Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন।  প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন। আর একটা আর্ষণীয় স্লোগান ছিল: ‘আচ্ছে দিন আনেওয়ালে হ‌্যায়’ (সুদিন আসছে)। সেদিন প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল: প্রত‌্যেক নাগরিকের ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা; বছরে ২ কোটি চাকরি; কৃষকের আয় দ্বিগুণ; ছোট সরকার কিন্তু সুশাসন; ৪০ টাকায় ডলার কেনাবেচা; পাকিস্তানকে উপযুক্ত (এবং চূড়ান্ত) জবাব; এবং আরও অনেক।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাগাড়ম্বরটা ধরে রেখেছেন। ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর প্রথম স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় তিনি সমস্ত বিভেদমূলক কাজকর্ম দশ বছরের জন‌্য স্থগিত রাখার (মোরাটরিয়াম) প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর কথাগুলো যথাযথরূপে ছিল এই:
‘‘আমাদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে, অনেকের প্রাণও গিয়েছে। বন্ধুগণ, পিছনে ফিরে দেখুন, তাহলেই বুঝবেন, এর ফলে কারও কোনও লাভ হয়নি। ভারতমাতাকে কলঙ্কিত করা ছাড়া আমরা কিছুই করিনি। জাতিবিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা, আঞ্চলিকতাবাদ, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিভেদ প্রভৃতি হল আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা—সুতরাং সবার কাছে আমার আবেদন, এই সমস্ত ব‌্যাধির ঊর্ধ্বে আমাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আসুন, হৃদয় থেকে আমরা স্থিরসঙ্কল্প হই, এই সমস্ত নীচতা একটা দশকের জন‌্য বন্ধ রাখি,
এমন ধরনের ভয় উদ্বেগ থেকে মুক্ত একটা সমাজের পথে আমরা অগ্রসর হই।’’
দারুণ শুরু, ভয়ংকর অবনমন
শুরুটা সত‌্যিই দারুণ হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন মোদি সকলের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। হায়, তিনি কথা রাখলেন না। ‘গোরক্ষক’ নামক দুর্বৃত্তদের তিনি কড়া হাতে শায়েস্তা করলেন না। অ‌্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড, ঘর ওয়াপসি গোষ্ঠী কিংবা খাপ পঞ্চায়েত প্রভৃতি অপকম্মের একটাও তিনি থামাতে উদ‌্যোগী হলেন না। এইসব দুর্বৃত্তদের যে শাস্তিছুট হল তার জন‌্য প্রধানমন্ত্রী কোনোভাবেই ভর্ৎসনা করলেন না। পরিণামে কী হল—গণহিংস্রতা, গণপিটুনিতে মৃত‌্যু এবং তথাকথিত সম্মানের জন‌্য হত‌্যা ক্রমবর্ধমান। গড় পড়তা ভদ্রজন তাঁর উপর আস্থা হারাল।
যদিও প্রধানমন্ত্রী প্রেস কনফারেন্স করতে অস্বীকার করেছেন, এবং মিডিয়ার একটা বৃহৎ অংশকে বিজেপি নির্বীর্য করে ফেলেছে, সুযোগমতো সম্পাদকএবং অ‌্যাঙ্করদের চাকরি খেয়েছে এবং ‘হ‌্যান্ডআউট জার্নালিজম’-এর যুগ প্রবর্তন করেছে, তবু প্রশ্নগুলো সংবাদ মাধ‌্যম তুলেছে এবং সমালোচনামূলক সম্পাদকীয় এবং উত্তর-সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। তৎসত্ত্বেও শঙ্কাহীন সোশ‌্যাল মিডিয়াকে কেউ রুখতে পারেনি, বিজেপি সরকারগুলোর সামনে তারা আয়না ধরে চলেছে।
বাজার নির্মম
বাজারের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীও খাটো করে দেখেছিলেন। এই বাজারই সর্বপ্রথম সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিল। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণের মতো অমার্জিত ঝঞ্ঝাট বাজার কখনও পছন্দ করে না। ওই ঘটনায় বহু কোটি মানুষের অপরিমেয় কষ্ট দুর্ভোগ হয়রানি এবং ব‌্যবসা বাণিজ‌্যের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, আমরা জানি। এছাড়া ডিমনিটাইজেশন গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছিল। এই অনিশ্চয়তা বাজারের মোটে পছন্দ নয়। বাজারের আরও অপছন্দ হল সরকারের পলিসি অ‌্যাকশনের খামখেয়ালি চরিত্র। ডিমনিটাইজেশনের পিছন পিছন লাগু করা হল সবদিক থেকে দুর্বল জিএসটি। তাদের এই অদক্ষতার জন‌্য মার্কেট কী করল—পলিসিমেকার বা নীতিনির্ধারকদের সাজা দিল।
যা ঘটেছে সেটা অবশ‌্যম্ভাবী ছিল: পুঁজি অন‌্য দেশে চলে যাওয়া, লগ্নি কমে যাওয়া, অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) বেড়ে যাওয়া, ক্রেডিট গ্রোথের গতি হ্রাস, নিশ্চল রপ্তানি, কৃষিক্ষেত্রের দুর্দশা, এবং বেকারত্বের বিস্ফোরণ।
এই সময়ে বিজেপি জোর একটা ধাক্কা খেয়েছে বিহারে। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিপুল জয় পেলেও তারা পাঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে রাজ‌্যপাট খুইয়েছে। উপনির্বাচনগুলোতেও রামধাক্কা
খেয়েছে, এমনকী ক্ষমতাসীন রাজ‌্যগুলোতেও।
আমার মতে, কর্ণাটকে পরাস্ত হওয়ার পরই মোদি ‘সকলের প্রধানমন্ত্রী’র আলখাল্লাটা গায়ে চাপিয়েছেন। এই সুযোগেও তিনি আর একবার ‘ক‌্যান্ডিডেট’ (প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী) মোদি পারলেন না, কারণ বিজেপির দেওয়া সেইসময়ের প্রতিশ্রুতিগুলো হাস‌্যকর হয়ে গিয়েছে। মোদি সুতরাং পুরনো পথে ফিরে যাওয়াই মনস্থ করেছেন, পরে নিয়েছেন
‘হিন্দু হৃদয়সম্রাট’-এর আলখাল্লা, তাঁর
গুজরাতের ইউএসপি।
মন্দিরের জন‌্য আইন
সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও অযোধ‌্যায় বিতর্কিত জমিতে মন্দিরের জন‌্য আইনের দাবিতে বিউগল বাজিয়ে দিলেন আরএসএস সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। সেই খেই ধরে হিন্দুত্ববাদী অন‌্য সংগঠনগুলোও ওই আইনের দাবি তুলেছে। কারও কারও দাবি, মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনে অর্ডিন‌্যান্স জারি করা হোক। এক বিজেপি এমপি এই ব‌্যাপারে প্রাইভেট মেম্বার্স বিল আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সরকারকে অর্ডিন‌্যান্স জারি করার সাহস দিয়েছে শিব সেনা। আইনপ্রণয়নের পক্ষে সওয়াল করতে ২৫ নভেম্বর একটা ‘ধর্মসভা’রও আয়োজন করা হল। ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ কুম্ভমেলায় মন্দির নির্মাণের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজেপি সভাপতি সহায়ক ইঙ্গিত দিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিছু বলতে পারছেন না, উল্লেখনীয় নীরবতা রক্ষা করছেন। এইসব কাজের একটা ধরন আছে। সবাই জানে—মোদির নির্দেশ ছাড়া বিজেপিতে কিছুই নড়েচড়ে না, আরএসএসের সম্মতি বিনা কোনও হিন্দুত্বাদী সংগঠন এগয় না, এবং ভাগবত ও মোদির মধ‌্যে শলা ভিন্ন আরএসএস ও বিজেপি কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেয় না। ভোটের আগে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে একজন আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে পারে। ভোটের পরে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে প্রার্থনার সঙ্গে কৃতজ্ঞতাও জানাতে পারে একজন। কিন্তু, ভোটে জেতার জন‌্য যখন ভগবান রামচন্দ্রের উপরেই বিজেপিকে পুরো ভরসা করতে হয় তখন সেটা তাদের স্বীকারোক্তি (কনফেসান) হয়ে দাঁড়ায় যে—মানুষ বিজেপির উপর আস্থা হারিয়েছে।
পাঠক, ২০১৪ সালে স্বাধীনতা দিবসে মোদি যেসব ভালো ভালো কথা বলেছিলেন, সেগুলো একবার স্মরণ করে দেখুন—তিনি অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন।
03rd  December, 2018
২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বিশদ

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

20th  July, 2019
জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

20th  July, 2019
অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ২০ জুলাই (পিটিআই): আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান। এরপরেও পাকিস্তানের উপর থেকে সন্দেহ যাচ্ছে না আমেরিকার। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রবীণ এক কর্তাব্যক্তি শুক্রবার জানিয়েছেন, আগেও হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছিল ইসলামাবাদ। ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন রাস্তায় গবাদিপশুর বিচরণ বেড়ে যাওয়া ব্যাপক সমস্যার পড়েছেন পথচলতি সাধারণ মানুষ। শহরের যত্রতত্র গোরু, ছাগল ঘোরাঘুরি করলেও সেসব ধরে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ...

সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ের কোলাবায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজনের মৃত্যু, জখম ১ 

03:50:12 PM

তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভা মেগা ফ্লপ শো: দিলীপ ঘোষ 

03:47:10 PM

টাকা দিয়েও তৃণমূল সভা সফল করতে পারেনি: দিলীপ ঘোষ 

03:42:00 PM

ইন্দোনেশিয়া ওপেনের ফাইনালে হারলেন পি ভি সিন্ধু 
ইন্দোনেশিয়া ওপেনের ফাইনালে জাপানের আকেন ইয়ামাগুচির কাছে ১৫-২১, ১৬-২১ পয়েন্টে ...বিশদ

02:57:15 PM

ওঃ ইন্ডিজ সফরে তিন ফরম্যাটের ভারতীয় দল ঘোষণা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য ঘোষণা করা হল ভারতীয় টেস্ট, ওয়ান ...বিশদ

02:34:49 PM

সভা শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

01:53:19 PM