বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার খাতার ত্রুটিহীন মূল্যায়নের লক্ষ্যে
কল্যাণ বসু

স্ক্রুটিনি ও রিভিউ পর্ব সাঙ্গ হলে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ত্রুটির বিশালতা দেখে যথেষ্ট উদ্বেগ ও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর স্ক্রুটিনি ও রিভিউর জন্য প্রায় ৪৫ হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিল। এক একজন আবার একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ। এই দ্বিবিধ পুনঃআবেদনের ফলশ্রুতিতে পাওয়া গেল এক ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান। রেকর্ড সংখ্যক অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বেড়েছে। কারও কারও আবার ১০-১৫ নম্বর বেড়েছে। মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে অতিরিক্ত আরও চারজন ঢুকে পড়েছে এবং প্রথমে ঘোষিত প্রথম দশজনের মধ্যে পাঁচজনের পজিশনেও বদল ঘটেছে।
এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বিভিন্ন মহল থেকে খাতা দেখার গলদকেই মুখ্যত চিহ্নিত করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও এই অভিযোগকে শুধু মান্যতাই দেয়নি, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্তস্বরূপ বেশ কিছু পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষককে কড়া শো-কজ চিঠি ধরিয়ে দিয়ে সাত দিনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব চেয়েছিল।
এ বছর পরীক্ষার খাতা দেখা যাতে বিগত বছরগুলির তুলনায় আরও ত্রুটিহীন যথাযথ করা যায় তার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ আগেই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি। সেটা হল সংসদ থেকে সরবরাহ করা একটা ছাপানো ফর্মে পর পর পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকের সই সংবলিত মুচলেকা আদায়। প্রথমে পরীক্ষক ও দ্বিতীয়তে স্ক্রুটিনিয়ারকে যে মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে তা হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, আমি প্রদত্ত খাতাগুলি সংসদের আইন, বিধি এবং নির্দেশিকা মেনে মূল্যায়ন করেছি।’ সব শেষে তিন নম্বরে প্রধান পরীক্ষকের মুচলেকার বয়ান হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, উপরে বর্ণিত পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারদের কাজে আমি সন্তুষ্ট।’
মনে পড়ে যায় ২০০১ সালের আর এক মুচলেকার কথা। বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের দিয়ে এই মর্মে মুচলেকা লিখিয়ে নেয় যে, তাঁরা প্রাইভেট টিউশন করেন না। সেই মুচলেকা কাণ্ড যে সুপার ফ্লপ হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাইভেট টিউশন রমরমিয়ে চলে আসছে এবং সারা ভারতের নিরিখে এ ব্যাপারে এই রাজ্য আজও প্রথম স্থানটা দখলে রেখেছে। খাতা দেখা নির্ভুল করার লক্ষ্যে তৃণমূল সরকারের মুচলেকা পর্বও তথৈবচ। খাতা দেখার ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়ার জন্য সংসদের তরফে এই মুচলেকা আদায়ের বহু বছর আগে থেকেই নানা আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ ছাপার অক্ষরে মাস্টারমশাইদের কাছে সরবরাহ হয়ে আসছে। যেমন, এ বছরই খাতা দেখার প্রাক্কালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়ে (তারিখ ১৯/০২/২০১৮) বলছেন— ‘প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় যে, এত সাবধানতা সত্ত্বেও বিগত বছরে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, উত্তরপত্র নেওয়া ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং মার্কস ফয়েলে পরীক্ষার্থীদের নম্বর তোলার ক্ষেত্রে কতিপয় পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারের ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে। বিগত বছরের এই সব অভিজ্ঞতার নিরিখে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ করে তথ্যের অধিকার আইন (Right to Information Act, 2005)-এর প্রেক্ষিতে আপনার কাছে আমার বিনীত নিবেদন—
পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ত্রুটিহীন মূল্যায়নের উপরেই যেহেতু সংসদের ভাবমূর্তি নির্ভর করে, এ জন্য একজন পরীক্ষার্থীর মূল্যায়নে যাতে ত্রুটি না থাকে সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক ও যত্নশীল হতে হবে।’ ...
এতসব কথা বলা এবং মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার পরও খাতা দেখায় রেকর্ড সংখ্যক বিপর্যয়! কেন এমন হল? সমাধানের উপায়ই বা কী?
প্রথমেই আসছে শিক্ষকদের একাংশের খাতা দেখার অনীহা প্রসঙ্গ। আর অনীহা থাকলে ত্রুটি অবশ্যম্ভাবী। এই অনীহার কারণ একাধিক।
এক, অর্থনৈতিক কারণ যার আবার বিভিন্ন দিক আছে। যেমন, খাতা দেখার পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম হওয়ায় সেটা এখন অর্থবান গুরুকুলের একাংশকে প্রেরণা দেয় না। তাছাড়া প্রাইভেট টিউশন স্বর্ণপ্রসূ হওয়ায় টিউশন বিঘ্নিত করে খাতা দেখা ‘লাভজনক’ নয়। পারিশ্রমিক ‘বাজারদর’ অনুযায়ী বাড়ালে কিছুটা সুরাহা হতে পারে। পারিশ্রমিকের চেক পেতে বিলম্ব হওয়া কিংবা গণ্ডগোল হওয়াও দূর করতে হবে। দুই, দূর-দূরান্ত থেকে এসে খাতা সংগ্রহ ও জমা দেওয়াও অনীহার অন্যতম কারণ। সেক্ষেত্রে পরীক্ষকদের ঠিকানার কাছাকাছি প্রধান পরীক্ষক নির্বাচন করা উচিত। তিন, খাতা দেখায় অনীহার মুখ্য কারণ অবশ্য একঘেঁয়েমি ভাব। বছরে অন্তত তিনবার স্কুলের পরীক্ষার প্রচুর খাতা দেখতে হয়। তার ওপর ক্লাসে হোম ওয়ার্কের খাতা এবং সর্বোপরি প্রাইভেট টিউশনের নিয়মিত খাতা দেখা। বিজ্ঞানের স্যারদের আবার প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতা। তাই বছরের পর বছর খাতা দেখার মতো আনন্দ-বর্জিত প্রক্রিয়ায় রণক্লান্ত মাস্টারমশাইরা বলতেই পারেন, ‘There is no way we can tackle this avalanche।’ তাহলে উপায়? এক, মাথাপিছু খাতাসংখ্যা কমানো, যার জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে খাতা দেখা বাধ্যতামূলক করা। দুই, খাতা দেখার দিনসংখ্যা বাড়ানো। তিন, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক যে কোনও একটা পরীক্ষার খাতা দেখার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।
এর বাইরেও নানা দিক আছে। যেমন কিছু শিক্ষকের অদক্ষতা। এটা অপ্রিয় সত্য যে, চাকরিতে (ফলে শিক্ষকতাতেও) হয়তো বা কিছু ক্ষেত্রে কোটাভিত্তিক অগ্রাধিকার জাতীয় দুর্ভাগ্য, এবং সেই কারণে অদক্ষ কাউকে শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তি ও খাতা দেখায় অদক্ষতার পরিমাণ বাড়ায় বই কী। সেক্ষেত্রে প্রথম লটের খাতা পেয়েই প্রধান পরীক্ষকের উচিত সেই সব ব্যক্তির প্রতি যথাযথ গাইড করে সতর্ক দৃষ্টি রাখা। এও দেখা গিয়েছে, বেশি কামানোর ‘লোভে’ কিছু শিক্ষক বরাদ্দ খাতার অনেক বেশি খাতা প্রধান পরীক্ষকের কাছ থেকে চেয়ে নেন। যে বান্ডিল সাত দিনে দেখার কথা তা এক দিনে দেখে দিয়ে আরও খাতা চাইতে আসেন। ফলে খাতা দেখায় গলদ আসতেই পারে। প্রধান পরীক্ষককে এ ব্যাপারে কড়া হতে হবে। আবার বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন (যার উত্তর একাধিক হতে পারে) এবং সংসদ প্রদত্ত উত্তরনামা নিয়ে জটিলতাও ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়নের চ্যালেঞ্জ ডেকে আনে। তাই সংসদের এ ব্যাপারে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। আর একটা ভয়ঙ্কর বিষয় হল, শিক্ষকদের একাংশ খাতার চাপে ক্লাস চলাকালীন, অনুষ্ঠান বাড়িতে, ট্রেনে-বাসে বসেও খাতা দেখেন যা নিয়ম-নীতি-বিরুদ্ধই শুধু নয়, এর ফলে খাতা হারানো এবং ভুল মূল্যায়নেরও সম্ভাবনা থাকে। আশপাশের লোকজন এইসব শিক্ষক সম্পর্কে রিপোর্ট করতে পারেন বা প্রতিবাদ জানাতে পারেন। নিজের চোখে দেখা, একজন পরীক্ষক ভোটের ট্রেনিং-এ লেকচার শুনতে শুনতে উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা দেখছেন! এমনটা হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেই হবে।
সবশেষে মিত্র কমিশনের রিপোর্টের সেই অংশটা উল্লেখ করি—‘যে-সব ব্যাধি দ্বারা শিক্ষা আক্রান্ত তাদের উৎখাত করতে খণ্ডিত দৃষ্টি (segmented approach) দিলে চলবে না। যা অত্যাবশ্যক তা হল সামাজিক নীতিবোধ ও মূল্যবোধের সার্বিক রূপান্তর (total transformation of social ethos)।’
মতামত লেখকের ব্যক্তিগত
24th  November, 2018
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

গত পাঁচ বছরে সিপিএম একবারও কি রেলমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে রাস্তায় নেমেছে? পশ্চিমবঙ্গ কেন বঞ্চিত হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কখনও সিপিএমকে প্রেস কনফারেন্স করতে দেখেছে কেউ? কেন কিছু করেনি সিপিএম? কারণ এখন আর রেলমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। বিশদ

রাফাল না সিবিআই, মোদি-বিরোধিতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ইস্যু কোনটি?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 রাফাল ইস্যুকে সামনে রেখে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ধারাবাহিকভাবে রাফাল ইস্যু প্রচারের কেন্দ্রে রাখতে পেরেছিলেন রাহুল। হিন্দি বলয়ে তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়-এ বিজেপি’র পরাজয়ের পিছনে অন্য সমস্ত কারণের মধ্যে রাহুল গান্ধীর তোলা রাফাল যুদ্ধ বিমান দুর্নীতির প্রচার বিজেপি’র বিরুদ্ধে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
বিশদ

14th  February, 2019
স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়।
বিশদ

12th  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

11th  February, 2019
ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
হৃদয় গিয়েছে চুরি
অতনু বিশ্বাস

আচ্ছা, হৃদয়টাকে (হৃদপিণ্ড মানে হৃদয় ধরে নিয়ে) সত্যি সত্যিই কি কোথাও ফেলে আসা যায় না? যদি সত্যিই না যায়, কুমিরটা সেটা বিশ্বাস করল কী করে? উপকথার কুমিররা হয়তো বোকা হয়, তবে তার তথাকথিত বোকামিকে অনেক ক্ষেত্রেই আমার নেহাতই সরলতা বলে মনে হয়েছে।
বিশদ

09th  February, 2019
ন্যানো, একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যু
মৃণালকান্তি দাস

ভক্সওয়াগেন বিটল। যে বছর ভারতে ন্যানোর আবির্ভাব, তার ঠিক ৭০ বছর আগে বাজারে এসেছিল এই ‘পিপলস কার’। গোটা জার্মানি জুড়ে শুধু রোড নেটওয়ার্ক বাড়ানোই নয়, দেশের মানুষকে সস্তায় গাড়ি চড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। কে না জানে, ভক্সওয়াগেন মানেই তো ‘জনতার গাড়ি’।
বিশদ

08th  February, 2019
সিবিআই নাটকে শেষপর্যন্ত
মমতাই কি লাভবান হলেন না?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 নাটক? হ্যাঁ, নাটক। নাটক ছাড়া কী! বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ করে রবিবারের শেষ বিকেলে কোত্থেকে চল্লিশ সিবিআই চলে এলেন, সন্ধের মুখে তাঁদের কজন জিজ্ঞাসাবাদের অছিলায় হানা দিলেন লাউডন স্ট্রিটে খোদ পুলিস কমিশনারের দরজায়, ঢোকার মুখেই কর্তব্যরত পুলিসের সঙ্গে বাধল সংঘাত, ছড়াল উত্তেজনা, কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কলকাতা পুলিসের বড়কর্তারা হাজির, তর্ক-বিতর্ক ধস্তাধস্তি এবং শেষমেশ পুলিসের গাড়িবন্দি হয়ে দলের নেতা ডিএসপি সিবিআই ও আরও কয়েকজন শেক্সপিয়র সরণি থানায়!
বিশদ

07th  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে যথেষ্ট আর্থিকশৃঙ্খলা অর্জিত হয়েছে
দেবনারায়ণ সরকার

সোমবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গত বছরের অনুমিত বাজেটের তুলনায় এটা ২১ শতাংশেরও বেশি। রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। 
বিশদ

05th  February, 2019
গাদকারি মাহাত্ম্য
পি চিদম্বরম

নীতিন গাদকারি একজন অন‌্যধরনের রাজনীতিক। তাঁর নিজের স্বীকার অনুযায়ী, তিনি একজন ভোজনরসিক, তিনি হাল ফ‌্যাশনের পোশাক পরেন এবং দেখে মনে হয় জীবনটাকে উপভোগও করেন। তিনি পাবলিক ফাংশনে ভাষণ দিতে পছন্দ করেন এবং এমনভাবে কথা বলেন যেন দুনিয়ার কে কী ভাবল তাতে তাঁর যায় আসে না।
বিশদ

04th  February, 2019
বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

শুক্রবার সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব পেশ হল হিসেব মতো সেটা দেশের চলতি সরকারের শেষ বাজেট—অন্তর্বর্তী বাজেট। কিন্তু, বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পীযূষ গোয়েলের বক্তৃতা বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আচার-আচরণ দেখে মনে হল অন্তর্বর্তী নয়, আসন্ন অর্থবর্ষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেটই পেশ করল বিদায়ী সরকার! শুধু তাই নয়, গোটা বাজেট প্রস্তাব জুড়ে মধ্যবিত্ত থেকে কৃষক শ্রমিক প্রান্তিক মানুষজনের জন্য ‘ছাড়’ আর অর্থবরাদ্দের যে হিড়িক দেখা গেল—এককথায় তা নজিরবিহীন।
বিশদ

03rd  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে আপস করে
জনমোহিনী বাজেট

দেবনারায়ণ সরকার

 শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদি সরকারের ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন। কার্যত এটাকে পূর্ণাঙ্গ বাজেটই বলা চলে। বিশদ

02nd  February, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহে আদিবাসীদের ধর্মীয় এবং সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য জেলাজুড়ে প্রায় ৩ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে থান তৈরির উদ্যোগ নিল অগ্রসর শ্রেণীকল্যাণ দপ্তর। জেলা ছটি ব্লকের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে এই থানগুলি তৈরি করা হবে। ...

  বিএনএ, আরামবাগ: পুরশুড়ার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে জাতীয় ক্রীড়া ময়দান কাঁপাল দুই বোন। ঘরের মেয়েরা গুজরাত ও হরিয়ানায় জাতীয় স্তরের আসরে সফল হওয়ায় গর্বে বুক ফুলেছে বাবা, মা সহ এলাকাবাসীর। এতদিন স্কুল থেকে জেলা, রাজ্যস্তরের পর্যায়ে তারা একই সঙ্গে খেলে ...

 টরন্টো, ১৪ ফেব্রুয়ারি (এপি): বুধবার সকালে আর পাঁচটা দিনের মতোই ব্যস্ততা বাড়ছিল টরন্টোর রাস্তায়। যানবাহন ও পথচলতি মানুষের কোলাহলে জেগে উঠছিল শহর। হঠাৎই একটি বহুতলের ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: রাস্তাঘাট, পথবাতি, নর্দমা সহ উন্নয়নের কাজ করে শহরগুলিকে ঝাঁ চকচকে করে তোলার চলছে জোর কদমে। তবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঘিঞ্জি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গৃহহীন মানুষগুলিকে সরিয়েও দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। তাই শহর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ পাওয়ার সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৬৪: জ্যোতির্বিদ গ্যালিলিও গ্যালিলির জন্ম
১৮৬৯: মির্জা গালিবের মৃত্যু
১৮৯৮: কিউবা উপকূলে মার্কিন রণতরী ডুবে গিয়ে মৃত ২৭৪। স্পেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল আমেরিকা
১৯২১: ঐতিহাসিক রাধাকৃষ্ণ চৌধুরির জন্ম
১৯৩৩: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা। নিহত শিকাগোর মেয়র
১৯৪২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সিঙ্গাপুরের পতন। জাপানের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন ব্রিটিশ জেনারেল।
১৯৪৭: রণধীর কাপুরের জন্ম
১৯৫৬: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ডেসমন্ড হেইনসের জন্ম
১৯৬৪: আশুতোষ গোয়ারিকরের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৩৪ টাকা ৯২.৫৮ টাকা
ইউরো ৭৮.৫৩ টাকা ৮১.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  February, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৬৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ১৭/৪৫ দিবা ১/১৯। মৃগশিরা ৩৬/৩৯ রাত্রি ৮/৫২। সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৫/২৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ৮/২৮ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/১১ গতে ১১/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩৯ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৮/২২/২০। মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৪/৪৪/৫, সূ উ ৬/১৪/১৩, অ ৫/২৭/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩/৫৭ মধ্যে ও ৮/২৮/৪৯ থেকে ১০/৪৩/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৮/০ থেকে ২/২৭/৪৪ মধ্যে ও ৩/৫৭/২৭ থেকে ৫/২৭/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৯/২৭ থেকে ৮/৫১/৪৪ মধ্যে ও ৩/৪০/৪৯ থেকে ৪/৩১/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৯/২/২৮ থেকে ১০/২৬/৩৫ মধ্যে, কালবেলা ১০/২৬/৩৫ থেকে ১১/৫০/৪২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩৮/৫৭ থেকে ১০/১৪/৪৯ মধ্যে।
৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গোপীবল্লভপুরে নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল এক কিশোর 

06:37:00 PM

ভুয়ো কোম্পানি খুলে রাজ্যজুড়ে প্রতারণার জাল, ধৃত ৭
গৃহঋণ থেকে চাকরির টোপ দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে প্রচুর মানুষকে ...বিশদ

04:12:00 PM

৬৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:11:35 PM

পুলওয়ামায় হামলা: নদীয়া, হাওড়ার শহিদ জওয়ানদের বাড়িতে আসছেন দু’জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী 

04:03:51 PM

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার জেরে উত্তপ্ত জম্মু, পুড়ল ১৫টি গাড়ি 

03:08:00 PM

মাঝেরহাটে সিইএসই অফিসে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৩টি ইঞ্জিন 

03:03:00 PM