বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার খাতার ত্রুটিহীন মূল্যায়নের লক্ষ্যে
কল্যাণ বসু

স্ক্রুটিনি ও রিভিউ পর্ব সাঙ্গ হলে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ত্রুটির বিশালতা দেখে যথেষ্ট উদ্বেগ ও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর স্ক্রুটিনি ও রিভিউর জন্য প্রায় ৪৫ হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিল। এক একজন আবার একাধিক বিষয়ে আবেদন করায় সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ। এই দ্বিবিধ পুনঃআবেদনের ফলশ্রুতিতে পাওয়া গেল এক ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান। রেকর্ড সংখ্যক অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার পরীক্ষার্থীর নম্বর বেড়েছে। কারও কারও আবার ১০-১৫ নম্বর বেড়েছে। মেধা তালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে অতিরিক্ত আরও চারজন ঢুকে পড়েছে এবং প্রথমে ঘোষিত প্রথম দশজনের মধ্যে পাঁচজনের পজিশনেও বদল ঘটেছে।
এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বিভিন্ন মহল থেকে খাতা দেখার গলদকেই মুখ্যত চিহ্নিত করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও এই অভিযোগকে শুধু মান্যতাই দেয়নি, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্তস্বরূপ বেশ কিছু পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষককে কড়া শো-কজ চিঠি ধরিয়ে দিয়ে সাত দিনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব চেয়েছিল।
এ বছর পরীক্ষার খাতা দেখা যাতে বিগত বছরগুলির তুলনায় আরও ত্রুটিহীন যথাযথ করা যায় তার জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ আগেই এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি। সেটা হল সংসদ থেকে সরবরাহ করা একটা ছাপানো ফর্মে পর পর পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকের সই সংবলিত মুচলেকা আদায়। প্রথমে পরীক্ষক ও দ্বিতীয়তে স্ক্রুটিনিয়ারকে যে মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে তা হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, আমি প্রদত্ত খাতাগুলি সংসদের আইন, বিধি এবং নির্দেশিকা মেনে মূল্যায়ন করেছি।’ সব শেষে তিন নম্বরে প্রধান পরীক্ষকের মুচলেকার বয়ান হল— ‘এতদ্বারা আমি ঘোষণা করছি যে, উপরে বর্ণিত পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারদের কাজে আমি সন্তুষ্ট।’
মনে পড়ে যায় ২০০১ সালের আর এক মুচলেকার কথা। বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের দিয়ে এই মর্মে মুচলেকা লিখিয়ে নেয় যে, তাঁরা প্রাইভেট টিউশন করেন না। সেই মুচলেকা কাণ্ড যে সুপার ফ্লপ হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাইভেট টিউশন রমরমিয়ে চলে আসছে এবং সারা ভারতের নিরিখে এ ব্যাপারে এই রাজ্য আজও প্রথম স্থানটা দখলে রেখেছে। খাতা দেখা নির্ভুল করার লক্ষ্যে তৃণমূল সরকারের মুচলেকা পর্বও তথৈবচ। খাতা দেখার ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়ার জন্য সংসদের তরফে এই মুচলেকা আদায়ের বহু বছর আগে থেকেই নানা আদেশ, নির্দেশ, উপদেশ ছাপার অক্ষরে মাস্টারমশাইদের কাছে সরবরাহ হয়ে আসছে। যেমন, এ বছরই খাতা দেখার প্রাক্কালে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পরীক্ষক, স্ক্রুটিনিয়ার ও প্রধান পরীক্ষকদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়ে (তারিখ ১৯/০২/২০১৮) বলছেন— ‘প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় যে, এত সাবধানতা সত্ত্বেও বিগত বছরে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, উত্তরপত্র নেওয়া ও জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং মার্কস ফয়েলে পরীক্ষার্থীদের নম্বর তোলার ক্ষেত্রে কতিপয় পরীক্ষক ও স্ক্রুটিনিয়ারের ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে। বিগত বছরের এই সব অভিজ্ঞতার নিরিখে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এবং বিশেষ করে তথ্যের অধিকার আইন (Right to Information Act, 2005)-এর প্রেক্ষিতে আপনার কাছে আমার বিনীত নিবেদন—
পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ত্রুটিহীন মূল্যায়নের উপরেই যেহেতু সংসদের ভাবমূর্তি নির্ভর করে, এ জন্য একজন পরীক্ষার্থীর মূল্যায়নে যাতে ত্রুটি না থাকে সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক ও যত্নশীল হতে হবে।’ ...
এতসব কথা বলা এবং মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার পরও খাতা দেখায় রেকর্ড সংখ্যক বিপর্যয়! কেন এমন হল? সমাধানের উপায়ই বা কী?
প্রথমেই আসছে শিক্ষকদের একাংশের খাতা দেখার অনীহা প্রসঙ্গ। আর অনীহা থাকলে ত্রুটি অবশ্যম্ভাবী। এই অনীহার কারণ একাধিক।
এক, অর্থনৈতিক কারণ যার আবার বিভিন্ন দিক আছে। যেমন, খাতা দেখার পারিশ্রমিক অত্যন্ত কম হওয়ায় সেটা এখন অর্থবান গুরুকুলের একাংশকে প্রেরণা দেয় না। তাছাড়া প্রাইভেট টিউশন স্বর্ণপ্রসূ হওয়ায় টিউশন বিঘ্নিত করে খাতা দেখা ‘লাভজনক’ নয়। পারিশ্রমিক ‘বাজারদর’ অনুযায়ী বাড়ালে কিছুটা সুরাহা হতে পারে। পারিশ্রমিকের চেক পেতে বিলম্ব হওয়া কিংবা গণ্ডগোল হওয়াও দূর করতে হবে। দুই, দূর-দূরান্ত থেকে এসে খাতা সংগ্রহ ও জমা দেওয়াও অনীহার অন্যতম কারণ। সেক্ষেত্রে পরীক্ষকদের ঠিকানার কাছাকাছি প্রধান পরীক্ষক নির্বাচন করা উচিত। তিন, খাতা দেখায় অনীহার মুখ্য কারণ অবশ্য একঘেঁয়েমি ভাব। বছরে অন্তত তিনবার স্কুলের পরীক্ষার প্রচুর খাতা দেখতে হয়। তার ওপর ক্লাসে হোম ওয়ার্কের খাতা এবং সর্বোপরি প্রাইভেট টিউশনের নিয়মিত খাতা দেখা। বিজ্ঞানের স্যারদের আবার প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতা। তাই বছরের পর বছর খাতা দেখার মতো আনন্দ-বর্জিত প্রক্রিয়ায় রণক্লান্ত মাস্টারমশাইরা বলতেই পারেন, ‘There is no way we can tackle this avalanche।’ তাহলে উপায়? এক, মাথাপিছু খাতাসংখ্যা কমানো, যার জন্য প্রত্যেক শিক্ষককে খাতা দেখা বাধ্যতামূলক করা। দুই, খাতা দেখার দিনসংখ্যা বাড়ানো। তিন, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক যে কোনও একটা পরীক্ষার খাতা দেখার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।
এর বাইরেও নানা দিক আছে। যেমন কিছু শিক্ষকের অদক্ষতা। এটা অপ্রিয় সত্য যে, চাকরিতে (ফলে শিক্ষকতাতেও) হয়তো বা কিছু ক্ষেত্রে কোটাভিত্তিক অগ্রাধিকার জাতীয় দুর্ভাগ্য, এবং সেই কারণে অদক্ষ কাউকে শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তি ও খাতা দেখায় অদক্ষতার পরিমাণ বাড়ায় বই কী। সেক্ষেত্রে প্রথম লটের খাতা পেয়েই প্রধান পরীক্ষকের উচিত সেই সব ব্যক্তির প্রতি যথাযথ গাইড করে সতর্ক দৃষ্টি রাখা। এও দেখা গিয়েছে, বেশি কামানোর ‘লোভে’ কিছু শিক্ষক বরাদ্দ খাতার অনেক বেশি খাতা প্রধান পরীক্ষকের কাছ থেকে চেয়ে নেন। যে বান্ডিল সাত দিনে দেখার কথা তা এক দিনে দেখে দিয়ে আরও খাতা চাইতে আসেন। ফলে খাতা দেখায় গলদ আসতেই পারে। প্রধান পরীক্ষককে এ ব্যাপারে কড়া হতে হবে। আবার বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন (যার উত্তর একাধিক হতে পারে) এবং সংসদ প্রদত্ত উত্তরনামা নিয়ে জটিলতাও ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়নের চ্যালেঞ্জ ডেকে আনে। তাই সংসদের এ ব্যাপারে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। আর একটা ভয়ঙ্কর বিষয় হল, শিক্ষকদের একাংশ খাতার চাপে ক্লাস চলাকালীন, অনুষ্ঠান বাড়িতে, ট্রেনে-বাসে বসেও খাতা দেখেন যা নিয়ম-নীতি-বিরুদ্ধই শুধু নয়, এর ফলে খাতা হারানো এবং ভুল মূল্যায়নেরও সম্ভাবনা থাকে। আশপাশের লোকজন এইসব শিক্ষক সম্পর্কে রিপোর্ট করতে পারেন বা প্রতিবাদ জানাতে পারেন। নিজের চোখে দেখা, একজন পরীক্ষক ভোটের ট্রেনিং-এ লেকচার শুনতে শুনতে উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা দেখছেন! এমনটা হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেই হবে।
সবশেষে মিত্র কমিশনের রিপোর্টের সেই অংশটা উল্লেখ করি—‘যে-সব ব্যাধি দ্বারা শিক্ষা আক্রান্ত তাদের উৎখাত করতে খণ্ডিত দৃষ্টি (segmented approach) দিলে চলবে না। যা অত্যাবশ্যক তা হল সামাজিক নীতিবোধ ও মূল্যবোধের সার্বিক রূপান্তর (total transformation of social ethos)।’
মতামত লেখকের ব্যক্তিগত
24th  November, 2018
কংগ্রেসের জয়ে বড় ভূমিকা কৃষক আন্দোলনের 
শুভময় মৈত্র

হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যেই বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করল কংগ্রেস। তবে তাদের দলটা তো বিজেপির মত নিয়মানুবর্তী এবং সংগঠনভিত্তিক নয়। কংগ্রেসকে ভোটে জেতায় তাদের কর্মী এবং জনগণ আর নেতা নির্বাচনের জন্যে সবাই তাকিয়ে থাকে গান্ধী পরিবারের দিকে।  বিশদ

মোদির ভাবমূর্তির পতনই বিজেপির মূল ক্ষতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল বিজেপি’র বিপক্ষে ৫-০ হওয়া ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ জনমানসে মোদির ভাবমূর্তির পতন ঘটা। কোনও একটি বা একাধিক রাজ্যের সরকার পরিবর্তন যতটা না শাসক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শাসক দলের নেতৃত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ভাবনার উৎপত্তি।
বিশদ

14th  December, 2018
পাক সন্ত্রাসবাদের পাল্টা
জবাবে ভারতের জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানকে বিঁধতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নতুন শব্দবন্ধ ব্যবহার করা শুরু করেছে ভারত। কখনও বলছে ‘টেররিস্তান’, কখনও ‘বিশেষ সন্ত্রাসবাদী অঞ্চল’! তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক! সেই তথ্যই জানাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরে শেষ আট বছরে সব থেকে বেশি সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই বছরেই।
বিশদ

13th  December, 2018
রথধ্বনি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

‘এই-সকল টানিয়া বুনিয়া বর্ণনা আমাদের কর্ণে অসম-ভূমি-পথে বাধা-প্রাপ্ত রথচক্রের ঘর্ঘর শব্দের ন্যায় কর্কশ লাগে।’ —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমাদের দেশের রাজনীতি এখন শতরঙ্গে ভরা। দেশের কেন্দ্রে অধিকাংশের ভোটে একটি কুনির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসন হঠাৎই রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রধান এবং দলমুখ্যকে মাঝে-মাঝেই মাথায় পাগড়ি এবং হাতে তরবারি নিয়ে ছবি তুলতে দেখছি।
বিশদ

11th  December, 2018
Loading...
ভোটের পর সংসদীয় মূল‌্যবোধ কি অক্ষত থাকবে?  

পি চিদম্বরম: আপনি এই লেখাটি পড়ছেন পাঁচ রাজ‌্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার (৭ ডিসেম্বর) তিনদিন বাদে এবং গণনার (১১ ডিসেম্বর) ঠিক আগের দিন। সুতরাং অত সতর্ক না-থাকলেও আমার চলে।   বিশদ

10th  December, 2018
হাঁক পাড়লেই হবে? মমতার সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে এমন মুখ কোথায়?
শুভা দত্ত

এবারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি কটা আসন পাবে? পেতে পারে? এই মুহূর্তে বোধহয় স্বয়ং ভগবানও বলতে পারবেন না। জ্যোতিষীরা হয়তো তিথি নক্ষত্র ইত্যাদি গুনেগেঁথে কিছু একটা বলে দিতে পারেন, তবে সেটাই শেষপর্যন্ত মিলে যাবে এমন স্থির সিদ্ধান্ত একমাত্র আহাম্মক ছাড়া কেউ করবেন না। কারণ, ভোট এখনও অনেকটা দূরে।
বিশদ

09th  December, 2018
Loading...
ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থান ভোটের ফল?

আমরা সবাই এখন ভোটফলের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হল রাজস্থান বিধানসভার ভোট। গত বিধানসভায় ২০১৩ সালে এই তারিখ ছিল ১ ডিসেম্বর, রবিবার। সেদিন পরিবার নিয়ে জয়পুরে থাকার সুযোগ হয়েছিল। কাজের সূত্রে যে বন্ধুরা জয়পুরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হচ্ছিল যাওয়ার আগে।
বিশদ

08th  December, 2018
ওয়াটার মার্কেট
সমৃদ্ধ দত্ত

বিহারের গয়া জেলার কাপাসিয়া ব্লকের গুলাড়িয়া চক গ্রামের গনৌরি কুমার আর মুসাফির মাঝি পার্লামেন্ট স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে এক পুলিস কর্মীকে বললেন, তোমাদের এখানে যমুনা নদীটা দেখতে যাব কীভাবে? কেন? না, মানে, কেমন জল আছে একবার দেখতাম! আবার কবে আসা হবে তা তো জানি না। এরপর যখন আসব যদি শুকিয়ে যায়! পুলিস কর্মী হাসলেন।
বিশদ

07th  December, 2018
লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। বিশদ

06th  December, 2018
পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি।
বিশদ

04th  December, 2018
ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন।
বিশদ

03rd  December, 2018
মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে।
বিশদ

02nd  December, 2018
Loading...
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): যৌন হেনস্তার অপরাধে আমেরিকায় এক ভারতীয় তথ্য-প্রযুক্তি কর্মীর নয় বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মার্কিন আদালত। চলতি বছরের শুরুতে বিমানে সফরকালে এক ঘুমন্ত মহিলা সহযাত্রীকে যৌন হেনস্তা করে প্রভূ রামমূর্তি (৩৫)। ...

 জম্মু, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে গাড়ি পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরে মৃত্যু হল সাতজনের। মৃতদের মধ্যে তিনজনই শিশু। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রেয়াসি জেলার তামসগালি এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, বিয়ে বাড়ির অনষ্ঠান সেরে ফেরার পথে তামসগালির পাহাড়ি পথে গাড়ির চালক ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: মা উড়ালপুল থেকে এজেসি বোস উড়ালপুলমুখী সংযোগের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩১ ডিসেম্বর। হাইকোর্ট এই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ১৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে পশ্চিমবঙ্গ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশনের ৫০তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। প্রারম্ভিক ভাষণ দেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা দেবাশিস রায়। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা, বাহন ক্রয়ের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৯ টাকা ৯২.৩৩ টাকা
ইউরো ৮০.০৪ টাকা ৮৩.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৯৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,২৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী ৫৯/৫৯ শেষ রাত্রি ঘ ৬/১৩। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৪৭/৩৩ রাত্রি ঘ ১/১৪, সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৪/৫০/২৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/১১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী রাত্রি ২/৫/২৫। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র রাত্রি ১০/১২/৪২। সূ উ ৬/১৩/১৬, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৫/৪০ মধ্যে ও ঘ ৭/৩৮/৪ থেকে ঘ ৯/৪৫/১৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৫২/২৭ থেকে ২/৪২/২ মধ্যে ও ৩/২৪/২৬ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫১/৩৯ থেকে ঘ ২/৩৮/৫১ মধ্যে। বারবেলা ১২/৫০/৪৪ থেকে ২/১০/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩২/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৩/২৯/৪৪ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/৪৩ মধ্যে ও ঘ ৪/৩৩/২৯ থেকে ঘ ৬/১৩/৫৯ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপির রথযাত্রার অনুমতি দিল না রাজ্য 
সাম্প্রদায়িক অশান্তির আশঙ্কায় রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রার আবেদন বাতিল করে দিল ...বিশদ

09:17:00 PM

কাল ম্যারাথনের জন্য হাওড়া স্টেশন ও বিমানবন্দরে যেতে বিকল্প রুট পুলিসের 
টাটা স্টিল কলকাতা ম্যারাথনের জন্য শনিবার রাত ১০টা থেকেই ময়দানের ...বিশদ

07:31:32 PM

জয়নগরে শ্যুটআউটের ঘটনায় ধৃত আরও ১ 

03:59:57 PM

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি এখন কলকাতায়
ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে কলকাতায় পৌঁছাল আসন্ন ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফিটি।আর মাত্র ...বিশদ

03:42:35 PM

এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণা, আটক ২
এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আসানসোলে থেকে ২ জনকে আটক ...বিশদ

03:39:00 PM

আসানসোলে আট ফুটের ময়াল উদ্ধার
আসানসোল উওর থানার পাচগাছিয়া মনোহর বহাল এলাকা থেকে আট ফুটের ...বিশদ

03:36:00 PM

Loading...
Loading...