বিশেষ নিবন্ধ
 

এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

খবরটা বেশ কয়েকমাস হল বাংলার বাতাসে ভাসছিল। বাতাস বেয়ে সে খবর আমার মতো অনেকেরই কান ছুঁয়ে গেছে। কিন্তু তা নিয়ে পথেঘাটে অফিস কাছারিতে আড্ডায় জমায়েতে কোনও আলোচনা শোনা যায়নি। সংশ্লিষ্ট জনেরা হয়তো ভেবেছেন, বড় ভোট আসছে। এখন রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহার মতো রোজ কত কী রটবে— তার সব নিয়ে ভাবার দরকারটা কী? অত সময় কোথায়? তাছাড়া, রটনা আর ঘটনার মধ্যে ফারাকও কম নয়। সব রটনাই তো আর ঘটনা হয় না। বিশেষ করে আমাদের দেশে যখন ভোটের আগে রটনার এমন চাটনি চানাচুর ছড়ানোর রেওয়াজ খুব কিছু নতুন নয় তখন কিছু একটা রটলেই তাকে ধরে বসতে হবে— তার কী মানে আছে? তাই, ওই খবরটা বাতাসে ভাসলেও আম- বাঙালির রাজনৈতিক আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারেনি। কিন্তু, গত মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বিষয়টি উঠে আসতেই বাংলার জনমনে তা নিয়ে কিছুটা হলেও কৌতূহল চাগাড় দিয়েছে সন্দেহ নেই। আর খবরটা এমনই যে তাতে নিছক কৌতূহলই নয়, যোগ হয়েছে একধরনের বিস্ময় জিজ্ঞাসাও! এবং, বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক বাতাবরণের পরিপ্রেক্ষিতে সেটা খুব অস্বাভাবিক বলেও মনে হচ্ছে না।
খবর হয়েছে, অমিত শাহ সারা দেশ ছেড়ে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তাঁর নিজের রাজ্য ছেড়ে বাংলায় ভোট লড়তে আসছেন— মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না। তাই, বিজেপির প্রধান সেনাপতি রাজ্যে আসছেন ভোট লড়তে এবং বনেদি কলকাতা থেকে সেই লড়াই দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন শুনে পাবলিকের কৌতূহল সজনে খাড়া হবে তাতে আশ্চর্য কী?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তো রণাঙ্গন বদলাচ্ছেন। ওই খবরই বলছে, তিনি গতবার বেনারসে (কাশী) ছিলেন এবার পুরীতে আসার কথা ভাবছেন। ভাবতেই পারেন। তবে বেনারস থেকে পুরী, আর কোথাও কিছু নেই হঠাৎ উত্তর কলকাতা— একটু ঝটকা তো বাংলার পাবলিকের লাগছেই। বেনারসের বদলে পুরী— তার একটা মানে তবু করা যায়। কাশী বিশ্বেশ্বর মা গঙ্গার বন্দনার পর সাগর সৈকতলগ্ন প্রভু জগন্নাথদেবের আশীর্বাদধন্য পুরীতীর্থ গেরুয়া শিবিরের ধর্মীয় ভাবাবেগের রাজনীতির পক্ষে যথার্থ বিকল্প হতেই পারে। এবং সারা দেশে বিজেপির অবস্থা যেমনই হোক শেষ অব্দি মোদিজি পুরী থেকে লোকসভা লড়তে নামলে তাঁকে পরাস্ত করাও খুব সহজ হবে না। একথা তথ্যভিজ্ঞরা তো বটেই, বলছেন তীর্থবাসীদের অনেকেই। ঘটনাচক্রে পুরীর কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল কলকাতায়। তখনও খবরটা টিভিতে আসেনি। কানাঘুষোয় শোনা খবরের কথা জানাতেই দেখলাম, তাঁদের অন্তত দু’জন খুব জোরের সঙ্গে বলে দিলেন, মোদিজি দাঁড়ালে জিতবেন, কেউ আটকাতে পারবে না। কেন? কেন আবার? বেনারসের ভোল বদলে দিয়েছেন যিনি তিনি এখানে জিতলে পুরীর চেহারাও নিশ্চয়ই বদলে যাবে। চলতি সরকার তো সি-বিচ পরিষ্কার করা আর হোটেলওয়ালাদের উপকার ছাড়া কিছু করেনি। পুরীতে প্রধানমন্ত্রীজি জিতলে পুরীতীর্থ তো বটেই, সেখানকার মানুষজনেরও অনেক উন্নতি হবে, হবেই। দেশের প্রধানমন্ত্রী তো আর বদলাচ্ছে না। মোদিজিই আসছেন। তাই উন্নয়নের স্বার্থে পুরীর ভোট ওঁকে ছাড়া কাকে দেবে মানুষ?
যাঁরা এই মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন— তাঁরা কেউই বিজেপি দূরে থাক রাজনীতির ধারপাশেরও নন। নিতান্ত সাধারণ, কেউ পাণ্ডাদলের কেউ আমজনতাদলের প্রতিনিধি। বিজেডি মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের শাসনে তাঁরা সন্তুষ্ট নন এবং সে অসন্তোষের জন্য দায়ী বিবিধ কারণের উল্লেখও তাঁরা করেছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতাসীন হতে ওড়িশাবাসীর দ্বারস্থ হচ্ছেন শুনে বাড়তি একটা প্রত্যাশা তাঁদের জাগতেই পারে। উন্নয়নের প্রত্যাশা, আর একটু ভালোভাবে জীবনযাপনের প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার টানে পুরীতে তো বটেই, রাজ্যের বাকি ২০ লোকসভা আসনেও গেরুয়া বাহিনীকে এগিয়ে দেওয়ার মনোবাসনা ওড়িশাবাসীর মনে বদলের ইন্ধন জোগাতে পারে। ২০১৪ মোদি-ঝড়েও তো নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিকে টলাতে পারেনি বিজেপি। জুটেছিল মাত্র একটি আসন সুন্দরগড়! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীকে নামিয়ে জনতার মনোভাবনা কাজে লাগাতে তাই তৎপর হতেই পারে পদ্মশিবির। কিন্তু, উত্তর কলকাতা কেন? উত্তর কলকাতা নিরাপদ!
নবীনের ওড়িশার সঙ্গে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক বা উন্নয়ন— কোনও দিক থেকেই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার তুলনা চলে! ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাত্র কয়েক বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল, কলকাতা থেকে দিঘা সুন্দরবন শহর গ্রাম মহানগর সর্বত্র যে বিপুল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন হয়েছে, প্রান্তিক গরিব মানুষজনের দৈনন্দিন জীবনমানে যে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে তাতে জন্মনিন্দুকদের ভাবান্তর না হলেও সাধারণ রাজ্যবাসী আপ্লুত। তাঁরা এখনও মনে করছেন, মমতার আমলে পরিবহণ শিক্ষা স্বাস্থ্য পানীয়জল ইত্যাদি বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে যে উন্নতি ঘটেছে বাম আমলে তা ছিল অভাবিত। বিশ্বজয়ী কন্যাশ্রী স্বাস্থ্যসাথির মতো প্রকল্পগুলির দৌলতে গরিবের ঘরে যে আলো আর আনন্দ ফিরেছে গরিব দরদি বলে জাহির করা সিপিএমের আমলে তার ছিটেফোঁটাও ছিল? শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ, সরকারি খরচে ছেলেমেয়েদের পড়াশুনো থেকে কন্যাদান— আর কোন রাজ্যে আছে? তার ওপর এত উৎসব এত আনন্দের আয়োজন করছে সরকার— সেসবও তো আমাদের মতো সাধারণ রাজ্যবাসীর জন্যই। তো, এত কিছুর পর কার অভিযোগ থাকবে? কে চাইবে অপরিচিত লোকজন ডেকে এনে সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করতে— বলুন? ২০১৯ সালের লোকসভায় ৪২টার মধ্যে ৪২টা যে তৃণমূল দাবি করছে— এই সার্বিক উন্নয়নের জোরেই না করছে। ঝলমল করে উঠল কন্ডাক্টার ভদ্রলোকের মুখ। তারপর চোখদুটো বন্ধ করে ঘাড় দুলিয়ে তাঁর শেষ মন্তব্য— কিসসু হবে না। যে যেখানে খুশি দাঁড়ান, নিট ফল শূন্যই থাকবে!
এতদূর বলার সাহস আমাদের নেই। তাছাড়া, দিল্লি এখনও বহুৎ দূর। তবে, এই মুহূর্তে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা তাতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সঙ্গে লড়ে সিপিএম কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা কে কতটা কী করে উঠতে পারবে তা নিয়ে ধন্দ সব মহলেই। বিজেপিও কি সেখানে ব্যতিক্রম হতে পারে? একথা ঠিক, রাজনীতির হেভি-ওয়েট কি রূপালি পর্দা বা খেলার মাঠের নক্ষত্ররা ভোট ময়দানে নামলে জনমনোরঞ্জনে সংশ্লিষ্ট দলের বাড়তি সুবিধে হয়। কাগজ টিভি সিনেমার মুখগুলিকে দেখতে ভিড় করে আসে মানুষ। কিন্তু, খুব ভারী কিছু রাখার জায়গা সে কলকারখানা হোক কি ঘরসংসার, যদি মজবুত না হয়— তাহলে সমস্যা বাড়ে বই কমে না। রাজনীতির ক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। আজ মমতার এমন একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিপত্তিতে যাঁদের চোখ টাটায় তাঁরা একবার ভাবুন— পায়ের তলার ওই গ্রানাইট-কঠিন জনভিত্তিটা তৈরি করতে তাঁর কতদিন কত রাত গিয়েছে, কত কত প্রতিকূলতা, চিন্তাদুশ্চিন্তার প্রহর গড়িয়েছে, প্রাণ বাজি রেখে কত রক্ত ঝরাতে হয়েছে! ভাবুন, ভাবুন— কী অসীম দুঃসাহস মাত্র সম্বল করে প্রায় একা সিপিএমের মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর লড়তে হয়েছে তাঁকে! তারপরই না মিলেছে জনতা জনার্দনের অমন অকৃপণ সমর্থন, এসে বসেছেন ক্ষমতার ফুলেল কৌচে। এ কি ওয়ান নাইট মিরাকেলে সম্ভব!
অমিত শাহের মতো হেভিওয়েট উত্তর কলকাতায় দাঁড়ানো। তাতে রাজ্য বিজেপির কর্তা থেকে কর্মী সকলেই নিশ্চয়ই যারপরনাই উৎফুল্ল হবেন এবং মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করার লড়াইতে বাড়তি উৎসাহে ঝাঁপিয়েও পড়বেন। সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তার আভাসও মিলেছে। কিন্তু, প্রশ্ন হল, মমতাময় এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের তৈরি আছে তো? এখনও তেমন জমির সন্ধান কিন্তু দিতে পারেনি রাজ্য বিজেপি। বিগত লোকসভা থেকে আজ অব্দি ভোটফল সে কথাই বলছে নাকি? রাজ্যে বিরোধী তালিকায় উন্নতি ঘটেছে, কিছু ভোট বেড়েছে— তার বেশি কিছু এখনও অধরা। তাছাড়া, বড়বাজার বা তৎসন্নিহিত এলাকার মতো নয় বনেদি উত্তর কলকাতা— এই সত্যটি আশা করি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানেন। উত্তর এখনও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেকটাই রক্ষণশীল, ভাবনাবাদী। সেই নোটবন্দি, নীরব-চোকসি কাণ্ড থেকে সাম্প্রতিক কেরোসিন ডিজেল পেট্রলের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি, সিবিআই কেলেঙ্কারি— মহানগরীর উত্তরপ্রান্ত সব নিয়েই যথেষ্ট ভাবিত এবং সে ভাবনা কতটা গেরুয়া অনুকূল তা নিয়ে সংশয় আছে। উত্তরের এই আসন এতদিন তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ঘরের মানুষের দখলে ছিল। শাসকদলের মহানেতা অমিত শাহ হয়তো তাঁর তুলনায় ওজনে গুরু ‘হেভিওয়েট’। কিন্তু, আজ উত্তরের মমতাসর্বস্ব রাজনৈতিক বাতাবরণে সুদীপবাবুর নাম মুছে অমিতজির নাম লোকসভার আগামী খাতায় লেখাটা খুব সহজ হবে কি? জমি কি ততটা শক্ত হয়েছে বিজেপির? এমনকী, অনিবার্য কারণে সুদীপবাবুর জায়গায় অন্য কোনও মুখ এলেই কি হবে? শত হলেও সুদীপবাবুর বিকল্পও তো মমতার তৃণমূলের হয়েই নামবেন। আর কে না জানেন, আজ রাজ্যের লোকসভা বিধানসভা সব আসনে মানুষ একজনকেই প্রার্থী হিসেবে দেখেন— তিনি মমতা। সেক্ষেত্রে অমিতজি না হয়ে খোদ নরেন্দ্রজি হলেও কি রাজি হবে উত্তর কলকাতা!
01st  November, 2018
আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
Loading...
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
Loading...
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

09th  November, 2018
উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল।
বিশদ

08th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: শুক্রবার দিনহাটার গোসানিমারিতে একটি ধান খেতে রাখা পরিত্যক্ত বোমা ফেটে আহত হয় চার শিশু। এদিন সকালে ক্রিকেট খেলার সময় তাদের বলটি ধান খেতে ...

 হারারে, ১৬ নভেম্বর (এএফপি): ফের বড়সড় পথ দুর্ঘটনায় জিম্বাবোয়েতে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ৪২ জন যাত্রী। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ...

 অম্বিকাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): কংগ্রেস গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কাউকে দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাঁড় করে দেখাক— ছত্তিশগড়ে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনের (২০ নভেম্বর) আগে ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: বৃহস্পতিবার রাতে চন্দননগর স্টেশন থেকে ৪১টি অত্যাধুনিক মোবাইল সহ একটি ব্যাগ উদ্ধার করল জিআরপি। জিআরপি জানিয়েছে, জগদ্ধাত্রী পুজোর ভিড় সামাল দিতে স্টেশন চত্বরে নজরদারি চলছিল। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৪ টাকা ৭২.৯৫ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৮০.১৫ টাকা ৮৩.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৪৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯,৮২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ১৫/১ দিবা ঘ ১১/৫৫। নক্ষত্র- শতভিষা ২১/১৯ দিবা ঘ ২/২৬, সূ উ ৫/৫৪/১২, অ ৪/৪৮/৫২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ঘ ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
৩০ কার্তিক ১৪২৫, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার, নবমী ৯/৪/১০। শতভিষানক্ষত্র ঘ ১২/৪৩/৫৪। সূ উ ৫/৫৪/৪০, অ ৪/৪৭/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১ মধ্যে ও ঘ ৭/২১/৪৭ থেকে ঘ ৯/৩২/২৬ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৩/৬ থেকে ২/৩৭/১৯ মধ্যে ও ৩/২০/৫৬ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৪০/০ থেকে ঘ ২/২৪/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ১২/৪২/৫৯ থেকে ২/৪/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/১৬/২০ মধ্যে ও ঘ ৩/২৬/১৯ থেকে ৪/৪৭/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৬/১৯ মধ্যে ও ঘ ৪/১৭/৫ থেকে ৫/৫৫/২৫ মধ্যে। আজ শ্রীশ্রীজগদ্ধাত্রী পূজা
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাইল রেল
মাঝেরহাট ব্রিজ দুর্ঘটনার জেরে রাজ্যের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ...বিশদ

06:32:03 PM

কলকাতার উচ্চতম বহুতলে আগুন
কলকাতার উচ্চতম বহুতল শেক্সপিয়র সরণীর 'দ্য ৪২'  টাওয়ারে আগুন লাগার ...বিশদ

05:26:00 PM

বাগদায় স্বামীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী 

04:22:00 PM

পাউরুটি, কেক, বিস্কুটের দাম বাড়ছে 
দাম বাড়তে চলেছে পাউরুটি, কেক ও বিস্কুটের। পাউরুটির ক্ষেত্রে পাউন্ড ...বিশদ

01:50:17 PM

লালগোলা প্যাসেঞ্জারে আগুন 
ধুবুলিয়া স্টেশনের কাছে ৫৩১৭৮ ডাউন লালগোলা-শিয়ালদহ প্যাসেঞ্জারে আগুন। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:36:00 PM

বিজেপির রথ যাত্রায় ফের দিন বদল 
আবারও বদলাল এরাজ্যে বিজেপির রথ যাত্রার সূচি। জানা গিয়েছে, তারাপীঠ ...বিশদ

12:57:49 PM

Loading...
Loading...