Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। মালিকপক্ষ একবার আনন্দ ভার্মাকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর শ্রমিক আন্দোলনকে সমাপ্ত করে দিতে বাধ্য করে। প্রকৃত সত্য না জেনেই তাঁর অতি প্রিয় শ্রমিকভাইয়েরা আনন্দ ভার্মাকে ঘুষখোর আখ্যা দেয়। এবং মারধর, লাঞ্ছনাও করে। অপমানিত আনন্দ ঘরসংসার ছেড়ে নিরুদ্দেশে চলে গেলেন। কলঙ্কের দাগ রয়ে গেল তাঁর পরিবারের মাথায়। বিশেষ করে আক্ষরিক একটি দাগ আজীবন লেপ্টে রইল তাঁর বড় পুত্র বিজয় ভার্মার বাম হাতে। সেখানে ক্ষিপ্ত শ্রমিকবাহিনী উল্কি দিয়ে লিপিবদ্ধ করে দেয় এক কলঙ্কবাক্য—মেরা বাপ চোর হ্যায়...। এ কাহিনী সকলের জানা। বিজয় ভার্মার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে তাঁর পরিবারকে ওই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করবে। এবং পিতার অপমানকারীদের পাল্টা জবাব দেবে। এরপর কাহিনীর গতিপথ যেভাবে এগোয় তা অবশ্যই হিন্দি সিনেমার ওভারড্রামাটিক চিত্রনাট্যের পথ ধরে। কিন্তু ওই পিতার কলঙ্কের অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবল জেদ এই ছবির ধ্রুবপদ ছিল। যশ চোপরার দীওয়ার।
দীননাথ চৌহান গ্রামের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই। তিনি বহিরাগত এক মাফিয়া লিডারকে গ্রামে হেরোইনের কেন্দ্রস্থল ও সাপ্লাইলাইন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণে বাধা দিলেন। তাঁর সবথেকে অমূল্য সম্পদটিতেই আঘাত করা হল। তাঁর সম্মান। পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির পর তাঁকে এতটাই ঘৃণ্য চরিত্রে পরিণত করা হল যে প্রিয় গ্রামবাসীই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। এসব দৃশ্য চাক্ষুষ করে তখনই শপথ নিয়েছিল তাঁর পুত্র বিজয় চৌহান। এবং পরবর্তীকালে ভিলেনকে হারিয়ে এই গ্রামকে আবার স্ববশে নিয়ে এসে বিজয় চৌহান হৃত সম্মান অর্পণ করবেন মায়ের সামনে। এই ছিল ‘অগ্নিপথ’। মুকুল এস আনন্দের। সুতরাং এ ছবিরও একটাই থিম। বাবার অসম্মানের প্রতিশোধ গ্রহণ।
বয়স অনেক কম হলেও একটা সময় পর্যন্ত দিল্লির মহাদেব রোডে ফিল্মস ডিভিশনের অডিটোরিয়ামে তাঁর বাবার বন্ধু এবং মায়ের পাতানো ভাই অমিতাভ বচ্চনের এসব সিনেমা দেখতে যেতেন রাহুল গান্ধী। বোন প্রিয়াংকাকে নিয়ে। আংকল বলাই সঠিক ছিল। যেহেতু বাবার ছেলেবেলার বন্ধু। কিন্তু ১৯৬৮ সালে সদ্য ইতালি থেকে অচেনা দেশে আসা সোনিয়া গান্ধীকে বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে তিনমাস রেখে অমিতাভ বচ্চনের মা তেজি বচ্চন হিন্দি ভাষা এবং ভারতীয়ত্ব শিখিয়েছিলেন। এবং রাজীবের সঙ্গে বিবাহের সময় কন্যা সম্প্রদানও করেন হরিবংশ রাই বচ্চন। তাই রাহুল প্রিয়াংকার কাছে অমিতাভ বচ্চন মামা। তাঁকে সম্বোধন করা হয় মামন নামে। রাহুল গান্ধীর অন্তরে কি কোনওভাবে তাঁর সেই প্রিয় মামনের সিনেমার চরিত্রগুলি ছাপ ফেলে গিয়েছে? কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশলটি অবলোকন করে মনে হতেই পারে তিনি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগচ্ছেন। পিতার কলঙ্কের পাল্টা একটা প্রতিশোধ নেওয়া। এতদিন এই সুযোগ আসেনি। অবশেষে মোদি সরকারের শেষতম বছরে আকস্মিক একটি অস্ত্র হাতে পেয়েছেন রাহুল। আর তাই রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড়। মধ্যপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় তিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে এক ও একমাত্র পাশুপত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন সেই ইস্যু। রাফাল যুদ্ধবিমান। তাঁর প্রচারের ভরকেন্দ্র হল এই যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের ডাসল্ট সংস্থা থেকে কেনা হয়েছে যে চুক্তিতে তার সঙ্গে মিশে রয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম। যে অনিল আম্বানির সংস্থার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই যুদ্ধবিমান কিংবা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের, তাকে কেন করা হল এই ডিলের অফসেট পার্টনার। এবং তিনি আর কাউকে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক বেশি দামে রাফাল কেনা হচ্ছে? লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৯৮৭ সালে অবিকল এই ধাঁচেই বিজেপি এবং অন্য কংগ্রেস বিরোধী দলগুলি বোফর্স দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল। ঠিক এভাবেই যাবতীয় আক্রমণের প্রধান নিশানা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কী ছিল সেই বোফর্স মামলা?
সুইডিশ সংস্থা বোফর্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্টিন আর্দবোর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে দেখা গেল একটি বিশেষ নামের ব্যক্তিকে বোফর্স হাউইৎজার কামান ক্রয়ের ডিলে কমিশন দেওয়া হয়েছে। সেই নামটি হল মিস্টার Q। সুইডিশ রেডিও প্রথম প্রচার করল সেই মিস্টার কিউ হলেন ইতালিয়ান ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্ন্যামপ্রোগেতির ইন্ডিয়ান হেড ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি। শীঘ্রই আরও জানা গেল ভারতীয় সেনা যে টেণ্ডার ইস্যু করেছিল, সেখানে প্রাথমিকভাবে যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, তার এক নম্বর নামটি ছিল ফ্রান্সের সংস্থা সফমা। কিন্তু সফমাকে সরিয়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বোফর্সকে। প্রশ্ন উঠল, কেন? ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে একের পর এক তথ্য। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তদন্ত রিপোর্টে বলা হল বোফর্সের এজেন্ট এ ই সার্ভিস কাত্রোচ্চির অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ডিপোজিট করেছে। কিন্তু সেটি আংশিক। ২০০৩ সালে ইন্টারপোল জানতে পারল, বি এস আই ব্যাঙ্ক এজিতে কাত্রোচ্চির নামে জমা হয়েছিল প্রথমে ১৬ কোটি টাকা এবং পরে আরও ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। সিবিআই সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার চেষ্টা করল। পাল্টা কাত্রোচ্চি সেই অ্যাকাউন্টগুলি ডিফ্রিজ করার প্রবল প্রভাব খাটানো শুরু করলেন। চলল আইনি লড়াই। যদিও এসবের অনেক আগে যখন অফিসিয়ালি কাত্রোচ্চির নাম বোফর্স চুক্তির প্রধান অপারেটর হিসেবে সিবিআই নথিভুক্ত করল এবং সবেমাত্র কাত্রোচ্চিকে আটক করার সব প্ল্যান রেডি, তখনই ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসের এক মধ্যরাতের বিমানে কাত্রোচ্চি ভারত ছেড়ে চিরকালের জন্য পালালেন। ২০০৭ সালে ইন্টারপোলের নোটিস অনুযায়ী কাত্রোচ্চি আচমকা ধরা পড়লেন আর্জেন্টিনায়। কিন্তু সিবিআই তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় এতই দীর্ঘসূত্রিতা দেখিয়েছে যে তিনি অনতিবিলম্বে মুক্তি পেলেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোলকে সিবিআই আবেদন করে কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে রেড কর্ণার নোটিস প্রত্যাহার করা হোক। ২০১১ সালে দিল্লির ট্রায়াল কোর্ট কাত্রোচ্চিকে গোটা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এমনকী সিবিআইকে আদালত বলে, এই মামলায় দেখা যাচ্ছে কমবেশি ৬৪ কোটি টাকার একটা কমিশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত করতে তো সিবিআই ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে? অথচ কোনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ, সক্রিয় পদক্ষেপ কিছুই হয়নি। এ মামলা চালিয়ে লাভ কী? এই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। ২০১৩ সালে ১৩ জুলাই ইতালির মিলানে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি।
গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গেই যুক্ত হয় রাজীব গান্ধীর পরিবারের নাম। এবং সমস্যা হল সিবিআই ১৯৮৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে সক্ষম হয়নি। গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও এভিডেন্স সংবলিত চার্জশিটও তৈরি হল না কেন? এমনকী মাঝখানে দুটি এনডিএ জোটের সরকার এসেছে। রাজীব গান্ধীকে ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে স্রেফ বোফর্স মামলার কলঙ্ক হারিয়ে দিয়েছিল। ঠিক ৩০ বছর পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি চাইছেন রাহুল গান্ধী। এটাই তাঁর কাছে হয়তো মধুর প্রতিশোধ। ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে তাই তিনি মরিয়া হয়েছেন বোফর্স কামানের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানকে নির্বাচনে প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে। ১৯৮৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন রাজীব গান্ধী। এবং মাত্র চার বছরের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বোফর্স মামলার অভিযোগ এসেছিল। ৩০ বছর পর ২০১৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তাঁর সরকারের চতুর্থ বছরে তাঁর সরকারের উপরেও ঠিক ওই বোফর্সের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানের অভিযোগের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক আজীবনের রাজনৈতিক শত্রুরা হাত মিলিয়েছিল। বিজেপির হাতে ছিল সিপিএমের হাত। ৩০ বছর পর রাফাল নিয়ে কংগ্রেসের পাশে আজ সেই সিপিএম। সেদিন লক্ষ্য ছিল রাজীব গান্ধীকে পরাজিত করা। এবার লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত করা। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ ছিলেন কারিগর। এবার সেই মহাজোটের কারিগর কখনও হতে চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতা দলের বিভিন্ন টুকরো, বামপন্থীরা, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা আঞ্চলিক দলগুলি হাত মেলাচ্ছে বিজেপিকে হারাতে।
রাহুল গান্ধী সম্ভবত ইতিহাসের এই হুবহু সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। এবং তিনি রাফালকে বোফর্সের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ৩০ বছর আগে তিনি ছিলেন নিছক ১৯ বছরের এক তরুণ। আজ তিনি মধ্যবয়স স্পর্শ করতে চলা এক যুবক। এবং এতবছর ধরে সম্ভবত এই সময়টির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। কবে হাতে পাবেন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিকল বোফর্স ধাঁচের কোনও এক ব্রহ্মাস্ত্র। রাফালকে তাই রাহুল সামান্যতম ভুলতে দিচ্ছেন না। তিনি হয় রাজ্যে রাজ্যে প্রচারে লাগাতার বলে চলেছেন রাফালের কথা। অথবা এআইসিসি সদর দপ্তরে নিত্যনতুন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে, প্রেস কনফারেন্স করছেন। ১৯৮৭ সালের পর থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল, গলি গলি মে শোর হ্যায়..রাজীব গান্ধী চোর হ্যায়। আজ রাহুল গান্ধী প্রতিটি জনসভা ও সাংবাদিক সম্মেলনে বারংবার বলছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে আমাদের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী চোর।’ রাহুল গান্ধীকে এতটা আগ্রাসী কখনও তো দেখা যায়নি! এরকমভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষ বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করছেন, এই বডি ল্যাংগু঩঩য়েজও নতুন!
হঠাৎ এই পরিবর্তন কীভাবে এল? এই প্রশ্ন আজকাল খুব শোনা যায়। এই একই বিস্ময় রাজনৈতিক মহলেও। ওই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হল, রাহুল ধরেই নিয়েছেন এটাই সুবর্ণ সুযোগ। যে অস্ত্রে তাঁর পিতা এবং পরিবারকে বিগত ৩০ বছর ধরে বিদ্ধ হতে হয়েছে, তিনি যদি একবার সেই একই অস্ত্র হাতে নিয়ে ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে তিনি মনে করছেন সেটাই হবে পুত্র হিসেবে তাঁর সেরা জবাব। আর তখন চিরতরে বোফর্স ইস্যুর অবসান ঘটবে। কারণ সেক্ষেত্রে বোফর্সের পাল্টা রেফারেন্স হিসেবে আসবে রাফাল। এটাই মনেপ্রাণে চাইছেন রাহুল। তাই তিনি এত আগ্রাসী। এবং যে বিজেপি রাহুলকে অপরিণতমনস্ক আখ্যা দিয়ে এসেছে এতকাল, আজ তাঁদের মুখপাত্র ও মন্ত্রীরা দল বেঁধে প্রতিদিন রাহুল গান্ধীর একটি স্টেটমেন্টের পাল্টা বিবৃতি দিতে দিনভর ব্যয় করেন। অর্থাৎ বিজেপি রাহুলকে ইগনোর করতে পারছে না। তাঁরাই রাহুলকে অনেক বেশি গুরুত্ব পাইয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
রাহুল এবং তাঁর দলের নেতারা দিনের পর দিন বার্তা দিচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। আগে জোট ক্ষমতায় আসুক। তারপর স্থির হবে কে প্রধানমন্ত্রী। এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, রাহুলের কাছে পাখির চোখ হল, এক ও একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত হতে দেখা। সেটা তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের থেকেও হয়তো বেশি কাম্য। তিনি জানেন, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহজে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে মেনে নেবেন না। তাঁরা অনেক সিনিয়র। তাই তিনি চাইছেন ওই ইস্যুতে যেন অন্তত জোটে ধাক্কা না লাগে। এককভাবে কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয় বিজেপিকে পরাজিত করা। একের পর এক রা঩জ্যে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের জোট হলেই বিজেপি হেরে যাচ্ছে। সুতরাং যেভাবেই হোক রাহুলের জোট চাই। আর সেজন্য তিনি সম্ভবত প্রাইম মিনিস্টারশিপ স্ট্যাটাস আপাতত স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তুত। ওই যে বললাম, রাজনৈতিক লড়াই নয়, এই প্রথম রাহুল হাতে পেয়েছেন এমন এক ইস্যু যা তাঁর কাছে একটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের রণকেন্দ্র। রাফালের সঙ্গে বোফর্সের কোনও তুলনা হয় কিনা, এই লড়াইয়ে আদৌ তিনি বাকি বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাবেন কিনা, রাফাল চুক্তি সত্যিই কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারছে মোদিকে কিংবা এখনও জাতীয় স্তরে তোলপাড় করা কোনও চর্চায় পরিণত হয়নি কেন রাফাল ডিল..এসব প্রশ্ন কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মোটেই উপস্থিত হচ্ছে না। তিনি যেন একটি একক লড়াইয়ে নেমেছেন। কারণ রাহুলের আচার আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, তাঁর মনে পড়ছে ৩০ বছর আগের প্রতিটি দৃশ্যপট। তিনি চাইছেন, একটি নতুন চিত্রনাট্য সংবলিত রাজনৈতিক এপিসোড উপস্থাপিত হোক ২০১৯ সালে।
যা আসলে ৩০ বছর আগের চিত্রনাট্যেরই রিমেক! সেটি ফ্লপ হবে? নাকি হিট?
09th  November, 2018
প্রিয়াঙ্কা কি পারবেন?
শুভা দত্ত

ভোটের বাজারে কিছুদিন ধরেই গুজব ছড়িয়েছিল, বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হবেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। জল্পনা উসকে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তাঁকে প্রশ্ন করলে বলেছিলেন, ব্যাপারটা নিয়ে একটু সাসপেন্স থাকুক। সাসপেন্স সবসময় খারাপ নয়।
বিশদ

আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

25th  April, 2019
ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

25th  April, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
একনজরে
 ম্যাঞ্চেস্টার, ২৫ এপ্রিল: মর্যাদার ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বি সহজেই জিতল সিটি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে ওল্ড ট্রাফোর্ড থেকে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে এই মুহূর্তে লিগ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি’র প্রচার বিজ্ঞাপনে শিশুদের ব্যবহারের ঘটনায় তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট না দিলে এবার নির্বাচন কমিশনকে সমন পাঠাবে রাজ্য শিশু কমিশন। বৃহস্পতিবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে তারা। ...

সংবাদদাতা, হরিরামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি ব্লকের কচড়া হাইস্কুলে কোনও ডাইনিং শেড নেই। বাধ্য হয়ে পড়ুয়াদের স্কুলের পাশে মাঠে বসে মিড ডে মিল খেতে হয়। ...

সংবাদদাতা, কালনা: কালনার সূর্যপুর গ্রামে একই দিনে মৃত্যু হয়েছিল ১০জন চাষির। মৃতদের পরিবার ওই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য সিপিএমের কৃষকসভার নেতৃত্বকেই দায়ী করে। তাই সিপিএমকে তাঁরা কোনওদিনই ক্ষমা করতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৪ – উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহার বাদক ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁর জন্ম।
১৮৯৭ – বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক নীতীন বসুর জন্ম
১৯২০ - ভারতীয় গণিতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজনের মৃত্যু
১৯২৪ – সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যালের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.২৮ টাকা ৭০.৯৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৮৯ টাকা ৯২.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.৮০ টাকা ৭৯.৭৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৭১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ বৈশাখ ১৪২৬, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ২৩/৪১ দিবা ২/৪০। উত্তরাষা‌ঢ়া ৪৫/৫ রাত্রি ১১/১৪। সূ উ ৫/১২/৩, অ ৫/৫৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৪৪ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/৫৭ মধ্যে পুনঃ ২/৫৭ গতে ৩/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৪ গতে ১১/২৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৫ গতে ১০/১০ মধ্যে।
১২ বৈশাখ ১৪২৬, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ২৬/৪৫/১৮ দিবা ৩/৫৪/৪৬। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ৪৭/৫৯/১৭ রাত্রি ১২/২৪/২১, সূ উ ৫/১২/৩৯, অ ৫/৫৮/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৪/২০ গতে ৫/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/০ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৪/৪ গতে ৯/৫৯/৪৫ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৯/৪৫ গতে ১১/৩৫/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৬/৫০ গতে ১০/১১/৯ মধ্যে।
২০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এক্সাইড মোড়ে বহুতলে আগুন 
শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। এক্সাইড মোড়ের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। ...বিশদ

10:08:44 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, শুক্রবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল বেশ প্রভাবিত। ট্রাফিকের ...বিশদ

10:07:28 AM

মালদহে তৃণমূল কর্মী খুন 
কীর্তনের আসরে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। গতকাল ...বিশদ

09:54:38 AM

রেল যাত্রীদের থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগে চার বছরে গ্রেপ্তার ৭৩ হাজার বৃহন্নলা
দীর্ঘদিন ধরেই চলন্ত ট্রেনে বৃহন্নলাদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক টাকা আদায় ও ...বিশদ

09:36:11 AM

ব্রিজের কাজে ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ
ব্রিজের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পূর্ব রেল। ...বিশদ

09:21:18 AM

শ্যামনগরে সিগন্যালে সমস্যা, ট্রেন চলাচল ব্যাহত 

09:02:47 AM