বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্য ভারতের গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত

হাতে একটা ওয়াকিং স্টিক। অটো থেকে নেমে কফি হাউসের চৌকাঠের সিঁড়িতে পা রাখতেই একজন ওয়েটার সসম্ভ্রমে এগিয়ে গিয়ে হেসে বললেন, আইয়ে মাথুর সাব! গোয়ালিয়র স্টেশন থেকে বেরিয়েই বড় রাস্তায় এসে একটু পিছনের দিকে হাঁটলে সামনেই ইন্ডিয়ান কফি হাউস। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ের শহরগুলির এটি এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রায় প্রতিটি শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি করে সেই চিরাচরিত কফি বোর্ডের কোঅপারেটিভ পরিচালিত কফি হাউসের শাখা। রায়পুর, বিলাসপুর, ভোপাল, গোয়ালিয়র সর্বত্র। ওয়েটারদের চেহারায় সেই পরিচিত সাদা সাফারির ইউনিফর্ম, মাথায় পাগড়ি। সন্ধ্যা হয়েছে বেশ কিছুটা আগে। গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঠিক সাড়ে ৬টায় ঢুকলেন ডক্টর অবিনাশ মাথুর। মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের খবরাখবর সংগ্রহ করতে আসা। সারাদিনের কাজ সমাপ্ত করে একটু আগেই ঢুকেছিলাম কফি হাউসে। সাধারণত উত্তর ও মধ্য ভারতের কফি হাউসের চরিত্রটি হল, নিয়ম করে কিছু স্থানীয় প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি আড্ডা মারতে আসেন বিকেলের পর। সিমলার লোয়ার মল রোডের কফি হাউসের সেই আড্ডাও সমান জমজমাট। ঠিক যেন বারাণসীর অসি ঘাটের সেই দৈনিক সান্ধ্য পার্লামেন্ট। যেখানে দুনিয়ার সব বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ আর মতামতের আদানপ্রদান। সুতরাং নির্ঘাৎ গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঢুকেও এরকম একটি দুটি দলকে পাওয়া যাবে যাঁদের অবশ্যই এই ভোটের মরশুমের প্রধান আলোচ্য হবে রাজনীতির গতিপ্রকৃতি। সেসব শোনার প্রত্যাশায় বসে ছিলাম কফি হাউসে। ডক্টর মাথুর এসে বসলেন ঠিক সামনের টেবিলে। এখনও ভিড় জমেনি। দেখেই বোঝা গেল ইনি লোকাল মানুষ। এবং ওয়েটারের ওই ‘আইয়ে মাথুর সাব’ মানেই হল নিয়মিত আসছেন। ধুসর রঙের ব্লেজার। কালো ট্রাউজার্স। যত্নে ছাঁটা ধবধবে সাদা গোঁফ। মাথায় নিউজবয় ক্যাপ। কিছু বলতে হল না। একটা ব্ল্যাক কফি এনে ওয়েটার রাখলেন টেবলে। সিন্ধিয়া সাম্রাজ্যে রাজারানির উপকথার শহরে ডক্টর অবিনাশ মাথুর নিঃশব্দে কফি খাচ্ছিলেন। একজন সত্যি রূপকথা। পাশের টেবিলে একঝাঁক যুবকের অনর্গল কংগ্রেস বনাম বিজেপির চর্চা তাঁর মনঃসংযোগে সামান্যতম চিড় ধরাতে পারছিল না। পকেট থেকে একটা নোটবুক বের করে নোট করছিলেন কিছু। যাক। প্রবীণ মানুষ। এঁর কাছে একটু ভোটের হাল হকিকৎ শোনা যাক। আগ বাড়িয়ে আলাপের এটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু সেসব গৌণ হয়ে গেল। কারণ ডক্টর মাথুর দিলেন এক বিস্ময়কর মানসিকতার সন্ধান। গম আমদানি করা ছাড়া কী আর ভারতের কোনও ভবিষ্যৎ নেই? আমরা নিজেরা স্বয়ম্ভর হতে পারি না? ষাটের দশকে ভারত সরকারের কৃষিমন্ত্রী দিল্লির কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ডিরেক্টর বি পি পালের কাছে প্রস্তাব পাঠালেন কিছু একটা করতে। তার অনেক আগেই অবশ্য একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ভারত নিজের মতো করে কয়েকটি গমের ভ্যারাইটি উৎপাদন করেছে। কিন্তু সেগুলি অধিক ফলনশীল ছিল না। ছিল না পোকামাকড় থেকে সুরক্ষিত। তাই দরকার এমন ভ্যারাইটি যা কীটপতঙ্গ থেকে সুরক্ষিত ও অধিক ফলনশীল। ডক্টর পাল বললেন, কেন পারব না। আমরাই করব। গঠিত হল বিজ্ঞানীদের টিম। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর অনেক প্রতিবন্ধকতা সহ্য করে তৈরি হয়েছিল নতুন এক ভ্যারাইটি। সরবতি। অন্যান্য গমের পাশাপাশি এটির সাফল্য আন্তর্জাতিক মহলেও পৌঁছে যায়। এভাবেই ভারতের বিদেশের উপর গম নির্ভরতা কমে যায়। যার নাম সবুজ বিপ্লব। সবেমাত্র পাশ করা এক বিজ্ঞানী ঝকঝকে যুবক অবিনাশ মাথুর ছিলেন সেই টিমে। এটা আর এমন কী কাহিনী? উল্লেখযোগ্য কেন? এটা আসল গল্প নয়। অবিনাশ মাথুর রাষ্ট্রসংঘের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কৃষি গবেষণায় চলে গেলেন আমেরিকা। ঠিক তখনই সৌদি আরব বায়না করল তাদের দেশে মুসম্বি চাষের ব্যবস্থা করতে হবে। এও কী সম্ভব? সকলে বিস্মিত। মরুভূমিতে মুসম্বি গাছ? মুসম্বি হয় মাটিতে। সেটি হল এক জীবন্ত পদার্থ। আর আরবে তো বালি। সেটি আসলে মৃত বস্তু। এদিকে মহাসচিব তো রাজি হয়ে গিয়ে সৌদি আরবকে হ্যাঁ বলে দিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের মাথায় হাত। এবং টার্গেট কত দেওয়া হল? এক লক্ষ মুসম্বি গাছ উৎপাদন করতে হবে। দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। এবং বছর ঘুরে গেল। রাষ্ট্রসংঘের সেই বিজ্ঞানীদের টিম অসম্ভবকে সম্ভব করেছিল। দেড় বছর পর এক লক্ষ মুসম্বি গাছ রোপন করা গিয়েছিল আরবের বালিতে। আর তার দেড় বছর পর টার্গেট ছিল ৫ লক্ষ গাছ। ডক্টর অবিনাশ মাথুররা সেই চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করে সফল হলেন। কেমন সেই সাফল্য? এরপর সেই সৌদি আরব শুধু যে মরুভূমিতে মুসম্বি গাছের স্বপ্ন পূরণেই সন্তুষ্ট রইল তাই নয়। সৌদি আরব হয়ে উঠল মুসম্বির রপ্তানিদাতাও। গোয়ালিয়রের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর অবিনাথ মাথুর বলছিলেন আমাদের সেই টিম ছিল এক রূপকথার টিম। আজও রাষ্ট্রসংঘে ছবি আছে আমাদের। ভোটে কী হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন না মাথুর সাহেব। ওসবে তাঁর অভিরুচিই নেই। কেন? আপনি তো অবসরপ্রাপ্ত। এখন তো অগাধ সময়? মাথুর সাহেব হাসলেন। অবসর? অগাধ সময়? এসব বাজে পলিটিক্স নিয়ে সময় নষ্ট করার জন্য? কত কাজ বাকি জানেন? কী কাজ? আমাকে স্তব্ধ করে ৮৫ বছরের ডক্টর মাথুর বললেন, আমি ঠিক করেছি এবার রাজস্থানে ঠিক ওই সৌদি আরবের মতোই মুসম্বির চাষ করাবো। আমাদের সেই পুরনো টিমের মধ্যে আর একজন আছেন। ইন্দোরে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি রাজি। তাঁর বয়স ৮৬। রাজস্থানে গিয়ে সরকারের হাতে প্ল্যান তুলে দেব। তবে তার আগে নিজেরা চেষ্টা করব। যদি সফল হই তাহলেই সরকারকে প্রস্তাব দেব। এই বয়সে? নতুন করে? পারবেন? মাথুর সাহেব পারবেন। কারণ এখনও তো তিনি বসে নেই। কী করছেন? মধ্যপ্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল বারওয়ানির ভিল আদিবাসীদের গ্রামে গিয়ে মাসে একদিন করে চাষ শিখিয়ে আসেন। ভিল আদিবাসীরা ডক্টর সাবের কাছে শিখছে কাস্টার্ড আপেল, বেদানার চাষ করতে। দু কাপ কফি শেষ। ডক্টর মাথুর উঠে দাঁড়ালেন। রাত সাড়ে ৯টায় ঘুমিয়ে পড়বেন। না। টিভি দেখেন না। মোবাইল নেই। কাগজ পড়েন না। অনেক কাজ বাকি আছে ডক্টর মাথুরের। পলিটিক্স আপনি পছন্দ করেন না কেন? ডক্টর মাথুর বললেন, পলিটিক্স আর সোসাইটি এখন খুব অভদ্র হয়ে গিয়েছে। সেই ডিসেন্সিটা আর পাই না। তাই....।
নারায়ণপুরই শেষ সীমানা। এরপর ওই যে কাঁচা রাস্তাটা গিয়েছে দুদিকের জঙ্গলের আভাস দিয়ে সেটাই বলা যায় গেটওয়ে। ওইদিকে অবুঝমাড়। চারদিকে পাহাড়। দুদিকে ঘিরেছে ইন্দ্রাবতী নদী। আর অরণ্য। সাড়ে ৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। ২৩৩টি গ্রাম। ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত। সম্পূর্ণ মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল। তাই অগম্য। সভ্য আধুনিক ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ। মারিয়া সম্প্রদায়ের প্রাচীন আদিবাসী। কতটা অগম্য? বস্তারের ভোট কভার করতে গিয়েছিলাম। নারায়ণপুরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ব্লক অধিকারিক অফিসে কর্মরত ওমপ্রকাশ সুর্মা বলছিলেন, মাসে দুদিন এই মানুষগুলো রেশনের চালগমচিনি নিতে আসেন কতটা পথ পেরিয়ে জানেন? কতটা? ৭০ কিলোমিটার। গোমাগাল, গুড়াদি, ঝাড়ওয়াহি, বটের, হারবাল ইত্যাদি গ্রাম থেকে স্রেফ রেশন নিতে আসতে এবং ফিরতে স্রেফ হাঁটতে হবে ১৫০ কিলোমিটার। অন্তত চারদিন সময় লাগে। ব্লক সদর অফিস ওরছায় রেশন দোকান। কারণ মাওবাদীদের ভয়ে রেশন দোকান অবুঝমাড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত না হয় বোঝা গেল যে দুর্গম গ্রামাঞ্চল থেকে ৭০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভারতের প্রাচীনতম আদিবাসী সমাজ রেশন নিতে আসছে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। কিন্তু তার মানে তো তাদের কাছে কোনও উন্নয়ন পৌঁছয়নি? কোনও আধুনিক পরিকাঠামো ব্যবস্থাই ঩নেই? বস্তারের হেডকোয়ার্টার জগদলপুরের শহিদ গদাধর এগ্রিকালচার কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ডিন ডক্টর শিশিরচন্দ্র মুখার্জি বলেছিলেন, অবুঝমাড়ের আদিবাসীদের উৎপাদিত ফসল ভারতের মধ্যে সেরা অরগানিক ফার্মিং! কল্পনা করা যায়? লাঙল নয়, ট্রাক্টর নয়। হাত দিয়ে মাটি খুঁড়ে অবুঝমাড়িয়া আদিবাসীরা সারা বছর ধরে জমিয়ে রাখা বীজ ছড়িয়ে দেয়। তারা জানে কোন গাছের পাতা আর রস মিক্সড করলে বিশুদ্ধ কীটনাশকের মতো কাজ করবে। সেই মিক্সচার ছড়ায় ক্ষেতে। ১৫০০ বর্গ মা‌ইল জুড়ে অবুঝমাড়িয়ারা ধান উৎপাদন করে। প্রতি বছর ২ হাজার কুইন্টাল এই ধান তারা নিয়ে আসে ওরছা ব্লকের সরকারি সংগ্রহ কেন্দ্রে। প্রতি মাসেই তারা রেশন তুলতে এলে বারংবার বলা হয় সরকারি রাসায়নিক কীটনাশক নিতে। সার নিতে। যাতে ফসল বেশি উৎপন্ন হয়। কিছুতেই রাজি হয় না তারা। বলছিলেন মহাদেব সিং। নারায়ণপুরের বীজ বিক্রেতা। এই ধান পাঠানো হয় নারায়ণপুর আর কোন্ডাগাঁওয়ের রাইস মিলে। কিন্তু রাইস মিল মালিকরা সেই চাল বাইরে বিক্রি করে না। কারণ এই চাল অমূল্য। কোনও বিষ নেই। তাই তারা এবং স্থানীয় সরকারি অফিসবাবুরা নিজেদের বাড়ির জন্য নিয়ে যায় সেইসব চাল। অথচ অরগানিক ধানের বহুমূল্য দাম পায় না অবুঝমাড়িয়ারা। নিজেদের গ্রামে মাটি আর বাঁশ দিয়ে অবুঝমাড় নিজেরাই বাঁধ নির্মাণ করেছে। তৈরি করেছে ব্রিজ। ভেঙে পড়া গাছ দিয়ে। ইসরোর স্যাটেলাইট ম্যাপিং থেকে দেখা গিয়েছে একটি বর্ষা হয়ে গেলেও এই ব্রিজ, এই বাঁধ কিন্তু অটুট। কীভাবে সম্ভব? যেখানে সরকারি বাঁধ, রাস্তা, সেতু বছর বছর ভেঙে যায়! অবুঝমাড়িয়াদের বলা হয় কৃষি লোন নিতে। একজনও আজ পর্যন্ত লোন নেয়নি। কারণ কী? কারণ তারা বলেছে যদি শোধ করতে না পারে? অবুঝমাড় জানে না প্রধানমন্ত্রীর নাম। জানে না মুখ্যমন্ত্রীর নাম। কে সরকারে? জানে না। কিন্তু এহেন অবুঝমাড় থেকে তৈরি হয়েছে সত্যি রূপকথা। রামকৃষ্ণ মিশন কিছু আদিবাসী বাচ্চাকে নিয়ে আসে নারায়ণপুরে। সেই মিশনের ছাত্র লক্ষণ পোটা‌ই ঩দিল্লির হিন্দু কলেজ থেকে ফিজিক্সে ৮০ শতাংশ নিয়ে পাশ করে আজ ব্যাঙ্ক ম্যানেজার। আই এ এসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লখনই এর নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা গঙ্গা পোটাই।
দীপমালা...এই দীপমালা, দান্তেওয়াড়া থেকে জগদলপুর যাওয়ার বাসে চিৎকার। বস্তানর এসে গেছে! দীপমালা ঘুমচ্ছে। সপ্তাহে একবারই হাট বসে এই সুকমা আর দান্তেওয়াড়া যাওয়ার মাঝপথের জনপদে। তবে কেশকালে নেমে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতে হবে। দুদিকে মহুয়া, অর্জুন, তেণ্ডুগাছের জঙ্গল। আর উল্টোদিকে বিস্তীর্ণ টাঁড়। সেসব পেরিয়ে দারভা ব্লকের বিশপুর গ্রামের গোন্দ আদিবাসী মেয়ে দীপমালা সপ্তাহে দুবার যায় জগদলপুরে। গ্রামের মেয়েদের সে সেলাই শেখাতে চাইছে। গ্রামের কারও নিজের জমি বেশি নেই। পুরুষরা সারা বছর কাজ পায় না। এমনকী তিন মাস ১০০ দিনের কাজ করে ৮ মাস পর পেমেন্ট আসে ব্যাঙ্কে। কেউ একজন দীপমালাকে বলেছে জগদলপুরের কাপড়ের মার্কেট থেকে কাপড় নিয়ে গিয়ে ছোট ছোট জামাকাপড় তৈরি করে সাপ্লাই দেওয়া গেলে রোজগার হবে। গোন্দ আদিবাসীদের কেউ কোনও এরকম শহুরে সেলাই জানে না। কিন্তু জানে না বললে তো হবে না। শিখবে না কেন? তাই গ্রামের মেয়ে দীপমালা উদ্যোগ নিয়েছে। সে সপ্তাহে দুদিন সকালে এসে সেলাইয়ের ট্রেনিং নেয়। আর বিকেলে কিছু কাপড় নিয়ে গিয়ে গ্রামের মেয়েদের দিয়ে সেলাই করায়। দীপমালার একটাই স্বপ্ন। একদিন বিশপুর গ্রাম থেকে অনেক কাপড় যাবে জগদলপুর বাজারে। ওই যে সারাদিনের পরিশ্রমের পর বাসে ঘুমিয়ে পড়া দীপমালা নেমে যাচ্ছে কেশকাল স্টপে। সঙ্গে স্বপ্নটা।
ছত্তিশগড় আর মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা ভোট কভার করতে গিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এসব খণ্ডদৃশ্যগুলির অভিজ্ঞতা আসলে লজ্জা দিয়েছিল। সংকুচিত হয়ে গেলাম যে আমরা প্রত্যহ কী করছি? শহরের আলোকোজ্জ্বল আবহ থেকে অনেক দূরের এই মানুষগুলির এই বিস্ময়কর মানসিক জোরের ছিটেফোঁটাও তো নেই আমাদের। আমাদের দিন শুরু হয় মোবাইলের ডেটা অন করে। দিন শেষ হয় মোবাইলের ডেটা অফফ করে। দীপমালা, ডক্টর অবিনাশ মাথুররা রোজ একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নের দিকে। আমরা এগই না। পিছোই না। থমকে থাকি। আমাদের স্বপ্নও নেই। এগিয়ে যাওয়াও নেই। আছে শুধু অন্তহীন ইস্যুতে নিমজ্জিত থাকা।
দীপিকা রণবীরের বিবাহই হোক কিংবা শোভন চট্টোপাধ্যায়!
23rd  November, 2018
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

গত পাঁচ বছরে সিপিএম একবারও কি রেলমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে রাস্তায় নেমেছে? পশ্চিমবঙ্গ কেন বঞ্চিত হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কখনও সিপিএমকে প্রেস কনফারেন্স করতে দেখেছে কেউ? কেন কিছু করেনি সিপিএম? কারণ এখন আর রেলমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। বিশদ

রাফাল না সিবিআই, মোদি-বিরোধিতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ইস্যু কোনটি?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 রাফাল ইস্যুকে সামনে রেখে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ধারাবাহিকভাবে রাফাল ইস্যু প্রচারের কেন্দ্রে রাখতে পেরেছিলেন রাহুল। হিন্দি বলয়ে তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়-এ বিজেপি’র পরাজয়ের পিছনে অন্য সমস্ত কারণের মধ্যে রাহুল গান্ধীর তোলা রাফাল যুদ্ধ বিমান দুর্নীতির প্রচার বিজেপি’র বিরুদ্ধে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
বিশদ

14th  February, 2019
স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়।
বিশদ

12th  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

11th  February, 2019
ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
হৃদয় গিয়েছে চুরি
অতনু বিশ্বাস

আচ্ছা, হৃদয়টাকে (হৃদপিণ্ড মানে হৃদয় ধরে নিয়ে) সত্যি সত্যিই কি কোথাও ফেলে আসা যায় না? যদি সত্যিই না যায়, কুমিরটা সেটা বিশ্বাস করল কী করে? উপকথার কুমিররা হয়তো বোকা হয়, তবে তার তথাকথিত বোকামিকে অনেক ক্ষেত্রেই আমার নেহাতই সরলতা বলে মনে হয়েছে।
বিশদ

09th  February, 2019
ন্যানো, একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যু
মৃণালকান্তি দাস

ভক্সওয়াগেন বিটল। যে বছর ভারতে ন্যানোর আবির্ভাব, তার ঠিক ৭০ বছর আগে বাজারে এসেছিল এই ‘পিপলস কার’। গোটা জার্মানি জুড়ে শুধু রোড নেটওয়ার্ক বাড়ানোই নয়, দেশের মানুষকে সস্তায় গাড়ি চড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। কে না জানে, ভক্সওয়াগেন মানেই তো ‘জনতার গাড়ি’।
বিশদ

08th  February, 2019
সিবিআই নাটকে শেষপর্যন্ত
মমতাই কি লাভবান হলেন না?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 নাটক? হ্যাঁ, নাটক। নাটক ছাড়া কী! বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ করে রবিবারের শেষ বিকেলে কোত্থেকে চল্লিশ সিবিআই চলে এলেন, সন্ধের মুখে তাঁদের কজন জিজ্ঞাসাবাদের অছিলায় হানা দিলেন লাউডন স্ট্রিটে খোদ পুলিস কমিশনারের দরজায়, ঢোকার মুখেই কর্তব্যরত পুলিসের সঙ্গে বাধল সংঘাত, ছড়াল উত্তেজনা, কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কলকাতা পুলিসের বড়কর্তারা হাজির, তর্ক-বিতর্ক ধস্তাধস্তি এবং শেষমেশ পুলিসের গাড়িবন্দি হয়ে দলের নেতা ডিএসপি সিবিআই ও আরও কয়েকজন শেক্সপিয়র সরণি থানায়!
বিশদ

07th  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে যথেষ্ট আর্থিকশৃঙ্খলা অর্জিত হয়েছে
দেবনারায়ণ সরকার

সোমবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গত বছরের অনুমিত বাজেটের তুলনায় এটা ২১ শতাংশেরও বেশি। রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। 
বিশদ

05th  February, 2019
গাদকারি মাহাত্ম্য
পি চিদম্বরম

নীতিন গাদকারি একজন অন‌্যধরনের রাজনীতিক। তাঁর নিজের স্বীকার অনুযায়ী, তিনি একজন ভোজনরসিক, তিনি হাল ফ‌্যাশনের পোশাক পরেন এবং দেখে মনে হয় জীবনটাকে উপভোগও করেন। তিনি পাবলিক ফাংশনে ভাষণ দিতে পছন্দ করেন এবং এমনভাবে কথা বলেন যেন দুনিয়ার কে কী ভাবল তাতে তাঁর যায় আসে না।
বিশদ

04th  February, 2019
বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

শুক্রবার সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব পেশ হল হিসেব মতো সেটা দেশের চলতি সরকারের শেষ বাজেট—অন্তর্বর্তী বাজেট। কিন্তু, বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পীযূষ গোয়েলের বক্তৃতা বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আচার-আচরণ দেখে মনে হল অন্তর্বর্তী নয়, আসন্ন অর্থবর্ষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেটই পেশ করল বিদায়ী সরকার! শুধু তাই নয়, গোটা বাজেট প্রস্তাব জুড়ে মধ্যবিত্ত থেকে কৃষক শ্রমিক প্রান্তিক মানুষজনের জন্য ‘ছাড়’ আর অর্থবরাদ্দের যে হিড়িক দেখা গেল—এককথায় তা নজিরবিহীন।
বিশদ

03rd  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে আপস করে
জনমোহিনী বাজেট

দেবনারায়ণ সরকার

 শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদি সরকারের ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন। কার্যত এটাকে পূর্ণাঙ্গ বাজেটই বলা চলে। বিশদ

02nd  February, 2019
একনজরে
  বিএনএ, আরামবাগ: পুরশুড়ার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে জাতীয় ক্রীড়া ময়দান কাঁপাল দুই বোন। ঘরের মেয়েরা গুজরাত ও হরিয়ানায় জাতীয় স্তরের আসরে সফল হওয়ায় গর্বে বুক ফুলেছে বাবা, মা সহ এলাকাবাসীর। এতদিন স্কুল থেকে জেলা, রাজ্যস্তরের পর্যায়ে তারা একই সঙ্গে খেলে ...

  সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহে আদিবাসীদের ধর্মীয় এবং সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য জেলাজুড়ে প্রায় ৩ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে থান তৈরির উদ্যোগ নিল অগ্রসর শ্রেণীকল্যাণ দপ্তর। জেলা ছটি ব্লকের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে এই থানগুলি তৈরি করা হবে। ...

 টরন্টো, ১৪ ফেব্রুয়ারি (এপি): বুধবার সকালে আর পাঁচটা দিনের মতোই ব্যস্ততা বাড়ছিল টরন্টোর রাস্তায়। যানবাহন ও পথচলতি মানুষের কোলাহলে জেগে উঠছিল শহর। হঠাৎই একটি বহুতলের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাণ্ডার দেউচা-পাচামি থেকে কয়লা তুলবে পোল্যান্ডের সংস্থা। এই বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে চুক্তি করতে রাজ্য সরকার অনেকটাই এগিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ পাওয়ার সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৬৪: জ্যোতির্বিদ গ্যালিলিও গ্যালিলির জন্ম
১৮৬৯: মির্জা গালিবের মৃত্যু
১৮৯৮: কিউবা উপকূলে মার্কিন রণতরী ডুবে গিয়ে মৃত ২৭৪। স্পেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল আমেরিকা
১৯২১: ঐতিহাসিক রাধাকৃষ্ণ চৌধুরির জন্ম
১৯৩৩: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা। নিহত শিকাগোর মেয়র
১৯৪২: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সিঙ্গাপুরের পতন। জাপানের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন ব্রিটিশ জেনারেল।
১৯৪৭: রণধীর কাপুরের জন্ম
১৯৫৬: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ডেসমন্ড হেইনসের জন্ম
১৯৬৪: আশুতোষ গোয়ারিকরের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৩৪ টাকা ৯২.৫৮ টাকা
ইউরো ৭৮.৫৩ টাকা ৮১.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  February, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৬৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ১৭/৪৫ দিবা ১/১৯। মৃগশিরা ৩৬/৩৯ রাত্রি ৮/৫২। সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৫/২৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ৮/২৮ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/১১ গতে ১১/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩৯ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৮/২২/২০। মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৪/৪৪/৫, সূ উ ৬/১৪/১৩, অ ৫/২৭/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩/৫৭ মধ্যে ও ৮/২৮/৪৯ থেকে ১০/৪৩/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৮/০ থেকে ২/২৭/৪৪ মধ্যে ও ৩/৫৭/২৭ থেকে ৫/২৭/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৯/২৭ থেকে ৮/৫১/৪৪ মধ্যে ও ৩/৪০/৪৯ থেকে ৪/৩১/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৯/২/২৮ থেকে ১০/২৬/৩৫ মধ্যে, কালবেলা ১০/২৬/৩৫ থেকে ১১/৫০/৪২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩৮/৫৭ থেকে ১০/১৪/৪৯ মধ্যে।
৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গোপীবল্লভপুরে নদীতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল এক কিশোর 

06:37:00 PM

ভুয়ো কোম্পানি খুলে রাজ্যজুড়ে প্রতারণার জাল, ধৃত ৭
গৃহঋণ থেকে চাকরির টোপ দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে প্রচুর মানুষকে ...বিশদ

04:12:00 PM

৬৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:11:35 PM

পুলওয়ামায় হামলা: নদীয়া, হাওড়ার শহিদ জওয়ানদের বাড়িতে আসছেন দু’জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী 

04:03:51 PM

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার জেরে উত্তপ্ত জম্মু, পুড়ল ১৫টি গাড়ি 

03:08:00 PM

মাঝেরহাটে সিইএসই অফিসে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৩টি ইঞ্জিন 

03:03:00 PM