বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
‘আচ্ছে দিন’। এই একটি প্রতিশ্রুতিতেই মজে গিয়েছিল গোটা দেশ। দুর্নীতিমুক্ত শিল্পে ঝলমল বেকারবিহীন একটা ভারত গড়ে উঠবে, গরিব মানুষ দু’বেলা পেটপুরে খেতে পাবে, মধ্যবিত্তের সংসারের ওপর থেকে করের বোঝা সমেত আর্থিক চাপগুলো কিছুটা হলেও হালকা হবে, স্বাস্থ্য শিক্ষা সমেত যাবতীয় পরিষেবা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের আয়ত্তে আসবে—‘আচ্ছে দিনে’র প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে এমন কত কত স্বপ্নই না দেশের মানুষের মনে সেদিন জেগে উঠেছিল! স্বাধীনতার পর দেশের সরকারের কাছ থেকে একমাত্র বঞ্চনাই যাঁদের প্রাপ্তি সেই পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর গরিব মানুষেরাও ‘আচ্ছে দিনে’র ডাক শুনে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছিলেন। শিল্পায়নে দেশের অন্যতম সেরা রাজ্য গুজরাতের ‘মুখ্যমন্ত্রী’, বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদির নাটকীয় ভাষণ, আচ্ছে দিন আনার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি তাঁদের মনে মনে জেগে ওঠা স্বপ্নগুলোকে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের মুখে যেন আরও মোহময় আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। ভিড় ঠাসা জমজমাট সব সভায় ওই বিশাল পুরুষের জোরালো কণ্ঠের প্রতিশ্রুতিতে সত্যি বলতে কী, দেশের আমজনতা সেদিন অবিশ্বাস করার মতো কোনও কারণই খুঁজে পাননি।
বরং, শিল্পোন্নত গুজরাতের উজ্জ্বল মডেলের দিকে চেয়ে তাঁরা বিশ্বাস করেছিলেন, দেশ শাসনের দায়িত্ব পেলে নরেন্দ্র মোদি ভারতের ভোল বদলে দেবেন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ আমলের দুর্নীতি, বেকারি, শিল্পক্ষেত্রে মন্দা, লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, শাসন শৃঙ্খলার অভাবের মতো জঞ্জাল যন্ত্রণা হটিয়ে নতুন ভারত গড়ে দেবেন মোদিজি। দেশের মানুষের ঘরে ঘরে নেমে আসবে আচ্ছে দিন। এবং সেই আশায় ভর করেই গোটা দেশ সমর্থন উজাড় করে দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির ভোটবাক্সে—রেকর্ড আসন জিতে দিল্লির মসনদে গিয়ে বসেছিলেন মোদিজি।
তারপর দেখতে দেখতে গড়িয়ে গেছে চার বছরেরও বেশি। সামনে এসে পড়েছে আর একটা লোকসভা ভোট। ২০১৯ সালের সেই ভোটযুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। জনমনোরঞ্জনের তাগিদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ নানান কায়দাকৌশলের রাজনীতি নিয়ে নেমে পড়েছেন আমজনতার মাঝে। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সর্দার প্যাটেলের মূর্তি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ওই মূর্তি বসানো নিয়ে স্থানীয়ভাবে কিছু অসন্তোষ মাথাচাড়া দিয়েছে ঠিকই কিন্তু তাতে কর্ণপাত করছে না শাসকদল। বরং, নোটবন্দি, নীরব-চোকসি-মালিয়ার লুঠ থেকে রাফাল-বিতর্ক, সিবিআই কাণ্ড—সব চাপা দিয়ে ঐক্য সংহতি উন্নতি প্রগতির উন্নত ভারত, স্বচ্ছ ভারত ডিজিটাল ইন্ডিয়ার রূপকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যাপক সাফল্য জাহির করতে ভোটের বাজারে ওই বিশাল মূর্তি স্থাপনের অতুল কীর্তিকেও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে চাইছেন তাঁরা।
অন্যদিকে, বিরোধীরাও বসে নেই। চন্দ্রবাবু নাইড়ুর হাত ধরে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মোদি-বিরোধী জোটকে আরও বড় এবং আরও শক্তিশালী করে তোলার জোরদার উদ্যোগ শুরু করে দিয়েছেন। এমনকী সেই জোটে প্রকারান্তরে শরিক হতে সিপিএমও যে বিশেষ আগ্রহী সেটা ক’দিন আগে কংগ্রেসের সঙ্গে ভোটবন্ধুত্বের বার্তা দিয়ে পার্টির রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র প্রকাশ্য সভাতেই জানিয়ে দিয়েছেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্ট তো আছেই। এবং মমতার এই ফেডারেল ফ্রন্টই যে শাসক বিজেপি’র দ্বিতীয়বার দিল্লি জয় এবং সেইসূত্রে মোদিজি’র দ্বিতীয়বারের প্রধানমন্ত্রিত্বের পথে সবচেয়ে বড় কাঁটা হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা ইতিমধ্যেই নাকি গেরুয়া শিবিরে পৌঁছে দিয়েছে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞমহল!
সেজন্য আপাতত মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে সবদিক থেকে সন্তুষ্ট রাখার একটা কেন্দ্রীয় চেষ্টাও নাকি বলবৎ হয়েছে। তবে, তাতে মমতাকে কতটা গলানো যাবে তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকে মনে করছেন, আসন্ন ভোটযুদ্ধের ময়দানে এ রাজ্যে তো বটেই, অন্যত্রও মুখ্যমন্ত্রী তথা জননেত্রী মমতার প্রভাব প্রতিপত্তি এবং সৎ-স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কড়া টক্কর অপেক্ষা করছে দেশের শাসক বিজেপি’র জন্য। সেই টক্কর মোকাবিলার জন্যও নাকি আলাদা প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে পদ্মশিবিরে। অবশ্য, বড় ভোটের কিছু মাস আগে থেকে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের পরিস্থিতি এমনই হয়ে থাকে। একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব, কথার লড়াই, মন্তব্য, বাক-বিতণ্ডা। এমন সব দৃশ্য সকলের কাছেই খুব পরিচিত।
কিন্তু, ক’দিন আগে এই পরিচিত দৃশ্যে একটা বড় ঝটকা লেগেছে, রাজ্যবাসী তো বটেই, দেশের বাকি এলাকার সাধারণ মানুষও হয়তো সেই ঝটকা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন। অবশ্য ঝটকার মূল্য লক্ষ পাবলিক ছিল না, ছিলেন স্বয়ং মোদিজি! মোদিজির প্রতিশ্রুতিকে হাতিয়ার করে মোদিজিকেই ঝটকা দিয়েছেন মমতা! গত লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির অন্যতম বড় এবং প্রভাবশালী প্রতিশ্রুতি ছিল ‘আচ্ছে দিন’। কিন্তু, দেশের মানুষ আজ ভালোই জানেন, আচ্ছে দিনের স্বপ্ন শেষপর্যন্ত স্বপ্নই থেকে গেছে। বাস্তবে আচ্ছে দিনের আরাম দূরে থাক, খেয়ে-পরে সংসার পরিজন নিয়ে বেঁচেবর্তে থাকাটাই দিনের পর দিন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে! হবে না কেন? দেশের পরিস্থিতিটা দেখুন! টাকার দাম পড়তির দিকে, তার জেরে ব্যবসাবাণিজ্যে মন্দা, শিল্প কর্মসংস্থানের অভাবে ক্রমবর্ধমান বেকারি, ডিজেল, পেট্রল কেরোসিনের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, জীবনদায়ী ওষুধের অগ্নিমূল্য, জমা টাকায় সুদ নামছে আর জাতীয়তাবাদ ধর্ম ইত্যাদির নামে দেশজুড়ে অশান্তি খুনোখুনিতে রক্তাক্ত দেশ! এমন পরিস্থিতিতে আচ্ছে দিনের স্বপ্ন ফিকে হবে না? হবে এবং হয়েওছে।
এই ফিকে স্বপ্নকেই ফের উজ্জ্বল করে তুলে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা। এবং তাঁর মা-মাটি-মানুষের বাংলাকেই এই স্বপ্নকে সাকার করে তোলার দায়িত্ব দিয়েছেন! গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের সভায় মমতার আচ্ছে দিন আনার এই আহ্বান সঙ্গতকারণেই আলোড়ন ফেলে দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই বলছেন, মোদিজির অস্ত্রে তিনি মোদিজিকেই ঘায়েল করেছেন। কারণ, দেশের মানুষ আজ বুঝে গেছেন, মোদি সরকার দুর্নীতি থেকে মূল্যবৃদ্ধি কিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি, পারছে না। রাফাল এবং সিবিআই কাণ্ডের পর সেটা আরও স্পষ্ট। এরপর ভারতবাসীর জন্য আচ্ছে দিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে খুব সহজ নয়, সম্ভব কতটা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গেছে। সেক্ষেত্রে মমতার ওপর মানুষের আস্থা অনেক বেশি।
কারণ, পশ্চিমবঙ্গে পর পর দু’দফা নির্বাচন জিতেছেন তিনি এবং জিতেছেন বিপুল ভোটে ও আসনে। বিধানসভায় বিরোধীরা কার্যত লিলিপুট আজ। কিন্তু, এমন বড় বড় দুটি জয় পেয়েও মমতা তাঁর একটি প্রতিশ্রুতিও ভোলেননি। একেবারে শুরুর দিন থেকে আজ অবধি মা-মাটি-মানুষের সার্বিক উন্নয়নে সিপিএমের শাসনে রুগ্‌ণ হতশ্রী বাংলার মুখে নতুন করে শক্তি ও সাফল্যের হাসি ফুটিয়েছেন তিনি। কন্যাশ্রী প্রকল্পকে তুলে নিয়ে গেছেন বিশ্বমানে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য সমেত যাবতীয় পরিষেবা গ্রামের গরিব মানুষের নাগালের মধ্যে পৌঁছে দিয়েছেন। এমনকী নানা সরকারি অনুদান দিয়ে পিছিয়ে পড়া আর্থিকভাবে দুর্বল ঘরের ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষা থেকে খেলাধুলো, স্বনির্ভর কর্মসংস্থান থেকে বিয়ে সব ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত জঙ্গলমহল থেকে দার্জিলিং পাহাড় তাঁর চেষ্টায় আজ রাজনৈতিক উপদ্রব মুক্ত, উন্নয়নশীল। পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে শিল্পায়নেও সাড়া পড়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে উন্নত প্রযুক্তির শিল্প আনতে গত কয়েক বছর ধরে যে অক্লান্ত চেষ্টা চালিয়ে চলেছেন আজ তার ফলও একটু একটু করে পেতে শুরু করেছে এই রাজ্য। এমন পরিস্থিতিতে আচ্ছে দিন আনার ডাক
দিয়েছেন মমতা। এখন প্রশ্ন হল, মমতার ‘আচ্ছে দিন’ আনার ডাক মোদিজির চাপ কি বাড়িয়ে দিল?
দিল কি না আমরা জানি না। তবে, মমতার মতো উদ্যোগী এবং সফল একজন মুখ্যমন্ত্রী যখন আচ্ছে দিন আনার ডাক দিচ্ছেন—বাংলাকে সে দায়িত্ব
কাঁধে তুলে নিতে বলছেন—মানুষ কিন্তু বিশ্বাস করবে। অবশ্যই করবে। বলছেন, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরাই। ঠিক সেই কারণেই করবে যে কারণে ২০১৪ সালে আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করেছিল দেশ। সেদিন দেশের মানুষের চোখে ছিল মোদিজির শিল্পোন্নত ‘গুজরাত মডেল’ আর আজ তার জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বজয়ী ‘বাংলা মডেল’। গুজরাত মডেলে আস্থা রেখে হতাশ রাজ্য তথা দেশের মানুষ যদি আজ মমতার ‘বাংলা মডেলে’র পক্ষে দাঁড়ায় অবাক হওয়ার কী আছে?
04th  November, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: সব্জি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে জিয়াগঞ্জ সদর ঘাট সংলগ্ন সব্জি বাজারের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ৬০০০বর্গ ফুটের ছাদ ঢালাই করতে ৫০লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM