Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। বাম আমলের শেষের দিকে পুজোর বিস্তার পঞ্চমী থেকে একাদশী পর্যন্ত এগিয়েছিল। তবে আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকে সাধারণভাবে পুজো চার দিনেরই হতো, সপ্তমী থেকে দশমী। পাড়ার ছেলেরা মণ্ডপে ঠাকুর আনত পঞ্চমীর সন্ধেবেলা। প্রতিমার মুখ ঢাকা থাকত ষষ্ঠীতে বোধনের আগে পর্যন্ত। ঢাকে কাঠি পড়ত ষষ্ঠীতেই, কিন্তু সারা দিন-রাতের হইচই শুরু হতো সপ্তমীতে। কোনও কোনও বছরে পুজোর দুটো দিন চব্বিশ ঘণ্টায় ঢুকে গিয়ে উৎসবকে আরও ছোট করে দিত। সে পুজোগুলো পাড়ার ছেলে-ছোকরাদের কাছে আশাভঙ্গের। তবে কোনও কোনও বার দশমী পড়ত শনিবারে আর সেই যুক্তিতে ভাসান পিছিয়ে দেওয়া হতো একাদশী পর্যন্ত। হইচইয়ের সময় বাড়ত আরও একটা দিন। এখন যে তেরোদিনের দুর্গাপুজো তা কিন্তু অবশ্যই আগে ছিল না। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা মোটেই ধর্মান্ধ নন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধর্ম জিরাফে তুলে নিরীশ্বরবাদী। তবে যারা অল্প হলেও ধর্ম মানেন, আর যারা সেভাবে ধর্ম না মানলেও এ দেশের সনাতন সংস্কার একেবারে উড়িয়ে দেন না, তাঁদের কপালে তেরোদিনের পুজো কিন্তু চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। এ বিষয়টা পুরোপুরি সামাজিক। মহালয়ার পরদিন থেকেই মণ্ডপে মানুষের ঢল, দশমীর বিষণ্ণতা উধাও, লক্ষীপুজোর দু-একদিন আগে ভাসানের কার্নিভাল, সব মিলিয়ে দুর্গাপুজো চরিত্র বদল করে এমন এক উৎসবের বার্তা দিচ্ছে যা কিনা পশ্চিম গোলার্ধে খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে নববর্ষ উদযাপনের থেকেও অনেক বেশি দীর্ঘ।
একটু খুঁজলেই যে সমস্ত তথ্য পাবেন তার থেকে পরিষ্কার রাজ্যে পুজো সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন এখন এক লক্ষ কোটি ভারতীয় মুদ্রার আশেপাশে। বুঝতে অসুবিধে হয় না সংখ্যাটা ঠিক কতটা বড়। ২০১৮-১৯-এ রাজ্যের মোট খরচ ধরা হয়েছে দু’লক্ষ কোটি টাকার সামান্য কম। আর তার থেকে কিছুটা কম রাজ্যের রোজগার। কারণ, এগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই হয়। আমাদের রাজ্যের জিডিপি দশ লক্ষ কোটির সামান্য বেশি। অর্থাৎ দুর্গাপুজো নিয়ে যে হইচই, তার অর্থনৈতিক তাৎপর্য অসীম, এবং এত বিশাল অঙ্কের টাকা অবশ্যই অমিত পরাক্রমশালী। মূর্তি, পুজোর উপকরণ, মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এগুলো তো পুজো সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এছাড়াও পুজোর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত নতুন জামাকাপড় কেনা, ঘুরে বেড়ানো (শহরের মধ্যে ঠাকুর দেখা, এবং রাজ্যের বাইরে বেড়াতে যাওয়া) আর প্রচুর খাওয়াদাওয়া। নতুন বলতে যেটা শোনা যাচ্ছে যে বিদেশি পর্যটকেরা নাকি দলে দলে আসবেন মহালয়া থেকে ত্রয়োদশীর কার্নিভাল পর্যন্ত এই লম্বা পুজো উপভোগ করতে। এই ভাবনায় এমন কিছু নতুনত্ব নেই, আর পুজোর সময় যদি বিদেশি পর্যটকদের ঢল নামত, তাহলে সেটা দিন বাড়ানোর সঙ্গে মোটেও সম্পর্কিত নয়। তবে রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তর যদি পুজোকে বিশ্বের দরবারে পেশ করার ব্যাপারে আরও বেশি উৎসাহের সঙ্গে উদ্যোগ নেয় তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।
পুজোর এক লক্ষ কোটির ভাগাভাগিতে ফিরে আসার আগে একটু কাজের দিনের সংখ্যার কথা ভাবা যাক। তেরো দিনের মধ্যে এমনিতেই দুটো করে শনি রবির চার দিন আর দুর্গাপুজোর পাঁচদিন বাদ দিলেও পড়ে থাকে আরও চারটে চব্বিশ ঘণ্টা। সকলেই বলবেন আমাদের দেশের মানুষজন আর বাকি চারদিনে কতটা কাজ করবেন? একথা সত্যি। কিন্তু এটাও যুক্তির কথা যে যাঁরা কাজ করতে চান, তাঁদের পক্ষে এই দিনগুলো খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাম আমলের তুলনায় আজকের রাজত্বে পুজোর বিস্তার বেড়েছে বিপুল। সেই হিসেবে কলকাতা শহরে বুকে জনপ্লাবন দৈনন্দিন জীবনে যথেষ্ট অসুবিধা এবং অস্বাভাবিকতা ডেকে আনছে। বিদেশিরা যদি সত্যিই পুজো উপভোগ করতে আসেন তাঁদের মধ্যে অনেককেই তো আবার উড়োজাহাজে করে দমদম বিমানবন্দর হয়েই ফিরবেন। সেক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ভিআইপি রোড। সেই রাস্তা পুজোর সময় প্রায় বন্ধ। একইরকমভাবে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তাঘাট পুজোর সময় দখল হয়ে যায় মণ্ডপসজ্জার দাপাদাপিতে। মানুষ উৎসবে শামিল হবেন, আনন্দে মাতবেন, পুজো বাঙালি বা হিন্দুদের উৎসব এই তকমা ছাড়িয়ে আলোড়ন তুলবে বিশ্ববঙ্গে, সেটাই তো বাংলার মানুষ হিসেবে আমরা চাইব। কিন্তু মহরমের মিছিল যদি একদিনের বদলে কলকাতা শহরে তিনদিন ধরে চলে, পঁচিশে ডিসেম্বরের আগে পরে আরও পাঁচটা সন্ধ্যায় যদি পার্ক স্ট্রিটে গাড়ি চলা বন্ধ হয়ে যায়, জৈনদের প্রভাতফেরি যদি মাসে একটা করে কাজের দিন বেলগাছিয়া চত্বর ঘেঁটে দেয়, গুরু নানককে স্মরণ করে শিখদের মিছিল যদি একদিনের বদলে দশ দিন পথ আটকায় মধ্য কলকাতার, তাহলে দুর্গাপুজোর আনন্দের ভাগ অপরকে দেওয়া প্রগতিশীল বাঙালি অন্যদের উৎসব কতটা ফুর্তিতে ভোগ করবেন সেই ভাবনা তো বিশ্লেষণী মনে টোকা দেবেই। বামপন্থীরা দুর্গাপুজোয় কিছু মার্ক্সবাদী সাহিত্যের দোকান ছাড়া খুব বেশি জায়গা দখল করেন না। একটু লক্ষ করলে দেখবেন, এবারের দুর্গাপুজোয় গতবারের মতো বিজেপি বা আরএসএস-এর দাপাদাপি রাজ্যে একেবারেই নেই। প্রায় হারিয়ে যেতে বসা দু-একজন কংগ্রেসি নেতা বহু কষ্টে তাঁদের পুজো চালাচ্ছেন। ফলে এই লক্ষ কোটির সার্বজনীন দুর্গোৎসবের টাকা মূলত কোনও রাজনৈতিক দলের টার্ন-ওভার সেটা বোঝার জন্যে বেশি বুদ্ধি খরচ করতে হয় না।
রাজ্য সরকার সৎ উদ্দেশ্যে সামান্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন অনুরোধ করেছেন কিছু পুজো কমিটিকে। প্রতিদানে দশ হাজার টাকা করে ছাব্বিশ হাজার পুজোকে দেওয়া এই অনুদান পৌঁছেছে মোট ছাব্বিশ কোটিতে। এই অর্থ পুজোর মোট হিসেবের তুলনায় একেবারেই নস্যি। উত্তর কলকাতার প্রান্তে মানুষের মুখে ঘুরে বেড়িয়েছে সাড়ে তিন কোটির প্যান্ডেলের গল্প, দক্ষিণ কলকাতায় তা পৌঁছেছে চল্লিশ কোটিতে। পূর্ব কলকাতায় সোনায় অরুচি, জায়গা নিয়েছে হিরে। শহর ছাড়িয়ে মফস্‌স঩লেও পুজোর আস্ফালন টাকায়। আচার, সংস্কৃতি, ভক্তি, বিশ্বাস সব ছাড়িয়ে লক্ষ কোটি মানুষ ছুটছেন মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে। প্রতিমা, মণ্ডপ বা আলোকসজ্জার সৌন্দর্যের থেকে বেশি করে আলোচনা হচ্ছে সেগুলোর মূল্যমান নিয়ে। জনগণ দেখছেন, কিন্তু বিষয়গুলোর উপস্থাপনায় যে টাকা খরচ হচ্ছে তার দখল নিচ্ছেন অল্প কিছু মানুষ। এবং, আজকের দিনে অবশ্যই তাঁদের বেশিরভাগ অংশ তৃণমূলের নেতা। এখানে প্রশ্ন কিন্তু মোটেও দুর্নীতির নয়। এখানে উদ্দেশ্য বেশি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের। এই বিপুল অর্থ ব্যবহার করতে পারছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা থেকে পাড়ার মাঝের সারির দাদারা। পুজোর মধ্যে প্রতিমা কিংবা মণ্ডপসজ্জার প্রতিযোগিতা নিয়ে ঠুনকো ঝগড়ায় মাতছেন শহুরে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগের রাজত্বে বাম নেতারা অন্য অনেকরকম ভাবে সমাজে প্রভাব বিস্তার করলেও এই রাস্তায় হাঁটার সুযোগ তাদের বেশি ছিল না। আজকের দিনে অবশ্যই এর দখল নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে বিজেপি নেতৃত্ব, কিন্তু তৃণমূলের ব্যাপকতার সামনে এবার তাঁরা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন। অর্থাৎ এবারের দুর্গাপুজোর নিরিখে বামরাজত্বের পরে কোনও একটা সময় রামরাজত্বের গল্প আপাতত পুরোটাই অলীক কল্পনা হয়ে রইল।
সবশেষে বলতেই হয় যে তৃণমূল সরকার সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে-পড়া মানুষদের জন্যে অনেক রকম পরিকল্পনা নিয়ে থাকে। নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সেখানে মুখ্য উদ্দেশ্য হলেও, এই সুযোগে কিছু সম্পদ অবশ্যই দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষ গরিব এবং অবশ্যই সেই দিক দিয়ে এই ধরনের সরকারি সাহায্য অনেক মানুষের কাজে লাগে। দুর্গাপুজোতেও বিভিন্ন কাজে শামিল হন খেটে-খাওয়া মানুষেরা। অবশ্যই পুজোর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে কিছু রোজগারও করতে পারেন সেই মানুষগুলি। এরাজ্যের নেত্রীর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষমতা অসীম। এই লক্ষ কোটির হিসেব অবশ্যই জানা আছে তাঁর। কীভাবে এই সম্পদের আরও বিপুল বিলিবণ্টন করা যায় সে ভাবনা তাঁর দলের চিন্তাশীল ব্যক্তিরা নিশ্চয় ভাবছেন। সেই জায়গায় ছাব্বিশ কোটির অনুদান শহরের সম্পদশালী পুজোয় না-দিয়ে তিনি যদি শুধু পিছিয়ে-থাকা গ্রামের পুজোয় দিতেন, তাহলে বার্তাটা হয়তো অনেক স্বচ্ছ হতো। আসছে বছর আবার হওয়ার আগে এমনটা ভেবে দেখা যায় কি?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
03rd  November, 2018
ধর্মের বেশে ভোটব্যাঙ্ক!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

দুপুর গড়িয়ে বিকেলের পথে। তারিখটা ২৭ মে, ১৯৬৪। দিল্লির রাজপথে কালো মাথার ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা নেই। আর ভিড়ের বেশিরভাগেরই গতিমুখ তিনমূর্তি ভবনের দিকে। সেখানে শায়িত জওহরলাল নেহরু। শেষযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির গ্র্যানভিল অস্টিনও। মার্কিন ছাত্র। থিসিস লিখছেন ভারতের সংবিধানের উপর। তাই আগ্রহটা বাকিদের থেকে একটু বেশিই।  
বিশদ

পরিবেশ নিরুদ্দেশ 
রঞ্জন সেন

খবরের কাগজে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মানব সভ্যতার সামনে বড় বিপদ। বাতাসে কার্বন নিঃসরণ বাড়ে এমন কোনও কাজ তিনি করেন না। কার্বন নিঃসরণের বিপদ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এমন সতর্কতা খুব ভালো লাগল।  
বিশদ

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার
বামফ্রন্ট এবং তার প্রার্থীতালিকা
শুভময় মৈত্র

এ দেশে বামপন্থার ইতিহাস আজকের নয়। প্রায় একশো বছর আগে ১৯২৫ সালের বড়দিনের ঠিক পরের তারিখেই কানপুরে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (সিপিআই) প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বলে শোনা যায়। সিপিএমের আবার অন্য তত্ত্বও আছে। তাদের একাংশের মতে ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির পথ চলা শুরু।
বিশদ

21st  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

19th  March, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার কয়েন সহ একটি গাড়িকে আটক করল বিধাননগর কমিশনারেটের এনএসসিবিআই থানার পুলিস। বৃহস্পতিবার দোল উপলক্ষে সারাদিনই কমিশনারেটের একাধিক ...

সংবাদদাতা, কালনা: কালনার নিষিদ্ধপল্লিতে বৃহস্পতিবার রাতে এক মহিলাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলার নলি কেটে খুনের চেষ্টার অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ওই মহিলাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর গলায় ১২টি সেলাই করতে হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা ...

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: এই বাংলায় এক সময় যে মসলিন উৎপাদন হতো, তার চাহিদা ও সুনাম ছিল জগৎজোড়া। সোনার সুতোয় বোনা সেই মসলিন এখন দুষ্প্রাপ্য। তাই ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক বছরের নির্বাসন কাটিয়ে ওঠার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দারুণভাবে ফিরে আসার জন্য আইপিএলের মঞ্চকেই বেছে নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। প্রস্তাব ছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলার। কিন্তু নির্বাচকদের তিনি সটান না বলে দেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বন্ধু-বান্ধবদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা দরকার। কর্মে একাধিক শুভ যোগাযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
১৯১০: রাজনীতিক রামমনোহর লোহিয়ার জন্ম
১৯৩১: বিপ্লবী ভগৎ সিংয়ের ফাঁসি
১৯৮৬ - কঙ্গনা রানাওয়াত, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৯৫: কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.১৫ টাকা ৬৯.৮৪ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭৭ টাকা ৯২.১৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৭ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
21st  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

৮ চৈত্র ১৪২৫, ২৩ মার্চ ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া ৪২/৫ রাত্রি ১০/৩৩। চিত্রা ৮/২৭ দিবা ৯/৫। সূ উ ৫/৪২/১৯, অ ৫/৪৪/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৪ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৮/৮ গতে ১০/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৮ গতে ১/৪৩ মধ্যে পুনঃ ২/৩১ গতে ৪/৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১১ গতে উদয়াবধি। 
৮ চৈত্র ১৪২৫, ২৩ মার্চ ২০১৯, শনিবার, তৃতীয়া রাত্রি ২/২/৮। চিত্রানক্ষত্র ১২/০/৩৩, সূ উ ৫/৪২/৩৭, অ ৫/৪৩/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৩/৪ থেকে ১২/৫৫/২৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৭/৪১ থেকে ১০/৩১/২৫ মধ্যে ও ১২/১৮/১৪ থেকে ১/৪৩/৪ মধ্যে ও ২/৩০/৫৮ থেকে ৪/৬/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/২৭ থেকে ২/৪৩/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৩/৪৭ মধ্যে ও ৪/১৩/৪৭ থেকে ৫/৪৩/৫৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১৩/৪৭ মধ্যে ও ৪/১১/৫৯ থেকে ৫/৪১/৩৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৫ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ মালদহে রাহুল গান্ধীর প্রথম নির্বাচনী সভা  
আজ, শনিবার মালদহের চাঁচলের কলমবাগানে জনসভা করতে আসছেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস ...বিশদ

09:45:07 AM

ফেমা আইনে গিলানিকে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ইডির
বিদেশি মুদ্রা আইনে (ফেমা) তদন্তে নেমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী ...বিশদ

09:30:00 AM

আজ শুরু আইপিএল
অপেক্ষা মাত্র আর কয়েক ঘণ্টার। মহাধুমধাম করে শনিবার চেন্নাই সুপার ...বিশদ

09:21:06 AM

আজ থেকে আসানসোলে ভোটপ্রচারে নামছে সব দলই

আজ, শনিবার থেকে আসানসোলে ভোটের ময়দানে জোরকদমে প্রচারে নামছে সব ...বিশদ

09:04:20 AM

রূপশ্রী চালু রাখতে সায় কমিশনের
বিয়ের সময় কন্যাসন্তানদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার সরকারি প্রকল্প ‘রূপশ্রী’ চালু ...বিশদ

09:00:00 AM

আজ মহারাষ্ট্রে আসন বণ্টনের কথা ঘোষণা করবে কংগ্রেস এবং এনসিপি
আজ শনিবার মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসনবণ্টন এবং জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে ...বিশদ

08:47:00 AM