Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’
ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। এই ধারাটির অব‌্যবহারের ভিতরেই এর ক্ষমতা। সংসদ সরকারকে যা বলল সেটা নীচের মতো করে কল্পনা করা যায়:
৭ নং ধারার দিকগুলি
সরকার তুমি আছো, কিন্তু রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কও (আরবিআই) আছে।
নির্দেশদানের ক্ষমতা তোমাকে দেব আমরা কিন্তু ... (থেমে), গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে তুমি বাধ‌্য। মনে রেখো, তুমি অবশ‌্যই গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করবে, ব‌্যাঙ্কের সঙ্গে বা ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সঙ্গে নয়।
আমরা ধরে নেব যে তুমি এবং গভর্নর একে অপরে নিয়মিত আলোচনা-পরামর্শ করো, কিন্তু এও মনে রেখ এটি একটি বিধিবদ্ধ পরামর্শ, কারণ তোমাদের মধ‌্যে স্বাভাবিক আলোচনা পরামর্শের সময় তোমরা সহমত হতে পারোনি। যখন তুমি বিধিবদ্ধ পরামর্শ করো, দয়া করে মাথায় রেখ যে, আরবিআই আইন অনুসারে, ‘অর্থনৈতিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত রাখার জন‌্য ব‌্যাঙ্ক নোট ইস‌্যু নিয়ন্ত্রণ এবং ব‌্যাঙ্ক রিজার্ভ রক্ষা করা’টা হল রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের দায়িত্ব।
বিধিবদ্ধ আলোচনা-পরামর্শ শেষে তুমি এবং গভর্নর সহমত নাও হতে পার। তখন তুমি কী করবে? তোমার মতামত জানিয়ে ফিরে আসতে পার এবং আশা করতে পার যে ব‌্যাপারটা আর একটু গড়ালে গভর্নর তাঁর মত বদলে ফেলবেন? অথবা, তুমি কি তোমার চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে (প্রেস দ‌্য নিউক্লিয়ার বাটন) গভর্নরের ইস্তফার মতো অনিবার্য কাণ্ডটির জন‌্য প্রতীক্ষা করবে?
আরবিআই বিরোধী
উপরের কথাগুলো অবশ‌্য কিছু কাল্পনিক কথোপকথন, কিন্তু এটাই হল আইনের মর্মকথা। সাম্প্রতিক ঘটনা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গভর্নরের সঙ্গে নিয়মিত পরমার্শের সময় এই কাল্পনিক কথোপকথনের রিপ্লে সরকার তার মনে মনে আর করবে না। এর পরিণতিও নজিরবিহীন—সরকার ও আরবিআই সম্মুখসমর।  
ঘটনার অনুক্রমগুলি দেখা যাক। ড. রঘুরাম রাজন অবজ্ঞাত হয়েছিলেন, তবু ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে প্রথম দফার কাজের মেয়াদ-পরবর্তী সময়েও তিনি ওই পদে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি ছিলেন। তিনি ‘যথেষ্ট ভারতীয়’ নন—এইরকম একটি অপবাদ দিয়ে কার্যত তাঁকে সরে যেতে বাধ‌্য করা হয়েছিল। তাঁর জায়গায় উর্জিত প‌্যাটেলকে আনা হল কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের মধ‌্যেই, তাঁর কর্তৃত্ব খর্ব করা হল বিমুদ্রাকরণ (ডিমনিটাইজেশন) নামক সাংঘাতিক ভুলটি করে। আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক মহলে ড. প‌্যাটেলের সুনাম নষ্ট হল। তাঁর স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার মাধ‌্যমে ড. প‌্যাটেল সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা নিয়েছিলেন। সুদের হার-টা ছিল সরকারের প্রাথমিক ভাবনার বিষয় কিন্তু, ওটা নিয়ে ড. প‌্যাটেলের কোনও ভয় ছিল না—মনিটারি পলিসি কমিটির সমর্থনটা তাঁর পিছনেই ছিল। সরকার দ্রুত টের পেল যে একমাত্র সুদের হারটাই ‘উন্নয়নের পথে বাধা’ নয়; অন‌্য কারণগুলিও খোলসা হয়ে পড়ল।
নির্মাণ ক্ষেত্রের সমস‌্যার কথা ধরা যাক। বিমুদ্রাকরণের বিরাট বিশাল ধাক্কা এসে পড়েছে নির্মাণ শিল্পের উপর। তবুও রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ার দর দ্বিগুণেরও বেশি রেখেছিল! গত জানুয়ারি থেকে সেই সংস্থাগুলির শেয়ার দর ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিল (এবং গত ছয় সপ্তাহে কমাল ২১ শতাংশ)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি ব‌্যাঙ্কঋণ পরিশোধের ব‌্যাপারে রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলি নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) পদাঙ্ক অনুসরণ করে; ব্যাঙ্ক নয় এমনসব আর্থিক সংস্থা বা এনবিএফসিগুলি কমার্শিয়াল পেপার ইস‌্যু করে টাকা সংগ্রহ করেছিল; মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন‌্য ফান্ড-ভিত্তিক লগ্নিকারীরা পেপারগুলি কিনেছিল। আইএল অ‌্যান্ড এফএস ভেঙে পড়ার কারণে এই সার্কিটটাতেই জোর ধাক্কা লেগেছিল। আজ, এনবিএফসিগুলি নতুন করে অর্থ সংগ্রহ করতে অক্ষম, অর্থের জন‌্য যেসব ক্ষেত্র এনবিএফসি’র উপর ভরসা করে তারাও সমস‌্যাও পড়ে গিয়েছে, এবং যেসব ছোট ও মাঝারি সংস্থা এনবিএফসি থেকে ঋণ পেতে অভ‌্যস্ত তারা পুঁজি জোগাড় করতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছে। বাজারকে গ্রাস করেছে ভয় আর ক্রোধ।
ফাটল
তিনটি ফাটল মেরামত করতে সরকার এখন মরিয়া। প্রথম হল লিকুইডিটি, বিশেষ করে এনবিএফসিগুলির লিকুইডিটি পরিস্থিতি এবং সেগুলির আসন্ন রিডেম্পশনের বাধ‌্যবাধকতা। দ্বিতীয় মাথাব‌্যথা হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কগুলির পুঁজির ক্ষয়, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প পুঁজি এবং ঋণ দেওয়ার অক্ষমতা, যার দরুন ওই গোত্রের অনেক সংস্থাকে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশনে (পিসিএ) পড়তে হয়েছে। তৃতীয়টি হল আগে ডিমনিটাইজেশন ও ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং এখন এনবিএফসি সংকটের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাদের ঋণদানের জন‌্য ‘স্পেশাল উইনডো’ খোলার ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। এর থেকে মনে হয় যে সরকার তার ইচ্ছের কথাটি রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ককে বিশ্বাস করাতে ব‌্যর্থ হয়েছে। আরবিআই বোর্ডে সরকার মনোনীত সদস‌্যদের মাধ‌্যমেও গভর্নরের উপর চাপসৃষ্টির চেষ্টাও ব‌্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়।
সরকারের এই দুর্ভোগ বহুগুণ হওয়ার জেরেই বাজেট অনুমিত রাজস্ব এবং সরকারের প্রকৃত আদায়ের মধ‌্যে ফারাকটা চওড়া হচ্ছে। ডিমনিটাইজেশন থেকে একটি টাকাও ‘অর্জন’ করার ব‌্যর্থতা শেষে (যদিও সরকার ৪,০০,০০০ কোটি টাকার দম্ভ করেছিল ) সরকারের নজর পড়েছে আরবিআইয়ের রিজার্ভের উপর। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরকে ১,০০,০০০ কোটি টাকা
ট্রান্সফার করার নির্দেশ সরকার দিয়েছিল বাজেট অনুমিত ব‌্যয়ের প্রয়োজন এবং লক্ষ‌্যমাত্রা
অনুযায়ী ফিসকাল ডেফিসিট মেটাতে। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরও সরাসরি সেটি প্রত‌্যাখ‌্যান করেছিলেন। এটাই হল বিস্ফোরকপাত্রে অগ্নিসংযোগের স্ফুলিঙ্গ।
বুধবার, ৩১ অক্টোবর, দিল্লি ও মুম্বই উভয় জায়গারই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ ছিল যে সরকার এক বা একাধিক বিষয়ে ৭ নং ধারামতে নির্দেশ জারি করবে এবং তার প্রতিবাদে গভর্নরও ইস্তফা দেবেন। অযাচিত, বুধবার সরকার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তারা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের ‘অটোনমি’কে মর্যাদা দেয় এবং স্বাভাবিক আলোচনা-পরামর্শ করেছে। যদি ব‌্যাপারগুলো স্বাভাবিকই ছিল তবে ওই বিবৃতি জারি করাটা ছিল অপ্রয়োজনীয়; আর জিনিসগুলো যদি স্বাভাবিক না-হয় তবে বিবৃতিটা ছিল কপট!
শুক্রবার যখন এই নিবন্ধের উপসংহার টানছি, তখন একটি স্ফুলিঙ্গ এবং একটি বিস্ফোরকপাত্র রয়েছে। এবার একটি কি অন‌্যটির দিকে এগিয়ে যাবে?
05th  November, 2018
ভোট চাই, ভোট
মোশারফ হোসেন

দেশজুড়ে লোকসভা ভোটের দামামা বেজে উঠেছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে লোকসভা ভোট একটি জাতীয় উৎসবই বলা চলে। কারণ, নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান, হরেকরকম বৈচিত্র্যের মধ্যে অদ্ভুত ঐক্যের আসমুদ্র হিমাচল বিস্তৃত এই দেশে যে কোনও সামাজিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনওরকমের উৎসবে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে।
বিশদ

দক্ষ ম‌্যানেজারদের চাই, নিছক চৌকিদারদের নয় 
পি চিদম্বরম

পি চিদম্বরম: চৌকিদার হওয়াটা সম্মানের কাজ যেটা অনেক শতাব্দী ধরে চলে আসছে। চৌকিদার বা ওয়াচম‌্যানদের পাওয়া গিয়েছে সমস্ত গোষ্ঠী-সম্প্রদায় এবং পরিবেশ-পটভূমি থেকে। তাঁরা ছিলেন কিছু ব‌্যক্তি এবং তাঁদের কাজটি ছিল নিয়মমাফিক। আবাসন থেকে বাণিজ‌্য কেন্দ্র প্রভৃতি নানা স্থানে বেসরকারি উদ‌্যোগে নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের একটি সংগঠিত ব‌্যবসার জন্ম দিয়েছে উদারীকরণ নীতি।  বিশদ

25th  March, 2019
 লোকসভা ২০১৯: প্রার্থী বাছতেই
হিমশিম, মমতাকে রুখবেন কীভাবে!
শুভা দত্ত

 দোল শেষ। তবে, রাজ্যজুড়ে রঙের উৎসবের আমেজ এখনও যথেষ্টই রয়েছে। পথেঘাটে মানুষের শরীরে মনে তার ছাপ এখনও স্পষ্ট। এবার দোলে গরম তেমন অসহনীয় ছিল না। বৃষ্টিও হয়নি। বরং, শুক্রবার হোলির বিকেলে কালবৈশাখী এসে যেটুকু ভ্যাপসা গরম জমে ছিল তাও ধুয়েমুছে নিয়ে গেছে।
বিশদ

24th  March, 2019
কংগ্রেস-সিপিএম জোট যেন
সান্ধ্য মেগা সিরিয়াল!
মৃণালকান্তি দাস

শত্রু চিহ্নিত হয়েছিল বছরখানেক আগেই। কেন্দ্রে বিজেপি, রাজ্যে তৃণমূল। সেই শত্রুকে বধ করতে কংগ্রেসের সঙ্গে হাতে হাত ধরে লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হবে, সেই বার্তাও দেওয়া হচ্ছিল বহুদিন ধরে। সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে সুজন চক্রবর্তী, অধীর চৌধুরি থেকে আব্দুল মান্নান—যাঁদের জোট চর্চার সঙ্গে শত্রু-বিরোধী গরম গরম ভাষণও শোনা গিয়েছিল অনেক। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগেই অশ্বডিম্ব প্রসব করে চূড়ান্ত হাস্যস্পদে পরিণত হয়েছে দুই দল।
বিশদ

24th  March, 2019
ধর্মের বেশে ভোটব্যাঙ্ক!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

দুপুর গড়িয়ে বিকেলের পথে। তারিখটা ২৭ মে, ১৯৬৪। দিল্লির রাজপথে কালো মাথার ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা নেই। আর ভিড়ের বেশিরভাগেরই গতিমুখ তিনমূর্তি ভবনের দিকে। সেখানে শায়িত জওহরলাল নেহরু। শেষযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির গ্র্যানভিল অস্টিনও। মার্কিন ছাত্র। থিসিস লিখছেন ভারতের সংবিধানের উপর। তাই আগ্রহটা বাকিদের থেকে একটু বেশিই।  
বিশদ

23rd  March, 2019
পরিবেশ নিরুদ্দেশ 
রঞ্জন সেন

খবরের কাগজে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মানব সভ্যতার সামনে বড় বিপদ। বাতাসে কার্বন নিঃসরণ বাড়ে এমন কোনও কাজ তিনি করেন না। কার্বন নিঃসরণের বিপদ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এমন সতর্কতা খুব ভালো লাগল।  
বিশদ

23rd  March, 2019
এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার
বামফ্রন্ট এবং তার প্রার্থীতালিকা
শুভময় মৈত্র

এ দেশে বামপন্থার ইতিহাস আজকের নয়। প্রায় একশো বছর আগে ১৯২৫ সালের বড়দিনের ঠিক পরের তারিখেই কানপুরে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (সিপিআই) প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বলে শোনা যায়। সিপিএমের আবার অন্য তত্ত্বও আছে। তাদের একাংশের মতে ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির পথ চলা শুরু।
বিশদ

21st  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

19th  March, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, মালবাজার: ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাট-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুডুমারি বস্তিকে দত্তক নিয়ে মডেল ভিলেজ হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কংগ্রেসের প্রদীপ ভট্টাচার্য। কিন্তু আজও মডেল ভিলেজ গড়ে না ওঠায় বাসিন্দারা ...

 সংবাদদাতা, কাঁথি: সোমবার সকালে মারিশদা থানার তেলিপুকুর বাসস্টপের কাছে দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক বাইক আরোহী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম প্রবীর সাউ(২৭)। তাঁর বাড়ি মারিশদার বরণী গ্রামে। তিনি পেশায় প্রাইভেট টিউটর ছিলেন। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 সুকান্ত বসু, কলকাতা: তদন্তে একাধিক অসঙ্গতির কারণে ‘পকসো’ মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেন রাহুল সরকার নামে এক যুবক। সম্প্রতি শিয়ালদহের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক জীমূতবাহন বিশ্বাস ওই আদেশ দিয়েছেন। ন’বছরের এক বালিকার উপর যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রয়েছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের বিভিন্ন দিক থেকে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। হঠাৎ প্রেমে পড়তে পারেন। কর্মে উন্নতির যোগ। মাঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৪: গিলেটিনের আবিষ্কর্তা জোসেফ ইগনেস গিলেটিনের মৃত্যু
১৮২৭: জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক লুডউইগ ভ্যান বেইটোভেনের মৃত্যু
১৯৯৩: চিত্র পরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণা করল বাংলাদেশ, শুরু হল মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭৪: চিপকো আন্দোলনের সূচনা
১৯৯৯: সুরকার আনন্দশঙ্করের মৃত্যু
২০০৬: রাজনীতিবিদ অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.০৭ টাকা ৬৯.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১৭ টাকা ৯২.৬১ টাকা
ইউরো ৭৬.৫৮ টাকা ৭৯.৫৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৯৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী ৩৫/৫৬ রাত্রি ৮/২। অনুরাধা ৩/৫৯ দিবা ৭/১৫। সূ উ ৫/৩৯/২৬, অ ৫/৪৫/৫০, অমৃতযোগ দিবা ৮/৪ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৫ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২০ গতে ৪/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/৪১ গতে ৩/১৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৯ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।
১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী রাত্রি ১২/১১/১৩। অনুরাধানক্ষত্র ১১/২৩/৩৭, সূ উ ৫/৩৯/৪৩, অ ৫/৪৫/৩, অমৃতযোগ দিবা ৮/৪/৪৭ থেকে ১০/২৯/৫১ মধ্যে ও ১২/৫৪/৫৫ থেকে ২/৩১/৩৭ মধ্যে ও ৩/১৯/৫৯ থেকে ৪/৫৬/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২/৪২ মধ্যে ও ৮/৫৩/৩৮ থেকে ১১/১৪/৩৪ মধ্যে ও ১/৩৫/৩০ থেকে ৩/১০/৪৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/১০/২৩ থেকে ৮/৪১/৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১৩/৩ থেকে ২/৪৩/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৪/২৩ থেকে ৮/৪৩/৪৩ মধ্যে।
১৮ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজস্থানকে ১৮৫ রানের টার্গেট দিল পাঞ্জাব  

25-03-2019 - 09:54:37 PM

 পাঞ্জাব ৬৮/২ (১০ ওভার)  

25-03-2019 - 08:51:00 PM

রাজ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে অবসার্ভাররা কে কে?
প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের জেনারেল অবসার্ভারদের নাম ...বিশদ

25-03-2019 - 08:15:22 PM

দ্বিতীয় দফা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস 
দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। এঁদের মধ্যে কলকাতা ...বিশদ

25-03-2019 - 08:08:00 PM

দুটি পৃথক ঘটনায় দুই জেলা শাসকের কাছে রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বিমানবন্দরে সোনাকাণ্ড নিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা শাসকের কাছে ...বিশদ

25-03-2019 - 07:31:10 PM

বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে বিজেপি যুবমোর্চা নেতা আটক
বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে আটক করা হল আলিপুরদুয়ারের এক ...বিশদ

25-03-2019 - 06:38:39 PM