বিশেষ নিবন্ধ
 

লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। জীবৎকালে তাঁরা নিশ্চয়ই ভাবতেও পারেননি, যে দেশমাটি মানুষের জন্য জীবনপাত করছেন, যাঁদের উন্নয়ন উন্নতির কথা ভেবে রাতের ঘুম বরবাদ করছেন, আনন্দ আতিশয্য পরিবারপ্রীতি বিসর্জন দিয়ে চলেছেন এবং পরিবর্তে যে কৃতজ্ঞচিত্ত জনমণ্ডলী তাদের শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় মানুষ থেকে দেবতা মহামানব, পুরুষ থেকে যুগপুরুষ মহাপুরুষের মহিমান্বিত আসনে বরণ করে নিচ্ছেন—একদিন তাঁদের দিকে চাইতেই রীতিমতো ভয় করবে। এমনকী মাথা ঘুরে দেহের ভারসাম্য রক্ষা মুশকিল হয়ে পড়লেও আশ্চর্যের কিছু থাকবে না! কারণ পাঁচ-ছ’ফুটের স্বাভাবিক উচ্চতা থেকে দেখা আর পঞ্চান্ন-ষাট তলার রেলিংবিহীন বেদি থেকে দৃষ্টিপাত তো এক কথা নয়! আমাদের মতো ক্ষীণ-কলিজা আম-পাবলিক ছাড়, অত উঁচু থেকে ঝুঁকে দেখতে অনেক সিংহ-হৃদয়েরই বুক কাঁপবে। ভার্টিগো রোগ থাকলে তো কথাই নেই। একথা ঠিক, নিজ প্রতিভায় নিজ গুণে মহৎকর্মে তাঁরা সকলেই তাঁদের জীবৎকালে নিজেদের ওই ঐহিক উচ্চতা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং আমাদের মুগ্ধ বিস্ময় কখনও তাঁদের সেই অসাধারণত্বের দিকে চেয়ে হয়তো বলেওছে—গগন নহিলে তোমারে ধরিবে কেবা!
কিন্তু, সে তো তাঁদের লৌকিক পুরুষত্ব নয়, অলৌকিক মহাপুরুষত্ব, বাস্তবের শারীরিক উচ্চতা নয় তাঁদের অনুগত ভক্তজনের মনে গড়ে ওঠা আকাশচুম্বী ভাবমূর্তি। একটা ভারচুয়াল অবয়ব। এমন এক অবয়ব যার দীর্ঘত্ব কেবল অনুভব করা যায়, চাইলে হয়তো মানসচক্ষে দেখাও যায় কিন্তু ছোঁয়া যায় না, বাস্তবের এই মাটিতে খুঁজেও পাওয়া যায় না! যাবে কী করে? সেটা তো মানুষের শ্রদ্ধা-বিস্ময়ে গড়া, মানুষের মনোরাজ্যের ব্যাপার। তাই, তাতে সঙ্গত কারণেই মহাপুরুষ যুগন্ধরেরা বিশেষ বিচলিত বোধ করেননি। আম-পাবলিকের এই শ্রদ্ধাভক্তির ভবিষ্যৎ বিপদ সম্পর্কে তাঁদের মস্তিষ্কে কোনও চিন্তার রেখাও প্রকটিত হয়নি। বরং, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতায় তাঁদের ভূমিকা আরও নিবিড় গভীর হয়েছে। এবং বলতে কী, মানুষের মনের ওই শ্রদ্ধামূর্তিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠার যে চল আমাদের এই গুরুবাদী পূজাপ্রবণ ভারত দেশে বহুযুগ প্রচলিত—তাতেও দেবতা মহাপুরুষ বা মহামানব-মানবীবৃন্দ বিশেষ বিপদের গন্ধ পাননি বলেই বিশ্বাস। কারণ, তাঁদের মূর্তির সাইজ মানবকদের স্বাভাবিক উচ্চতা ছাড়ালেও কখনওই অদ্ভুত অস্বাভাবিক মাত্রা স্পর্শ করেনি। হতে পারে, শিল্পীর নৈপুণ্যে কদাচিৎ কখনও তাঁদের কাউকে আটার বস্তার উপর উল্টানো হাঁড়ি কি কুঁজো বামন কি একটু গাবলুগুবলু মনে হয়েছে—তাঁদের অতি পরিচিত মুখে একেবারে বিষদৃশ ভঙ্গি আমাদের দৃষ্টির নান্দনিকতাকে হাস্যরসাত্মক করে তুলেছে কিন্তু, একথা কিছুতেই বলা যাবে না যে তাঁদের মূর্তিগুলি কিংকং, গর্জিলার পাষাণ প্রতিরূপ হয়ে আমাদের ভক্তিকে ভীতবিভ্রান্ত করেছে। মূর্তির সাইজ নিয়ে কম্পিটিশন! বিশ্বজুড়ে শত-কোটি নানা তরিকার কম্পিটিশন কণ্টকিত বাজারে—না, কখনও সে কম্পিটিশন দেখেননি কেউ, ভাবেনওনি—এটা হলফ করেই বলা যায়।
পৃথিবীর অন্যত্র জানি না, একবিংশের ভারত কিন্তু দুটোই দেখছে—একদিকে প্রকৃত অর্থে শত শত ফুট উচ্চতার পাথুরে মহামূর্তি এবং সেই উচ্চতা নিয়ে ‘কম্পিটিশন’! তা দেখে আমরা একইসঙ্গে কেউ পুলকিত কেউ বিস্ময়ে হতবাক! যে রাজ্য মূর্তি কম্পিটিশনে শিরোপা পাচ্ছে তাদের মহানন্দ আর বাদবাকি দেশ বিহ্বল হতচকিত! আর অন্যদিকে দরিদ্র ভারতবাসী অজ্ঞ ভারতবাসীর অনাহারক্লিষ্ট বা আধপেটা ভাতের হাতগুলি, নানা অপমান অসম্মান অত্যাচার লাঞ্ছনায় বিপর্যস্ত অসহায় চোখগুলি এবং চারপাশের রাষ্ট্রীয় পেষণে দিশেহারা, সন্ত্রাসশঙ্কায় বিপন্ন ক্ষুব্ধ মনগুলিতে প্রতিফলিত হচ্ছে একটিই কথা, এসব হচ্ছেটা কী! অন্তরীক্ষে প্রয়াত মহাপুরুষেরাও হয়তো মৃদু শ্লেষ মাখা ঠোঁটে এমনটাই ভাবছেন। ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু, মূর্তিবাদীরা ভয় পাবেন কেন? তাঁরা তো একবিংশের হাই-টেক গেরুয়া রাজনীতির পিতৃপুরুষ, দেশের কর্ণধার, মোদিজির স্বচ্ছ ভারত, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, মেক ইন ইন্ডিয়ার শ্রীরামচন্দ্র থেকে শিবাজী মহারাজ থেকে সর্দার প্যাটেল—যাবতীয় মনপসন্দ মহাপুরুষবৃন্দের মহারাজকীয় পুনর্বাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ! তাঁদের ঠেকাবে সাধ্য কার! গুজরাটে সর্দার সরোবরের বুকে টন টন পাষাণের পিণ্ড বসিয়ে তাই খাড়া হয়ে গেছেন ১৮২ মিটারের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল! পরিবেশকর্মীরা প্যাটেলের বিরোধিতা না করলেও পরিবেশের স্বার্থ রক্ষার কথাটা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন আম গুজরাটি তথা দেশ বিশ্বের যাবতীয় মানুষের ভালোর কথা ভেবে। শুনল কেউ? নাহ্‌! শুনব কেন? প্যাটেলের মতো মহাপুরুষের মূর্তি আগে না দেশ-পরিবেশ? ঠিক ঠিক, স্যার, মূর্তি আগে, মূর্তি আগে কারণ পাবলিক ধরতে মূর্তি লাগে। গুজরাটে প্যাটেল তো মহারাষ্ট্রে শিবাজী মহারাজ আর অযোধ্যায় (আপাতত যোগীজির রাজ্য হলেও) একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ শ্রীরামচন্দ্র! অতএব মূর্তি বানাতে হবে—এক সে বড়কর এক! শিবাজী মহারাজ দুশো হলে শ্রীরামচন্দ্র হবেন দুশোবিশ মিটার—ওয়ার্ল্ডে হাইয়েস্ট—সবার উপরে, সবচেয়ে উঁচু! শ্রীরামচন্দ্র ভগবান না? শিবাজী মহারাজ যত বড় ফাইটারই হোন মর্তমানুষ। তাঁর চেয়ে রামচন্দ্রের হাইট তো য্যাদা হোনাহি চাহিয়ে!
নো প্রবলেম। হচ্ছে এবং হবে। শিবাজী মহারাজ হবেন, রামচন্দ্র হবেন অদূর ভবিষ্যতে বারাণসীর বাবা বিশ্বনাথ সপার্ষৎ এই তালিকায় যুক্ত হলেও বলার কিছু নেই। বারাণসী বলছে, ন্যায্য দাবি। বারাণসী বলছে, বাবা বিশ্বনাথের ভুবনবিখ্যাত গলিগালার আর দরকার নেই। ভক্তজনের সুবিধাঁ কে লিয়ে তোড়ফোড় করে মন্দিরের আশপাশ সব খালি করে দিতে হবে। তাই, ঐতিহ্যপ্রাচীন গলিপথ চিরতরে মুছে বিশ্বনাথ মন্দিরের যাত্রাপথ প্রশস্ত করার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। কারা থাকেন ওখানে? কারা সেই অনাদি অনন্তকাল ধরে ওই এলাকার বাসিন্দা? না, ধর্মের কথা জাতপাতের কথা গরিব খেটে-খাওয়া ওসব তুলবেন না। এটা একটা গ্লোরিয়াস কর্ম, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি বেনারসকে একটা আধুনিক ডিজিটাল রূপ দিতে চাইছেন, বাবা বিশ্বনাথের মন্দিরকে প্রশস্ত জমকালো আড়ম্বরে গরিয়ান একটা টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি লুক দিতে চাইছেন—হোয়াটস রং! শোনেননি, প্রতিদিন শ্রীরামচন্দ্রের প্রস্তাবিত মূর্তির পাদস্পর্শ করে চলার জন্য সরযূর গতিপথ বদল করা হচ্ছে! ভালো ভালো খুব ভালো। কিন্তু...! কী কিন্তু? বাবার বাহন বেনারসি ষাঁড়েরা থাকবেন কোথায়? তাদের জন্যও কি পুনর্বাসনের ব্যবস্থার মানে সর্বসুবিধাযুক্ত বসত হবে? আমার মেয়ে ছোটবেলায় গোয়ালঘর দেখে বলেছিল, অ্যাই, ওগুলো কি গোরুদের ফ্ল্যাট! তো তেমন কিছু কি পরিকল্পনায় আছে?
ভদ্রলোক আর সহ্য করতে পারলেন না। চটেমটে উঠে পড়লেন। এবং পাদানি থেকে উপস্থিত সকলকে অবাক করে দেশ উচ্চনাদেই বলে গেলেন, যতই যা বলুন, ২০১৯-এ আমরাই আসছি। বাসে যাঁরা এতক্ষণ ভদ্রলোকের কথা শুনছিলেন তাঁদের কেউ মুখ মটকে হাসলেন। একজন আবার নাতিউচ্চে ফুট কাটলেন, আসুন আসুন। কে আটকাচ্ছে? তবে বেঙ্গল বাদে—এখানে রয়্যাল বেঙ্গল বাঘিনী আছে, সাবধান। মুখে পড়লে, ঘুরে দাঁড়ানোর ফুরসত মিলবে না! তাঁর বলার ভঙ্গিতে হাসির রোল উঠল। যাঁকে উদ্দেশ্য করে বলা তিনি অবশ্য ততক্ষণে হাতিবাগানের ভিড়ে মিশে গেছেন। কিন্তু কথা হল, হঠাৎ দেশ জুড়ে দেবতা মহাপুরুষদের মূর্তি পোঁতার এমন উৎসাহ উদ্দীপনা জাগল কেন? কেউ কেউ একে বলছেন মূর্তি-রাজনীতি। মহাপুরুষদের বিশাল বিশাল মূর্তি সামনে বসিয়ে সংশ্লিষ্ট মহাজনের প্রতি দেশের সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে খুঁচিয়ে তোলা এবং শাসক বা শাসকদল হিসেবে দুর্বলতাগুলো আড়াল করা। উদ্দেশ্য একটাই, ভোটবাক্সে জনতা জনার্দনের কৃপালাভ।
কিন্তু, পঞ্চাশ-ষাটতলা বাড়ি সাইজের মূর্তি দেখে জনতা জনার্দনের মনোভাব কি সত্যিই কিছু বদলাবে? অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির গড়ার দাবির প্রতি নরম মনোভাব হয়তো রামভক্তদের খানিক উৎসাহিত করতে পারে কিন্তু মহাপুরুষদের ওই দৈত্যাকার মূর্তিগুলি কি পারবে? একথা অস্বীকার করার উপায় নেই, কিছু ভালো কাজের পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদি সরকার শুরু থেকেই নোটবন্দির মতো এমন বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যা তাঁদের সরকারের ভাবমূর্তির প্রতি মানুষের আস্থা টলিয়ে দিয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ দীর্ঘতর করেছে—অন্তত অর্থনীতির দিকপালেদের অনেকেই এমন অভিমত দিয়েছেন। অন্যদিকে, নীরব-চোকসি-মালিয়ার মতো ‘মহাজনে’র মহাকীর্তি, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তার সঙ্গে দিল্লির দ্বৈরথ বা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষস্তরে দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগে সংঘাত ‘স্বচ্ছ ভারতে’র দিশারী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তিকেও যে সরাসরি যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তাতেও সন্দেহ নেই। পথেঘাটে মানুষের প্রতিক্রিয়ায় আজ তার আভাস পেতে বিশেষ অপেক্ষা করতে হয় না। নির্বাচন পূর্ববর্তী জনমত সমীক্ষার রিপোর্টগুলিতেও তার প্রমাণ মিলেছে। রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেই তাই মনে করছেন, রামমূর্তি-প্যাটেল-শিবাজী সবকিছুই সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চটজলদি কৌশল, এ রাজ্যে ‘গণতন্ত্র উদ্ধারে’র রামরথও তাই। মানুষকে ধর্ম সমেত নানান আবেগে ভুলিয়ে কার্যসিদ্ধির চেষ্টা। কিন্তু, প্রশ্ন হল, এভাবে লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি শাসকের ভাবমূর্তি ফেরানো যায়? বাংলাদেশের বিশিষ্ট মনীষা আবুল ফজলের একটি মন্তব্য মনে পড়ছে, ‘যা পরকালের সঙ্গে জড়িত, অর্থাৎ ধর্ম, তার ওপর জোর না দিয়ে যা এ জীবনের সঙ্গে জড়িত, অর্থাৎ মানবতার ওপর জোর দেওয়া উচিত। মানুষের কল্যাণ এ দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে জড়িত।’ (মানবতন্ত্র) দেশ-রাজনীতির মূর্তিবাদী সুধীজনেরা কি একবার ভাববেন?
06th  December, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
মেক্সিকো, ১৯ জানুয়ারি (এএফপি): শুক্রবার মধ্য মেক্সিকোয় তেল চুরি করতে গিয়ে পাইপলাইনে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭১ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বালতি ও ক্যান নিয়ে স্থানীয়রা পাইপ থেকে গ্যাসোলিন চুরি করছিলেন। সেই সময়ে হঠাৎ পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: সব্জি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে জিয়াগঞ্জ সদর ঘাট সংলগ্ন সব্জি বাজারের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ৬০০০বর্গ ফুটের ছাদ ঢালাই করতে ৫০লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি: ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে খেলবেন ঋষভ পন্থ। মূলত বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস পরখ করে নিতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM