Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
এই নিবন্ধে আলোচিত ইস্যুগুলির প্রতিটি আলাদাভাবে গণতন্ত্রের জন্য ‘থ্রেট’ নাও হতে পারে এবং হতে পারে সংশোধনযোগ্য। যাই হোক, যদি একটা প্রতিবিধান পাওয়া না-যায়, একটামাত্র ইস্যুতেও গণতন্ত্র বেলাইন হয়ে যেতে পারে। যদি এইসব ইস্যুর অনেকগুলোরই প্রতিবিধান করা সম্ভব না-হয়, তবে, আমি নিশ্চিত যে স্বাধীন, উদার ও পরিণত রাষ্ট্রে যে গণতন্ত্র থাকে বলে মনে করা হয়—সেটা ধ্বংস হয়ে যাবে।
নির্বাচন: প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বা সিইও হলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের একজন প্রতিনিধি। তেলেঙ্গানা রাজ্য বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরদিন সেখানকার সিইও দুঃখ প্রকাশসহ ত্রুটি স্বীকার (অ্যাপলোজাইজড) করে নিয়েছিলেন এই কারণে যে, এবারের ভোটার তালিকা থেকে ২২ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল, যা মোট ভোটার ২ কোটি ৮৩ লক্ষের ৮ শতাংশ। তাঁরা দায়সারাভাবে কৈফিয়ত (অ্যাপলজি) দিয়েই হাত ধুয়ে ফেললেন। একটা সতর্ক গণতন্ত্রে সমস্ত রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া কর্তব্য এবং কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে লাখো লাখো মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সিইও-র পদত্যাগ করা অথবা তাঁকে সরিয়ে দেওয়াই হতো গণতন্ত্রসম্মত। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) তরফে তেলেঙ্গানায় যাঁদের তত্ত্বাবধানে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করা যেত। এসবের একটাও ঘটেনি এবং কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর হুকুমতে চলে এল তেলেঙ্গানাবাসীর জীবন।
বিধানমণ্ডল: নীচের সারণির দিকে লক্ষ করুন লিঙ্গবৈষম্যটা সুস্পষ্ট, এবং এটাও মনে হয় যে লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে কেউ আন্তরিক নয়।
প্রতিটা দল অবশ্যই দোষের ভাগীদার। মহিলাদের অল্পসংখ্যায় প্রার্থী করা হয় অথবা সহজ জয়ের কেন্দ্রগুলোতে পুরুষ প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে জয়ের পক্ষে কঠিন আসনগুলোতে মহিলাদের দাঁড় করানো হয়। কম সংখ্যক মহিলা বিধায়কের অর্থ হচ্ছে কম সংখ্যায় মহিলা মন্ত্রী; মিজোরামে একজনও মহিলা জয়ী হননি, অতএব সেখানে কোনও মহিলা মন্ত্রীও পাওয়া যাবে না, এমএনএফ কোনও মহিলাকে প্রার্থী করেনি! সমাধানটা সোজা: আইনসভাগুলোতে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করে দাও। এটা কোনও বৈপ্লবিক ভাবনা-টাবনা নয়, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে এইরকম সংরক্ষণের আইন ইতিমধ্যেই আছে।
আদালত: আদালত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং ব্যাপারটা একটা যুক্তিগ্রাহ্য সময়ের মধ্যে ঠিকঠাক করে ফেলা যাবে কি না সংশয় আছে। সমস্যাটা শুধু শূন্যপদের নয়, আরও গভীর। ভেঙে-পড়া ব্যবস্থার অন্যদিকগুলো হল সেকেলে এবং অকেজো পদ্ধতি, দুর্বল পরিকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তির অব্যবহার, অযোগ্য লোকজন আইনজীবী নামে ভিড়ে যাওয়া, বার কাউন্সিলের পক্ষে এই জালি লোকজনদের বার করে দেওয়ার অনিচ্ছা কিংবা অক্ষমতা এবং সমস্ত স্তরেই দুর্নীতি রাজ। অনেক ক্ষেত্রে ন্যায় হয়ে থাকে ঠিকই কিন্তু সেটা এই ব্যবস্থার খামতি সত্ত্বেও এবং কিছু ভালো, বিবেকবান বিচারকের সৌজন্যে।  কিন্তু উদ্বেগের বিষয়টা হচ্ছে, এই ধরনের বিচারকের সংখ্যা বাড়ছে না।
জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল): যেসব ‘গরিব ও নির্যাতিত মানুষের আদালতে যাওয়ার সুযোগ নেই’ তাদের কাছে বিচার পৌঁছে দেওয়ার উপায় হিসেবে যেটাকে উৎসাহ দেওয়া হতো সেটা একটা পরশ্রীকাতর উপায়ে পরিণত হয়েছে, ফলাফল ‘বন্দোবস্ত’ (ফিক্স) এবং স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াটিকে লঘু করার জন্য। কিছু পিআইএল আবেদনকারীর উদ্দেশ্য সন্দেহজনক। জনস্বার্থ মামলার বিচার করে রায় দেওয়ার সময় আদালত এমন অভিনব পদ্ধতি নিচ্ছে যার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকছে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ আদালতগুলি তাদের এক্তিয়ার বাড়াবার চেষ্টা করেছে, সরকারি ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে এবং এমনকী আইনসভা বা সংসদের সীমানার মধ্যেও অন্যায়ভাবে প্রবেশ করেছে। কোনও মামলার রায় দেখে আপাতত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে ‘ন্যায় বিচার হয়েছে’, কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত আইনি পদ্ধতির ভয়ংকর ক্ষতি করা হয়েছে, ওইসঙ্গে বড় ক্ষতি করা হয়েছে আইনের স্থিরীকৃত নীতিরও। কিছু মামলার রায় নিঃসংশয়ে ভুল।
আমলাতন্ত্র: আমাদের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল পরিকল্পনা ও কর্মসূচিগুলোর রূপায়ণে এবং প্রতিশ্রুত ফল বা সুবিধাগুলো দেওয়ার অক্ষমতা। কদাচিৎ ক্ষেত্রে প্রশাসন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে (যেমন বিপর্যয়ের সময় ত্রাণকার্য), কিন্তু, মানুষ প্রতি দিন ভীষণ অসন্তুষ্ট। নির্বাচিত রাজনীতিকরা আইন প্রণয়নের দায়িত্ব নেন বটে, সেগুলো কার্যকর করার প্রত্যক্ষ দায়টা নিতে হয় আমলাতন্ত্রকে। সিভিল সার্ভেন্টরা প্রকল্প ও কর্মসূচিগুলোর রূপরেখা তৈরি করে দেন। তাঁরাই ঠিক করে দেন কত খরচ পড়বে ও রূপায়ণে কতটা সময় লাগবে। এগুলো রূপায়ণের প্রত্যক্ষ দায়টাও তাঁদের নিতে হয়। তবু অনেক কর্মসূচি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং বাকি অনেক ক্ষেত্রের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। দেশে প্রচুর ট্যালেন্ট বা প্রতিভা আছে, কিন্তু তারা বেসরকারি ক্ষেত্রে অথবা বিদেশে তাঁদের ‘সার্ভিসটা’ দিচ্ছেন। সমস্যার কোনও সমাধান আমরা পেলাম না আর বছরগুলো চলে যাওয়ার সঙ্গে সেগুলো গুরুতর হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠান, সংগঠন: গত চার বছরের মতো সামান্য সময়ে এত প্রতিষ্ঠান বিশ্রীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা অতীতে কখনওই হয়নি। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি), কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন (সিআইসি) এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) অধঃপতিত অথবা আপস-প্রবণ হয়েছে। সিবিআই ধসে পড়েছে এবং অন্য তদন্তকারী সংস্থাগুলোও ধসে পড়তে চলেছে।
কর আরোপণ: স্বাভাবিক সময়ে কর হার অবশ্যই মাত্রাবদ্ধ (মডারেট) থাকে এবং কর প্রশাসন একটা পরিষেবা হিসেবে কাজ করে। ওইসব নিয়ম উল্টে গিয়েছে। এখন কর হার নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক (যেমন জিএসটি) এবং কর প্রশাসন হল ‘ট্যাক্স টেররিজম’।
প্রধানমন্ত্রী: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান নন, তিনিই হলেন সরকার। সংবিধান সংশোধন ছাড়াই, একটা সংসদীয় গণতন্ত্র প্রায় ‘প্রেসিডেন্সিয়াল গভর্নমেন্ট’-এ পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধের যাবতীয় ব্যবস্থা ( চেকস অ্যান্ড ব্যালান্সেস) তুলে দেওয়া হয়েছে।
একটা ক্রিয়াহীন (ডিসফাংশনাল) গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। শুধু ভারসাম্য (ব্যালান্স) ফিরিয়ে আনা গেলেই ভারতীয় গণতন্ত্রটা বাঁচবে। একটা আশাবাদী কথা দিয়ে বছরটা শেষ করা যাক: “শীত এসে গেলে বসন্ত কি খুব দূরে থাকতে পারে?”
31st  December, 2018
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল!
বিশদ

30th  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
 সিডনি, ১১ জানুয়ারি: এশিয়ার প্রথম অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের মুকুট সদ্য তাঁর মাথায় উঠেছে। তবু অজিদের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে খেলতে নামার আগে মন ভালো নেই বিরাট কোহলির। চোখে মুখে ধরা পড়েছে বিষণ্ণতার ছাপ। খানিক অপ্রস্তুতও বটে। ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: বামেদের ডাকা ধর্মঘটের দিন কলেজে ঢুকতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করায় দলীয় কর্মীকে মারধরে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার উত্তরপাড়া থানার কানাইপুর ফাঁড়ি ঘেরাও করল তৃণমূল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জামিন অযোগ্য ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা’ জারি হয়েছিল আগে। হুগলির পুরশুড়ায় এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সেই কর্তা শেখ সারাফাত আলিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশালের সেবির বিশেষ আদালতে তোলা হয়। ...

 মুম্বই, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): বেতন বৃদ্ধি, ‘বেস্ট’ ও ‘বিএমসি’র বাজেট মিশিয়ে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার চতুর্থ দিনে পড়ল মুম্বইয়ের বাস ধর্মঘট। যার জেরে চরম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM