বিশেষ নিবন্ধ
 

সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল পরিস্থিতি এবার খুব অনুকূল নয়। মোদিজি জিতবেন ক্ষমতাও রক্ষা পাবে, তবে আজকের মতো এমন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সমীক্ষার ফলাফলেও এমন আভাস মিলেছে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ লোকসভার আগে যে যে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে সেগুলোর কয়েকটিতে তাঁর দলকে রীতিমতো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। সেই পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে দলের ফলাফল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক না হওয়ার সম্ভাবনা প্রকট। এমনকী বাদবাকিগুলোতেও লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে—এমনই উঠে এসেছে সমীক্ষায়। তবে লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির গেরুয়া দলের ফল অতটা মন্দ হবে না। ওই সমীক্ষার মতে, বর্তমান লোকসভার মতো দলের বিরাট নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা না থাকলেও সরকার গড়ার মতো সংখ্যা জোগাড় করে নিতে অসুবিধে হবে না বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর। যার অর্থ দ্বিতীয় বারের জন্য বিজেপি সরকার দেশের ক্ষমতায় আসীন হবে এবং অটলবিহারী বাজপেয়ির উত্তরসুরি নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। অন্তত সমীক্ষার ফলে তার আভাস স্পষ্ট।
এখন ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলে সমীক্ষায় উঠে আসা সম্ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে কি না, গেলেও কতটা যাবে—আমরা জানি না। আমরা কেন বোধহয় কেউই জানেন না। কারণ, লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও বেশ কয়েক মাস দূরে। এই মধ্যবর্তী সময়ে দেশের রাজনীতিতে কতকিছু ঘটবে, কত পরিবর্তন উতোর-চাপান হবে এবং তারপর আজকের জল আজকের অনুমান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—কে বলতে পারে! তার ওপর মানুষের মন বলে কথা। আজ সে মন যা বলছে আজ থেকে বেশ কয়েকমাস পরেও তাই বলবে—এমন গ্যারান্টিই বা কোথায়! সুতরাং, সমীক্ষা যা-ই বলুক পরবর্তী লোকসভার চেহারা চরিত্র নিয়ে এখুনি কোনও সিদ্ধান্ত ভেবে নেওয়া সমীচীন বলে মনে হচ্ছে না।
তবে, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের ধারণা, দেশের বেশ কিছু রাজ্যে রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের সাংগঠনিক দুর্বলতা, যোগ্য নেতৃত্বের অভাব চলতি প্রতিকূলতার মধ্যে আখেরে নরেন্দ্র মোদিজিকেই বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। যথাযোগ্য বিকল্পের অভাবে দেশের সাধারণ মানুষ মন্দের ভালো বলে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দলকেই দ্বিতীয়বার দেশ শাসনের জন্য বেছে নিতে পারে। এক্ষেত্রে ওই অক্সিজেনের জোগান বন্ধ করে ব্যতিক্রম ঘটাতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার ফেডারেল ফ্রন্টের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কংগ্রেস যদি নির্বাচনী যুদ্ধে নামে এবং বিরোধী শিবিরের আরও যাঁরা মুখে সকাল-সন্ধ্যার মোদিজির মুণ্ডপাত করেন তাঁরাও পাশে দাঁড়ান তবে ২০১৯ সালে পদ্ম শিবিরের পক্ষে গড় রক্ষা করা রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। রাহুল গান্ধী অবশ্য ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন—প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। ফল আশানুরূপ হলে সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হলে তখন জোটের ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী ঠিক করা হবে। সাধু প্রস্তাব। তবে, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, একেবারে প্রথম থেকেই মমতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে ফেডারেল ফ্রন্টের নেতৃত্বে বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে ভোটে নামতেন তবে তাঁদের ভালো ফললাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি জোরদার হতো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কন্যাশ্রী সমেত পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের বিশ্বজোড়া খ্যাতি, তাঁর অনমনীয় লড়াকু ভাবমূর্তি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে গোটা দেশের মানুষের মধ্যে আজ যে বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছে—ভোটবাক্সে তার সুফল পাওয়া সহজ হতো। কিন্তু, যতদূর শুনেছি, কংগ্রেসের তরুণ ব্রিগেডের এতে আপত্তি না থাকলেও পুরনোদের একটা অংশ নিজেদের গুমোর ভেঙে মমতার পাশে দাঁড়াতে এখনও প্রস্তুত নন। আসলে, ওই নেতারা বুজতেই পারছেন না, কেবল পশ্চিমবঙ্গেই নয় দেশের অনেক রাজ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা এখন রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি নিষ্ঠা সততায় ওঁদের এমনকী শাসক বিজেপি’র নেতানেত্রীদের থেকে বহু যোজন এগিয়ে। লোকসভা ভোটে ভালো ফল করতে হলে মমতা ছাড়া বিরোধী শিবিরের গতি নেই—বলছে দেশের রাজনৈতিক মহলেরই একটা অংশ।
কিন্তু, কংগ্রেস মমতার পাশে আসুক আর নাই আসুক, এবার কি খুব নিশ্চিন্তে ভোট লড়াইয়ের ময়দানে যেতে পারবেন মোদিজি?! ২০১৪ সালে তাঁর গলায় শরীরী ভঙ্গিতে দেশের মানুষ যে দৃঢ়তা, যে আত্মবিশ্বাস দেখেছিল এবারও কি তা দেখতে পাবে? সংশয় আছে। সংশয়ের কারণ দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে মোদিজির সরকারের ওপর মানুষের আস্থার হানি। দেশের বহু মানুষ যাঁরা ২০১৪ সালো মোদিজির স্বচ্ছ ভারত গড়ার বার্তায় গভীর আস্থা রেখে তাঁকে ভোটে ভরিয়ে দিয়েছিলেন—আজ তাঁরা আশাভঙ্গের যন্ত্রণায় ভুগছেন! ভুগবেন না কেন? দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করার শপথ করে ক্ষমতায় এসেছিলেন যিনি সেই মোদিজির রাজত্বেই তো দুর্নীতির বিরাট বিরাট সব ঘটনা দিনের আলোয় উঠে এল! মেহুল চোকসি, নীরব মোদি, বিজয় মালিয়া—লক্ষ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেল দেশ থেকে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কোষাগার থেকে।
কী করতে পারল সরকার? ব্ল্যাক মানি ধরার জন্য নোটবন্দি হল, দেশে এক কর ব্যবস্থা চালু করতে জিএসটি হল, জমা টাকায় ঝরঝর করে সুদ কমলো, রান্নার গ্যাস ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম চড়তে চড়তে গরিব মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হল আর তার মধ্যেই মরার ওপর খাঁড়ার ঘা-র মতো দেশ জুড়ে ধর্ম ধর্ম করে একটা অরাজকতা ছড়াল, কত মানুষ মারা গেলেন সেই অশান্তিতে! সব মিলিয়ে কাজের কাজ কিছুই হল না, গরিবের জীবনে প্রায় কোনও শুধারই হল না। বরং দেশের মানুষকে প্রতি পদে নানানভাবে আর্থিক চাপের মোকাবিলায় জেরবার হতে হল। এর পর সরকারের প্রতি আস্থা মানুষ ধরে রাখবে কী করে? শুধু মুখের কথায় কতদিন আর ভুলে থাকা যায়?
তার ওপর হালে সিবিআই নিয়ে যা শুরু হয়েছে তাতে তো মানুষের মনে আরও সন্দেহ ঢুকল। যাঁরা দুর্নীতির তদন্ত করে দোষী ধরবেন তাঁদের বিরুদ্ধেই যদি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তবে বিশ্বাসটা থাকবে কোথায়! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের ঘরোয়া কোন্দলের যে চেহারা প্রকাশ্যে এসেছে তারপর মানুষের সেই আস্থা কতটা বজায় থাকবে তা নিয়ে সন্দেহ স্বাভাবিক। কারণ, কোন্দলটা ঘটেছে সিবিআইয়ের শীর্ষস্তরে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আর তাতে মোদি সরকারের জড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে। অনেকেই বলছেন এই কোন্দল এবং তার জেরে শীর্ষস্তরে রদবদলে সিবিআইয়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত মার খাবে। শুধু তাই নয়, নরেন্দ্র মোদির ২০১৯ অভিযানের পথেও সিবিআই গৃহবিবাদ কিছু অতিরিক্ত কাঁটা বিছিয়ে দিতে পারে। তাঁর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের সারবত্তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠতে পারে। এর ফলে ভোটের ময়দানে রাজনৈতিক লড়াইতে মোদিজিকে বাড়তি চাপে পড়তে হতেই পারে।
রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের এই অভিমতের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতে পারে—তাহলে সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল? দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিল কি না বা কতটা বাড়িয়ে দিল তা বলা না গেলেও প্রধানমন্ত্রী যে সিবিআই কর্তাদের বিবাদে বিশেষ অস্বস্তিতে পড়েছেন তাতে সন্দেহ নেই। কারণ, শত হলেও সিবিআই কেন্দ্রীয় সংস্থা। সাধারণ মানুষ সিবিআই বলতে কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা বাহিনীই বোঝেন। তাই, সেই বাহিনীর অন্দরে দুর্নীতির প্রশ্নে বিবাদ খাড়া হলে প্রকারান্তরে তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ঘাড়েই দায় বর্তায়। লোকেও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান হতে পারে। তাতে শাসকদল ও তার নেতৃত্বকে একরকম জবাবদিহির মুখে পড়তেও হয়। সে জবাব কেন্দ্রের তরফে উঠে আসছে ঠিকই তবে তাতে দেশের মানুষের মন কতটা ভরবে, মোদিজির সরকারের ওপর মানুষের আস্থা কতটা ফের বলীয়ান হবে তা নিয়ে শাসক শিবিরে চিন্তা স্বাভাবিক। ২০১৯ লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে পদ্ম শিবিরে এই চিন্তা তত বড় হয়ে দাঁড়াবে। এই চিন্তা দূর করার উপযুক্ত দাওয়াই সময়ে না মিললে ২০১৯ লোকসভা লড়াইয়ের ময়দানে মোদিজির গেরুয়া বাহিনীর অসুবিধে অস্বস্তি বাড়তেই পারে এবং তার প্রভাব ভোটযুদ্ধের ফলে পড়লেও আশ্চর্যের কিছু থাকবে না। তাই না?
28th  October, 2018
মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
বিশদ

07th  January, 2019
একনজরে
সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: ব্রিগেডের ভিড় দেশের যে কোনও সমাবেশকে ছাপিয়ে যায়। এবার তা চাক্ষুষ করে তাঁরা বুঝলেন, কথাটা কতখানি সত্য! জীবনে প্রথমবার কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে দার্জিলিং থেকে এসেছেন ভুটিয়া সম্প্রদায়ের পালগন ভুটিয়া এবং তাঁর সঙ্গীরা। বললেন, এত ভিড় যে কোনও ...

মেক্সিকো, ১৯ জানুয়ারি (এএফপি): শুক্রবার মধ্য মেক্সিকোয় তেল চুরি করতে গিয়ে পাইপলাইনে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭১ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বালতি ও ক্যান নিয়ে স্থানীয়রা পাইপ থেকে গ্যাসোলিন চুরি করছিলেন। সেই সময়ে হঠাৎ পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: সব্জি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে জিয়াগঞ্জ সদর ঘাট সংলগ্ন সব্জি বাজারের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ৬০০০বর্গ ফুটের ছাদ ঢালাই করতে ৫০লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ১৯ জানুয়ারি: ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে খেলবেন ঋষভ পন্থ। মূলত বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস পরখ করে নিতে চাইছেন জাতীয় নির্বাচকরা।   ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কার শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১৯/৫১ দিবা ২/১৯। নক্ষত্র- আর্দ্রা ৪/২১ দিবা ৮/৭ পরে পুনর্বসু ৫৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২২, সূ উ ৬/২২/৫২, অ ৫/১২/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ঘ ১০/২৬ গতে ১/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৫, ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ১/৪২/২৩। আর্দ্রানক্ষত্র ৭/৩৪/১২। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৭/৫৫ থেকে ঘ ৯/৫৯/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫/৩৮ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬/৪১ থেকে ১১/৪৭/১৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৭/১৬ থেকে ১/৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৬/৪১ থেকে ঘ ৩/৬/৬ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সিরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে বিস্ফোরণ, মৃত ৩ 

03:03:00 PM

কেশিয়াড়িতে বনধের ডাক দিল বিজেপি 

03:02:00 PM

এটিএম লুটের ঘটনায় শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার ৩ 

02:20:55 PM

মুর্শিদাবাদের বগরপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ৭ 
মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ। ঘটনায় জখম সাতজন দলীয় কর্মী। ...বিশদ

12:55:00 PM

খড়্গপুর আইআইটিতে গার্ডার ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু, জখম আরও এক 

12:53:57 PM

দামাস্কাসে বিস্ফোরণ, হতাহতের কোনও খবর নেই 

12:12:00 PM