Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট। দুটির সঙ্গেই গোটা দেশের সম্মান ও মর্যাদা জড়িয়ে। বিরাট কোহলির দল তৃতীয়বারের জন্য ক্রিকেট বিশ্বকাপে সেরার মুকুট জিততে পারবে কি না, ১৯৮৩ সালে কপিলদেবের পর আবার লর্ডসে স্বর্ণাক্ষরে ভারতের নাম লিখতে পারবেন কি না সেটা নিঃসন্দেহে ২০১৯-এর অন্যতম বড় দেখার বিষয়। বলা বাহুল্য, লোকসভা নির্বাচন এপ্রিল-মে মাস জুড়ে চলবে। আর ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হবে তারই পিঠোপিঠি। চলবে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত। ক্রিকেট বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির ভারতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার সঙ্গেই রয়েছে দুটি অমোঘ প্রশ্ন, আরও পাঁচ বছরের জন্য দেশের ক্ষমতায় মোদিজিই থাকবেন নাকি ফের কংগ্রেস রাজ মায় রাহুল গান্ধীর শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। নাকি এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যেখানে প্রথম দুই বৃহৎ দলকে বাদ দিয়ে তৃতীয় কোনও আঞ্চলিক দল থেকে প্রধানমন্ত্রী বেছে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা চাইব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক আসুক। সঙ্গতভাবেই আসুক। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এবার গোটা দেশকে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ নিন বাংলার অগ্নিকন্যা। নিঃসন্দেহে এক কঠিন কল্পনা। কিন্তু রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। আর এখানেই আপামর ঠোঁট বাঁকানো, ভ্রু কোঁচকানো বিদ্বৎসমাজকে প্রশ্ন, দেবেগৌড়া, আই কে গুজরাল, চন্দ্রশেখরের মতো টালমাটাল দুর্বল সংখ্যালঘু সরকার সম্ভব হলে সুদক্ষ সর্বজনগ্রাহ্য, একেবারে আপনার আমার সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা বাংলার আপসহীন লড়াকু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হবেন না কেন? স্বাধীনতা-উত্তর ভারতে সবদিক দিয়ে বাংলার অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। তবু, দেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকের ভূমিকায় আজ পর্যন্ত কোনও বাঙালি বসেননি। তাই এই চাওয়ার পিছনে যাঁরা আঞ্চলিকতাবাদ তথা সঙ্কীর্ণতার গন্ধ খুঁজতে মরিয়া, তাঁদের ধিক্কার ছাড়া আর কিছুই প্রাপ্য নয়। বীর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চেয়ে বড় স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতে আসেননি। দুর্ভাগ্য আমাদের, ১৯৪৫ সালের সেই আকস্মিক অর্ন্তধান রহস্যের সমাধান আজও হয়নি। তাঁকে প্রাপ্য সম্মান আমরা দিতে পারিনি। কিন্তু তিনি আছেন, এই বিশ্বাস বাংলা ও বাঙালির অনুভবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে। গর্বের সঙ্গে তাঁর ফেলে যাওয়া বীরত্বের গৌরবগাঁথাকে আমরা প্রতি মূহূর্তে লালন করি। বাংলার শ্রেষ্ঠ বীরের আসন তাই আজও শূন্য। তিনি ফেরেননি। তারপর দশকের পর দশক কেটে গিয়েছে। বাঙালির ভাগ্যে বঞ্চনা ছাড়া মেলেনি কিছুই। কত প্রধানমন্ত্রী এলেন গেলেন। কোনও বাঙালির ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল না। এর পিছনে কি শুধুই যোগ্যতার অভাব নাকি সুগভীর চক্রান্ত কাজ করেছে, সে প্রশ্নের নিষ্পত্তি সহজে হওয়ার নয়, হবেও না। তামিল, মারাঠি, গুজরাতি, ওড়িয়া-সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জাত্যভিমানের সঙ্গে পাল্লা দিতে বাঙালিকেও একজোট হতে হবে। লক্ষ্য একটাই, কোনও রাজনৈতিক ক্ষুদ্র স্বার্থ, হিংসুটে স্বার্থপর পদক্ষেপ যাতে স্বাধীনতার সাত দশক পর একজন বাঙালির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে অন্তরায় হতে না পারে। যিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও গান করেন, ছবি আঁকেন, কবিতা লেখেন, তিনিই পারবেন গোটা দেশের গুরুভার একার কাঁধে তুলে নিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বিনা ক্লেশে পথ চলতে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে হাজারো প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে দেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন। তাঁর শ্রেষ্ঠত্বকে প্রতি মুহূর্তে খাটো করার, ছোট করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। অনেক লবি সক্রিয় হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বাঙালির জাত্যভিমান কোনওদিনই তেমন প্রকট, প্রবল নয়। তবু সৌরভ কিন্তু হার মানেননি। বুক চিতিয়ে দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বেহালার হার-না-মানা ছেলেটা। লর্ডসে জামা উড়িয়ে তাঁর সেই জয়োচ্ছ্বাস আজও প্রতিটি বাঙালির স্মৃতিতে ভাস্বর। এমনভাবেই সঙ্গীতে, বিজ্ঞানে, সমাজের অন্ধকার মুছে দেওয়ার কাজে বাঙালি কখনও পিছিয়ে থাকেনি। বিনয় বাদল দীনেশ থেকে ক্ষুদিরাম, কাকে ছেড়ে কার নাম করব! স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলি থেকেই বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের এই ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে লেখা। কিন্তু তবু গত প্রায় ৭০ বছরের স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের ইতিহাসে বাঙালির প্রাপ্তি বলতে সামান্যই। তেমন কিছুই মেলেনি। মাঝে ১৯৯৬ সালে জ্যোতি বসুর সামনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার একটা সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। কিন্তু, তাঁর দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি ভোটাভুটিতে প্রয়োজনীয় সম্মতি না-দেওয়ায় কিংবা বলা ভালো, দলের একটি অংশ পিছন থেকে ছুরি মারায় সে-যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় জ্যোতিবাবুর। যে কলঙ্ক আজ আর শুধু একটা রাজনৈতিক দলের নয়, গোটা বাঙালি জাতির। লাল পার্টির সেই ঐতিহাসিক ভুলের দায় সমগ্র বাঙালি জাতির। যে জনগোষ্ঠীর জাত্যভিমান নেই, খালি পিছন থেকে টেনে ধরা, কাঠি করা স্বভাব, তার প্রাপ্তির ভাণ্ডার সবসময় শূন্যই থাকে। জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী না-হতে দেওয়ার সেই কলঙ্ক থেকে সহজে আমাদের মুক্তি মিলবে না। এরপর আর কোনও বাঙালির সামনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ আসেনি। অতর্কিতে নিজের দেহরক্ষীর গুলিতে ইন্দিরা গান্ধীর প্রাণ হারানোর পর মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে ’৮৪ সালেই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সামনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ ছিল। বিশেষ একটি পরিবার নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসি শাসনে নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেও বাঙালি জাতির এক দীর্ঘ বঞ্চনার ইতিহাস। সেই গোটা অধ্যায় যথেষ্ট বিতর্কিতও বটে। দোর্দণ্ডপ্রতাপ অর্থমন্ত্রী থেকে তাঁর পাঁচ দশকের বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্বে প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতির জয়মুকুট প্রণববাবুর মাথায় উঠলেও, বলতে দ্বিধা নেই, একজন অত্যন্ত সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আমরা তাঁকে দেখতে চেয়েছিলাম। দেশের এক নম্বর নীতিনির্ধারকের আসনে তাঁর অভিষেক হওয়া উচিত ছিল। অনেকের চেয়ে বেশি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে প্রণববাবুকে আমরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেলেও এই উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের প্রধানমন্ত্রী না-হওয়া বাঙালির হাজারো না-পাওয়ার হতাশা ও বঞ্চনার পরিচয়কেই বহন করছে। দেশের সংসদীয় ইতিহাসে প্রণববাবুর মতো এমন যোগ্য ব্যাক্তিত্ব ক’জন এসেছেন? বাঙালির সেই আক্ষেপ, সেই দীর্ঘশ্বাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে ২০১৯-এ বাস্তবায়িত হবে কি না, তা কোটি টাকার প্রশ্ন। তবু আশায় বুক বাঁধতে অসুবিধা কোথায়?
আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হচ্ছে মোদিজির বহুচর্চিত আচ্ছে দিন কি দেশের আম জনতা দেখতে পেয়েছে? ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা কি ঢুকেছে—নাকি প্রয়াত বাজপেয়িজির আমলের শাইনিং ইন্ডিয়ার মতো এবারও নোটবন্দি, জিএসটি এবং দুর্বল কৃষি নীতিতে বিপন্ন দেশবাসী শাসক দলের রথ উল্টে দেবে? এমনিতে দেশের মানুষ যে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের উপর খুব একটা খুশি নন, তা সদ্যসমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনী ফলাফলেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থান—তিন বৃহৎ রাজ্যেই শাসক বিজেপি ক্ষমতা হারিয়েছে। সেইসঙ্গে মিজোরাম ও তেলেঙ্গানাতেও দাঁত ফোটাতে তারা ব্যর্থ। সর্বত্রই খেটে-খাওয়া গরিব মানুষের আস্থা হারিয়েছে মোদির সরকার। কংগ্রেস দীর্ঘ ব্যর্থতার পর কিছুটা সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে মাত্র ৪৪টি আসন জেতার কলঙ্ক ঢেকে শেষ পর্যন্ত সোনিয়া-রাহুলের দল দেড়শো আসন পেরতে পারবে কি না, তা বড় প্রশ্ন। আর কংগ্রেস, বিজেপিকে বাদ দিয়ে তৃতীয় বৃহত্তম দল হওয়ার দৌড়ে আছে বাংলার জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা-মাটি-মানুষ-এর দল তৃণমূল কংগ্রেস। যদি শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রের সরকার এরাজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী জনপ্রিয় নেত্রীর মুখাপেক্ষী হয়, তাহলে বাঙালির দীর্ঘ অপ্রাপ্তির ইতিহাসে যবনিকা পড়তে পারে। বাঙালির সেই শাপমুক্তি জননেত্রীর হাত ধরেই হয় কি না, সেদিকেই আপাতত নজর থাকবে গোটা জাতির। সেইসঙ্গে প্রার্থনা, এবার বাঙালি যেন বিনা বাধায় শীর্ষে পৌঁছায়।
01st  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
 ইসলামাবাদ, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ সহ পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)-এর একাধিক নেতার বিদেশ ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল পাক সরকার। ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: বামেদের ডাকা ধর্মঘটের দিন কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় দলীয় কর্মীকে মারধরে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার উত্তরপাড়া থানার কানাইপুর ফাঁড়ি ঘেরাও করল তৃণমূল। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: সঙ্গীতের তিনটি বিভাগে সর্বভারতীয় প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সেরার খেতাব ছিনিয়ে নিল মালদহের কিশোরী রাফা ইয়াসমিন। ৯ জানুয়ারি কলকাতায় এই মেধা অনুসন্ধান সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ।  ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দীর্ঘ ৮ বছর পর স্থায়ী পদে শিক্ষিকা পেয়ে বৈতল গার্লস হাইস্কুলে কার্যত উৎসবের আমেজ। ২০১১ সালে চালু হওয়া ওই হাইস্কুলে এতদিন কোনও স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। অতিথি শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM