বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোট সমীক্ষার ভ্রান্ত দিগ্‌নির্দেশ
শুভময় মৈত্র

আমরা সকলেই তাকিয়ে আছি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলাফলের দিকে। অবশ্যই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কংগ্রেস আর বিজেপি এই নির্বাচনে কেমন ফল করতে চলেছে। তবে অন্যান্য দলগুলিকেও একেবারে ভুলে থাকা ঠিক হবে না। কারণ এর মধ্যে অনেক রাজ্যেই লড়ছে বিএসপি, যাদের ভোট কোথাও কোথাও পাঁচ শতাংশের বেশি। জাতীয় রাজনীতিতে বামপন্থীদের অবস্থা এই সহস্রাব্দের শুরুর দিকে যতটা ভালো ছিল, আজকে পরিস্থিতি তার থেকে অনেকটা খারাপ হলেও এই দলগুলিকেও উপেক্ষা করা উচিত নয়। সব মিলিয়ে যা খবর শোনা যাচ্ছে তাতে রাজস্থানে পাল্লা ভারী কংগ্রেসের। ছত্তিশগড় আর মধ্যপ্রদেশে তুল্যমূল্য লড়াই। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেসের ফল হয়তো আরও ভালো হতো বিরোধীদের মহাজোট হলে। কিন্তু তা হয়নি। ফলে বিরোধীদের ভোট যদি ভাগ হয় তাহলে আসনের হিসেবে বিজেপি কিছু সুবিধে পেতেই পারে। মিজোরামে ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস, তবে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে বিজেপি আজকাল স্থানীয় দলগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে যখন তখন সরকার গড়ে ফেলছে। সেই হিসেবে অবশ্যই কংগ্রেসের কাছে মিজোরামের লড়াই সহজ নয়। শেষে আলোচনা করা যাক তেলেঙ্গানার কথা। এখানে লড়াই টিআরএস এর সঙ্গে মহাজোটের, যাতে আছে কংগ্রেস, টিডিপি (তেলুগু দেশম পার্টি), সিপিআই আর তেলেঙ্গানা জন সমিতি। কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর) এর নেতৃত্বে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) ক্ষমতায় আছে তেলেঙ্গানায়। বিধানসভা ভোট মাসছয়েক আগে এগিয়ে এনে সূক্ষ্ম চাল দিয়েছে তারা। অন্যদিকে একসঙ্গে থেকে ভালোই লড়াই করছে মহাকুটামি (মহাজোট)।
এই রাজ্যগুলিতে লোকসভার হিসেবে আসন সংখ্যা কিন্তু একেবারে ফেলে দেওয়ার মত নয়। সব মিলিয়ে লোকসভার আসন ৮৩ টি, রাজস্থান ২৫, মধ্যপ্রদেশ ২৯, ছত্তিশগড় ১১, তেলেঙ্গানা ১৭ আর মিজোরাম ১। মনে রাখতে হবে এগুলি কিন্তু বিধানসভা আসনের সংখ্যা নয়। বিধানসভার হিসেবে রাজস্থানে আসন ২০০, মধ্যপ্রদেশে ২৩০, ছত্তিশগড়ে ৯০, তেলেঙ্গানা ১১৯ আর মিজোরাম ৪০। অর্থাৎ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এই রাজ্যগুলির ভোটফল অবশ্যই ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সুস্পষ্ট দিগ্‌নির্দেশ করবে। ভোট যখন হচ্ছে, তখন সমীক্ষা তো হবেই। সমীক্ষার ভিত্তি হল রাশিবিজ্ঞান। এক একটি রাজ্যের ভোটার সংখ্যা সাধারণত কয়েক কোটি, ছোট রাজ্যের ক্ষেত্রে বেশ কয়েক লক্ষ। তার মধ্যে সাধারণত দুই-তিন হাজার থেকে কুড়ি-পঁচিশ হাজার মানুষের মতামত নেওয়া হয় ভোট সমীক্ষার জন্যে। সেই মানুষগুলোর মতামত থেকে স্থির করা হয় সমগ্র রাজ্য কিংবা দেশে কী হতে চলেছে। সমীক্ষায় যেহেতু অল্প কিছু মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে, তাই সত্যিকারের ফলাফলের সঙ্গে তার পার্থক্য থাকবেই। সোজা বাংলায় সমীক্ষার ফল মিলতেও পারে, আবার নাও মিলতে পারে। এতে দোষের কিছু নেই। ফলিত বিজ্ঞানের একটা বড় অংশের কাজই হচ্ছে ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে তার আভাস দেওয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাতে ভুল হতেই পারে। আমাদের দেশে নির্বাচনী সমীক্ষা সরাসরি আসন সংখ্যার হিসেবে হয় না। শুরুতে কোন দল কত ভোট পেতে পারে তার একটা সম্ভাব্য হিসেব করা হয়। সেখান থেকে অনুমান করা হয় আসনের সংখ্যা। এটা বুঝতে হবে যে ভোট শতাংশ এবং আসন সংখ্যার হিসেব সরলরৈখিক নয়। সাধারণভাবে যে দল বেশি ভোট পায় তারাই বেশি আসন পেয়ে থাকে। মোটামুটিভাবে বিজয়ী দল যদি দ্বিতীয় দলের থেকে পাঁচ শতাংশ ভোট বেশি পায় তাহলে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। এর কারণ ভোটের এই পার্থক্যের প্রভাব শুধু একটি আসনের হিসেবে হয় না, তা হয় মোটামুটিভাবে সারা রাজ্যের ভোটবিন্যাসের ভিত্তিতে। রাজ্যজুড়ে ভোটের যে সামঞ্জস্য, তার নিরিখেই জেতা-হারা ঠিক হয়। তবে লড়াই যখন হাড্ডাহাড্ডি, তখন কিন্তু এই হিসেব কাজ করে না। সমীক্ষার তাত্ত্বিক অঙ্কেই জানা আছে যে সাধারণত তিন শতাংশের মত ভুল থাকবে। সুতরাং প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির মধ্যে ভোটের ভাগ যদি হয় খুব কাছাকাছি (তিন শতাংশের কম), তাহলে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা সঠিকভাবে করেও কোন সুবিধা হয় না। এবার মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ের ক্ষেত্রে সমীক্ষাগুলি বলছে যে বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে ভোট পার্থক্য থাকবে ভীষণ কম। সেক্ষেত্রে বিনোদনের জন্যে সমীক্ষা হতেই পারে, কিন্তু সেই ফলের ওপর নির্ভরতা রাখা উচিত নয়।
এতক্ষণ তো কথা হল সৎ এবং বিজ্ঞানসম্মত সমীক্ষার বিষয়ে। তার খরচ একটু দেখে নেওয়া যাক। দশ হাজার লোকের কাছে প্রশ্নপত্র নিয়ে গিয়ে তাদের মতামত জানার খরচ প্রতি ভোটারের ক্ষেত্রে অন্তত একশো টাকা। এর কারণ এক জায়গায় একগাদা লোকের কাছ থেকে মতামত নিলে সমীক্ষায় প্রচুর ভুল হয়। ফলে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের খরচ আছে। আর মানুষের কাছে না পৌঁছে টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটে মতামত জানলে তার বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। দশ হাজারকে একশো দিয়ে গুণ করলে হয় দশ লক্ষ টাকা। এর সঙ্গে দরকার তথ্যরাশি কম্পিউটার-এ ভরে সংখ্যার কাটাছেঁড়া। আজকের দিনে কয়েকজন রাশিবিজ্ঞানীকে জোগাড় করে এই ধরনের কাজ করানোর খরচ যথেষ্ট। সব মিলিয়ে এটা পরিষ্কার যে ভালো কোনও সমীক্ষা করতে গেলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। একটু নজর রাখলেই দেখা যাবে যে অনেক সংবাদমাধ্যম পরপর বেশ কয়েকটি সমীক্ষার ফল প্রকাশ করছে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে খরচটা কোটির অঙ্কে। টাকার কথা তো হল। এর পর আছে বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন। সংবাদমাধ্যম মানেই নিরপেক্ষ, এরকম দুরাশা আজকের দিনে না-করাই ভালো। ঠিক কীভাবে, কোথায়, কত টাকা খরচ করে, কাদের দিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে, সেই সব তথ্য না জানালে সমীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। সেই জন্যেই তো প্রত্যেক নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশ করা ফলাফল অনেকটাই আলাদা হয়। বিনোদন হিসেবে সমীক্ষার গল্প শুনতে অসুবিধে নেই, কিন্তু ফলিত বিজ্ঞান হিসেবে একে মেনে না-নেওয়াই ভালো। রাশিবিজ্ঞানের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী সমীক্ষা করলে বিভিন্ন সংস্থার ফলাফলে বিপুল পার্থক্য হওয়ার কথা নয়। এই প্রেক্ষিতে আমরা উদাহরণ হিসেবে দেখব তেলেঙ্গানা নিয়ে সাম্প্রতিক দুটি ভিন্ন সমীক্ষার ফলাফল, যা নিয়ে আলোচনা চলছে প্রচুর।
আমরা আগেই বলেছি তেলেঙ্গানায় মূল লড়াই টিআরএস আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহাজোটের। এখানে এককভাবে লড়াইতে আছে বিজেপি আর আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএম (অল ইন্ডিয়া মজলিশ-এ ইত্তেহাদুল মুসলিমেন)। সাম্প্রতিক সমীক্ষাগুলি প্রকাশ করেছে একাধিক নামজাদা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। কয়েকদিন আগে হওয়া যে সমীক্ষার (এবিপি নিউজ-রিপাবলিক টিভি) খবর প্রথম পাওয়া যায় তাতে আমরা জানতে পারি যে টিআরএস পেতে পারে মাত্র ৪২টি আসন আর বিরোধী মহাজোট পাবে ৬৪ টি। অর্থাৎ সম্ভবত ক্ষমতায় আর থাকতে পারবে না কেসিআর-এর নেতৃত্বাধীন টিআরএস। মোট আসন এখানে ১১৯, ফলে ৬০টি আসন জোগাড় হলেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সম্ভব।
কিন্তু অন্য একটি সমীক্ষার (সিএনএক্স-টাইমস নাও) ফল প্রকাশিত হয়েছে আর একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। তারা বলছে টিআরএস পাবে ৭০টি আসন, আর বিরোধী জোট পাবে ৪০-এর সামান্য বেশি। আসনের হিসেবে এত পার্থক্য হওয়া ভীষণ গোলমেলে ঘটনা। দু-একজন বিশ্লেষক বলছেন যে বিরোধী চার দলের জোটের ভোট শতাংশ একসঙ্গে যোগ করে হিসেব করা হয়নি দ্বিতীয় সমীক্ষায়। তাই নাকি তাদের আসনের হিসেব কম এসেছে। এটা অবশ্যই পদ্ধতির ভুল হিসেব বলে ধরে নেওয়া যেত। কিন্তু তথ্য ঘাঁটলে আরও এক অবাক করার মত বিষয় দেখা যাচ্ছে। প্রথম সমীক্ষাটি বলছে, টিআরএস পাবে ২৯.৪ শতাংশ ভোট আর বিরোধী মহাজোট দখল করবে ৩৩.৯ শতাংশ। দ্বিতীয় সমীক্ষাটি বলছে টিআরএস পাবে ৩৭.৫ শতাংশ ভোট আর বিরোধী কংগ্রেস পাবে প্রায় ২৮%। জোটের ভোট এখানে ঠিক কী ভাবে ধরা হয়েছে সে হিসেব খুব পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে অত্যন্ত নামকরা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি টিআরএস-এর ভোট শতাংশ নিয়ে সম্পূর্ণ দু-ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী করছে। একজন বলছে, তিরিশ শতাংশের কম আর অন্যজন বলছে সাঁইত্রিশ শতাংশের বেশি। ভোট সমীক্ষায় আসনের হিসেবে কিছুটা তফাত হতেই পারে (যদিও এক্ষেত্রে আসনের অনুমান বিপুলভাবে আলাদা), কারণ আমরা আগেই বলেছি, ভোট শতাংশ আর আসনের হিসেব সরলরৈখিক নয়। কিন্তু, মূলত টিআরএস আর মহাজোট এই দু’পক্ষের লড়াইতে (এখানে বিজেপি বা এআইএমআইএম খুব বেশি ভোট বা আসন পাবে না একথা মোটামুটি জানাই আছে) শাসক দলের ভোটের অনুমানে আট শতাংশের মত পার্থক্য অবশ্যই রাশিবিজ্ঞানের চোখ কপালে তুলে দেবে।
সমাধান খুব সহজ। এই দুই সমীক্ষা যাঁরা করেছেন তাঁরা মুখোমুখি বসে দেখুন কোথায় গন্ডগোল। রাশিবিজ্ঞানের তত্ত্বের জন্যে যদি এমন ভুল হয় তাহলে সেই অঙ্ক ভোটসমীক্ষা নিয়ে গবেষণার এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আর সমীক্ষার নিয়মে যদি ভুল হয় (সম্ভবত সেটাই ঘটেছে), সেক্ষেত্রে তার থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। সেই ভুল যে হয়েছে তা অবশ্যই জানানো উচিত জনগণকে। তা না-হলে সাধারণ মানুষ কিন্তু ভোট সমীক্ষায় একধরনের প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সেটাই ধরে নিতে হবে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলির কাছে এ মোটেই গর্বের বিষয় নয়।
লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মতামত ব্যক্তিগত
29th  November, 2018
কংগ্রেসের জয়ে বড় ভূমিকা কৃষক আন্দোলনের 
শুভময় মৈত্র

হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যেই বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করল কংগ্রেস। তবে তাদের দলটা তো বিজেপির মত নিয়মানুবর্তী এবং সংগঠনভিত্তিক নয়। কংগ্রেসকে ভোটে জেতায় তাদের কর্মী এবং জনগণ আর নেতা নির্বাচনের জন্যে সবাই তাকিয়ে থাকে গান্ধী পরিবারের দিকে।  বিশদ

মোদির ভাবমূর্তির পতনই বিজেপির মূল ক্ষতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল বিজেপি’র বিপক্ষে ৫-০ হওয়া ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ জনমানসে মোদির ভাবমূর্তির পতন ঘটা। কোনও একটি বা একাধিক রাজ্যের সরকার পরিবর্তন যতটা না শাসক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শাসক দলের নেতৃত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ভাবনার উৎপত্তি।
বিশদ

14th  December, 2018
পাক সন্ত্রাসবাদের পাল্টা
জবাবে ভারতের জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানকে বিঁধতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নতুন শব্দবন্ধ ব্যবহার করা শুরু করেছে ভারত। কখনও বলছে ‘টেররিস্তান’, কখনও ‘বিশেষ সন্ত্রাসবাদী অঞ্চল’! তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক! সেই তথ্যই জানাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরে শেষ আট বছরে সব থেকে বেশি সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই বছরেই।
বিশদ

13th  December, 2018
রথধ্বনি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

‘এই-সকল টানিয়া বুনিয়া বর্ণনা আমাদের কর্ণে অসম-ভূমি-পথে বাধা-প্রাপ্ত রথচক্রের ঘর্ঘর শব্দের ন্যায় কর্কশ লাগে।’ —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমাদের দেশের রাজনীতি এখন শতরঙ্গে ভরা। দেশের কেন্দ্রে অধিকাংশের ভোটে একটি কুনির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসন হঠাৎই রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রধান এবং দলমুখ্যকে মাঝে-মাঝেই মাথায় পাগড়ি এবং হাতে তরবারি নিয়ে ছবি তুলতে দেখছি।
বিশদ

11th  December, 2018
Loading...
ভোটের পর সংসদীয় মূল‌্যবোধ কি অক্ষত থাকবে?  

পি চিদম্বরম: আপনি এই লেখাটি পড়ছেন পাঁচ রাজ‌্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার (৭ ডিসেম্বর) তিনদিন বাদে এবং গণনার (১১ ডিসেম্বর) ঠিক আগের দিন। সুতরাং অত সতর্ক না-থাকলেও আমার চলে।   বিশদ

10th  December, 2018
হাঁক পাড়লেই হবে? মমতার সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে এমন মুখ কোথায়?
শুভা দত্ত

এবারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি কটা আসন পাবে? পেতে পারে? এই মুহূর্তে বোধহয় স্বয়ং ভগবানও বলতে পারবেন না। জ্যোতিষীরা হয়তো তিথি নক্ষত্র ইত্যাদি গুনেগেঁথে কিছু একটা বলে দিতে পারেন, তবে সেটাই শেষপর্যন্ত মিলে যাবে এমন স্থির সিদ্ধান্ত একমাত্র আহাম্মক ছাড়া কেউ করবেন না। কারণ, ভোট এখনও অনেকটা দূরে।
বিশদ

09th  December, 2018
Loading...
ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থান ভোটের ফল?

আমরা সবাই এখন ভোটফলের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হল রাজস্থান বিধানসভার ভোট। গত বিধানসভায় ২০১৩ সালে এই তারিখ ছিল ১ ডিসেম্বর, রবিবার। সেদিন পরিবার নিয়ে জয়পুরে থাকার সুযোগ হয়েছিল। কাজের সূত্রে যে বন্ধুরা জয়পুরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হচ্ছিল যাওয়ার আগে।
বিশদ

08th  December, 2018
ওয়াটার মার্কেট
সমৃদ্ধ দত্ত

বিহারের গয়া জেলার কাপাসিয়া ব্লকের গুলাড়িয়া চক গ্রামের গনৌরি কুমার আর মুসাফির মাঝি পার্লামেন্ট স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে এক পুলিস কর্মীকে বললেন, তোমাদের এখানে যমুনা নদীটা দেখতে যাব কীভাবে? কেন? না, মানে, কেমন জল আছে একবার দেখতাম! আবার কবে আসা হবে তা তো জানি না। এরপর যখন আসব যদি শুকিয়ে যায়! পুলিস কর্মী হাসলেন।
বিশদ

07th  December, 2018
লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। বিশদ

06th  December, 2018
পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি।
বিশদ

04th  December, 2018
ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন।
বিশদ

03rd  December, 2018
মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে।
বিশদ

02nd  December, 2018
Loading...
একনজরে
বিএনএন, বর্ধমান: অবশেষে পূর্তদপ্তরের বর্ধমানের কর্তাদের ‘শীতঘুম’ ভেঙেছে। জিটি রোড সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর গত মঙ্গলবার থেকে রাস্তা সংস্কারের কাজ ফের শুরু হওয়ায় বর্ধমানের মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ১৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে পশ্চিমবঙ্গ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের ৫০তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। প্রারম্ভিক ভাষণ দেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা দেবাশিস রায়। ...

 জম্মু, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে গাড়ি পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরে মৃত্যু হল সাতজনের। মৃতদের মধ্যে তিনজনই শিশু। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রেয়াসি জেলার তামসগালি এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, বিয়ে বাড়ির অনষ্ঠান সেরে ফেরার পথে তামসগালির পাহাড়ি পথে গাড়ির চালক ...

 ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): যৌন হেনস্তার অপরাধে আমেরিকায় এক ভারতীয় তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীর নয় বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মার্কিন আদালত। চলতি বছরের শুরুতে বিমানে সফরকালে এক ঘুমন্ত মহিলা সহযাত্রীকে যৌন হেনস্তা করে প্রভূ রামমূর্তি (৩৫)। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা, বাহন ক্রয়ের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৯ টাকা ৯২.৩৩ টাকা
ইউরো ৮০.০৪ টাকা ৮৩.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৯৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,২৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী ৫৯/৫৯ শেষ রাত্রি ঘ ৬/১৩। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৪৭/৩৩ রাত্রি ঘ ১/১৪, সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৪/৫০/২৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/১১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী রাত্রি ২/৫/২৫। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র রাত্রি ১০/১২/৪২। সূ উ ৬/১৩/১৬, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৫/৪০ মধ্যে ও ঘ ৭/৩৮/৪ থেকে ঘ ৯/৪৫/১৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৫২/২৭ থেকে ২/৪২/২ মধ্যে ও ৩/২৪/২৬ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫১/৩৯ থেকে ঘ ২/৩৮/৫১ মধ্যে। বারবেলা ১২/৫০/৪৪ থেকে ২/১০/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩২/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৩/২৯/৪৪ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/৪৩ মধ্যে ও ঘ ৪/৩৩/২৯ থেকে ঘ ৬/১৩/৫৯ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপির রথযাত্রার অনুমতি দিল না রাজ্য 
সাম্প্রদায়িক অশান্তির আশঙ্কায় রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রার আবেদন বাতিল করে দিল ...বিশদ

09:17:00 PM

কাল ম্যারাথনের জন্য হাওড়া স্টেশন ও বিমানবন্দরে যেতে বিকল্প রুট পুলিসের 
টাটা স্টিল কলকাতা ম্যারাথনের জন্য শনিবার রাত ১০টা থেকেই ময়দানের ...বিশদ

07:31:32 PM

জয়নগরে শ্যুটআউটের ঘটনায় ধৃত আরও ১ 

03:59:57 PM

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি এখন কলকাতায়
ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে কলকাতায় পৌঁছাল আসন্ন ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফিটি।আর মাত্র ...বিশদ

03:42:35 PM

এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণা, আটক ২
এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আসানসোলে থেকে ২ জনকে আটক ...বিশদ

03:39:00 PM

আসানসোলে আট ফুটের ময়াল উদ্ধার
আসানসোল উওর থানার পাচগাছিয়া মনোহর বহাল এলাকা থেকে আট ফুটের ...বিশদ

03:36:00 PM

Loading...
Loading...