয়ের বাস ধর্মঘট। যার জেরে চরম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM