বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’
ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। এই ধারাটির অব‌্যবহারের ভিতরেই এর ক্ষমতা। সংসদ সরকারকে যা বলল সেটা নীচের মতো করে কল্পনা করা যায়:
৭ নং ধারার দিকগুলি
সরকার তুমি আছো, কিন্তু রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কও (আরবিআই) আছে।
নির্দেশদানের ক্ষমতা তোমাকে দেব আমরা কিন্তু ... (থেমে), গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে তুমি বাধ‌্য। মনে রেখো, তুমি অবশ‌্যই গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করবে, ব‌্যাঙ্কের সঙ্গে বা ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সঙ্গে নয়।
আমরা ধরে নেব যে তুমি এবং গভর্নর একে অপরে নিয়মিত আলোচনা-পরামর্শ করো, কিন্তু এও মনে রেখ এটি একটি বিধিবদ্ধ পরামর্শ, কারণ তোমাদের মধ‌্যে স্বাভাবিক আলোচনা পরামর্শের সময় তোমরা সহমত হতে পারোনি। যখন তুমি বিধিবদ্ধ পরামর্শ করো, দয়া করে মাথায় রেখ যে, আরবিআই আইন অনুসারে, ‘অর্থনৈতিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত রাখার জন‌্য ব‌্যাঙ্ক নোট ইস‌্যু নিয়ন্ত্রণ এবং ব‌্যাঙ্ক রিজার্ভ রক্ষা করা’টা হল রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের দায়িত্ব।
বিধিবদ্ধ আলোচনা-পরামর্শ শেষে তুমি এবং গভর্নর সহমত নাও হতে পার। তখন তুমি কী করবে? তোমার মতামত জানিয়ে ফিরে আসতে পার এবং আশা করতে পার যে ব‌্যাপারটা আর একটু গড়ালে গভর্নর তাঁর মত বদলে ফেলবেন? অথবা, তুমি কি তোমার চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে (প্রেস দ‌্য নিউক্লিয়ার বাটন) গভর্নরের ইস্তফার মতো অনিবার্য কাণ্ডটির জন‌্য প্রতীক্ষা করবে?
আরবিআই বিরোধী
উপরের কথাগুলো অবশ‌্য কিছু কাল্পনিক কথোপকথন, কিন্তু এটাই হল আইনের মর্মকথা। সাম্প্রতিক ঘটনা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গভর্নরের সঙ্গে নিয়মিত পরমার্শের সময় এই কাল্পনিক কথোপকথনের রিপ্লে সরকার তার মনে মনে আর করবে না। এর পরিণতিও নজিরবিহীন—সরকার ও আরবিআই সম্মুখসমর।  
ঘটনার অনুক্রমগুলি দেখা যাক। ড. রঘুরাম রাজন অবজ্ঞাত হয়েছিলেন, তবু ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে প্রথম দফার কাজের মেয়াদ-পরবর্তী সময়েও তিনি ওই পদে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি ছিলেন। তিনি ‘যথেষ্ট ভারতীয়’ নন—এইরকম একটি অপবাদ দিয়ে কার্যত তাঁকে সরে যেতে বাধ‌্য করা হয়েছিল। তাঁর জায়গায় উর্জিত প‌্যাটেলকে আনা হল কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের মধ‌্যেই, তাঁর কর্তৃত্ব খর্ব করা হল বিমুদ্রাকরণ (ডিমনিটাইজেশন) নামক সাংঘাতিক ভুলটি করে। আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক মহলে ড. প‌্যাটেলের সুনাম নষ্ট হল। তাঁর স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার মাধ‌্যমে ড. প‌্যাটেল সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা নিয়েছিলেন। সুদের হার-টা ছিল সরকারের প্রাথমিক ভাবনার বিষয় কিন্তু, ওটা নিয়ে ড. প‌্যাটেলের কোনও ভয় ছিল না—মনিটারি পলিসি কমিটির সমর্থনটা তাঁর পিছনেই ছিল। সরকার দ্রুত টের পেল যে একমাত্র সুদের হারটাই ‘উন্নয়নের পথে বাধা’ নয়; অন‌্য কারণগুলিও খোলসা হয়ে পড়ল।
নির্মাণ ক্ষেত্রের সমস‌্যার কথা ধরা যাক। বিমুদ্রাকরণের বিরাট বিশাল ধাক্কা এসে পড়েছে নির্মাণ শিল্পের উপর। তবুও রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ার দর দ্বিগুণেরও বেশি রেখেছিল! গত জানুয়ারি থেকে সেই সংস্থাগুলির শেয়ার দর ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিল (এবং গত ছয় সপ্তাহে কমাল ২১ শতাংশ)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি ব‌্যাঙ্কঋণ পরিশোধের ব‌্যাপারে রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলি নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) পদাঙ্ক অনুসরণ করে; ব্যাঙ্ক নয় এমনসব আর্থিক সংস্থা বা এনবিএফসিগুলি কমার্শিয়াল পেপার ইস‌্যু করে টাকা সংগ্রহ করেছিল; মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন‌্য ফান্ড-ভিত্তিক লগ্নিকারীরা পেপারগুলি কিনেছিল। আইএল অ‌্যান্ড এফএস ভেঙে পড়ার কারণে এই সার্কিটটাতেই জোর ধাক্কা লেগেছিল। আজ, এনবিএফসিগুলি নতুন করে অর্থ সংগ্রহ করতে অক্ষম, অর্থের জন‌্য যেসব ক্ষেত্র এনবিএফসি’র উপর ভরসা করে তারাও সমস‌্যাও পড়ে গিয়েছে, এবং যেসব ছোট ও মাঝারি সংস্থা এনবিএফসি থেকে ঋণ পেতে অভ‌্যস্ত তারা পুঁজি জোগাড় করতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছে। বাজারকে গ্রাস করেছে ভয় আর ক্রোধ।
ফাটল
তিনটি ফাটল মেরামত করতে সরকার এখন মরিয়া। প্রথম হল লিকুইডিটি, বিশেষ করে এনবিএফসিগুলির লিকুইডিটি পরিস্থিতি এবং সেগুলির আসন্ন রিডেম্পশনের বাধ‌্যবাধকতা। দ্বিতীয় মাথাব‌্যথা হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কগুলির পুঁজির ক্ষয়, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প পুঁজি এবং ঋণ দেওয়ার অক্ষমতা, যার দরুন ওই গোত্রের অনেক সংস্থাকে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশনে (পিসিএ) পড়তে হয়েছে। তৃতীয়টি হল আগে ডিমনিটাইজেশন ও ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং এখন এনবিএফসি সংকটের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাদের ঋণদানের জন‌্য ‘স্পেশাল উইনডো’ খোলার ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। এর থেকে মনে হয় যে সরকার তার ইচ্ছের কথাটি রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ককে বিশ্বাস করাতে ব‌্যর্থ হয়েছে। আরবিআই বোর্ডে সরকার মনোনীত সদস‌্যদের মাধ‌্যমেও গভর্নরের উপর চাপসৃষ্টির চেষ্টাও ব‌্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়।
সরকারের এই দুর্ভোগ বহুগুণ হওয়ার জেরেই বাজেট অনুমিত রাজস্ব এবং সরকারের প্রকৃত আদায়ের মধ‌্যে ফারাকটা চওড়া হচ্ছে। ডিমনিটাইজেশন থেকে একটি টাকাও ‘অর্জন’ করার ব‌্যর্থতা শেষে (যদিও সরকার ৪,০০,০০০ কোটি টাকার দম্ভ করেছিল ) সরকারের নজর পড়েছে আরবিআইয়ের রিজার্ভের উপর। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরকে ১,০০,০০০ কোটি টাকা
ট্রান্সফার করার নির্দেশ সরকার দিয়েছিল বাজেট অনুমিত ব‌্যয়ের প্রয়োজন এবং লক্ষ‌্যমাত্রা
অনুযায়ী ফিসকাল ডেফিসিট মেটাতে। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরও সরাসরি সেটি প্রত‌্যাখ‌্যান করেছিলেন। এটাই হল বিস্ফোরকপাত্রে অগ্নিসংযোগের স্ফুলিঙ্গ।
বুধবার, ৩১ অক্টোবর, দিল্লি ও মুম্বই উভয় জায়গারই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ ছিল যে সরকার এক বা একাধিক বিষয়ে ৭ নং ধারামতে নির্দেশ জারি করবে এবং তার প্রতিবাদে গভর্নরও ইস্তফা দেবেন। অযাচিত, বুধবার সরকার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তারা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের ‘অটোনমি’কে মর্যাদা দেয় এবং স্বাভাবিক আলোচনা-পরামর্শ করেছে। যদি ব‌্যাপারগুলো স্বাভাবিকই ছিল তবে ওই বিবৃতি জারি করাটা ছিল অপ্রয়োজনীয়; আর জিনিসগুলো যদি স্বাভাবিক না-হয় তবে বিবৃতিটা ছিল কপট!
শুক্রবার যখন এই নিবন্ধের উপসংহার টানছি, তখন একটি স্ফুলিঙ্গ এবং একটি বিস্ফোরকপাত্র রয়েছে। এবার একটি কি অন‌্যটির দিকে এগিয়ে যাবে?
05th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
Loading...
মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 —‘আচ্ছে দিনে’র প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে এমন কত কত স্বপ্নই না দেশের মানুষের মনে সেদিন জেগে উঠেছিল! স্বাধীনতার পর দেশের সরকারের কাছ থেকে একমাত্র বঞ্চনাই যাঁদের প্রাপ্তি সেই পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর গরিব মানুষেরাও ‘আচ্ছে দিনে’র ডাক শুনে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছিলেন।
বিশদ

04th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

03rd  November, 2018
Loading...
অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। বিশদ

02nd  November, 2018
এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 — মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না।
বিশদ

01st  November, 2018
ঐক্যবদ্ধ ভারতের রূপকার ও আধুনিক
ভারতের স্রষ্টাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই
নরেন্দ্র মোদি

১৯৪৭ সালের প্রথমার্ধ ছিল ভারতের ইতিহাসের অত্যন্ত সঙ্কটময় সময়। ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ও দেশভাগ নিশ্চিত ছিল। কিন্তু আশঙ্কার জায়গা ছিল দেশ অসংখ্য অংশে বিভক্ত হয়ে পড়বে কি না। মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য সঙ্কটের মতো সমস্যার মধ্যেই দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  বিশদ

31st  October, 2018
সিবিআই বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে কে?
হিমাংশু সিংহ

পুলিশ ছুঁলে আঠারো ঘা। সিবিআই ছুঁলে পুরো ছত্রিশ। ছোট থেকে বড় যে মামলাই হোক অপরাধীদের হাড়ে কাঁপুনি। আটের দশকের মাঝামাঝি বোফর্স থেকে অতি সম্প্রতি এ রাজ্যের চাঞ্চল্যকর চিটফান্ড মামলা, শুরুটা এমন যেন কালই সব প্রমাণ হয়ে আদালতের রায় বেরিয়ে যাবে। ধরপাকড়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা। গ্রেপ্তার। জামিন। আবার গ্রেপ্তার।
বিশদ

30th  October, 2018
ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, কেন্দ্রেরও ভিত নড়ে উঠছে
পি চিদম্বরম

প্রাচীন প্রবাদ একরকম—‘‘দুর্ভাগ‌্য একা আসে না।’’ এখন মনে হয় যে দেবতারাও ভারতের অর্থনীতির উপর সদয় নন। আমাদের অর্থনীতির উপর আঘাত হয়ে নামছে যেসব দুঃসংবাদ, সেগুলোর উপর নজর করা যাক:  শেয়ারের দাম এত পড়ে গিয়েছে যে কেনাবেচার সূচক ১৫ মাস পূর্বে ফিরে গিয়েছে।
বিশদ

29th  October, 2018
সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল পরিস্থিতি এবার খুব অনুকূল নয়। মোদিজি জিতবেন ক্ষমতাও রক্ষা পাবে, তবে আজকের মতো এমন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সমীক্ষার ফলাফলেও এমন আভাস মিলেছে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ লোকসভার আগে যে যে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে সেগুলোর কয়েকটিতে তাঁর দলকে রীতিমতো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে।
বিশদ

28th  October, 2018
Loading...
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দেশের সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক বরাবরই অম্ল-মধুর। হোয়াইট হাউসের কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্টকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করার উপর ‘অলিক্ষিত নিষেধাজ্ঞা’ জারি থাকে সবসময়। কিন্তু, সিএনএন-এর হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্ট জিম অ্যাকোস্টা এই সব নিয়মের ধার ধারেননি। ...

 নিজস্ব প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ৬টি ম্যাচ পরে তিনি গোল পেলেন। এই পর্বে মোট ২০টি শট বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে নিয়েও তিনি ছিলেন অভুক্ত। দীর্ঘ ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: গত কয়েক দিন ধরে চন্দননগর কর্পোরেশনের কয়েকটি ওয়ার্ডে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গত এক সপ্তাহে মোট ছ’জনের রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু মিলেছে। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM

Loading...
Loading...