বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় নয়, তার আগে এবং পরেও ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নীতিতেই বিশ্বাসী। দুবছর হল ক্ষমতায় আছেন, আর তাঁকে ছাড়া খবর হয় না। হোক না তা নেতিবাচক, দিনের শেষে খবর তো! এই ফর্মুলা মেনে চললে, গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ মার্কিন মুলুকের যাবতীয় সংবাদ শিরোনাম রাজনীতি ছাড়া অন্য কিছু হওয়ারই ছিল না। থুড়ি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া কেউ প্রচারের আলোয় আসবে, তা হয় নাকি! সেরকম কিছুই কিন্তু হয়েছে। হপ্তা দুয়েক আগে থেকে রাজনীতি নয়, অন্তর্বর্তী নির্বাচন নয়, প্রচারে শুধুই পার্সেল বোমা। ব্ল্যাক হোলের মতো মার্কিন প্রচারের সবটুকু আলো ওই কটা পার্সেলই বিলকুল হজম করে ফেলেছে। আর তার ক্ষীরটা কে খেয়েছে? ডেমোক্র্যাটরা। বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুচোখের বিষ সিএনএনের দপ্তর... সর্বত্র গিয়েছে এই পার্সেল। কিন্তু একটিও ফাটেনি। হতাহতের সংখ্যা শূন্য। ওফ্‌, আবার একটু ভুল হল... আহত এক—ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে ধনকুবের ব্যবসায়ীর অর্থ এবং আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ব্যাটিংয়ের উপর ভর করে রিপাবলিকানরা মার্কিন ক্ষমতায় এসেছিল, সেই প্রেসিডেন্ট অনেকটাই ব্যাকফুটে। কিন্তু ওই যে, প্রথমেই বলা হয়েছিল, প্রচার অন্য কেউ নিয়ে যাক তিনি সহ্য করতে পারেন না! তাই শার্লট থেকে ফের যখন তেড়েফুঁড়ে ৬ নভেম্বরের অন্তর্বর্তী নির্বাচনের প্রচারে নামলেন, প্রথমেই স্টেপ আউট... ‘হিলারি অত্যন্ত জটিল মহিলা’, ‘সিএনএন উচ্ছন্নে যাক’ এবং ‘সংবাদমাধ্যম না চাইলেও ওদের বৃহত্তর ভূমিকা পালন করা উচিত’ জাতীয় শব্দ এবং বাক্য প্রয়োগ। অক্সিজেনটা অবশ্য তাঁকে জুগিয়েছে ফ্লোরিডার সিজার সেয়ক জুনিয়রের গ্রেপ্তারি। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিই নাকি যাবতীয় পার্সেল আতঙ্কের নেপথ্য কারিগর। কাজেই তার আগের দিন দশেক ধরে বিরোধীদের প্রতি ‘নরম-সরম’ হাবভাব দেখানো ট্রাম্প মহাশয় আবার চাঙ্গা। ‘আমেরিকার মানুষকে আমি হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চাই, আর মিডিয়া কি না তাঁদেরই উপর আক্রমণ শানাচ্ছে?’ অর্থাৎ যাবতীয় শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ট্রাম্প মহাশয় আবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির চেনা ছকে। প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসেও এতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা কি খুব বাস্তবসম্মত?
উত্তরটা হল, অবশ্যই। কারণ, ট্রাম্প এবং তাঁর রিপাবলিকান সহকর্মীরা খুব ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন, সময়টা মোটে ভালো আসছে না। ৬ নভেম্বর তাঁকে কার্যত অগ্নিপরীক্ষায় বসতে হবে। অনেকগুলো প্রশ্ন তাঁর ‘ফেলো আমেরিকান’রাই তুলে দিয়েছেন। জনমত কি এই দুবছরেই ঘুরে ডেমোক্র্যাটদের ঝুলি ভরাতে চলেছে? মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তৈরি, কঠোর অভিবাসী আইন, মার্কিন বেকারদের দুর্দশা দূর করা জাতীয় প্রতিশ্রুতি সকল কি ফাঁপা? আদৌ গণতন্ত্রপ্রেমী মার্কিনীরা দলেবলে ভোট দিতে আসবেন তো?
শেষ প্রশ্ন থেকেই উত্তর খোঁজা শুরু করা যাক। মার্কিনীদের কাছে ভোট দেওয়াটা অনেকটা রবিবারের সকালে গির্জায় প্রার্থনা করতে যাওয়ার মতো ছিল। আর এই প্রবণতা বা সুঅভ্যাসটি গত এক শতকের বেশি সময় থেকে চলে আসছে। নয়ের দশকের শেষ দিক থেকে এই চিরন্তন কার্যকলাপে খানিকটা হলেও লাগাম টানা শুরু হয়। এমন একটা হাবভাব বাজারে ছেয়ে যেতে শুরু করে যে, ‘ধুর, ভোট দিয়ে লাভ কী? সব নেতাই এক গোত্রের। প্রতিশ্রুতি দেবে, ভোট নেবে, তারপর ক্ষমতায় এসে নিজের পকেট ছাড়া অন্য কোনও স্বার্থ দেখবে না।’ এই প্রবণতাটা কিন্তু মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে বেড়েছে। যে পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় এক সময় ভোটদানের হার সবথেকে বেশি থাকত, সেই রাজ্য এখন নির্বাচনে অংশ নিতে নাক সিঁটকায়। অন্তত অন্তর্বর্তী নির্বাচনে তো বটেই। এখন প্রশ্ন হল, কী এই মার্কিন মিডটার্ম ইলেকশন?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুবছর পর এই ভোট হয়। গুরুত্বের দিক থেকে মোটেই কম কিছু নয়! কারণ, এই নির্বাচন ঠিক করে, দেশ এরপর কোন নীতিপথে এগবে। নজর থাকে অবশ্যই দুই কক্ষের দিকে—মার্কিন সেনেট এবং হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। এই হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা নির্বাচিত হন দুবছরের জন্য। কাজেই অন্তর্বর্তী নির্বাচনে ৪৩৫টি আসনেই ভোট হবে। সেনেটরদের জন্য অবশ্য বরাদ্দ ছয় বছরের মেয়াদ। আসন্ন ভোটে সেনেটের এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ১০০টি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। বাকি আসনের ব্যালট যুদ্ধ ২০২০ এবং ২০২২ সালে। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ যে পার্টির দখলে, তাদের হাতেই থাকবে সরকারের যাবতীয় এজেন্ডার চাবিকাঠি। তারাই ঠিক করবে মার্কিন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ব কমিটিগুলির মাথায় কে বসবে। দুই কক্ষে তাঁর পার্টির দাপট যতটা, ঠিক সেই মতোই একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ৬ নভেম্বর ৩৬টি রাজ্য এবং তিনটি মার্কিন সরকার শাসিত অঞ্চলের গভর্নরের নির্বাচনও হতে চলেছে। আর হবে ২০৬ জন মেয়রের বাছাই। হতে পারে, স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী ফলাফলগুলি দিয়ে কোনও পত্রিকার খবরের শিরোনাম হবে না। তবে একটা বিষয় খুব সত্যি, মার্কিন মুলুকে রাজ্য স্তরেই কিন্তু বহু গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে পার্টি রাজ্য বা একেবারে স্থানীয় স্তরে বেশি সংখ্যক আসনের দখল নেবে, তাদের অঙ্গুলিহেলনেই শেষ পর্যন্ত আমেরিকার সরকার ওঠ-বোস করবে। যদি ডেমোক্র্যাটরা আগামী সপ্তাহে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং রাজ্য স্তরের বেশিরভাগ আসন জিতে নিতে পারেন, তখন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট হয়েও ট্রাম্পের আর খুব একটা ছড়ি ঘোরানো হবে না।
আর ঠিক সেই জন্য প্রেসিডেন্ট মহাশয় তাঁর পরীক্ষিত পথেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন—আক্রমণ। ডেমোক্র্যাটদের। ঠিক যেভাবে দুবছর আগে করেছিলেন। তখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল দুটি। প্রথমত, বেআইনি অভিবাসী। এবং দ্বিতীয়ত, মার্কিন মুলুকে কর্মরত বিদেশিদের প্রভাব খর্ব করে সেদেশের নাগরিকদের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি। প্রথম ক্ষেত্রে তিনি কী করলেন? বললেন, মেক্সিকো সীমান্তে ২ হাজার মাইল দীর্ঘ একটি দেওয়াল তৈরি হবে। শুধু তাই নয়, যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেআইনিভাবে অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়ে, সেই সব জায়গাকে নিরাপত্তার কড়া বেষ্টনীতে মুড়ে দেওয়া। এ প্রসঙ্গে মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট বলছে, শুধুমাত্র অভিবাসী ঠেকাতে যে পরিমাণ অর্থ ট্রাম্প প্রশাসন খরচ করছে, তা এফবিআই, ব্যুরো অব অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক (এটিএফ), ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ এবং মার্শাল সার্ভিসের জন্য মোট বরাদ্দের থেকেও বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে ২০ হাজারেরও বেশি ‘রক্ষী’ নিয়োগ করে রেখেছেন ট্রাম্প। আর তাঁদের জন্য রয়েছে নজরদারি উভচর গাড়ি, হেলিকপ্টার, বোট, ড্রোন এবং সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহু প্রযুক্তি। তারপরও কি অনুপ্রবেশ রোখা যাচ্ছে? ট্রাম্পকে ভাবতে হবে, এই মুহূর্তে সমস্যার উপকেন্দ্র কিন্তু মেক্সিকো নয়। বরং গুয়াতেমালা, এল সালভাডর, হন্ডুরাসের মতো মধ্য আমেরিকার দেশ। ঘরোয়া অশান্তি এবং নিরাপত্তাহীনতার জন্য যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে কোনও মতে ট্রাম্পের দেশে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে আছে অগুনতি মহিলা ও শিশু। কোনও বৃদ্ধা জীবনের শেষ কটা দিন অশান্তির কালো ধোঁয়ার মধ্যে কাটাতে চাইবেন না বলে মরিয়া হয়ে চলে আসছেন। আবার কখনও ১৫ বছরের নাবালিকা তার সদ্যোজাতকে নিয়ে কাতর আর্জি জানাচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের। ট্রাম্প কিন্তু কঠোর। ইতিমধ্যে অভিবাসী পরিবারের মধ্যে বিভাজন টানতেও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু এই কঠোর পদক্ষেপ কি সমস্যা মেটাতে পারবে? বারাক ওবামা প্রশাসন ১০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি সাহায্য করেছিল এই দেশগুলিকে... আইন-শৃঙ্খলাকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে। কিন্তু তা অতীত। গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের মতো দেশগুলো আবার খুন, তোলাবাজি, মাদকের কালো ছায়ায় ঢেকে গিয়েছে। শুধু অভিবাসী খেদানোর ডাক দিয়ে মনুষ্যত্বের নিরিখে অন্তত ট্রাম্প খুব উঁচু জায়গায় পৌঁছতে পারবেন না।
আর যে বিষয়টি তাঁকে বড়সড় বেগ দিতে চলেছে, সেটি আমেরিকার বন্দুক আইন। সাধারণ মার্কিনিদের বিরক্তিটা কিন্তু প্রথমে ক্ষোভ, এবং এখন রীতিমতো আক্রোশে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রায় সব প্রান্তে চলছে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। তারপরও পিটসবার্গে বন্দুকবাজের গুলিতে খুন হতে হচ্ছে ১১ জনকে। সে অবশ্য শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ডেমোক্র্যাটরাও মন থেকে অস্ত্র ব্যবসা লাটে তুলে দিতে চাইবেন না। অন্তত এই একটা বিষয়ে যে যাবে লঙ্কায়, সেই হবে রাবণ। হাইস্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তায় লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ করা যেতে পারে, কিন্তু আইনে লাগাম টানা যাবে না। আমেরিকার ভাইবোনেরা, বন্দুক কিনে বাড়ি ফেরো... তাহলে না ব্যবসা বাড়বে! মানুষ কিন্তু আর মানছে না। ট্রাম্পের জমানায় বন্দুকবাজের হামলা নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই মানুষের ক্ষোভের ধাক্কাটা রিপাবলিকানদেরই খেতে হবে! এত সব সহ্য করে কি ট্রাম্প নার্ভ ধরে রাখতে পারবেন? অর্থাৎ ভোটের পর তাঁর পার্টির মুখে কি হাসি ফুটবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্টের লেখা একটি বই রয়েছে, ‘ট্রাম্প: হাউ টু গেট রিচ’। তার ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, বইটি পড়ার ৫০০ কোটি কারণ। এই অন্তর্বর্তী ভোটে সম্মানের সঙ্গে উতরে গেলে তিনি হয়তো আর একটি বই লিখবেন—ট্রাম্প: হাউ টু বিকাম আ রিচ পলিটিশিয়ান।
02nd  November, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কের কাছে ব্রিগেডগামী বাসের ধাক্কায় আহত হলেন বিধাননগর পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান। শনিবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে আঘাত গুরুতর নয়। ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সিরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে বিস্ফোরণ, মৃত ৩ 

03:03:00 PM

কেশিয়াড়িতে বনধের ডাক দিল বিজেপি 

03:02:00 PM

এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM