Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

চাই মুক্ত বায়ু
রঞ্জন সেন

যে প্রাণ দেয়, সে-ই আবার প্রাণ নেয়। বায়ু এখন হয়ে উঠছে ঘাতক। সে এখন আর মোটেই রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো ‘আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু’র বার্তা বহন করে আনে না। যে কবি মুক্ত বায়ুর সঙ্গে পরমায়ুর মিল দিয়ে কবিতা লিখেছিলেন তাঁর বাসস্থান উত্তর কলকাতাতেই বায়ুদূষণের হাল দেখলে তিনি চমকে উঠতেন। পরিবেশবিদ্‌দের মতে, এখন উত্তর কলকাতার বায়ুতে নিঃশ্বাস নেওয়া আর দিনে ২০-২২টার বেশি সিগারেট খাওয়া যেন একই ব্যাপার। উত্তর কলকাতার কথা বললাম বটে কিন্তু গোটা কলকাতাতেই বায়ুদূষণের অবস্থা প্রায় একইরকম।
দূষণ কোনও রাজনৈতিক রং দেখে ছড়ায় না। দেশের বায়ুদূষণ চিত্র বলছে ভারতের যে কোনও দল শাসিত রাজ্যেই তার অবাধ অনুপ্রবেশ। দূষণ ছড়ায় মূলত মানুষের ভুল অভ্যাস ও জীবনযাপন এবং প্রয়োজনীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে। গত বছর সারা দেশে বায়ুদূষণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। তারপরে আছে যথাক্রমে মহারাষ্ট্র ও বিহার। আমাদের বাংলা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। বিখ্যাত আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যপত্র ‘দ্য ল্যান্সেট প্ল্যানেটরি হেল্‌থ’-এ প্রকাশিত হয়েছে এই রিপোর্ট। ভারতের বায়ুদূষণ সংক্রান্ত তথ্য তাদের জানিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ। চারটে রাজ্যের বায়ুদূষণের হাল দেখে একথা মনে করার কোনও কারণ নেই যে, গোটা দেশের অবস্থা খুব ভালো। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, অসম, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড—সবার অবস্থাই বেশ খারাপ। সরকারি হিসেব মতে, এখন গোটা দেশের আটটি মৃত্যুর মধ্যে একটি মৃত্যুর কারণ হল বায়ুদূষণ। বোঝো ব্যাপারখানা!
স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের গবেষণা জানাচ্ছে, ২০১৭ সালে আমাদের দেশে বায়ুদূষণের কারণে ১২.৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ জায়গার বাতাসে এখন বস্তুকণার (পার্টিকুলেট ম্যাটার) পরিমাণ ৭৭ শতাংশের বেশি। বাতাসে বস্তুকণার পরিমাণ বাড়াটা জনস্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভালো নয়। কারণ, ধূমপান বা মদ্যপান কোনও ব্যক্তির স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে কিন্তু দূষিত বাতাস একটা অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে সাংঘাতিক বিপদ, এমনকী মৃত্যুও ডেকে আনে। আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়তই তৈরি হয়ে চলেছে এই মৃত্যুর ফাঁদ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা সারা পৃথিবীতেই এখন মানুষের বেঁচে থাকার মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু ঘরে-বাইরে লাগাতার বায়ুদূষণে আক্রান্ত হওয়ার ফলে আমাদের দেশে তার কোনও সুফল আমরা পাচ্ছি না। স্বাস্থ্যহানি ও নানা অসুখ-বিসুখে কমছে আমাদের কর্মক্ষমতা, নষ্ট হচ্ছে কাজের দিন।
এটা না হলে দেশের মানুষের গড় আয়ু ১ বছর ৭ মাস বাড়ত। আগে আমরা জানতাম, বায়ুদূষণ শীতে বাড়ে, অন্য সময় তা কমে। কিন্তু এখন শীত, গ্রীষ্মের ফারাকটা ক্রমেই কমছে। এখন দূষণ আর কোনও নির্দিষ্ট মরশুমে আটকে নেই। ভারতবাসীর জীবন বস্তুত এখন যেন একটা দূষণের বারোমাস্যা। শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের রোগ ছাড়াও তা এখন নানা রোগের কারণ। শুধু সংক্রামক রোগের কথাই বা বলি কেন, বায়ুদূষণের ফলে অসংক্রামক রোগও বাড়ছে। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুসের নানা অসুখে মৃত্যু চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব জানাচ্ছে বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি এমন ১৫টি শহরের মধ্যে ১৪টি ভারতে। দিল্লিতে বায়ুদূষণের মৃত্যুর ঘটনা কম হলেও দূষণ কম নয়।
এটা রোখার ব্যাপারে আপনার, আমার যে দায়িত্ব আছে সে কথা আমরা সবাই জানি। তবুও অবস্থাটা খুব একটা বদলাচ্ছে না, তার সবচাইতে বড় কারণ হল জেনে বা না জেনে আমরা কিছু সাধারণ নিয়ম বারবার ভেঙে চলেছি। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমালে বায়ুদূষণ কমবে। তাঁরা বলছেন, অফিসগুলিতে পুলকারে কর্মী আনার কথা। বলা হচ্ছে রান্নার জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লা, কেরোসিন তেল ব্যবহার না করতে। কারণ, এগুলির ব্যবহার বাতাসে কার্বন নিঃসরণ বাড়ায়। আমরা কি কেউ তা শুনছি? বারবার বলা হচ্ছে, ডিজেল, পেট্রলে চলা যানের বদলে পরিবেশ বান্ধব সাইকেল ব্যবহার করা। কিন্তু আমরা কি কেউ তা মানছি? জ্বালানি হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়লে বায়ুদূষণ যে কমে তা এখন একটা প্রমাণিত সত্য। কিন্তু এখনও দেশের প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লা, কেরোসিন, আগুন পোহানোর জন্য বাতিল টায়ার, কারখানায় ব্যবহৃত তেল মোছা ন্যাকড়া ইত্যাদি ব্যবহার করে চলেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, ডিজেল গাড়ি শহরের বায়ুদূষণের একটা বড় কারণ। কিন্তু আমরা তা শুনছি কই? নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শহরের রাস্তায় পুরনো দিনের সিনেমার পোস্টারে লেখা ‘সগৌরবে চলিতেছে’র মতোই চলছে ডিজেল গাড়ি। অথচ আইন করে শহরে এই গাড়ি চলাচল বন্ধ করা গিয়েছে কি। অন্য রাজ্য ও জেলা থেকে শহরে ঢুকছে ডিজেল গাড়ি। জেলা থেকে শহরে ঢোকা বাসের একটা বড় অংশই ডিজেলে চলে। আইন অনুযায়ী শহরের রাস্তায় ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি চালানো যাবে না। কিন্তু সেকথা মানছে কে? আইনকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তায় পুরনো আমলের ডিজেল বাস, ট্যাক্সির ভিড়। রং-চঙ করে পুরনো ডিজেল গাড়ি বহাল তবিয়তে চলছে। নিয়ম ভাঙাটাকে অভ্যাস করে ফেলেছেন এক শ্রেণীর যানচালক। শহরের নানা প্রান্তে ছড়ানো রেল ইয়ার্ডগুলিও এখন বায়ুদূষণের অন্যতম উৎস।
বায়ুদূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ার দায়িত্ব কিন্তু শুধু সরকার, প্রশাসন, পুলিস এবং পরিবেশ বিজ্ঞানীদের নয়। অথচ সব জেনেশুনে আমরা নিজেরাই দূষণ ছড়ানোর মতো কাজ-কারবার করে চলেছি। এই শীতেই গ্রাম, শহরে সর্বত্র শুরু হয়ে গেছে কাঠ, পাতা, টায়ারসহ যাবতীয় বিপজ্জনক বর্জ্য জ্বালিয়ে আগুন পোহানো। বায়ুদূষণের বিপদ কিন্তু এতেও আছে। বহুক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও মানুষ সেগুলি ব্যবহার না করার ফলে দূষণ বেড়েই চলেছে। বায়ুদূষণ বাড়তে পারে এমন কাজ দেখলেও আমরা তার কোনও প্রতিবাদ করি না। ভাবি আমার কী লাভ? কিন্তু সেই দূষণ আমাকে কিংবা আমার পরিবারের শিশুটিকেও স্পর্শ করতে পারে।
দূষণ আদতে একটা নীরব ঘাতক। সে যখন আসে, আস্তে আস্তে থাবা বসায় আমার-আপনার শরীরে, তখন আমরা তা বুঝতে পারি না। আমরা শুধু টের পাই তার ফল। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমাদের আর কিছু করার নেই। আমরা আঁতকে উঠি দূষণজনিত কারণে ক্রমেই বেড়ে চলা মৃত্যুর সংখ্যা ও অসুস্থদের দুর্ভোগ দেখে। যাদের একটা বড় অংশই বৃদ্ধ ও শিশু। অথচ সময় থাকতে সতর্ক হলে এটা আটকানো যেতে পারত। দূষণ আমাদের গ্রাস করছে, কারণ প্রাপ্তবয়স্ক হলেও আমরা প্রাপ্তমনস্ক হইনি। রবীন্দ্রনাথ শুধু পাঠ্যবইয়ের কবিতাতেই যেন থেকে গেছেন।
29th  December, 2018
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
কাবুল, ১৯ জুলাই (এএফপি): কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক বিস্ফোরণে কমপক্ষে আটজন প্রাণ হারালেন। ঘটনায় আরও বহু মানুষ জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। সরকারি ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গ্রামের একমাত্র জল নিকাশির জায়গায় রাইসমিল গড়ে তোলার প্রতিবাদে শুক্রবার রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেন তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এই ব্লকের চাকপাড়া, মালসা ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফিবছর বর্ষার সময় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শনিবার দুপুরে পাঁচলার গাববেড়িয়ায় টোটো ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশুর। তার নাম আমিরুদ্দিন শাহ (৭)। বাড়ি সিদ্ধেশ্বরী সাহাপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ওই শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি টোটোয় মাজারে যাচ্ছিল। তখন একটি লরি ওই টোটোয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতার জন্য পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি 
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী ...বিশদ

08:35:13 AM

পাথরপ্রতিমায় পুকুরে কুমির
পাথরপ্রতিমা ব্লকের কুয়েমুড়ি গ্রামের একটি পুকুরে প্রমাণ সাইজের কুমির দেখা ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। বৃষ: মাতৃস্থানীয় ব্যক্তির স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত। মিথুন: সম্পত্তি লাভের ...বিশদ

08:11:47 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম১৮৯৯: লেখক বনফুল ...বিশদ

07:50:00 AM

২২ জুলাই কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট 

19-07-2019 - 08:37:08 PM

গড়িয়াহাট রোডে গাড়িতে আগুন, হতাহত নেই 

19-07-2019 - 06:58:00 PM