বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্য ভারতের গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত

হাতে একটা ওয়াকিং স্টিক। অটো থেকে নেমে কফি হাউসের চৌকাঠের সিঁড়িতে পা রাখতেই একজন ওয়েটার সসম্ভ্রমে এগিয়ে গিয়ে হেসে বললেন, আইয়ে মাথুর সাব! গোয়ালিয়র স্টেশন থেকে বেরিয়েই বড় রাস্তায় এসে একটু পিছনের দিকে হাঁটলে সামনেই ইন্ডিয়ান কফি হাউস। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ের শহরগুলির এটি এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রায় প্রতিটি শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে একটি করে সেই চিরাচরিত কফি বোর্ডের কোঅপারেটিভ পরিচালিত কফি হাউসের শাখা। রায়পুর, বিলাসপুর, ভোপাল, গোয়ালিয়র সর্বত্র। ওয়েটারদের চেহারায় সেই পরিচিত সাদা সাফারির ইউনিফর্ম, মাথায় পাগড়ি। সন্ধ্যা হয়েছে বেশ কিছুটা আগে। গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঠিক সাড়ে ৬টায় ঢুকলেন ডক্টর অবিনাশ মাথুর। মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের খবরাখবর সংগ্রহ করতে আসা। সারাদিনের কাজ সমাপ্ত করে একটু আগেই ঢুকেছিলাম কফি হাউসে। সাধারণত উত্তর ও মধ্য ভারতের কফি হাউসের চরিত্রটি হল, নিয়ম করে কিছু স্থানীয় প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি আড্ডা মারতে আসেন বিকেলের পর। সিমলার লোয়ার মল রোডের কফি হাউসের সেই আড্ডাও সমান জমজমাট। ঠিক যেন বারাণসীর অসি ঘাটের সেই দৈনিক সান্ধ্য পার্লামেন্ট। যেখানে দুনিয়ার সব বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ আর মতামতের আদানপ্রদান। সুতরাং নির্ঘাৎ গোয়ালিয়রের কফি হাউসে ঢুকেও এরকম একটি দুটি দলকে পাওয়া যাবে যাঁদের অবশ্যই এই ভোটের মরশুমের প্রধান আলোচ্য হবে রাজনীতির গতিপ্রকৃতি। সেসব শোনার প্রত্যাশায় বসে ছিলাম কফি হাউসে। ডক্টর মাথুর এসে বসলেন ঠিক সামনের টেবিলে। এখনও ভিড় জমেনি। দেখেই বোঝা গেল ইনি লোকাল মানুষ। এবং ওয়েটারের ওই ‘আইয়ে মাথুর সাব’ মানেই হল নিয়মিত আসছেন। ধুসর রঙের ব্লেজার। কালো ট্রাউজার্স। যত্নে ছাঁটা ধবধবে সাদা গোঁফ। মাথায় নিউজবয় ক্যাপ। কিছু বলতে হল না। একটা ব্ল্যাক কফি এনে ওয়েটার রাখলেন টেবলে। সিন্ধিয়া সাম্রাজ্যে রাজারানির উপকথার শহরে ডক্টর অবিনাশ মাথুর নিঃশব্দে কফি খাচ্ছিলেন। একজন সত্যি রূপকথা। পাশের টেবিলে একঝাঁক যুবকের অনর্গল কংগ্রেস বনাম বিজেপির চর্চা তাঁর মনঃসংযোগে সামান্যতম চিড় ধরাতে পারছিল না। পকেট থেকে একটা নোটবুক বের করে নোট করছিলেন কিছু। যাক। প্রবীণ মানুষ। এঁর কাছে একটু ভোটের হাল হকিকৎ শোনা যাক। আগ বাড়িয়ে আলাপের এটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু সেসব গৌণ হয়ে গেল। কারণ ডক্টর মাথুর দিলেন এক বিস্ময়কর মানসিকতার সন্ধান। গম আমদানি করা ছাড়া কী আর ভারতের কোনও ভবিষ্যৎ নেই? আমরা নিজেরা স্বয়ম্ভর হতে পারি না? ষাটের দশকে ভারত সরকারের কৃষিমন্ত্রী দিল্লির কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ডিরেক্টর বি পি পালের কাছে প্রস্তাব পাঠালেন কিছু একটা করতে। তার অনেক আগেই অবশ্য একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ভারত নিজের মতো করে কয়েকটি গমের ভ্যারাইটি উৎপাদন করেছে। কিন্তু সেগুলি অধিক ফলনশীল ছিল না। ছিল না পোকামাকড় থেকে সুরক্ষিত। তাই দরকার এমন ভ্যারাইটি যা কীটপতঙ্গ থেকে সুরক্ষিত ও অধিক ফলনশীল। ডক্টর পাল বললেন, কেন পারব না। আমরাই করব। গঠিত হল বিজ্ঞানীদের টিম। দীর্ঘ পরিশ্রমের পর অনেক প্রতিবন্ধকতা সহ্য করে তৈরি হয়েছিল নতুন এক ভ্যারাইটি। সরবতি। অন্যান্য গমের পাশাপাশি এটির সাফল্য আন্তর্জাতিক মহলেও পৌঁছে যায়। এভাবেই ভারতের বিদেশের উপর গম নির্ভরতা কমে যায়। যার নাম সবুজ বিপ্লব। সবেমাত্র পাশ করা এক বিজ্ঞানী ঝকঝকে যুবক অবিনাশ মাথুর ছিলেন সেই টিমে। এটা আর এমন কী কাহিনী? উল্লেখযোগ্য কেন? এটা আসল গল্প নয়। অবিনাশ মাথুর রাষ্ট্রসংঘের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কৃষি গবেষণায় চলে গেলেন আমেরিকা। ঠিক তখনই সৌদি আরব বায়না করল তাদের দেশে মুসম্বি চাষের ব্যবস্থা করতে হবে। এও কী সম্ভব? সকলে বিস্মিত। মরুভূমিতে মুসম্বি গাছ? মুসম্বি হয় মাটিতে। সেটি হল এক জীবন্ত পদার্থ। আর আরবে তো বালি। সেটি আসলে মৃত বস্তু। এদিকে মহাসচিব তো রাজি হয়ে গিয়ে সৌদি আরবকে হ্যাঁ বলে দিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের মাথায় হাত। এবং টার্গেট কত দেওয়া হল? এক লক্ষ মুসম্বি গাছ উৎপাদন করতে হবে। দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। এবং বছর ঘুরে গেল। রাষ্ট্রসংঘের সেই বিজ্ঞানীদের টিম অসম্ভবকে সম্ভব করেছিল। দেড় বছর পর এক লক্ষ মুসম্বি গাছ রোপন করা গিয়েছিল আরবের বালিতে। আর তার দেড় বছর পর টার্গেট ছিল ৫ লক্ষ গাছ। ডক্টর অবিনাশ মাথুররা সেই চ্যালেঞ্জও গ্রহণ করে সফল হলেন। কেমন সেই সাফল্য? এরপর সেই সৌদি আরব শুধু যে মরুভূমিতে মুসম্বি গাছের স্বপ্ন পূরণেই সন্তুষ্ট রইল তাই নয়। সৌদি আরব হয়ে উঠল মুসম্বির রপ্তানিদাতাও। গোয়ালিয়রের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর অবিনাথ মাথুর বলছিলেন আমাদের সেই টিম ছিল এক রূপকথার টিম। আজও রাষ্ট্রসংঘে ছবি আছে আমাদের। ভোটে কী হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন না মাথুর সাহেব। ওসবে তাঁর অভিরুচিই নেই। কেন? আপনি তো অবসরপ্রাপ্ত। এখন তো অগাধ সময়? মাথুর সাহেব হাসলেন। অবসর? অগাধ সময়? এসব বাজে পলিটিক্স নিয়ে সময় নষ্ট করার জন্য? কত কাজ বাকি জানেন? কী কাজ? আমাকে স্তব্ধ করে ৮৫ বছরের ডক্টর মাথুর বললেন, আমি ঠিক করেছি এবার রাজস্থানে ঠিক ওই সৌদি আরবের মতোই মুসম্বির চাষ করাবো। আমাদের সেই পুরনো টিমের মধ্যে আর একজন আছেন। ইন্দোরে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি রাজি। তাঁর বয়স ৮৬। রাজস্থানে গিয়ে সরকারের হাতে প্ল্যান তুলে দেব। তবে তার আগে নিজেরা চেষ্টা করব। যদি সফল হই তাহলেই সরকারকে প্রস্তাব দেব। এই বয়সে? নতুন করে? পারবেন? মাথুর সাহেব পারবেন। কারণ এখনও তো তিনি বসে নেই। কী করছেন? মধ্যপ্রদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল বারওয়ানির ভিল আদিবাসীদের গ্রামে গিয়ে মাসে একদিন করে চাষ শিখিয়ে আসেন। ভিল আদিবাসীরা ডক্টর সাবের কাছে শিখছে কাস্টার্ড আপেল, বেদানার চাষ করতে। দু কাপ কফি শেষ। ডক্টর মাথুর উঠে দাঁড়ালেন। রাত সাড়ে ৯টায় ঘুমিয়ে পড়বেন। না। টিভি দেখেন না। মোবাইল নেই। কাগজ পড়েন না। অনেক কাজ বাকি আছে ডক্টর মাথুরের। পলিটিক্স আপনি পছন্দ করেন না কেন? ডক্টর মাথুর বললেন, পলিটিক্স আর সোসাইটি এখন খুব অভদ্র হয়ে গিয়েছে। সেই ডিসেন্সিটা আর পাই না। তাই....।
নারায়ণপুরই শেষ সীমানা। এরপর ওই যে কাঁচা রাস্তাটা গিয়েছে দুদিকের জঙ্গলের আভাস দিয়ে সেটাই বলা যায় গেটওয়ে। ওইদিকে অবুঝমাড়। চারদিকে পাহাড়। দুদিকে ঘিরেছে ইন্দ্রাবতী নদী। আর অরণ্য। সাড়ে ৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। ২৩৩টি গ্রাম। ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত। সম্পূর্ণ মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল। তাই অগম্য। সভ্য আধুনিক ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ। মারিয়া সম্প্রদায়ের প্রাচীন আদিবাসী। কতটা অগম্য? বস্তারের ভোট কভার করতে গিয়েছিলাম। নারায়ণপুরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে ব্লক অধিকারিক অফিসে কর্মরত ওমপ্রকাশ সুর্মা বলছিলেন, মাসে দুদিন এই মানুষগুলো রেশনের চালগমচিনি নিতে আসেন কতটা পথ পেরিয়ে জানেন? কতটা? ৭০ কিলোমিটার। গোমাগাল, গুড়াদি, ঝাড়ওয়াহি, বটের, হারবাল ইত্যাদি গ্রাম থেকে স্রেফ রেশন নিতে আসতে এবং ফিরতে স্রেফ হাঁটতে হবে ১৫০ কিলোমিটার। অন্তত চারদিন সময় লাগে। ব্লক সদর অফিস ওরছায় রেশন দোকান। কারণ মাওবাদীদের ভয়ে রেশন দোকান অবুঝমাড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এ পর্যন্ত না হয় বোঝা গেল যে দুর্গম গ্রামাঞ্চল থেকে ৭০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে ভারতের প্রাচীনতম আদিবাসী সমাজ রেশন নিতে আসছে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। কিন্তু তার মানে তো তাদের কাছে কোনও উন্নয়ন পৌঁছয়নি? কোনও আধুনিক পরিকাঠামো ব্যবস্থাই ঩নেই? বস্তারের হেডকোয়ার্টার জগদলপুরের শহিদ গদাধর এগ্রিকালচার কলেজ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ডিন ডক্টর শিশিরচন্দ্র মুখার্জি বলেছিলেন, অবুঝমাড়ের আদিবাসীদের উৎপাদিত ফসল ভারতের মধ্যে সেরা অরগানিক ফার্মিং! কল্পনা করা যায়? লাঙল নয়, ট্রাক্টর নয়। হাত দিয়ে মাটি খুঁড়ে অবুঝমাড়িয়া আদিবাসীরা সারা বছর ধরে জমিয়ে রাখা বীজ ছড়িয়ে দেয়। তারা জানে কোন গাছের পাতা আর রস মিক্সড করলে বিশুদ্ধ কীটনাশকের মতো কাজ করবে। সেই মিক্সচার ছড়ায় ক্ষেতে। ১৫০০ বর্গ মা‌ইল জুড়ে অবুঝমাড়িয়ারা ধান উৎপাদন করে। প্রতি বছর ২ হাজার কুইন্টাল এই ধান তারা নিয়ে আসে ওরছা ব্লকের সরকারি সংগ্রহ কেন্দ্রে। প্রতি মাসেই তারা রেশন তুলতে এলে বারংবার বলা হয় সরকারি রাসায়নিক কীটনাশক নিতে। সার নিতে। যাতে ফসল বেশি উৎপন্ন হয়। কিছুতেই রাজি হয় না তারা। বলছিলেন মহাদেব সিং। নারায়ণপুরের বীজ বিক্রেতা। এই ধান পাঠানো হয় নারায়ণপুর আর কোন্ডাগাঁওয়ের রাইস মিলে। কিন্তু রাইস মিল মালিকরা সেই চাল বাইরে বিক্রি করে না। কারণ এই চাল অমূল্য। কোনও বিষ নেই। তাই তারা এবং স্থানীয় সরকারি অফিসবাবুরা নিজেদের বাড়ির জন্য নিয়ে যায় সেইসব চাল। অথচ অরগানিক ধানের বহুমূল্য দাম পায় না অবুঝমাড়িয়ারা। নিজেদের গ্রামে মাটি আর বাঁশ দিয়ে অবুঝমাড় নিজেরাই বাঁধ নির্মাণ করেছে। তৈরি করেছে ব্রিজ। ভেঙে পড়া গাছ দিয়ে। ইসরোর স্যাটেলাইট ম্যাপিং থেকে দেখা গিয়েছে একটি বর্ষা হয়ে গেলেও এই ব্রিজ, এই বাঁধ কিন্তু অটুট। কীভাবে সম্ভব? যেখানে সরকারি বাঁধ, রাস্তা, সেতু বছর বছর ভেঙে যায়! অবুঝমাড়িয়াদের বলা হয় কৃষি লোন নিতে। একজনও আজ পর্যন্ত লোন নেয়নি। কারণ কী? কারণ তারা বলেছে যদি শোধ করতে না পারে? অবুঝমাড় জানে না প্রধানমন্ত্রীর নাম। জানে না মুখ্যমন্ত্রীর নাম। কে সরকারে? জানে না। কিন্তু এহেন অবুঝমাড় থেকে তৈরি হয়েছে সত্যি রূপকথা। রামকৃষ্ণ মিশন কিছু আদিবাসী বাচ্চাকে নিয়ে আসে নারায়ণপুরে। সেই মিশনের ছাত্র লক্ষণ পোটা‌ই ঩দিল্লির হিন্দু কলেজ থেকে ফিজিক্সে ৮০ শতাংশ নিয়ে পাশ করে আজ ব্যাঙ্ক ম্যানেজার। আই এ এসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লখনই এর নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা গঙ্গা পোটাই।
দীপমালা...এই দীপমালা, দান্তেওয়াড়া থেকে জগদলপুর যাওয়ার বাসে চিৎকার। বস্তানর এসে গেছে! দীপমালা ঘুমচ্ছে। সপ্তাহে একবারই হাট বসে এই সুকমা আর দান্তেওয়াড়া যাওয়ার মাঝপথের জনপদে। তবে কেশকালে নেমে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতে হবে। দুদিকে মহুয়া, অর্জুন, তেণ্ডুগাছের জঙ্গল। আর উল্টোদিকে বিস্তীর্ণ টাঁড়। সেসব পেরিয়ে দারভা ব্লকের বিশপুর গ্রামের গোন্দ আদিবাসী মেয়ে দীপমালা সপ্তাহে দুবার যায় জগদলপুরে। গ্রামের মেয়েদের সে সেলাই শেখাতে চাইছে। গ্রামের কারও নিজের জমি বেশি নেই। পুরুষরা সারা বছর কাজ পায় না। এমনকী তিন মাস ১০০ দিনের কাজ করে ৮ মাস পর পেমেন্ট আসে ব্যাঙ্কে। কেউ একজন দীপমালাকে বলেছে জগদলপুরের কাপড়ের মার্কেট থেকে কাপড় নিয়ে গিয়ে ছোট ছোট জামাকাপড় তৈরি করে সাপ্লাই দেওয়া গেলে রোজগার হবে। গোন্দ আদিবাসীদের কেউ কোনও এরকম শহুরে সেলাই জানে না। কিন্তু জানে না বললে তো হবে না। শিখবে না কেন? তাই গ্রামের মেয়ে দীপমালা উদ্যোগ নিয়েছে। সে সপ্তাহে দুদিন সকালে এসে সেলাইয়ের ট্রেনিং নেয়। আর বিকেলে কিছু কাপড় নিয়ে গিয়ে গ্রামের মেয়েদের দিয়ে সেলাই করায়। দীপমালার একটাই স্বপ্ন। একদিন বিশপুর গ্রাম থেকে অনেক কাপড় যাবে জগদলপুর বাজারে। ওই যে সারাদিনের পরিশ্রমের পর বাসে ঘুমিয়ে পড়া দীপমালা নেমে যাচ্ছে কেশকাল স্টপে। সঙ্গে স্বপ্নটা।
ছত্তিশগড় আর মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা ভোট কভার করতে গিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এসব খণ্ডদৃশ্যগুলির অভিজ্ঞতা আসলে লজ্জা দিয়েছিল। সংকুচিত হয়ে গেলাম যে আমরা প্রত্যহ কী করছি? শহরের আলোকোজ্জ্বল আবহ থেকে অনেক দূরের এই মানুষগুলির এই বিস্ময়কর মানসিক জোরের ছিটেফোঁটাও তো নেই আমাদের। আমাদের দিন শুরু হয় মোবাইলের ডেটা অন করে। দিন শেষ হয় মোবাইলের ডেটা অফফ করে। দীপমালা, ডক্টর অবিনাশ মাথুররা রোজ একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নের দিকে। আমরা এগই না। পিছোই না। থমকে থাকি। আমাদের স্বপ্নও নেই। এগিয়ে যাওয়াও নেই। আছে শুধু অন্তহীন ইস্যুতে নিমজ্জিত থাকা।
দীপিকা রণবীরের বিবাহই হোক কিংবা শোভন চট্টোপাধ্যায়!
23rd  November, 2018
কংগ্রেসের জয়ে বড় ভূমিকা কৃষক আন্দোলনের 
শুভময় মৈত্র

হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যেই বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করল কংগ্রেস। তবে তাদের দলটা তো বিজেপির মত নিয়মানুবর্তী এবং সংগঠনভিত্তিক নয়। কংগ্রেসকে ভোটে জেতায় তাদের কর্মী এবং জনগণ আর নেতা নির্বাচনের জন্যে সবাই তাকিয়ে থাকে গান্ধী পরিবারের দিকে।  বিশদ

মোদির ভাবমূর্তির পতনই বিজেপির মূল ক্ষতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল বিজেপি’র বিপক্ষে ৫-০ হওয়া ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ জনমানসে মোদির ভাবমূর্তির পতন ঘটা। কোনও একটি বা একাধিক রাজ্যের সরকার পরিবর্তন যতটা না শাসক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, তার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শাসক দলের নেতৃত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ভাবনার উৎপত্তি।
বিশদ

14th  December, 2018
পাক সন্ত্রাসবাদের পাল্টা
জবাবে ভারতের জলযুদ্ধ!
মৃণালকান্তি দাস

সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানকে বিঁধতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে নতুন শব্দবন্ধ ব্যবহার করা শুরু করেছে ভারত। কখনও বলছে ‘টেররিস্তান’, কখনও ‘বিশেষ সন্ত্রাসবাদী অঞ্চল’! তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক! সেই তথ্যই জানাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরে শেষ আট বছরে সব থেকে বেশি সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই বছরেই।
বিশদ

13th  December, 2018
রথধ্বনি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

‘এই-সকল টানিয়া বুনিয়া বর্ণনা আমাদের কর্ণে অসম-ভূমি-পথে বাধা-প্রাপ্ত রথচক্রের ঘর্ঘর শব্দের ন্যায় কর্কশ লাগে।’ —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমাদের দেশের রাজনীতি এখন শতরঙ্গে ভরা। দেশের কেন্দ্রে অধিকাংশের ভোটে একটি কুনির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসন হঠাৎই রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রধান এবং দলমুখ্যকে মাঝে-মাঝেই মাথায় পাগড়ি এবং হাতে তরবারি নিয়ে ছবি তুলতে দেখছি।
বিশদ

11th  December, 2018
Loading...
ভোটের পর সংসদীয় মূল‌্যবোধ কি অক্ষত থাকবে?  

পি চিদম্বরম: আপনি এই লেখাটি পড়ছেন পাঁচ রাজ‌্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার (৭ ডিসেম্বর) তিনদিন বাদে এবং গণনার (১১ ডিসেম্বর) ঠিক আগের দিন। সুতরাং অত সতর্ক না-থাকলেও আমার চলে।   বিশদ

10th  December, 2018
হাঁক পাড়লেই হবে? মমতার সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে এমন মুখ কোথায়?
শুভা দত্ত

এবারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি কটা আসন পাবে? পেতে পারে? এই মুহূর্তে বোধহয় স্বয়ং ভগবানও বলতে পারবেন না। জ্যোতিষীরা হয়তো তিথি নক্ষত্র ইত্যাদি গুনেগেঁথে কিছু একটা বলে দিতে পারেন, তবে সেটাই শেষপর্যন্ত মিলে যাবে এমন স্থির সিদ্ধান্ত একমাত্র আহাম্মক ছাড়া কেউ করবেন না। কারণ, ভোট এখনও অনেকটা দূরে।
বিশদ

09th  December, 2018
Loading...
ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থান ভোটের ফল?

আমরা সবাই এখন ভোটফলের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হল রাজস্থান বিধানসভার ভোট। গত বিধানসভায় ২০১৩ সালে এই তারিখ ছিল ১ ডিসেম্বর, রবিবার। সেদিন পরিবার নিয়ে জয়পুরে থাকার সুযোগ হয়েছিল। কাজের সূত্রে যে বন্ধুরা জয়পুরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হচ্ছিল যাওয়ার আগে।
বিশদ

08th  December, 2018
ওয়াটার মার্কেট
সমৃদ্ধ দত্ত

বিহারের গয়া জেলার কাপাসিয়া ব্লকের গুলাড়িয়া চক গ্রামের গনৌরি কুমার আর মুসাফির মাঝি পার্লামেন্ট স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে এক পুলিস কর্মীকে বললেন, তোমাদের এখানে যমুনা নদীটা দেখতে যাব কীভাবে? কেন? না, মানে, কেমন জল আছে একবার দেখতাম! আবার কবে আসা হবে তা তো জানি না। এরপর যখন আসব যদি শুকিয়ে যায়! পুলিস কর্মী হাসলেন।
বিশদ

07th  December, 2018
লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। বিশদ

06th  December, 2018
পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি।
বিশদ

04th  December, 2018
ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন।
বিশদ

03rd  December, 2018
মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে।
বিশদ

02nd  December, 2018
Loading...
একনজরে
 হায়দরাবাদ, ১৪ ডিসেম্বর: হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রনজি ট্রফির ম্যাচে বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে ৩৮ ওভারে ২ উইকেটে ৯৯ রান তুলেছে বাংলা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৫৭ ও অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ৬ রানে ক্রিজে আছেন। আউট ফিল্ড ভিজে থাকায় এদিন খেলা শুরু হয় নির্ধারিত ...

বিএনএ, কোচবিহার: ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন সহ নানা পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। আগামী সপ্তাহ থেকেই এই কাজ শুরু হয়ে যাবে।  ...

বিএনএন, বর্ধমান: অবশেষে পূর্তদপ্তরের বর্ধমানের কর্তাদের ‘শীতঘুম’ ভেঙেছে। জিটি রোড সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকার পর গত মঙ্গলবার থেকে রাস্তা সংস্কারের কাজ ফের শুরু হওয়ায় বর্ধমানের মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।   ...

 জম্মু, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে গাড়ি পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরে মৃত্যু হল সাতজনের। মৃতদের মধ্যে তিনজনই শিশু। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রেয়াসি জেলার তামসগালি এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, বিয়ে বাড়ির অনষ্ঠান সেরে ফেরার পথে তামসগালির পাহাড়ি পথে গাড়ির চালক ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা, বাহন ক্রয়ের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৯ টাকা ৯২.৩৩ টাকা
ইউরো ৮০.০৪ টাকা ৮৩.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৯৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,২৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী ৫৯/৫৯ শেষ রাত্রি ঘ ৬/১৩। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ৪৭/৩৩ রাত্রি ঘ ১/১৪, সূ উ ৬/১২/৪৫, অ ৪/৫০/২৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/১১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, অষ্টমী রাত্রি ২/৫/২৫। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র রাত্রি ১০/১২/৪২। সূ উ ৬/১৩/১৬, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৫/৪০ মধ্যে ও ঘ ৭/৩৮/৪ থেকে ঘ ৯/৪৫/১৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৫২/২৭ থেকে ২/৪২/২ মধ্যে ও ৩/২৪/২৬ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫১/৩৯ থেকে ঘ ২/৩৮/৫১ মধ্যে। বারবেলা ১২/৫০/৪৪ থেকে ২/১০/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩২/৪৬ মধ্যে ও ঘ ৩/২৯/৪৪ থেকে ৪/৪৯/১৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/৪৩ মধ্যে ও ঘ ৪/৩৩/২৯ থেকে ঘ ৬/১৩/৫৯ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপির রথযাত্রার অনুমতি দিল না রাজ্য 
সাম্প্রদায়িক অশান্তির আশঙ্কায় রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রার আবেদন বাতিল করে দিল ...বিশদ

09:17:00 PM

কাল ম্যারাথনের জন্য হাওড়া স্টেশন ও বিমানবন্দরে যেতে বিকল্প রুট পুলিসের 
টাটা স্টিল কলকাতা ম্যারাথনের জন্য শনিবার রাত ১০টা থেকেই ময়দানের ...বিশদ

07:31:32 PM

জয়নগরে শ্যুটআউটের ঘটনায় ধৃত আরও ১ 

03:59:57 PM

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি এখন কলকাতায়
ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে কলকাতায় পৌঁছাল আসন্ন ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফিটি।আর মাত্র ...বিশদ

03:42:35 PM

এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণা, আটক ২
এটিএমের পিন হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আসানসোলে থেকে ২ জনকে আটক ...বিশদ

03:39:00 PM

আসানসোলে আট ফুটের ময়াল উদ্ধার
আসানসোল উওর থানার পাচগাছিয়া মনোহর বহাল এলাকা থেকে আট ফুটের ...বিশদ

03:36:00 PM

Loading...
Loading...