বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে। পাঁচ রাজ্যের ভোট সামলে দলীয় দুর্গের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দলবল নিয়ে এবার বহু আগে থেকেই নেমে পড়েছিলেন। রাজস্থানে রাজমাতার প্রতি জনতার ক্ষোভ, অভিমান, তেলেঙ্গানায় টিআরএস মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব, মধ্যপ্রদেশে নানান দুর্নীতির অভিযোগ, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী ঝামেলা ইত্যাদি সামলাতে দিনরাত এক করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতা থেকে সাধারণ সৈনিকেরা।
কিন্তু, তা সত্ত্বেও জনমত সমীক্ষার ফলগুলিতে খুব ভালো কিছু নজরে আসেনি। বরং, রিপোর্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই থেকে ক্ষমতাচ্যুতির মতো বিপদের গন্ধই মিলেছে! অবশ্য, রিপোর্টের কথা সবসময় সত্যি হয় না—এটাও বাস্তব। সুতরাং, ওই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল নিয়ে লোকসভার ভোট ভবিষ্যৎ ব্যাপারে আগাম সিদ্ধান্ত অর্থহীন। তবু, ওই জনসমীক্ষার ফল একেবারে মন থেকে ঝেড়েও কি ফেলা যাচ্ছে! ফেলতে পারছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষমহল? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের একটা বড় অংশের ধারণা, পারছেন না।
অথচ, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বিধানসভা ভোটফলকে লোকসভার ভোটফলের আগাম আভাস বলে মনে করেন না। লোকসভার নির্বাচনী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বও দিতে চান না। কারণ, তাঁদের মতে, বিধানসভা ভোটে জনতার মনে আঞ্চলিক উন্নয়নের ইস্যুগুলো বেশি কাজ করে আর লোকসভার ক্ষেত্রে নাকি জাতীয় ব্যাপার-স্যাপার। সেদিক থেকে পাঁচ রাজ্যের চলতি ভোটফল নিয়ে বিজেপি’র বিশেষ মাথা ঘামানোর কথা নয়। কেননা, এই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল বিরুদ্ধে গেলেও দেশের সিংহভাগ রাজ্য তাঁদের দখলেই থাকবে। তার ওপর শোনা যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের মিজোরামের ভোট পড়ার হার (৭৫ শতাংশ) নাকি পদ্ম দলে বিশেষ উৎসাহের সঞ্চার করেছে! ওই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে তাঁদের আশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এত সব সত্ত্বেও কি দিল্লির শাসক শিবির লোকসভার আসন্ন ভোট মহাযুদ্ধ নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারছে না!? আগামী লোকসভায় দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় থাকার ব্যাপারে মোদিজি অমিতজিরা কি একটু বেশি সন্দিহান হয়ে পড়েছেন? না হলে হঠাৎ কেন মমতা-মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর এত নরম হয়ে এল? কেন সিপিএমকেও আর তাঁর তেমন বিপজ্জনক মনে হচ্ছে না! আর কেনই বা ব্যতিক্রম কংগ্রেস! কেন কংগ্রেসই মনে হচ্ছে একমাত্র শত্রু—তাড়াতে হবে দেশ থেকে? হ্যাঁ, একটা সাদা কারণ তার তো আছেই। লোকসভায় আসন যতই সামান্য হোক জাতীয় রাজনীতি তথা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কংগ্রেসের ঐতিহ্য গরিমা এখনও যথেষ্টই। সেই কংগ্রেসকে নরেন্দ্র মোদিজি প্রধান রাজনৈতিক শত্রু ও প্রতিপক্ষ বলে মনে করলে আশ্চর্যের কিছু নেই। সেই অবস্থান থেকে তিনি কংগ্রেস মুক্ত ভারতের ডাক দিতেই পারেন, বলতেই পারেন, অখিলেশ-মায়াবতী-মমতা সব ঠিক আছে। কেবল তাড়াতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, হায়দরাবাদের জনসভায় মোদিজির এই বক্তব্যের তাৎপর্য কি শুধু এটুকুই?
একথা ঠিক, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটা উপনির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী মিলে ভালো ধাক্কা দিয়েছিল রেকর্ড আসনে জেতা যোগী-বাহিনীকে। সেই ধাক্কা দিল্লির দরবারেও গিয়ে পৌঁছেছিল। আসন্ন লোকসভায় ওঁরা জোট বাঁধলে যে বিপদ সেটা আঁচ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অমন নরম কথা বলতেই পারেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রায় একই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব-প্রতিপত্তিতে আচ্ছন্ন, মমতায় মুগ্ধ, মমতার উন্নয়নের জোয়ারে ভাসমান এই পশ্চিমবঙ্গে আগামী লোকসভা ছাড়, সুদূর ভবিষ্যতেও গেরুয়া বাহিনী দাঁত ফোটাতে পারবে এমন আশা সে দলের কেউই খুব বুক বাজিয়ে বলতে পারেন বলে শুনিনি। এমনি রাজনৈতিক প্রচারে সে কথা হয়তো অনেকে জোর গলায় সভাসমিতিতে বলছেন, দিল্লি নেতাদের উৎসাহে তাঁদের কর্মী সমর্থকদের আসন্ন লোকসভায় ২২/২৪ আসন দখলের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন—কিন্তু তাঁরাও খুব ভালোই জানেন বাস্তবে এই ২০১৯ সালে এমনটা ঘটানো খুব সহজ নয়, বরং অসম্ভবের কাছাকাছি।
তবু বলছেন, বলতে হয় বলেই বলছেন। উপায় কী? দলীয় রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা বলে একটা ব্যাপার তো পদ্মশিবিরেও আছে। ভোটের মুখে তার দাবি অস্বীকার করবে কে? কিন্তু, সেই বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও রূঢ় রাজনৈতিক বাস্তবকে উপেক্ষা করবেন কীভাবে? অতএব, মমতাকে ভোটযুদ্ধে কাহিল করার কোনও সম্ভাবনা নেই। তার ওপর আছে তাঁর ফেডারেল ফ্রন্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে ফ্রন্ট গেরুয়া শিবিরের ভোটচিন্তায় আজ অন্যতম কাঁটা। সেখানেই শেষ নয়। ফেডারেল ফ্রন্টের বাইরেও গেরুয়া বিরোধী অভিযানে দানা বেঁধে ওঠা তৃতীয় শক্তির চোখেও যে নিজগুণে মমতা মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন সে খবরও তো আছে মোদিজি অমিত শাহের কাছে। এহেন শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাকে এত বড় ভোটের মুখে একটু ‘গুড হিউমারে’ রাখাই যে বিচক্ষণতা সেটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কি বুঝেছেন? আর তাই কি মমতাকে ভালোর দলে রাখা!? হতেই পারে। বাকি রইলেন সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামপন্থীরা। একসময় বাজপেয়ি-আদবানি যুগে বাংলার বামপন্থীদের সঙ্গে তাঁদের দহরম-মহরম ছিল। আজও সেটা ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই কি তাঁরা মোদিজির ভালোর দলে? এটাও হতেই পারে।
কিন্তু, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেসকে দেশ থেকে তাড়ানোর ডাক দেওয়ার পাশাপাশি মমতা-মায়াবতী-অখিলেশ মায় সিপিএম সমেত বামপন্থীদের প্রতি নরম মনোভাবের কারণ কেবল এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। আসল উদ্দেশ্য, কংগ্রেসকেন্দ্রিক তৃতীয় ফ্রন্ট এবং মমতার নেতৃত্বাধীন ফেডারেল ফ্রন্টের মধ্যে অর্থাৎ বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলির মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা। একদিকে ‘মোদি হটাও দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে তৃতীয় ফ্রন্টের এবং অন্যদিকে একই লক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টের অভিযান ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে ভালো সাড়া ফেলেছে। কেন্দ্রে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাবনাও দেখতে শুরু করেছে দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, দুই ফ্রন্টে এবং দেশের মানুষের মধ্যে এই মুহূর্তে মমতার মতো গ্রহণযোগ্যতা বিরোধী শিবিরের আর কোনও নেতানেত্রীরই নাকি নেই। তাই, ২০১৯ সালে যদি মোদিজি ক্ষমতাচ্যুত হন তবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বিরোধীজোটের প্রথম এবং স্বতঃস্ফূর্ত চয়েস মমতাই হবেন—এমনটাই অভিমত ওই মহলের বিশেষজ্ঞদের।
বিজেপি শীর্ষনেতৃত্ব অবশ্য বাঙালির প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিশেষ ভাবিত বলে মনে হয় না। তাঁরা ক্ষমতা রক্ষা করতেই বেশি তৎপর। মুশকিলটা হল, এক্ষেত্রেও মমতাই তাঁদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। কারণ, মধ্যমণি হয়ে মমতাই কার্যত দেশ জুড়ে বিরোধীদের একট্টা করতে এবং তাঁর ‘একের বিরুদ্ধে এক’ প্রার্থী দেওয়ার ফর্মুলা সফল করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তাতে সাফল্যও মিলছে ভালোই। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সমেত জোট নেতারা ভোটের পর প্রধানমন্ত্রী ঠিক করার নীতি মেনেছেন এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ও মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট মিলেমিশে একটা জোরদার মোদি-বিরোধী লড়াই দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে। অমিত শাহ সমেত মোদিজির রাজনৈতিক সেনাপতিরা জোটের প্রকৃত শক্তি এখনও কতটা আঁচ করতে পেরেছেন জানা নেই, তবে তাঁরা যে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোট নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তাতে সন্দেহ নেই।
আসলে, গেরুয়া শিবির একটা কথা স্পষ্ট বুঝে গেছে—দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদির শাসনে খুব একটা খুশি নয়। এক তো ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যাঙ্কের লক্ষ কোটি টাকা গায়েবের ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ব্যাপারে সরকারি নিস্পৃহতা, তার সঙ্গে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, উন্নয়নহীনতা, নানাভাবে সাধারণের আয় কমে যাওয়া, রান্নার গ্যাস এবং কেরোসিন, পেট্রল, ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি—সবমিলিয়ে আজ দেশের জনতার মধ্যে একটা চোরা উল্টোস্রোত বইতে শুরু করেছে। মুখ ফেরাচ্ছে মানুষজন। আর প্রত্যাশিতভাবেই সেই স্রোতটাকে নানাভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন বিরোধীরা। ভোটযুদ্ধের সেই গণ-অপ্রসন্নতাকে লোকসভা যুদ্ধে বিপজ্জনক রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তাঁরা।
জোটের পরিসরও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম একলপ্তে শতটাকার বেশি কমানোর মতো মলম দিয়ে জনমনের ওই ক্ষত বাকি ক’মাসে কতটা মেরামত করা যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, পদ্মবাহিনীর আত্মরক্ষার একটাই জোরালো কৌশল এখন অবশিষ্ট—যেন তেন প্রকারে বিরোধী জোট-রাজনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া, অন্যদের কাছে টেনে কংগ্রেসকে বিচ্ছিন্ন করা। তথ্যভিজ্ঞদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার হায়দরাবাদের সভায় মায়াবতী-মমতা নিয়ে বিজেপি সুপ্রিমো তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই ‘নরম’ মন্তব্যকে কি সেই কৌশলেরই ভূমিকা বলে মনে হচ্ছে না?
02nd  December, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কের কাছে ব্রিগেডগামী বাসের ধাক্কায় আহত হলেন বিধাননগর পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান। শনিবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে আঘাত গুরুতর নয়। ...

মেক্সিকো, ১৯ জানুয়ারি (এএফপি): শুক্রবার মধ্য মেক্সিকোয় তেল চুরি করতে গিয়ে পাইপলাইনে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭১ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বালতি ও ক্যান নিয়ে স্থানীয়রা পাইপ থেকে গ্যাসোলিন চুরি করছিলেন। সেই সময়ে হঠাৎ পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিনহাটায় আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধৃত ১ 

03:22:34 PM

হিমাচলের কেলং ভ্যালিতে ব্যাপক তুষারপাত 

03:21:00 PM

হায়দরাবাদে বিমানবন্দর থেকে ৬৬ লক্ষ টাকার সোনার বাট সহ গ্রেপ্তার ১ 

03:17:00 PM

সিরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে বিস্ফোরণ, মৃত ৩ 

03:03:00 PM

কেশিয়াড়িতে বনধের ডাক দিল বিজেপি 

03:02:00 PM

এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:00 PM