Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি। কিন্তু, চাকা কয়েক পা গড়াতেই বুঝেছিলাম কী ভুলটা করে বসেছি। বাসের ছাদ যাত্রীবোঝাই। বাস চলাকালে সেই যাত্রীদের অনেকে কফ থুতু কলার খোসা খাবার ঠোঙা ইত্যাদি উপর থেকে ফেলছে, নির্বিকার চিত্তে। আর তার কিছু কিছু ছুটে আসছে নীচে, বিশেষত জানালার ধারের যাত্রীদের গায়েই পড়ছে। নীচের থেকে আমার মতো দু-একজন আপত্তি জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। তাতে আরও চেঁচামেচি করার পর কানে আসে উপর থেকে ‘হো হো হো ...’! ব্যাপারটা বাস কন্ডাক্টরের নজরে এনে জবাব পাওয়া গেল—‘‘জানালার ধারে সিট নেবেন, আর এটুকু ভোগ করবেন না! এটুকু তো হতেই পারে!’’ অভিযুক্ত যাত্রী আর তার সমর্থক যাত্রীদের হাসির রোলের সঙ্গে কন্ডাক্টরের জবাবখানা যেন রাজযোটক। এই প্রশ্নে বাসের ভেতরের যাত্রীদের কাউকেই পাশে পাওয়া গেল না। আমার সঙ্গে আর যে দু-একজন জানালার ধারের যাত্রী প্রতিবাদ করেছিলেন, পরে জানলাম তাঁরাও কলকাতা থেকে এসে আতান্তরে পড়েছেন।
দশক পাল্টে গিয়েছে, শুধু আমরা পাল্টাইনি—গ্রাম মফস্‌সল থেকে কলকাতায় ঢুকেও না। এই তো সেদিন ছিঃ ছিঃ পড়ে গেল সদ্য উদ্বোধন হওয়া কলকাতার স্বপ্নের প্রকল্প স্কাইওয়াকের উপর ওয়াক থু করা নিয়ে। তবু আশার কথা নিন্দেমন্দটা হয়েছে। কিন্তু, বাকি সর্বত্র? পুরো গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে।
কলকাতায় বা শহরতলিতে বাসের ছাদে চেপে বসা যায় না। কিন্তু, সুন্দর পোশাক পরে বাস ট্রেনের ভেতরে যারা যাতায়াত করে তাদের অনেকেরই চেতনার মান, আজও, ওই দূরবর্তী জেলার সেই লোকগুলোর থেকে উন্নত নয়। তারা চলন্ত বাসেই খইনি, গুটখা, পান প্রভৃতির রসাস্বাদন করে থাকে। ওইসব রসে এক-একজনের মুখ যখন টইটম্বুর হয়ে যায় তখন সেগুলো তারা বাসের জানালা দিয়েই রাস্তার মাঝে উগরে দেয়। সেই তরল কারও গায়ে মাথায় পড়ল কি না তা দেখার ফুরসত লোকগুলোর থাকে না। আর চলন্ত গাড়ি থেকে ওই নোংরা বাইরে ফেলতে গিয়ে সবসময় যে লক্ষ্যভেদ তারা করতে পারে এমনও নয়। কিছুটা পড়ে জানালার মধ্যে কিংবা সিটের উপর, আর কিছুটা বাতাসে উড়ে এসে পিছনের যাত্রীদের মুখ ভিজিয়ে দেয়। হাতে তাল ঠুকতে ঠুকতে খইনি বানানোর সময় আশেপাশের যাত্রীদের হাঁচি-কাশিতে জেরবার হবার বন্দোবস্তও করে তারা। এসব নিয়ে প্রায় প্রতিটি বাসে নিত্য ঝগড়াঝাঁটি, এমনকী হাতাহাতিও হয়। তারপরেও থুক পার্টি নির্বিকার!
গ্রামের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ বিল্ডিং পর্যন্ত খোঁজ নিলে দেখা যাবে, বিভিন্ন দেওয়াল রঙিন থুৎকারে ছয়লাপ হয়ে রয়েছে। সরকারি অফিস বাড়িগুলোরও একই হাল। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতেও গা ঘিন ঘিন করে। বেশিরভাগ রেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড আর সাবওয়ের যা চেহারা, সেগুলোকে সভ্য সমাজের অংশ হিসেবে মানতে কষ্ট হয়। কলকাতায় এবং শহরতলিতে গত কয়েক বছরে বহু কোটি টাকায় অনেকগুলো বাসস্টপে আধুনিক যাত্রী প্রতীক্ষা শেড নির্মাণ করা হয়েছে। সেগুলোর কয়েকটা আবার এসি! কিন্তু, আশঙ্কামতোই সেগুলি উদ্বোধন হওয়ার পর বছরখানেকের ভিতর নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। শুধু থুৎকারে রাঙানো হয়নি, অনেকগুলোর দফারফা হয়ে গিয়েছে। ওই বিলাসীরা হাওড়া ব্রিজের পক্ষে সাক্ষাৎ ‘থ্রেট’!
রেল স্টেশনে, বাসস্ট্যান্ডে, হাসপাতালে ‘শৌচালয়’ নামক জিনিসের বেশিরভাগই নরককুণ্ডে পরিণত। পানীয় জলের কল বহু জায়গায় ভেঙে শেষ করা হয়েছে অথবা সেখানকার পরিবেশ দেখে গা বমি বমি হয়। কলকাতা, হাওড়া এবং শহরতলি এখন ফ্ল্যাটবাড়িতে ছয়লাপ। এই যে বহু হাজার ফ্ল্যাটে বহু লক্ষ  মানুষ আমরা বাস করছি, তাদের মধ্যেও সকলে খুব সচেতন নই। নির্দিষ্ট সময়ে পুরসভার সাফাইওয়ালার গাড়িতে কিংবা ভ্যাটে গিয়ে রোজকার ময়লা আবর্জনা অনেকে ফেলছি না। কিন্তু, একাধিক দিনের ময়লা ঘরে জমে পচে কী দুর্বিষহ অবস্থা হয়! তখন কেউ কেউ কী করি—আবর্জনা প্যাকেটে পুরে সুযোগ বুঝে বহুতলের উপর থেকে সটান রাস্তায় ছুড়ে দিচ্ছি কিংবা রাস্তার ধারে, ড্রেন অথবা খালের ধারে ফেলে দিয়ে আসছি! এরপর কী হচ্ছে—কুকুরে টানা হেঁচড়া করছে অথবা বৃষ্টিতে ভেসে আসছে রাস্তার মধ্যে অথবা সরে যাচ্ছে ড্রেন কিংবা খালের জলে। খাল রাস্তা বরাবর অগুনতি বেআইনি দোকানপাট। তার একাংশ খাবারের দোকান বা রেস্তরাঁ। মাছ সব্জি ফলমূলেরও বাজার বসছে। সেগুলো থেকেও থার্মোকলের থালা গেলাশ প্ল্যাস্টিক ব্যাগ নর্দমা খালে জমা হচ্ছে। নর্দমা, খাল এইভাবে অল্পদিনেই ভরে উঠছে। বহু ব্যয়ে সাফাই এবং ড্রেজিং সরকারি কোষাগার জলাঞ্জলির দেওয়ার শামিল হচ্ছে। তাতে নিকাশি সমস্যা তীব্র হচ্ছে এবং বাড়ছে মশা মাছির উৎপাত। আমরা পরিত্রাহি চিৎকার ছাড়ছি ম্যালেরিয়া, এনসেফেলাইটিস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া নিয়ে।
কলকাতাকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু তাতে লাভ খুব একটা হয়নি। সম্প্রতি তৈরি করা হয়েছে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ নামে একটি তথ্যচিত্র। এই উদ্যোগের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভায় পাশ করানো হয়েছে একটি জরুরি বিল—যাতে বলা হয়েছে রাস্তাঘাটে আবর্জনা ফেলে নোংরা করলে ৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। তার দিনকয়েক বাদে বিধানসভায় পাশ হয়েছে হাওড়া এবং রাজ্যের বাকি পুর কর্পোরেশনগুলির জন্যও অনুরূপ বিল। বিধানসভায় বিলের উপর আলোচনার সময় পুরমন্ত্রী বলেন, সরকার মানুষের উপর জরিমানা চাপাতে চায় না। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে নাগরিকরাই সচেতন থাকুন, সরকার এটাই চায়।
কিন্তু, আইন তৈরি আর সংশোধন করেই কি সমাজটাকে সভ্য করে ফেলা সম্ভব হবে—রাতারাতির কথা বলছি না, সুদূর ভবিষ্যতেও? তার আগে দুটি জিনিস যে চাই—পরিকাঠামো আর আইন কার্যকর করার মতো হিম্মত।
পরিকাঠামো এই যে, রোজ প্রতিটি মহল্লায় বাঁশিওয়ালা সাফাইকর্মীদের নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছনোটা নিশ্চিত করতে হবে। কিংবা পাড়ার মোড়ে ভ্যাট, বিন থাকলে সেটা রোজ সময়মতো পরিষ্কার হওয়া জরুরি। এজন্য কলকাতা, হাওড়াসহ সব শহরে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় সাফাই কর্মী নিয়োগ করতে হবে। রাস্তায় রাস্তায়ও সর্বক্ষণের সাফাই কর্মী মজুত রাখতে হবে, যাতে নোংরা দেখামাত্র তারা সেসব তুলে নিয়ে যায়। সমস্ত রাস্তার ধারে কিছু দূর অন্তর শৌচাগার তৈরি করতেই হবে। জলের অভাবে বেশিরভাগ শৌচাগার অল্পদিনেই অব্যবহার্য হয়ে যায়। তাই সেখানে জলের ব্যবস্থা করাটাও জরুরি। প্রয়োজনে সেসব ফেল কড়ি মাখো তেল বা পে অ্যান্ড ইয়ুজ’ই হোক। ভালো পরিষেবা পেলে মানুষ বুঝবে নিশ্চয়, দিব্যি চলবে। জলসহ শৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না-রেখে যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ না-করার নির্দেশ নিষ্ফলা হতে বাধ্য। তাই ‘আপনার এলাকা, আপনার পরিচয়’, ‘পরিষ্কার রাখুন, সুস্থ থাকুন’ স্লোগান সার্থক করে তুলতে হলে এই কথাও মাথায় রাখা দরকার।
এই যে ব্যবস্থার কথা উঠল—এর বেনিফিট একাধিক। প্রথমত, ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারও ভালো অঙ্কের রাজস্ব পাবে। পে অ্যান্ড ইয়ুজ সিস্টেমে যে টাকা উঠবে সেই টাকাতেই নিযুক্ত কর্মীদের বেতন মেটানো যাবে। তৃতীয় লাভটা হবে—প্রতিটি শহরের সুন্দর চেহারা এবং নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য। রোগ ব্যাধির প্রকোপ কমতে বাধ্য। কথায় কথায় হাসপাতালে যে ভিড় হয় সেটা কমে যাবে। রোগের পিছনে ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে মানুষের এবং সরকারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ পরিচ্ছন্নতাকে হাতিয়ার করে লক্ষ্মীলাভও নিশ্চিত করা সম্ভব।
এখন কথা হল—বাজে খরচ ছেঁটে পরিচ্ছন্ন শহরের পর্যাপ্ত পরিকাঠামো আমরা গড়ব কি? ভোটের জন্য আতুপুতু করার বদঅভ্যাস আমাদের রাজনীতির কারবারিরা ছাড়তে প্রস্তুত আছেন কি? আতুপুতু করার পরিণাম তো অজানা নয়। শুধু আইনে-কাগজে-কলমে হাড় হিম হিম ভাব দেখিয়ে কিচ্ছুটি হবে না। আমরা তো ধরেই নেব, ওসব মুখে বলতে হয়, আসলে কিছুই করবে না প্রশাসন। আমরা যেমন পার পেয়ে যাই সব ব্যাপারে তেমনিই পার পেয়ে যাব। কিছু ফাইন আদায়ের ব্যবস্থা তো অনেক বছর যাবৎই আছে, কিন্তু এ পর্যন্ত কতজনের কাছ থেকে ক’পয়সা আদায় হয়েছে আর তার দরুন এই বিপদ কতটা মোকাবিলা করা গিয়েছে? আবার দেখছি, এই শহরেই মেট্রো রেল এবং মেট্রো স্টেশনগুলো মোটামুটি পরিষ্কার। এসি বাসগুলোও অপরিচ্ছন্ন নয়। এক যাত্রায় এই পৃথক ফল কীভাবে সম্ভব হল? নজরদারি আর কড়াকড়ি ছাড়া কিছু নয়।
এবার ভাবা দরকার, প্রকাশ্যে গুটখা খইনি পান প্রভৃতি চিবানো নিষিদ্ধ করার সাহস দেখানো যায় কি না। যারা রাস্তাঘাটে ইচ্ছেখুশি নোংরা ফেলছে তাদেরও কড়া হাতে শায়েস্তা করতে হবে। সিঙ্গাপুর কিন্তু সামান্য চিউয়িংগামও খাওয়া বন্ধ করেছে গত শতকের শেষদিকে। লোকসংখ্যা এবং সামাজিক অবস্থানের তফাত মাথায় রেখেও আমরা সিঙ্গাপুর ও জাপান থেকে পরিচ্ছন্নতার পাঠ নিতে পারি। মানছি সিঙ্গাপুর একটা নগর রাষ্ট্রমাত্র। সেই মডেল মাথায় রেখে আমাদের শহর প্রশাসনগুলোকেও আলাদা আলাদা দায়িত্ব দেওয়া যায় পরিচ্ছন্নতার নীতি কার্যকর করার জন্য। পরিচ্ছন্নতার আন্দোলনকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস দেখানোটা আজ জরুরি। সব দল এই ব্যাপারে প্রতিযোগিতায় নামতে রাজি আছে কি? তাদের দৃঢ়তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—অভিযুক্তের পাশে কেউ দাঁড়াবে না—অভিযুক্তরা যে রং আর মতের মানুষ এবং যতই ওজনদার হোক না কেন।
04th  December, 2018
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি লোকসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রিগিং করতে পারছেন না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সুদৃঢ পদক্ষেপ দিদির রিগিং প্রক্রিয়ায় বড়সড় আঘাত হেনেছে। ...

 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...

নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপি প্রার্থীকে ভোটে দাঁড়াতে স্যাটের ছাড়পত্র
জয়নগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন সরকারি ডাক্তার অশোক কাণ্ডারীকে ...বিশদ

09:30:00 AM

ভোট দিলেন মালদহ দক্ষিণের কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরি  

09:24:17 AM

ভোট দিলেন মালদহ উত্তরের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান 

09:21:00 AM

আজ জগৎবল্লভপুরে সভা করবেন মমতা
শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সোমবার জগৎবল্লভপুরের ...বিশদ

09:15:00 AM

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় গঙ্গারামপুরের নারোই জুনিয়ার হাইস্কুলে চলছে ভোটগ্রহণ 

09:12:00 AM

আহমেদাবাদে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

09:10:58 AM