Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। মালিকপক্ষ একবার আনন্দ ভার্মাকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর শ্রমিক আন্দোলনকে সমাপ্ত করে দিতে বাধ্য করে। প্রকৃত সত্য না জেনেই তাঁর অতি প্রিয় শ্রমিকভাইয়েরা আনন্দ ভার্মাকে ঘুষখোর আখ্যা দেয়। এবং মারধর, লাঞ্ছনাও করে। অপমানিত আনন্দ ঘরসংসার ছেড়ে নিরুদ্দেশে চলে গেলেন। কলঙ্কের দাগ রয়ে গেল তাঁর পরিবারের মাথায়। বিশেষ করে আক্ষরিক একটি দাগ আজীবন লেপ্টে রইল তাঁর বড় পুত্র বিজয় ভার্মার বাম হাতে। সেখানে ক্ষিপ্ত শ্রমিকবাহিনী উল্কি দিয়ে লিপিবদ্ধ করে দেয় এক কলঙ্কবাক্য—মেরা বাপ চোর হ্যায়...। এ কাহিনী সকলের জানা। বিজয় ভার্মার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে তাঁর পরিবারকে ওই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করবে। এবং পিতার অপমানকারীদের পাল্টা জবাব দেবে। এরপর কাহিনীর গতিপথ যেভাবে এগোয় তা অবশ্যই হিন্দি সিনেমার ওভারড্রামাটিক চিত্রনাট্যের পথ ধরে। কিন্তু ওই পিতার কলঙ্কের অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবল জেদ এই ছবির ধ্রুবপদ ছিল। যশ চোপরার দীওয়ার।
দীননাথ চৌহান গ্রামের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই। তিনি বহিরাগত এক মাফিয়া লিডারকে গ্রামে হেরোইনের কেন্দ্রস্থল ও সাপ্লাইলাইন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণে বাধা দিলেন। তাঁর সবথেকে অমূল্য সম্পদটিতেই আঘাত করা হল। তাঁর সম্মান। পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির পর তাঁকে এতটাই ঘৃণ্য চরিত্রে পরিণত করা হল যে প্রিয় গ্রামবাসীই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। এসব দৃশ্য চাক্ষুষ করে তখনই শপথ নিয়েছিল তাঁর পুত্র বিজয় চৌহান। এবং পরবর্তীকালে ভিলেনকে হারিয়ে এই গ্রামকে আবার স্ববশে নিয়ে এসে বিজয় চৌহান হৃত সম্মান অর্পণ করবেন মায়ের সামনে। এই ছিল ‘অগ্নিপথ’। মুকুল এস আনন্দের। সুতরাং এ ছবিরও একটাই থিম। বাবার অসম্মানের প্রতিশোধ গ্রহণ।
বয়স অনেক কম হলেও একটা সময় পর্যন্ত দিল্লির মহাদেব রোডে ফিল্মস ডিভিশনের অডিটোরিয়ামে তাঁর বাবার বন্ধু এবং মায়ের পাতানো ভাই অমিতাভ বচ্চনের এসব সিনেমা দেখতে যেতেন রাহুল গান্ধী। বোন প্রিয়াংকাকে নিয়ে। আংকল বলাই সঠিক ছিল। যেহেতু বাবার ছেলেবেলার বন্ধু। কিন্তু ১৯৬৮ সালে সদ্য ইতালি থেকে অচেনা দেশে আসা সোনিয়া গান্ধীকে বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে তিনমাস রেখে অমিতাভ বচ্চনের মা তেজি বচ্চন হিন্দি ভাষা এবং ভারতীয়ত্ব শিখিয়েছিলেন। এবং রাজীবের সঙ্গে বিবাহের সময় কন্যা সম্প্রদানও করেন হরিবংশ রাই বচ্চন। তাই রাহুল প্রিয়াংকার কাছে অমিতাভ বচ্চন মামা। তাঁকে সম্বোধন করা হয় মামন নামে। রাহুল গান্ধীর অন্তরে কি কোনওভাবে তাঁর সেই প্রিয় মামনের সিনেমার চরিত্রগুলি ছাপ ফেলে গিয়েছে? কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশলটি অবলোকন করে মনে হতেই পারে তিনি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগচ্ছেন। পিতার কলঙ্কের পাল্টা একটা প্রতিশোধ নেওয়া। এতদিন এই সুযোগ আসেনি। অবশেষে মোদি সরকারের শেষতম বছরে আকস্মিক একটি অস্ত্র হাতে পেয়েছেন রাহুল। আর তাই রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড়। মধ্যপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় তিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে এক ও একমাত্র পাশুপত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন সেই ইস্যু। রাফাল যুদ্ধবিমান। তাঁর প্রচারের ভরকেন্দ্র হল এই যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের ডাসল্ট সংস্থা থেকে কেনা হয়েছে যে চুক্তিতে তার সঙ্গে মিশে রয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম। যে অনিল আম্বানির সংস্থার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই যুদ্ধবিমান কিংবা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের, তাকে কেন করা হল এই ডিলের অফসেট পার্টনার। এবং তিনি আর কাউকে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক বেশি দামে রাফাল কেনা হচ্ছে? লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৯৮৭ সালে অবিকল এই ধাঁচেই বিজেপি এবং অন্য কংগ্রেস বিরোধী দলগুলি বোফর্স দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল। ঠিক এভাবেই যাবতীয় আক্রমণের প্রধান নিশানা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কী ছিল সেই বোফর্স মামলা?
সুইডিশ সংস্থা বোফর্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্টিন আর্দবোর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে দেখা গেল একটি বিশেষ নামের ব্যক্তিকে বোফর্স হাউইৎজার কামান ক্রয়ের ডিলে কমিশন দেওয়া হয়েছে। সেই নামটি হল মিস্টার Q। সুইডিশ রেডিও প্রথম প্রচার করল সেই মিস্টার কিউ হলেন ইতালিয়ান ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্ন্যামপ্রোগেতির ইন্ডিয়ান হেড ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি। শীঘ্রই আরও জানা গেল ভারতীয় সেনা যে টেণ্ডার ইস্যু করেছিল, সেখানে প্রাথমিকভাবে যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, তার এক নম্বর নামটি ছিল ফ্রান্সের সংস্থা সফমা। কিন্তু সফমাকে সরিয়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বোফর্সকে। প্রশ্ন উঠল, কেন? ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে একের পর এক তথ্য। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তদন্ত রিপোর্টে বলা হল বোফর্সের এজেন্ট এ ই সার্ভিস কাত্রোচ্চির অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ডিপোজিট করেছে। কিন্তু সেটি আংশিক। ২০০৩ সালে ইন্টারপোল জানতে পারল, বি এস আই ব্যাঙ্ক এজিতে কাত্রোচ্চির নামে জমা হয়েছিল প্রথমে ১৬ কোটি টাকা এবং পরে আরও ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। সিবিআই সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার চেষ্টা করল। পাল্টা কাত্রোচ্চি সেই অ্যাকাউন্টগুলি ডিফ্রিজ করার প্রবল প্রভাব খাটানো শুরু করলেন। চলল আইনি লড়াই। যদিও এসবের অনেক আগে যখন অফিসিয়ালি কাত্রোচ্চির নাম বোফর্স চুক্তির প্রধান অপারেটর হিসেবে সিবিআই নথিভুক্ত করল এবং সবেমাত্র কাত্রোচ্চিকে আটক করার সব প্ল্যান রেডি, তখনই ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসের এক মধ্যরাতের বিমানে কাত্রোচ্চি ভারত ছেড়ে চিরকালের জন্য পালালেন। ২০০৭ সালে ইন্টারপোলের নোটিস অনুযায়ী কাত্রোচ্চি আচমকা ধরা পড়লেন আর্জেন্টিনায়। কিন্তু সিবিআই তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় এতই দীর্ঘসূত্রিতা দেখিয়েছে যে তিনি অনতিবিলম্বে মুক্তি পেলেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোলকে সিবিআই আবেদন করে কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে রেড কর্ণার নোটিস প্রত্যাহার করা হোক। ২০১১ সালে দিল্লির ট্রায়াল কোর্ট কাত্রোচ্চিকে গোটা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এমনকী সিবিআইকে আদালত বলে, এই মামলায় দেখা যাচ্ছে কমবেশি ৬৪ কোটি টাকার একটা কমিশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত করতে তো সিবিআই ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে? অথচ কোনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ, সক্রিয় পদক্ষেপ কিছুই হয়নি। এ মামলা চালিয়ে লাভ কী? এই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। ২০১৩ সালে ১৩ জুলাই ইতালির মিলানে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি।
গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গেই যুক্ত হয় রাজীব গান্ধীর পরিবারের নাম। এবং সমস্যা হল সিবিআই ১৯৮৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে সক্ষম হয়নি। গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও এভিডেন্স সংবলিত চার্জশিটও তৈরি হল না কেন? এমনকী মাঝখানে দুটি এনডিএ জোটের সরকার এসেছে। রাজীব গান্ধীকে ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে স্রেফ বোফর্স মামলার কলঙ্ক হারিয়ে দিয়েছিল। ঠিক ৩০ বছর পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি চাইছেন রাহুল গান্ধী। এটাই তাঁর কাছে হয়তো মধুর প্রতিশোধ। ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে তাই তিনি মরিয়া হয়েছেন বোফর্স কামানের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানকে নির্বাচনে প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে। ১৯৮৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন রাজীব গান্ধী। এবং মাত্র চার বছরের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বোফর্স মামলার অভিযোগ এসেছিল। ৩০ বছর পর ২০১৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তাঁর সরকারের চতুর্থ বছরে তাঁর সরকারের উপরেও ঠিক ওই বোফর্সের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানের অভিযোগের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক আজীবনের রাজনৈতিক শত্রুরা হাত মিলিয়েছিল। বিজেপির হাতে ছিল সিপিএমের হাত। ৩০ বছর পর রাফাল নিয়ে কংগ্রেসের পাশে আজ সেই সিপিএম। সেদিন লক্ষ্য ছিল রাজীব গান্ধীকে পরাজিত করা। এবার লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত করা। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ ছিলেন কারিগর। এবার সেই মহাজোটের কারিগর কখনও হতে চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতা দলের বিভিন্ন টুকরো, বামপন্থীরা, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা আঞ্চলিক দলগুলি হাত মেলাচ্ছে বিজেপিকে হারাতে।
রাহুল গান্ধী সম্ভবত ইতিহাসের এই হুবহু সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। এবং তিনি রাফালকে বোফর্সের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ৩০ বছর আগে তিনি ছিলেন নিছক ১৯ বছরের এক তরুণ। আজ তিনি মধ্যবয়স স্পর্শ করতে চলা এক যুবক। এবং এতবছর ধরে সম্ভবত এই সময়টির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। কবে হাতে পাবেন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিকল বোফর্স ধাঁচের কোনও এক ব্রহ্মাস্ত্র। রাফালকে তাই রাহুল সামান্যতম ভুলতে দিচ্ছেন না। তিনি হয় রাজ্যে রাজ্যে প্রচারে লাগাতার বলে চলেছেন রাফালের কথা। অথবা এআইসিসি সদর দপ্তরে নিত্যনতুন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে, প্রেস কনফারেন্স করছেন। ১৯৮৭ সালের পর থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল, গলি গলি মে শোর হ্যায়..রাজীব গান্ধী চোর হ্যায়। আজ রাহুল গান্ধী প্রতিটি জনসভা ও সাংবাদিক সম্মেলনে বারংবার বলছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে আমাদের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী চোর।’ রাহুল গান্ধীকে এতটা আগ্রাসী কখনও তো দেখা যায়নি! এরকমভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষ বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করছেন, এই বডি ল্যাংগু঩঩য়েজও নতুন!
হঠাৎ এই পরিবর্তন কীভাবে এল? এই প্রশ্ন আজকাল খুব শোনা যায়। এই একই বিস্ময় রাজনৈতিক মহলেও। ওই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হল, রাহুল ধরেই নিয়েছেন এটাই সুবর্ণ সুযোগ। যে অস্ত্রে তাঁর পিতা এবং পরিবারকে বিগত ৩০ বছর ধরে বিদ্ধ হতে হয়েছে, তিনি যদি একবার সেই একই অস্ত্র হাতে নিয়ে ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে তিনি মনে করছেন সেটাই হবে পুত্র হিসেবে তাঁর সেরা জবাব। আর তখন চিরতরে বোফর্স ইস্যুর অবসান ঘটবে। কারণ সেক্ষেত্রে বোফর্সের পাল্টা রেফারেন্স হিসেবে আসবে রাফাল। এটাই মনেপ্রাণে চাইছেন রাহুল। তাই তিনি এত আগ্রাসী। এবং যে বিজেপি রাহুলকে অপরিণতমনস্ক আখ্যা দিয়ে এসেছে এতকাল, আজ তাঁদের মুখপাত্র ও মন্ত্রীরা দল বেঁধে প্রতিদিন রাহুল গান্ধীর একটি স্টেটমেন্টের পাল্টা বিবৃতি দিতে দিনভর ব্যয় করেন। অর্থাৎ বিজেপি রাহুলকে ইগনোর করতে পারছে না। তাঁরাই রাহুলকে অনেক বেশি গুরুত্ব পাইয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
রাহুল এবং তাঁর দলের নেতারা দিনের পর দিন বার্তা দিচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। আগে জোট ক্ষমতায় আসুক। তারপর স্থির হবে কে প্রধানমন্ত্রী। এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, রাহুলের কাছে পাখির চোখ হল, এক ও একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত হতে দেখা। সেটা তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের থেকেও হয়তো বেশি কাম্য। তিনি জানেন, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহজে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে মেনে নেবেন না। তাঁরা অনেক সিনিয়র। তাই তিনি চাইছেন ওই ইস্যুতে যেন অন্তত জোটে ধাক্কা না লাগে। এককভাবে কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয় বিজেপিকে পরাজিত করা। একের পর এক রা঩জ্যে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের জোট হলেই বিজেপি হেরে যাচ্ছে। সুতরাং যেভাবেই হোক রাহুলের জোট চাই। আর সেজন্য তিনি সম্ভবত প্রাইম মিনিস্টারশিপ স্ট্যাটাস আপাতত স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তুত। ওই যে বললাম, রাজনৈতিক লড়াই নয়, এই প্রথম রাহুল হাতে পেয়েছেন এমন এক ইস্যু যা তাঁর কাছে একটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের রণকেন্দ্র। রাফালের সঙ্গে বোফর্সের কোনও তুলনা হয় কিনা, এই লড়াইয়ে আদৌ তিনি বাকি বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাবেন কিনা, রাফাল চুক্তি সত্যিই কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারছে মোদিকে কিংবা এখনও জাতীয় স্তরে তোলপাড় করা কোনও চর্চায় পরিণত হয়নি কেন রাফাল ডিল..এসব প্রশ্ন কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মোটেই উপস্থিত হচ্ছে না। তিনি যেন একটি একক লড়াইয়ে নেমেছেন। কারণ রাহুলের আচার আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, তাঁর মনে পড়ছে ৩০ বছর আগের প্রতিটি দৃশ্যপট। তিনি চাইছেন, একটি নতুন চিত্রনাট্য সংবলিত রাজনৈতিক এপিসোড উপস্থাপিত হোক ২০১৯ সালে।
যা আসলে ৩০ বছর আগের চিত্রনাট্যেরই রিমেক! সেটি ফ্লপ হবে? নাকি হিট?
09th  November, 2018
সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোটা বিশ্বেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী বাড়ছে দ্রুত। নতুন প্রজন্ম অর্থ উপার্জন করছে বলেই এই শ্রেণীর বাড়বাড়ন্ত। সরকারেরও উচিত তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। সেই কারণেই সরকার যতটা পেনশন খাতে খরচ করে, তার চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত শিক্ষা খাতে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুধু হাওড়া শহর সংলগ্ন এলাকায় নয়, হাওড়া জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় এবার শিল্প স্থাপনে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। তার জন্য উদয়নারায়ণপুরের কান্দুয়ায় ৪০০ একর জমি বাছা হয়েছে। তার মধ্যে ১৭০ একর জমি কেনাও হয়ে গিয়েছে। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুর শহরে দলমাদল রোডে ভরসন্ধ্যায় যুবক খুনের ঘটনায় শুক্রবার রাতে পুলিস এক ফুচকা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মধুসূদন মাঝি। তার বাড়ি বিষ্ণুপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ,ওইদিন সন্ধ্যায় ফুচকা বিক্রেতার সঙ্গে যুবকের বচসা বাধে। তা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গঙ্গাবক্ষে বিশ্বের দীর্ঘতম সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মুর্শিদাবাদ সুইমিং অ্যাসোসিয়েশন। ভাগীরথী নদীর উপর এই সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে ৮১ ও ১৯ কিলোমিটার দূরত্বে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০০: রাজনীতিক বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিতের জন্ম
১৯৩৬: গীতিকার ও পরিচালক গুলজারের জন্ম
১৯৫৮: ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করলেন প্রথম এশীয় ব্রজেন দাস
১৯৮০: সঙ্গীতশিল্পী দেবব্রত বিশ্বাসের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৯/৪৯ রাত্রি ১/১৪। পূর্বভাদ্রপদ ২৯/২ অপঃ ৪/৫৫। সূ উ ৫/১৮/২, অ ৬/৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯ গতে ৯/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩২ গতে ৯/২ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/৩০ মধ্যে।
৩২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৪৩/৯/৬ রাত্রি ১০/৩২/৩৬। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ২৬/১/৪১ দিবা ৩/৪১/৩৮, সূ উ ৫/১৬/৫৮, অ ৬/৫/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/১২ গতে ৯/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে, বারবেলা ১০/৫/১৬ গতে ১১/৪১/২২ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪১/২২ গতে ১/১৭/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৫/১৬ গতে ২/২৯/১০ মধ্যে।
 ১৬ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজিনগরে ২টি অটোর সংঘর্ষ, জখম মহিলা 

08:31:00 PM

বেনিয়াপুকুরে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 

06:21:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:49:00 PM

পানিহাটিতে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া যুবকের দেহ উদ্ধার 

05:46:00 PM

তপসিয়ায় বহুতলে আগুন, দমকলের ১টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে 

05:43:00 PM

শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ধৃতের পুলিস হেফাজত 
শেক্সপিয়র সরণীর ঘটনায় ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ধৃতের পুলিস হেফাজত। ...বিশদ

04:09:25 PM