Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় নয়, তার আগে এবং পরেও ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নীতিতেই বিশ্বাসী। দুবছর হল ক্ষমতায় আছেন, আর তাঁকে ছাড়া খবর হয় না। হোক না তা নেতিবাচক, দিনের শেষে খবর তো! এই ফর্মুলা মেনে চললে, গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ মার্কিন মুলুকের যাবতীয় সংবাদ শিরোনাম রাজনীতি ছাড়া অন্য কিছু হওয়ারই ছিল না। থুড়ি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া কেউ প্রচারের আলোয় আসবে, তা হয় নাকি! সেরকম কিছুই কিন্তু হয়েছে। হপ্তা দুয়েক আগে থেকে রাজনীতি নয়, অন্তর্বর্তী নির্বাচন নয়, প্রচারে শুধুই পার্সেল বোমা। ব্ল্যাক হোলের মতো মার্কিন প্রচারের সবটুকু আলো ওই কটা পার্সেলই বিলকুল হজম করে ফেলেছে। আর তার ক্ষীরটা কে খেয়েছে? ডেমোক্র্যাটরা। বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুচোখের বিষ সিএনএনের দপ্তর... সর্বত্র গিয়েছে এই পার্সেল। কিন্তু একটিও ফাটেনি। হতাহতের সংখ্যা শূন্য। ওফ্‌, আবার একটু ভুল হল... আহত এক—ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে ধনকুবের ব্যবসায়ীর অর্থ এবং আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ব্যাটিংয়ের উপর ভর করে রিপাবলিকানরা মার্কিন ক্ষমতায় এসেছিল, সেই প্রেসিডেন্ট অনেকটাই ব্যাকফুটে। কিন্তু ওই যে, প্রথমেই বলা হয়েছিল, প্রচার অন্য কেউ নিয়ে যাক তিনি সহ্য করতে পারেন না! তাই শার্লট থেকে ফের যখন তেড়েফুঁড়ে ৬ নভেম্বরের অন্তর্বর্তী নির্বাচনের প্রচারে নামলেন, প্রথমেই স্টেপ আউট... ‘হিলারি অত্যন্ত জটিল মহিলা’, ‘সিএনএন উচ্ছন্নে যাক’ এবং ‘সংবাদমাধ্যম না চাইলেও ওদের বৃহত্তর ভূমিকা পালন করা উচিত’ জাতীয় শব্দ এবং বাক্য প্রয়োগ। অক্সিজেনটা অবশ্য তাঁকে জুগিয়েছে ফ্লোরিডার সিজার সেয়ক জুনিয়রের গ্রেপ্তারি। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিই নাকি যাবতীয় পার্সেল আতঙ্কের নেপথ্য কারিগর। কাজেই তার আগের দিন দশেক ধরে বিরোধীদের প্রতি ‘নরম-সরম’ হাবভাব দেখানো ট্রাম্প মহাশয় আবার চাঙ্গা। ‘আমেরিকার মানুষকে আমি হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চাই, আর মিডিয়া কি না তাঁদেরই উপর আক্রমণ শানাচ্ছে?’ অর্থাৎ যাবতীয় শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ট্রাম্প মহাশয় আবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির চেনা ছকে। প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসেও এতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা কি খুব বাস্তবসম্মত?
উত্তরটা হল, অবশ্যই। কারণ, ট্রাম্প এবং তাঁর রিপাবলিকান সহকর্মীরা খুব ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন, সময়টা মোটে ভালো আসছে না। ৬ নভেম্বর তাঁকে কার্যত অগ্নিপরীক্ষায় বসতে হবে। অনেকগুলো প্রশ্ন তাঁর ‘ফেলো আমেরিকান’রাই তুলে দিয়েছেন। জনমত কি এই দুবছরেই ঘুরে ডেমোক্র্যাটদের ঝুলি ভরাতে চলেছে? মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তৈরি, কঠোর অভিবাসী আইন, মার্কিন বেকারদের দুর্দশা দূর করা জাতীয় প্রতিশ্রুতি সকল কি ফাঁপা? আদৌ গণতন্ত্রপ্রেমী মার্কিনীরা দলেবলে ভোট দিতে আসবেন তো?
শেষ প্রশ্ন থেকেই উত্তর খোঁজা শুরু করা যাক। মার্কিনীদের কাছে ভোট দেওয়াটা অনেকটা রবিবারের সকালে গির্জায় প্রার্থনা করতে যাওয়ার মতো ছিল। আর এই প্রবণতা বা সুঅভ্যাসটি গত এক শতকের বেশি সময় থেকে চলে আসছে। নয়ের দশকের শেষ দিক থেকে এই চিরন্তন কার্যকলাপে খানিকটা হলেও লাগাম টানা শুরু হয়। এমন একটা হাবভাব বাজারে ছেয়ে যেতে শুরু করে যে, ‘ধুর, ভোট দিয়ে লাভ কী? সব নেতাই এক গোত্রের। প্রতিশ্রুতি দেবে, ভোট নেবে, তারপর ক্ষমতায় এসে নিজের পকেট ছাড়া অন্য কোনও স্বার্থ দেখবে না।’ এই প্রবণতাটা কিন্তু মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে বেড়েছে। যে পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় এক সময় ভোটদানের হার সবথেকে বেশি থাকত, সেই রাজ্য এখন নির্বাচনে অংশ নিতে নাক সিঁটকায়। অন্তত অন্তর্বর্তী নির্বাচনে তো বটেই। এখন প্রশ্ন হল, কী এই মার্কিন মিডটার্ম ইলেকশন?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুবছর পর এই ভোট হয়। গুরুত্বের দিক থেকে মোটেই কম কিছু নয়! কারণ, এই নির্বাচন ঠিক করে, দেশ এরপর কোন নীতিপথে এগবে। নজর থাকে অবশ্যই দুই কক্ষের দিকে—মার্কিন সেনেট এবং হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। এই হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা নির্বাচিত হন দুবছরের জন্য। কাজেই অন্তর্বর্তী নির্বাচনে ৪৩৫টি আসনেই ভোট হবে। সেনেটরদের জন্য অবশ্য বরাদ্দ ছয় বছরের মেয়াদ। আসন্ন ভোটে সেনেটের এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ১০০টি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। বাকি আসনের ব্যালট যুদ্ধ ২০২০ এবং ২০২২ সালে। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ যে পার্টির দখলে, তাদের হাতেই থাকবে সরকারের যাবতীয় এজেন্ডার চাবিকাঠি। তারাই ঠিক করবে মার্কিন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ব কমিটিগুলির মাথায় কে বসবে। দুই কক্ষে তাঁর পার্টির দাপট যতটা, ঠিক সেই মতোই একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ৬ নভেম্বর ৩৬টি রাজ্য এবং তিনটি মার্কিন সরকার শাসিত অঞ্চলের গভর্নরের নির্বাচনও হতে চলেছে। আর হবে ২০৬ জন মেয়রের বাছাই। হতে পারে, স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী ফলাফলগুলি দিয়ে কোনও পত্রিকার খবরের শিরোনাম হবে না। তবে একটা বিষয় খুব সত্যি, মার্কিন মুলুকে রাজ্য স্তরেই কিন্তু বহু গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে পার্টি রাজ্য বা একেবারে স্থানীয় স্তরে বেশি সংখ্যক আসনের দখল নেবে, তাদের অঙ্গুলিহেলনেই শেষ পর্যন্ত আমেরিকার সরকার ওঠ-বোস করবে। যদি ডেমোক্র্যাটরা আগামী সপ্তাহে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং রাজ্য স্তরের বেশিরভাগ আসন জিতে নিতে পারেন, তখন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট হয়েও ট্রাম্পের আর খুব একটা ছড়ি ঘোরানো হবে না।
আর ঠিক সেই জন্য প্রেসিডেন্ট মহাশয় তাঁর পরীক্ষিত পথেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন—আক্রমণ। ডেমোক্র্যাটদের। ঠিক যেভাবে দুবছর আগে করেছিলেন। তখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল দুটি। প্রথমত, বেআইনি অভিবাসী। এবং দ্বিতীয়ত, মার্কিন মুলুকে কর্মরত বিদেশিদের প্রভাব খর্ব করে সেদেশের নাগরিকদের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি। প্রথম ক্ষেত্রে তিনি কী করলেন? বললেন, মেক্সিকো সীমান্তে ২ হাজার মাইল দীর্ঘ একটি দেওয়াল তৈরি হবে। শুধু তাই নয়, যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেআইনিভাবে অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়ে, সেই সব জায়গাকে নিরাপত্তার কড়া বেষ্টনীতে মুড়ে দেওয়া। এ প্রসঙ্গে মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট বলছে, শুধুমাত্র অভিবাসী ঠেকাতে যে পরিমাণ অর্থ ট্রাম্প প্রশাসন খরচ করছে, তা এফবিআই, ব্যুরো অব অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক (এটিএফ), ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ এবং মার্শাল সার্ভিসের জন্য মোট বরাদ্দের থেকেও বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে ২০ হাজারেরও বেশি ‘রক্ষী’ নিয়োগ করে রেখেছেন ট্রাম্প। আর তাঁদের জন্য রয়েছে নজরদারি উভচর গাড়ি, হেলিকপ্টার, বোট, ড্রোন এবং সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহু প্রযুক্তি। তারপরও কি অনুপ্রবেশ রোখা যাচ্ছে? ট্রাম্পকে ভাবতে হবে, এই মুহূর্তে সমস্যার উপকেন্দ্র কিন্তু মেক্সিকো নয়। বরং গুয়াতেমালা, এল সালভাডর, হন্ডুরাসের মতো মধ্য আমেরিকার দেশ। ঘরোয়া অশান্তি এবং নিরাপত্তাহীনতার জন্য যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে কোনও মতে ট্রাম্পের দেশে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে আছে অগুনতি মহিলা ও শিশু। কোনও বৃদ্ধা জীবনের শেষ কটা দিন অশান্তির কালো ধোঁয়ার মধ্যে কাটাতে চাইবেন না বলে মরিয়া হয়ে চলে আসছেন। আবার কখনও ১৫ বছরের নাবালিকা তার সদ্যোজাতকে নিয়ে কাতর আর্জি জানাচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের। ট্রাম্প কিন্তু কঠোর। ইতিমধ্যে অভিবাসী পরিবারের মধ্যে বিভাজন টানতেও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু এই কঠোর পদক্ষেপ কি সমস্যা মেটাতে পারবে? বারাক ওবামা প্রশাসন ১০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি সাহায্য করেছিল এই দেশগুলিকে... আইন-শৃঙ্খলাকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে। কিন্তু তা অতীত। গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের মতো দেশগুলো আবার খুন, তোলাবাজি, মাদকের কালো ছায়ায় ঢেকে গিয়েছে। শুধু অভিবাসী খেদানোর ডাক দিয়ে মনুষ্যত্বের নিরিখে অন্তত ট্রাম্প খুব উঁচু জায়গায় পৌঁছতে পারবেন না।
আর যে বিষয়টি তাঁকে বড়সড় বেগ দিতে চলেছে, সেটি আমেরিকার বন্দুক আইন। সাধারণ মার্কিনিদের বিরক্তিটা কিন্তু প্রথমে ক্ষোভ, এবং এখন রীতিমতো আক্রোশে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রায় সব প্রান্তে চলছে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। তারপরও পিটসবার্গে বন্দুকবাজের গুলিতে খুন হতে হচ্ছে ১১ জনকে। সে অবশ্য শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ডেমোক্র্যাটরাও মন থেকে অস্ত্র ব্যবসা লাটে তুলে দিতে চাইবেন না। অন্তত এই একটা বিষয়ে যে যাবে লঙ্কায়, সেই হবে রাবণ। হাইস্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তায় লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ করা যেতে পারে, কিন্তু আইনে লাগাম টানা যাবে না। আমেরিকার ভাইবোনেরা, বন্দুক কিনে বাড়ি ফেরো... তাহলে না ব্যবসা বাড়বে! মানুষ কিন্তু আর মানছে না। ট্রাম্পের জমানায় বন্দুকবাজের হামলা নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই মানুষের ক্ষোভের ধাক্কাটা রিপাবলিকানদেরই খেতে হবে! এত সব সহ্য করে কি ট্রাম্প নার্ভ ধরে রাখতে পারবেন? অর্থাৎ ভোটের পর তাঁর পার্টির মুখে কি হাসি ফুটবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্টের লেখা একটি বই রয়েছে, ‘ট্রাম্প: হাউ টু গেট রিচ’। তার ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, বইটি পড়ার ৫০০ কোটি কারণ। এই অন্তর্বর্তী ভোটে সম্মানের সঙ্গে উতরে গেলে তিনি হয়তো আর একটি বই লিখবেন—ট্রাম্প: হাউ টু বিকাম আ রিচ পলিটিশিয়ান।
02nd  November, 2018
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ফালাকাটায় আলিপুরদুয়ার জেলার প্রথম স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ফালাকাটার টাউন ক্লাবের মাঠে এই স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হওয়ায় ফালাকাটা সহ জেলার ক্রীড়া মহলে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...

 বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: বিদেশি পর্যটক টানার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সর্বশেষ হিসেব বলছে, দেশে যত বিদেশি পর্যটক পা রাখেন, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে। এমনকী কেরল বা গোয়া— পর্যটন সংক্রান্ত আলোচনায় যে অঙ্গরাজ্যগুলির নাম আগে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আমেথিতে নির্বাচনী প্রচারে স্মৃতি ইরানি 

01:02:00 PM

হাজরায় লিফটের মধ্যে মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 

12:58:00 PM

বাগডোগরায় আইওসির পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকল কর্মীরা 

12:55:00 PM

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা 

12:50:00 PM

আজ বিকালে কলকাতা সহ পাশ্ববর্তী এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

12:47:00 PM

বারাণসীতে কংগ্রেস প্রার্থী হলেন অজয় রাই 

12:12:00 PM