Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন।  প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন। আর একটা আর্ষণীয় স্লোগান ছিল: ‘আচ্ছে দিন আনেওয়ালে হ‌্যায়’ (সুদিন আসছে)। সেদিন প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল: প্রত‌্যেক নাগরিকের ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা; বছরে ২ কোটি চাকরি; কৃষকের আয় দ্বিগুণ; ছোট সরকার কিন্তু সুশাসন; ৪০ টাকায় ডলার কেনাবেচা; পাকিস্তানকে উপযুক্ত (এবং চূড়ান্ত) জবাব; এবং আরও অনেক।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাগাড়ম্বরটা ধরে রেখেছেন। ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর প্রথম স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় তিনি সমস্ত বিভেদমূলক কাজকর্ম দশ বছরের জন‌্য স্থগিত রাখার (মোরাটরিয়াম) প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর কথাগুলো যথাযথরূপে ছিল এই:
‘‘আমাদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে, অনেকের প্রাণও গিয়েছে। বন্ধুগণ, পিছনে ফিরে দেখুন, তাহলেই বুঝবেন, এর ফলে কারও কোনও লাভ হয়নি। ভারতমাতাকে কলঙ্কিত করা ছাড়া আমরা কিছুই করিনি। জাতিবিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা, আঞ্চলিকতাবাদ, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিভেদ প্রভৃতি হল আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা—সুতরাং সবার কাছে আমার আবেদন, এই সমস্ত ব‌্যাধির ঊর্ধ্বে আমাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আসুন, হৃদয় থেকে আমরা স্থিরসঙ্কল্প হই, এই সমস্ত নীচতা একটা দশকের জন‌্য বন্ধ রাখি,
এমন ধরনের ভয় উদ্বেগ থেকে মুক্ত একটা সমাজের পথে আমরা অগ্রসর হই।’’
দারুণ শুরু, ভয়ংকর অবনমন
শুরুটা সত‌্যিই দারুণ হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন মোদি সকলের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। হায়, তিনি কথা রাখলেন না। ‘গোরক্ষক’ নামক দুর্বৃত্তদের তিনি কড়া হাতে শায়েস্তা করলেন না। অ‌্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড, ঘর ওয়াপসি গোষ্ঠী কিংবা খাপ পঞ্চায়েত প্রভৃতি অপকম্মের একটাও তিনি থামাতে উদ‌্যোগী হলেন না। এইসব দুর্বৃত্তদের যে শাস্তিছুট হল তার জন‌্য প্রধানমন্ত্রী কোনোভাবেই ভর্ৎসনা করলেন না। পরিণামে কী হল—গণহিংস্রতা, গণপিটুনিতে মৃত‌্যু এবং তথাকথিত সম্মানের জন‌্য হত‌্যা ক্রমবর্ধমান। গড় পড়তা ভদ্রজন তাঁর উপর আস্থা হারাল।
যদিও প্রধানমন্ত্রী প্রেস কনফারেন্স করতে অস্বীকার করেছেন, এবং মিডিয়ার একটা বৃহৎ অংশকে বিজেপি নির্বীর্য করে ফেলেছে, সুযোগমতো সম্পাদকএবং অ‌্যাঙ্করদের চাকরি খেয়েছে এবং ‘হ‌্যান্ডআউট জার্নালিজম’-এর যুগ প্রবর্তন করেছে, তবু প্রশ্নগুলো সংবাদ মাধ‌্যম তুলেছে এবং সমালোচনামূলক সম্পাদকীয় এবং উত্তর-সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। তৎসত্ত্বেও শঙ্কাহীন সোশ‌্যাল মিডিয়াকে কেউ রুখতে পারেনি, বিজেপি সরকারগুলোর সামনে তারা আয়না ধরে চলেছে।
বাজার নির্মম
বাজারের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীও খাটো করে দেখেছিলেন। এই বাজারই সর্বপ্রথম সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিল। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণের মতো অমার্জিত ঝঞ্ঝাট বাজার কখনও পছন্দ করে না। ওই ঘটনায় বহু কোটি মানুষের অপরিমেয় কষ্ট দুর্ভোগ হয়রানি এবং ব‌্যবসা বাণিজ‌্যের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, আমরা জানি। এছাড়া ডিমনিটাইজেশন গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছিল। এই অনিশ্চয়তা বাজারের মোটে পছন্দ নয়। বাজারের আরও অপছন্দ হল সরকারের পলিসি অ‌্যাকশনের খামখেয়ালি চরিত্র। ডিমনিটাইজেশনের পিছন পিছন লাগু করা হল সবদিক থেকে দুর্বল জিএসটি। তাদের এই অদক্ষতার জন‌্য মার্কেট কী করল—পলিসিমেকার বা নীতিনির্ধারকদের সাজা দিল।
যা ঘটেছে সেটা অবশ‌্যম্ভাবী ছিল: পুঁজি অন‌্য দেশে চলে যাওয়া, লগ্নি কমে যাওয়া, অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) বেড়ে যাওয়া, ক্রেডিট গ্রোথের গতি হ্রাস, নিশ্চল রপ্তানি, কৃষিক্ষেত্রের দুর্দশা, এবং বেকারত্বের বিস্ফোরণ।
এই সময়ে বিজেপি জোর একটা ধাক্কা খেয়েছে বিহারে। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিপুল জয় পেলেও তারা পাঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে রাজ‌্যপাট খুইয়েছে। উপনির্বাচনগুলোতেও রামধাক্কা
খেয়েছে, এমনকী ক্ষমতাসীন রাজ‌্যগুলোতেও।
আমার মতে, কর্ণাটকে পরাস্ত হওয়ার পরই মোদি ‘সকলের প্রধানমন্ত্রী’র আলখাল্লাটা গায়ে চাপিয়েছেন। এই সুযোগেও তিনি আর একবার ‘ক‌্যান্ডিডেট’ (প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী) মোদি পারলেন না, কারণ বিজেপির দেওয়া সেইসময়ের প্রতিশ্রুতিগুলো হাস‌্যকর হয়ে গিয়েছে। মোদি সুতরাং পুরনো পথে ফিরে যাওয়াই মনস্থ করেছেন, পরে নিয়েছেন
‘হিন্দু হৃদয়সম্রাট’-এর আলখাল্লা, তাঁর
গুজরাতের ইউএসপি।
মন্দিরের জন‌্য আইন
সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও অযোধ‌্যায় বিতর্কিত জমিতে মন্দিরের জন‌্য আইনের দাবিতে বিউগল বাজিয়ে দিলেন আরএসএস সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। সেই খেই ধরে হিন্দুত্ববাদী অন‌্য সংগঠনগুলোও ওই আইনের দাবি তুলেছে। কারও কারও দাবি, মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনে অর্ডিন‌্যান্স জারি করা হোক। এক বিজেপি এমপি এই ব‌্যাপারে প্রাইভেট মেম্বার্স বিল আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সরকারকে অর্ডিন‌্যান্স জারি করার সাহস দিয়েছে শিব সেনা। আইনপ্রণয়নের পক্ষে সওয়াল করতে ২৫ নভেম্বর একটা ‘ধর্মসভা’রও আয়োজন করা হল। ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ কুম্ভমেলায় মন্দির নির্মাণের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজেপি সভাপতি সহায়ক ইঙ্গিত দিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিছু বলতে পারছেন না, উল্লেখনীয় নীরবতা রক্ষা করছেন। এইসব কাজের একটা ধরন আছে। সবাই জানে—মোদির নির্দেশ ছাড়া বিজেপিতে কিছুই নড়েচড়ে না, আরএসএসের সম্মতি বিনা কোনও হিন্দুত্বাদী সংগঠন এগয় না, এবং ভাগবত ও মোদির মধ‌্যে শলা ভিন্ন আরএসএস ও বিজেপি কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেয় না। ভোটের আগে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে একজন আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে পারে। ভোটের পরে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে প্রার্থনার সঙ্গে কৃতজ্ঞতাও জানাতে পারে একজন। কিন্তু, ভোটে জেতার জন‌্য যখন ভগবান রামচন্দ্রের উপরেই বিজেপিকে পুরো ভরসা করতে হয় তখন সেটা তাদের স্বীকারোক্তি (কনফেসান) হয়ে দাঁড়ায় যে—মানুষ বিজেপির উপর আস্থা হারিয়েছে।
পাঠক, ২০১৪ সালে স্বাধীনতা দিবসে মোদি যেসব ভালো ভালো কথা বলেছিলেন, সেগুলো একবার স্মরণ করে দেখুন—তিনি অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন।
03rd  December, 2018
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: চিতাবাঘের আতঙ্কে রাত জাগছে ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাটের ডুডুমারি, জ্বালাপাড়া ও আলে এই তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এছাড়াও ওই তিনটি গ্রামের ছয়টি স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সকাল ৯টা পর্যন্ত মুর্শিদাবাদে ভোট পড়ল ১৪.৬২ শতাংশ 

09:38:00 AM

সকাল ৯টা পর্যন্ত জঙ্গিপুরে ভোট পড়ল ১৪.৯৯ শতাংশ 

09:38:00 AM

১৫০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

09:37:02 AM

সকাল ৯টা পর্যন্ত দঃ মালদহে ভোট পড়ল ১৬.২২ শতাংশ 

09:37:00 AM

সকাল ৯টা পর্যন্ত উঃ মালদহে ভোট পড়ল ১৬.১১ শতাংশ 

09:37:00 AM

সকাল ৯টা পর্যন্ত বালুরঘাটে ভোট পড়ল ১৭.২৮ শতাংশ 

09:37:00 AM