Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’
ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। এই ধারাটির অব‌্যবহারের ভিতরেই এর ক্ষমতা। সংসদ সরকারকে যা বলল সেটা নীচের মতো করে কল্পনা করা যায়:
৭ নং ধারার দিকগুলি
সরকার তুমি আছো, কিন্তু রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কও (আরবিআই) আছে।
নির্দেশদানের ক্ষমতা তোমাকে দেব আমরা কিন্তু ... (থেমে), গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে তুমি বাধ‌্য। মনে রেখো, তুমি অবশ‌্যই গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করবে, ব‌্যাঙ্কের সঙ্গে বা ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সঙ্গে নয়।
আমরা ধরে নেব যে তুমি এবং গভর্নর একে অপরে নিয়মিত আলোচনা-পরামর্শ করো, কিন্তু এও মনে রেখ এটি একটি বিধিবদ্ধ পরামর্শ, কারণ তোমাদের মধ‌্যে স্বাভাবিক আলোচনা পরামর্শের সময় তোমরা সহমত হতে পারোনি। যখন তুমি বিধিবদ্ধ পরামর্শ করো, দয়া করে মাথায় রেখ যে, আরবিআই আইন অনুসারে, ‘অর্থনৈতিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত রাখার জন‌্য ব‌্যাঙ্ক নোট ইস‌্যু নিয়ন্ত্রণ এবং ব‌্যাঙ্ক রিজার্ভ রক্ষা করা’টা হল রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের দায়িত্ব।
বিধিবদ্ধ আলোচনা-পরামর্শ শেষে তুমি এবং গভর্নর সহমত নাও হতে পার। তখন তুমি কী করবে? তোমার মতামত জানিয়ে ফিরে আসতে পার এবং আশা করতে পার যে ব‌্যাপারটা আর একটু গড়ালে গভর্নর তাঁর মত বদলে ফেলবেন? অথবা, তুমি কি তোমার চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে (প্রেস দ‌্য নিউক্লিয়ার বাটন) গভর্নরের ইস্তফার মতো অনিবার্য কাণ্ডটির জন‌্য প্রতীক্ষা করবে?
আরবিআই বিরোধী
উপরের কথাগুলো অবশ‌্য কিছু কাল্পনিক কথোপকথন, কিন্তু এটাই হল আইনের মর্মকথা। সাম্প্রতিক ঘটনা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গভর্নরের সঙ্গে নিয়মিত পরমার্শের সময় এই কাল্পনিক কথোপকথনের রিপ্লে সরকার তার মনে মনে আর করবে না। এর পরিণতিও নজিরবিহীন—সরকার ও আরবিআই সম্মুখসমর।  
ঘটনার অনুক্রমগুলি দেখা যাক। ড. রঘুরাম রাজন অবজ্ঞাত হয়েছিলেন, তবু ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে প্রথম দফার কাজের মেয়াদ-পরবর্তী সময়েও তিনি ওই পদে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি ছিলেন। তিনি ‘যথেষ্ট ভারতীয়’ নন—এইরকম একটি অপবাদ দিয়ে কার্যত তাঁকে সরে যেতে বাধ‌্য করা হয়েছিল। তাঁর জায়গায় উর্জিত প‌্যাটেলকে আনা হল কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের মধ‌্যেই, তাঁর কর্তৃত্ব খর্ব করা হল বিমুদ্রাকরণ (ডিমনিটাইজেশন) নামক সাংঘাতিক ভুলটি করে। আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক মহলে ড. প‌্যাটেলের সুনাম নষ্ট হল। তাঁর স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার মাধ‌্যমে ড. প‌্যাটেল সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা নিয়েছিলেন। সুদের হার-টা ছিল সরকারের প্রাথমিক ভাবনার বিষয় কিন্তু, ওটা নিয়ে ড. প‌্যাটেলের কোনও ভয় ছিল না—মনিটারি পলিসি কমিটির সমর্থনটা তাঁর পিছনেই ছিল। সরকার দ্রুত টের পেল যে একমাত্র সুদের হারটাই ‘উন্নয়নের পথে বাধা’ নয়; অন‌্য কারণগুলিও খোলসা হয়ে পড়ল।
নির্মাণ ক্ষেত্রের সমস‌্যার কথা ধরা যাক। বিমুদ্রাকরণের বিরাট বিশাল ধাক্কা এসে পড়েছে নির্মাণ শিল্পের উপর। তবুও রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ার দর দ্বিগুণেরও বেশি রেখেছিল! গত জানুয়ারি থেকে সেই সংস্থাগুলির শেয়ার দর ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিল (এবং গত ছয় সপ্তাহে কমাল ২১ শতাংশ)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি ব‌্যাঙ্কঋণ পরিশোধের ব‌্যাপারে রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলি নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) পদাঙ্ক অনুসরণ করে; ব্যাঙ্ক নয় এমনসব আর্থিক সংস্থা বা এনবিএফসিগুলি কমার্শিয়াল পেপার ইস‌্যু করে টাকা সংগ্রহ করেছিল; মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন‌্য ফান্ড-ভিত্তিক লগ্নিকারীরা পেপারগুলি কিনেছিল। আইএল অ‌্যান্ড এফএস ভেঙে পড়ার কারণে এই সার্কিটটাতেই জোর ধাক্কা লেগেছিল। আজ, এনবিএফসিগুলি নতুন করে অর্থ সংগ্রহ করতে অক্ষম, অর্থের জন‌্য যেসব ক্ষেত্র এনবিএফসি’র উপর ভরসা করে তারাও সমস‌্যাও পড়ে গিয়েছে, এবং যেসব ছোট ও মাঝারি সংস্থা এনবিএফসি থেকে ঋণ পেতে অভ‌্যস্ত তারা পুঁজি জোগাড় করতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছে। বাজারকে গ্রাস করেছে ভয় আর ক্রোধ।
ফাটল
তিনটি ফাটল মেরামত করতে সরকার এখন মরিয়া। প্রথম হল লিকুইডিটি, বিশেষ করে এনবিএফসিগুলির লিকুইডিটি পরিস্থিতি এবং সেগুলির আসন্ন রিডেম্পশনের বাধ‌্যবাধকতা। দ্বিতীয় মাথাব‌্যথা হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কগুলির পুঁজির ক্ষয়, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প পুঁজি এবং ঋণ দেওয়ার অক্ষমতা, যার দরুন ওই গোত্রের অনেক সংস্থাকে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশনে (পিসিএ) পড়তে হয়েছে। তৃতীয়টি হল আগে ডিমনিটাইজেশন ও ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং এখন এনবিএফসি সংকটের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাদের ঋণদানের জন‌্য ‘স্পেশাল উইনডো’ খোলার ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। এর থেকে মনে হয় যে সরকার তার ইচ্ছের কথাটি রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ককে বিশ্বাস করাতে ব‌্যর্থ হয়েছে। আরবিআই বোর্ডে সরকার মনোনীত সদস‌্যদের মাধ‌্যমেও গভর্নরের উপর চাপসৃষ্টির চেষ্টাও ব‌্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়।
সরকারের এই দুর্ভোগ বহুগুণ হওয়ার জেরেই বাজেট অনুমিত রাজস্ব এবং সরকারের প্রকৃত আদায়ের মধ‌্যে ফারাকটা চওড়া হচ্ছে। ডিমনিটাইজেশন থেকে একটি টাকাও ‘অর্জন’ করার ব‌্যর্থতা শেষে (যদিও সরকার ৪,০০,০০০ কোটি টাকার দম্ভ করেছিল ) সরকারের নজর পড়েছে আরবিআইয়ের রিজার্ভের উপর। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরকে ১,০০,০০০ কোটি টাকা
ট্রান্সফার করার নির্দেশ সরকার দিয়েছিল বাজেট অনুমিত ব‌্যয়ের প্রয়োজন এবং লক্ষ‌্যমাত্রা
অনুযায়ী ফিসকাল ডেফিসিট মেটাতে। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরও সরাসরি সেটি প্রত‌্যাখ‌্যান করেছিলেন। এটাই হল বিস্ফোরকপাত্রে অগ্নিসংযোগের স্ফুলিঙ্গ।
বুধবার, ৩১ অক্টোবর, দিল্লি ও মুম্বই উভয় জায়গারই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ ছিল যে সরকার এক বা একাধিক বিষয়ে ৭ নং ধারামতে নির্দেশ জারি করবে এবং তার প্রতিবাদে গভর্নরও ইস্তফা দেবেন। অযাচিত, বুধবার সরকার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তারা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের ‘অটোনমি’কে মর্যাদা দেয় এবং স্বাভাবিক আলোচনা-পরামর্শ করেছে। যদি ব‌্যাপারগুলো স্বাভাবিকই ছিল তবে ওই বিবৃতি জারি করাটা ছিল অপ্রয়োজনীয়; আর জিনিসগুলো যদি স্বাভাবিক না-হয় তবে বিবৃতিটা ছিল কপট!
শুক্রবার যখন এই নিবন্ধের উপসংহার টানছি, তখন একটি স্ফুলিঙ্গ এবং একটি বিস্ফোরকপাত্র রয়েছে। এবার একটি কি অন‌্যটির দিকে এগিয়ে যাবে?
05th  November, 2018
ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’
বিশদ

08th  July, 2019
একনজরে
 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন মতো পাইপ কিনতে হবে। তবে তা কিনে ফেলে রাখা যাবে না বলে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের সব এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখে প্রতি মাসে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে রিপোর্ট ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিলিতে দুর্নীতি ঠেকাতে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ত্রিপল বিলি করছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের বিডিও। পাশাপাশি ত্রাণ শিবিরে খাবার বিলিতেও বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শনিবার দুপুরে পাঁচলার গাববেড়িয়ায় টোটো ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল এক শিশুর। তার নাম আমিরুদ্দিন শাহ (৭)। বাড়ি সিদ্ধেশ্বরী সাহাপাড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, এদিন ওই শিশুটি মায়ের সঙ্গে একটি টোটোয় মাজারে যাচ্ছিল। তখন একটি লরি ওই টোটোয় ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গ্রামের একমাত্র জল নিকাশির জায়গায় রাইসমিল গড়ে তোলার প্রতিবাদে শুক্রবার রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানালেন তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এই ব্লকের চাকপাড়া, মালসা ও ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফিবছর বর্ষার সময় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ দই খেয়ে শুভ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৯২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,৪৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ১০/১৮ দিবা ৯/১৪। শতভিষা অহোরাত্র। সূ উ ৫/৬/৩, অ ৬/১৯/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১/২ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩১ মধ্যে পুনঃ ২/১৪ গতে ৩/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে ৩/১ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৬ গতে উদয়াবধি।
৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪/২৪/৪ দিবা ৬/৫১/২। শতভিষানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৫/৫/২৪, অ ৬/২১/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২ গতে ১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৫ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৬ গতে ৩/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ১/২৩/১৫ গতে ৩/২/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৪৪/৫৮ মধ্যে ও ৪/৪২/২৩ গতে ৬/২১/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪২/২৩ মধ্যে ও ৩/৪৪/৫৮ গতে ৫/৫/৪১ মধ্যে। 
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পাথরপ্রতিমায় পুকুরে কুমির
পাথরপ্রতিমা ব্লকের কুয়েমুড়ি গ্রামের একটি পুকুরে প্রমাণ সাইজের কুমির দেখা ...বিশদ

08:30:00 AM

স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতার জন্য পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি 
স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতা নিয়ে পরামর্শ চেয়ে আবারও জনতার দরবারে প্রধানমন্ত্রী ...বিশদ

08:30:00 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। বৃষ: মাতৃস্থানীয় ব্যক্তির স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত। মিথুন: সম্পত্তি লাভের ...বিশদ

08:11:47 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম১৮৯৯: লেখক বনফুল ...বিশদ

07:50:00 AM

২২ জুলাই কর্ণাটক বিধানসভায় আস্থাভোট 

19-07-2019 - 08:37:08 PM

গড়িয়াহাট রোডে গাড়িতে আগুন, হতাহত নেই 

19-07-2019 - 06:58:00 PM