Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, কেন্দ্রেরও ভিত নড়ে উঠছে
পি চিদম্বরম

প্রাচীন প্রবাদ একরকম—‘‘দুর্ভাগ‌্য একা আসে না।’’ এখন মনে হয় যে দেবতারাও ভারতের অর্থনীতির উপর সদয় নন।
আমাদের অর্থনীতির উপর আঘাত হয়ে নামছে যেসব দুঃসংবাদ, সেগুলোর উপর নজর করা যাক:
 শেয়ারের দাম এত পড়ে গিয়েছে যে কেনাবেচার সূচক ১৫ মাস পূর্বে ফিরে গিয়েছে।
 শেয়ার ও বন্ডের মতো আর্থিক ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা (ফরেন পোর্টফোলিয়ো ইনভেস্টরস) গত ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৫,৪৬০ কোটি টাকার লগ্নি ফেরত নিয়ে গিয়েছেন। এবছর বিদেশি বিনিয়োগ ফেরত চলে গিয়েছে মোটামুটি ৯৬ হাজার কোটি টাকা মূল‌্যের। টাকার দামের পতনটা অবাধ। মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে  উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ‌্যে টাকার দামের ভয়ংকর পতন (ওয়ার্স্ট পারফরমিং কারেন্সি) যেসব দেশের হয়েছে ভারত তাদেরই একটি। ২০১৮-তে ভারতীয় মুদ্রামানের ১৬ শতাংশ অবনমন ঘটে গিয়েছে, আরও পতনের আশঙ্কা অব‌্যাহত।
 প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত খনিজ তেলের (ব্রেন্ট) দাম বেড়ে ৭৭ মার্কিন ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা, বিশেষত মধ‌্যপ্রাচ‌্যের অস্থিরতা তেলের এমন দামবৃদ্ধির কারণ হয়ে থাকতে পারে। ভারতে পেট্রল ডিজেলের দাম প্রায় রোজ বাড়তে বাড়তে সাধারণ মানুষের কাছে এক অসহ‌নীয় বোঝায় পরিণত হয়েছে।
টাকার দাম পড়ছে, বাড়ছে জিনিসের দাম
 টাকার দামের অবনমন আর পেট্রপণ‌্যের দামবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের পকেট ফুটো করে দিচ্ছে। তার ফলে কী হচ্ছে, অন‌্যসকল পণ‌্য ও পরিষেবার কেনাকাটায় প্রচণ্ড ধাক্কা পড়েছে।
 এবছর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ গড়পড়তারও নীচে। প্রায় ৩৬ শতাংশ জেলা থেকে বৃষ্টিপাতে বড়সড় ঘাটতির দুঃসংবাদ পাওয়া গিয়েছে।
 চাষিরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন। বেশিরভাগ কৃষিজ পণ‌্যের দাম ঘোষিত ন‌্যূনতম সহায়ক মূল‌্যের (এমএসপি) কম। গুটিকয়েক রাজ‌্যের সামান‌্যকিছু শস‌্যসংগ্রহ কেন্দ্র আছে। এই কারণে খুব বেশি সংখ‌্যক চাষি এমএসপি’র সুবিধা পাচ্ছেন না।
 গত চার বছর যবৎ পণ‌্য রপ্তানির হালও হতাশাজনক। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ৩১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল‌্যের রপ্তানি নথিবদ্ধ হয়েছিল। এই সময়ে সেই স্তরটাও পেরতে পারেনি এনডিএ সরকার। চলতি বছরের প্রথম ছ’মাসে এই সংখ‌্যাটা তো মাত্রই ১৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

লগ্নি সামান‌্য, ঋণও মহার্ঘ
 সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি’র (সিএমআইই) তথ‌্য অনুসারে জানানো যায়, ২০১৮-র দ্বিতীয় কোয়ার্টারে (জুলাই-সেপ্টম্বর) ১,৫০,০০০ কোটি টাকা মূল‌্যের নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল, যেটা দীর্ঘদিনের গড়ের অনেক নীচে। সিএমআইই’র তথ‌্য আরও বলছে, ৫,৩৯৪টি প্রকল্প থমকে গিয়েছে।
 শিল্পে ঋণদানের বৃদ্ধির হার অনেক কসরত করে গত আগস্টে ১.৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবর্ষের বেশিরভাগ মাসে ইয়ার ওভার ইয়ার (ওয়াই-ও-ওয়াই) গ্রোথ দাঁড়িয়েছে মোটে ১ শতাংশ।
 ব‌্যাঙ্কগুলোর নিকম্মা সম্পদের (নন-পারফর্মিং অ‌্যাসেটস) পরিমাণ ১০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে! এই দুর্ভাগ‌্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানির (এনবিএফসি) মুখ থুবড়ে পড়ার ঘটনা, সমগ্র অর্থনীতিতেই এর কালো ছায়া দেখা যাচ্ছে। দেউলিয়ার ঘটনাগুলো শম্বুক গতিতে এগচ্ছে এবং নির্দিষ্ট করে দেওয়া ১৮০ দিনের মেয়াদে একটাও বড় মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।
 চাকরি বাকরির অবস্থা খারাপ এবং আরও খারাপ হওয়ারই আশঙ্কা হচ্ছে। সিএমআইই জানিয়েছে, গত আগস্টে বেকারির হার ছিল ৬.৩ শতাংশ, সেটা পরের মাসেই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৬ শতাংশ। ১৬-৬৪ বর্ষীয় নাগরিকদের মধ‌্যে যাঁরা কর্মরত অথবা কর্মপ্রার্থী অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবস্থান করেন, তাঁদের নিয়ে লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট ঠিক করা হয়। একটা অর্থনীতিতে নাগরিকদের মোট বয়সের কতটা কাজের জন‌্য নিয়োজিত হচ্ছে (ওয়ার্কিং-এজ পপুলেশন) সেটা লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট দিয়ে নির্ধারণ করা হয়। যাই হোক,লেবার পার্টিসিপেশন রেট ২০১৬-তে ছিল ৪৬+’এর বেশি। বেকারত্বের হারটা তখনই বাড়তে থাকল যখন লেবার পার্টিসিপেশন রেটটা ৪৩.২ শতাংশে নেমে এল।
ম‌্যাক্রো-ইকনমিক ইনস্টেবিলিটি
 আজকের ফিসকাল পরিস্থিতিটা উদ্বেগজনক। বাজেটের পরিপ্রেক্ষিতে নেট কর রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির হার ১৯.১৫ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও চলতি বছরের এপ্রিল-সেপ্টেম্বরের মধ‌্যে গত বছরের একই সময়ের সাপেক্ষে বৃদ্ধির হার মাত্র ৭.৪৫ শতাংশ। বাজেটে ঘোষিত অঙ্কে পৌঁছনোর জন‌্য অর্থবর্ষের বাকি মাসগুলোর ভিতরে নেট ট‌্যাক্স রেভিনিউতে ২৮.২১ শতাংশের মতো বড়সড় বৃদ্ধি ঘটিয়ে ফেলার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে, যা অসম্ভবপ্রায়।
 বিলগ্নিকরণ কর্মসূচি থমকে গিয়েছে। বাজেটে ঘোষিত ৮০ হাজার কোটি টাকার লক্ষ‌্যমাত্রায় পৌঁছনোর জায়গায় ৯,৬৮৬ কোটি টাকায় গড়াগড়ি খাচ্ছে। বাজেটের এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে কত বড় ঘাটতি রয়ে যাবে এখনও পরিষ্কার নয়।
 বাজেটে ধরে নেওয়া হয়েছিল যে এবছর রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর ডিভিডেন্ড থেকে ১,০৭,৩১২ কোটি টাকা সরকারের আয় হবে। পেট্রল ও ডিজেলের উপর লিটার প্রতি ১ টাকা হিসেবে তেল কোম্পানিগুলোর ঘাড়ে অক্টোবর-ডিসেম্বর কোয়ার্টারের জন‌্য মোট ৩৫০০ কোটি টাকার এক বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলত, তাদের ডিভিডেন্ড বণ্টনটা কমে যাবে। এলআইসি যদি আইএল অ‌্যান্ড এফএস থেকে বেরিয়ে আসে তবে তাদের উপরেও একই বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে।
 মূলত কম টাকা বরাদ্দ হয়েছে এরকম প্রকল্পগুলোকে সরকার ‘পুশ’ করছে। যেমন বিমা-ভিত্তিক মেডিকেল কেয়ার স্কিম, আয়ুষ্মান যোজনা প্রভৃতি। ১০ কোটি পরিবার বা ৫০ কোটি মানুষকে ‘কভার’ করার লক্ষ‌্যমাত্রা ঘোষিত হয়েছে, যতদূর জানা যাচ্ছে, টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্রই ২০০০ কোটি! কম অর্থ বরাদ্দের (আন্ডার-ফান্ডেড) অন‌্য প্রকল্পগুলোর মধ‌্যে আছে ১০০ দিনের কাজ (এমজিএনআরইজিএ), প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, পানীয় জল মিশন, স্বচ্ছ ভারত, জাতীয় স্বাস্থ‌্য মিশন এবং গ্রাম জ‌্যোতি যোজনা।
 গত সেপ্টেম্বরের শেষে কারেন্ট অ‌্যাকাউন্ট ঘাটতির (সিএডি) হিসেব পাওয়া গিয়েছে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এত বড় ঘাটতি কমার লক্ষণ দেখছি নে; বরং আশঙ্কা হচ্ছে, এই বছরটা শেষ হবে ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সিএডি অথবা প্রায় ৩ শতাংশ জিডিপি হাতে নিয়ে। এই বিরূপ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার উপায় গত মাসে ঘোষণা করা হলেও তার মধ‌্যে দৃঢ়তার অভাব স্পষ্ট এবং কাজের কাজ কিছু হওয়ার মতো নয়।
 ফিসকাল ডেফিসিড (এফডি) এবং সিএডি’র উপর চাপ আরোপ করা হলে সুদের হার বাড়বে। বন্ডের উপর লগ্নিকারীর প্রাপ‌্য কমে যাবে। রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক পলিসি রেট বাড়াবার পথে যেতে পারে। যদি আশঙ্কামতো ঋণের উপর সুদের হার বাড়ে তবে মন্দা বাজারের অংশ হিসেবে বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ উপভোক্তা উভয়েই হতাশ হবেন।
উপরের প্রতিটি ক্ষেত্রে তো বটেই, অন‌্যকিছু ক্ষেত্রেও প্রয়োজন দক্ষ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং দক্ষ ইকনমিক ম‌্যানেজারদের। ড. রঘুরাম রাজন, ড. অরবিন্দ পানাগড়িয়া এবং ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ান সরে যাওয়ার পর আর একজনও আন্তর্জাতিক খ‌্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ নেই যাঁরা সরকারকে এই বিষয়ে পরমার্শ দিতে পারেন। আর ইকনমিক ম‌্যানেজারদের ব‌্যাপারে যত কম বলা যায় ভালো। তাঁরা দোষত্রুটি ঢাকতে আর ব্লগ লেখাতেই ব‌্যস্ত।    
এই প্রসঙ্গে ডব্লু বি ইয়েটসের কবিতার একটা লাইন আমরা মনে পড়ছে: ‘দ‌্য সেন্টার ক‌্যাননট হোল্ড’।
29th  October, 2018
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
বিদ্যাসাগর ও স্বাজাত্যবোধ
সমৃদ্ধ দত্ত

 শুধু রেগে গেলে চলবে কেন? একটু বুঝতেও তো হবে। মূর্তি ভাঙা তো একটা কার্য। প্রতিটি কার্যের পিছনে একটি কারণও থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে অনেক অবদমিত অপ্রাপ্তি ও দীর্ঘকালের ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আবেগকে উড়িয়ে দিলে তো হবে না। একটু সহানুভূতির সঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিশদ

17th  May, 2019
ভোট গণনার সেকাল
একাল ও নতুন চ্যালেঞ্জ
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী তথা বিশ্ববাসী। বিগত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপানউতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

16th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: ভাড়াবাড়ির বাথরুম থেকে বুবাই ঘোষ (৩৬) নামে এক যুবকের গলার নলিকাটা দেহ উদ্ধার করল পুলিস। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে খবর পেয়ে সোমবার রাতে ...

 নয়াদিল্লি, ২১ মে (পিটিআই): নির্বাচনী প্রচারে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে একাধিকবার টেনে এনে কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন। কখনও বফর্স কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে রাজীব গান্ধীকে ‘ভ্রষ্টাচারী নম্বর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবছর মাধ্যমিকের প্রথম দশে জায়গা করে নিল ৫১ জন পরীক্ষার্থী। ৬৯৪ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহম্মদপুর দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের সৌগত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গোপন প্রেম, গোপন থাকবে না। ব্যবসায়ীদের জন্য সময়টি ভালো, বয়স্করা একটু সাবধানী হবেন। ঠান্ডা লাগা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু
১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম
১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক হোমসের স্রস্টা স্টটিশ সাহিত্যিক আর্থার কোনান ডয়েলের জন্ম
১৮৮৫: ফরাসি সাহিত্যিক ভিক্টর হুগোর মৃত্যু
১৯৪০: ক্রিকেটার এরাপল্লি প্রসন্নর জন্ম
১৯৪৬: আইরিশ ফুটবলার জর্জ বেস্টের জন্ম
২০০৪: ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ডঃ মনমোহন সিংয়ের শপথ গ্রহণ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯২ টাকা ৭০.৬১ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১৮ টাকা ৯০.৩৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৫০ টাকা ৭৯.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৮/১৮ রাত্রি ২/৪১। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৪/৫৭/৫৩, অ ৬/৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৪ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৭ মধ্যে।
৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৪/৪৯/৫ রাত্রি ২/৫২/৫৯। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৪/৫৭/২১, অ ৬/১০/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৪/১ গতে ১/১৩/১১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৫/৪১ গতে ৯/৫৪/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫/৪১ গতে ৩/৩৬/৩১ মধ্যে।
১৬ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রবিবার জয়েন্টের জন্য অতিরিক্ত ট্রেন মেট্রোয়
আগামী ২৬ মে, রবিবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত ট্রেন ...বিশদ

08:15:00 AM

জোড়াসাঁকোতে আজ পুনর্নির্বাচন

কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াসাঁকো বিধানসভার সংস্কৃত কলেজের ১ নম্বর ...বিশদ

08:10:00 AM

আজকের রাশিফল
মেষ: ব্যবসায়ীদের জন্য সময়টি ভালো। বৃষ: হঠাৎ প্রাপ্তি, যশ সুনাম দিতে পারে। ...বিশদ

08:07:00 AM

বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো
আধুনীকিকরণ হবে। তাই বদলে যাচ্ছে দূরদর্শনের চিরপরিচিত লোগো। ২০১৭ সালের ...বিশদ

08:00:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক ...বিশদ

07:50:00 AM

মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

21-05-2019 - 04:54:19 PM