Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আর একটা প্রতিষ্ঠান পতনের মুখে
পি চিদম্বরম

 পাঠক বা দর্শকের পছন্দ করতেই হিমশিম অবস্থা—কোনটা নেবে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট ম‌্যাচ হবে ঠিক রয়েছে। রয়েছে সিবিআই ভার্সেস সিবিআই। এবং, সর্বশেষ খেলটা হল গভর্নমেন্ট ভার্সেস রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)।
প্রত‌্যেক ক্রিকেটার আহত হয়েছে, সিবিআই ভেঙে পড়েছে এবং, আরবিআইয়ের ক্ষেত্রে বলতে হয়, এটা ভয়ংকরভাবে বেঁকে গিয়েছে।
আরবিআই হল ভারতের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক। বেশিরভাগ মানুষ জানে না বা বোঝে না রাষ্ট্র পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। একটা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের মূল উদ্দেশ‌্য রাষ্ট্রের আর্থিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত করা। আরবিআই অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর উদ্দেশ‌্য মূলত দুটো: ব‌্যাঙ্ক নোট বা মুদ্রা যা ইস‌্যু করা হয় তার নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তার জন‌্য ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করা।
আরবিআইয়ের অনেক ভূমিকা
আরবিআইয়ের কাজ অনেকগুলো। এই সংস্থা কারেন্সি নোট বা মুদ্রা বাজারে ছাড়ে। সুদের হার নির্ধারণ করে দেয়। মুদ্রা বিনিময় করে। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংস্থাই ‘রিজার্ভ’ রক্ষা করে। সরকারের ঋণ সংক্রান্ত ব‌্যাপারগুলো সামলায়। বাণিজ‌্যিক ব‌্যাঙ্ক এবং ব‌্যাঙ্ক নয় এমন আর্থিক সংস্থাগুলোর (এনবিএফসি) অনুমোদন এবং নিয়ন্ত্রণ করে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক। এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের অনেকগুলো প্রত‌্যক্ষভাবে এর প্রধান উদ্দেশ‌্য ‘আর্থিক সুস্থিতির নিশ্চয়তা’র সঙ্গে সম্পৃক্ত।
মুক্ত অর্থনীতির দেশসমূহের কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কগুলোকে যে দায়িত্ব পালন করতে হয় রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের মূল দায়িত্ব তার থেকে আলাদা কিছু নয়। যে প্রধান নীতির ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক দাঁড়িয়ে থাকে এবং তার দায়িত্ব-কর্তব‌্য পালন করতে সক্ষম হয় সেটা হল ‘কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতা’। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক (ইসিবি) সনদ বলে যে, অন‌্যান‌্য সবকিছুর মধ‌্যে, ‘‘না ইসিবি, না একটা জাতীয় কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক, না তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার যে-কোনও সদস‌্য—ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন, বডি, অফিস বা এজেন্সি থেকে, কোনও সদস‌্য রাষ্ট্রের সরকার অথবা অন‌্য কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দেশ চাইতে বা নিতে পারে না।’’
‘সেন্ট্রাল ব‌্যাঙ্ক ইন্ডিপেন্ডেন্স’-এর নীতিটা বর্তমানে বস্তুত পরিবর্তনের অতীত একটা আইন। যদিও আরবিআইয়ের প্রতিষ্ঠা সংসদপ্রণীত একটি আইন বলে, সুতরাং, আরবিআই নিছক একটা ‘বোর্ড-ম‌্যানেজড’ কোম্পানি নয়, তার সঙ্গে সেইভাবে ব‌্যবহার করার সুযোগও নেই। পৃথিবীর সর্বত্র কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক আর তার শীর্ষকর্তা (গভর্নর/চেয়ারম‌্যান) সমার্থক কথা। কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার এই নীতিটাকেই এনডিএ সরকার চ‌্যালেঞ্জ করে
বসেছে। প্রতিটা জিনিস যা আইন মোতাবেক করার কথা, নিরবচ্ছিন্নভাবে আইনি পরিধিতেই তা সম্পন্ন হতে হবে; অন‌্যথায় তা কর্তৃত্ববহির্ভূত বা
অনধিকার বলে গণ‌্য হবে।
স্বাধীনতা চ‌্যালেঞ্জের সম্মুখীন
১৯ নভেম্বর, ২০১৮ নীতিটা কঠোরভাবে পরীক্ষিত হয়েছে—এবং লঙ্ঘিত হয়েছে। আরবিআই বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের মিটিঙে চারটে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
১. ইকনমিক ক‌্যাপিটাল ফ্রেমওয়ার্ক (ইসিএফ) পরীক্ষা করে দেখার জন‌্য বোর্ড একটা এক্সপার্ট কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সদস‌্যপদ এবং বিচার্য বিষয়ের যেটা সরকার এবং আরবিআই যুগ্মভাবে স্থির করবে।
২. বোর্ড পরামর্শ দিয়েছে যে ছোট ও মাঝারি উদ‌্যোগী (এমএসএমই) ঋণগ্রহীতাদের ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সম্পদের পুনর্গঠনের ব‌্যাপারে একটা স্কিমের কথা বিবেচনা করা উচিত।
৩. বোর্ড সিআরএআর (ক‌্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ‌্যাসেটস রেশিও) ৯ শতাংশে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল এবং এর পরিবৃত্তিকাল (ট্রানজিশন পিরিয়ড) এক বছর বর্ধিত করার ব‌্যাপারে সম্মত হল।
৪. বোর্ড আরও সিদ্ধান্ত নিল যে পিসিএ (প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশন)-এর অধীন ব‌্যাঙ্কের ইস‌্যুটা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ফিনান্সিয়াল সুপারভিশন পরীক্ষা করবে।
আমার মতে, এটা একটা সর্বনাশা বৈঠক হয়েছিল, যেটা একটা বিপজ্জনক নতুন পথ তৈরি করল। চারটের মধ‌্যে তিনটে ব‌্যাপারে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যেইমাত্র রক্তক্ষয় লক্ষ করল সরকার, ৭ নং ধারা (নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজনে) অথবা ৫৮ নং ধারার (নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজনে) সাহায‌্য নেওয়ার থেকে পিছু হটল। তৎসত্ত্বেও, এটা পরিষ্কার যে উটের নাক তাঁবুর ভেতরে ঢুকে গেছে; এখন পুরো দেহটা ঢুকে পড়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।
আমার এটা বিশ্বাস করতে দ্বিধা নেই যে, বোর্ডের স্বাধীন ডিরেক্টরদের বেশিরভাগই বিশিষ্ট বা সম্মাননীয় পেশাদার ব‌্যক্তি অথবা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব‌্যবসায়ী। যাই হোক, তাঁদের কেউই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কার নন এবং তাঁদের কারোরই কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের কার্যাবলি সম্পর্কে অধিকৃত জ্ঞানও নেই। পাশাপাশি, বিভিন্ন বৈঠকের হিসেব থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, যে সরকার তাঁদের নিয়োগকর্তা, স্বাধীন ডিরেক্টরগণ তার ব‌্যাপারে কিন্তু স্বাধীন নন; মনে হয়, তাঁরা উৎসাহভরে সরকারের অবস্থানটাকেই সমর্থন করেছেন। একই বোর্ড ২০১৬-র ৮ নভেম্বর নম্র ভদ্রভাবে বিমুদ্রাকরণ অনুমোদন করে দেশকে ডুবিয়েছিল। আজ, দুই বৎসরাধিক কাল বাদে বোর্ড ফের একবার দেশকে ব‌্যর্থতা উপহার দিল কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার নীতি লঙ্ঘন করে।
কৈফিয়ত দিতে বাধ‌্য, তবে হুকুমের অধীন নয়
রেপো রেট অথবা সিআরআর (ক‌্যাশ রিজার্ভ রেশিও) নিয়ে অর্থমন্ত্রী এবং গভর্নর একমত (প্রায়শ) অথবা ভিন্নমত (প্রসঙ্গক্রমে) হওয়াটা স্বাভাবিক। আমি গভর্নমেন্ট ও গভর্নরের মধ‌্যে কিছু ‘টেনশন’ থাকার পক্ষে এবং, ক্ষেত্রবিশেষে, সরকারের তরফে হতাশা ব‌্যক্ত হওয়ারও পক্ষে আমি। সংসদ গভর্নরকে ঘন ঘন ডাকবে, একটা কমিটির কাছে তাঁর কাজের ব‌্যাখ‌্যা দেবেন তিনি—আমি এটার পক্ষে। পণ্ডিতরা এবং সংবাদ মাধ‌্যম নির্ভয়ে গভর্নরের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন, আমি তার পক্ষে। যাই হোক, কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক বা গভর্নরের এক্তিয়ারের মধ‌্যে সরকার-নিযুক্ত ডিরেক্টরদের সিদ্ধান্তগ্রহণের খবরদারিতে কিন্তু আমার ভয়ংকর আপত্তি রয়েছে। তাঁরা সেটা ‘স্বাধীনভাবে’ না কি সরকারের ‘নির্দেশে’ করছেন তা বড় কথা নয়; দু’ভাবেই ঘটনাটা এক্তিয়ার লঙ্ঘনের এবং এর দ্বারা কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের স্বাধীনতার মূল নীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ বোর্ডের পরবর্তী বৈঠকে সরকার নিশ্চিতভাবে আরও বেশি বিষয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণে বোর্ডকে বাধ‌্য করার চেষ্টা নেবে। যদি ড. উর্জিত প‌্যাটেল তাঁর এক্তিয়ারে দৃঢ় থাকতে না-পারেন, আরও দুর্বলতার পরিচয় দেন, তবে আর একটি সমীহ করবার মতো প্রতিষ্ঠানের পতন হবে। এমন সর্বনাশটা যেন কোনোভাবে না-হয়—এটাই আমার আজকের প্রার্থনা।
26th  November, 2018
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
জলের জন্য হাহাকার আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে!
শুভা দত্ত

আমাদের এখনও তেমন অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ, কলকাতা মহানগরীতে এখনও পানীয় হোক কি সাধারণ কাজকর্ম সারার জলের অভাব ঘটেনি। ঘটেনি কারণ আমাদের জল জোগান যে মা গঙ্গা, তিনি এখনও বহমান এবং তাঁর বুকের ঘোলা জলে এখনও নিয়ম করে বান ডাকে, জোয়ার-ভাটা খেলে।
বিশদ

07th  July, 2019
এক বাস্তববাদী রাজনীতিকের নাম শ্যামাপ্রসাদ
হারাধন চৌধুরী

 নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় সরকার নিয়ে বিজেপি তিন দফায় ভারত শাসনের দায়িত্ব পেল। কংগ্রেসকে বাদ দিলে ভারতের আর কোনও রাজনৈতিক দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ২০১৯-এর লোকসভার ভোটে বিজেপি ক্ষমতা অনেকখানি বাড়িয়ে নিয়েছে। ২০১৪-র থেকে বেশি ভোট পেয়েছে এবং তিনশোর বেশি আসন দখল করেছে।
বিশদ

06th  July, 2019
চাকরি ও পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রত্যাশিত দিশা দেখাতে পারল না নির্মলা সীতারামনেরও বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

 লোকসভা নির্বাচনের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান বছরের (২০১৯-২০) অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হয়েছিল। নির্বাচনে বিপুল জয়ের পরে বর্তমান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দ্বিতীয় মোদি সরকারের বর্তমান অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে আয় ও ব্যয় অন্তর্বর্তী বাজেটে যা ধরা হয়েছিল সেটাই অপরিবর্তিত রইল।
বিশদ

06th  July, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৭ জুলাই (পিটিআই): উত্তরপ্রদেশে ব্যবসায়ী অপহরণের মামলায় সমাজবাদী পার্টি (সপা)’র প্রাক্তন এমপি আতিক আহমেদের বাড়িতে তল্লাশি চালালো সিবিআই। গতমাসে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আহমেদের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা রুজু করে তদন্তকারী সংস্থা। ...

  সংবাদদাতা, ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুর জেলার সমস্ত স্কুলে মশাবাহিত রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা শিবির চলছে। ...

 সুদেব দাস, আরামবাগ, বিএনএ: মঙ্গলবার গভীর রাতে আরামবাগের আরাণ্ডি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়িতে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে বুধবার সকালে ওই পঞ্চায়েতের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় দলের নতুন কোচিং স্টাফ নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই। আর সেই কারণে ক্রিকেট দুনিয়ায় জোর গুঞ্জন, নিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার জন্য স্থান পরিবর্তন হতে পারে। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৯: কবি বিষ্ণু দের জন্ম
১৯১৮: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবিদ্বেষী আন্দোলনের নেতা তথা সে দেশের প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম
১৯২৭:সঙ্গীতশিল্পী মেহেদি হাসানের জন্ম
১৯৪৯: ক্রিকেটার ডেনিস লিলির জন্ম
১৯৮২: অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জন্ম,
২০১২: অভিনেতা রাজেশ খান্নার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯০ টাকা ৬৯.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৮৬ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
ইউরো ৭৫.৫৪ টাকা ৭৮.৬৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,০৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,২৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৭৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয়া অহোরাত্র। শ্রবণা ৫১/১১ রাত্রি ১/৩৪। সূ উ ৫/৫/৩৯, অ ৬/১৯/৫৪, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ২/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪০ গতে ১/৩ মধ্যে।
১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয়া ৫৯/৪৩/২৬ শেষরাত্রি ৪/৫৮/১০। শ্রবণানক্ষত্র ৪৮/২৭/৩৪ রাত্রি ১২/২৭/৫০, সূ উ ৫/৪/৪৮, অ ৬/২২/১৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮ গতে ৩/০ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪২/৩২ গতে ৬/২২/১৩ মধ্যে, কালবেলা ৩/২/৫২ গতে ৪/৪২/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪৩/৩১ গতে ১/৩/৫০ মধ্যে।
১৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কুলভূষণ মামলার রায় ভারতের পক্ষেই
কুলভূষণ মামলার রায় ভারতের পক্ষেই গেল। আজ এই ...বিশদ

17-07-2019 - 06:47:00 PM

এবার বদল গোয়েন্দা প্রধান 
এবার কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান প্রবীণ ত্রিপাঠিকে সরিয়ে দেওয়া হল। ...বিশদ

17-07-2019 - 06:14:52 PM

মেট্রোয় মৃত্যু: পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে ফরেন্সিক দল 

17-07-2019 - 01:46:47 PM

ফের বর্ধমানের গোদায় কাটমানি ফেরতের দাবিতে পোস্টার 

17-07-2019 - 01:27:52 PM

ইসলামপুরে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি 
প্রকাশ্যে এক যুবককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ইসলামপুরে। ...বিশদ

17-07-2019 - 01:15:24 PM

গ্রেপ্তার হাফিজ সঈদ  

17-07-2019 - 12:56:04 PM