Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার খাতার ত্রুটিহীন মূল্যায়নের লক্ষ্যে
কল্যাণ বসু

স্ক্রুটিনি ও রিভিউ পর্ব সাঙ্গ হলে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ত্রুটির বিশালতা দেখে যথেষ্ট উদ্বেগ ও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর স্ক্রুটিনি ও রিভিউর জন্য প্রায় ৪৫ হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিল। এক একজন আবার একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ। এই দ্বিবিধ পুনঃআবেদনের ফলশ্রুতিতে পাওয়া গেল এক ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান। রেকর্ড সংখ্যক অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বেড়েছে। কারও কারও আবার ১০-১৫ নম্বর বেড়েছে। মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে অতিরিক্ত আরও চারজন ঢুকে পড়েছে এবং প্রথমে ঘোষিত প্রথম দশজনের মধ্যে পাঁচজনের পজিশনেও বদল ঘটেছে।
এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বিভিন্ন মহল থেকে খাতা দেখার গলদকেই মুখ্যত চিহ্নিত করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও এই অভিযোগকে শুধু মান্যতাই দেয়নি, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্তস্বরূপ বেশ কিছু পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষককে কড়া শো-কজ চিঠি ধরিয়ে দিয়ে সাত দিনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব চেয়েছিল।
এ বছর পরীক্ষার খাতা দেখা যাতে বিগত বছরগুলির তুলনায় আরও ত্রুটিহীন যথাযথ করা যায় তার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ আগেই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি। সেটা হল সংসদ থেকে সরবরাহ করা একটা ছাপানো ফর্মে পর পর পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকের সই সংবলিত মুচলেকা আদায়। প্রথমে পরীক্ষক ও দ্বিতীয়তে স্ক্রুটিনিয়ারকে যে মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে তা হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, আমি প্রদত্ত খাতাগুলি সংসদের আইন, বিধি এবং নির্দেশিকা মেনে মূল্যায়ন করেছি।’ সব শেষে তিন নম্বরে প্রধান পরীক্ষকের মুচলেকার বয়ান হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, উপরে বর্ণিত পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারদের কাজে আমি সন্তুষ্ট।’
মনে পড়ে যায় ২০০১ সালের আর এক মুচলেকার কথা। বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের দিয়ে এই মর্মে মুচলেকা লিখিয়ে নেয় যে, তাঁরা প্রাইভেট টিউশন করেন না। সেই মুচলেকা কাণ্ড যে সুপার ফ্লপ হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাইভেট টিউশন রমরমিয়ে চলে আসছে এবং সারা ভারতের নিরিখে এ ব্যাপারে এই রাজ্য আজও প্রথম স্থানটা দখলে রেখেছে। খাতা দেখা নির্ভুল করার লক্ষ্যে তৃণমূল সরকারের মুচলেকা পর্বও তথৈবচ। খাতা দেখার ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়ার জন্য সংসদের তরফে এই মুচলেকা আদায়ের বহু বছর আগে থেকেই নানা আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ ছাপার অক্ষরে মাস্টারমশাইদের কাছে সরবরাহ হয়ে আসছে। যেমন, এ বছরই খাতা দেখার প্রাক্কালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়ে (তারিখ ১৯/০২/২০১৮) বলছেন— ‘প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় যে, এত সাবধানতা সত্ত্বেও বিগত বছরে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, উত্তরপত্র নেওয়া ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং মার্কস ফয়েলে পরীক্ষার্থীদের নম্বর তোলার ক্ষেত্রে কতিপয় পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারের ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে। বিগত বছরের এই সব অভিজ্ঞতার নিরিখে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ করে তথ্যের অধিকার আইন (Right to Information Act, 2005)-এর প্রেক্ষিতে আপনার কাছে আমার বিনীত নিবেদন—
পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ত্রুটিহীন মূল্যায়নের উপরেই যেহেতু সংসদের ভাবমূর্তি নির্ভর করে, এ জন্য একজন পরীক্ষার্থীর মূল্যায়নে যাতে ত্রুটি না থাকে সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক ও যত্নশীল হতে হবে।’ ...
এতসব কথা বলা এবং মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার পরও খাতা দেখায় রেকর্ড সংখ্যক বিপর্যয়! কেন এমন হল? সমাধানের উপায়ই বা কী?
প্রথমেই আসছে শিক্ষকদের একাংশের খাতা দেখার অনীহা প্রসঙ্গ। আর অনীহা থাকলে ত্রুটি অবশ্যম্ভাবী। এই অনীহার কারণ একাধিক।
এক, অর্থনৈতিক কারণ যার আবার বিভিন্ন দিক আছে। যেমন, খাতা দেখার পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম হওয়ায় সেটা এখন অর্থবান গুরুকুলের একাংশকে প্রেরণা দেয় না। তাছাড়া প্রাইভেট টিউশন স্বর্ণপ্রসূ হওয়ায় টিউশন বিঘ্নিত করে খাতা দেখা ‘লাভজনক’ নয়। পারিশ্রমিক ‘বাজারদর’ অনুযায়ী বাড়ালে কিছুটা সুরাহা হতে পারে। পারিশ্রমিকের চেক পেতে বিলম্ব হওয়া কিংবা গণ্ডগোল হওয়াও দূর করতে হবে। দুই, দূর-দূরান্ত থেকে এসে খাতা সংগ্রহ ও জমা দেওয়াও অনীহার অন্যতম কারণ। সেক্ষেত্রে পরীক্ষকদের ঠিকানার কাছাকাছি প্রধান পরীক্ষক নির্বাচন করা উচিত। তিন, খাতা দেখায় অনীহার মুখ্য কারণ অবশ্য একঘেঁয়েমি ভাব। বছরে অন্তত তিনবার স্কুলের পরীক্ষার প্রচুর খাতা দেখতে হয়। তার ওপর ক্লাসে হোম ওয়ার্কের খাতা এবং সর্বোপরি প্রাইভেট টিউশনের নিয়মিত খাতা দেখা। বিজ্ঞানের স্যারদের আবার প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতা। তাই বছরের পর বছর খাতা দেখার মতো আনন্দ-বর্জিত প্রক্রিয়ায় রণক্লান্ত মাস্টারমশাইরা বলতেই পারেন, ‘There is no way we can tackle this avalanche।’ তাহলে উপায়? এক, মাথাপিছু খাতাসংখ্যা কমানো, যার জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে খাতা দেখা বাধ্যতামূলক করা। দুই, খাতা দেখার দিনসংখ্যা বাড়ানো। তিন, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক যে কোনও একটা পরীক্ষার খাতা দেখার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।
এর বাইরেও নানা দিক আছে। যেমন কিছু শিক্ষকের অদক্ষতা। এটা অপ্রিয় সত্য যে, চাকরিতে (ফলে শিক্ষকতাতেও) হয়তো বা কিছু ক্ষেত্রে কোটাভিত্তিক অগ্রাধিকার জাতীয় দুর্ভাগ্য, এবং সেই কারণে অদক্ষ কাউকে শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তি ও খাতা দেখায় অদক্ষতার পরিমাণ বাড়ায় বই কী। সেক্ষেত্রে প্রথম লটের খাতা পেয়েই প্রধান পরীক্ষকের উচিত সেই সব ব্যক্তির প্রতি যথাযথ গাইড করে সতর্ক দৃষ্টি রাখা। এও দেখা গিয়েছে, বেশি কামানোর ‘লোভে’ কিছু শিক্ষক বরাদ্দ খাতার অনেক বেশি খাতা প্রধান পরীক্ষকের কাছ থেকে চেয়ে নেন। যে বান্ডিল সাত দিনে দেখার কথা তা এক দিনে দেখে দিয়ে আরও খাতা চাইতে আসেন। ফলে খাতা দেখায় গলদ আসতেই পারে। প্রধান পরীক্ষককে এ ব্যাপারে কড়া হতে হবে। আবার বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন (যার উত্তর একাধিক হতে পারে) এবং সংসদ প্রদত্ত উত্তরনামা নিয়ে জটিলতাও ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়নের চ্যালেঞ্জ ডেকে আনে। তাই সংসদের এ ব্যাপারে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। আর একটা ভয়ঙ্কর বিষয় হল, শিক্ষকদের একাংশ খাতার চাপে ক্লাস চলাকালীন, অনুষ্ঠান বাড়িতে, ট্রেনে-বাসে বসেও খাতা দেখেন যা নিয়ম-নীতি-বিরুদ্ধই শুধু নয়, এর ফলে খাতা হারানো এবং ভুল মূল্যায়নেরও সম্ভাবনা থাকে। আশপাশের লোকজন এইসব শিক্ষক সম্পর্কে রিপোর্ট করতে পারেন বা প্রতিবাদ জানাতে পারেন। নিজের চোখে দেখা, একজন পরীক্ষক ভোটের ট্রেনিং-এ লেকচার শুনতে শুনতে উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা দেখছেন! এমনটা হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেই হবে।
সবশেষে মিত্র কমিশনের রিপোর্টের সেই অংশটা উল্লেখ করি—‘যে-সব ব্যাধি দ্বারা শিক্ষা আক্রান্ত তাদের উৎখাত করতে খণ্ডিত দৃষ্টি (segmented approach) দিলে চলবে না। যা অত্যাবশ্যক তা হল সামাজিক নীতিবোধ ও মূল্যবোধের সার্বিক রূপান্তর (total transformation of social ethos)।’
মতামত লেখকের ব্যক্তিগত
24th  November, 2018
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত করে নজির সৃষ্টি করল বেঙ্গল কেমিক্যাল। বুধবার সংস্থার এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে তাঁরাই প্রথম কোম্পানি, যারা বার্ষিক ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বুধবার থেকেই শুরু হয়ে গেল সরকারি স্কুলগুলির একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি প্রক্রিয়া। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হচ্ছে। অনলাইনে একটি বা একাধিক ফর্ম ডাউনলোড করে বা তার কপি করে তা পূরণ করে জমা দেওয়া যাচ্ছে। ফর্ম জমা দেওয়া যাবে ...

 নয়াদিল্লি, ২২ মে (পিটিআই): রাত পেরলেই লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা শুরু হবে। আর বৃহস্পতিবারই ঠিক হয়ে যাবে ৭২৪ জন মহিলা প্রার্থীর ভাগ্য। এবার মোট ৭২৪ জন মহিলা প্রার্থী লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এবার সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন মহিলা প্রার্থী দাঁড় ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: দিনমজুরের মেয়ে রেশমী রায় এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ নম্বর পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র মনের ইচ্ছা এবং একাগ্রতা থাকলে যে বাধা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্য মাঝেমধ্যে বিরূপ হলেও খুব একটা চিন্তার কারণ হবে না। ভ্রমণযোগ বিদ্যমান। মাঝেমধ্যে প্রতিবেশীদের থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৮৮ টাকা ৭০.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৫ টাকা ৭৯.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৩৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/২৩ রাত্রি ৪/১৯। পূর্বাষাঢ়া ০/৩৯ প্রাতঃ ৫/১৩। সূ উ ৪/৫৭/৩৪, অ ৬/৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/১/৪১ শেষরাত্রি ৪/৯/৩৩। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ২/০/১৯ প্রাতঃ ৫/৪৫/১, সূ উ ৪/৫৬/৫৩, অ ৬/১১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৭ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৯/৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৪/৩১/৫৯ গতে ৬/১১/১৭ মধ্যে, কালবেলা ২/৫২/৪১ গতে ৪/৩১/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৪/৫ গতে ১২/৫৪/৪৭ মধ্যে। 
১৭ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল
মেষ: ভ্রমণযোগ বিদ্যমান। বৃষ: কর্মে পদোন্নতির যোগ আছে। মিথুন:  শেয়ার ও ...বিশদ

07:00:00 AM

ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য 

22-05-2019 - 04:21:49 PM

১৪০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

22-05-2019 - 03:52:18 PM

ধূপগুড়ির বিএমওএইচ-এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল স্বাস্থ্য দপ্তরের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে 

22-05-2019 - 03:03:00 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে আইইডি বিস্ফোরণ, শহিদ ১ জওয়ান, জখম ৭ 

22-05-2019 - 01:31:14 PM

২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ বিশ্বভারতীর উপাচার্য এবং অধ্যাপকরা 
ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে জেরে ২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ...বিশদ

22-05-2019 - 01:27:28 PM