Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল?
শুভা দত্ত

অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল পরিস্থিতি এবার খুব অনুকূল নয়। মোদিজি জিতবেন ক্ষমতাও রক্ষা পাবে, তবে আজকের মতো এমন একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে সংশয় যথেষ্ট। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সমীক্ষার ফলাফলেও এমন আভাস মিলেছে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ লোকসভার আগে যে যে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে সেগুলোর কয়েকটিতে তাঁর দলকে রীতিমতো কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। সেই পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে দলের ফলাফল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক না হওয়ার সম্ভাবনা প্রকট। এমনকী বাদবাকিগুলোতেও লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে—এমনই উঠে এসেছে সমীক্ষায়। তবে লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির গেরুয়া দলের ফল অতটা মন্দ হবে না। ওই সমীক্ষার মতে, বর্তমান লোকসভার মতো দলের বিরাট নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা না থাকলেও সরকার গড়ার মতো সংখ্যা জোগাড় করে নিতে অসুবিধে হবে না বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর। যার অর্থ দ্বিতীয় বারের জন্য বিজেপি সরকার দেশের ক্ষমতায় আসীন হবে এবং অটলবিহারী বাজপেয়ির উত্তরসুরি নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। অন্তত সমীক্ষার ফলে তার আভাস স্পষ্ট।
এখন ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলে সমীক্ষায় উঠে আসা সম্ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে কি না, গেলেও কতটা যাবে—আমরা জানি না। আমরা কেন বোধহয় কেউই জানেন না। কারণ, লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও বেশ কয়েক মাস দূরে। এই মধ্যবর্তী সময়ে দেশের রাজনীতিতে কতকিছু ঘটবে, কত পরিবর্তন উতোর-চাপান হবে এবং তারপর আজকের জল আজকের অনুমান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—কে বলতে পারে! তার ওপর মানুষের মন বলে কথা। আজ সে মন যা বলছে আজ থেকে বেশ কয়েকমাস পরেও তাই বলবে—এমন গ্যারান্টিই বা কোথায়! সুতরাং, সমীক্ষা যা-ই বলুক পরবর্তী লোকসভার চেহারা চরিত্র নিয়ে এখুনি কোনও সিদ্ধান্ত ভেবে নেওয়া সমীচীন বলে মনে হচ্ছে না।
তবে, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের ধারণা, দেশের বেশ কিছু রাজ্যে রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের সাংগঠনিক দুর্বলতা, যোগ্য নেতৃত্বের অভাব চলতি প্রতিকূলতার মধ্যে আখেরে নরেন্দ্র মোদিজিকেই বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। যথাযোগ্য বিকল্পের অভাবে দেশের সাধারণ মানুষ মন্দের ভালো বলে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দলকেই দ্বিতীয়বার দেশ শাসনের জন্য বেছে নিতে পারে। এক্ষেত্রে ওই অক্সিজেনের জোগান বন্ধ করে ব্যতিক্রম ঘটাতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার ফেডারেল ফ্রন্টের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কংগ্রেস যদি নির্বাচনী যুদ্ধে নামে এবং বিরোধী শিবিরের আরও যাঁরা মুখে সকাল-সন্ধ্যার মোদিজির মুণ্ডপাত করেন তাঁরাও পাশে দাঁড়ান তবে ২০১৯ সালে পদ্ম শিবিরের পক্ষে গড় রক্ষা করা রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। রাহুল গান্ধী অবশ্য ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন—প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না। ফল আশানুরূপ হলে সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হলে তখন জোটের ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী ঠিক করা হবে। সাধু প্রস্তাব। তবে, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, একেবারে প্রথম থেকেই মমতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে ফেডারেল ফ্রন্টের নেতৃত্বে বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে ভোটে নামতেন তবে তাঁদের ভালো ফললাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি জোরদার হতো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কন্যাশ্রী সমেত পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের বিশ্বজোড়া খ্যাতি, তাঁর অনমনীয় লড়াকু ভাবমূর্তি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে গোটা দেশের মানুষের মধ্যে আজ যে বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছে—ভোটবাক্সে তার সুফল পাওয়া সহজ হতো। কিন্তু, যতদূর শুনেছি, কংগ্রেসের তরুণ ব্রিগেডের এতে আপত্তি না থাকলেও পুরনোদের একটা অংশ নিজেদের গুমোর ভেঙে মমতার পাশে দাঁড়াতে এখনও প্রস্তুত নন। আসলে, ওই নেতারা বুজতেই পারছেন না, কেবল পশ্চিমবঙ্গেই নয় দেশের অনেক রাজ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা এখন রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি নিষ্ঠা সততায় ওঁদের এমনকী শাসক বিজেপি’র নেতানেত্রীদের থেকে বহু যোজন এগিয়ে। লোকসভা ভোটে ভালো ফল করতে হলে মমতা ছাড়া বিরোধী শিবিরের গতি নেই—বলছে দেশের রাজনৈতিক মহলেরই একটা অংশ।
কিন্তু, কংগ্রেস মমতার পাশে আসুক আর নাই আসুক, এবার কি খুব নিশ্চিন্তে ভোট লড়াইয়ের ময়দানে যেতে পারবেন মোদিজি?! ২০১৪ সালে তাঁর গলায় শরীরী ভঙ্গিতে দেশের মানুষ যে দৃঢ়তা, যে আত্মবিশ্বাস দেখেছিল এবারও কি তা দেখতে পাবে? সংশয় আছে। সংশয়ের কারণ দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে মোদিজির সরকারের ওপর মানুষের আস্থার হানি। দেশের বহু মানুষ যাঁরা ২০১৪ সালো মোদিজির স্বচ্ছ ভারত গড়ার বার্তায় গভীর আস্থা রেখে তাঁকে ভোটে ভরিয়ে দিয়েছিলেন—আজ তাঁরা আশাভঙ্গের যন্ত্রণায় ভুগছেন! ভুগবেন না কেন? দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করার শপথ করে ক্ষমতায় এসেছিলেন যিনি সেই মোদিজির রাজত্বেই তো দুর্নীতির বিরাট বিরাট সব ঘটনা দিনের আলোয় উঠে এল! মেহুল চোকসি, নীরব মোদি, বিজয় মালিয়া—লক্ষ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেল দেশ থেকে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কোষাগার থেকে।
কী করতে পারল সরকার? ব্ল্যাক মানি ধরার জন্য নোটবন্দি হল, দেশে এক কর ব্যবস্থা চালু করতে জিএসটি হল, জমা টাকায় ঝরঝর করে সুদ কমলো, রান্নার গ্যাস ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম চড়তে চড়তে গরিব মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে যাওয়ার উপক্রম হল আর তার মধ্যেই মরার ওপর খাঁড়ার ঘা-র মতো দেশ জুড়ে ধর্ম ধর্ম করে একটা অরাজকতা ছড়াল, কত মানুষ মারা গেলেন সেই অশান্তিতে! সব মিলিয়ে কাজের কাজ কিছুই হল না, গরিবের জীবনে প্রায় কোনও শুধারই হল না। বরং দেশের মানুষকে প্রতি পদে নানানভাবে আর্থিক চাপের মোকাবিলায় জেরবার হতে হল। এর পর সরকারের প্রতি আস্থা মানুষ ধরে রাখবে কী করে? শুধু মুখের কথায় কতদিন আর ভুলে থাকা যায়?
তার ওপর হালে সিবিআই নিয়ে যা শুরু হয়েছে তাতে তো মানুষের মনে আরও সন্দেহ ঢুকল। যাঁরা দুর্নীতির তদন্ত করে দোষী ধরবেন তাঁদের বিরুদ্ধেই যদি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তবে বিশ্বাসটা থাকবে কোথায়! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের ঘরোয়া কোন্দলের যে চেহারা প্রকাশ্যে এসেছে তারপর মানুষের সেই আস্থা কতটা বজায় থাকবে তা নিয়ে সন্দেহ স্বাভাবিক। কারণ, কোন্দলটা ঘটেছে সিবিআইয়ের শীর্ষস্তরে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আর তাতে মোদি সরকারের জড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে। অনেকেই বলছেন এই কোন্দল এবং তার জেরে শীর্ষস্তরে রদবদলে সিবিআইয়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত মার খাবে। শুধু তাই নয়, নরেন্দ্র মোদির ২০১৯ অভিযানের পথেও সিবিআই গৃহবিবাদ কিছু অতিরিক্ত কাঁটা বিছিয়ে দিতে পারে। তাঁর স্বচ্ছ ভারত অভিযানের সারবত্তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠতে পারে। এর ফলে ভোটের ময়দানে রাজনৈতিক লড়াইতে মোদিজিকে বাড়তি চাপে পড়তে হতেই পারে।
রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের এই অভিমতের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতে পারে—তাহলে সিবিআই গৃহবিবাদ ভোটের আগে মোদিজির দুশ্চিন্তা কি বাড়িয়ে দিল? দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিল কি না বা কতটা বাড়িয়ে দিল তা বলা না গেলেও প্রধানমন্ত্রী যে সিবিআই কর্তাদের বিবাদে বিশেষ অস্বস্তিতে পড়েছেন তাতে সন্দেহ নেই। কারণ, শত হলেও সিবিআই কেন্দ্রীয় সংস্থা। সাধারণ মানুষ সিবিআই বলতে কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা বাহিনীই বোঝেন। তাই, সেই বাহিনীর অন্দরে দুর্নীতির প্রশ্নে বিবাদ খাড়া হলে প্রকারান্তরে তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ঘাড়েই দায় বর্তায়। লোকেও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে সন্দিহান হতে পারে। তাতে শাসকদল ও তার নেতৃত্বকে একরকম জবাবদিহির মুখে পড়তেও হয়। সে জবাব কেন্দ্রের তরফে উঠে আসছে ঠিকই তবে তাতে দেশের মানুষের মন কতটা ভরবে, মোদিজির সরকারের ওপর মানুষের আস্থা কতটা ফের বলীয়ান হবে তা নিয়ে শাসক শিবিরে চিন্তা স্বাভাবিক। ২০১৯ লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে পদ্ম শিবিরে এই চিন্তা তত বড় হয়ে দাঁড়াবে। এই চিন্তা দূর করার উপযুক্ত দাওয়াই সময়ে না মিললে ২০১৯ লোকসভা লড়াইয়ের ময়দানে মোদিজির গেরুয়া বাহিনীর অসুবিধে অস্বস্তি বাড়তেই পারে এবং তার প্রভাব ভোটযুদ্ধের ফলে পড়লেও আশ্চর্যের কিছু থাকবে না। তাই না?
28th  October, 2018
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের যাবতীয় নথি পরীক্ষা করলেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক বিনোদ জুৎসি। বুধবার আগরতলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের দপ্তরে ওই লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের পর্যালোচনাব বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। ...

 বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: বিদেশি পর্যটক টানার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সর্বশেষ হিসেব বলছে, দেশে যত বিদেশি পর্যটক পা রাখেন, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে। এমনকী কেরল বা গোয়া— পর্যটন সংক্রান্ত আলোচনায় যে অঙ্গরাজ্যগুলির নাম আগে ...

সংবাদদাতা, ধনেখালি: বুধবার সকালে তারকেশ্বর বিধানসভা ও ধনেখালি থানার অন্তর্গত গোপীনাথপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করলেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার। হুডখোলা ৩০টি টোটো, প্রায় ৫০টি বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা করেন তৃণমূল প্রার্থী। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপি থাকলে দেশে আগুন জ্বলবে: মমতা 

02:08:16 PM

হোমওয়ার্ক করে আসেন না মোদিবাবু: মমতা 

02:05:00 PM

নরেন্দ্র মোদি কাজ করতে জানে না: মমতা

02:04:58 PM

বাংলায় রসোগোল্লা পাবে বিজেপি: মমতা 

02:03:00 PM

মোদিবাবুর ভিক্ষা চাই না: মমতা 

01:59:00 PM

মানে মানে সরে পড়ুন, কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ মমতার 

01:57:00 PM