বিশেষ নিবন্ধ
 

এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের আছে তো
মেরুনীল দাশগুপ্ত

খবরটা বেশ কয়েকমাস হল বাংলার বাতাসে ভাসছিল। বাতাস বেয়ে সে খবর আমার মতো অনেকেরই কান ছুঁয়ে গেছে। কিন্তু তা নিয়ে পথেঘাটে অফিস কাছারিতে আড্ডায় জমায়েতে কোনও আলোচনা শোনা যায়নি। সংশ্লিষ্ট জনেরা হয়তো ভেবেছেন, বড় ভোট আসছে। এখন রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহার মতো রোজ কত কী রটবে— তার সব নিয়ে ভাবার দরকারটা কী? অত সময় কোথায়? তাছাড়া, রটনা আর ঘটনার মধ্যে ফারাকও কম নয়। সব রটনাই তো আর ঘটনা হয় না। বিশেষ করে আমাদের দেশে যখন ভোটের আগে রটনার এমন চাটনি চানাচুর ছড়ানোর রেওয়াজ খুব কিছু নতুন নয় তখন কিছু একটা রটলেই তাকে ধরে বসতে হবে— তার কী মানে আছে? তাই, ওই খবরটা বাতাসে ভাসলেও আম- বাঙালির রাজনৈতিক আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারেনি। কিন্তু, গত মঙ্গলবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বিষয়টি উঠে আসতেই বাংলার জনমনে তা নিয়ে কিছুটা হলেও কৌতূহল চাগাড় দিয়েছে সন্দেহ নেই। আর খবরটা এমনই যে তাতে নিছক কৌতূহলই নয়, যোগ হয়েছে একধরনের বিস্ময় জিজ্ঞাসাও! এবং, বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক বাতাবরণের পরিপ্রেক্ষিতে সেটা খুব অস্বাভাবিক বলেও মনে হচ্ছে না।
খবর হয়েছে, অমিত শাহ সারা দেশ ছেড়ে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তাঁর নিজের রাজ্য ছেড়ে বাংলায় ভোট লড়তে আসছেন— মোদিজির গুজরাত ফেলে মমতার বাংলায়— পশ্চিম ভুলে একেবারে পুবে! মানে! না, না— তিনি আসতেই পারেন, উত্তর কলকাতা কেন দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম যে কোনও কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে কার কী বলবার আছে? কিচ্ছু নেই। দেশের সংবিধান সে অধিকার কেবল অমিতজি কেন প্রত্যেক নাগরিককে দিয়ে রেখেছে। কিন্তু, কথায় বলে— বলা মুখ চলা পা আর পাবলিকের কৌতূহল চট করে বাধ মানে না। তাই, বিজেপির প্রধান সেনাপতি রাজ্যে আসছেন ভোট লড়তে এবং বনেদি কলকাতা থেকে সেই লড়াই দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন শুনে পাবলিকের কৌতূহল সজনে খাড়া হবে তাতে আশ্চর্য কী?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তো রণাঙ্গন বদলাচ্ছেন। ওই খবরই বলছে, তিনি গতবার বেনারসে (কাশী) ছিলেন এবার পুরীতে আসার কথা ভাবছেন। ভাবতেই পারেন। তবে বেনারস থেকে পুরী, আর কোথাও কিছু নেই হঠাৎ উত্তর কলকাতা— একটু ঝটকা তো বাংলার পাবলিকের লাগছেই। বেনারসের বদলে পুরী— তার একটা মানে তবু করা যায়। কাশী বিশ্বেশ্বর মা গঙ্গার বন্দনার পর সাগর সৈকতলগ্ন প্রভু জগন্নাথদেবের আশীর্বাদধন্য পুরীতীর্থ গেরুয়া শিবিরের ধর্মীয় ভাবাবেগের রাজনীতির পক্ষে যথার্থ বিকল্প হতেই পারে। এবং সারা দেশে বিজেপির অবস্থা যেমনই হোক শেষ অব্দি মোদিজি পুরী থেকে লোকসভা লড়তে নামলে তাঁকে পরাস্ত করাও খুব সহজ হবে না। একথা তথ্যভিজ্ঞরা তো বটেই, বলছেন তীর্থবাসীদের অনেকেই। ঘটনাচক্রে পুরীর কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল কলকাতায়। তখনও খবরটা টিভিতে আসেনি। কানাঘুষোয় শোনা খবরের কথা জানাতেই দেখলাম, তাঁদের অন্তত দু’জন খুব জোরের সঙ্গে বলে দিলেন, মোদিজি দাঁড়ালে জিতবেন, কেউ আটকাতে পারবে না। কেন? কেন আবার? বেনারসের ভোল বদলে দিয়েছেন যিনি তিনি এখানে জিতলে পুরীর চেহারাও নিশ্চয়ই বদলে যাবে। চলতি সরকার তো সি-বিচ পরিষ্কার করা আর হোটেলওয়ালাদের উপকার ছাড়া কিছু করেনি। পুরীতে প্রধানমন্ত্রীজি জিতলে পুরীতীর্থ তো বটেই, সেখানকার মানুষজনেরও অনেক উন্নতি হবে, হবেই। দেশের প্রধানমন্ত্রী তো আর বদলাচ্ছে না। মোদিজিই আসছেন। তাই উন্নয়নের স্বার্থে পুরীর ভোট ওঁকে ছাড়া কাকে দেবে মানুষ?
যাঁরা এই মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন— তাঁরা কেউই বিজেপি দূরে থাক রাজনীতির ধারপাশেরও নন। নিতান্ত সাধারণ, কেউ পাণ্ডাদলের কেউ আমজনতাদলের প্রতিনিধি। বিজেডি মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের শাসনে তাঁরা সন্তুষ্ট নন এবং সে অসন্তোষের জন্য দায়ী বিবিধ কারণের উল্লেখও তাঁরা করেছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতাসীন হতে ওড়িশাবাসীর দ্বারস্থ হচ্ছেন শুনে বাড়তি একটা প্রত্যাশা তাঁদের জাগতেই পারে। উন্নয়নের প্রত্যাশা, আর একটু ভালোভাবে জীবনযাপনের প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার টানে পুরীতে তো বটেই, রাজ্যের বাকি ২০ লোকসভা আসনেও গেরুয়া বাহিনীকে এগিয়ে দেওয়ার মনোবাসনা ওড়িশাবাসীর মনে বদলের ইন্ধন জোগাতে পারে। ২০১৪ মোদি-ঝড়েও তো নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিকে টলাতে পারেনি বিজেপি। জুটেছিল মাত্র একটি আসন সুন্দরগড়! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীকে নামিয়ে জনতার মনোভাবনা কাজে লাগাতে তাই তৎপর হতেই পারে পদ্মশিবির। কিন্তু, উত্তর কলকাতা কেন? উত্তর কলকাতা নিরাপদ!
নবীনের ওড়িশার সঙ্গে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক বা উন্নয়ন— কোনও দিক থেকেই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার তুলনা চলে! ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাত্র কয়েক বছরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল, কলকাতা থেকে দিঘা সুন্দরবন শহর গ্রাম মহানগর সর্বত্র যে বিপুল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়ন হয়েছে, প্রান্তিক গরিব মানুষজনের দৈনন্দিন জীবনমানে যে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে তাতে জন্মনিন্দুকদের ভাবান্তর না হলেও সাধারণ রাজ্যবাসী আপ্লুত। তাঁরা এখনও মনে করছেন, মমতার আমলে পরিবহণ শিক্ষা স্বাস্থ্য পানীয়জল ইত্যাদি বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে যে উন্নতি ঘটেছে বাম আমলে তা ছিল অভাবিত। বিশ্বজয়ী কন্যাশ্রী স্বাস্থ্যসাথির মতো প্রকল্পগুলির দৌলতে গরিবের ঘরে যে আলো আর আনন্দ ফিরেছে গরিব দরদি বলে জাহির করা সিপিএমের আমলে তার ছিটেফোঁটাও ছিল? শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ, সরকারি খরচে ছেলেমেয়েদের পড়াশুনো থেকে কন্যাদান— আর কোন রাজ্যে আছে? তার ওপর এত উৎসব এত আনন্দের আয়োজন করছে সরকার— সেসবও তো আমাদের মতো সাধারণ রাজ্যবাসীর জন্যই। তো, এত কিছুর পর কার অভিযোগ থাকবে? কে চাইবে অপরিচিত লোকজন ডেকে এনে সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত করতে— বলুন? ২০১৯ সালের লোকসভায় ৪২টার মধ্যে ৪২টা যে তৃণমূল দাবি করছে— এই সার্বিক উন্নয়নের জোরেই না করছে। ঝলমল করে উঠল কন্ডাক্টার ভদ্রলোকের মুখ। তারপর চোখদুটো বন্ধ করে ঘাড় দুলিয়ে তাঁর শেষ মন্তব্য— কিসসু হবে না। যে যেখানে খুশি দাঁড়ান, নিট ফল শূন্যই থাকবে!
এতদূর বলার সাহস আমাদের নেই। তাছাড়া, দিল্লি এখনও বহুৎ দূর। তবে, এই মুহূর্তে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা তাতে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সঙ্গে লড়ে সিপিএম কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা কে কতটা কী করে উঠতে পারবে তা নিয়ে ধন্দ সব মহলেই। বিজেপিও কি সেখানে ব্যতিক্রম হতে পারে? একথা ঠিক, রাজনীতির হেভি-ওয়েট কি রূপালি পর্দা বা খেলার মাঠের নক্ষত্ররা ভোট ময়দানে নামলে জনমনোরঞ্জনে সংশ্লিষ্ট দলের বাড়তি সুবিধে হয়। কাগজ টিভি সিনেমার মুখগুলিকে দেখতে ভিড় করে আসে মানুষ। কিন্তু, খুব ভারী কিছু রাখার জায়গা সে কলকারখানা হোক কি ঘরসংসার, যদি মজবুত না হয়— তাহলে সমস্যা বাড়ে বই কমে না। রাজনীতির ক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। আজ মমতার এমন একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিপত্তিতে যাঁদের চোখ টাটায় তাঁরা একবার ভাবুন— পায়ের তলার ওই গ্রানাইট-কঠিন জনভিত্তিটা তৈরি করতে তাঁর কতদিন কত রাত গিয়েছে, কত কত প্রতিকূলতা, চিন্তাদুশ্চিন্তার প্রহর গড়িয়েছে, প্রাণ বাজি রেখে কত রক্ত ঝরাতে হয়েছে! ভাবুন, ভাবুন— কী অসীম দুঃসাহস মাত্র সম্বল করে প্রায় একা সিপিএমের মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর লড়তে হয়েছে তাঁকে! তারপরই না মিলেছে জনতা জনার্দনের অমন অকৃপণ সমর্থন, এসে বসেছেন ক্ষমতার ফুলেল কৌচে। এ কি ওয়ান নাইট মিরাকেলে সম্ভব!
অমিত শাহের মতো হেভিওয়েট উত্তর কলকাতায় দাঁড়ানো। তাতে রাজ্য বিজেপির কর্তা থেকে কর্মী সকলেই নিশ্চয়ই যারপরনাই উৎফুল্ল হবেন এবং মমতাকে ক্ষমতাচ্যুত করার লড়াইতে বাড়তি উৎসাহে ঝাঁপিয়েও পড়বেন। সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তার আভাসও মিলেছে। কিন্তু, প্রশ্ন হল, মমতাময় এই বাংলায় হেভিওয়েট দাঁড় করানোর মতো শক্ত জমি পদ্মদলের তৈরি আছে তো? এখনও তেমন জমির সন্ধান কিন্তু দিতে পারেনি রাজ্য বিজেপি। বিগত লোকসভা থেকে আজ অব্দি ভোটফল সে কথাই বলছে নাকি? রাজ্যে বিরোধী তালিকায় উন্নতি ঘটেছে, কিছু ভোট বেড়েছে— তার বেশি কিছু এখনও অধরা। তাছাড়া, বড়বাজার বা তৎসন্নিহিত এলাকার মতো নয় বনেদি উত্তর কলকাতা— এই সত্যটি আশা করি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব জানেন। উত্তর এখনও রাজনৈতিক দিক থেকে অনেকটাই রক্ষণশীল, ভাবনাবাদী। সেই নোটবন্দি, নীরব-চোকসি কাণ্ড থেকে সাম্প্রতিক কেরোসিন ডিজেল পেট্রলের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি, সিবিআই কেলেঙ্কারি— মহানগরীর উত্তরপ্রান্ত সব নিয়েই যথেষ্ট ভাবিত এবং সে ভাবনা কতটা গেরুয়া অনুকূল তা নিয়ে সংশয় আছে। উত্তরের এই আসন এতদিন তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ঘরের মানুষের দখলে ছিল। শাসকদলের মহানেতা অমিত শাহ হয়তো তাঁর তুলনায় ওজনে গুরু ‘হেভিওয়েট’। কিন্তু, আজ উত্তরের মমতাসর্বস্ব রাজনৈতিক বাতাবরণে সুদীপবাবুর নাম মুছে অমিতজির নাম লোকসভার আগামী খাতায় লেখাটা খুব সহজ হবে কি? জমি কি ততটা শক্ত হয়েছে বিজেপির? এমনকী, অনিবার্য কারণে সুদীপবাবুর জায়গায় অন্য কোনও মুখ এলেই কি হবে? শত হলেও সুদীপবাবুর বিকল্পও তো মমতার তৃণমূলের হয়েই নামবেন। আর কে না জানেন, আজ রাজ্যের লোকসভা বিধানসভা সব আসনে মানুষ একজনকেই প্রার্থী হিসেবে দেখেন— তিনি মমতা। সেক্ষেত্রে অমিতজি না হয়ে খোদ নরেন্দ্রজি হলেও কি রাজি হবে উত্তর কলকাতা!
01st  November, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি: ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে খেলবেন ঋষভ পন্থ। মূলত বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস পরখ করে নিতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা।   ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM