বিশেষ নিবন্ধ
 

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। মালিকপক্ষ একবার আনন্দ ভার্মাকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর শ্রমিক আন্দোলনকে সমাপ্ত করে দিতে বাধ্য করে। প্রকৃত সত্য না জেনেই তাঁর অতি প্রিয় শ্রমিকভাইয়েরা আনন্দ ভার্মাকে ঘুষখোর আখ্যা দেয়। এবং মারধর, লাঞ্ছনাও করে। অপমানিত আনন্দ ঘরসংসার ছেড়ে নিরুদ্দেশে চলে গেলেন। কলঙ্কের দাগ রয়ে গেল তাঁর পরিবারের মাথায়। বিশেষ করে আক্ষরিক একটি দাগ আজীবন লেপ্টে রইল তাঁর বড় পুত্র বিজয় ভার্মার বাম হাতে। সেখানে ক্ষিপ্ত শ্রমিকবাহিনী উল্কি দিয়ে লিপিবদ্ধ করে দেয় এক কলঙ্কবাক্য—মেরা বাপ চোর হ্যায়...। এ কাহিনী সকলের জানা। বিজয় ভার্মার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে তাঁর পরিবারকে ওই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করবে। এবং পিতার অপমানকারীদের পাল্টা জবাব দেবে। এরপর কাহিনীর গতিপথ যেভাবে এগোয় তা অবশ্যই হিন্দি সিনেমার ওভারড্রামাটিক চিত্রনাট্যের পথ ধরে। কিন্তু ওই পিতার কলঙ্কের অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবল জেদ এই ছবির ধ্রুবপদ ছিল। যশ চোপরার দীওয়ার।
দীননাথ চৌহান গ্রামের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই। তিনি বহিরাগত এক মাফিয়া লিডারকে গ্রামে হেরোইনের কেন্দ্রস্থল ও সাপ্লাইলাইন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণে বাধা দিলেন। তাঁর সবথেকে অমূল্য সম্পদটিতেই আঘাত করা হল। তাঁর সম্মান। পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির পর তাঁকে এতটাই ঘৃণ্য চরিত্রে পরিণত করা হল যে প্রিয় গ্রামবাসীই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। এসব দৃশ্য চাক্ষুষ করে তখনই শপথ নিয়েছিল তাঁর পুত্র বিজয় চৌহান। এবং পরবর্তীকালে ভিলেনকে হারিয়ে এই গ্রামকে আবার স্ববশে নিয়ে এসে বিজয় চৌহান হৃত সম্মান অর্পণ করবেন মায়ের সামনে। এই ছিল ‘অগ্নিপথ’। মুকুল এস আনন্দের। সুতরাং এ ছবিরও একটাই থিম। বাবার অসম্মানের প্রতিশোধ গ্রহণ।
বয়স অনেক কম হলেও একটা সময় পর্যন্ত দিল্লির মহাদেব রোডে ফিল্মস ডিভিশনের অডিটোরিয়ামে তাঁর বাবার বন্ধু এবং মায়ের পাতানো ভাই অমিতাভ বচ্চনের এসব সিনেমা দেখতে যেতেন রাহুল গান্ধী। বোন প্রিয়াংকাকে নিয়ে। আংকল বলাই সঠিক ছিল। যেহেতু বাবার ছেলেবেলার বন্ধু। কিন্তু ১৯৬৮ সালে সদ্য ইতালি থেকে অচেনা দেশে আসা সোনিয়া গান্ধীকে বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে তিনমাস রেখে অমিতাভ বচ্চনের মা তেজি বচ্চন হিন্দি ভাষা এবং ভারতীয়ত্ব শিখিয়েছিলেন। এবং রাজীবের সঙ্গে বিবাহের সময় কন্যা সম্প্রদানও করেন হরিবংশ রাই বচ্চন। তাই রাহুল প্রিয়াংকার কাছে অমিতাভ বচ্চন মামা। তাঁকে সম্বোধন করা হয় মামন নামে। রাহুল গান্ধীর অন্তরে কি কোনওভাবে তাঁর সেই প্রিয় মামনের সিনেমার চরিত্রগুলি ছাপ ফেলে গিয়েছে? কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশলটি অবলোকন করে মনে হতেই পারে তিনি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগচ্ছেন। পিতার কলঙ্কের পাল্টা একটা প্রতিশোধ নেওয়া। এতদিন এই সুযোগ আসেনি। অবশেষে মোদি সরকারের শেষতম বছরে আকস্মিক একটি অস্ত্র হাতে পেয়েছেন রাহুল। আর তাই রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড়। মধ্যপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় তিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে এক ও একমাত্র পাশুপত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন সেই ইস্যু। রাফাল যুদ্ধবিমান। তাঁর প্রচারের ভরকেন্দ্র হল এই যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের ডাসল্ট সংস্থা থেকে কেনা হয়েছে যে চুক্তিতে তার সঙ্গে মিশে রয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম। যে অনিল আম্বানির সংস্থার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই যুদ্ধবিমান কিংবা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের, তাকে কেন করা হল এই ডিলের অফসেট পার্টনার। এবং তিনি আর কাউকে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক বেশি দামে রাফাল কেনা হচ্ছে? লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৯৮৭ সালে অবিকল এই ধাঁচেই বিজেপি এবং অন্য কংগ্রেস বিরোধী দলগুলি বোফর্স দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল। ঠিক এভাবেই যাবতীয় আক্রমণের প্রধান নিশানা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কী ছিল সেই বোফর্স মামলা?
সুইডিশ সংস্থা বোফর্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্টিন আর্দবোর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে দেখা গেল একটি বিশেষ নামের ব্যক্তিকে বোফর্স হাউইৎজার কামান ক্রয়ের ডিলে কমিশন দেওয়া হয়েছে। সেই নামটি হল মিস্টার Q। সুইডিশ রেডিও প্রথম প্রচার করল সেই মিস্টার কিউ হলেন ইতালিয়ান ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্ন্যামপ্রোগেতির ইন্ডিয়ান হেড ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি। শীঘ্রই আরও জানা গেল ভারতীয় সেনা যে টেণ্ডার ইস্যু করেছিল, সেখানে প্রাথমিকভাবে যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, তার এক নম্বর নামটি ছিল ফ্রান্সের সংস্থা সফমা। কিন্তু সফমাকে সরিয়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বোফর্সকে। প্রশ্ন উঠল, কেন? ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে একের পর এক তথ্য। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তদন্ত রিপোর্টে বলা হল বোফর্সের এজেন্ট এ ই সার্ভিস কাত্রোচ্চির অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ডিপোজিট করেছে। কিন্তু সেটি আংশিক। ২০০৩ সালে ইন্টারপোল জানতে পারল, বি এস আই ব্যাঙ্ক এজিতে কাত্রোচ্চির নামে জমা হয়েছিল প্রথমে ১৬ কোটি টাকা এবং পরে আরও ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। সিবিআই সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার চেষ্টা করল। পাল্টা কাত্রোচ্চি সেই অ্যাকাউন্টগুলি ডিফ্রিজ করার প্রবল প্রভাব খাটানো শুরু করলেন। চলল আইনি লড়াই। যদিও এসবের অনেক আগে যখন অফিসিয়ালি কাত্রোচ্চির নাম বোফর্স চুক্তির প্রধান অপারেটর হিসেবে সিবিআই নথিভুক্ত করল এবং সবেমাত্র কাত্রোচ্চিকে আটক করার সব প্ল্যান রেডি, তখনই ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসের এক মধ্যরাতের বিমানে কাত্রোচ্চি ভারত ছেড়ে চিরকালের জন্য পালালেন। ২০০৭ সালে ইন্টারপোলের নোটিস অনুযায়ী কাত্রোচ্চি আচমকা ধরা পড়লেন আর্জেন্টিনায়। কিন্তু সিবিআই তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় এতই দীর্ঘসূত্রিতা দেখিয়েছে যে তিনি অনতিবিলম্বে মুক্তি পেলেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোলকে সিবিআই আবেদন করে কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে রেড কর্ণার নোটিস প্রত্যাহার করা হোক। ২০১১ সালে দিল্লির ট্রায়াল কোর্ট কাত্রোচ্চিকে গোটা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এমনকী সিবিআইকে আদালত বলে, এই মামলায় দেখা যাচ্ছে কমবেশি ৬৪ কোটি টাকার একটা কমিশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত করতে তো সিবিআই ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে? অথচ কোনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ, সক্রিয় পদক্ষেপ কিছুই হয়নি। এ মামলা চালিয়ে লাভ কী? এই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। ২০১৩ সালে ১৩ জুলাই ইতালির মিলানে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি।
গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গেই যুক্ত হয় রাজীব গান্ধীর পরিবারের নাম। এবং সমস্যা হল সিবিআই ১৯৮৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে সক্ষম হয়নি। গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও এভিডেন্স সংবলিত চার্জশিটও তৈরি হল না কেন? এমনকী মাঝখানে দুটি এনডিএ জোটের সরকার এসেছে। রাজীব গান্ধীকে ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে স্রেফ বোফর্স মামলার কলঙ্ক হারিয়ে দিয়েছিল। ঠিক ৩০ বছর পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি চাইছেন রাহুল গান্ধী। এটাই তাঁর কাছে হয়তো মধুর প্রতিশোধ। ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে তাই তিনি মরিয়া হয়েছেন বোফর্স কামানের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানকে নির্বাচনে প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে। ১৯৮৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন রাজীব গান্ধী। এবং মাত্র চার বছরের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বোফর্স মামলার অভিযোগ এসেছিল। ৩০ বছর পর ২০১৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তাঁর সরকারের চতুর্থ বছরে তাঁর সরকারের উপরেও ঠিক ওই বোফর্সের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানের অভিযোগের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক আজীবনের রাজনৈতিক শত্রুরা হাত মিলিয়েছিল। বিজেপির হাতে ছিল সিপিএমের হাত। ৩০ বছর পর রাফাল নিয়ে কংগ্রেসের পাশে আজ সেই সিপিএম। সেদিন লক্ষ্য ছিল রাজীব গান্ধীকে পরাজিত করা। এবার লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত করা। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ ছিলেন কারিগর। এবার সেই মহাজোটের কারিগর কখনও হতে চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতা দলের বিভিন্ন টুকরো, বামপন্থীরা, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা আঞ্চলিক দলগুলি হাত মেলাচ্ছে বিজেপিকে হারাতে।
রাহুল গান্ধী সম্ভবত ইতিহাসের এই হুবহু সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। এবং তিনি রাফালকে বোফর্সের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ৩০ বছর আগে তিনি ছিলেন নিছক ১৯ বছরের এক তরুণ। আজ তিনি মধ্যবয়স স্পর্শ করতে চলা এক যুবক। এবং এতবছর ধরে সম্ভবত এই সময়টির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। কবে হাতে পাবেন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিকল বোফর্স ধাঁচের কোনও এক ব্রহ্মাস্ত্র। রাফালকে তাই রাহুল সামান্যতম ভুলতে দিচ্ছেন না। তিনি হয় রাজ্যে রাজ্যে প্রচারে লাগাতার বলে চলেছেন রাফালের কথা। অথবা এআইসিসি সদর দপ্তরে নিত্যনতুন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে, প্রেস কনফারেন্স করছেন। ১৯৮৭ সালের পর থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল, গলি গলি মে শোর হ্যায়..রাজীব গান্ধী চোর হ্যায়। আজ রাহুল গান্ধী প্রতিটি জনসভা ও সাংবাদিক সম্মেলনে বারংবার বলছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে আমাদের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী চোর।’ রাহুল গান্ধীকে এতটা আগ্রাসী কখনও তো দেখা যায়নি! এরকমভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষ বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করছেন, এই বডি ল্যাংগু঩঩য়েজও নতুন!
হঠাৎ এই পরিবর্তন কীভাবে এল? এই প্রশ্ন আজকাল খুব শোনা যায়। এই একই বিস্ময় রাজনৈতিক মহলেও। ওই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হল, রাহুল ধরেই নিয়েছেন এটাই সুবর্ণ সুযোগ। যে অস্ত্রে তাঁর পিতা এবং পরিবারকে বিগত ৩০ বছর ধরে বিদ্ধ হতে হয়েছে, তিনি যদি একবার সেই একই অস্ত্র হাতে নিয়ে ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে তিনি মনে করছেন সেটাই হবে পুত্র হিসেবে তাঁর সেরা জবাব। আর তখন চিরতরে বোফর্স ইস্যুর অবসান ঘটবে। কারণ সেক্ষেত্রে বোফর্সের পাল্টা রেফারেন্স হিসেবে আসবে রাফাল। এটাই মনেপ্রাণে চাইছেন রাহুল। তাই তিনি এত আগ্রাসী। এবং যে বিজেপি রাহুলকে অপরিণতমনস্ক আখ্যা দিয়ে এসেছে এতকাল, আজ তাঁদের মুখপাত্র ও মন্ত্রীরা দল বেঁধে প্রতিদিন রাহুল গান্ধীর একটি স্টেটমেন্টের পাল্টা বিবৃতি দিতে দিনভর ব্যয় করেন। অর্থাৎ বিজেপি রাহুলকে ইগনোর করতে পারছে না। তাঁরাই রাহুলকে অনেক বেশি গুরুত্ব পাইয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
রাহুল এবং তাঁর দলের নেতারা দিনের পর দিন বার্তা দিচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। আগে জোট ক্ষমতায় আসুক। তারপর স্থির হবে কে প্রধানমন্ত্রী। এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, রাহুলের কাছে পাখির চোখ হল, এক ও একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত হতে দেখা। সেটা তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের থেকেও হয়তো বেশি কাম্য। তিনি জানেন, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহজে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে মেনে নেবেন না। তাঁরা অনেক সিনিয়র। তাই তিনি চাইছেন ওই ইস্যুতে যেন অন্তত জোটে ধাক্কা না লাগে। এককভাবে কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয় বিজেপিকে পরাজিত করা। একের পর এক রা঩জ্যে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের জোট হলেই বিজেপি হেরে যাচ্ছে। সুতরাং যেভাবেই হোক রাহুলের জোট চাই। আর সেজন্য তিনি সম্ভবত প্রাইম মিনিস্টারশিপ স্ট্যাটাস আপাতত স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তুত। ওই যে বললাম, রাজনৈতিক লড়াই নয়, এই প্রথম রাহুল হাতে পেয়েছেন এমন এক ইস্যু যা তাঁর কাছে একটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের রণকেন্দ্র। রাফালের সঙ্গে বোফর্সের কোনও তুলনা হয় কিনা, এই লড়াইয়ে আদৌ তিনি বাকি বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাবেন কিনা, রাফাল চুক্তি সত্যিই কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারছে মোদিকে কিংবা এখনও জাতীয় স্তরে তোলপাড় করা কোনও চর্চায় পরিণত হয়নি কেন রাফাল ডিল..এসব প্রশ্ন কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মোটেই উপস্থিত হচ্ছে না। তিনি যেন একটি একক লড়াইয়ে নেমেছেন। কারণ রাহুলের আচার আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, তাঁর মনে পড়ছে ৩০ বছর আগের প্রতিটি দৃশ্যপট। তিনি চাইছেন, একটি নতুন চিত্রনাট্য সংবলিত রাজনৈতিক এপিসোড উপস্থাপিত হোক ২০১৯ সালে।
যা আসলে ৩০ বছর আগের চিত্রনাট্যেরই রিমেক! সেটি ফ্লপ হবে? নাকি হিট?
09th  November, 2018
বিজেপি’র রথযাত্রা: ভোটের মুখে রাজ্যে অশান্তি ছড়িয়ে লাভ হবে?
শুভা দত্ত

ভোটের দামামা বেজে গেছে। ২০১৯ লোকসভা জয়ের লক্ষ্যে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। দেশের শাসক বিজেপি, বিরোধী কংগ্রেস তো আছেই। তার পাশাপাশি মোদিজির দলের ভাবনা বাড়িয়ে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টও ক্রমশ ক্রমশ দানা বাঁধছে।
বিশদ

আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

17th  November, 2018
ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
Loading...
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
Loading...
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেকের এফই ব্লকে সোয়াইন ফ্লুতে এক মহিলার মৃত্যু হওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। শনিবার বিধাননগর পুরসভার এক প্রতিনিধিদল সচেতনতা বৃদ্ধিতে ওই ব্লকের বিভিন্ন বাড়িতে যায়। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের আধারকার্ডের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দিয়ে বছর তিনেক আগে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করানো হয়। কিন্তু ওই কাজে নিযুক্ত কর্মীদের পারিশ্রমিকের অধিকাংশ টাকা বকেয়া থাকায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ জমছে। ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার জগদ্ধাত্রী পুজোয় মেতে উঠল সালার থানার কাগ্রাম। এবার ওই গ্রামে ২৩টি পুজো হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে ব্যাপক ভিড় জমে। এদিন সকাল থেকে কার্যত ভিড় উপচে পড়ে। সন্ধ্যা নামতেই আলোয় সেজে ওঠে গোটা এলাকা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মহারণের প্রস্তুতির ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও দলই করেনি এখনও। তবে ডিসেম্বরের গোড়া থেকেই কার্যত লোকসভা ভোটের প্রচারে নেমে পড়বে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলি। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। কর্মে দায়িত্ব বৃদ্ধিতে মানসিক চাপ বৃদ্ধি। খেলাধুলায় সাফল্যের স্বীকৃতি। শত্রুর মোকাবিলায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীয় জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৪ টাকা ৭২.৯৫ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৮০.১৫ টাকা ৮৩.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১, ৫৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯, ৯৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৪১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার, দশমী ১৯/৭ দিবা ঘ ১/৩৪। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ২৬/৩০ অপঃ ঘ ৪/৩১, সূ উ ৫/৫৪/৫৩, অ ৪/৪৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার, দশমী ১০/৪০/৪০। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ঘ ২/৪৭/৫৩। সূ উ ৫/৫৫/২৫, অ ৪/৪৭/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/৫৪ থেকে ঘ ৮/৪৯/২০ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৩/১৬ থেকে ঘ ২/৩৭/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৫/১১ থেকে ঘ ৯/১০/১৪ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৭/৪৭ থেকে ১/৩২/৪৯ মধ্যে ও ২/২৫/২১ থেকে ৫/৫৬/১০ মধ্যে। বারবেলা ১০/০/০ থেকে ১১/২১/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২১/৩১ থেকে ঘ ১২/৪৩/৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/০ থেকে ঘ ২/৩৮/২৮ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গোয়ালতোড়ে মাও পোস্টার উদ্ধার 
গোয়ালতোড়ে ফের মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার। আউলিয়া জুনসোল এলাকায় চারটি মাও ...বিশদ

04:40:35 PM

ছত্তিশগড়ের সুকমায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ২ জওয়ান 

04:03:04 PM

ভিয়েতনাম পৌঁছালেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ 

02:21:00 PM

ঘুষুড়িতে প্ল্যাস্টিকের কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন 

01:56:25 PM

ঝাড়গ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর সভা চলাকালীন দলীয় কর্মীদের ক্ষোভপ্রকাশ 
ঝাড়গ্রামে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সভা চলাকালীন সভাস্থলে ক্ষোভে ফেটে ...বিশদ

01:52:00 PM

উত্তরাখণ্ডের দামতায় খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস 
উত্তরাখণ্ডের দামতায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে ...বিশদ

01:47:02 PM

Loading...
Loading...