বিশেষ নিবন্ধ
 

কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বাম আমলের শেষের দিকে পুজোর বিস্তার পঞ্চমী থেকে একাদশী পর্যন্ত এগিয়েছিল। তবে আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকে সাধারণভাবে পুজো চার দিনেরই হতো, সপ্তমী থেকে দশমী। পাড়ার ছেলেরা মণ্ডপে ঠাকুর আনত পঞ্চমীর সন্ধেবেলা। প্রতিমার মুখ ঢাকা থাকত ষষ্ঠীতে বোধনের আগে পর্যন্ত। ঢাকে কাঠি পড়ত ষষ্ঠীতেই, কিন্তু সারা দিন-রাতের হইচই শুরু হতো সপ্তমীতে। কোনও কোনও বছরে পুজোর দুটো দিন চব্বিশ ঘণ্টায় ঢুকে গিয়ে উৎসবকে আরও ছোট করে দিত। সে পুজোগুলো পাড়ার ছেলে-ছোকরাদের কাছে আশাভঙ্গের। তবে কোনও কোনও বার দশমী পড়ত শনিবারে আর সেই যুক্তিতে ভাসান পিছিয়ে দেওয়া হতো একাদশী পর্যন্ত। হইচইয়ের সময় বাড়ত আরও একটা দিন। এখন যে তেরোদিনের দুর্গাপুজো তা কিন্তু অবশ্যই আগে ছিল না। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা মোটেই ধর্মান্ধ নন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধর্ম জিরাফে তুলে নিরীশ্বরবাদী। তবে যারা অল্প হলেও ধর্ম মানেন, আর যারা সেভাবে ধর্ম না মানলেও এ দেশের সনাতন সংস্কার একেবারে উড়িয়ে দেন না, তাঁদের কপালে তেরোদিনের পুজো কিন্তু চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। এ বিষয়টা পুরোপুরি সামাজিক। মহালয়ার পরদিন থেকেই মণ্ডপে মানুষের ঢল, দশমীর বিষণ্ণতা উধাও, লক্ষীপুজোর দু-একদিন আগে ভাসানের কার্নিভাল, সব মিলিয়ে দুর্গাপুজো চরিত্র বদল করে এমন এক উৎসবের বার্তা দিচ্ছে যা কিনা পশ্চিম গোলার্ধে খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে নববর্ষ উদযাপনের থেকেও অনেক বেশি দীর্ঘ।
একটু খুঁজলেই যে সমস্ত তথ্য পাবেন তার থেকে পরিষ্কার রাজ্যে পুজো সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন এখন এক লক্ষ কোটি ভারতীয় মুদ্রার আশেপাশে। বুঝতে অসুবিধে হয় না সংখ্যাটা ঠিক কতটা বড়। ২০১৮-১৯-এ রাজ্যের মোট খরচ ধরা হয়েছে দু’লক্ষ কোটি টাকার সামান্য কম। আর তার থেকে কিছুটা কম রাজ্যের রোজগার। কারণ, এগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই হয়। আমাদের রাজ্যের জিডিপি দশ লক্ষ কোটির সামান্য বেশি। অর্থাৎ দুর্গাপুজো নিয়ে যে হইচই, তার অর্থনৈতিক তাৎপর্য অসীম, এবং এত বিশাল অঙ্কের টাকা অবশ্যই অমিত পরাক্রমশালী। মূর্তি, পুজোর উপকরণ, মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এগুলো তো পুজো সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এছাড়াও পুজোর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত নতুন জামাকাপড় কেনা, ঘুরে বেড়ানো (শহরের মধ্যে ঠাকুর দেখা, এবং রাজ্যের বাইরে বেড়াতে যাওয়া) আর প্রচুর খাওয়াদাওয়া। নতুন বলতে যেটা শোনা যাচ্ছে যে বিদেশি পর্যটকেরা নাকি দলে দলে আসবেন মহালয়া থেকে ত্রয়োদশীর কার্নিভাল পর্যন্ত এই লম্বা পুজো উপভোগ করতে। এই ভাবনায় এমন কিছু নতুনত্ব নেই, আর পুজোর সময় যদি বিদেশি পর্যটকদের ঢল নামত, তাহলে সেটা দিন বাড়ানোর সঙ্গে মোটেও সম্পর্কিত নয়। তবে রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তর যদি পুজোকে বিশ্বের দরবারে পেশ করার ব্যাপারে আরও বেশি উৎসাহের সঙ্গে উদ্যোগ নেয় তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।
পুজোর এক লক্ষ কোটির ভাগাভাগিতে ফিরে আসার আগে একটু কাজের দিনের সংখ্যার কথা ভাবা যাক। তেরো দিনের মধ্যে এমনিতেই দুটো করে শনি রবির চার দিন আর দুর্গাপুজোর পাঁচদিন বাদ দিলেও পড়ে থাকে আরও চারটে চব্বিশ ঘণ্টা। সকলেই বলবেন আমাদের দেশের মানুষজন আর বাকি চারদিনে কতটা কাজ করবেন? একথা সত্যি। কিন্তু এটাও যুক্তির কথা যে যাঁরা কাজ করতে চান, তাঁদের পক্ষে এই দিনগুলো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাম আমলের তুলনায় আজকের রাজত্বে পুজোর বিস্তার বেড়েছে বিপুল। সেই হিসেবে কলকাতা শহরে বুকে জনপ্লাবন দৈনন্দিন জীবনে যথেষ্ট অসুবিধা এবং অস্বাভাবিকতা ডেকে আনছে। বিদেশিরা যদি সত্যিই পুজো উপভোগ করতে আসেন তাঁদের মধ্যে অনেককেই তো আবার উড়োজাহাজে করে দমদম বিমানবন্দর হয়েই ফিরবেন। সেক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ভিআইপি রোড। সেই রাস্তা পুজোর সময় প্রায় বন্ধ। একইরকমভাবে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তাঘাট পুজোর সময় দখল হয়ে যায় মণ্ডপসজ্জার দাপাদাপিতে। মানুষ উৎসবে শামিল হবেন, আনন্দে মাতবেন, পুজো বাঙালি বা হিন্দুদের উৎসব এই তকমা ছাড়িয়ে আলোড়ন তুলবে বিশ্ববঙ্গে, সেটাই তো বাংলার মানুষ হিসেবে আমরা চাইব। কিন্তু মহরমের মিছিল যদি একদিনের বদলে কলকাতা শহরে তিনদিন ধরে চলে, পঁচিশে ডিসেম্বরের আগে পরে আরও পাঁচটা সন্ধ্যায় যদি পার্ক স্ট্রিটে গাড়ি চলা বন্ধ হয়ে যায়, জৈনদের প্রভাতফেরি যদি মাসে একটা করে কাজের দিন বেলগাছিয়া চত্বর ঘেঁটে দেয়, গুরু নানককে স্মরণ করে শিখদের মিছিল যদি একদিনের বদলে দশ দিন পথ আটকায় মধ্য কলকাতার, তাহলে দুর্গাপুজোর আনন্দের ভাগ অপরকে দেওয়া প্রগতিশীল বাঙালি অন্যদের উৎসব কতটা ফুর্তিতে ভোগ করবেন সেই ভাবনা তো বিশ্লেষণী মনে টোকা দেবেই। বামপন্থীরা দুর্গাপুজোয় কিছু মার্ক্সবাদী সাহিত্যের দোকান ছাড়া খুব বেশি জায়গা দখল করেন না। একটু লক্ষ করলে দেখবেন, এবারের দুর্গাপুজোয় গতবারের মতো বিজেপি বা আরএসএস-এর দাপাদাপি রাজ্যে একেবারেই নেই। প্রায় হারিয়ে যেতে বসা দু-একজন কংগ্রেসি নেতা বহু কষ্টে তাঁদের পুজো চালাচ্ছেন। ফলে এই লক্ষ কোটির সার্বজনীন দুর্গোৎসবের টাকা মূলত কোনও রাজনৈতিক দলের টার্ন-ওভার সেটা বোঝার জন্যে বেশি বুদ্ধি খরচ করতে হয় না।
রাজ্য সরকার সৎ উদ্দেশ্যে সামান্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন অনুরোধ করেছেন কিছু পুজো কমিটিকে। প্রতিদানে দশ হাজার টাকা করে ছাব্বিশ হাজার পুজোকে দেওয়া এই অনুদান পৌঁছেছে মোট ছাব্বিশ কোটিতে। এই অর্থ পুজোর মোট হিসেবের তুলনায় একেবারেই নস্যি। উত্তর কলকাতার প্রান্তে মানুষের মুখে ঘুরে বেড়িয়েছে সাড়ে তিন কোটির প্যান্ডেলের গল্প, দক্ষিণ কলকাতায় তা পৌঁছেছে চল্লিশ কোটিতে। পূর্ব কলকাতায় সোনায় অরুচি, জায়গা নিয়েছে হিরে। শহর ছাড়িয়ে মফস্‌স঩লেও পুজোর আস্ফালন টাকায়। আচার, সংস্কৃতি, ভক্তি, বিশ্বাস সব ছাড়িয়ে লক্ষ কোটি মানুষ ছুটছেন মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে। প্রতিমা, মণ্ডপ বা আলোকসজ্জার সৌন্দর্যের থেকে বেশি করে আলোচনা হচ্ছে সেগুলোর মূল্যমান নিয়ে। জনগণ দেখছেন, কিন্তু বিষয়গুলোর উপস্থাপনায় যে টাকা খরচ হচ্ছে তার দখল নিচ্ছেন অল্প কিছু মানুষ। এবং, আজকের দিনে অবশ্যই তাঁদের বেশিরভাগ অংশ তৃণমূলের নেতা। এখানে প্রশ্ন কিন্তু মোটেও দুর্নীতির নয়। এখানে উদ্দেশ্য বেশি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের। এই বিপুল অর্থ ব্যবহার করতে পারছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা থেকে পাড়ার মাঝের সারির দাদারা। পুজোর মধ্যে প্রতিমা কিংবা মণ্ডপসজ্জার প্রতিযোগিতা নিয়ে ঠুনকো ঝগড়ায় মাতছেন শহুরে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগের রাজত্বে বাম নেতারা অন্য অনেকরকম ভাবে সমাজে প্রভাব বিস্তার করলেও এই রাস্তায় হাঁটার সুযোগ তাদের বেশি ছিল না। আজকের দিনে অবশ্যই এর দখল নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে বিজেপি নেতৃত্ব, কিন্তু তৃণমূলের ব্যাপকতার সামনে এবার তাঁরা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন। অর্থাৎ এবারের দুর্গাপুজোর নিরিখে বামরাজত্বের পরে কোনও একটা সময় রামরাজত্বের গল্প আপাতত পুরোটাই অলীক কল্পনা হয়ে রইল।
সবশেষে বলতেই হয় যে তৃণমূল সরকার সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে-পড়া মানুষদের জন্যে অনেক রকম পরিকল্পনা নিয়ে থাকে। নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সেখানে মুখ্য উদ্দেশ্য হলেও, এই সুযোগে কিছু সম্পদ অবশ্যই দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ গরিব এবং অবশ্যই সেই দিক দিয়ে এই ধরনের সরকারি সাহায্য অনেক মানুষের কাজে লাগে। দুর্গাপুজোতেও বিভিন্ন কাজে শামিল হন খেটে-খাওয়া মানুষেরা। অবশ্যই পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে কিছু রোজগারও করতে পারেন সেই মানুষগুলি। এরাজ্যের নেত্রীর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষমতা অসীম। এই লক্ষ কোটির হিসেব অবশ্যই জানা আছে তাঁর। কীভাবে এই সম্পদের আরও বিপুল বিলিবণ্টন করা যায় সে ভাবনা তাঁর দলের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা নিশ্চয় ভাবছেন। সেই জায়গায় ছাব্বিশ কোটির অনুদান শহরের সম্পদশালী পুজোয় না-দিয়ে তিনি যদি শুধু পিছিয়ে-থাকা গ্রামের পুজোয় দিতেন, তাহলে বার্তাটা হয়তো অনেক স্বচ্ছ হতো। আসছে বছর আবার হওয়ার আগে এমনটা ভেবে দেখা যায় কি?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
03rd  November, 2018
আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
Loading...
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
Loading...
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

09th  November, 2018
উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: বৃহস্পতিবার রাতে চন্দননগর স্টেশন থেকে ৪১টি অত্যাধুনিক মোবাইল সহ একটি ব্যাগ উদ্ধার করল জিআরপি। জিআরপি জানিয়েছে, জগদ্ধাত্রী পুজোর ভিড় সামাল দিতে স্টেশন চত্বরে নজরদারি চলছিল। ...

 হারারে, ১৬ নভেম্বর (এএফপি): ফের বড়সড় পথ দুর্ঘটনায় জিম্বাবোয়েতে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ৪২ জন যাত্রী। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যবিত্তকে আয়ত্তের মধ্যে ফ্ল্যাট দিতে শহরতলিতে দু’টি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করল ইডেন রিয়েলটি। একটি শ্রীরামপুরে, অপরটি জোকায়। ...

 অম্বিকাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): কংগ্রেস গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কাউকে দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাঁড় করে দেখাক— ছত্তিশগড়ে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনের (২০ নভেম্বর) আগে ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৪ টাকা ৭২.৯৫ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৮০.১৫ টাকা ৮৩.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৪৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯,৮২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ১৫/১ দিবা ঘ ১১/৫৫। নক্ষত্র- শতভিষা ২১/১৯ দিবা ঘ ২/২৬, সূ উ ৫/৫৪/১২, অ ৪/৪৮/৫২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ঘ ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
৩০ কার্তিক ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ৯/৪/১০। শতভিষানক্ষত্র ঘ ১২/৪৩/৫৪। সূ উ ৫/৫৪/৪০, অ ৪/৪৭/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১ মধ্যে ও ঘ ৭/২১/৪৭ থেকে ঘ ৯/৩২/২৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৩/৬ থেকে ২/৩৭/১৯ মধ্যে ও ৩/২০/৫৬ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৪০/০ থেকে ঘ ২/২৪/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ১২/৪২/৫৯ থেকে ২/৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/১৬/২০ মধ্যে ও ঘ ৩/২৬/১৯ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৬/১৯ মধ্যে ও ঘ ৪/১৭/৫ থেকে ৫/৫৫/২৫ মধ্যে। আজ শ্রীশ্রীজগদ্ধাত্রী পূজা
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইল রেল
মাঝেরহাট ব্রিজ দুর্ঘটনার জেরে রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ...বিশদ

06:32:03 PM

কলকাতার উচ্চতম বহুতলে আগুন
কলকাতার উচ্চতম বহুতল শেক্সপিয়র সরণীর 'দ্য ৪২'  টাওয়ারে আগুন লাগার ...বিশদ

05:26:00 PM

বাগদায় স্বামীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী 

04:22:00 PM

পাউরুটি, কেক, বিস্কুটের দাম বাড়ছে 
দাম বাড়তে চলেছে পাউরুটি, কেক ও বিস্কুটের। পাউরুটির ক্ষেত্রে পাউন্ড ...বিশদ

01:50:17 PM

লালগোলা প্যাসেঞ্জারে আগুন 
ধুবুলিয়া স্টেশনের কাছে ৫৩১৭৮ ডাউন লালগোলা-শিয়ালদহ প্যাসেঞ্জারে আগুন। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:36:00 PM

বিজেপির রথ যাত্রায় ফের দিন বদল 
আবারও বদলাল এরাজ্যে বিজেপির রথ যাত্রার সূচি। জানা গিয়েছে, তারাপীঠ ...বিশদ

12:57:49 PM

Loading...
Loading...