বিশেষ নিবন্ধ
 

পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি। কিন্তু, চাকা কয়েক পা গড়াতেই বুঝেছিলাম কী ভুলটা করে বসেছি। বাসের ছাদ যাত্রীবোঝাই। বাস চলাকালে সেই যাত্রীদের অনেকে কফ থুতু কলার খোসা খাবার ঠোঙা ইত্যাদি উপর থেকে ফেলছে, নির্বিকার চিত্তে। আর তার কিছু কিছু ছুটে আসছে নীচে, বিশেষত জানালার ধারের যাত্রীদের গায়েই পড়ছে। নীচের থেকে আমার মতো দু-একজন আপত্তি জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। তাতে আরও চেঁচামেচি করার পর কানে আসে উপর থেকে ‘হো হো হো ...’! ব্যাপারটা বাস কন্ডাক্টরের নজরে এনে জবাব পাওয়া গেল—‘‘জানালার ধারে সিট নেবেন, আর এটুকু ভোগ করবেন না! এটুকু তো হতেই পারে!’’ অভিযুক্ত যাত্রী আর তার সমর্থক যাত্রীদের হাসির রোলের সঙ্গে কন্ডাক্টরের জবাবখানা যেন রাজযোটক। এই প্রশ্নে বাসের ভেতরের যাত্রীদের কাউকেই পাশে পাওয়া গেল না। আমার সঙ্গে আর যে দু-একজন জানালার ধারের যাত্রী প্রতিবাদ করেছিলেন, পরে জানলাম তাঁরাও কলকাতা থেকে এসে আতান্তরে পড়েছেন।
দশক পাল্টে গিয়েছে, শুধু আমরা পাল্টাইনি—গ্রাম মফস্‌সল থেকে কলকাতায় ঢুকেও না। এই তো সেদিন ছিঃ ছিঃ পড়ে গেল সদ্য উদ্বোধন হওয়া কলকাতার স্বপ্নের প্রকল্প স্কাইওয়াকের উপর ওয়াক থু করা নিয়ে। তবু আশার কথা নিন্দেমন্দটা হয়েছে। কিন্তু, বাকি সর্বত্র? পুরো গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে।
কলকাতায় বা শহরতলিতে বাসের ছাদে চেপে বসা যায় না। কিন্তু, সুন্দর পোশাক পরে বাস ট্রেনের ভেতরে যারা যাতায়াত করে তাদের অনেকেরই চেতনার মান, আজও, ওই দূরবর্তী জেলার সেই লোকগুলোর থেকে উন্নত নয়। তারা চলন্ত বাসেই খইনি, গুটখা, পান প্রভৃতির রসাস্বাদন করে থাকে। ওইসব রসে এক-একজনের মুখ যখন টইটম্বুর হয়ে যায় তখন সেগুলো তারা বাসের জানালা দিয়েই রাস্তার মাঝে উগরে দেয়। সেই তরল কারও গায়ে মাথায় পড়ল কি না তা দেখার ফুরসত লোকগুলোর থাকে না। আর চলন্ত গাড়ি থেকে ওই নোংরা বাইরে ফেলতে গিয়ে সবসময় যে লক্ষ্যভেদ তারা করতে পারে এমনও নয়। কিছুটা পড়ে জানালার মধ্যে কিংবা সিটের উপর, আর কিছুটা বাতাসে উড়ে এসে পিছনের যাত্রীদের মুখ ভিজিয়ে দেয়। হাতে তাল ঠুকতে ঠুকতে খইনি বানানোর সময় আশেপাশের যাত্রীদের হাঁচি-কাশিতে জেরবার হবার বন্দোবস্তও করে তারা। এসব নিয়ে প্রায় প্রতিটি বাসে নিত্য ঝগড়াঝাঁটি, এমনকী হাতাহাতিও হয়। তারপরেও থুক পার্টি নির্বিকার!
গ্রামের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ বিল্ডিং পর্যন্ত খোঁজ নিলে দেখা যাবে, বিভিন্ন দেওয়াল রঙিন থুৎকারে ছয়লাপ হয়ে রয়েছে। সরকারি অফিস বাড়িগুলোরও একই হাল। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতেও গা ঘিন ঘিন করে। বেশিরভাগ রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড আর সাবওয়ের যা চেহারা, সেগুলোকে সভ্য সমাজের অংশ হিসেবে মানতে কষ্ট হয়। কলকাতায় এবং শহরতলিতে গত কয়েক বছরে বহু কোটি টাকায় অনেকগুলো বাসস্টপে আধুনিক যাত্রী প্রতীক্ষা শেড নির্মাণ করা হয়েছে। সেগুলোর কয়েকটা আবার এসি! কিন্তু, আশঙ্কামতোই সেগুলি উদ্বোধন হওয়ার পর বছরখানেকের ভিতর নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। শুধু থুৎকারে রাঙানো হয়নি, অনেকগুলোর দফারফা হয়ে গিয়েছে। ওই বিলাসীরা হাওড়া ব্রিজের পক্ষে সাক্ষাৎ ‘থ্রেট’!
রেল স্টেশনে, বাসস্ট্যান্ডে, হাসপাতালে ‘শৌচালয়’ নামক জিনিসের বেশিরভাগই নরককুণ্ডে পরিণত। পানীয় জলের কল বহু জায়গায় ভেঙে শেষ করা হয়েছে অথবা সেখানকার পরিবেশ দেখে গা বমি বমি হয়। কলকাতা, হাওড়া এবং শহরতলি এখন ফ্ল্যাটবাড়িতে ছয়লাপ। এই যে বহু হাজার ফ্ল্যাটে বহু লক্ষ  মানুষ আমরা বাস করছি, তাদের মধ্যেও সকলে খুব সচেতন নই। নির্দিষ্ট সময়ে পুরসভার সাফাইওয়ালার গাড়িতে কিংবা ভ্যাটে গিয়ে রোজকার ময়লা আবর্জনা অনেকে ফেলছি না। কিন্তু, একাধিক দিনের ময়লা ঘরে জমে পচে কী দুর্বিষহ অবস্থা হয়! তখন কেউ কেউ কী করি—আবর্জনা প্যাকেটে পুরে সুযোগ বুঝে বহুতলের উপর থেকে সটান রাস্তায় ছুড়ে দিচ্ছি কিংবা রাস্তার ধারে, ড্রেন অথবা খালের ধারে ফেলে দিয়ে আসছি! এরপর কী হচ্ছে—কুকুরে টানা হেঁচড়া করছে অথবা বৃষ্টিতে ভেসে আসছে রাস্তার মধ্যে অথবা সরে যাচ্ছে ড্রেন কিংবা খালের জলে। খাল রাস্তা বরাবর অগুনতি বেআইনি দোকানপাট। তার একাংশ খাবারের দোকান বা রেস্তরাঁ। মাছ সব্জি ফলমূলেরও বাজার বসছে। সেগুলো থেকেও থার্মোকলের থালা গেলাশ প্ল্যাস্টিক ব্যাগ নর্দমা খালে জমা হচ্ছে। নর্দমা, খাল এইভাবে অল্পদিনেই ভরে উঠছে। বহু ব্যয়ে সাফাই এবং ড্রেজিং সরকারি কোষাগার জলাঞ্জলির দেওয়ার শামিল হচ্ছে। তাতে নিকাশি সমস্যা তীব্র হচ্ছে এবং বাড়ছে মশা মাছির উৎপাত। আমরা পরিত্রাহি চিৎকার ছাড়ছি ম্যালেরিয়া, এনসেফেলাইটিস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া নিয়ে।
কলকাতাকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাতে লাভ খুব একটা হয়নি। সম্প্রতি তৈরি করা হয়েছে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ নামে একটি তথ্যচিত্র। এই উদ্যোগের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভায় পাশ করানো হয়েছে একটি জরুরি বিল—যাতে বলা হয়েছে রাস্তাঘাটে আবর্জনা ফেলে নোংরা করলে ৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। তার দিনকয়েক বাদে বিধানসভায় পাশ হয়েছে হাওড়া এবং রাজ্যের বাকি পুর কর্পোরেশনগুলির জন্যও অনুরূপ বিল। বিধানসভায় বিলের উপর আলোচনার সময় পুরমন্ত্রী বলেন, সরকার মানুষের উপর জরিমানা চাপাতে চায় না। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে নাগরিকরাই সচেতন থাকুন, সরকার এটাই চায়।
কিন্তু, আইন তৈরি আর সংশোধন করেই কি সমাজটাকে সভ্য করে ফেলা সম্ভব হবে—রাতারাতির কথা বলছি না, সুদূর ভবিষ্যতেও? তার আগে দুটি জিনিস যে চাই—পরিকাঠামো আর আইন কার্যকর করার মতো হিম্মত।
পরিকাঠামো এই যে, রোজ প্রতিটি মহল্লায় বাঁশিওয়ালা সাফাইকর্মীদের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছনোটা নিশ্চিত করতে হবে। কিংবা পাড়ার মোড়ে ভ্যাট, বিন থাকলে সেটা রোজ সময়মতো পরিষ্কার হওয়া জরুরি। এজন্য কলকাতা, হাওড়াসহ সব শহরে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় সাফাই কর্মী নিয়োগ করতে হবে। রাস্তায় রাস্তায়ও সর্বক্ষণের সাফাই কর্মী মজুত রাখতে হবে, যাতে নোংরা দেখামাত্র তারা সেসব তুলে নিয়ে যায়। সমস্ত রাস্তার ধারে কিছু দূর অন্তর শৌচাগার তৈরি করতেই হবে। জলের অভাবে বেশিরভাগ শৌচাগার অল্পদিনেই অব্যবহার্য হয়ে যায়। তাই সেখানে জলের ব্যবস্থা করাটাও জরুরি। প্রয়োজনে সেসব ফেল কড়ি মাখো তেল বা পে অ্যান্ড ইয়ুজ’ই হোক। ভালো পরিষেবা পেলে মানুষ বুঝবে নিশ্চয়, দিব্যি চলবে। জলসহ শৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না-রেখে যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ না-করার নির্দেশ নিষ্ফলা হতে বাধ্য। তাই ‘আপনার এলাকা, আপনার পরিচয়’, ‘পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ থাকুন’ স্লোগান সার্থক করে তুলতে হলে এই কথাও মাথায় রাখা দরকার।
এই যে ব্যবস্থার কথা উঠল—এর বেনিফিট একাধিক। প্রথমত, ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারও ভালো অঙ্কের রাজস্ব পাবে। পে অ্যান্ড ইয়ুজ সিস্টেমে যে টাকা উঠবে সেই টাকাতেই নিযুক্ত কর্মীদের বেতন মেটানো যাবে। তৃতীয় লাভটা হবে—প্রতিটি শহরের সুন্দর চেহারা এবং নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য। রোগ ব্যাধির প্রকোপ কমতে বাধ্য। কথায় কথায় হাসপাতালে যে ভিড় হয় সেটা কমে যাবে। রোগের পিছনে ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে মানুষের এবং সরকারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ পরিচ্ছন্নতাকে হাতিয়ার করে লক্ষ্মীলাভও নিশ্চিত করা সম্ভব।
এখন কথা হল—বাজে খরচ ছেঁটে পরিচ্ছন্ন শহরের পর্যাপ্ত পরিকাঠামো আমরা গড়ব কি? ভোটের জন্য আতুপুতু করার বদঅভ্যাস আমাদের রাজনীতির কারবারিরা ছাড়তে প্রস্তুত আছেন কি? আতুপুতু করার পরিণাম তো অজানা নয়। শুধু আইনে-কাগজে-কলমে হাড় হিম হিম ভাব দেখিয়ে কিচ্ছুটি হবে না। আমরা তো ধরেই নেব, ওসব মুখে বলতে হয়, আসলে কিছুই করবে না প্রশাসন। আমরা যেমন পার পেয়ে যাই সব ব্যাপারে তেমনিই পার পেয়ে যাব। কিছু ফাইন আদায়ের ব্যবস্থা তো অনেক বছর যাবৎই আছে, কিন্তু এ পর্যন্ত কতজনের কাছ থেকে ক’পয়সা আদায় হয়েছে আর তার দরুন এই বিপদ কতটা মোকাবিলা করা গিয়েছে? আবার দেখছি, এই শহরেই মেট্রো রেল এবং মেট্রো স্টেশনগুলো মোটামুটি পরিষ্কার। এসি বাসগুলোও অপরিচ্ছন্ন নয়। এক যাত্রায় এই পৃথক ফল কীভাবে সম্ভব হল? নজরদারি আর কড়াকড়ি ছাড়া কিছু নয়।
এবার ভাবা দরকার, প্রকাশ্যে গুটখা খইনি পান প্রভৃতি চিবানো নিষিদ্ধ করার সাহস দেখানো যায় কি না। যারা রাস্তাঘাটে ইচ্ছেখুশি নোংরা ফেলছে তাদেরও কড়া হাতে শায়েস্তা করতে হবে। সিঙ্গাপুর কিন্তু সামান্য চিউয়িংগামও খাওয়া বন্ধ করেছে গত শতকের শেষদিকে। লোকসংখ্যা এবং সামাজিক অবস্থানের তফাত মাথায় রেখেও আমরা সিঙ্গাপুর ও জাপান থেকে পরিচ্ছন্নতার পাঠ নিতে পারি। মানছি সিঙ্গাপুর একটা নগর রাষ্ট্রমাত্র। সেই মডেল মাথায় রেখে আমাদের শহর প্রশাসনগুলোকেও আলাদা আলাদা দায়িত্ব দেওয়া যায় পরিচ্ছন্নতার নীতি কার্যকর করার জন্য। পরিচ্ছন্নতার আন্দোলনকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস দেখানোটা আজ জরুরি। সব দল এই ব্যাপারে প্রতিযোগিতায় নামতে রাজি আছে কি? তাদের দৃঢ়তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—অভিযুক্তের পাশে কেউ দাঁড়াবে না—অভিযুক্তরা যে রং আর মতের মানুষ এবং যতই ওজনদার হোক না কেন।
04th  December, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কের কাছে ব্রিগেডগামী বাসের ধাক্কায় আহত হলেন বিধাননগর পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান। শনিবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে আঘাত গুরুতর নয়। ...

মেক্সিকো, ১৯ জানুয়ারি (এএফপি): শুক্রবার মধ্য মেক্সিকোয় তেল চুরি করতে গিয়ে পাইপলাইনে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭১ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বালতি ও ক্যান নিয়ে স্থানীয়রা পাইপ থেকে গ্যাসোলিন চুরি করছিলেন। সেই সময়ে হঠাৎ পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: সব্জি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে জিয়াগঞ্জ সদর ঘাট সংলগ্ন সব্জি বাজারের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ৬০০০বর্গ ফুটের ছাদ ঢালাই করতে ৫০লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM