বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল। এবার ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ১৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী। মান্ড্য লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে জেডিএস, শিমোগা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার ছেলে মাত্র ৫২ হাজার ১৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে বাবার ছেড়ে আসা আসনটি ধরে রাখতে পেরেছেন। দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও কংগ্রেস ও জেডিএস প্রার্থীরা ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করেছেন। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী স্ত্রীকে প্রার্থী করেছিলেন। ওই কেন্দ্রে ভোটের দুদিন আগে বিজেপির প্রার্থী বিজেপি ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেন। লিঙ্গায়েত ভোটাররা সাধারণত বিজেপিকে সমর্থন করে থাকেন। এবার লিঙ্গায়েত প্রধান জামকন্ডিতে যে বড় ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তাতে নিশ্চিত করেই বলা যায় কর্ণাটকের উপনির্বাচনে বিজেপির লিঙ্গায়েত ভোটব্যাঙ্কেও ধস নেমেছে।
কর্ণাটকের এবারের উপনির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর, ফুলপুর এবং কৈরানা লোকসভার উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির বিরুদ্ধে গিয়েছিল। গোরক্ষপুর উত্তরপ্রদেশের বিজেপির হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা কেন্দ্র। ফুলপুর লোকসভা কেন্দ্রটি ছিল উত্তরপ্রদেশের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যের ছেড়ে-আসা কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে-আসা আসনে পরাজয় এবং কিছুদিনের মধ্যে জাঠ প্রধান কৈরানাতে বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলেই মোদি-অমিত শা-র ম্যাজিক অকার্যকারী হয়ে পড়ে। এবারের কর্ণাটকের উপনির্বাচনেও জয়ের পেছনে রয়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএসের নির্বাচনী আঁতাত। এর আগে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ঘটেছিল কংগ্রেস—জেডিইউ এবং আর-জেডির মহাজোটের কাছে।
মাত্র ৩১.৩৪ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে মোদি ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ২৮২টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। অবিজেপি দলগুলির ভোট বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখনই বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা ৬৯ শতাংশ ভোটারের একটা বড় অংশকে বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা দলগুলি ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছে তখনই বিজেপিকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে বারবার।
২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি বিকাশের যে স্বপ্ন কমবয়সি ভোটারদের সামনে রেখেছিলেন তাতে প্রায় পুরো ‘এক্স জেনারেশন’-এর সমর্থন জোগাড় করতে পেরেছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাকে বিজেপির বাইরে থাকা বহু মানুষও মোদির সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদির উন্নয়নের বার্তায় প্রভাবিত হয়েছিলেন মহিলা, জনজাতির মানুষ এমনকী সংখ্যালঘুদের একাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটাররা বিজেপির বিরুদ্ধে কোথাও ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটদান করেননি। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যেও সংখ্যালঘু ভোটাররা বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছিলেন। এতে বিজেপির জয় সুগম হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশে বিজেপি একাই ৭১টি আসন পেয়েছিল। উন্নয়নের স্লোগানে দেশের বিভিন্ন বর্গের মানুষ (যাদের মধ্যে অনেকেই বিজেপির মতাদর্শের সঙ্গে ভিন্ন মত প্রকাশ করেন) মোদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে সমর্থন জানিয়েছিলেন।
উন্নয়নের স্লোগানকে মুখ্য রেখে বিজেপি যতবার সাম্প্রতিককালে ভোটে গিয়েছে ততবারই আসন বাড়াতে পেরেছে। অন্যদিকে, হিন্দুত্বের প্রচারকে প্রাধান্য দিয়ে ভোটে লড়াই করে বারবার আসন সংখ্যা কমিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ অবশ্যই রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর সময়ের নিরিখে করা। রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর পর্যায়ে অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে জোট গড়ে কংগ্রেসকে হারানোর ডাকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি—১৬১টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। ১৩ দিনের সরকার অভিজ্ঞতার নিরিখে সংসদীয় রাজনীতি ও জোটবদ্ধভাবে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে ১৯৯৮-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮২টি আসন। ১৯৯৮-এর পর ১৩ মাসের সরকার পড়ে গেলে ১৯৯৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বাজপেয়ি রামমন্দির ইস্যুকে বাদ দিয়েই ভোটে লড়েছিলেন এবং ১৮২টি আসন পেয়ে ৫ বছরের জন্য জোট সরকার কেন্দ্রে চালান। আবার গুজরাত দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি দলের ভেতর হিন্দুত্বের পোস্টার বয় হয়ে উঠলে আরএসএস-সমেত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির চিন্তাভাবনা লোকসভা নির্বাচনে শাইনিং ইন্ডিয়ার ভাবনাকে ঢেকে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ অটলবিহারী বাজপেয়ির সরকার পরিচালনার সাফল্য থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘু ভোটের ঐক্য এবং বিরোধী ভোটের ঐক্যের প্রভাবে বিজেপির ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮২ থেকে আসন ১৩৮-এ নেমে আসে। পাঁচবছর পর ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন বিজেপি লড়েছিল লালকৃষ্ণ আদবানির নেতৃত্বে। আদবানি ৯০-এর দশকে রামমন্দির রথযাত্রা ধাঁচে নির্বাচনের প্রাক্কালে জনসংযোগ যাত্রা করেছিলেন রামের ভাবনাকে উস্কে ভোটে জয়ের প্রত্যাশায়। কিন্তু, ওই নির্বাচনের ফলাফল থেকে দেখা যায় ভোটাররা আর রামমন্দিরের স্লোগানে নতুন করে সাড়া দিতে রাজি ছিলেন না। ২০০৯-এ বিজেপির আসন সংখ্যা আরও কমে ১১৬-তে দাঁড়ায়। পরবর্তী ২০১৪-র নির্বাচনে মোদি ম্যাজিকের মূল মন্ত্রই ছিল বিকাশ, দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ভারতের স্বপ্ন। আর তাতেই বিজেপি বাজিমাত করে ১৯৮৪ সালের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৮৪-এর নির্বাচনে শেষবার রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। সুতরাং রামমন্দির রথযাত্রা-উত্তর বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের যে প্রবণতা ধরা পড়ে তাতে দেখা যাচ্ছে উন্নয়নের প্রশ্ন সামনে রেখে বিজেপি অধিক সাফল্য পেয়েছে। আবার নির্বাচনী প্রচারে হিন্দুত্ব বিষয়কে যখনই বিজেপি প্রাধান্য দিয়েছে তখনই নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে।
এই প্রবণতার পেছনে মূল কারণ হল, উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপি সমাজের নানা বর্গের মানুষের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে। এর ফলশ্রুতি হিসেবে দলের আসন বাড়ছে। আবার দল যখনই কঠোর হিন্দুত্বের ভাবনাকে নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে আনছে তখনই বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপি-বিরোধী কোনও দলকে ভোট দিচ্ছে। একইসঙ্গে উগ্র হিন্দুত্বকে ঠেকানোর জন্য অবিজেপি দলগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যেমন ২০০৪ সালে কংগ্রেসকে সামনে রেখে বেশিরভাগ বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এবারও কিন্তু রামমন্দিরকে সামনে রেখে উগ্র হিন্দুত্বের লাইনে বিজেপি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণি পেরতে চাইছে। ফলস্বরূপ কৈরানা থেকে বেলারি পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি বিরোধী ভোটারদের বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভোটদানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর এই প্রবণতাই বিজেপির পক্ষে বিপজ্জনক।
বিজেপি নেতৃত্বকে ‘বিকাশ-মোদি’ বনাম ‘রামভক্ত মোদি’র মধ্যে কোনটা অধিক ফলদায়ক তা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আরও একবার পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রামমন্দির আন্দোলনোত্তর পর্যায়ে ভারতবাসী কিন্তু বিজেপিকে কংগ্রেসের বিকল্প সর্বভারতীয় সংসদীয় দল হিসেবেই দেখতে চাইছে। নির্বাচনী বৈতরণি পেরনোর জন্য বারবার উগ্র হিন্দুত্বের ভাবমূর্তি বিজেপির পক্ষে যে লাভজনক হচ্ছে না তা অন্তত বিগত কুড়ি বছরের দেশের নির্বাচনী প্রবণতা থেকে স্পষ্ট। নরেন্দ্র মোদি উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। তাতে ভোটারদের যে আশাভঙ্গ হয়েছে তাকে অন্য পথে পরিচালিত করবার জন্য বিজেপি ফৈজাবাদকে বদলে অযোধ্যা বা রামের বাবা দশরথের নামে মেডিক্যাল কলেজ বা রামমন্দির তথা হিন্দুত্ব নিয়ে যতই তৎপর হবে ততই কিন্তু সংখ্যালঘু ভোটাররা এবং বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দেবে। তাই আরও বড় বিপর্যয় ঠেকাতে উন্নয়নের ইস্যুকেই বিজেপির নির্বাচনের হাতিয়ার করা উচিত। এতে সমাজের নানা বর্গের সমর্থনের রাস্তা খোলা থাকতে পারে। অন্যথায় উগ্র হিন্দুত্বের ইস্যুকে সামনে আনলে ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাই থাকছে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
08th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 —‘আচ্ছে দিনে’র প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে এমন কত কত স্বপ্নই না দেশের মানুষের মনে সেদিন জেগে উঠেছিল! স্বাধীনতার পর দেশের সরকারের কাছ থেকে একমাত্র বঞ্চনাই যাঁদের প্রাপ্তি সেই পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর গরিব মানুষেরাও ‘আচ্ছে দিনে’র ডাক শুনে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছিলেন।
বিশদ

04th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

03rd  November, 2018
Loading...
অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। বিশদ

02nd  November, 2018
এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 — মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না।
বিশদ

01st  November, 2018
ঐক্যবদ্ধ ভারতের রূপকার ও আধুনিক
ভারতের স্রষ্টাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই
নরেন্দ্র মোদি

১৯৪৭ সালের প্রথমার্ধ ছিল ভারতের ইতিহাসের অত্যন্ত সঙ্কটময় সময়। ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ও দেশভাগ নিশ্চিত ছিল। কিন্তু আশঙ্কার জায়গা ছিল দেশ অসংখ্য অংশে বিভক্ত হয়ে পড়বে কি না। মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য সঙ্কটের মতো সমস্যার মধ্যেই দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  বিশদ

31st  October, 2018
সিবিআই বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে কে?
হিমাংশু সিংহ

পুলিশ ছুঁলে আঠারো ঘা। সিবিআই ছুঁলে পুরো ছত্রিশ। ছোট থেকে বড় যে মামলাই হোক অপরাধীদের হাড়ে কাঁপুনি। আটের দশকের মাঝামাঝি বোফর্স থেকে অতি সম্প্রতি এ রাজ্যের চাঞ্চল্যকর চিটফান্ড মামলা, শুরুটা এমন যেন কালই সব প্রমাণ হয়ে আদালতের রায় বেরিয়ে যাবে। ধরপাকড়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা। গ্রেপ্তার। জামিন। আবার গ্রেপ্তার।
বিশদ

30th  October, 2018
ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, কেন্দ্রেরও ভিত নড়ে উঠছে
পি চিদম্বরম

প্রাচীন প্রবাদ একরকম—‘‘দুর্ভাগ‌্য একা আসে না।’’ এখন মনে হয় যে দেবতারাও ভারতের অর্থনীতির উপর সদয় নন। আমাদের অর্থনীতির উপর আঘাত হয়ে নামছে যেসব দুঃসংবাদ, সেগুলোর উপর নজর করা যাক:  শেয়ারের দাম এত পড়ে গিয়েছে যে কেনাবেচার সূচক ১৫ মাস পূর্বে ফিরে গিয়েছে।
বিশদ

29th  October, 2018
সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল পরিস্থিতি এবার খুব অনুকূল নয়। মোদিজি জিতবেন ক্ষমতাও রক্ষা পাবে, তবে আজকের মতো এমন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সমীক্ষার ফলাফলেও এমন আভাস মিলেছে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ লোকসভার আগে যে যে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে সেগুলোর কয়েকটিতে তাঁর দলকে রীতিমতো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।
বিশদ

28th  October, 2018
Loading...
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: গত কয়েক দিন ধরে চন্দননগর কর্পোরেশনের কয়েকটি ওয়ার্ডে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গত এক সপ্তাহে মোট ছ’জনের রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু মিলেছে। ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দেশের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক বরাবরই অম্ল-মধুর। হোয়াইট হাউসের কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্টকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করার উপর ‘অলিক্ষিত নিষেধাজ্ঞা’ জারি থাকে সবসময়। কিন্তু, সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্ট জিম অ্যাকোস্টা এই সব নিয়মের ধার ধারেননি। ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...

 নিজস্ব প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ৬টি ম্যাচ পরে তিনি গোল পেলেন। এই পর্বে মোট ২০টি শট বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে নিয়েও তিনি ছিলেন অভুক্ত। দীর্ঘ ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM

Loading...
Loading...