বিশেষ নিবন্ধ
 

অন্তর্বর্তী নির্বাচন: ট্রাম্পের শিরে সংক্রান্তি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কেউ যদি তোমাকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ে, পাল্টা আঘাত করো। নৃশংস হও। কঠোর হও। বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এটাই তাঁর মূলধন... আক্রমণ। প্রতিপক্ষের উপর আঘাতটা এতটাই চড়া দাগের হবে যে, প্রচারের ময়দানে তাকে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। শুধু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় নয়, তার আগে এবং পরেও ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নীতিতেই বিশ্বাসী। দুবছর হল ক্ষমতায় আছেন, আর তাঁকে ছাড়া খবর হয় না। হোক না তা নেতিবাচক, দিনের শেষে খবর তো! এই ফর্মুলা মেনে চললে, গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ মার্কিন মুলুকের যাবতীয় সংবাদ শিরোনাম রাজনীতি ছাড়া অন্য কিছু হওয়ারই ছিল না। থুড়ি, নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া কেউ প্রচারের আলোয় আসবে, তা হয় নাকি! সেরকম কিছুই কিন্তু হয়েছে। হপ্তা দুয়েক আগে থেকে রাজনীতি নয়, অন্তর্বর্তী নির্বাচন নয়, প্রচারে শুধুই পার্সেল বোমা। ব্ল্যাক হোলের মতো মার্কিন প্রচারের সবটুকু আলো ওই কটা পার্সেলই বিলকুল হজম করে ফেলেছে। আর তার ক্ষীরটা কে খেয়েছে? ডেমোক্র্যাটরা। বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুচোখের বিষ সিএনএনের দপ্তর... সর্বত্র গিয়েছে এই পার্সেল। কিন্তু একটিও ফাটেনি। হতাহতের সংখ্যা শূন্য। ওফ্‌, আবার একটু ভুল হল... আহত এক—ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে ধনকুবের ব্যবসায়ীর অর্থ এবং আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ব্যাটিংয়ের উপর ভর করে রিপাবলিকানরা মার্কিন ক্ষমতায় এসেছিল, সেই প্রেসিডেন্ট অনেকটাই ব্যাকফুটে। কিন্তু ওই যে, প্রথমেই বলা হয়েছিল, প্রচার অন্য কেউ নিয়ে যাক তিনি সহ্য করতে পারেন না! তাই শার্লট থেকে ফের যখন তেড়েফুঁড়ে ৬ নভেম্বরের অন্তর্বর্তী নির্বাচনের প্রচারে নামলেন, প্রথমেই স্টেপ আউট... ‘হিলারি অত্যন্ত জটিল মহিলা’, ‘সিএনএন উচ্ছন্নে যাক’ এবং ‘সংবাদমাধ্যম না চাইলেও ওদের বৃহত্তর ভূমিকা পালন করা উচিত’ জাতীয় শব্দ এবং বাক্য প্রয়োগ। অক্সিজেনটা অবশ্য তাঁকে জুগিয়েছে ফ্লোরিডার সিজার সেয়ক জুনিয়রের গ্রেপ্তারি। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিই নাকি যাবতীয় পার্সেল আতঙ্কের নেপথ্য কারিগর। কাজেই তার আগের দিন দশেক ধরে বিরোধীদের প্রতি ‘নরম-সরম’ হাবভাব দেখানো ট্রাম্প মহাশয় আবার চাঙ্গা। ‘আমেরিকার মানুষকে আমি হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চাই, আর মিডিয়া কি না তাঁদেরই উপর আক্রমণ শানাচ্ছে?’ অর্থাৎ যাবতীয় শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ট্রাম্প মহাশয় আবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির চেনা ছকে। প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসেও এতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা কি খুব বাস্তবসম্মত?
উত্তরটা হল, অবশ্যই। কারণ, ট্রাম্প এবং তাঁর রিপাবলিকান সহকর্মীরা খুব ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছেন, সময়টা মোটে ভালো আসছে না। ৬ নভেম্বর তাঁকে কার্যত অগ্নিপরীক্ষায় বসতে হবে। অনেকগুলো প্রশ্ন তাঁর ‘ফেলো আমেরিকান’রাই তুলে দিয়েছেন। জনমত কি এই দুবছরেই ঘুরে ডেমোক্র্যাটদের ঝুলি ভরাতে চলেছে? মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তৈরি, কঠোর অভিবাসী আইন, মার্কিন বেকারদের দুর্দশা দূর করা জাতীয় প্রতিশ্রুতি সকল কি ফাঁপা? আদৌ গণতন্ত্রপ্রেমী মার্কিনীরা দলেবলে ভোট দিতে আসবেন তো?
শেষ প্রশ্ন থেকেই উত্তর খোঁজা শুরু করা যাক। মার্কিনীদের কাছে ভোট দেওয়াটা অনেকটা রবিবারের সকালে গির্জায় প্রার্থনা করতে যাওয়ার মতো ছিল। আর এই প্রবণতা বা সুঅভ্যাসটি গত এক শতকের বেশি সময় থেকে চলে আসছে। নয়ের দশকের শেষ দিক থেকে এই চিরন্তন কার্যকলাপে খানিকটা হলেও লাগাম টানা শুরু হয়। এমন একটা হাবভাব বাজারে ছেয়ে যেতে শুরু করে যে, ‘ধুর, ভোট দিয়ে লাভ কী? সব নেতাই এক গোত্রের। প্রতিশ্রুতি দেবে, ভোট নেবে, তারপর ক্ষমতায় এসে নিজের পকেট ছাড়া অন্য কোনও স্বার্থ দেখবে না।’ এই প্রবণতাটা কিন্তু মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে বেড়েছে। যে পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় এক সময় ভোটদানের হার সবথেকে বেশি থাকত, সেই রাজ্য এখন নির্বাচনে অংশ নিতে নাক সিঁটকায়। অন্তত অন্তর্বর্তী নির্বাচনে তো বটেই। এখন প্রশ্ন হল, কী এই মার্কিন মিডটার্ম ইলেকশন?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুবছর পর এই ভোট হয়। গুরুত্বের দিক থেকে মোটেই কম কিছু নয়! কারণ, এই নির্বাচন ঠিক করে, দেশ এরপর কোন নীতিপথে এগবে। নজর থাকে অবশ্যই দুই কক্ষের দিকে—মার্কিন সেনেট এবং হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। এই হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা নির্বাচিত হন দুবছরের জন্য। কাজেই অন্তর্বর্তী নির্বাচনে ৪৩৫টি আসনেই ভোট হবে। সেনেটরদের জন্য অবশ্য বরাদ্দ ছয় বছরের মেয়াদ। আসন্ন ভোটে সেনেটের এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ১০০টি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। বাকি আসনের ব্যালট যুদ্ধ ২০২০ এবং ২০২২ সালে। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ যে পার্টির দখলে, তাদের হাতেই থাকবে সরকারের যাবতীয় এজেন্ডার চাবিকাঠি। তারাই ঠিক করবে মার্কিন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ব কমিটিগুলির মাথায় কে বসবে। দুই কক্ষে তাঁর পার্টির দাপট যতটা, ঠিক সেই মতোই একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। ৬ নভেম্বর ৩৬টি রাজ্য এবং তিনটি মার্কিন সরকার শাসিত অঞ্চলের গভর্নরের নির্বাচনও হতে চলেছে। আর হবে ২০৬ জন মেয়রের বাছাই। হতে পারে, স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী ফলাফলগুলি দিয়ে কোনও পত্রিকার খবরের শিরোনাম হবে না। তবে একটা বিষয় খুব সত্যি, মার্কিন মুলুকে রাজ্য স্তরেই কিন্তু বহু গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে পার্টি রাজ্য বা একেবারে স্থানীয় স্তরে বেশি সংখ্যক আসনের দখল নেবে, তাদের অঙ্গুলিহেলনেই শেষ পর্যন্ত আমেরিকার সরকার ওঠ-বোস করবে। যদি ডেমোক্র্যাটরা আগামী সপ্তাহে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং রাজ্য স্তরের বেশিরভাগ আসন জিতে নিতে পারেন, তখন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট হয়েও ট্রাম্পের আর খুব একটা ছড়ি ঘোরানো হবে না।
আর ঠিক সেই জন্য প্রেসিডেন্ট মহাশয় তাঁর পরীক্ষিত পথেই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন—আক্রমণ। ডেমোক্র্যাটদের। ঠিক যেভাবে দুবছর আগে করেছিলেন। তখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল দুটি। প্রথমত, বেআইনি অভিবাসী। এবং দ্বিতীয়ত, মার্কিন মুলুকে কর্মরত বিদেশিদের প্রভাব খর্ব করে সেদেশের নাগরিকদের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি। প্রথম ক্ষেত্রে তিনি কী করলেন? বললেন, মেক্সিকো সীমান্তে ২ হাজার মাইল দীর্ঘ একটি দেওয়াল তৈরি হবে। শুধু তাই নয়, যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বেআইনিভাবে অভিবাসীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়ে, সেই সব জায়গাকে নিরাপত্তার কড়া বেষ্টনীতে মুড়ে দেওয়া। এ প্রসঙ্গে মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট বলছে, শুধুমাত্র অভিবাসী ঠেকাতে যে পরিমাণ অর্থ ট্রাম্প প্রশাসন খরচ করছে, তা এফবিআই, ব্যুরো অব অ্যালকোহল, তামাক, আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক (এটিএফ), ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ এবং মার্শাল সার্ভিসের জন্য মোট বরাদ্দের থেকেও বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে ২০ হাজারেরও বেশি ‘রক্ষী’ নিয়োগ করে রেখেছেন ট্রাম্প। আর তাঁদের জন্য রয়েছে নজরদারি উভচর গাড়ি, হেলিকপ্টার, বোট, ড্রোন এবং সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহু প্রযুক্তি। তারপরও কি অনুপ্রবেশ রোখা যাচ্ছে? ট্রাম্পকে ভাবতে হবে, এই মুহূর্তে সমস্যার উপকেন্দ্র কিন্তু মেক্সিকো নয়। বরং গুয়াতেমালা, এল সালভাডর, হন্ডুরাসের মতো মধ্য আমেরিকার দেশ। ঘরোয়া অশান্তি এবং নিরাপত্তাহীনতার জন্য যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে কোনও মতে ট্রাম্পের দেশে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে আছে অগুনতি মহিলা ও শিশু। কোনও বৃদ্ধা জীবনের শেষ কটা দিন অশান্তির কালো ধোঁয়ার মধ্যে কাটাতে চাইবেন না বলে মরিয়া হয়ে চলে আসছেন। আবার কখনও ১৫ বছরের নাবালিকা তার সদ্যোজাতকে নিয়ে কাতর আর্জি জানাচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়ের। ট্রাম্প কিন্তু কঠোর। ইতিমধ্যে অভিবাসী পরিবারের মধ্যে বিভাজন টানতেও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু এই কঠোর পদক্ষেপ কি সমস্যা মেটাতে পারবে? বারাক ওবামা প্রশাসন ১০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি সাহায্য করেছিল এই দেশগুলিকে... আইন-শৃঙ্খলাকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে। কিন্তু তা অতীত। গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের মতো দেশগুলো আবার খুন, তোলাবাজি, মাদকের কালো ছায়ায় ঢেকে গিয়েছে। শুধু অভিবাসী খেদানোর ডাক দিয়ে মনুষ্যত্বের নিরিখে অন্তত ট্রাম্প খুব উঁচু জায়গায় পৌঁছতে পারবেন না।
আর যে বিষয়টি তাঁকে বড়সড় বেগ দিতে চলেছে, সেটি আমেরিকার বন্দুক আইন। সাধারণ মার্কিনিদের বিরক্তিটা কিন্তু প্রথমে ক্ষোভ, এবং এখন রীতিমতো আক্রোশে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রায় সব প্রান্তে চলছে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। তারপরও পিটসবার্গে বন্দুকবাজের গুলিতে খুন হতে হচ্ছে ১১ জনকে। সে অবশ্য শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ডেমোক্র্যাটরাও মন থেকে অস্ত্র ব্যবসা লাটে তুলে দিতে চাইবেন না। অন্তত এই একটা বিষয়ে যে যাবে লঙ্কায়, সেই হবে রাবণ। হাইস্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তায় লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ করা যেতে পারে, কিন্তু আইনে লাগাম টানা যাবে না। আমেরিকার ভাইবোনেরা, বন্দুক কিনে বাড়ি ফেরো... তাহলে না ব্যবসা বাড়বে! মানুষ কিন্তু আর মানছে না। ট্রাম্পের জমানায় বন্দুকবাজের হামলা নিত্য ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই মানুষের ক্ষোভের ধাক্কাটা রিপাবলিকানদেরই খেতে হবে! এত সব সহ্য করে কি ট্রাম্প নার্ভ ধরে রাখতে পারবেন? অর্থাৎ ভোটের পর তাঁর পার্টির মুখে কি হাসি ফুটবে?
মার্কিন প্রেসিডেন্টের লেখা একটি বই রয়েছে, ‘ট্রাম্প: হাউ টু গেট রিচ’। তার ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, বইটি পড়ার ৫০০ কোটি কারণ। এই অন্তর্বর্তী ভোটে সম্মানের সঙ্গে উতরে গেলে তিনি হয়তো আর একটি বই লিখবেন—ট্রাম্প: হাউ টু বিকাম আ রিচ পলিটিশিয়ান।
02nd  November, 2018
আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
Loading...
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
Loading...
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

09th  November, 2018
উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ১৬ নভেম্বর: মহিলাদের বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের দুই বক্সার সরিতা দেবী ও মনীষা প্রথম রাউন্ডে জয় পেলেন। মনীষা হারান আমেরিকান বক্সার ক্রিস্টিনা ক্রুজকে। ...

 হারারে, ১৬ নভেম্বর (এএফপি): ফের বড়সড় পথ দুর্ঘটনায় জিম্বাবোয়েতে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ৪২ জন যাত্রী। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ...

 অম্বিকাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): কংগ্রেস গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কাউকে দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাঁড় করে দেখাক— ছত্তিশগড়ে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনের (২০ নভেম্বর) আগে ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: বৃহস্পতিবার রাতে চন্দননগর স্টেশন থেকে ৪১টি অত্যাধুনিক মোবাইল সহ একটি ব্যাগ উদ্ধার করল জিআরপি। জিআরপি জানিয়েছে, জগদ্ধাত্রী পুজোর ভিড় সামাল দিতে স্টেশন চত্বরে নজরদারি চলছিল। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৪ টাকা ৭২.৯৫ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৮০.১৫ টাকা ৮৩.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৪৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯,৮২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ১৫/১ দিবা ঘ ১১/৫৫। নক্ষত্র- শতভিষা ২১/১৯ দিবা ঘ ২/২৬, সূ উ ৫/৫৪/১২, অ ৪/৪৮/৫২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ঘ ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
৩০ কার্তিক ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ৯/৪/১০। শতভিষানক্ষত্র ঘ ১২/৪৩/৫৪। সূ উ ৫/৫৪/৪০, অ ৪/৪৭/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১ মধ্যে ও ঘ ৭/২১/৪৭ থেকে ঘ ৯/৩২/২৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৩/৬ থেকে ২/৩৭/১৯ মধ্যে ও ৩/২০/৫৬ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৪০/০ থেকে ঘ ২/২৪/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ১২/৪২/৫৯ থেকে ২/৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/১৬/২০ মধ্যে ও ঘ ৩/২৬/১৯ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৬/১৯ মধ্যে ও ঘ ৪/১৭/৫ থেকে ৫/৫৫/২৫ মধ্যে। আজ শ্রীশ্রীজগদ্ধাত্রী পূজা
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইল রেল
মাঝেরহাট ব্রিজ দুর্ঘটনার জেরে রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ...বিশদ

06:32:03 PM

কলকাতার উচ্চতম বহুতলে আগুন
কলকাতার উচ্চতম বহুতল শেক্সপিয়র সরণীর 'দ্য ৪২'  টাওয়ারে আগুন লাগার ...বিশদ

05:26:00 PM

বাগদায় স্বামীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী 

04:22:00 PM

পাউরুটি, কেক, বিস্কুটের দাম বাড়ছে 
দাম বাড়তে চলেছে পাউরুটি, কেক ও বিস্কুটের। পাউরুটির ক্ষেত্রে পাউন্ড ...বিশদ

01:50:17 PM

লালগোলা প্যাসেঞ্জারে আগুন 
ধুবুলিয়া স্টেশনের কাছে ৫৩১৭৮ ডাউন লালগোলা-শিয়ালদহ প্যাসেঞ্জারে আগুন। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:36:00 PM

বিজেপির রথ যাত্রায় ফের দিন বদল 
আবারও বদলাল এরাজ্যে বিজেপির রথ যাত্রার সূচি। জানা গিয়েছে, তারাপীঠ ...বিশদ

12:57:49 PM

Loading...
Loading...