বিশেষ নিবন্ধ
 

অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম। কৌতূহল বেশি। আবেগও। সাংবাদিকতার কাজে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরতে হয়। বিহার, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কাশ্মীর, কর্ণাটক- যেখানেই যাই না কেন, বাঙালির সঙ্গে দেখা হলে ভালো লাগে। মাতৃভাষায় খানিক গল্পগুজব করতে পারলে প্রাণের আরাম বোধ হয়। ওখানে ওই বাঙালিরা কেমন আছেন জানার চেষ্টা করে নিজেকে সমৃদ্ধ করি। নতুন নতুন তথ্য পাই। নানারকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। কখনও কখনও মজার অভিজ্ঞতাও হয়। ভালোই লাগে। এর আগে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একবার এক হোটেল মালিকের পদবি চ্যাটার্জি শুনে পরম আনন্দে বাংলায় ভাব জমাতে গিয়ে জোর ধাক্কা খেয়েছিলাম। জেনেছিলাম, ওই ভদ্রলোকরা বেশ কয়েকপুরুষ কানপুরের বাসিন্দা। ওঁদের যে পুর্বপুরুষ বাংলা থেকে গিয়েছিলেন, তিনি ওখানকার স্থানীয় এক মহিলাকে বিয়ে করেন। পরবর্তী প্রজন্মগুলির সমস্ত বধূও খাস উত্তরপ্রদেশীয়। কেবল পদবিটুকু ছাড়া ওই পরিবারের সমস্তকিছুই ওই রাজ্যের আর পাঁচজনের মতো। রীতি, আচার, পুজোআচ্চা সবই। এমনকী পরিবারের লোকজনের মধ্যে শেষ কবে বাংলা ভাষায় কথাবার্তা হয়েছে তা ওই মধ্যবয়সি ভদ্রলোকেরও জানা নেই। আবার, ওই রাজ্যেরই আলিগড়ে এক প্রবাসী বাঙালি অধ্যাপক পরিচয় পেয়ে বাড়িতে ‘দিওয়ালি’ মিলন উৎসবে আপ্যায়ণ করেছিলেন। ওই পরিবারে অবশ্য বাংলার চর্চা ভালোই দেখেছিলাম। ভিনরাজ্যে কোথাও বাংলা ভাষা বা বাঙালির দেখা পেলে সম্ভবত খানিক আশ্বস্তও হতাম। কারগিল যুদ্ধের সময় দ্রাসের যুদ্ধক্ষেত্রেই এক জওয়ানের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। সীমান্তে পাক গোলন্দাজদের সঙ্গে ঘোর গোলাগুলি বিনিময়ের ফাঁকেই নদীয়ার ওই বঙ্গসন্তান বাঙ্কারের মধ্যে স্টোভে দুধ-চা বানিয়ে খাইয়েছিলেন। বেশ কয়েকদিন তৃষ্ণার্ত থাকা জিভটা চেনা ‘বাঙালি চা’য়ের ছোঁয়ায় বড় স্বস্তি পেয়েছিল।
আবার, পুরীতে বাংলায় কথাবার্তা বলার অভিজ্ঞতাকে ভরসা করে একবার ওড়িশার একটি প্রত্যন্ত এলাকায় ডাবের জলে তেষ্টা মেটানোর ইচ্ছেপূরণ করতে চেয়ে বেজায় সমস্যায় পড়েছিলাম। গ্রীষ্মের দুপুরে জোর তেষ্টা পেয়েছে। চায়ের দোকান টোকান থেকে জল খেতে ভয়। কে জানে পেট খারাপ করবে কি না! গ্রামীণ এলাকা। আশপাশে কোনও দোকানে বোতলবন্দি জলের দেখা পেলাম না। ভাবলাম, ডাবই খাই। কিন্তু কোথায় ডাব? ডাব, নারিয়েল, গ্রিন কোকোনাট—কোনও শব্দ দিয়েই তো আমি আমার চাহিদার কথা বোঝাতে পারছি না! বাংলা তো নয়ই, আমার হিন্দিও কেউ বুঝছে না। এদিকে, তেষ্টায় গলা পর্যন্ত কাঠ হওয়ার জোগাড়। একটি ছোটখাটো ধাবার মতো জায়গায় গিয়ে শেষ চেষ্টা করে বিফল হলাম। তখন মুখ থেকে স্বগতোক্তির মতো বেরিয়ে গেল, মহা মুশকিলে পড়া গেল তো! কোথাও একটা ডাবও পাচ্ছি না!
ধাবার এককোণে বসে চা খাচ্ছিলেন সাধারণ চেহারার একটি লোক। আমার কথাটা সম্ভবত তাঁর কানে গিয়েছিল। উনি উঠে দাঁড়িয়ে বাংলায় বললেন, আপনি ডাব খুঁজছেন? এখানেই পাবেন। সত্যিই ধাবার ভিতরের দিক থেকে ডাব এল। তেষ্টা মেটানোর পর কৃতজ্ঞ চোখে ভদ্রলোকের দিকে তাকালাম। উনি বললেন, আসলে এই অঞ্চলের এইসব লোকজন হিন্দি বা ইংরেজি তেমন বোঝে না বললেই চলে। ওড়িয়ায় ডাবের জলকে ‘ফয়ডা পানি’ বলে। তা বলতেই মিলে গেল। শুনলাম আমার মুশকিল আসান ভদ্রলোক আসলে সবংয়ের মানুষ। মাদুর বেচতে উনি প্রতি বছরই ওড়িশার গ্রামেগঞ্জে ঘোরেন। সেবারও একই কাজে গিয়েছিলেন। কর্ণাটকে গ্রামীণ সড়কের পাশে দেহাতি কলাবিক্রেতা তাঁর পণ্যের দাম জানিয়েছিলেন—ওয়ান রুপি ইচ। কিন্তু ওড়িশার এক দোকানি ‘গট্টা টঙ্কা’ চেয়ে আমায় বিপদে ফেলেছিলেন। গট্টা টঙ্কা মানে যে এক টাকা, তা বুঝতে আমার বেশ কয়েক মিনিট সময় লেগেছিল। ভিয়েতনামের সাইগন নদীর ওপর একটি প্রমোদতরণীতে বাঙালি পরিচয় পেয়ে আদতে কলকাতার বাসিন্দা হয়েও ওদেশে জমিয়ে ব্যবসা করা এক ভদ্রলোক খাতির করে আমায় গোবিন্দভোগ চালের পায়েস খাইয়েছিলেন।
যাইহোক, সেন্টিমেন্টের জেরেই বোধহয় গুয়াহাটিতে সেদিন প্রাতঃরাশ শেষ করে কাউন্টারে দাম মিটিয়ে আমি ওই টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, আপনারা বাঙালি? একজন আমার দিকে তাকালেন। সন্দিগ্ধ দৃষ্টি। পাশের জন হিন্দিতে বলে উঠলেন, না, না। আমরা অসমিয়া। আমি অবাক। তাহলে যে একটু আগেই ওদের বাংলা কথাবার্তা শুনলাম! তাহলে ওই অসমিয়ারা কি বাংলায় গালগল্প করছিলেন! খানিক অপ্রস্তুত বোধ করে ওখান থেকে চলে এসেছিলাম। পরদিন এক সাংবাদিক বন্ধুর সঙ্গী হয়ে দিসপুরে গিয়েছিলাম। অসমের এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গোলাপ বরবরার সঙ্গে আলাপ করতে। ততদিনে গোলাপবাবুর বয়স হয়েছে। দিসপুরে ছোট্ট একটা ফ্ল্যাটে থাকেন। কথা বলতে পারেন ঝরঝরে বাংলায়। আসলে ছাত্রজীবনের অনেকটাই কাটিয়েছেন কলকাতায়। আমাদের শহর সম্পর্কে যথেষ্টই ওয়াকিবহাল।
কথাবার্তার মধ্যেই আগের দিনের গুয়াহাটির রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গটি তুললাম। প্রবীণ ওই রাজনীতিবিদ মন দিয়ে সবটা শুনলেন। তারপর বললেন, আসলে ওরা ভয় পাচ্ছিলেন। আপনি অচেনা মানুষ তো! তাই। বলেছিলেন, তিরাশির নেলিকাণ্ডের পর অসমের বাঙালিরা নিজেদের অনেকটাই বদলে নিয়েছেন। অনেকেই নিজেদের আইডেনটিটি প্রকাশ করতেও সঙ্কোচবোধ করেন।
গোলাপবাবুর কথা শুনতেই শুনতেই নেলি হত্যাকাণ্ড ও তার পরবর্তী কিছু ঘটনার কথা মনে পড়ছিল। অবশ্য সবই খবরের কাগজের সূত্রে জানা। ১৯৮৩ সালে উগ্র অসমিয়ারা একের পর এক বাঙালি অধ্যুষিত গ্রাম জ্বালিয়ে ছারখার করে দিয়েছিল। বহু বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। অসমে ওই বাঙালি নিধন যজ্ঞ ও তার জের চলেছিল আরও বেশ কিছু বছর ধরে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছিল যাতে লক্ষ লক্ষ বাঙালি পরবর্তী অর্থাৎ ১৯৯১ এর জনগণনায় অসমিয়াকে নিজেদের মাতৃভাষা বলে নথিভুক্ত করিয়েছিলেন। ওই উগ্র অসমিয় প্রাদেশিকতাকে পুঁজি করেই পরবর্তীকালে প্রফুল্ল মোহান্তরা ওই রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছিলেন। গুয়াহাটির রেস্টুরেন্টের ঘটনাটির সময় প্রফুল্ল মোহান্তই অসমের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
তারপর দেশজুড়ে অনেক বদবদল ঘটেছে। অসমেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের সরকার ক্ষমতায় আসে। সরকার বদলানোর পর উগ্র প্রাদেশিকতার ভাবনা ধীরে ধীরে প্রশমিত হতে থাকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওই রাজ্যে বসবাসকারী বাঙালিরাও সম্ভবত হারানো আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছিলেন। অস্তিত্বের অনিশ্চয়তাবোধ থেকে ক্রমশ মুক্তি ঘটছিল তাঁদের। ফলে, গ্রামে শহরে যে যার মতো দিন কাটানোর স্বপ্ন দেখছিলেন। তাঁদের মনোজগতের এই পরিবর্তনের বেশ খানিকটা প্রকাশ ঘটেছে ২০১১ সালের জনগণনার নথিপত্রে। ১৯৯১ সালের জনগণনার নথিতে বাংলা ভাষাভাষীর সংখ্যা প্রায় তলানিতে চলে গিয়েছিল। তারপর সর্বশেষ অর্থাৎ ২০১১-র জনগণনার তথ্যে দেখা যাচ্ছে ওই রাজ্যে বাংলাভাষী বাসিন্দার সংখ্যা আগেরবারের তুলানায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংশই বাংলাভাষী বলে নথিভুক্ত হয়েছে।
কিন্তু সম্প্রতি তথাকথিত জাতীয় নাগরিক পঞ্জি নিয়ে ব্যাপক তৎপরতার সূচনা থেকে অসমে পরিস্থিতি ফের দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। নাগরিকপঞ্জির খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ফের ওই রাজ্যে বসবাসকারী বিপুল সংখ্যক বাংলাভাষী মানুষ ঘোরতর আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তথাকথিত ডি অর্থাৎ ডাউটফুল ভোটার এবং কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের সুবাদে বহু পরিবারে ভাঙন ধরেছে। খসড়া তালিকা সেই ভাঙনকে প্রশস্ত করার পথ তৈরি করে দিয়েছে। রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি’র নানা মাপের নেতারা নানা স্তোকবাক্যে বিষয়টি লঘু করার যতই চেষ্টা করুন না কেন, অসমে বসবাসকারী বাঙালিরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন পরিস্থিতি আসলে কতটা ভয়াবহ।
অনেকে বলছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারেই অসমে নাগরিকপঞ্জি তৈরি হচ্ছে। ঠিকই। কিন্তু প্রশ্ন, সুপ্রিম কোর্ট কি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল? না কি কয়েক সপ্তাহ আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই? পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে সম্ভবত রাজনৈতিক ফয়দা তুলতেই নাগরিকত্ব সংশোধনী সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হল। আর, তাতেই অসমে নতুন করে তৈরি হওয়া আগুনে ঘি পড়ল। ১৯৮৩ –র নেলি ও তারপর বেশ কয়েক বছরের যে হিংসালীলা অতীতের অবাঞ্ছিত ঘটনা বলে ধীরে ধীরে ইতিহাসের পাতায় স্থান নিচ্ছিল, সাড়ে তিন দশক বাদে ফের তাকেই যেন বর্তমান করে তোলার অপচেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছে। নেলির ঘুমন্ত দৈত্যকে ফের জাগিয়ে তোলা হল গত বৃহস্পতিবার তিনসুকিয়ার খেরনিবাড়ি গ্রামে। অনেক প্রাণ, অনেক ক্ষয়ক্ষতি, অনেক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, অনেক সুখের বলি ঘটেছিল নেলির দৈত্যের হাতে। খেরনিবাড়ির দৈত্যকে ঘুম পাড়াতে এবার আরও কত প্রাণের বলি, স্বপ্নের সমাধি ঘটাতে হবে কে জানে! নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থপূরণের তাগিদে যারা হত্যালীলার কারিগরদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে প্ররোচনা জোগাল ইতিহাসের কোন পাতায় কীসের অক্ষরে তাদের নাম লেখা হওয়া উচিত?
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ভারতের রাজনৈতিক একতার অন্যতম কারিগর ছিলেন। দেশের বর্তমান ভৌগোলিক-রাজনৈতিক চেহারার অনেকটাই সম্ভব হয়েছে তাঁর ঐকান্তিক চেষ্টায়। অন্যদিকে, রাজ্য, ভাষা, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সমগ্র ভারতবাসীর মননের ঐক্য রচনায় আজীবন সক্রিয় ছিলেন মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। কয়েকদিন আগে নর্মদার তীরে সর্দার প্যাটেলের সুউচ্চ মূর্তি গড়ে আমরা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছি। এবছর মহাত্মা গান্ধীর দেড়শোতম জন্মদিবস পালন শুরু করেছি। আবার, ক’দিন বাদেই ১৪ নভেম্বর আসছে। ওইদিন আমরা পণ্ডিত নেহরুর জন্মদিবস পালন করব। অথচ, এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় আবহে দাঁড়িয়ে কোন ভারতে দেখতে হচ্ছে আমাদের!
পয়লা নভেম্বর সন্ধ্যারাতে গ্রামের চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গল্পগুজব করছিলেন বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। জলপাই রঙা পোশাক পরা জনাকয়েক যুবক আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সেখান থেকে পাঁচ-ছ’ জনকে খানিক দূরে একটি সেতুর কাছে নিয়ে গেল। সেখানে ওই হতভাগ্যদের সার দিয়ে দাঁড় করাল। তারপর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে গুলি চালিয়ে পাঁচ-পাঁচটি জলজ্যান্ত মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে লাশ বানিয়ে দিল। এমন ঘটনার কথা আমরা কোথায় শুনেছি? পাকিস্তানে। আফগানিস্তানে। এমন নারকীয় কাণ্ড ঘটিয়েছিল কারা? এর উত্তরও আমাদের জানা। তালিবানরা।
অসমেও কি আমরা পাকিস্তান, আফগানিস্তানের ছায়া দেখতে পাচ্ছি!
এই ছায়া কি প্রলম্বিত করার চেষ্টা হচ্ছে গোটা ভারতজুড়ে? ভিন্ন নামে? ভিন্ন কায়দায়? ভিন্ন লক্ষ্যে?
এখনই সর্বশক্তি দিয়ে ঠেকাতে না নামলে আমাদের শেষ পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হতে পারে তা ভাবলেও আঁতকে উঠতে হয়।
06th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 —‘আচ্ছে দিনে’র প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে এমন কত কত স্বপ্নই না দেশের মানুষের মনে সেদিন জেগে উঠেছিল! স্বাধীনতার পর দেশের সরকারের কাছ থেকে একমাত্র বঞ্চনাই যাঁদের প্রাপ্তি সেই পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর গরিব মানুষেরাও ‘আচ্ছে দিনে’র ডাক শুনে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছিলেন।
বিশদ

04th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

03rd  November, 2018
Loading...
অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। বিশদ

02nd  November, 2018
এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 — মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না।
বিশদ

01st  November, 2018
ঐক্যবদ্ধ ভারতের রূপকার ও আধুনিক
ভারতের স্রষ্টাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই
নরেন্দ্র মোদি

১৯৪৭ সালের প্রথমার্ধ ছিল ভারতের ইতিহাসের অত্যন্ত সঙ্কটময় সময়। ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ও দেশভাগ নিশ্চিত ছিল। কিন্তু আশঙ্কার জায়গা ছিল দেশ অসংখ্য অংশে বিভক্ত হয়ে পড়বে কি না। মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য সঙ্কটের মতো সমস্যার মধ্যেই দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  বিশদ

31st  October, 2018
সিবিআই বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে কে?
হিমাংশু সিংহ

পুলিশ ছুঁলে আঠারো ঘা। সিবিআই ছুঁলে পুরো ছত্রিশ। ছোট থেকে বড় যে মামলাই হোক অপরাধীদের হাড়ে কাঁপুনি। আটের দশকের মাঝামাঝি বোফর্স থেকে অতি সম্প্রতি এ রাজ্যের চাঞ্চল্যকর চিটফান্ড মামলা, শুরুটা এমন যেন কালই সব প্রমাণ হয়ে আদালতের রায় বেরিয়ে যাবে। ধরপাকড়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা। গ্রেপ্তার। জামিন। আবার গ্রেপ্তার।
বিশদ

30th  October, 2018
ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, কেন্দ্রেরও ভিত নড়ে উঠছে
পি চিদম্বরম

প্রাচীন প্রবাদ একরকম—‘‘দুর্ভাগ‌্য একা আসে না।’’ এখন মনে হয় যে দেবতারাও ভারতের অর্থনীতির উপর সদয় নন। আমাদের অর্থনীতির উপর আঘাত হয়ে নামছে যেসব দুঃসংবাদ, সেগুলোর উপর নজর করা যাক:  শেয়ারের দাম এত পড়ে গিয়েছে যে কেনাবেচার সূচক ১৫ মাস পূর্বে ফিরে গিয়েছে।
বিশদ

29th  October, 2018
সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল পরিস্থিতি এবার খুব অনুকূল নয়। মোদিজি জিতবেন ক্ষমতাও রক্ষা পাবে, তবে আজকের মতো এমন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সমীক্ষার ফলাফলেও এমন আভাস মিলেছে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ লোকসভার আগে যে যে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে সেগুলোর কয়েকটিতে তাঁর দলকে রীতিমতো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।
বিশদ

28th  October, 2018
Loading...
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: গত কয়েক দিন ধরে চন্দননগর কর্পোরেশনের কয়েকটি ওয়ার্ডে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গত এক সপ্তাহে মোট ছ’জনের রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু মিলেছে। ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: একদিকে অতিরিক্ত রিচার্জ ভ্যালুর বাড়তি সুবিধা প্রদান, অন্যদিকে এই ব্যবস্থায় জোনের একেবারে প্রান্তিক জায়গাগুলিকেও যুক্ত করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলে অসংরক্ষিত টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে মোবাইল টিকেটিং ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দেশের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক বরাবরই অম্ল-মধুর। হোয়াইট হাউসের কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্টকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করার উপর ‘অলিক্ষিত নিষেধাজ্ঞা’ জারি থাকে সবসময়। কিন্তু, সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্ট জিম অ্যাকোস্টা এই সব নিয়মের ধার ধারেননি। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM

Loading...
Loading...