Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্য ভারতের গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত

হাতে একটা ওয়াকিং স্টিক। অটো থেকে নেমে কফি হাউসের চৌকাঠের সিঁড়িতে পা রাখতেই একজন ওয়েটার সসম্ভ্রমে এগিয়ে গিয়ে হেসে বললেন, আইয়ে মাথুর সাব! গোয়ালিয়র স্টেশন থেকে বেরিয়েই বড় রাস্তায় এসে একটু পিছনের দিকে হাঁটলে সামনেই ইন্ডিয়ান কফি হাউস। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ের শহরগুলির এটি এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রায় প্রতিটি শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি করে সেই চিরাচরিত কফি বোর্ডের কোঅপারেটিভ পরিচালিত কফি হাউসের শাখা। রায়পুর, বিলাসপুর, ভোপাল, গোয়ালিয়র সর্বত্র। ওয়েটারদের চেহারায় সেই পরিচিত সাদা সাফারির ইউনিফর্ম, মাথায় পাগড়ি। সন্ধ্যা হয়েছে বেশ কিছুটা আগে। গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঠিক সাড়ে ৬টায় ঢুকলেন ডক্টর অবিনাশ মাথুর। মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের খবরাখবর সংগ্রহ করতে আসা। সারাদিনের কাজ সমাপ্ত করে একটু আগেই ঢুকেছিলাম কফি হাউসে। সাধারণত উত্তর ও মধ্য ভারতের কফি হাউসের চরিত্রটি হল, নিয়ম করে কিছু স্থানীয় প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি আড্ডা মারতে আসেন বিকেলের পর। সিমলার লোয়ার মল রোডের কফি হাউসের সেই আড্ডাও সমান জমজমাট। ঠিক যেন বারাণসীর অসি ঘাটের সেই দৈনিক সান্ধ্য পার্লামেন্ট। যেখানে দুনিয়ার সব বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ আর মতামতের আদানপ্রদান। সুতরাং নির্ঘাৎ গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঢুকেও এরকম একটি দুটি দলকে পাওয়া যাবে যাঁদের অবশ্যই এই ভোটের মরশুমের প্রধান আলোচ্য হবে রাজনীতির গতিপ্রকৃতি। সেসব শোনার প্রত্যাশায় বসে ছিলাম কফি হাউসে। ডক্টর মাথুর এসে বসলেন ঠিক সামনের টেবিলে। এখনও ভিড় জমেনি। দেখেই বোঝা গেল ইনি লোকাল মানুষ। এবং ওয়েটারের ওই ‘আইয়ে মাথুর সাব’ মানেই হল নিয়মিত আসছেন। ধুসর রঙের ব্লেজার। কালো ট্রাউজার্স। যত্নে ছাঁটা ধবধবে সাদা গোঁফ। মাথায় নিউজবয় ক্যাপ। কিছু বলতে হল না। একটা ব্ল্যাক কফি এনে ওয়েটার রাখলেন টেবলে। সিন্ধিয়া সাম্রাজ্যে রাজারানির উপকথার শহরে ডক্টর অবিনাশ মাথুর নিঃশব্দে কফি খাচ্ছিলেন। একজন সত্যি রূপকথা। পাশের টেবিলে একঝাঁক যুবকের অনর্গল কংগ্রেস বনাম বিজেপির চর্চা তাঁর মনঃসংযোগে সামান্যতম চিড় ধরাতে পারছিল না। পকেট থেকে একটা নোটবুক বের করে নোট করছিলেন কিছু। যাক। প্রবীণ মানুষ। এঁর কাছে একটু ভোটের হাল হকিকৎ শোনা যাক। আগ বাড়িয়ে আলাপের এটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু সেসব গৌণ হয়ে গেল। কারণ ডক্টর মাথুর দিলেন এক বিস্ময়কর মানসিকতার সন্ধান। গম আমদানি করা ছাড়া কী আর ভারতের কোনও ভবিষ্যৎ নেই? আমরা নিজেরা স্বয়ম্ভর হতে পারি না? ষাটের দশকে ভারত সরকারের কৃষিমন্ত্রী দিল্লির কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ডিরেক্টর বি পি পালের কাছে প্রস্তাব পাঠালেন কিছু একটা করতে। তার অনেক আগেই অবশ্য একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ভারত নিজের মতো করে কয়েকটি গমের ভ্যারাইটি উৎপাদন করেছে। কিন্তু সেগুলি অধিক ফলনশীল ছিল না। ছিল না পোকামাকড় থেকে সুরক্ষিত। তাই দরকার এমন ভ্যারাইটি যা কীটপতঙ্গ থেকে সুরক্ষিত ও অধিক ফলনশীল। ডক্টর পাল বললেন, কেন পারব না। আমরাই করব। গঠিত হল বিজ্ঞানীদের টিম। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর অনেক প্রতিবন্ধকতা সহ্য করে তৈরি হয়েছিল নতুন এক ভ্যারাইটি। সরবতি। অন্যান্য গমের পাশাপাশি এটির সাফল্য আন্তর্জাতিক মহলেও পৌঁছে যায়। এভাবেই ভারতের বিদেশের উপর গম নির্ভরতা কমে যায়। যার নাম সবুজ বিপ্লব। সবেমাত্র পাশ করা এক বিজ্ঞানী ঝকঝকে যুবক অবিনাশ মাথুর ছিলেন সেই টিমে। এটা আর এমন কী কাহিনী? উল্লেখযোগ্য কেন? এটা আসল গল্প নয়। অবিনাশ মাথুর রাষ্ট্রসংঘের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কৃষি গবেষণায় চলে গেলেন আমেরিকা। ঠিক তখনই সৌদি আরব বায়না করল তাদের দেশে মুসম্বি চাষের ব্যবস্থা করতে হবে। এও কী সম্ভব? সকলে বিস্মিত। মরুভূমিতে মুসম্বি গাছ? মুসম্বি হয় মাটিতে। সেটি হল এক জীবন্ত পদার্থ। আর আরবে তো বালি। সেটি আসলে মৃত বস্তু। এদিকে মহাসচিব তো রাজি হয়ে গিয়ে সৌদি আরবকে হ্যাঁ বলে দিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের মাথায় হাত। এবং টার্গেট কত দেওয়া হল? এক লক্ষ মুসম্বি গাছ উৎপাদন করতে হবে। দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। এবং বছর ঘুরে গেল। রাষ্ট্রসংঘের সেই বিজ্ঞানীদের টিম অসম্ভবকে সম্ভব করেছিল। দেড় বছর পর এক লক্ষ মুসম্বি গাছ রোপন করা গিয়েছিল আরবের বালিতে। আর তার দেড় বছর পর টার্গেট ছিল ৫ লক্ষ গাছ। ডক্টর অবিনাশ মাথুররা সেই চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করে সফল হলেন। কেমন সেই সাফল্য? এরপর সেই সৌদি আরব শুধু যে মরুভূমিতে মুসম্বি গাছের স্বপ্ন পূরণেই সন্তুষ্ট রইল তাই নয়। সৌদি আরব হয়ে উঠল মুসম্বির রপ্তানিদাতাও। গোয়ালিয়রের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর অবিনাথ মাথুর বলছিলেন আমাদের সেই টিম ছিল এক রূপকথার টিম। আজও রাষ্ট্রসংঘে ছবি আছে আমাদের। ভোটে কী হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন না মাথুর সাহেব। ওসবে তাঁর অভিরুচিই নেই। কেন? আপনি তো অবসরপ্রাপ্ত। এখন তো অগাধ সময়? মাথুর সাহেব হাসলেন। অবসর? অগাধ সময়? এসব বাজে পলিটিক্স নিয়ে সময় নষ্ট করার জন্য? কত কাজ বাকি জানেন? কী কাজ? আমাকে স্তব্ধ করে ৮৫ বছরের ডক্টর মাথুর বললেন, আমি ঠিক করেছি এবার রাজস্থানে ঠিক ওই সৌদি আরবের মতোই মুসম্বির চাষ করাবো। আমাদের সেই পুরনো টিমের মধ্যে আর একজন আছেন। ইন্দোরে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি রাজি। তাঁর বয়স ৮৬। রাজস্থানে গিয়ে সরকারের হাতে প্ল্যান তুলে দেব। তবে তার আগে নিজেরা চেষ্টা করব। যদি সফল হই তাহলেই সরকারকে প্রস্তাব দেব। এই বয়সে? নতুন করে? পারবেন? মাথুর সাহেব পারবেন। কারণ এখনও তো তিনি বসে নেই। কী করছেন? মধ্যপ্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল বারওয়ানির ভিল আদিবাসীদের গ্রামে গিয়ে মাসে একদিন করে চাষ শিখিয়ে আসেন। ভিল আদিবাসীরা ডক্টর সাবের কাছে শিখছে কাস্টার্ড আপেল, বেদানার চাষ করতে। দু কাপ কফি শেষ। ডক্টর মাথুর উঠে দাঁড়ালেন। রাত সাড়ে ৯টায় ঘুমিয়ে পড়বেন। না। টিভি দেখেন না। মোবাইল নেই। কাগজ পড়েন না। অনেক কাজ বাকি আছে ডক্টর মাথুরের। পলিটিক্স আপনি পছন্দ করেন না কেন? ডক্টর মাথুর বললেন, পলিটিক্স আর সোসাইটি এখন খুব অভদ্র হয়ে গিয়েছে। সেই ডিসেন্সিটা আর পাই না। তাই....।
নারায়ণপুরই শেষ সীমানা। এরপর ওই যে কাঁচা রাস্তাটা গিয়েছে দুদিকের জঙ্গলের আভাস দিয়ে সেটাই বলা যায় গেটওয়ে। ওইদিকে অবুঝমাড়। চারদিকে পাহাড়। দুদিকে ঘিরেছে ইন্দ্রাবতী নদী। আর অরণ্য। সাড়ে ৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। ২৩৩টি গ্রাম। ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত। সম্পূর্ণ মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল। তাই অগম্য। সভ্য আধুনিক ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ। মারিয়া সম্প্রদায়ের প্রাচীন আদিবাসী। কতটা অগম্য? বস্তারের ভোট কভার করতে গিয়েছিলাম। নারায়ণপুরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ব্লক অধিকারিক অফিসে কর্মরত ওমপ্রকাশ সুর্মা বলছিলেন, মাসে দুদিন এই মানুষগুলো রেশনের চালগমচিনি নিতে আসেন কতটা পথ পেরিয়ে জানেন? কতটা? ৭০ কিলোমিটার। গোমাগাল, গুড়াদি, ঝাড়ওয়াহি, বটের, হারবাল ইত্যাদি গ্রাম থেকে স্রেফ রেশন নিতে আসতে এবং ফিরতে স্রেফ হাঁটতে হবে ১৫০ কিলোমিটার। অন্তত চারদিন সময় লাগে। ব্লক সদর অফিস ওরছায় রেশন দোকান। কারণ মাওবাদীদের ভয়ে রেশন দোকান অবুঝমাড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত না হয় বোঝা গেল যে দুর্গম গ্রামাঞ্চল থেকে ৭০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভারতের প্রাচীনতম আদিবাসী সমাজ রেশন নিতে আসছে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। কিন্তু তার মানে তো তাদের কাছে কোনও উন্নয়ন পৌঁছয়নি? কোনও আধুনিক পরিকাঠামো ব্যবস্থাই ঩নেই? বস্তারের হেডকোয়ার্টার জগদলপুরের শহিদ গদাধর এগ্রিকালচার কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ডিন ডক্টর শিশিরচন্দ্র মুখার্জি বলেছিলেন, অবুঝমাড়ের আদিবাসীদের উৎপাদিত ফসল ভারতের মধ্যে সেরা অরগানিক ফার্মিং! কল্পনা করা যায়? লাঙল নয়, ট্রাক্টর নয়। হাত দিয়ে মাটি খুঁড়ে অবুঝমাড়িয়া আদিবাসীরা সারা বছর ধরে জমিয়ে রাখা বীজ ছড়িয়ে দেয়। তারা জানে কোন গাছের পাতা আর রস মিক্সড করলে বিশুদ্ধ কীটনাশকের মতো কাজ করবে। সেই মিক্সচার ছড়ায় ক্ষেতে। ১৫০০ বর্গ মা‌ইল জুড়ে অবুঝমাড়িয়ারা ধান উৎপাদন করে। প্রতি বছর ২ হাজার কুইন্টাল এই ধান তারা নিয়ে আসে ওরছা ব্লকের সরকারি সংগ্রহ কেন্দ্রে। প্রতি মাসেই তারা রেশন তুলতে এলে বারংবার বলা হয় সরকারি রাসায়নিক কীটনাশক নিতে। সার নিতে। যাতে ফসল বেশি উৎপন্ন হয়। কিছুতেই রাজি হয় না তারা। বলছিলেন মহাদেব সিং। নারায়ণপুরের বীজ বিক্রেতা। এই ধান পাঠানো হয় নারায়ণপুর আর কোন্ডাগাঁওয়ের রাইস মিলে। কিন্তু রাইস মিল মালিকরা সেই চাল বাইরে বিক্রি করে না। কারণ এই চাল অমূল্য। কোনও বিষ নেই। তাই তারা এবং স্থানীয় সরকারি অফিসবাবুরা নিজেদের বাড়ির জন্য নিয়ে যায় সেইসব চাল। অথচ অরগানিক ধানের বহুমূল্য দাম পায় না অবুঝমাড়িয়ারা। নিজেদের গ্রামে মাটি আর বাঁশ দিয়ে অবুঝমাড় নিজেরাই বাঁধ নির্মাণ করেছে। তৈরি করেছে ব্রিজ। ভেঙে পড়া গাছ দিয়ে। ইসরোর স্যাটেলাইট ম্যাপিং থেকে দেখা গিয়েছে একটি বর্ষা হয়ে গেলেও এই ব্রিজ, এই বাঁধ কিন্তু অটুট। কীভাবে সম্ভব? যেখানে সরকারি বাঁধ, রাস্তা, সেতু বছর বছর ভেঙে যায়! অবুঝমাড়িয়াদের বলা হয় কৃষি লোন নিতে। একজনও আজ পর্যন্ত লোন নেয়নি। কারণ কী? কারণ তারা বলেছে যদি শোধ করতে না পারে? অবুঝমাড় জানে না প্রধানমন্ত্রীর নাম। জানে না মুখ্যমন্ত্রীর নাম। কে সরকারে? জানে না। কিন্তু এহেন অবুঝমাড় থেকে তৈরি হয়েছে সত্যি রূপকথা। রামকৃষ্ণ মিশন কিছু আদিবাসী বাচ্চাকে নিয়ে আসে নারায়ণপুরে। সেই মিশনের ছাত্র লক্ষণ পোটা‌ই ঩দিল্লির হিন্দু কলেজ থেকে ফিজিক্সে ৮০ শতাংশ নিয়ে পাশ করে আজ ব্যাঙ্ক ম্যানেজার। আই এ এসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লখনই এর নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা গঙ্গা পোটাই।
দীপমালা...এই দীপমালা, দান্তেওয়াড়া থেকে জগদলপুর যাওয়ার বাসে চিৎকার। বস্তানর এসে গেছে! দীপমালা ঘুমচ্ছে। সপ্তাহে একবারই হাট বসে এই সুকমা আর দান্তেওয়াড়া যাওয়ার মাঝপথের জনপদে। তবে কেশকালে নেমে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতে হবে। দুদিকে মহুয়া, অর্জুন, তেণ্ডুগাছের জঙ্গল। আর উল্টোদিকে বিস্তীর্ণ টাঁড়। সেসব পেরিয়ে দারভা ব্লকের বিশপুর গ্রামের গোন্দ আদিবাসী মেয়ে দীপমালা সপ্তাহে দুবার যায় জগদলপুরে। গ্রামের মেয়েদের সে সেলাই শেখাতে চাইছে। গ্রামের কারও নিজের জমি বেশি নেই। পুরুষরা সারা বছর কাজ পায় না। এমনকী তিন মাস ১০০ দিনের কাজ করে ৮ মাস পর পেমেন্ট আসে ব্যাঙ্কে। কেউ একজন দীপমালাকে বলেছে জগদলপুরের কাপড়ের মার্কেট থেকে কাপড় নিয়ে গিয়ে ছোট ছোট জামাকাপড় তৈরি করে সাপ্লাই দেওয়া গেলে রোজগার হবে। গোন্দ আদিবাসীদের কেউ কোনও এরকম শহুরে সেলাই জানে না। কিন্তু জানে না বললে তো হবে না। শিখবে না কেন? তাই গ্রামের মেয়ে দীপমালা উদ্যোগ নিয়েছে। সে সপ্তাহে দুদিন সকালে এসে সেলাইয়ের ট্রেনিং নেয়। আর বিকেলে কিছু কাপড় নিয়ে গিয়ে গ্রামের মেয়েদের দিয়ে সেলাই করায়। দীপমালার একটাই স্বপ্ন। একদিন বিশপুর গ্রাম থেকে অনেক কাপড় যাবে জগদলপুর বাজারে। ওই যে সারাদিনের পরিশ্রমের পর বাসে ঘুমিয়ে পড়া দীপমালা নেমে যাচ্ছে কেশকাল স্টপে। সঙ্গে স্বপ্নটা।
ছত্তিশগড় আর মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা ভোট কভার করতে গিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এসব খণ্ডদৃশ্যগুলির অভিজ্ঞতা আসলে লজ্জা দিয়েছিল। সংকুচিত হয়ে গেলাম যে আমরা প্রত্যহ কী করছি? শহরের আলোকোজ্জ্বল আবহ থেকে অনেক দূরের এই মানুষগুলির এই বিস্ময়কর মানসিক জোরের ছিটেফোঁটাও তো নেই আমাদের। আমাদের দিন শুরু হয় মোবাইলের ডেটা অন করে। দিন শেষ হয় মোবাইলের ডেটা অফফ করে। দীপমালা, ডক্টর অবিনাশ মাথুররা রোজ একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নের দিকে। আমরা এগই না। পিছোই না। থমকে থাকি। আমাদের স্বপ্নও নেই। এগিয়ে যাওয়াও নেই। আছে শুধু অন্তহীন ইস্যুতে নিমজ্জিত থাকা।
দীপিকা রণবীরের বিবাহই হোক কিংবা শোভন চট্টোপাধ্যায়!
23rd  November, 2018
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত করে নজির সৃষ্টি করল বেঙ্গল কেমিক্যাল। বুধবার সংস্থার এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে তাঁরাই প্রথম কোম্পানি, যারা বার্ষিক ...

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের নারায়ণগড়ে বামের ভোট রামে চলে যাওয়ার ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই বিধানসভা ভোটের লিড ধরে রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন দলের নেতারা।   ...

শ্বকাপে খেলতে ইংল্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। আগামী ৩০ মে উদ্বোধনী ঘণ্টা বাজবে ক্রিকেটের বৃহত্তম প্রতিযোগিতার। আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বুধবার থেকেই শুরু হয়ে গেল সরকারি স্কুলগুলির একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি প্রক্রিয়া। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হচ্ছে। অনলাইনে একটি বা একাধিক ফর্ম ডাউনলোড করে বা তার কপি করে তা পূরণ করে জমা দেওয়া যাচ্ছে। ফর্ম জমা দেওয়া যাবে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্য মাঝেমধ্যে বিরূপ হলেও খুব একটা চিন্তার কারণ হবে না। ভ্রমণযোগ বিদ্যমান। মাঝেমধ্যে প্রতিবেশীদের থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৬-নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের মৃত্যু
১৯১৮: ইংরেজ ক্রিকেটার ডেনিস কম্পটনের জন্ম
১৯১৯-জয়পুরের রাজমাতা গায়ত্রী দেবীর জন্ম
১৯৫১-বিশিষ্ট দাবাড়ু আনাতোলি কারাপোভের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৮৮ টাকা ৭০.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৮৭.০৬ টাকা ৯০.২৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৩৫ টাকা ৭৯.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৩৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/২৩ রাত্রি ৪/১৯। পূর্বাষাঢ়া ০/৩৯ প্রাতঃ ৫/১৩। সূ উ ৪/৫৭/৩৪, অ ৬/৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৫১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৩ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৫৮/১/৪১ শেষরাত্রি ৪/৯/৩৩। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ২/০/১৯ প্রাতঃ ৫/৪৫/১, সূ উ ৪/৫৬/৫৩, অ ৬/১১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৭ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৯/৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ৪/৩১/৫৯ গতে ৬/১১/১৭ মধ্যে, কালবেলা ২/৫২/৪১ গতে ৪/৩১/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৪/৫ গতে ১২/৫৪/৪৭ মধ্যে। 
১৭ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য 

22-05-2019 - 04:21:49 PM

১৪০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

22-05-2019 - 03:52:18 PM

ধূপগুড়ির বিএমওএইচ-এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল স্বাস্থ্য দপ্তরের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে 

22-05-2019 - 03:03:00 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে আইইডি বিস্ফোরণ, শহিদ ১ জওয়ান, জখম ৭ 

22-05-2019 - 01:31:14 PM

২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ বিশ্বভারতীর উপাচার্য এবং অধ্যাপকরা 
ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে জেরে ২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ...বিশদ

22-05-2019 - 01:27:28 PM

বর্ধমানের শাঁখারিপুকুর এলাকায় গাড়ি-লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ২ 

22-05-2019 - 01:23:08 PM