Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

খবরটা বেশ কয়েকমাস হল বাংলার বাতাসে ভাসছিল। বাতাস বেয়ে সে খবর আমার মতো অনেকেরই কান ছুঁয়ে গেছে। কিন্তু তা নিয়ে পথেঘাটে অফিস কাছারিতে আড্ডায় জমায়েতে কোনও আলোচনা শোনা যায়নি। সংশ্লিষ্ট জনেরা হয়তো ভেবেছেন, বড় ভোট আসছে। এখন রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহার মতো রোজ কত কী রটবে— তার সব নিয়ে ভাবার দরকারটা কী? অত সময় কোথায়? তাছাড়া, রটনা আর ঘটনার মধ্যে ফারাকও কম নয়। সব রটনাই তো আর ঘটনা হয় না। বিশেষ করে আমাদের দেশে যখন ভোটের আগে রটনার এমন চাটনি চানাচুর ছড়ানোর রেওয়াজ খুব কিছু নতুন নয় তখন কিছু একটা রটলেই তাকে ধরে বসতে হবে— তার কী মানে আছে? তাই, ওই খবরটা বাতাসে ভাসলেও আম- বাঙালির রাজনৈতিক আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারেনি। কিন্তু, গত মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বিষয়টি উঠে আসতেই বাংলার জনমনে তা নিয়ে কিছুটা হলেও কৌতূহল চাগাড় দিয়েছে সন্দেহ নেই। আর খবরটা এমনই যে তাতে নিছক কৌতূহলই নয়, যোগ হয়েছে একধরনের বিস্ময় জিজ্ঞাসাও! এবং, বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক বাতাবরণের পরিপ্রেক্ষিতে সেটা খুব অস্বাভাবিক বলেও মনে হচ্ছে না।
খবর হয়েছে, অমিত শাহ সারা দেশ ছেড়ে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তাঁর নিজের রাজ্য ছেড়ে বাংলায় ভোট লড়তে আসছেন— মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না। তাই, বিজেপির প্রধান সেনাপতি রাজ্যে আসছেন ভোট লড়তে এবং বনেদি কলকাতা থেকে সেই লড়াই দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন শুনে পাবলিকের কৌতূহল সজনে খাড়া হবে তাতে আশ্চর্য কী?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তো রণাঙ্গন বদলাচ্ছেন। ওই খবরই বলছে, তিনি গতবার বেনারসে (কাশী) ছিলেন এবার পুরীতে আসার কথা ভাবছেন। ভাবতেই পারেন। তবে বেনারস থেকে পুরী, আর কোথাও কিছু নেই হঠাৎ উত্তর কলকাতা— একটু ঝটকা তো বাংলার পাবলিকের লাগছেই। বেনারসের বদলে পুরী— তার একটা মানে তবু করা যায়। কাশী বিশ্বেশ্বর মা গঙ্গার বন্দনার পর সাগর সৈকতলগ্ন প্রভু জগন্নাথদেবের আশীর্বাদধন্য পুরীতীর্থ গেরুয়া শিবিরের ধর্মীয় ভাবাবেগের রাজনীতির পক্ষে যথার্থ বিকল্প হতেই পারে। এবং সারা দেশে বিজেপির অবস্থা যেমনই হোক শেষ অব্দি মোদিজি পুরী থেকে লোকসভা লড়তে নামলে তাঁকে পরাস্ত করাও খুব সহজ হবে না। একথা তথ্যভিজ্ঞরা তো বটেই, বলছেন তীর্থবাসীদের অনেকেই। ঘটনাচক্রে পুরীর কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল কলকাতায়। তখনও খবরটা টিভিতে আসেনি। কানাঘুষোয় শোনা খবরের কথা জানাতেই দেখলাম, তাঁদের অন্তত দু’জন খুব জোরের সঙ্গে বলে দিলেন, মোদিজি দাঁড়ালে জিতবেন, কেউ আটকাতে পারবে না। কেন? কেন আবার? বেনারসের ভোল বদলে দিয়েছেন যিনি তিনি এখানে জিতলে পুরীর চেহারাও নিশ্চয়ই বদলে যাবে। চলতি সরকার তো সি-বিচ পরিষ্কার করা আর হোটেলওয়ালাদের উপকার ছাড়া কিছু করেনি। পুরীতে প্রধানমন্ত্রীজি জিতলে পুরীতীর্থ তো বটেই, সেখানকার মানুষজনেরও অনেক উন্নতি হবে, হবেই। দেশের প্রধানমন্ত্রী তো আর বদলাচ্ছে না। মোদিজিই আসছেন। তাই উন্নয়নের স্বার্থে পুরীর ভোট ওঁকে ছাড়া কাকে দেবে মানুষ?
যাঁরা এই মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন— তাঁরা কেউই বিজেপি দূরে থাক রাজনীতির ধারপাশেরও নন। নিতান্ত সাধারণ, কেউ পাণ্ডাদলের কেউ আমজনতাদলের প্রতিনিধি। বিজেডি মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের শাসনে তাঁরা সন্তুষ্ট নন এবং সে অসন্তোষের জন্য দায়ী বিবিধ কারণের উল্লেখও তাঁরা করেছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতাসীন হতে ওড়িশাবাসীর দ্বারস্থ হচ্ছেন শুনে বাড়তি একটা প্রত্যাশা তাঁদের জাগতেই পারে। উন্নয়নের প্রত্যাশা, আর একটু ভালোভাবে জীবনযাপনের প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার টানে পুরীতে তো বটেই, রাজ্যের বাকি ২০ লোকসভা আসনেও গেরুয়া বাহিনীকে এগিয়ে দেওয়ার মনোবাসনা ওড়িশাবাসীর মনে বদলের ইন্ধন জোগাতে পারে। ২০১৪ মোদি-ঝড়েও তো নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিকে টলাতে পারেনি বিজেপি। জুটেছিল মাত্র একটি আসন সুন্দরগড়! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীকে নামিয়ে জনতার মনোভাবনা কাজে লাগাতে তাই তৎপর হতেই পারে পদ্মশিবির। কিন্তু, উত্তর কলকাতা কেন? উত্তর কলকাতা নিরাপদ!
নবীনের ওড়িশার সঙ্গে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক বা উন্নয়ন— কোনও দিক থেকেই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার তুলনা চলে! ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাত্র কয়েক বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল, কলকাতা থেকে দিঘা সুন্দরবন শহর গ্রাম মহানগর সর্বত্র যে বিপুল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন হয়েছে, প্রান্তিক গরিব মানুষজনের দৈনন্দিন জীবনমানে যে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে তাতে জন্মনিন্দুকদের ভাবান্তর না হলেও সাধারণ রাজ্যবাসী আপ্লুত। তাঁরা এখনও মনে করছেন, মমতার আমলে পরিবহণ শিক্ষা স্বাস্থ্য পানীয়জল ইত্যাদি বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে যে উন্নতি ঘটেছে বাম আমলে তা ছিল অভাবিত। বিশ্বজয়ী কন্যাশ্রী স্বাস্থ্যসাথির মতো প্রকল্পগুলির দৌলতে গরিবের ঘরে যে আলো আর আনন্দ ফিরেছে গরিব দরদি বলে জাহির করা সিপিএমের আমলে তার ছিটেফোঁটাও ছিল? শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ, সরকারি খরচে ছেলেমেয়েদের পড়াশুনো থেকে কন্যাদান— আর কোন রাজ্যে আছে? তার ওপর এত উৎসব এত আনন্দের আয়োজন করছে সরকার— সেসবও তো আমাদের মতো সাধারণ রাজ্যবাসীর জন্যই। তো, এত কিছুর পর কার অভিযোগ থাকবে? কে চাইবে অপরিচিত লোকজন ডেকে এনে সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করতে— বলুন? ২০১৯ সালের লোকসভায় ৪২টার মধ্যে ৪২টা যে তৃণমূল দাবি করছে— এই সার্বিক উন্নয়নের জোরেই না করছে। ঝলমল করে উঠল কন্ডাক্টার ভদ্রলোকের মুখ। তারপর চোখদুটো বন্ধ করে ঘাড় দুলিয়ে তাঁর শেষ মন্তব্য— কিসসু হবে না। যে যেখানে খুশি দাঁড়ান, নিট ফল শূন্যই থাকবে!
এতদূর বলার সাহস আমাদের নেই। তাছাড়া, দিল্লি এখনও বহুৎ দূর। তবে, এই মুহূর্তে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা তাতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সঙ্গে লড়ে সিপিএম কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা কে কতটা কী করে উঠতে পারবে তা নিয়ে ধন্দ সব মহলেই। বিজেপিও কি সেখানে ব্যতিক্রম হতে পারে? একথা ঠিক, রাজনীতির হেভি-ওয়েট কি রূপালি পর্দা বা খেলার মাঠের নক্ষত্ররা ভোট ময়দানে নামলে জনমনোরঞ্জনে সংশ্লিষ্ট দলের বাড়তি সুবিধে হয়। কাগজ টিভি সিনেমার মুখগুলিকে দেখতে ভিড় করে আসে মানুষ। কিন্তু, খুব ভারী কিছু রাখার জায়গা সে কলকারখানা হোক কি ঘরসংসার, যদি মজবুত না হয়— তাহলে সমস্যা বাড়ে বই কমে না। রাজনীতির ক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। আজ মমতার এমন একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিপত্তিতে যাঁদের চোখ টাটায় তাঁরা একবার ভাবুন— পায়ের তলার ওই গ্রানাইট-কঠিন জনভিত্তিটা তৈরি করতে তাঁর কতদিন কত রাত গিয়েছে, কত কত প্রতিকূলতা, চিন্তাদুশ্চিন্তার প্রহর গড়িয়েছে, প্রাণ বাজি রেখে কত রক্ত ঝরাতে হয়েছে! ভাবুন, ভাবুন— কী অসীম দুঃসাহস মাত্র সম্বল করে প্রায় একা সিপিএমের মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর লড়তে হয়েছে তাঁকে! তারপরই না মিলেছে জনতা জনার্দনের অমন অকৃপণ সমর্থন, এসে বসেছেন ক্ষমতার ফুলেল কৌচে। এ কি ওয়ান নাইট মিরাকেলে সম্ভব!
অমিত শাহের মতো হেভিওয়েট উত্তর কলকাতায় দাঁড়ানো। তাতে রাজ্য বিজেপির কর্তা থেকে কর্মী সকলেই নিশ্চয়ই যারপরনাই উৎফুল্ল হবেন এবং মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করার লড়াইতে বাড়তি উৎসাহে ঝাঁপিয়েও পড়বেন। সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তার আভাসও মিলেছে। কিন্তু, প্রশ্ন হল, মমতাময় এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের তৈরি আছে তো? এখনও তেমন জমির সন্ধান কিন্তু দিতে পারেনি রাজ্য বিজেপি। বিগত লোকসভা থেকে আজ অব্দি ভোটফল সে কথাই বলছে নাকি? রাজ্যে বিরোধী তালিকায় উন্নতি ঘটেছে, কিছু ভোট বেড়েছে— তার বেশি কিছু এখনও অধরা। তাছাড়া, বড়বাজার বা তৎসন্নিহিত এলাকার মতো নয় বনেদি উত্তর কলকাতা— এই সত্যটি আশা করি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানেন। উত্তর এখনও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেকটাই রক্ষণশীল, ভাবনাবাদী। সেই নোটবন্দি, নীরব-চোকসি কাণ্ড থেকে সাম্প্রতিক কেরোসিন ডিজেল পেট্রলের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি, সিবিআই কেলেঙ্কারি— মহানগরীর উত্তরপ্রান্ত সব নিয়েই যথেষ্ট ভাবিত এবং সে ভাবনা কতটা গেরুয়া অনুকূল তা নিয়ে সংশয় আছে। উত্তরের এই আসন এতদিন তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ঘরের মানুষের দখলে ছিল। শাসকদলের মহানেতা অমিত শাহ হয়তো তাঁর তুলনায় ওজনে গুরু ‘হেভিওয়েট’। কিন্তু, আজ উত্তরের মমতাসর্বস্ব রাজনৈতিক বাতাবরণে সুদীপবাবুর নাম মুছে অমিতজির নাম লোকসভার আগামী খাতায় লেখাটা খুব সহজ হবে কি? জমি কি ততটা শক্ত হয়েছে বিজেপির? এমনকী, অনিবার্য কারণে সুদীপবাবুর জায়গায় অন্য কোনও মুখ এলেই কি হবে? শত হলেও সুদীপবাবুর বিকল্পও তো মমতার তৃণমূলের হয়েই নামবেন। আর কে না জানেন, আজ রাজ্যের লোকসভা বিধানসভা সব আসনে মানুষ একজনকেই প্রার্থী হিসেবে দেখেন— তিনি মমতা। সেক্ষেত্রে অমিতজি না হয়ে খোদ নরেন্দ্রজি হলেও কি রাজি হবে উত্তর কলকাতা!
01st  November, 2018
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 কলম্বো, ২৪ এপ্রিল (পিটিআই): শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে ছিল এক মহিলা সহ মোট ন’জন। তদন্তে নেমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। হামলাকারী ন’জনের মধ্যে আটজনকে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...

সুব্রত ধর  বহরমপুর, বিএনএ: ভোট মেটার পরও মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের একাংশের ব্যস্ততা কাটেনি। বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সিউড়ির চাঁদমারিতে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

01:47:10 PM

বিধানসভা উপনির্বাচনে ভাটপাড়া থেকে লড়বেন মদন মিত্র: মমতা 

01:46:36 PM

নোডাল অফিসারের খোঁজ মেলার পরই অজয় নায়েকের কাছে পৌঁছল রিপোর্ট 
নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়ের খোঁজ মেলার পরই পুরো বিষয়টির ...বিশদ

01:39:36 PM

বর্ধমানে নির্বাচনী প্রচারে অরূপ বিশ্বাস 

01:24:00 PM

নির্বাচন কমিশনের কাছে বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েককে সরানোর দাবি জানাল তৃণমূল কংগ্রেস 

01:10:00 PM

হাজরায় লিফটের মধ্যে মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 

12:58:00 PM