বিশেষ নিবন্ধ
 

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। মালিকপক্ষ একবার আনন্দ ভার্মাকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর শ্রমিক আন্দোলনকে সমাপ্ত করে দিতে বাধ্য করে। প্রকৃত সত্য না জেনেই তাঁর অতি প্রিয় শ্রমিকভাইয়েরা আনন্দ ভার্মাকে ঘুষখোর আখ্যা দেয়। এবং মারধর, লাঞ্ছনাও করে। অপমানিত আনন্দ ঘরসংসার ছেড়ে নিরুদ্দেশে চলে গেলেন। কলঙ্কের দাগ রয়ে গেল তাঁর পরিবারের মাথায়। বিশেষ করে আক্ষরিক একটি দাগ আজীবন লেপ্টে রইল তাঁর বড় পুত্র বিজয় ভার্মার বাম হাতে। সেখানে ক্ষিপ্ত শ্রমিকবাহিনী উল্কি দিয়ে লিপিবদ্ধ করে দেয় এক কলঙ্কবাক্য—মেরা বাপ চোর হ্যায়...। এ কাহিনী সকলের জানা। বিজয় ভার্মার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে তাঁর পরিবারকে ওই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করবে। এবং পিতার অপমানকারীদের পাল্টা জবাব দেবে। এরপর কাহিনীর গতিপথ যেভাবে এগোয় তা অবশ্যই হিন্দি সিনেমার ওভারড্রামাটিক চিত্রনাট্যের পথ ধরে। কিন্তু ওই পিতার কলঙ্কের অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবল জেদ এই ছবির ধ্রুবপদ ছিল। যশ চোপরার দীওয়ার।
দীননাথ চৌহান গ্রামের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই। তিনি বহিরাগত এক মাফিয়া লিডারকে গ্রামে হেরোইনের কেন্দ্রস্থল ও সাপ্লাইলাইন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণে বাধা দিলেন। তাঁর সবথেকে অমূল্য সম্পদটিতেই আঘাত করা হল। তাঁর সম্মান। পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির পর তাঁকে এতটাই ঘৃণ্য চরিত্রে পরিণত করা হল যে প্রিয় গ্রামবাসীই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। এসব দৃশ্য চাক্ষুষ করে তখনই শপথ নিয়েছিল তাঁর পুত্র বিজয় চৌহান। এবং পরবর্তীকালে ভিলেনকে হারিয়ে এই গ্রামকে আবার স্ববশে নিয়ে এসে বিজয় চৌহান হৃত সম্মান অর্পণ করবেন মায়ের সামনে। এই ছিল ‘অগ্নিপথ’। মুকুল এস আনন্দের। সুতরাং এ ছবিরও একটাই থিম। বাবার অসম্মানের প্রতিশোধ গ্রহণ।
বয়স অনেক কম হলেও একটা সময় পর্যন্ত দিল্লির মহাদেব রোডে ফিল্মস ডিভিশনের অডিটোরিয়ামে তাঁর বাবার বন্ধু এবং মায়ের পাতানো ভাই অমিতাভ বচ্চনের এসব সিনেমা দেখতে যেতেন রাহুল গান্ধী। বোন প্রিয়াংকাকে নিয়ে। আংকল বলাই সঠিক ছিল। যেহেতু বাবার ছেলেবেলার বন্ধু। কিন্তু ১৯৬৮ সালে সদ্য ইতালি থেকে অচেনা দেশে আসা সোনিয়া গান্ধীকে বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে তিনমাস রেখে অমিতাভ বচ্চনের মা তেজি বচ্চন হিন্দি ভাষা এবং ভারতীয়ত্ব শিখিয়েছিলেন। এবং রাজীবের সঙ্গে বিবাহের সময় কন্যা সম্প্রদানও করেন হরিবংশ রাই বচ্চন। তাই রাহুল প্রিয়াংকার কাছে অমিতাভ বচ্চন মামা। তাঁকে সম্বোধন করা হয় মামন নামে। রাহুল গান্ধীর অন্তরে কি কোনওভাবে তাঁর সেই প্রিয় মামনের সিনেমার চরিত্রগুলি ছাপ ফেলে গিয়েছে? কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশলটি অবলোকন করে মনে হতেই পারে তিনি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগচ্ছেন। পিতার কলঙ্কের পাল্টা একটা প্রতিশোধ নেওয়া। এতদিন এই সুযোগ আসেনি। অবশেষে মোদি সরকারের শেষতম বছরে আকস্মিক একটি অস্ত্র হাতে পেয়েছেন রাহুল। আর তাই রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড়। মধ্যপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় তিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে এক ও একমাত্র পাশুপত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন সেই ইস্যু। রাফাল যুদ্ধবিমান। তাঁর প্রচারের ভরকেন্দ্র হল এই যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের ডাসল্ট সংস্থা থেকে কেনা হয়েছে যে চুক্তিতে তার সঙ্গে মিশে রয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম। যে অনিল আম্বানির সংস্থার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই যুদ্ধবিমান কিংবা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের, তাকে কেন করা হল এই ডিলের অফসেট পার্টনার। এবং তিনি আর কাউকে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক বেশি দামে রাফাল কেনা হচ্ছে? লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৯৮৭ সালে অবিকল এই ধাঁচেই বিজেপি এবং অন্য কংগ্রেস বিরোধী দলগুলি বোফর্স দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল। ঠিক এভাবেই যাবতীয় আক্রমণের প্রধান নিশানা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কী ছিল সেই বোফর্স মামলা?
সুইডিশ সংস্থা বোফর্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্টিন আর্দবোর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে দেখা গেল একটি বিশেষ নামের ব্যক্তিকে বোফর্স হাউইৎজার কামান ক্রয়ের ডিলে কমিশন দেওয়া হয়েছে। সেই নামটি হল মিস্টার Q। সুইডিশ রেডিও প্রথম প্রচার করল সেই মিস্টার কিউ হলেন ইতালিয়ান ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্ন্যামপ্রোগেতির ইন্ডিয়ান হেড ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি। শীঘ্রই আরও জানা গেল ভারতীয় সেনা যে টেণ্ডার ইস্যু করেছিল, সেখানে প্রাথমিকভাবে যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, তার এক নম্বর নামটি ছিল ফ্রান্সের সংস্থা সফমা। কিন্তু সফমাকে সরিয়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বোফর্সকে। প্রশ্ন উঠল, কেন? ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে একের পর এক তথ্য। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তদন্ত রিপোর্টে বলা হল বোফর্সের এজেন্ট এ ই সার্ভিস কাত্রোচ্চির অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ডিপোজিট করেছে। কিন্তু সেটি আংশিক। ২০০৩ সালে ইন্টারপোল জানতে পারল, বি এস আই ব্যাঙ্ক এজিতে কাত্রোচ্চির নামে জমা হয়েছিল প্রথমে ১৬ কোটি টাকা এবং পরে আরও ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। সিবিআই সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার চেষ্টা করল। পাল্টা কাত্রোচ্চি সেই অ্যাকাউন্টগুলি ডিফ্রিজ করার প্রবল প্রভাব খাটানো শুরু করলেন। চলল আইনি লড়াই। যদিও এসবের অনেক আগে যখন অফিসিয়ালি কাত্রোচ্চির নাম বোফর্স চুক্তির প্রধান অপারেটর হিসেবে সিবিআই নথিভুক্ত করল এবং সবেমাত্র কাত্রোচ্চিকে আটক করার সব প্ল্যান রেডি, তখনই ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসের এক মধ্যরাতের বিমানে কাত্রোচ্চি ভারত ছেড়ে চিরকালের জন্য পালালেন। ২০০৭ সালে ইন্টারপোলের নোটিস অনুযায়ী কাত্রোচ্চি আচমকা ধরা পড়লেন আর্জেন্টিনায়। কিন্তু সিবিআই তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় এতই দীর্ঘসূত্রিতা দেখিয়েছে যে তিনি অনতিবিলম্বে মুক্তি পেলেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোলকে সিবিআই আবেদন করে কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে রেড কর্ণার নোটিস প্রত্যাহার করা হোক। ২০১১ সালে দিল্লির ট্রায়াল কোর্ট কাত্রোচ্চিকে গোটা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এমনকী সিবিআইকে আদালত বলে, এই মামলায় দেখা যাচ্ছে কমবেশি ৬৪ কোটি টাকার একটা কমিশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত করতে তো সিবিআই ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে? অথচ কোনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ, সক্রিয় পদক্ষেপ কিছুই হয়নি। এ মামলা চালিয়ে লাভ কী? এই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। ২০১৩ সালে ১৩ জুলাই ইতালির মিলানে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি।
গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গেই যুক্ত হয় রাজীব গান্ধীর পরিবারের নাম। এবং সমস্যা হল সিবিআই ১৯৮৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে সক্ষম হয়নি। গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও এভিডেন্স সংবলিত চার্জশিটও তৈরি হল না কেন? এমনকী মাঝখানে দুটি এনডিএ জোটের সরকার এসেছে। রাজীব গান্ধীকে ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে স্রেফ বোফর্স মামলার কলঙ্ক হারিয়ে দিয়েছিল। ঠিক ৩০ বছর পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি চাইছেন রাহুল গান্ধী। এটাই তাঁর কাছে হয়তো মধুর প্রতিশোধ। ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে তাই তিনি মরিয়া হয়েছেন বোফর্স কামানের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানকে নির্বাচনে প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে। ১৯৮৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন রাজীব গান্ধী। এবং মাত্র চার বছরের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বোফর্স মামলার অভিযোগ এসেছিল। ৩০ বছর পর ২০১৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তাঁর সরকারের চতুর্থ বছরে তাঁর সরকারের উপরেও ঠিক ওই বোফর্সের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানের অভিযোগের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক আজীবনের রাজনৈতিক শত্রুরা হাত মিলিয়েছিল। বিজেপির হাতে ছিল সিপিএমের হাত। ৩০ বছর পর রাফাল নিয়ে কংগ্রেসের পাশে আজ সেই সিপিএম। সেদিন লক্ষ্য ছিল রাজীব গান্ধীকে পরাজিত করা। এবার লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত করা। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ ছিলেন কারিগর। এবার সেই মহাজোটের কারিগর কখনও হতে চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতা দলের বিভিন্ন টুকরো, বামপন্থীরা, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা আঞ্চলিক দলগুলি হাত মেলাচ্ছে বিজেপিকে হারাতে।
রাহুল গান্ধী সম্ভবত ইতিহাসের এই হুবহু সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। এবং তিনি রাফালকে বোফর্সের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ৩০ বছর আগে তিনি ছিলেন নিছক ১৯ বছরের এক তরুণ। আজ তিনি মধ্যবয়স স্পর্শ করতে চলা এক যুবক। এবং এতবছর ধরে সম্ভবত এই সময়টির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। কবে হাতে পাবেন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিকল বোফর্স ধাঁচের কোনও এক ব্রহ্মাস্ত্র। রাফালকে তাই রাহুল সামান্যতম ভুলতে দিচ্ছেন না। তিনি হয় রাজ্যে রাজ্যে প্রচারে লাগাতার বলে চলেছেন রাফালের কথা। অথবা এআইসিসি সদর দপ্তরে নিত্যনতুন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে, প্রেস কনফারেন্স করছেন। ১৯৮৭ সালের পর থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল, গলি গলি মে শোর হ্যায়..রাজীব গান্ধী চোর হ্যায়। আজ রাহুল গান্ধী প্রতিটি জনসভা ও সাংবাদিক সম্মেলনে বারংবার বলছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে আমাদের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী চোর।’ রাহুল গান্ধীকে এতটা আগ্রাসী কখনও তো দেখা যায়নি! এরকমভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষ বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করছেন, এই বডি ল্যাংগু঩঩য়েজও নতুন!
হঠাৎ এই পরিবর্তন কীভাবে এল? এই প্রশ্ন আজকাল খুব শোনা যায়। এই একই বিস্ময় রাজনৈতিক মহলেও। ওই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হল, রাহুল ধরেই নিয়েছেন এটাই সুবর্ণ সুযোগ। যে অস্ত্রে তাঁর পিতা এবং পরিবারকে বিগত ৩০ বছর ধরে বিদ্ধ হতে হয়েছে, তিনি যদি একবার সেই একই অস্ত্র হাতে নিয়ে ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে তিনি মনে করছেন সেটাই হবে পুত্র হিসেবে তাঁর সেরা জবাব। আর তখন চিরতরে বোফর্স ইস্যুর অবসান ঘটবে। কারণ সেক্ষেত্রে বোফর্সের পাল্টা রেফারেন্স হিসেবে আসবে রাফাল। এটাই মনেপ্রাণে চাইছেন রাহুল। তাই তিনি এত আগ্রাসী। এবং যে বিজেপি রাহুলকে অপরিণতমনস্ক আখ্যা দিয়ে এসেছে এতকাল, আজ তাঁদের মুখপাত্র ও মন্ত্রীরা দল বেঁধে প্রতিদিন রাহুল গান্ধীর একটি স্টেটমেন্টের পাল্টা বিবৃতি দিতে দিনভর ব্যয় করেন। অর্থাৎ বিজেপি রাহুলকে ইগনোর করতে পারছে না। তাঁরাই রাহুলকে অনেক বেশি গুরুত্ব পাইয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
রাহুল এবং তাঁর দলের নেতারা দিনের পর দিন বার্তা দিচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। আগে জোট ক্ষমতায় আসুক। তারপর স্থির হবে কে প্রধানমন্ত্রী। এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, রাহুলের কাছে পাখির চোখ হল, এক ও একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত হতে দেখা। সেটা তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের থেকেও হয়তো বেশি কাম্য। তিনি জানেন, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহজে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে মেনে নেবেন না। তাঁরা অনেক সিনিয়র। তাই তিনি চাইছেন ওই ইস্যুতে যেন অন্তত জোটে ধাক্কা না লাগে। এককভাবে কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয় বিজেপিকে পরাজিত করা। একের পর এক রা঩জ্যে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের জোট হলেই বিজেপি হেরে যাচ্ছে। সুতরাং যেভাবেই হোক রাহুলের জোট চাই। আর সেজন্য তিনি সম্ভবত প্রাইম মিনিস্টারশিপ স্ট্যাটাস আপাতত স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তুত। ওই যে বললাম, রাজনৈতিক লড়াই নয়, এই প্রথম রাহুল হাতে পেয়েছেন এমন এক ইস্যু যা তাঁর কাছে একটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের রণকেন্দ্র। রাফালের সঙ্গে বোফর্সের কোনও তুলনা হয় কিনা, এই লড়াইয়ে আদৌ তিনি বাকি বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাবেন কিনা, রাফাল চুক্তি সত্যিই কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারছে মোদিকে কিংবা এখনও জাতীয় স্তরে তোলপাড় করা কোনও চর্চায় পরিণত হয়নি কেন রাফাল ডিল..এসব প্রশ্ন কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মোটেই উপস্থিত হচ্ছে না। তিনি যেন একটি একক লড়াইয়ে নেমেছেন। কারণ রাহুলের আচার আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, তাঁর মনে পড়ছে ৩০ বছর আগের প্রতিটি দৃশ্যপট। তিনি চাইছেন, একটি নতুন চিত্রনাট্য সংবলিত রাজনৈতিক এপিসোড উপস্থাপিত হোক ২০১৯ সালে।
যা আসলে ৩০ বছর আগের চিত্রনাট্যেরই রিমেক! সেটি ফ্লপ হবে? নাকি হিট?
09th  November, 2018
জঙ্গি হানার পর
সমৃদ্ধ দত্ত

 সেনাপ্রধান স্যাম মানেকশকে ডেকে ইন্দিরা গান্ধী বললেন, জেনারেল, আমার মনে হয় ইস্ট পাকিস্তানি (পরবর্তী বাংলাদেশ) বেঙ্গলিদের রক্ষা করতে আমাদের মিলিটারি অ্যাকশনে যেতে হবে। ইস্ট পাকিস্তান থেকে স্বৈরাচারী আর্মি রুলকে সরাতে হবে। সেটা ইন্ডিয়ার সুরক্ষার জন্যও খুব দরকার।
বিশদ

শিশুদের বাজেট
শুভময় মৈত্র

 একশো ত্রিশ কোটির দেশে আশি কোটি প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার, বাকি পঞ্চাশ কোটি বয়সে ছোট। যার ভোট নেই তার জন্যে লোকসভা নির্বাচনের মাস তিনেক আগে ভাবার সময় থাকে না শাসকদলের। সেই জন্যেই বাজেট বক্তৃতায় শিশুদের কথা খুঁজতে গেলে দূরবিন প্রয়োজন। তবে চশমা ছাড়াই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এবারের বাজেটের বিশালাকার অক্ষরের ভীষণ চমক ‘ভিশন ২০৩০’। আজ থেকে এগারো বছর পর দেশ ঠিক কোথায় পৌঁছবে তার চালচিত্র। কোথাও কিন্তু আজকের শিশুদের কথা নেই।
বিশদ

আর একটি ৮ ফাগুনের প্রতীক্ষায়...
অতনু বিশ্বাস

ওদিকে বাংলাভাষার তৃতীয় ভুবনে অসমের বারাক উপত্যকায় বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার সত্যাগ্রহীদের উপরে পুলিসের নির্বিচার গুলিতে ১৯৬১-র ১৯ মে, রবীন্দ্র শতবর্ষের কবিপক্ষের মাঝেই, জন্ম হল একাদশ শহিদের।
বিশদ

21st  February, 2019
যুগজাগরণে যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজি মহারাজ
স্বামী নীলেশ্বরানন্দ

যুগজাগরণ এক যুগাচার্যের সাধনসিদ্ধির প্রাক্কালীন শ্রীমুখ নিঃসৃত যুগমহাবাণী। এ জাগরণ মানব জীবনের উন্নয়ন উদ্বোধনের আকাশবার্তা। ১৯১৬ সনের পুণ্যময়ী মাঘী পূর্ণিমার শুভ লগ্নে এক সাধক সাধন সমাহিত অবস্থা থেকে উত্থিত হয়েই জগৎবাসীর কল্যাণে উৎসর্গ করলেন এক মহাআশ্বাস বাণী—এ যুগ মহাজাগরণের তথা মহাসমন্বয়ের।
বিশদ

19th  February, 2019
ইসলামাবাদের ইসলামি ঐক্যের ফাঁদে কাশ্মীর
হারাধন চৌধুরী

ঘটনাটিকে বাসি বলার সময় এখনও হয়নি। বলিউডের নামজাদা অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহের এক সংকীর্ণ মন্তব‌্যে উৎসাহিত হয়ে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করে বসলেন, ‘‘সংখ‌্যালঘুদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হয় তা মোদি সরকারকে দেখিয়ে দেবে পাকিস্তান।’’
বিশদ

19th  February, 2019
বধ্যভূমি কাশ্মীর: আমরা কি
কেবল মার খেতেই থাকব!

শুভা দত্ত

 গত বৃহস্পতিবার আবার জঙ্গি তাণ্ডবে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ, দেশপ্রেমিক জওয়ানদের রক্তে ভিজে গেল কাশ্মীর উপত্যকার মাটি। পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় জয়েশ জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলায় সিআরপিএফের ৪৪ জন জওয়ান শহিদ হলেন।
বিশদ

17th  February, 2019
মার্কিন মুলুকে (-) ৬০,
সন্ধিক্ষণ কিন্তু পরিবর্তনেরই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পোলার ভর্টেক্সের প্রভাব কি ভারতেও পড়েছে? এবার উত্তর ভারতের দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডার জন্য আবহাওয়াবিদরা কিছুটা হলেও পোলার ভর্টেক্সকে দায়ী করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোলার ভর্টেক্স দুর্বল হয়ে ঠান্ডাটাকে আমেরিকা ও ইউরোপের উত্তরভাগে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। আর তার ধাক্কায় দক্ষিণের দিকে চলে এসেছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এমনিতে বছরে চার থেকে ছ’টি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ভারতীয় উপমহাদেশে এসে ধাক্কা খায়। চলতি বছর সেই সংখ্যাটা সাত। যার জন্য শীতের প্রকোপ বেড়েছে ভারতে। মূলত হিমালয় এবং তার সংলগ্ন রাজ্যগুলিতে।
বিশদ

16th  February, 2019
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এগিয়ে?
সমৃদ্ধ দত্ত

গত পাঁচ বছরে সিপিএম একবারও কি রেলমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করে রাস্তায় নেমেছে? পশ্চিমবঙ্গ কেন বঞ্চিত হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কখনও সিপিএমকে প্রেস কনফারেন্স করতে দেখেছে কেউ? কেন কিছু করেনি সিপিএম? কারণ এখন আর রেলমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়। বিশদ

15th  February, 2019
রাফাল না সিবিআই, মোদি-বিরোধিতায় সবচেয়ে শক্তিশালী ইস্যু কোনটি?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 রাফাল ইস্যুকে সামনে রেখে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। ধারাবাহিকভাবে রাফাল ইস্যু প্রচারের কেন্দ্রে রাখতে পেরেছিলেন রাহুল। হিন্দি বলয়ে তিন রাজ্য—মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়-এ বিজেপি’র পরাজয়ের পিছনে অন্য সমস্ত কারণের মধ্যে রাহুল গান্ধীর তোলা রাফাল যুদ্ধ বিমান দুর্নীতির প্রচার বিজেপি’র বিরুদ্ধে গিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
বিশদ

14th  February, 2019
স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়।
বিশদ

12th  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

11th  February, 2019
ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২১ ফেব্রুয়ারি: বিহারে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় অভিযুক্ত। এরকম এক নেতাকে দলীয় সম্পাদকের পদে বসিয়ে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর দলের সদস্য করায় বিস্তর সমালোচনা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ছেলেধরা সন্দেহে গুজবকে কেন্দ্র করে মাঝবয়সি এক মহিলাকে গণপিটুনি দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: প্রায় এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার রানিতলা থানার চর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম অচিন্ত্যকুমার মণ্ডল (১৯)।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াই শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৯ টাকা ৭১.৯৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২০ টাকা ৯৪.৪৯ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,০৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,৭৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ১১/৪৬ দিবা ১০/৫০। হস্তা ৪৫/২৪ রাত্রি ১২/১৭। সূ উ ৬/৭/৫৪, অ ৫/৩২/৪৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৮/২৪ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫৯ গতে ১১/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৯ ফাল্গুন ১৪২৫, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩/১১/২৬। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র প্রাতঃ ৬/১৯/১৫ পরে হস্তা নক্ষত্র রাত্রিশেষ ৫/৭/০, সূ উ ৬/৯/২৪, অ ৫/৩০/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০/১৫ মধ্যে ও ৮/২৫/৪১ থেকে ১০/৪১/৫৮ মধ্যে ও ১২/৫৮/১৫ থেকে ২/২৯/৬ মধ্যে ও ৩/৫৯/৫৮ থেকে ৫/৩০/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১১/৩৮ থেকে ৮/৪২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৩৭/২১ থেকে ৪/২৭/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫৯/৪৫ থেকে ১০/২৪/৫৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/২৪/৫৬ থেকে ১১/৫০/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪০/২৮ থেকে ১০/১৫/৩ মধ্যে।
১৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা দম্পতির, মৃত প্রৌঢ় 
মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করল এক প্রৌঢ় দম্পতি। ...বিশদ

01:20:18 PM

উত্তরপ্রদেশের সাহারনপুর থেকে ২ সন্দেহভাজন জয়েশ জঙ্গি ধৃত

01:17:00 PM

আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও চন্দা কোচারের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করল সিবিআই

12:51:01 PM

চন্দ্রকোণায় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে আলু ফেলে অবরোধে কৃষক সভা 

12:40:32 PM

সিওল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

11:56:15 AM

আজ মুক্তি 
নগরকীর্তন: কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, আরডিবি, ...বিশদ

11:09:40 AM