বিশেষ নিবন্ধ
 

বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
এই নিবন্ধে আলোচিত ইস্যুগুলির প্রতিটি আলাদাভাবে গণতন্ত্রের জন্য ‘থ্রেট’ নাও হতে পারে এবং হতে পারে সংশোধনযোগ্য। যাই হোক, যদি একটা প্রতিবিধান পাওয়া না-যায়, একটামাত্র ইস্যুতেও গণতন্ত্র বেলাইন হয়ে যেতে পারে। যদি এইসব ইস্যুর অনেকগুলোরই প্রতিবিধান করা সম্ভব না-হয়, তবে, আমি নিশ্চিত যে স্বাধীন, উদার ও পরিণত রাষ্ট্রে যে গণতন্ত্র থাকে বলে মনে করা হয়—সেটা ধ্বংস হয়ে যাবে।
নির্বাচন: প্রতিটি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বা সিইও হলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের একজন প্রতিনিধি। তেলেঙ্গানা রাজ্য বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরদিন সেখানকার সিইও দুঃখ প্রকাশসহ ত্রুটি স্বীকার (অ্যাপলোজাইজড) করে নিয়েছিলেন এই কারণে যে, এবারের ভোটার তালিকা থেকে ২২ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল, যা মোট ভোটার ২ কোটি ৮৩ লক্ষের ৮ শতাংশ। তাঁরা দায়সারাভাবে কৈফিয়ত (অ্যাপলজি) দিয়েই হাত ধুয়ে ফেললেন। একটা সতর্ক গণতন্ত্রে সমস্ত রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া কর্তব্য এবং কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে লাখো লাখো মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে আনা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সিইও-র পদত্যাগ করা অথবা তাঁকে সরিয়ে দেওয়াই হতো গণতন্ত্রসম্মত। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) তরফে তেলেঙ্গানায় যাঁদের তত্ত্বাবধানে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করা যেত। এসবের একটাও ঘটেনি এবং কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর হুকুমতে চলে এল তেলেঙ্গানাবাসীর জীবন।
বিধানমণ্ডল: নীচের সারণির দিকে লক্ষ করুন লিঙ্গবৈষম্যটা সুস্পষ্ট, এবং এটাও মনে হয় যে লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে কেউ আন্তরিক নয়।
প্রতিটা দল অবশ্যই দোষের ভাগীদার। মহিলাদের অল্পসংখ্যায় প্রার্থী করা হয় অথবা সহজ জয়ের কেন্দ্রগুলোতে পুরুষ প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়ে জয়ের পক্ষে কঠিন আসনগুলোতে মহিলাদের দাঁড় করানো হয়। কম সংখ্যক মহিলা বিধায়কের অর্থ হচ্ছে কম সংখ্যায় মহিলা মন্ত্রী; মিজোরামে একজনও মহিলা জয়ী হননি, অতএব সেখানে কোনও মহিলা মন্ত্রীও পাওয়া যাবে না, এমএনএফ কোনও মহিলাকে প্রার্থী করেনি! সমাধানটা সোজা: আইনসভাগুলোতে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করে দাও। এটা কোনও বৈপ্লবিক ভাবনা-টাবনা নয়, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে এইরকম সংরক্ষণের আইন ইতিমধ্যেই আছে।
আদালত: আদালত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং ব্যাপারটা একটা যুক্তিগ্রাহ্য সময়ের মধ্যে ঠিকঠাক করে ফেলা যাবে কি না সংশয় আছে। সমস্যাটা শুধু শূন্যপদের নয়, আরও গভীর। ভেঙে-পড়া ব্যবস্থার অন্যদিকগুলো হল সেকেলে এবং অকেজো পদ্ধতি, দুর্বল পরিকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তির অব্যবহার, অযোগ্য লোকজন আইনজীবী নামে ভিড়ে যাওয়া, বার কাউন্সিলের পক্ষে এই জালি লোকজনদের বার করে দেওয়ার অনিচ্ছা কিংবা অক্ষমতা এবং সমস্ত স্তরেই দুর্নীতি রাজ। অনেক ক্ষেত্রে ন্যায় হয়ে থাকে ঠিকই কিন্তু সেটা এই ব্যবস্থার খামতি সত্ত্বেও এবং কিছু ভালো, বিবেকবান বিচারকের সৌজন্যে।  কিন্তু উদ্বেগের বিষয়টা হচ্ছে, এই ধরনের বিচারকের সংখ্যা বাড়ছে না।
জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল): যেসব ‘গরিব ও নির্যাতিত মানুষের আদালতে যাওয়ার সুযোগ নেই’ তাদের কাছে বিচার পৌঁছে দেওয়ার উপায় হিসেবে যেটাকে উৎসাহ দেওয়া হতো সেটা একটা পরশ্রীকাতর উপায়ে পরিণত হয়েছে, ফলাফল ‘বন্দোবস্ত’ (ফিক্স) এবং স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াটিকে লঘু করার জন্য। কিছু পিআইএল আবেদনকারীর উদ্দেশ্য সন্দেহজনক। জনস্বার্থ মামলার বিচার করে রায় দেওয়ার সময় আদালত এমন অভিনব পদ্ধতি নিচ্ছে যার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকছে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ আদালতগুলি তাদের এক্তিয়ার বাড়াবার চেষ্টা করেছে, সরকারি ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে এবং এমনকী আইনসভা বা সংসদের সীমানার মধ্যেও অন্যায়ভাবে প্রবেশ করেছে। কোনও মামলার রায় দেখে আপাতত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে ‘ন্যায় বিচার হয়েছে’, কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত আইনি পদ্ধতির ভয়ংকর ক্ষতি করা হয়েছে, ওইসঙ্গে বড় ক্ষতি করা হয়েছে আইনের স্থিরীকৃত নীতিরও। কিছু মামলার রায় নিঃসংশয়ে ভুল।
আমলাতন্ত্র: আমাদের প্রশাসনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল পরিকল্পনা ও কর্মসূচিগুলোর রূপায়ণে এবং প্রতিশ্রুত ফল বা সুবিধাগুলো দেওয়ার অক্ষমতা। কদাচিৎ ক্ষেত্রে প্রশাসন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে (যেমন বিপর্যয়ের সময় ত্রাণকার্য), কিন্তু, মানুষ প্রতি দিন ভীষণ অসন্তুষ্ট। নির্বাচিত রাজনীতিকরা আইন প্রণয়নের দায়িত্ব নেন বটে, সেগুলো কার্যকর করার প্রত্যক্ষ দায়টা নিতে হয় আমলাতন্ত্রকে। সিভিল সার্ভেন্টরা প্রকল্প ও কর্মসূচিগুলোর রূপরেখা তৈরি করে দেন। তাঁরাই ঠিক করে দেন কত খরচ পড়বে ও রূপায়ণে কতটা সময় লাগবে। এগুলো রূপায়ণের প্রত্যক্ষ দায়টাও তাঁদের নিতে হয়। তবু অনেক কর্মসূচি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং বাকি অনেক ক্ষেত্রের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। দেশে প্রচুর ট্যালেন্ট বা প্রতিভা আছে, কিন্তু তারা বেসরকারি ক্ষেত্রে অথবা বিদেশে তাঁদের ‘সার্ভিসটা’ দিচ্ছেন। সমস্যার কোনও সমাধান আমরা পেলাম না আর বছরগুলো চলে যাওয়ার সঙ্গে সেগুলো গুরুতর হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠান, সংগঠন: গত চার বছরের মতো সামান্য সময়ে এত প্রতিষ্ঠান বিশ্রীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা অতীতে কখনওই হয়নি। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি), কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন (সিআইসি) এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) অধঃপতিত অথবা আপস-প্রবণ হয়েছে। সিবিআই ধসে পড়েছে এবং অন্য তদন্তকারী সংস্থাগুলোও ধসে পড়তে চলেছে।
কর আরোপণ: স্বাভাবিক সময়ে কর হার অবশ্যই মাত্রাবদ্ধ (মডারেট) থাকে এবং কর প্রশাসন একটা পরিষেবা হিসেবে কাজ করে। ওইসব নিয়ম উল্টে গিয়েছে। এখন কর হার নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক (যেমন জিএসটি) এবং কর প্রশাসন হল ‘ট্যাক্স টেররিজম’।
প্রধানমন্ত্রী: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান নন, তিনিই হলেন সরকার। সংবিধান সংশোধন ছাড়াই, একটা সংসদীয় গণতন্ত্র প্রায় ‘প্রেসিডেন্সিয়াল গভর্নমেন্ট’-এ পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধের যাবতীয় ব্যবস্থা ( চেকস অ্যান্ড ব্যালান্সেস) তুলে দেওয়া হয়েছে।
একটা ক্রিয়াহীন (ডিসফাংশনাল) গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাবে। শুধু ভারসাম্য (ব্যালান্স) ফিরিয়ে আনা গেলেই ভারতীয় গণতন্ত্রটা বাঁচবে। একটা আশাবাদী কথা দিয়ে বছরটা শেষ করা যাক: “শীত এসে গেলে বসন্ত কি খুব দূরে থাকতে পারে?”
31st  December, 2018
জঙ্গি হানার পর
সমৃদ্ধ দত্ত

 সেনাপ্রধান স্যাম মানেকশকে ডেকে ইন্দিরা গান্ধী বললেন, জেনারেল, আমার মনে হয় ইস্ট পাকিস্তানি (পরবর্তী বাংলাদেশ) বেঙ্গলিদের রক্ষা করতে আমাদের মিলিটারি অ্যাকশনে যেতে হবে। ইস্ট পাকিস্তান থেকে স্বৈরাচারী আর্মি রুলকে সরাতে হবে। সেটা ইন্ডিয়ার সুরক্ষার জন্যও খুব দরকার।
বিশদ

শিশুদের বাজেট
শুভময় মৈত্র

 একশো ত্রিশ কোটির দেশে আশি কোটি প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার, বাকি পঞ্চাশ কোটি বয়সে ছোট। যার ভোট নেই তার জন্যে লোকসভা নির্বাচনের মাস তিনেক আগে ভাবার সময় থাকে না শাসকদলের। সেই জন্যেই বাজেট বক্তৃতায় শিশুদের কথা খুঁজতে গেলে দূরবিন প্রয়োজন। তবে চশমা ছাড়াই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এবারের বাজেটের বিশালাকার অক্ষরের ভীষণ চমক ‘ভিশন ২০৩০’। আজ থেকে এগারো বছর পর দেশ ঠিক কোথায় পৌঁছবে তার চালচিত্র। কোথাও কিন্তু আজকের শিশুদের কথা নেই।
বিশদ

আর একটি ৮ ফাগুনের প্রতীক্ষায়...
অতনু বিশ্বাস

ওদিকে বাংলাভাষার তৃতীয় ভুবনে অসমের বারাক উপত্যকায় বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার সত্যাগ্রহীদের উপরে পুলিসের নির্বিচার গুলিতে ১৯৬১-র ১৯ মে, রবীন্দ্র শতবর্ষের কবিপক্ষের মাঝেই, জন্ম হল একাদশ শহিদের।
বিশদ

21st  February, 2019
যুগজাগরণে যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ
স্বামী নীলেশ্বরানন্দ

যুগজাগরণ এক যুগাচার্যের সাধনসিদ্ধির প্রাক্কালীন শ্রীমুখ নিঃসৃত যুগমহাবাণী। এ জাগরণ মানব জীবনের উন্নয়ন উদ্বোধনের আকাশবার্তা। ১৯১৬ সনের পুণ্যময়ী মাঘী পূর্ণিমার শুভ লগ্নে এক সাধক সাধন সমাহিত অবস্থা থেকে উত্থিত হয়েই জগৎবাসীর কল্যাণে উৎসর্গ করলেন এক মহাআশ্বাস বাণী—এ যুগ মহাজাগরণের তথা মহাসমন্বয়ের।
বিশদ

19th  February, 2019
ইসলামাবাদের ইসলামি ঐক্যের ফাঁদে কাশ্মীর
হারাধন চৌধুরী

ঘটনাটিকে বাসি বলার সময় এখনও হয়নি। বলিউডের নামজাদা অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহের এক সংকীর্ণ মন্তব‌্যে উৎসাহিত হয়ে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করে বসলেন, ‘‘সংখ‌্যালঘুদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হয় তা মোদি সরকারকে দেখিয়ে দেবে পাকিস্তান।’’
বিশদ

19th  February, 2019
বধ্যভূমি কাশ্মীর: আমরা কি
কেবল মার খেতেই থাকব!

শুভা দত্ত

 গত বৃহস্পতিবার আবার জঙ্গি তাণ্ডবে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ, দেশপ্রেমিক জওয়ানদের রক্তে ভিজে গেল কাশ্মীর উপত্যকার মাটি। পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় জয়েশ জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলায় সিআরপিএফের ৪৪ জন জওয়ান শহিদ হলেন।
বিশদ

17th  February, 2019
মার্কিন মুলুকে (-) ৬০,
সন্ধিক্ষণ কিন্তু পরিবর্তনেরই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পোলার ভর্টেক্সের প্রভাব কি ভারতেও পড়েছে? এবার উত্তর ভারতের দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডার জন্য আবহাওয়াবিদরা কিছুটা হলেও পোলার ভর্টেক্সকে দায়ী করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোলার ভর্টেক্স দুর্বল হয়ে ঠান্ডাটাকে আমেরিকা ও ইউরোপের উত্তরভাগে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। আর তার ধাক্কায় দক্ষিণের দিকে চলে এসেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এমনিতে বছরে চার থেকে ছ’টি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ভারতীয় উপমহাদেশে এসে ধাক্কা খায়। চলতি বছর সেই সংখ্যাটা সাত। যার জন্য শীতের প্রকোপ বেড়েছে ভারতে। মূলত হিমালয় এবং তার সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে।
বিশদ

16th  February, 2019
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

গত পাঁচ বছরে সিপিএম একবারও কি রেলমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে রাস্তায় নেমেছে? পশ্চিমবঙ্গ কেন বঞ্চিত হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কখনও সিপিএমকে প্রেস কনফারেন্স করতে দেখেছে কেউ? কেন কিছু করেনি সিপিএম? কারণ এখন আর রেলমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। বিশদ

15th  February, 2019
রাফাল না সিবিআই, মোদি-বিরোধিতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ইস্যু কোনটি?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 রাফাল ইস্যুকে সামনে রেখে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ধারাবাহিকভাবে রাফাল ইস্যু প্রচারের কেন্দ্রে রাখতে পেরেছিলেন রাহুল। হিন্দি বলয়ে তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়-এ বিজেপি’র পরাজয়ের পিছনে অন্য সমস্ত কারণের মধ্যে রাহুল গান্ধীর তোলা রাফাল যুদ্ধ বিমান দুর্নীতির প্রচার বিজেপি’র বিরুদ্ধে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
বিশদ

14th  February, 2019
স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়।
বিশদ

12th  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

11th  February, 2019
ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: কাশ্মীরে জঙ্গিহানায় শহিদ সিআরপিএফ জওয়ান বাবলু সাঁতরার বাড়িতে গিয়ে রাজ্য সরকারের দেওয়া ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাউড়িয়ার চককাশি গ্রামে গিয়ে অরূপবাবু শহিদের মা বনলতা সাঁতরা ও স্ত্রী মিতাদেবীর হাতে চেক ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: প্রায় এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার রানিতলা থানার চর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম অচিন্ত্যকুমার মণ্ডল (১৯)।  ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 বার্লিন, ২১ ফেব্রুয়ারি (এপি): জার্মানির মিউনিখে গুলিতে প্রাণ গেল দু’জনের। পুলিস বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এখন ‘পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’। মিউনিখের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শহরের এক বহুতলে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াই শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৯ টাকা ৭১.৯৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২০ টাকা ৯৪.৪৯ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,০৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,৭৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ১১/৪৬ দিবা ১০/৫০। হস্তা ৪৫/২৪ রাত্রি ১২/১৭। সূ উ ৬/৭/৫৪, অ ৫/৩২/৪৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৮/২৪ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫৯ গতে ১১/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩/১১/২৬। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/১৯/১৫ পরে হস্তা নক্ষত্র রাত্রিশেষ ৫/৭/০, সূ উ ৬/৯/২৪, অ ৫/৩০/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০/১৫ মধ্যে ও ৮/২৫/৪১ থেকে ১০/৪১/৫৮ মধ্যে ও ১২/৫৮/১৫ থেকে ২/২৯/৬ মধ্যে ও ৩/৫৯/৫৮ থেকে ৫/৩০/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১১/৩৮ থেকে ৮/৪২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৩৭/২১ থেকে ৪/২৭/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫৯/৪৫ থেকে ১০/২৪/৫৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/২৪/৫৬ থেকে ১১/৫০/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪০/২৮ থেকে ১০/১৫/৩ মধ্যে।
১৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা দম্পতির, মৃত প্রৌঢ় 
মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করল এক প্রৌঢ় দম্পতি। ...বিশদ

01:20:18 PM

উত্তরপ্রদেশের সাহারনপুর থেকে ২ সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গি ধৃত 

01:17:02 PM

আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও চন্দা কোচারের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করল সিবিআই

12:51:01 PM

চন্দ্রকোণায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে আলু ফেলে অবরোধে কৃষক সভা 

12:40:32 PM

সিওল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

11:56:15 AM

আজ মুক্তি 
নগরকীর্তন: কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, আরডিবি, ...বিশদ

11:09:40 AM