বিশেষ নিবন্ধ
 

সিবিআই বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে কে?
হিমাংশু সিংহ

পুলিশ ছুঁলে আঠারো ঘা। সিবিআই ছুঁলে পুরো ছত্রিশ। ছোট থেকে বড় যে মামলাই হোক অপরাধীদের হাড়ে কাঁপুনি। আটের দশকের মাঝামাঝি বোফর্স থেকে অতি সম্প্রতি এ রাজ্যের চাঞ্চল্যকর চিটফান্ড মামলা, শুরুটা এমন যেন কালই সব প্রমাণ হয়ে আদালতের রায় বেরিয়ে যাবে। ধরপাকড়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা। গ্রেপ্তার। জামিন। আবার গ্রেপ্তার। লড়তে লড়তে আর হাজিরা দিতে দিতেই প্রাণ ওষ্ঠাগত। ভোটে হাতে গরম ইস্যু। বিরোধীদের পোয়াবারো। দগদগে ঘা শুকোবার আর জো কাথায়! তারপর বছর ঘোরে, বছর যায়। কিচ্ছুটি এগয় না। চার্জশিটে ধুলো পড়ে। অকাট্য প্রমাণ হাজির করা যায় না। মূল অভিযুক্তরা বুক ফুলিয়ে বেড়ায়। অধরা থেকে যায় শাস্তি। শেষে পাঁচ সাত আট বছর পরে সবাই ভুলে গেলে একদিন হঠাৎ মামলাটাই বন্ধ হয়ে যায়। বোফর্স মামলার জেরে দেশে বেশ কয়েকটা অকাল নির্বাচন পর্যন্ত নেমে এসেছে। ক্ষমতা বদল হয়েছে। কংগ্রেস শাসনের অবসানের আনন্দে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর বাজপেয়ি, জ্যোতি বসুকে পর্যন্ত হাত ধরাধরি করতে দেখা গিয়েছে এই শহরে। এবং, সেই সময় বিজেপির রাজনৈতিক উত্থানের মূলেও ছিল সেই বোফর্স। তারপর? সময় এগয়, কিন্তু কিছুই প্রমাণ হয় না। বোঝা যায়, সবই আসলে পর্বতের মূষিক প্রসব। কখনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে আবার কখনও সিবিআইয়ের উপরতলায় মোটা টাকার লেনদেনে, সব একদিন চাপা পড়ে যায়। ধুরন্ধর আমলা, দোর্দণ্ডপ্রতাপ অফিসার—সবারই পেট মোটা। পকেট ভর্তি করার সুযোগ ছাড়ে কে? এদেশের সাধারণ মানুষই শুধু চিরদিন বোকা বনে যায় ভোট ঘিরে নেতাদের চতুর বাক্যালাপ আর ওস্তাদ ভাষণে। তাই ধোঁকা দিয়ে জনগণেশের মন জিততে নেতা থেকে দাগি অফিসার কারও জুড়ি নেই।
সেই দুর্নীতির ছবিটাই হালে দিনের আলোর মতো বেআব্রু হয়ে পড়েছে। আর, সিবিআই নামক দেশের সর্ববৃহৎ তদন্তকারী সংস্থার গায়েই যদি দুর্নীতির কালো মোটা ছোপ পড়ে, অভিযোগ ওঠে শাসকের পদলেহনের, তাহলে নেতা মন্ত্রী আমলা দুষ্ট ব্যবসায়ীর কালা ধান্দা, অসাধু কারবার ধরবে কে? আজ এই প্রশ্নই বড় হয়ে সামনে আসছে। সবাই যেন জেনেই গিয়েছে, দুর্নীতি কোনোমতেই কমবে না, উল্টে বাড়বে। কারণটা সবারই খুব জানা। মানুষ যত শিক্ষিত আর সমৃদ্ধ হচ্ছে তত লোভ বাড়তে বাধ্য। আর সেই লোভ থেকেই পাপ। আর পাপের ফাঁদে জড়িয়ে মৃত্যু।
আর হালে সেই ফাঁদে আটকে দেশের বৃহত্তম তদন্তকারী সংস্থাই প্রায় লাটে ওঠার পথে। দুন স্কুলের মেধাবী ছাত্র থেকে যাত্রা শুরু করে ডাক্তার উকিল না-হয়ে ধুরন্ধর মাংস ব্যবসায়ী বনে যাওয়া এক রহস্যজনক ব্যক্তির সঙ্গে জড়িয়ে দেশের পয়লা নম্বর গোয়েন্দা সংস্থার সব চাকচিক্য, পলেস্তারাই গত এক সপ্তাহে যেন বড় দ্রুত খসে পড়ছে। দুর্ভাগ্যজনক সেই নাটক প্রত্যক্ষ করছে গোটা দেশ। ওই ব্যবসায়ীর নাম মইন কুরেশি। কানপুরের একটা ছোট্ট দোকান থেকে যাত্রা শুরু। তারপর গত সাত বছরে তিন তিন জন সিবিআই ডিরেক্টরের পদ গিয়েছে ওই বিতর্কিত ব্যবসায়ীর হাওলা কারবারের সঙ্গে যুক্ত কিংবা তাতে মদত দেওয়ার অভিযোগে। রঞ্জিত সিনহা, এ পি শর্মা ও একেবারে হালে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে-যাওয়া অলোক ভার্মা। এবার আবার দেশের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থার এক ও দু’নম্বর কর্তার মধ্যেকার নজিরবিহীন লড়াইয়ে যাবতীয় কাজকর্মই শুধু শিকেয় ওঠেনি। ওই গন্ডগোলের জেরে যেভাবে যাবতীয় রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দুই কর্তাকেই রাতের অন্ধকারে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে তা এককথায় বেনজির। সিবিআইয়ের ইতিহাসে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সিবিআইয়ের ভিত্তিটাকেই আজ ধ্বংস করতে উদ্যত। বিরোধীরা ভোটের আগে হাতে গরম ইস্যু পেয়ে আত্মহারা। আসলে সবাই সুযোগ খুঁজছে। দেশটার কথা, এই ভয়ঙ্কর মূল্যবৃদ্ধির চাপে ক্লিষ্ট দেশের গরিব মানুষের কথা ডান বাম কেউই ভাবছে না। দুঃখটা এখানেই।
আর এই একের পর এক ঘটনাতেই চূড়ান্তভাবে ধাক্কা খেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দীর্ঘদিনের ভাবমূর্তি। যে কঠোর কঠিন ইমেজ এতদিন ধরে ধুরন্ধর দুর্নীতিপরায়ণের মধ্যেও ভয়ের উদ্রেক করত। সম্ভ্রম জাগাত। সিবিআই তল্লাশির নাম শুনলেই অপরাধীর শিরদাঁড়ায় ঠান্ডা কাঁপুনি ধরাত, তা যদি পুরনো বাড়ির পলেস্তারা খসার মতো এক নিমেষে ভেঙে পড়ে তাহলে গোটা দেশের প্রশাসনিক অনুশাসনই বাষ্প হয়ে উবে যেতে বাধ্য। যে দুর্নীতি ধরে, অপরাধীকে শাস্তি দেয় সেই যদি আকণ্ঠ দুর্নীতিতে জড়িয়ে সরকারের পুতুলে পরিণত হয়ে যায় তাহলে কালো ধান্দার লোকেদের সর্বগ্রাসী আস্ফালনের সামনে সরকারি প্রশাসনের মেরুদণ্ডটাই ধ্বংস হতে বাধ্য। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এই দফার শেষ বছরে যখন লোকসভা ভোটের আর বেশি দেরি নেই, ঠিক তখনই সিবিআইয়ের আকস্মিক এই ভেঙে-পড়া কঙ্কালসার চেহারাটা তাই গভীর উদ্বেগের। এ দায় বিজেপি সরকার মোটেই এড়াতে পারে না। অথচ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের শপথ নিয়েই পাঁচ বছর আগে ক্ষমতায় এসেছিল সরকারটা। একটা পরিবার ও সেই পরিবারের ধারাবাহিক দুর্নীতির হাত থেকে দেশটাকে মুক্ত করাই ছিল নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। প্রতিশ্রুতির বন্যা ও গরিবের স্বার্থে কাজ করার গালভরা কত শপথ নিয়েছিলেন তিনি। সেসব কতটা রক্ষিত হয়েছে আর কতটা হয়নি তার পরীক্ষা হবে জনগণের আদালতে ভোটের ময়দানে। নোটবন্দি থেকে শুরু করে চটজলদি জিএসটি চালু করার ফলে দেশের উপকার হয়েছে না অপকার, সেই উত্তর জানার জন্য অপেক্ষা আর কয়েক মাসের। কিন্তু, তার আগে আগামী ১১ ডিসেম্বর রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, তেলেঙ্গানা ও মিজোরামের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। আসমুদ্রহিমাচল ওই পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফলের দিকে তাকিয়ে। কারণ আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে ওটাই কার্যত সেমিফাইনাল। ওই ফলের উপর দাঁড়িয়েই
আগামী লোকসভা ভোটের গতিপ্রকৃতি অনেকাংশে নির্ধারিত হবে।
২০১৯-এ নরেন্দ্র মোদি ফের একক ক্ষমতায় দিল্লিতে ফিরতে পারবেন, না কি আবার কোয়ালিশন যুগের প্রত্যাবর্তন ঘটবে, তা এই মুহূর্তে লাখ টাকার প্রশ্ন। কিন্তু, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হচ্ছে, গত পাঁচ বছরে নরেন্দ্র মোদির আমলে সিবিআই, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক-সহ একের-পর-এক বড় সাংবিধানিক সংস্থার চূড়ান্ত বিপন্ন অবস্থা। কয়েক মাস আগে নজিরবিহীনভাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মুখ খুলে দেশের আইন আদালত ব্যবস্থাকেই গভীর প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন অন্য প্রবীণ বিচারপতিরা। সুপ্রিম কোর্টের ইতিহাসে তা আগে কখনও হয়নি। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সরকারের অতিমাত্রায় হস্তক্ষেপে কার্যত বিপন্ন। দেশের পয়লা নম্বর আমলা ক্যাবিনেট সচিবের চেয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের গুরুত্ব ও ক্ষমতা বেশি! এ নিয়ে দেশের আইএএস মহলে ক্ষোভ বাড়ছে। মুখে প্রকাশ করতে ভয় পেলেও গোটা সরকারের যাবতীয় ক্ষমতা যেভাবে আজ প্রধানমন্ত্রীর অফিসে কেন্দ্রীভূত তাতে অনেক প্রবীণ মন্ত্রীও অসন্তুষ্ট। একজন ব্যক্তির খেয়ালের
উপরেই সরকারটা চলছে। গণতন্ত্রে এ জিনিস বেশিদিন চলে কি?
কিন্তু এসব কিছুকেই ছাপিয়ে গিয়েছে খোদ দেশের পয়লা নম্বর তদন্তকারী সংস্থার উপরতলার নোংরা কোন্দল। যার জেরে একজন অপরজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করতেও পিছপা হননি। যার পরিণতিতে ভীত সরকার মধ্যরাতে দুজন কর্তাকেই নাটকীয়ভাবে ছুটিতে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। সিবিআই ডিরেক্টরকে এভাবে রাতের অন্ধকারে সরকারি নির্দেশে সরিয়ে দেওয়া আইনসম্মত কি না সেই মামলা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন। তবে আদালতের ভর্ৎসনার হাত থেকে বাঁচতে ইতিমধ্যেই সিবিআই জানিয়ে দিয়েছে, অলোক ভার্মাকে সরানো হয়নি, ছুটিতে পাঠানো হয়েছে মাত্র। কিন্তু প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, অলোক ভার্মাকে সরিয়ে একাধিক দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত নাগেশ্বর রাওকে এ ধরনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার অস্থায়ী প্রধান করা ঘিরে। এ কথা সত্যি রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি ও সেই চুক্তি নিয়ে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের একের পর এক আক্রমণে মোদি সরকার কিছুটা দিশাহারা। প্রায় তিনদশক পর রাজীব গান্ধীর বোফর্স অপমানের বদলা নিতে আসরে তাঁর ছেলে রাহুল। বোফর্স ছিল ৬৪ কোটি টাকার কাটমানির কিস্যা। আর রাফালে ৩০ হাজার কোটির দুর্নীতির অভিযোগ। রাষ্ট্রায়ত্ত হ্যালকে বঞ্চিত করে কেন মোদি তথা সরকারের ঘনিষ্ঠ এক ঋণে জর্জরিত বেসরকারি সংস্থাকে হঠাৎ এতবড় অঙ্কের বরাত পাইয়ে দেওয়া হল, তা নিঃসন্দেহে এক বড় বিস্ময়। রহস্যও। তার উপর বিরোধীদের অভিযোগ কেনার কথা ছিল ১২৬ টা রাফাল যুদ্ধবিমান, কিন্তু প্রায় তিনগুণ বেশি দাম দিয়ে সরকার এখন কিনছে মাত্র ৩৬টা! আর এর ফলে নাকি ওই ব্যবসায়ীর পকেটে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ঢুকিয়ে দিচ্ছে শাসক বিজেপি সরকার।
এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে গত ৪ অক্টোবর একটি তথ্য সংবলিত দীর্ঘ অভিযোগ জমা পড়ে সিবিআই দপ্তরে। সিবিআই প্রধান নাকি তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়েই দেশের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থার একনম্বর ও দু’নম্বর পদাধিকারীর গন্ডগোলের অজুহাত দেখিয়ে নজিরবিহীনভাবে দুজনকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠানো হল। ব্যাপারটা কিন্তু অনেক দূর গড়াবে। বিশেষ করে লোকসভা নির্বাচন যখন শিয়রে। পাঁচ বছর আগে বলা হতো সিবিআই মানে কংগ্রেস ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন আর এখন বলা হচ্ছে, বিজেপি ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। মানে বদনাম ঘোচেনি। শিরদাঁড়া সোজা হয়নি। বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে সিবিআই সেই রাজনৈতিক প্রভুদেরই উদ্দেশ্যপূরণ করে চলেছে। আর তা করতে করতেই সিবিআই নৈতিকভাবে আজ প্রায় খতম। একদিন শিশুকে বর্গির ভয় দেখিয়ে মা ঘুম পাড়াত। আজ আর বর্গির ভয়ে শিশু ঘুমোয় না। অসাধু ব্যবসায়ীকে বাগে আনতে এই সেদিনও সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্সের ভয় দেখানো হত! বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে, পুরনো লাঠির দিন গেলে আর সিবিআইকেও কেউ পাত্তা দেবে না। তখন ‘কংগ্রেসমুক্ত’ ভারতের খোয়াব দেখা নরেন্দ্র মোদির দুর্নীতিমুক্ত সমাজের কী হাল হবে?
30th  October, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি: ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে খেলবেন ঋষভ পন্থ। মূলত বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস পরখ করে নিতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা।   ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি নালা সংস্কার না হওয়ায় ওই নালা উপচে রাস্তা দিয়ে নোংরা জল বইছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যা চলে আসায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।   ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): আইআরসিটিসির দুর্নীতি মামলায় আপাত স্বস্তি পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। শনিবার দিল্লির এক আদালত লালুপ্রসাদের অন্তবর্তী জামিনের মেয়াদ ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে গাছ চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু 
জয়পুরের বালিগ্রামে বনদপ্তরের গাছ গাড়িতে তোলার সময় আচমকাই গাছের তলায় ...বিশদ

12:10:00 PM

শিলিগুড়ির প্রধাননগরে উদ্ধার গাঁজা

11:59:00 AM