Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
এই নিবন্ধে আলোচিত ইস্যুগুলির প্রতিটি আলাদাভাবে গণতন্ত্রের জন্য ‘থ্রেট’ নাও হতে পারে এবং হতে পারে সংশোধনযোগ্য। যাই হোক, যদি একটা প্রতিবিধান পাওয়া না-যায়, একটামাত্র ইস্যুতেও গণতন্ত্র বেলাইন হয়ে যেতে পারে। যদি এইসব ইস্যুর অনেকগুলোরই প্রতিবিধান করা সম্ভব না-হয়, তবে, আমি নিশ্চিত যে স্বাধীন, উদার ও পরিণত রাষ্ট্রে যে গণতন্ত্র থাকে বলে মনে করা হয়—সেটা ধ্বংস হয়ে যাবে।
নির্বাচন: প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বা সিইও হলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের একজন প্রতিনিধি। তেলেঙ্গানা রাজ্য বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরদিন সেখানকার সিইও দুঃখ প্রকাশসহ ত্রুটি স্বীকার (অ্যাপলোজাইজড) করে নিয়েছিলেন এই কারণে যে, এবারের ভোটার তালিকা থেকে ২২ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল, যা মোট ভোটার ২ কোটি ৮৩ লক্ষের ৮ শতাংশ। তাঁরা দায়সারাভাবে কৈফিয়ত (অ্যাপলজি) দিয়েই হাত ধুয়ে ফেললেন। একটা সতর্ক গণতন্ত্রে সমস্ত রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া কর্তব্য এবং কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে লাখো লাখো মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সিইও-র পদত্যাগ করা অথবা তাঁকে সরিয়ে দেওয়াই হতো গণতন্ত্রসম্মত। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) তরফে তেলেঙ্গানায় যাঁদের তত্ত্বাবধানে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করা যেত। এসবের একটাও ঘটেনি এবং কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর হুকুমতে চলে এল তেলেঙ্গানাবাসীর জীবন।
বিধানমণ্ডল: নীচের সারণির দিকে লক্ষ করুন লিঙ্গবৈষম্যটা সুস্পষ্ট, এবং এটাও মনে হয় যে লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে কেউ আন্তরিক নয়।
প্রতিটা দল অবশ্যই দোষের ভাগীদার। মহিলাদের অল্পসংখ্যায় প্রার্থী করা হয় অথবা সহজ জয়ের কেন্দ্রগুলোতে পুরুষ প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে জয়ের পক্ষে কঠিন আসনগুলোতে মহিলাদের দাঁড় করানো হয়। কম সংখ্যক মহিলা বিধায়কের অর্থ হচ্ছে কম সংখ্যায় মহিলা মন্ত্রী; মিজোরামে একজনও মহিলা জয়ী হননি, অতএব সেখানে কোনও মহিলা মন্ত্রীও পাওয়া যাবে না, এমএনএফ কোনও মহিলাকে প্রার্থী করেনি! সমাধানটা সোজা: আইনসভাগুলোতে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করে দাও। এটা কোনও বৈপ্লবিক ভাবনা-টাবনা নয়, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে এইরকম সংরক্ষণের আইন ইতিমধ্যেই আছে।
আদালত: আদালত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং ব্যাপারটা একটা যুক্তিগ্রাহ্য সময়ের মধ্যে ঠিকঠাক করে ফেলা যাবে কি না সংশয় আছে। সমস্যাটা শুধু শূন্যপদের নয়, আরও গভীর। ভেঙে-পড়া ব্যবস্থার অন্যদিকগুলো হল সেকেলে এবং অকেজো পদ্ধতি, দুর্বল পরিকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তির অব্যবহার, অযোগ্য লোকজন আইনজীবী নামে ভিড়ে যাওয়া, বার কাউন্সিলের পক্ষে এই জালি লোকজনদের বার করে দেওয়ার অনিচ্ছা কিংবা অক্ষমতা এবং সমস্ত স্তরেই দুর্নীতি রাজ। অনেক ক্ষেত্রে ন্যায় হয়ে থাকে ঠিকই কিন্তু সেটা এই ব্যবস্থার খামতি সত্ত্বেও এবং কিছু ভালো, বিবেকবান বিচারকের সৌজন্যে।  কিন্তু উদ্বেগের বিষয়টা হচ্ছে, এই ধরনের বিচারকের সংখ্যা বাড়ছে না।
জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল): যেসব ‘গরিব ও নির্যাতিত মানুষের আদালতে যাওয়ার সুযোগ নেই’ তাদের কাছে বিচার পৌঁছে দেওয়ার উপায় হিসেবে যেটাকে উৎসাহ দেওয়া হতো সেটা একটা পরশ্রীকাতর উপায়ে পরিণত হয়েছে, ফলাফল ‘বন্দোবস্ত’ (ফিক্স) এবং স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াটিকে লঘু করার জন্য। কিছু পিআইএল আবেদনকারীর উদ্দেশ্য সন্দেহজনক। জনস্বার্থ মামলার বিচার করে রায় দেওয়ার সময় আদালত এমন অভিনব পদ্ধতি নিচ্ছে যার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকছে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ আদালতগুলি তাদের এক্তিয়ার বাড়াবার চেষ্টা করেছে, সরকারি ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে এবং এমনকী আইনসভা বা সংসদের সীমানার মধ্যেও অন্যায়ভাবে প্রবেশ করেছে। কোনও মামলার রায় দেখে আপাতত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে ‘ন্যায় বিচার হয়েছে’, কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত আইনি পদ্ধতির ভয়ংকর ক্ষতি করা হয়েছে, ওইসঙ্গে বড় ক্ষতি করা হয়েছে আইনের স্থিরীকৃত নীতিরও। কিছু মামলার রায় নিঃসংশয়ে ভুল।
আমলাতন্ত্র: আমাদের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল পরিকল্পনা ও কর্মসূচিগুলোর রূপায়ণে এবং প্রতিশ্রুত ফল বা সুবিধাগুলো দেওয়ার অক্ষমতা। কদাচিৎ ক্ষেত্রে প্রশাসন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে (যেমন বিপর্যয়ের সময় ত্রাণকার্য), কিন্তু, মানুষ প্রতি দিন ভীষণ অসন্তুষ্ট। নির্বাচিত রাজনীতিকরা আইন প্রণয়নের দায়িত্ব নেন বটে, সেগুলো কার্যকর করার প্রত্যক্ষ দায়টা নিতে হয় আমলাতন্ত্রকে। সিভিল সার্ভেন্টরা প্রকল্প ও কর্মসূচিগুলোর রূপরেখা তৈরি করে দেন। তাঁরাই ঠিক করে দেন কত খরচ পড়বে ও রূপায়ণে কতটা সময় লাগবে। এগুলো রূপায়ণের প্রত্যক্ষ দায়টাও তাঁদের নিতে হয়। তবু অনেক কর্মসূচি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং বাকি অনেক ক্ষেত্রের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। দেশে প্রচুর ট্যালেন্ট বা প্রতিভা আছে, কিন্তু তারা বেসরকারি ক্ষেত্রে অথবা বিদেশে তাঁদের ‘সার্ভিসটা’ দিচ্ছেন। সমস্যার কোনও সমাধান আমরা পেলাম না আর বছরগুলো চলে যাওয়ার সঙ্গে সেগুলো গুরুতর হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠান, সংগঠন: গত চার বছরের মতো সামান্য সময়ে এত প্রতিষ্ঠান বিশ্রীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা অতীতে কখনওই হয়নি। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি), কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন (সিআইসি) এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) অধঃপতিত অথবা আপস-প্রবণ হয়েছে। সিবিআই ধসে পড়েছে এবং অন্য তদন্তকারী সংস্থাগুলোও ধসে পড়তে চলেছে।
কর আরোপণ: স্বাভাবিক সময়ে কর হার অবশ্যই মাত্রাবদ্ধ (মডারেট) থাকে এবং কর প্রশাসন একটা পরিষেবা হিসেবে কাজ করে। ওইসব নিয়ম উল্টে গিয়েছে। এখন কর হার নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক (যেমন জিএসটি) এবং কর প্রশাসন হল ‘ট্যাক্স টেররিজম’।
প্রধানমন্ত্রী: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান নন, তিনিই হলেন সরকার। সংবিধান সংশোধন ছাড়াই, একটা সংসদীয় গণতন্ত্র প্রায় ‘প্রেসিডেন্সিয়াল গভর্নমেন্ট’-এ পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধের যাবতীয় ব্যবস্থা ( চেকস অ্যান্ড ব্যালান্সেস) তুলে দেওয়া হয়েছে।
একটা ক্রিয়াহীন (ডিসফাংশনাল) গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। শুধু ভারসাম্য (ব্যালান্স) ফিরিয়ে আনা গেলেই ভারতীয় গণতন্ত্রটা বাঁচবে। একটা আশাবাদী কথা দিয়ে বছরটা শেষ করা যাক: “শীত এসে গেলে বসন্ত কি খুব দূরে থাকতে পারে?”
31st  December, 2018
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার নির্বাচনের ফলাফলের দিনে শুনশান রইল ময়নাগুড়ি বাজার। ময়নাগুড়ি নতুন ও পুরাতন বাজারে এদিন সকালের দিকে হাতেগোনা কয়েকটি দোকান ও লোকজনের দেখা মিললেও বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কার্যত ফাঁকা হয়ে যায় বাজার। সকলের চোখ কার্যত তখন টিভির পর্দায়। ...

মুম্বই ও নয়াদিল্লি, ২৩ মে (পিটিআই): এক্সিট পোলে গেরুয়া ঝড়ের আভাস ছিলই! কিন্তু, গণনা শুরু হওয়ার পরই দেখা গেল গেরুয়া সুনামিতে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বিরোধীরা। একই ছবি মহারাষ্ট্র এবং রাজধানী দিল্লিতেও। পাঁচ বছর আগের পুনরাবৃত্তি করে একের পর আসনে ...

 সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: পুরুলিয়াও হাতছাড়া হল তৃণমূলের। বৃহস্পতিবার তৃণমূল প্রার্থী মৃগাঙ্ক মাহাতকে প্রায় দেড় লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে পুরুলিয়া আসনে জয়লাভ করেন বিজেপি প্রার্থী ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শত্রুরা পরাভূত হবে। কর্মে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের জন্য ব্যয়-বৃদ্ধির যোগ আছে। কোন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম

23rd  May, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,২৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩, ০৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার, ষষ্ঠী অহোরাত্র। উত্তরাষাঢ়া ৬/২৩ দিবা ৭/৩০। সূ উ ৪/৫৭/১৬, অ ৬/৯/২৪, অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১ গতে ১০/১২ মধ্যে।
 প্রাচীন পঞ্জিকা: ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৪ মে ২০১৯, শুক্রবার, ষষ্ঠী ৬০/০/০ অহোরাত্র। উত্তরাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৬/৫২/২৯ দিবা ৭/৪১/৪৪, সূ উ ৪/৫৬/৪৪, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৬ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৫/২৭ গতে ৯/৫৪/৪৮ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৪/৪৮ গতে ১১/৩৪/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫২/৫২ গতে ১২/১৩/৩১ মধ্যে।
১৮ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুরাতে আগুন: মৃতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতদের ...বিশদ

06:19:00 PM

সুরাতে আগুন: কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু
সুরাত পুলিস কমিশনার সতীশকুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু ...বিশদ

06:16:00 PM

সুরাতে আগুন: সমবেদনা জানালেন মোদি 
অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সুরাতে আগুন লাগার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন নরেন্দ্র মোদি। ...বিশদ

06:07:00 PM

ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সুরাতে
ভয়াবহ আগুন সুরাতের সার্থনার একটি বাড়িতে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। ...বিশদ

06:01:00 PM

শুভ্রাংশু রায়কে সাসপেন্ড করল তৃণমূল
দলে থেকে দল বিরোধী মন্তব্য করার অপরাধে এবং অন্য ...বিশদ

05:26:55 PM

আউশগ্রামের দিগনগরে তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগানোর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

04:26:22 PM