বিশেষ নিবন্ধ
 

কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বাম আমলের শেষের দিকে পুজোর বিস্তার পঞ্চমী থেকে একাদশী পর্যন্ত এগিয়েছিল। তবে আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকে সাধারণভাবে পুজো চার দিনেরই হতো, সপ্তমী থেকে দশমী। পাড়ার ছেলেরা মণ্ডপে ঠাকুর আনত পঞ্চমীর সন্ধেবেলা। প্রতিমার মুখ ঢাকা থাকত ষষ্ঠীতে বোধনের আগে পর্যন্ত। ঢাকে কাঠি পড়ত ষষ্ঠীতেই, কিন্তু সারা দিন-রাতের হইচই শুরু হতো সপ্তমীতে। কোনও কোনও বছরে পুজোর দুটো দিন চব্বিশ ঘণ্টায় ঢুকে গিয়ে উৎসবকে আরও ছোট করে দিত। সে পুজোগুলো পাড়ার ছেলে-ছোকরাদের কাছে আশাভঙ্গের। তবে কোনও কোনও বার দশমী পড়ত শনিবারে আর সেই যুক্তিতে ভাসান পিছিয়ে দেওয়া হতো একাদশী পর্যন্ত। হইচইয়ের সময় বাড়ত আরও একটা দিন। এখন যে তেরোদিনের দুর্গাপুজো তা কিন্তু অবশ্যই আগে ছিল না। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা মোটেই ধর্মান্ধ নন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধর্ম জিরাফে তুলে নিরীশ্বরবাদী। তবে যারা অল্প হলেও ধর্ম মানেন, আর যারা সেভাবে ধর্ম না মানলেও এ দেশের সনাতন সংস্কার একেবারে উড়িয়ে দেন না, তাঁদের কপালে তেরোদিনের পুজো কিন্তু চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। এ বিষয়টা পুরোপুরি সামাজিক। মহালয়ার পরদিন থেকেই মণ্ডপে মানুষের ঢল, দশমীর বিষণ্ণতা উধাও, লক্ষীপুজোর দু-একদিন আগে ভাসানের কার্নিভাল, সব মিলিয়ে দুর্গাপুজো চরিত্র বদল করে এমন এক উৎসবের বার্তা দিচ্ছে যা কিনা পশ্চিম গোলার্ধে খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে নববর্ষ উদযাপনের থেকেও অনেক বেশি দীর্ঘ।
একটু খুঁজলেই যে সমস্ত তথ্য পাবেন তার থেকে পরিষ্কার রাজ্যে পুজো সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন এখন এক লক্ষ কোটি ভারতীয় মুদ্রার আশেপাশে। বুঝতে অসুবিধে হয় না সংখ্যাটা ঠিক কতটা বড়। ২০১৮-১৯-এ রাজ্যের মোট খরচ ধরা হয়েছে দু’লক্ষ কোটি টাকার সামান্য কম। আর তার থেকে কিছুটা কম রাজ্যের রোজগার। কারণ, এগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই হয়। আমাদের রাজ্যের জিডিপি দশ লক্ষ কোটির সামান্য বেশি। অর্থাৎ দুর্গাপুজো নিয়ে যে হইচই, তার অর্থনৈতিক তাৎপর্য অসীম, এবং এত বিশাল অঙ্কের টাকা অবশ্যই অমিত পরাক্রমশালী। মূর্তি, পুজোর উপকরণ, মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এগুলো তো পুজো সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এছাড়াও পুজোর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত নতুন জামাকাপড় কেনা, ঘুরে বেড়ানো (শহরের মধ্যে ঠাকুর দেখা, এবং রাজ্যের বাইরে বেড়াতে যাওয়া) আর প্রচুর খাওয়াদাওয়া। নতুন বলতে যেটা শোনা যাচ্ছে যে বিদেশি পর্যটকেরা নাকি দলে দলে আসবেন মহালয়া থেকে ত্রয়োদশীর কার্নিভাল পর্যন্ত এই লম্বা পুজো উপভোগ করতে। এই ভাবনায় এমন কিছু নতুনত্ব নেই, আর পুজোর সময় যদি বিদেশি পর্যটকদের ঢল নামত, তাহলে সেটা দিন বাড়ানোর সঙ্গে মোটেও সম্পর্কিত নয়। তবে রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তর যদি পুজোকে বিশ্বের দরবারে পেশ করার ব্যাপারে আরও বেশি উৎসাহের সঙ্গে উদ্যোগ নেয় তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।
পুজোর এক লক্ষ কোটির ভাগাভাগিতে ফিরে আসার আগে একটু কাজের দিনের সংখ্যার কথা ভাবা যাক। তেরো দিনের মধ্যে এমনিতেই দুটো করে শনি রবির চার দিন আর দুর্গাপুজোর পাঁচদিন বাদ দিলেও পড়ে থাকে আরও চারটে চব্বিশ ঘণ্টা। সকলেই বলবেন আমাদের দেশের মানুষজন আর বাকি চারদিনে কতটা কাজ করবেন? একথা সত্যি। কিন্তু এটাও যুক্তির কথা যে যাঁরা কাজ করতে চান, তাঁদের পক্ষে এই দিনগুলো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাম আমলের তুলনায় আজকের রাজত্বে পুজোর বিস্তার বেড়েছে বিপুল। সেই হিসেবে কলকাতা শহরে বুকে জনপ্লাবন দৈনন্দিন জীবনে যথেষ্ট অসুবিধা এবং অস্বাভাবিকতা ডেকে আনছে। বিদেশিরা যদি সত্যিই পুজো উপভোগ করতে আসেন তাঁদের মধ্যে অনেককেই তো আবার উড়োজাহাজে করে দমদম বিমানবন্দর হয়েই ফিরবেন। সেক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ভিআইপি রোড। সেই রাস্তা পুজোর সময় প্রায় বন্ধ। একইরকমভাবে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তাঘাট পুজোর সময় দখল হয়ে যায় মণ্ডপসজ্জার দাপাদাপিতে। মানুষ উৎসবে শামিল হবেন, আনন্দে মাতবেন, পুজো বাঙালি বা হিন্দুদের উৎসব এই তকমা ছাড়িয়ে আলোড়ন তুলবে বিশ্ববঙ্গে, সেটাই তো বাংলার মানুষ হিসেবে আমরা চাইব। কিন্তু মহরমের মিছিল যদি একদিনের বদলে কলকাতা শহরে তিনদিন ধরে চলে, পঁচিশে ডিসেম্বরের আগে পরে আরও পাঁচটা সন্ধ্যায় যদি পার্ক স্ট্রিটে গাড়ি চলা বন্ধ হয়ে যায়, জৈনদের প্রভাতফেরি যদি মাসে একটা করে কাজের দিন বেলগাছিয়া চত্বর ঘেঁটে দেয়, গুরু নানককে স্মরণ করে শিখদের মিছিল যদি একদিনের বদলে দশ দিন পথ আটকায় মধ্য কলকাতার, তাহলে দুর্গাপুজোর আনন্দের ভাগ অপরকে দেওয়া প্রগতিশীল বাঙালি অন্যদের উৎসব কতটা ফুর্তিতে ভোগ করবেন সেই ভাবনা তো বিশ্লেষণী মনে টোকা দেবেই। বামপন্থীরা দুর্গাপুজোয় কিছু মার্ক্সবাদী সাহিত্যের দোকান ছাড়া খুব বেশি জায়গা দখল করেন না। একটু লক্ষ করলে দেখবেন, এবারের দুর্গাপুজোয় গতবারের মতো বিজেপি বা আরএসএস-এর দাপাদাপি রাজ্যে একেবারেই নেই। প্রায় হারিয়ে যেতে বসা দু-একজন কংগ্রেসি নেতা বহু কষ্টে তাঁদের পুজো চালাচ্ছেন। ফলে এই লক্ষ কোটির সার্বজনীন দুর্গোৎসবের টাকা মূলত কোনও রাজনৈতিক দলের টার্ন-ওভার সেটা বোঝার জন্যে বেশি বুদ্ধি খরচ করতে হয় না।
রাজ্য সরকার সৎ উদ্দেশ্যে সামান্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন অনুরোধ করেছেন কিছু পুজো কমিটিকে। প্রতিদানে দশ হাজার টাকা করে ছাব্বিশ হাজার পুজোকে দেওয়া এই অনুদান পৌঁছেছে মোট ছাব্বিশ কোটিতে। এই অর্থ পুজোর মোট হিসেবের তুলনায় একেবারেই নস্যি। উত্তর কলকাতার প্রান্তে মানুষের মুখে ঘুরে বেড়িয়েছে সাড়ে তিন কোটির প্যান্ডেলের গল্প, দক্ষিণ কলকাতায় তা পৌঁছেছে চল্লিশ কোটিতে। পূর্ব কলকাতায় সোনায় অরুচি, জায়গা নিয়েছে হিরে। শহর ছাড়িয়ে মফস্‌স঩লেও পুজোর আস্ফালন টাকায়। আচার, সংস্কৃতি, ভক্তি, বিশ্বাস সব ছাড়িয়ে লক্ষ কোটি মানুষ ছুটছেন মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে। প্রতিমা, মণ্ডপ বা আলোকসজ্জার সৌন্দর্যের থেকে বেশি করে আলোচনা হচ্ছে সেগুলোর মূল্যমান নিয়ে। জনগণ দেখছেন, কিন্তু বিষয়গুলোর উপস্থাপনায় যে টাকা খরচ হচ্ছে তার দখল নিচ্ছেন অল্প কিছু মানুষ। এবং, আজকের দিনে অবশ্যই তাঁদের বেশিরভাগ অংশ তৃণমূলের নেতা। এখানে প্রশ্ন কিন্তু মোটেও দুর্নীতির নয়। এখানে উদ্দেশ্য বেশি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের। এই বিপুল অর্থ ব্যবহার করতে পারছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা থেকে পাড়ার মাঝের সারির দাদারা। পুজোর মধ্যে প্রতিমা কিংবা মণ্ডপসজ্জার প্রতিযোগিতা নিয়ে ঠুনকো ঝগড়ায় মাতছেন শহুরে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগের রাজত্বে বাম নেতারা অন্য অনেকরকম ভাবে সমাজে প্রভাব বিস্তার করলেও এই রাস্তায় হাঁটার সুযোগ তাদের বেশি ছিল না। আজকের দিনে অবশ্যই এর দখল নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে বিজেপি নেতৃত্ব, কিন্তু তৃণমূলের ব্যাপকতার সামনে এবার তাঁরা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন। অর্থাৎ এবারের দুর্গাপুজোর নিরিখে বামরাজত্বের পরে কোনও একটা সময় রামরাজত্বের গল্প আপাতত পুরোটাই অলীক কল্পনা হয়ে রইল।
সবশেষে বলতেই হয় যে তৃণমূল সরকার সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে-পড়া মানুষদের জন্যে অনেক রকম পরিকল্পনা নিয়ে থাকে। নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সেখানে মুখ্য উদ্দেশ্য হলেও, এই সুযোগে কিছু সম্পদ অবশ্যই দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ গরিব এবং অবশ্যই সেই দিক দিয়ে এই ধরনের সরকারি সাহায্য অনেক মানুষের কাজে লাগে। দুর্গাপুজোতেও বিভিন্ন কাজে শামিল হন খেটে-খাওয়া মানুষেরা। অবশ্যই পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে কিছু রোজগারও করতে পারেন সেই মানুষগুলি। এরাজ্যের নেত্রীর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষমতা অসীম। এই লক্ষ কোটির হিসেব অবশ্যই জানা আছে তাঁর। কীভাবে এই সম্পদের আরও বিপুল বিলিবণ্টন করা যায় সে ভাবনা তাঁর দলের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা নিশ্চয় ভাবছেন। সেই জায়গায় ছাব্বিশ কোটির অনুদান শহরের সম্পদশালী পুজোয় না-দিয়ে তিনি যদি শুধু পিছিয়ে-থাকা গ্রামের পুজোয় দিতেন, তাহলে বার্তাটা হয়তো অনেক স্বচ্ছ হতো। আসছে বছর আবার হওয়ার আগে এমনটা ভেবে দেখা যায় কি?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
03rd  November, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি: ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে খেলবেন ঋষভ পন্থ। মূলত বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস পরখ করে নিতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কের কাছে ব্রিগেডগামী বাসের ধাক্কায় আহত হলেন বিধাননগর পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান। শনিবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে আঘাত গুরুতর নয়। ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM