Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে। পাঁচ রাজ্যের ভোট সামলে দলীয় দুর্গের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দলবল নিয়ে এবার বহু আগে থেকেই নেমে পড়েছিলেন। রাজস্থানে রাজমাতার প্রতি জনতার ক্ষোভ, অভিমান, তেলেঙ্গানায় টিআরএস মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব, মধ্যপ্রদেশে নানান দুর্নীতির অভিযোগ, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী ঝামেলা ইত্যাদি সামলাতে দিনরাত এক করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতা থেকে সাধারণ সৈনিকেরা।
কিন্তু, তা সত্ত্বেও জনমত সমীক্ষার ফলগুলিতে খুব ভালো কিছু নজরে আসেনি। বরং, রিপোর্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই থেকে ক্ষমতাচ্যুতির মতো বিপদের গন্ধই মিলেছে! অবশ্য, রিপোর্টের কথা সবসময় সত্যি হয় না—এটাও বাস্তব। সুতরাং, ওই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল নিয়ে লোকসভার ভোট ভবিষ্যৎ ব্যাপারে আগাম সিদ্ধান্ত অর্থহীন। তবু, ওই জনসমীক্ষার ফল একেবারে মন থেকে ঝেড়েও কি ফেলা যাচ্ছে! ফেলতে পারছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষমহল? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের একটা বড় অংশের ধারণা, পারছেন না।
অথচ, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বিধানসভা ভোটফলকে লোকসভার ভোটফলের আগাম আভাস বলে মনে করেন না। লোকসভার নির্বাচনী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বও দিতে চান না। কারণ, তাঁদের মতে, বিধানসভা ভোটে জনতার মনে আঞ্চলিক উন্নয়নের ইস্যুগুলো বেশি কাজ করে আর লোকসভার ক্ষেত্রে নাকি জাতীয় ব্যাপার-স্যাপার। সেদিক থেকে পাঁচ রাজ্যের চলতি ভোটফল নিয়ে বিজেপি’র বিশেষ মাথা ঘামানোর কথা নয়। কেননা, এই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল বিরুদ্ধে গেলেও দেশের সিংহভাগ রাজ্য তাঁদের দখলেই থাকবে। তার ওপর শোনা যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের মিজোরামের ভোট পড়ার হার (৭৫ শতাংশ) নাকি পদ্ম দলে বিশেষ উৎসাহের সঞ্চার করেছে! ওই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে তাঁদের আশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এত সব সত্ত্বেও কি দিল্লির শাসক শিবির লোকসভার আসন্ন ভোট মহাযুদ্ধ নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারছে না!? আগামী লোকসভায় দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় থাকার ব্যাপারে মোদিজি অমিতজিরা কি একটু বেশি সন্দিহান হয়ে পড়েছেন? না হলে হঠাৎ কেন মমতা-মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর এত নরম হয়ে এল? কেন সিপিএমকেও আর তাঁর তেমন বিপজ্জনক মনে হচ্ছে না! আর কেনই বা ব্যতিক্রম কংগ্রেস! কেন কংগ্রেসই মনে হচ্ছে একমাত্র শত্রু—তাড়াতে হবে দেশ থেকে? হ্যাঁ, একটা সাদা কারণ তার তো আছেই। লোকসভায় আসন যতই সামান্য হোক জাতীয় রাজনীতি তথা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কংগ্রেসের ঐতিহ্য গরিমা এখনও যথেষ্টই। সেই কংগ্রেসকে নরেন্দ্র মোদিজি প্রধান রাজনৈতিক শত্রু ও প্রতিপক্ষ বলে মনে করলে আশ্চর্যের কিছু নেই। সেই অবস্থান থেকে তিনি কংগ্রেস মুক্ত ভারতের ডাক দিতেই পারেন, বলতেই পারেন, অখিলেশ-মায়াবতী-মমতা সব ঠিক আছে। কেবল তাড়াতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, হায়দরাবাদের জনসভায় মোদিজির এই বক্তব্যের তাৎপর্য কি শুধু এটুকুই?
একথা ঠিক, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটা উপনির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী মিলে ভালো ধাক্কা দিয়েছিল রেকর্ড আসনে জেতা যোগী-বাহিনীকে। সেই ধাক্কা দিল্লির দরবারেও গিয়ে পৌঁছেছিল। আসন্ন লোকসভায় ওঁরা জোট বাঁধলে যে বিপদ সেটা আঁচ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অমন নরম কথা বলতেই পারেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রায় একই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব-প্রতিপত্তিতে আচ্ছন্ন, মমতায় মুগ্ধ, মমতার উন্নয়নের জোয়ারে ভাসমান এই পশ্চিমবঙ্গে আগামী লোকসভা ছাড়, সুদূর ভবিষ্যতেও গেরুয়া বাহিনী দাঁত ফোটাতে পারবে এমন আশা সে দলের কেউই খুব বুক বাজিয়ে বলতে পারেন বলে শুনিনি। এমনি রাজনৈতিক প্রচারে সে কথা হয়তো অনেকে জোর গলায় সভাসমিতিতে বলছেন, দিল্লি নেতাদের উৎসাহে তাঁদের কর্মী সমর্থকদের আসন্ন লোকসভায় ২২/২৪ আসন দখলের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন—কিন্তু তাঁরাও খুব ভালোই জানেন বাস্তবে এই ২০১৯ সালে এমনটা ঘটানো খুব সহজ নয়, বরং অসম্ভবের কাছাকাছি।
তবু বলছেন, বলতে হয় বলেই বলছেন। উপায় কী? দলীয় রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা বলে একটা ব্যাপার তো পদ্মশিবিরেও আছে। ভোটের মুখে তার দাবি অস্বীকার করবে কে? কিন্তু, সেই বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও রূঢ় রাজনৈতিক বাস্তবকে উপেক্ষা করবেন কীভাবে? অতএব, মমতাকে ভোটযুদ্ধে কাহিল করার কোনও সম্ভাবনা নেই। তার ওপর আছে তাঁর ফেডারেল ফ্রন্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে ফ্রন্ট গেরুয়া শিবিরের ভোটচিন্তায় আজ অন্যতম কাঁটা। সেখানেই শেষ নয়। ফেডারেল ফ্রন্টের বাইরেও গেরুয়া বিরোধী অভিযানে দানা বেঁধে ওঠা তৃতীয় শক্তির চোখেও যে নিজগুণে মমতা মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন সে খবরও তো আছে মোদিজি অমিত শাহের কাছে। এহেন শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাকে এত বড় ভোটের মুখে একটু ‘গুড হিউমারে’ রাখাই যে বিচক্ষণতা সেটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কি বুঝেছেন? আর তাই কি মমতাকে ভালোর দলে রাখা!? হতেই পারে। বাকি রইলেন সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামপন্থীরা। একসময় বাজপেয়ি-আদবানি যুগে বাংলার বামপন্থীদের সঙ্গে তাঁদের দহরম-মহরম ছিল। আজও সেটা ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই কি তাঁরা মোদিজির ভালোর দলে? এটাও হতেই পারে।
কিন্তু, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেসকে দেশ থেকে তাড়ানোর ডাক দেওয়ার পাশাপাশি মমতা-মায়াবতী-অখিলেশ মায় সিপিএম সমেত বামপন্থীদের প্রতি নরম মনোভাবের কারণ কেবল এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। আসল উদ্দেশ্য, কংগ্রেসকেন্দ্রিক তৃতীয় ফ্রন্ট এবং মমতার নেতৃত্বাধীন ফেডারেল ফ্রন্টের মধ্যে অর্থাৎ বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলির মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা। একদিকে ‘মোদি হটাও দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে তৃতীয় ফ্রন্টের এবং অন্যদিকে একই লক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টের অভিযান ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে ভালো সাড়া ফেলেছে। কেন্দ্রে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাবনাও দেখতে শুরু করেছে দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, দুই ফ্রন্টে এবং দেশের মানুষের মধ্যে এই মুহূর্তে মমতার মতো গ্রহণযোগ্যতা বিরোধী শিবিরের আর কোনও নেতানেত্রীরই নাকি নেই। তাই, ২০১৯ সালে যদি মোদিজি ক্ষমতাচ্যুত হন তবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বিরোধীজোটের প্রথম এবং স্বতঃস্ফূর্ত চয়েস মমতাই হবেন—এমনটাই অভিমত ওই মহলের বিশেষজ্ঞদের।
বিজেপি শীর্ষনেতৃত্ব অবশ্য বাঙালির প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিশেষ ভাবিত বলে মনে হয় না। তাঁরা ক্ষমতা রক্ষা করতেই বেশি তৎপর। মুশকিলটা হল, এক্ষেত্রেও মমতাই তাঁদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। কারণ, মধ্যমণি হয়ে মমতাই কার্যত দেশ জুড়ে বিরোধীদের একট্টা করতে এবং তাঁর ‘একের বিরুদ্ধে এক’ প্রার্থী দেওয়ার ফর্মুলা সফল করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তাতে সাফল্যও মিলছে ভালোই। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সমেত জোট নেতারা ভোটের পর প্রধানমন্ত্রী ঠিক করার নীতি মেনেছেন এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ও মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট মিলেমিশে একটা জোরদার মোদি-বিরোধী লড়াই দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে। অমিত শাহ সমেত মোদিজির রাজনৈতিক সেনাপতিরা জোটের প্রকৃত শক্তি এখনও কতটা আঁচ করতে পেরেছেন জানা নেই, তবে তাঁরা যে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোট নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তাতে সন্দেহ নেই।
আসলে, গেরুয়া শিবির একটা কথা স্পষ্ট বুঝে গেছে—দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদির শাসনে খুব একটা খুশি নয়। এক তো ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যাঙ্কের লক্ষ কোটি টাকা গায়েবের ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ব্যাপারে সরকারি নিস্পৃহতা, তার সঙ্গে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, উন্নয়নহীনতা, নানাভাবে সাধারণের আয় কমে যাওয়া, রান্নার গ্যাস এবং কেরোসিন, পেট্রল, ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি—সবমিলিয়ে আজ দেশের জনতার মধ্যে একটা চোরা উল্টোস্রোত বইতে শুরু করেছে। মুখ ফেরাচ্ছে মানুষজন। আর প্রত্যাশিতভাবেই সেই স্রোতটাকে নানাভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন বিরোধীরা। ভোটযুদ্ধের সেই গণ-অপ্রসন্নতাকে লোকসভা যুদ্ধে বিপজ্জনক রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তাঁরা।
জোটের পরিসরও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম একলপ্তে শতটাকার বেশি কমানোর মতো মলম দিয়ে জনমনের ওই ক্ষত বাকি ক’মাসে কতটা মেরামত করা যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, পদ্মবাহিনীর আত্মরক্ষার একটাই জোরালো কৌশল এখন অবশিষ্ট—যেন তেন প্রকারে বিরোধী জোট-রাজনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া, অন্যদের কাছে টেনে কংগ্রেসকে বিচ্ছিন্ন করা। তথ্যভিজ্ঞদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার হায়দরাবাদের সভায় মায়াবতী-মমতা নিয়ে বিজেপি সুপ্রিমো তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই ‘নরম’ মন্তব্যকে কি সেই কৌশলেরই ভূমিকা বলে মনে হচ্ছে না?
02nd  December, 2018
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...

 আমেথি, ২২ এপ্রিল (পিটিআই): কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মনোনয়নকে সোমবার বৈধ বলে ঘোষণা করলেন আমেথির রিটার্নিং অফিসার রামমনোহর মিশ্র। আমেথি কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইংলিশ বাজারের ৭৬-৭৮ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ 

10:17:41 AM

কালিয়াচকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ, জখম ১ মহিলা সহ ৩জন 

10:14:17 AM

উত্তরপ্রদেশের সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১০.২৪ শতাংশ 

10:12:39 AM

কালিয়াচকের গোঁসাইপাড়া বুথে বোমাবাজির অভিযোগ, জখম তিন কংগ্রেস কর্মী 

10:10:45 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, মঙ্গলবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:10:00 AM

ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ, মালদহের রতুয়ায় অপসারিত প্রিসাইডিং অফিসার 

10:07:15 AM