Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বছর শেষের ভাবনা
শুভা দত্ত

আবার একটা আনকোরা নতুন বছর এসে গেল। কাল মধ্যরাত পেরতেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ইংরেজি বছর ২০১৯। কীভাবে যে আজকাল সময় চলে যায়! একটা গোটা বছর যেন চোখের কয়েকটা পলক মাত্র! তাই বুঝি আজ বছর শেষের দোরগোড়ায় এসে মনে হচ্ছে—এই তো সেদিন ২০১৮ এল! ডিসেম্বরের শেষ রাতে ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁতেই কত বাজি পুড়ল, গির্জায় ঘণ্টা বাজল, প্রার্থনার রব উঠল, মানুষ রাতের ঘুম ভুলে পার্ক স্ট্রিট থেকে বউবাজারের বো-ব্যারাক, কাকদ্বীপ থেকে কালিম্পং গোটা রাজ্য মাতিয়ে বেড়ালো, খানাপিনা হইহুল্লোড় আর আলোর রোশনাইতে ঝলমলে রাতের মহানগরী ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে ভোর অব্দি ভেসে গেল উৎসবমুখর মানুষের স্রোতে। আর টিভির চ্যানেলগুলোতে দেশ রাজ্যের সঙ্গে লন্ডন শিকাগো প্যারিস নিউইয়র্ক ভ্যাটিকান বেইজিং— সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বর্ষবরণের রঙিন উন্মাদনার অজস্র টুকরো ছবি বর্ষবরণের সেই আনন্দকে যেন রূপকথার মতো মায়াবী মোহময় করে দিয়ে গেল। তারপর এক দুই করে কেটে বারোটা মাস পার! ঘটনা-দুর্ঘটনা, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, অশান্তি-উত্তেজনা, সংশয়-চিন্তায় ঠাসা বারো মাস! কিন্তু, কী আশ্চর্য— মনে হচ্ছে এই তো সেদিন গেল পয়লা জানুয়ারি!
এ কেবল কথার কথা নয়। অনেকেই আজকাল এই আক্ষেপ করেন— সময় হারানোর আক্ষেপ! সময় পাচ্ছি না ভাই, কোথা দিয়ে যে সময় যাচ্ছে বুঝতেই পারছি না, কাজকর্ম ডাঁই হয়ে আছে, সময় বেঁধে শুরু করলাম কিন্তু কাজের মাঝপথেই দেখি সময় হাওয়া! পথেঘাটে অফিস-কাছারিতে মায় ঘরসংসারের অন্দরেও এই আক্ষেপ অহরহ বাজছে, একটু কান পাতলেই শোনা যায়! কিন্তু, এমনটা হচ্ছে কেন? সত্যিই কি সময়ের গতি বেড়ে গেছে? এসব নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন সেই বিশেষজ্ঞরা অনেকে বলছেন, সময়ের গতি বাড়েনি, বেড়েছে মানুষের কাজের মাত্রা, চাপের বহর আর সাধ্যের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাপারে যুক্ত থাকার প্রবণতা। সারাদিন সবদিক সামাল দিতে মানুষকে এখন চড়কিপাক খেতে হয়। আর সেই পাকের সঙ্গে তাল রাখতে অনেক ক্ষেত্রেই এক ঘণ্টার কাজ আধ ঘণ্টায় সারতে হচ্ছে। তা করতে গিয়ে যখন কাজ ফুরোচ্ছে না, তখনই মনে হচ্ছে সময় পালিয়ে গেল! ব্যস্ততাই আমাদের জীবনে সময়কে ক্রমশ ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। আর তাই দশ বারো দিন কি বারো মাস আগের ঘটনাও অনেক সময় মনে হচ্ছে এই তো সেদিন! হয়তো তাই, কিন্তু মনে যে হচ্ছে তাতে সন্দেহ নেই।
তবে সময়ের গতি যাই হোক কাল রাত পোহাতেই আর একটা নববর্ষ। ইংরেজি ২০১৯ শুরু। শুধু তাই নয়, দেশ রাজ্যের ভবিষ্যতের বিচারে এই নববর্ষের গুরুত্ব এবার বিগতের তুলনায় কিছু বেশিই বলা চলে। কারণ এটা ভোটবছর, দেশের ক্ষমতার মসনদ দখলের রাজনৈতিক মহাসংগ্রামের বছর। এবছরের মাঝামাঝি লোকসভার ভোটযুদ্ধে সেই মসনদ দখলের ফয়সালা হবে। তার জন্য অবশ্য ইতিমধ্যেই শাসক বিজেপি থেকে শুরু করে কংগ্রেস তৃণমূল সমেত বিরোধী শিবিরের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। দেশের রাজনৈতিক মহলগুলোতে একটা সাজো সাজো রবও উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে বছরের শুরুটা, কেবল শুরুটা কেন সারা বছরটাই দেশ ও দশের জন্য যে বিশেষ মাহাত্ম্যপূর্ণ—তাতে সন্দেহ কী? দেশের লাখ কোটি মানুষের আশা ভরসা প্রত্যাশা পূরণের নতুন স্বপ্ন যাঁদের ঘিরে তৈরি হয়েছে জনাদেশ তাঁদের পক্ষেই যাবে। তাঁরাই আসন্ন ভোটযুদ্ধে জয়যুক্ত হবেন, দেশ চালানোর অধিকার দখল করবেন। কিন্তু, মসনদে বসার পর তাঁরা মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে কতটা উদ্যোগী হবেন সেটাই তো বড় কথা। এই ভোটবছরে তার আঁচও মিলবে। সুশাসন, মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বেকার সমস্যা সমাধান, দুর্নীতি দমন, কালো টাকা উদ্ধারের মতো উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাঁরা কতটা উৎসাহী—বোঝা যাবে ভোটফল প্রকাশ ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পরবর্তী ছমাসেই। এবং সেজন্য, বলা বাহুল্য, আর পাঁচটা বছরের চেয়ে আসন্ন বছরটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
শুধু কি তাই? দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিচারে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন দিল্লিতে পালাবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপির কার্যকলাপ দেশের আমজনতাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। বরং, অনেক ক্ষেত্রেই গেরুয়া বাহিনীর ক্রিয়াকলাপ ও কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আশাহত হয়েছেন দেশজনতা। গোরক্ষা, জাতীয়তাবাদ নিয়ে খুনোখুনি ঝামেলা, নোটবন্দি, জিএসটি রূপায়ণে এক ধরনের দিশাহীনতা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও করা দুর্নীতির ব্যাপারে ধীরে চলার নীতি এবং সেইসঙ্গে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি দেশের মানুষের মধ্যে আশাভঙ্গের যে যন্ত্রণা তৈরি করেছে তার প্রভাব আসন্ন লোকসভা ভোটে ভালোই পড়বে বলেই মনে করছেন ওঁরা। তার ওপর দেশের গরিব কৃষক মজদুর শ্রেণীর মানুষজনের জীবনেও বিশেষ কোনও উন্নতি ঘটাতে পারেনি মোদিজির বিজেপি সরকার। সেখানেও বড় খামতি থেকে গেছে।
এখন এই ভোটের মুখে তাই কৃষক কল্যাণে কৃষিঋণ মকুবের জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছে দিল্লিতে। গরিবের অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা ঢালার আয়োজনও হচ্ছে! কিন্তু, ভোটযুদ্ধের মুখে এইসব উদ্যোগ শেষ অব্দি ক্ষমতা দখলের লড়াইতে শাসককে কতটা সুফল দেবে তা নিয়ে যথেষ্ট ভাবিত শাসক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। পাঁচ রাজ্যের ভোটে বিজেপি পর্যুদস্ত হওয়ার পর এই ভাবনা যে আরও গাঢ়, আরও গভীর হয়েছে তাতে সন্দেহ কি?
তার ওপর আছে বিরোধীদের ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠার ইঙ্গিত। পাঁচ রাজ্যের সাম্প্রতিক ভোটফলে কংগ্রেসের জয়জয়কার হয়েছে ঠিকই, তবে দেশের বাকি ২৪ রাজ্যের কটাতে রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস এখনও সেই জয়জয়কার ধরে রাখার সামর্থ্য অর্জন করেছে তা নিয়ে রাজনৈতিক ভাষ্যকারদের একটা বড় অংশেরই সন্দেহ আছে। ২০১৪ সালের ভোট বিপর্যয়ের পর সবে তো ঘুরে দাঁড়ানোর প্রাথমিক লক্ষণটুকু দেখা গেছে মধ্যপ্রদেশ ছত্তিশগড় রাজস্থানে। ওই তিন রাজ্য তো আর গোটা ভারত নয়, বাংলার মতো রাজ্যও সেখানে আছে। সুতরাং, বিজেপি হটাতে জোট ছাড়া গতি নেই। আর নেই যে সেটা কংগ্রেসও জানে। তাই জোটের নেতা বা প্রধানমন্ত্রী মুখ বাছতে কংগ্রেসের অগ্রাধিকারও ছেড়েছে কংগ্রেস। তবে, রাজনৈতিক হাওয়া যা তাতে অকংগ্রেসি অবিজেপি মহাজোটের সম্ভাবনাই প্রকট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মধ্যমণি করে তেলেঙ্গানার চন্দ্রশেখর রাও বা অন্ধ্রের চন্দ্রবাবু নাইডুর মতো নেতারা যে ফেডারেল ফ্রন্ট তৈরি করেছেন তার দাপট আসন্ন লোকসভা ভোটে বহুগুণ বেশি হয়ে ধরা পড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সে জন্যই নাকি মোদিজি ও তাঁর বিজেপি রাহুল কংগ্রেসের চেয়ে মমতার ফেডারেল ফ্রন্টকে অধিকতর সমীহ করতে শুরু করেছে। সেটাই স্বাভাবিক।
কংগ্রেস বিজেপিকে শাসক বাছলে তাঁরা কী করতে পারে, না পারে তা দেশের মানুষ দেখে নিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা দেখছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর কী করে প্রায় একক চেষ্টায় সিপিএমের ফেলে যাওয়া রুগ্ন মুমূর্ষু হতশ্রী পশ্চিমবঙ্গকে সার্বিক উন্নয়নের আলোয় মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্ববাংলায় রূপান্তরিত করেছেন। মমতার সততা নিষ্ঠা আর অক্লান্ত পরিশ্রমী ভাবমূর্তিতে তাই আজ দেশের লাখ কোটি মানুষের পরম শ্রদ্ধা ও আস্থা। সেই শ্রদ্ধা আর আস্থার ওপর ভরসা করেই দিল্লিতে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন দেখছে বাংলা, দেখছে দেশের মানুষ। ২০১৯ সেই স্বপ্ন সার্থক হওয়ার বছর।
স্বপ্ন সফল হবে কি হবে না তা সময়ই বলবে। তবে, দেশের পরিস্থিতি যা, তাতে এই স্বপ্ন অসম্ভব বলে মনে করছেন না কেউই। কেন নয় সে কথা আগের অনেক কলমেই কমবেশি আলোচনা হয়েছে। আজ
এই উৎসবের দিনে রাজনীতির সেই জটিল অঙ্ক ফিরে না দেখে শুধু এটুকুই বলছি আমরা— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য দিল্লি আজ আর খুব বেশি
দূর নয়। এ রাজ্যের বিরোধীরা, বিশেষত সিপিএম কংগ্রেস এ কথা শুনে হয়তো টিপ্পনী কাটবে।
তবে, ২০১১ সালে ‘দোর্দণ্ডপ্রতাপ’, ‘৩৪ বছরের অজেয়’ সিপিএম লালদুর্গের মর্মান্তিক পতনের ইতিহাস স্মরণ করলে সে টিপ্পনী উধাও হয়ে তাঁদের নেতানেত্রীদের কপালে চিন্তার ভাঁজটাই মোটা হয়ে উঠবে—তা হলফ করেই বলা যায়। আসলে গ্রহণযোগ্যতা—মমতার গ্রহণযোগ্যতা আজ রাজ্যে যেমন সর্বাত্মক, ঠিক তেমনি ভিন রাজ্যেও। সুতরাং, এখানে বিরোধীরা তাঁকে লক্ষ্য করে যে কুৎসা কটুকাটব্যই করুন, যত বিদ্বেষই ছড়ান তাঁর বিরুদ্ধে—রাজ্যে তো বটেই, জাতীয় স্তরেও মমতার ওই গ্রহণযোগ্যতা স্পর্শ করতে পারবেন না! কারণ, দেশের জনদরবারে এই মমতা-বিরোধীদের গ্রহণযোগ্যতাই তো আজ প্রায় তলানিতে—কে বিশ্বাস করবে ওঁদের! এখন তাই দেখার—নববর্ষে লোকসভা ২০১৯ কী বলে। শুভ নববর্ষ।
30th  December, 2018
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
দু’দিনের বন্‌ধ সফল করে কি সিপিএম ভাবমূর্তি ফেরাতে পারবে?
শুভা দত্ত

 সিপিএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। সরাসরি অবশ্য প্রস্তাবটা রাখেননি বিমানবাবু, রেখেছিলেন আকারে ইঙ্গিতে, ঘোরানো কথায়। কিন্তু, রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণজন সকলেই তাঁর সেই ঘোরানো-প্যাঁচানো কথার মধ্যেকার আসল বক্তব্যটি ধরে ফেলেছিলেন।
বিশদ

06th  January, 2019
প্রধানমন্ত্রী: আকস্মিক বনাম আত্মঘাতী
শুভময় মৈত্র

 ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ বইটি এবং তার ওপর ভিত্তি করে লেখা সিনেমা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক সম্পর্কে অনেকেই অবহিত। ২০১৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে একটি জীবনী প্রকাশ করেন সঞ্জয় বারু। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঞ্জয়বাবুর যথেষ্ট পরিচিতি আছে।
বিশদ

05th  January, 2019
সংবিধান ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ঠিক কেমন সম্পর্ক ছিল তখন জওহরলাল নেহরু আর মহম্মদ আলি জিন্নার? ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গার পর, নোয়াখালি, তারপর বিহার, তারপর পাঞ্জাব। রক্তগঙ্গা বইছে। ঠিক সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ভারতীয় নেতাদের ডেকেছিলেন একটি মিটিংয়ে। মাল্টা হয়ে লন্ডন।
বিশদ

04th  January, 2019
আলসেখানার বাসিন্দা থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা
মৃণালকান্তি দাস

বাংলাদেশের ভোটে ৩০০ আসনে তিনিই ছিলেন মুখ! দুর্নীতির জালে আটকে পড়া, পাকিস্তান প্রেমে মত্ত আর ধর্মীয় উগ্রবাদে আস্থা রাখা বিরোধীদের সঙ্গে লড়াইটাও ছিল তাঁর একার। নির্বাচনের আগাগোড়া আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর দল আওয়ামি লিগ ফের জিতবে।
বিশদ

03rd  January, 2019
স্বাগত ২০১৯, নতুন বছরে একজন বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই
হিমাংশু সিংহ

বিদায় ২০১৮। গত বারোমাসের হাজারো উজ্জ্বল এবং তারই মধ্যে কিছু কিছু ধুলো মলিন মন ভারাক্রান্ত করা স্মৃতিকে বিদায় দিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। আগামী ৩৬৫ দিনে সবচেয়ে বড় যে দুটি মেগা ইভেন্ট প্রত্যক্ষ করার জন্য দেশবাসী উন্মুখ হয়ে আছে তা হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন ও লন্ডনের বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
বিশদ

01st  January, 2019
বছরটা বিদায় নিচ্ছে বিষণ্ণতার রেশ রেখে
পি চিদম্বরম

গণতন্ত্রের বিশিষ্টতা ভারসাম্যে (ব্যালান্স)। যখনই এই ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয় তখনই গণতন্ত্রের অস্তিত্বের সামনে একটা প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। ভারত এইরকম একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে—ভারতে গণতন্ত্রটা কি রক্ষা করা যাবে?
বিশদ

31st  December, 2018
চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

 যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন।
বিশদ

29th  December, 2018
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: সঙ্গীতের তিনটি বিভাগে সর্বভারতীয় প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সেরার খেতাব ছিনিয়ে নিল মালদহের কিশোরী রাফা ইয়াসমিন। ৯ জানুয়ারি কলকাতায় এই মেধা অনুসন্ধান সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ।  ...

 ইসলামাবাদ, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ সহ পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)-এর একাধিক নেতার বিদেশ ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল পাক সরকার। ...

 মুম্বই, ১১ জানুয়ারি (পিটিআই): বেতন বৃদ্ধি, ‘বেস্ট’ ও ‘বিএমসি’র বাজেট মিশিয়ে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার চতুর্থ দিনে পড়ল মুম্বইয়ের বাস ধর্মঘট। যার জেরে চরম ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জামিন অযোগ্য ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা’ জারি হয়েছিল আগে। হুগলির পুরশুড়ায় এক বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার সেই কর্তা শেখ সারাফাত আলিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতকে ব্যাঙ্কশালের সেবির বিশেষ আদালতে তোলা হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিতর্ক বিবাদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেম পরিণয়ে মানসিক স্থিরতা নষ্ট। নানা উপায়ে অর্থ উপার্জনের সুযোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় যুব দিবস
১৮৬৩: স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম
১৯৩৪: মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি
১৯৫০: কলকাতায় চালু হল চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতাল  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬০ টাকা ৭১.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৮.২২ টাকা ৯১.৪৩ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৯ টাকা ৮২.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩৯/১৫ রাত্রি ১০/৫। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৫/৫০ দিবা ৮/৪৩, সূ উ ৬/২২/৫৮, অ ৫/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৯ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১২/৬ গতে ২/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১/৪ গতে ২/৫০। বারবেলা ঘ ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৪ গতে ২/২৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৩ গতে উদয়াবধি।
আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৫৭তম আবির্ভাব দিবস
২৭ পৌষ ১৪২৫, ১২ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৫/৫১/২৯। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র অহোরাত্র। সূ উ ৬/২৪/১, অ ৫/৪/৪২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৬/৪৪ মধ্যে ও ঘ ৭/৪৯/২৮ থেকে ঘ ৯/৫৭/৩৮ মধ্যে ও ১২/৫/৪৮ থেকে ২/৫৬/৪২ মধ্যে ও ৩/৩৯/২৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ১/৪/২২ থেকে ঘ ২/৫০/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ১/৪/৩৩ থেকে ২/২৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৪/৭ মধ্যে ও ঘ ৩/৪৪/৪৫ থেকে ৫/৪/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৪/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৪/৪৪/১৬ থেকে ৬/২৪/১০ মধ্যে।
 
এই মুহূর্তে
ভর সন্ধ্যায় শ্যুটআউট পার্কসার্কাসে
ভর সন্ধ্যায় পার্কসার্কাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গুলি করে খুন করা ...বিশদ

09:59:38 PM

কলকাতায় চিতা বাঘের চামড়া সহ ধৃত ২

শনিবার বিকালে উত্তর কলকাতার একটি বাড়ি থেকে চিতা বাঘের চামড়া ...বিশদ

06:20:00 PM

আইলিগ: নেরোকাকে ১-০ গোলে হারাল মোহন বাগান 

04:09:04 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক
পথ দুর্ঘটনায় জখম হলেন উঃদিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা। তবে ...বিশদ

04:05:22 PM

৩৪ রানে হারল ভারত 
ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচ ৩৪ রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া  ...বিশদ

03:56:27 PM

 প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ২১৪/৬ (৪৫ ওভার)

03:31:36 PM