বিশেষ নিবন্ধ
 

আর একটা প্রতিষ্ঠান পতনের মুখে
পি চিদম্বরম

 পাঠক বা দর্শকের পছন্দ করতেই হিমশিম অবস্থা—কোনটা নেবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট ম‌্যাচ হবে ঠিক রয়েছে। রয়েছে সিবিআই ভার্সেস সিবিআই। এবং, সর্বশেষ খেলটা হল গভর্নমেন্ট ভার্সেস রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)।
প্রত‌্যেক ক্রিকেটার আহত হয়েছে, সিবিআই ভেঙে পড়েছে এবং, আরবিআইয়ের ক্ষেত্রে বলতে হয়, এটা ভয়ংকরভাবে বেঁকে গিয়েছে।
আরবিআই হল ভারতের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক। বেশিরভাগ মানুষ জানে না বা বোঝে না রাষ্ট্র পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। একটা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের মূল উদ্দেশ‌্য রাষ্ট্রের আর্থিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত করা। আরবিআই অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর উদ্দেশ‌্য মূলত দুটো: ব‌্যাঙ্ক নোট বা মুদ্রা যা ইস‌্যু করা হয় তার নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তার জন‌্য ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করা।
আরবিআইয়ের অনেক ভূমিকা
আরবিআইয়ের কাজ অনেকগুলো। এই সংস্থা কারেন্সি নোট বা মুদ্রা বাজারে ছাড়ে। সুদের হার নির্ধারণ করে দেয়। মুদ্রা বিনিময় করে। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংস্থাই ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করে। সরকারের ঋণ সংক্রান্ত ব‌্যাপারগুলো সামলায়। বাণিজ‌্যিক ব‌্যাঙ্ক এবং ব‌্যাঙ্ক নয় এমন আর্থিক সংস্থাগুলোর (এনবিএফসি) অনুমোদন এবং নিয়ন্ত্রণ করে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক। এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের অনেকগুলো প্রত‌্যক্ষভাবে এর প্রধান উদ্দেশ‌্য ‘আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তা’র সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মুক্ত অর্থনীতির দেশসমূহের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কগুলোকে যে দায়িত্ব পালন করতে হয় রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের মূল দায়িত্ব তার থেকে আলাদা কিছু নয়। যে প্রধান নীতির ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক দাঁড়িয়ে থাকে এবং তার দায়িত্ব-কর্তব‌্য পালন করতে সক্ষম হয় সেটা হল ‘কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতা’। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক (ইসিবি) সনদ বলে যে, অন‌্যান‌্য সবকিছুর মধ‌্যে, ‘‘না ইসিবি, না একটা জাতীয় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক, না তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার যে-কোনও সদস‌্য—ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন, বডি, অফিস বা এজেন্সি থেকে, কোনও সদস‌্য রাষ্ট্রের সরকার অথবা অন‌্য কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দেশ চাইতে বা নিতে পারে না।’’
‘সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক ইন্ডিপেন্ডেন্স’-এর নীতিটা বর্তমানে বস্তুত পরিবর্তনের অতীত একটা আইন। যদিও আরবিআইয়ের প্রতিষ্ঠা সংসদপ্রণীত একটি আইন বলে, সুতরাং, আরবিআই নিছক একটা ‘বোর্ড-ম‌্যানেজড’ কোম্পানি নয়, তার সঙ্গে সেইভাবে ব‌্যবহার করার সুযোগও নেই। পৃথিবীর সর্বত্র কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক আর তার শীর্ষকর্তা (গভর্নর/চেয়ারম‌্যান) সমার্থক কথা। কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার এই নীতিটাকেই এনডিএ সরকার চ‌্যালেঞ্জ করে
বসেছে। প্রতিটা জিনিস যা আইন মোতাবেক করার কথা, নিরবচ্ছিন্নভাবে আইনি পরিধিতেই তা সম্পন্ন হতে হবে; অন‌্যথায় তা কর্তৃত্ববহির্ভূত বা
অনধিকার বলে গণ‌্য হবে।
স্বাধীনতা চ‌্যালেঞ্জের সম্মুখীন
১৯ নভেম্বর, ২০১৮ নীতিটা কঠোরভাবে পরীক্ষিত হয়েছে—এবং লঙ্ঘিত হয়েছে। আরবিআই বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের মিটিঙে চারটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
১. ইকনমিক ক‌্যাপিটাল ফ্রেমওয়ার্ক (ইসিএফ) পরীক্ষা করে দেখার জন‌্য বোর্ড একটা এক্সপার্ট কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সদস‌্যপদ এবং বিচার্য বিষয়ের যেটা সরকার এবং আরবিআই যুগ্মভাবে স্থির করবে।
২. বোর্ড পরামর্শ দিয়েছে যে ছোট ও মাঝারি উদ‌্যোগী (এমএসএমই) ঋণগ্রহীতাদের ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের পুনর্গঠনের ব‌্যাপারে একটা স্কিমের কথা বিবেচনা করা উচিত।
৩. বোর্ড সিআরএআর (ক‌্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ‌্যাসেটস রেশিও) ৯ শতাংশে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং এর পরিবৃত্তিকাল (ট্রানজিশন পিরিয়ড) এক বছর বর্ধিত করার ব‌্যাপারে সম্মত হল।
৪. বোর্ড আরও সিদ্ধান্ত নিল যে পিসিএ (প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশন)-এর অধীন ব‌্যাঙ্কের ইস‌্যুটা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ফিনান্সিয়াল সুপারভিশন পরীক্ষা করবে।
আমার মতে, এটা একটা সর্বনাশা বৈঠক হয়েছিল, যেটা একটা বিপজ্জনক নতুন পথ তৈরি করল। চারটের মধ‌্যে তিনটে ব‌্যাপারে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যেইমাত্র রক্তক্ষয় লক্ষ করল সরকার, ৭ নং ধারা (নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজনে) অথবা ৫৮ নং ধারার (নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজনে) সাহায‌্য নেওয়ার থেকে পিছু হটল। তৎসত্ত্বেও, এটা পরিষ্কার যে উটের নাক তাঁবুর ভেতরে ঢুকে গেছে; এখন পুরো দেহটা ঢুকে পড়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।
আমার এটা বিশ্বাস করতে দ্বিধা নেই যে, বোর্ডের স্বাধীন ডিরেক্টরদের বেশিরভাগই বিশিষ্ট বা সম্মাননীয় পেশাদার ব‌্যক্তি অথবা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব‌্যবসায়ী। যাই হোক, তাঁদের কেউই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কার নন এবং তাঁদের কারোরই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের কার্যাবলি সম্পর্কে অধিকৃত জ্ঞানও নেই। পাশাপাশি, বিভিন্ন বৈঠকের হিসেব থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, যে সরকার তাঁদের নিয়োগকর্তা, স্বাধীন ডিরেক্টরগণ তার ব‌্যাপারে কিন্তু স্বাধীন নন; মনে হয়, তাঁরা উৎসাহভরে সরকারের অবস্থানটাকেই সমর্থন করেছেন। একই বোর্ড ২০১৬-র ৮ নভেম্বর নম্র ভদ্রভাবে বিমুদ্রাকরণ অনুমোদন করে দেশকে ডুবিয়েছিল। আজ, দুই বৎসরাধিক কাল বাদে বোর্ড ফের একবার দেশকে ব‌্যর্থতা উপহার দিল কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার নীতি লঙ্ঘন করে।
কৈফিয়ত দিতে বাধ‌্য, তবে হুকুমের অধীন নয়
রেপো রেট অথবা সিআরআর (ক‌্যাশ রিজার্ভ রেশিও) নিয়ে অর্থমন্ত্রী এবং গভর্নর একমত (প্রায়শ) অথবা ভিন্নমত (প্রসঙ্গক্রমে) হওয়াটা স্বাভাবিক। আমি গভর্নমেন্ট ও গভর্নরের মধ‌্যে কিছু ‘টেনশন’ থাকার পক্ষে এবং, ক্ষেত্রবিশেষে, সরকারের তরফে হতাশা ব‌্যক্ত হওয়ারও পক্ষে আমি। সংসদ গভর্নরকে ঘন ঘন ডাকবে, একটা কমিটির কাছে তাঁর কাজের ব‌্যাখ‌্যা দেবেন তিনি—আমি এটার পক্ষে। পণ্ডিতরা এবং সংবাদ মাধ‌্যম নির্ভয়ে গভর্নরের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন, আমি তার পক্ষে। যাই হোক, কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক বা গভর্নরের এক্তিয়ারের মধ‌্যে সরকার-নিযুক্ত ডিরেক্টরদের সিদ্ধান্তগ্রহণের খবরদারিতে কিন্তু আমার ভয়ংকর আপত্তি রয়েছে। তাঁরা সেটা ‘স্বাধীনভাবে’ না কি সরকারের ‘নির্দেশে’ করছেন তা বড় কথা নয়; দু’ভাবেই ঘটনাটা এক্তিয়ার লঙ্ঘনের এবং এর দ্বারা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার মূল নীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ বোর্ডের পরবর্তী বৈঠকে সরকার নিশ্চিতভাবে আরও বেশি বিষয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণে বোর্ডকে বাধ‌্য করার চেষ্টা নেবে। যদি ড. উর্জিত প‌্যাটেল তাঁর এক্তিয়ারে দৃঢ় থাকতে না-পারেন, আরও দুর্বলতার পরিচয় দেন, তবে আর একটি সমীহ করবার মতো প্রতিষ্ঠানের পতন হবে। এমন সর্বনাশটা যেন কোনোভাবে না-হয়—এটাই আমার আজকের প্রার্থনা।
26th  November, 2018
কংগ্রেসের জয়ে বড় ভূমিকা কৃষক আন্দোলনের 
শুভময় মৈত্র

হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যেই বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করল কংগ্রেস। তবে তাদের দলটা তো বিজেপির মত নিয়মানুবর্তী এবং সংগঠনভিত্তিক নয়। কংগ্রেসকে ভোটে জেতায় তাদের কর্মী এবং জনগণ আর নেতা নির্বাচনের জন্যে সবাই তাকিয়ে থাকে গান্ধী পরিবারের দিকে।  বিশদ

মোদির ভাবমূর্তির পতনই বিজেপির মূল ক্ষতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল বিজেপি’র বিপক্ষে ৫-০ হওয়া ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ জনমানসে মোদির ভাবমূর্তির পতন ঘটা। কোনও একটি বা একাধিক রাজ্যের সরকার পরিবর্তন যতটা না শাসক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শাসক দলের নেতৃত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ভাবনার উৎপত্তি।
বিশদ

14th  December, 2018
পাক সন্ত্রাসবাদের পাল্টা
জবাবে ভারতের জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানকে বিঁধতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নতুন শব্দবন্ধ ব্যবহার করা শুরু করেছে ভারত। কখনও বলছে ‘টেররিস্তান’, কখনও ‘বিশেষ সন্ত্রাসবাদী অঞ্চল’! তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক! সেই তথ্যই জানাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরে শেষ আট বছরে সব থেকে বেশি সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই বছরেই।
বিশদ

13th  December, 2018
রথধ্বনি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

‘এই-সকল টানিয়া বুনিয়া বর্ণনা আমাদের কর্ণে অসম-ভূমি-পথে বাধা-প্রাপ্ত রথচক্রের ঘর্ঘর শব্দের ন্যায় কর্কশ লাগে।’ —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমাদের দেশের রাজনীতি এখন শতরঙ্গে ভরা। দেশের কেন্দ্রে অধিকাংশের ভোটে একটি কুনির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসন হঠাৎই রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রধান এবং দলমুখ্যকে মাঝে-মাঝেই মাথায় পাগড়ি এবং হাতে তরবারি নিয়ে ছবি তুলতে দেখছি।
বিশদ

11th  December, 2018
Loading...
ভোটের পর সংসদীয় মূল‌্যবোধ কি অক্ষত থাকবে?  

পি চিদম্বরম: আপনি এই লেখাটি পড়ছেন পাঁচ রাজ‌্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার (৭ ডিসেম্বর) তিনদিন বাদে এবং গণনার (১১ ডিসেম্বর) ঠিক আগের দিন। সুতরাং অত সতর্ক না-থাকলেও আমার চলে।   বিশদ

10th  December, 2018
হাঁক পাড়লেই হবে? মমতার সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে এমন মুখ কোথায়?
শুভা দত্ত

এবারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি কটা আসন পাবে? পেতে পারে? এই মুহূর্তে বোধহয় স্বয়ং ভগবানও বলতে পারবেন না। জ্যোতিষীরা হয়তো তিথি নক্ষত্র ইত্যাদি গুনেগেঁথে কিছু একটা বলে দিতে পারেন, তবে সেটাই শেষপর্যন্ত মিলে যাবে এমন স্থির সিদ্ধান্ত একমাত্র আহাম্মক ছাড়া কেউ করবেন না। কারণ, ভোট এখনও অনেকটা দূরে।
বিশদ

09th  December, 2018
Loading...
ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থান ভোটের ফল?

আমরা সবাই এখন ভোটফলের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হল রাজস্থান বিধানসভার ভোট। গত বিধানসভায় ২০১৩ সালে এই তারিখ ছিল ১ ডিসেম্বর, রবিবার। সেদিন পরিবার নিয়ে জয়পুরে থাকার সুযোগ হয়েছিল। কাজের সূত্রে যে বন্ধুরা জয়পুরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হচ্ছিল যাওয়ার আগে।
বিশদ

08th  December, 2018
ওয়াটার মার্কেট
সমৃদ্ধ দত্ত

বিহারের গয়া জেলার কাপাসিয়া ব্লকের গুলাড়িয়া চক গ্রামের গনৌরি কুমার আর মুসাফির মাঝি পার্লামেন্ট স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে এক পুলিস কর্মীকে বললেন, তোমাদের এখানে যমুনা নদীটা দেখতে যাব কীভাবে? কেন? না, মানে, কেমন জল আছে একবার দেখতাম! আবার কবে আসা হবে তা তো জানি না। এরপর যখন আসব যদি শুকিয়ে যায়! পুলিস কর্মী হাসলেন।
বিশদ

07th  December, 2018
লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। বিশদ

06th  December, 2018
পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি।
বিশদ

04th  December, 2018
ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন।
বিশদ

03rd  December, 2018
মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে।
বিশদ

02nd  December, 2018
Loading...
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ১৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে পশ্চিমবঙ্গ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের ৫০তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। প্রারম্ভিক ভাষণ দেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা দেবাশিস রায়। ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: মা উড়ালপুল থেকে এজেসি বোস উড়ালপুলমুখী সংযোগের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩১ ডিসেম্বর। হাইকোর্ট এই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রে ...

 জম্মু, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে গাড়ি পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরে মৃত্যু হল সাতজনের। মৃতদের মধ্যে তিনজনই শিশু। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রেয়াসি জেলার তামসগালি এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, বিয়ে বাড়ির অনষ্ঠান সেরে ফেরার পথে তামসগালির পাহাড়ি পথে গাড়ির চালক ...

 ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): যৌন হেনস্তার অপরাধে আমেরিকায় এক ভারতীয় তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীর নয় বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মার্কিন আদালত। চলতি বছরের শুরুতে বিমানে সফরকালে এক ঘুমন্ত মহিলা সহযাত্রীকে যৌন হেনস্তা করে প্রভূ রামমূর্তি (৩৫)। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা, বাহন ক্রয়ের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৯ টাকা ৯২.৩৩ টাকা
ইউরো ৮০.০৪ টাকা ৮৩.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৯৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,২৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী ৫৯/৫৯ শেষ রাত্রি ঘ ৬/১৩। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৪৭/৩৩ রাত্রি ঘ ১/১৪, সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৪/৫০/২৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/১১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী রাত্রি ২/৫/২৫। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র রাত্রি ১০/১২/৪২। সূ উ ৬/১৩/১৬, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৫/৪০ মধ্যে ও ঘ ৭/৩৮/৪ থেকে ঘ ৯/৪৫/১৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৫২/২৭ থেকে ২/৪২/২ মধ্যে ও ৩/২৪/২৬ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫১/৩৯ থেকে ঘ ২/৩৮/৫১ মধ্যে। বারবেলা ১২/৫০/৪৪ থেকে ২/১০/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩২/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৩/২৯/৪৪ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/৪৩ মধ্যে ও ঘ ৪/৩৩/২৯ থেকে ঘ ৬/১৩/৫৯ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপির রথযাত্রার অনুমতি দিল না রাজ্য 
সাম্প্রদায়িক অশান্তির আশঙ্কায় রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রার আবেদন বাতিল করে দিল ...বিশদ

09:17:00 PM

কাল ম্যারাথনের জন্য হাওড়া স্টেশন ও বিমানবন্দরে যেতে বিকল্প রুট পুলিসের 
টাটা স্টিল কলকাতা ম্যারাথনের জন্য শনিবার রাত ১০টা থেকেই ময়দানের ...বিশদ

07:31:32 PM

জয়নগরে শ্যুটআউটের ঘটনায় ধৃত আরও ১ 

03:59:57 PM

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি এখন কলকাতায়
ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে কলকাতায় পৌঁছাল আসন্ন ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফিটি।আর মাত্র ...বিশদ

03:42:35 PM

এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণা, আটক ২
এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আসানসোলে থেকে ২ জনকে আটক ...বিশদ

03:39:00 PM

আসানসোলে আট ফুটের ময়াল উদ্ধার
আসানসোল উওর থানার পাচগাছিয়া মনোহর বহাল এলাকা থেকে আট ফুটের ...বিশদ

03:36:00 PM

Loading...
Loading...