Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আর একটা প্রতিষ্ঠান পতনের মুখে
পি চিদম্বরম

 পাঠক বা দর্শকের পছন্দ করতেই হিমশিম অবস্থা—কোনটা নেবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট ম‌্যাচ হবে ঠিক রয়েছে। রয়েছে সিবিআই ভার্সেস সিবিআই। এবং, সর্বশেষ খেলটা হল গভর্নমেন্ট ভার্সেস রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)।
প্রত‌্যেক ক্রিকেটার আহত হয়েছে, সিবিআই ভেঙে পড়েছে এবং, আরবিআইয়ের ক্ষেত্রে বলতে হয়, এটা ভয়ংকরভাবে বেঁকে গিয়েছে।
আরবিআই হল ভারতের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক। বেশিরভাগ মানুষ জানে না বা বোঝে না রাষ্ট্র পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। একটা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের মূল উদ্দেশ‌্য রাষ্ট্রের আর্থিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত করা। আরবিআই অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর উদ্দেশ‌্য মূলত দুটো: ব‌্যাঙ্ক নোট বা মুদ্রা যা ইস‌্যু করা হয় তার নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তার জন‌্য ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করা।
আরবিআইয়ের অনেক ভূমিকা
আরবিআইয়ের কাজ অনেকগুলো। এই সংস্থা কারেন্সি নোট বা মুদ্রা বাজারে ছাড়ে। সুদের হার নির্ধারণ করে দেয়। মুদ্রা বিনিময় করে। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংস্থাই ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করে। সরকারের ঋণ সংক্রান্ত ব‌্যাপারগুলো সামলায়। বাণিজ‌্যিক ব‌্যাঙ্ক এবং ব‌্যাঙ্ক নয় এমন আর্থিক সংস্থাগুলোর (এনবিএফসি) অনুমোদন এবং নিয়ন্ত্রণ করে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক। এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের অনেকগুলো প্রত‌্যক্ষভাবে এর প্রধান উদ্দেশ‌্য ‘আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তা’র সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মুক্ত অর্থনীতির দেশসমূহের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কগুলোকে যে দায়িত্ব পালন করতে হয় রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের মূল দায়িত্ব তার থেকে আলাদা কিছু নয়। যে প্রধান নীতির ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক দাঁড়িয়ে থাকে এবং তার দায়িত্ব-কর্তব‌্য পালন করতে সক্ষম হয় সেটা হল ‘কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতা’। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক (ইসিবি) সনদ বলে যে, অন‌্যান‌্য সবকিছুর মধ‌্যে, ‘‘না ইসিবি, না একটা জাতীয় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক, না তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার যে-কোনও সদস‌্য—ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন, বডি, অফিস বা এজেন্সি থেকে, কোনও সদস‌্য রাষ্ট্রের সরকার অথবা অন‌্য কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দেশ চাইতে বা নিতে পারে না।’’
‘সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক ইন্ডিপেন্ডেন্স’-এর নীতিটা বর্তমানে বস্তুত পরিবর্তনের অতীত একটা আইন। যদিও আরবিআইয়ের প্রতিষ্ঠা সংসদপ্রণীত একটি আইন বলে, সুতরাং, আরবিআই নিছক একটা ‘বোর্ড-ম‌্যানেজড’ কোম্পানি নয়, তার সঙ্গে সেইভাবে ব‌্যবহার করার সুযোগও নেই। পৃথিবীর সর্বত্র কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক আর তার শীর্ষকর্তা (গভর্নর/চেয়ারম‌্যান) সমার্থক কথা। কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার এই নীতিটাকেই এনডিএ সরকার চ‌্যালেঞ্জ করে
বসেছে। প্রতিটা জিনিস যা আইন মোতাবেক করার কথা, নিরবচ্ছিন্নভাবে আইনি পরিধিতেই তা সম্পন্ন হতে হবে; অন‌্যথায় তা কর্তৃত্ববহির্ভূত বা
অনধিকার বলে গণ‌্য হবে।
স্বাধীনতা চ‌্যালেঞ্জের সম্মুখীন
১৯ নভেম্বর, ২০১৮ নীতিটা কঠোরভাবে পরীক্ষিত হয়েছে—এবং লঙ্ঘিত হয়েছে। আরবিআই বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের মিটিঙে চারটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
১. ইকনমিক ক‌্যাপিটাল ফ্রেমওয়ার্ক (ইসিএফ) পরীক্ষা করে দেখার জন‌্য বোর্ড একটা এক্সপার্ট কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সদস‌্যপদ এবং বিচার্য বিষয়ের যেটা সরকার এবং আরবিআই যুগ্মভাবে স্থির করবে।
২. বোর্ড পরামর্শ দিয়েছে যে ছোট ও মাঝারি উদ‌্যোগী (এমএসএমই) ঋণগ্রহীতাদের ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের পুনর্গঠনের ব‌্যাপারে একটা স্কিমের কথা বিবেচনা করা উচিত।
৩. বোর্ড সিআরএআর (ক‌্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ‌্যাসেটস রেশিও) ৯ শতাংশে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং এর পরিবৃত্তিকাল (ট্রানজিশন পিরিয়ড) এক বছর বর্ধিত করার ব‌্যাপারে সম্মত হল।
৪. বোর্ড আরও সিদ্ধান্ত নিল যে পিসিএ (প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশন)-এর অধীন ব‌্যাঙ্কের ইস‌্যুটা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ফিনান্সিয়াল সুপারভিশন পরীক্ষা করবে।
আমার মতে, এটা একটা সর্বনাশা বৈঠক হয়েছিল, যেটা একটা বিপজ্জনক নতুন পথ তৈরি করল। চারটের মধ‌্যে তিনটে ব‌্যাপারে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যেইমাত্র রক্তক্ষয় লক্ষ করল সরকার, ৭ নং ধারা (নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজনে) অথবা ৫৮ নং ধারার (নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজনে) সাহায‌্য নেওয়ার থেকে পিছু হটল। তৎসত্ত্বেও, এটা পরিষ্কার যে উটের নাক তাঁবুর ভেতরে ঢুকে গেছে; এখন পুরো দেহটা ঢুকে পড়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।
আমার এটা বিশ্বাস করতে দ্বিধা নেই যে, বোর্ডের স্বাধীন ডিরেক্টরদের বেশিরভাগই বিশিষ্ট বা সম্মাননীয় পেশাদার ব‌্যক্তি অথবা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব‌্যবসায়ী। যাই হোক, তাঁদের কেউই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কার নন এবং তাঁদের কারোরই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের কার্যাবলি সম্পর্কে অধিকৃত জ্ঞানও নেই। পাশাপাশি, বিভিন্ন বৈঠকের হিসেব থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, যে সরকার তাঁদের নিয়োগকর্তা, স্বাধীন ডিরেক্টরগণ তার ব‌্যাপারে কিন্তু স্বাধীন নন; মনে হয়, তাঁরা উৎসাহভরে সরকারের অবস্থানটাকেই সমর্থন করেছেন। একই বোর্ড ২০১৬-র ৮ নভেম্বর নম্র ভদ্রভাবে বিমুদ্রাকরণ অনুমোদন করে দেশকে ডুবিয়েছিল। আজ, দুই বৎসরাধিক কাল বাদে বোর্ড ফের একবার দেশকে ব‌্যর্থতা উপহার দিল কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার নীতি লঙ্ঘন করে।
কৈফিয়ত দিতে বাধ‌্য, তবে হুকুমের অধীন নয়
রেপো রেট অথবা সিআরআর (ক‌্যাশ রিজার্ভ রেশিও) নিয়ে অর্থমন্ত্রী এবং গভর্নর একমত (প্রায়শ) অথবা ভিন্নমত (প্রসঙ্গক্রমে) হওয়াটা স্বাভাবিক। আমি গভর্নমেন্ট ও গভর্নরের মধ‌্যে কিছু ‘টেনশন’ থাকার পক্ষে এবং, ক্ষেত্রবিশেষে, সরকারের তরফে হতাশা ব‌্যক্ত হওয়ারও পক্ষে আমি। সংসদ গভর্নরকে ঘন ঘন ডাকবে, একটা কমিটির কাছে তাঁর কাজের ব‌্যাখ‌্যা দেবেন তিনি—আমি এটার পক্ষে। পণ্ডিতরা এবং সংবাদ মাধ‌্যম নির্ভয়ে গভর্নরের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন, আমি তার পক্ষে। যাই হোক, কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক বা গভর্নরের এক্তিয়ারের মধ‌্যে সরকার-নিযুক্ত ডিরেক্টরদের সিদ্ধান্তগ্রহণের খবরদারিতে কিন্তু আমার ভয়ংকর আপত্তি রয়েছে। তাঁরা সেটা ‘স্বাধীনভাবে’ না কি সরকারের ‘নির্দেশে’ করছেন তা বড় কথা নয়; দু’ভাবেই ঘটনাটা এক্তিয়ার লঙ্ঘনের এবং এর দ্বারা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার মূল নীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ বোর্ডের পরবর্তী বৈঠকে সরকার নিশ্চিতভাবে আরও বেশি বিষয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণে বোর্ডকে বাধ‌্য করার চেষ্টা নেবে। যদি ড. উর্জিত প‌্যাটেল তাঁর এক্তিয়ারে দৃঢ় থাকতে না-পারেন, আরও দুর্বলতার পরিচয় দেন, তবে আর একটি সমীহ করবার মতো প্রতিষ্ঠানের পতন হবে। এমন সর্বনাশটা যেন কোনোভাবে না-হয়—এটাই আমার আজকের প্রার্থনা।
26th  November, 2018
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

19th  March, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর পুকুর থেকে অভিজিৎ মণ্ডল (৪০) নামে এক শিক্ষকের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে চুঁচুড়ার ফুলপুকুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ...

 সুব্রত ধর, গড়াইমারি (ডোমকল), বিএনএ: লোকসভা ভোটের মুখে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। সোমবার রাতে ভোটপ্রচার সেরে উপপ্রধানের সঙ্গে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ তৃণমূলের আলতাব শেখ (৪৫)খুন হন। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৯ মার্চ: দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণায় দেরি হওয়ায় বাংলায় পিছিয়ে থেকে শুরু করছে বিজেপি। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এ কথাই স্পষ্ট জানিয়ে দিল ...

  বিএনএ, মালদহ: উন্নয়নে জনপ্রতিনিধিদের কাজের খতিয়ান পেশ করেই নির্বাচনের প্রচার করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, জেলা পরিষদ থেকে পঞ্চায়েত সমিতি, পঞ্চায়েতের মাধ্যমে জেলায় প্রভূত উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। পাশাপাশি, লোকসভার সংসদ সদস্য থেকে বিধায়করাও অনেক উন্নয়নের কাজ করেছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আপনার মনে ধর্মভাব জাগ্রত হবে। কর্মপ্রার্থীরা কর্মের সুযোগ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা হবে। অর্থ নিয়ে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৬- বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের মৃত্যু
১৮২৮- নরওয়ের নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের জন্ম
১৮৫২- হ্যারিয়েট বিচার স্টো-এর ‘আঙ্কল টমাস কেবিন’ প্রকাশিত হল
১৯১৬- আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বের প্রকাশ
১৯৫১- ক্রিকেটার মদনলালের জন্ম
১৯৫২- টেনিস খেলোয়াড় আনন্দ অমৃতরাজের জন্ম
১৯৬৬- গায়িকা অলকা ইয়াগনিকের জন্ম
২০০৩- ফুটবলার কৃশানু দে’র মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬৯ টাকা ৯২.৯৭ টাকা
ইউরো ৭৬.৬১ টাকা ৭৯.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৪৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৮০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ চৈত্র ১৪২৫, ২০ মার্চ ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩০ দিবা ১০/৪৫। পূর্বফাল্গুনী ২৬/২০ অপঃ ৪/১৭। সূ উ ৫/৪৫/১১, অ ৫/৪৩/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/২১ মধ্যে পুনঃ ৯/৪৪ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ১/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৪ গতে ৪/১৪ মধ্যে।
৫ চৈত্র ১৪২৫, ২০ মার্চ ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ৯/৩৯/৫২। পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৩/৪৫/১৪, সূ উ ৫/৪৫/৩৪, অ ৫/৪২/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/২১/১২ মধ্যে ও ৯/৪৪/৩৯ থেকে ১১/২০/১৭ মধ্যে ও ৩/১৯/২২ থেকে ৪/৫৫/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩১/০ থেকে ৮/৫৫/৩৩ মধ্যে ও ১/৪৪/৩৯ থেকে ৫/৪৪/৩৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৪/১১ থেকে ১/১৩/৫১ মধ্যে, কালবেলা ৮/৪৪/৫৩ থেকে ১০/১৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৪/৫৩ থেকে ৪/১৫/১৪ মধ্যে।
 ১২ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের ময়দানে তরুণ ক্রিকেটারের মৃত্যু 
খেলতে গিয়ে ফের মৃত্যু ময়দানে। এদিন খেলা চলাকালীন বাটার মাঠে ...বিশদ

01:52:56 PM

বাঁকুড়ার সালতোরায় প্রচুর জিলেটিন স্টিক উদ্ধার 

01:46:00 PM

গোয়া: আস্থাভোটে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত 

01:04:41 PM

বাহিনীর অতিসক্রিয়তার অভিযোগ: কমিশনে বিএসএফের আইজি 
কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয়তার অভিযোগে গতকাল রিপোর্ট চাওয়ার পর এদিন বিএসএফের ...বিশদ

12:45:00 PM

লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বিএসপি প্রধান মায়াবতী 

12:38:38 PM

তুরস্কে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৬.৪ 

12:33:00 PM